Kushtia Technical School & College

Kushtia Technical School & College

Share

Official facebook Page Of ~~~ Kushtia Technical School & Collage~~~
Web: www.ktsc.gov.bd Phone: +8807171065

22/02/2023

একজন কম্পিউটার অপেরটর দরকার ,,,,
দোকান থানার মোড় ,কুষ্টিয়া
বাংলাই টাইপিং ইসপ্রিড ভালো হওয়া লাগবে ...
বাংলা টাইপিংয়ের দক্ষতা দেখান (ক্ষ্র) (হ্ম) (ঞ্জ) (জ্ঞ)
☎01765-436407

09/05/2020

বাংলা স্বরবর্ণের Emoji

😯অ 😮আ 😬ই 😫ঈ 😙উ 😚ঊ
☺ঋ 😛এ 🤑ঐ 😲ও 😱ঔ

Untitled album 16/11/2019
Photos from Kushtia Technical School & College's post 14/03/2018

সততা স্টোর এবং আমি ও আমার প্রতিষ্ঠান দুর্নীতি মুক্ত।

19/01/2018

HSC (vocatinal) পাশ ছাত্র/ছাত্রী ডিপ্লোমা- ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং এ ৪র্থ সেমিষ্টারে ভর্তি হতে পারবে। আবেদনের শেষ তারিখ ৩১/০১/২০১৮
বিস্তারিত BTEB ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে।

Photos from Kushtia Technical School & College's post 09/08/2017

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলোজি ১ম পর্বের বেসিক ইলেকট্রিসিটি বিষয়ের ব্যবহারিক ক্লাস,টিএসসি, কুষ্টিয়া।

Photos 21/02/2017
Photos 31/12/2016

কারিগরি শিক্ষা নিন বদলে যাবে আপনার দিন।

29/12/2016

মুসলিম-সমাজে থার্টি ফার্স্ট নাইট!

আমরা অতি শীঘ্র ২০১৭ তে পদার্পণ করতে যাচ্ছি। অর্থাৎ আমাদের জীবন থেকে পূর্ণ একটি বছর বিদায় নিল। নতুন বছরকে নতুন চেতনায় গ্রহণ করতে হলে মুহাসাবা ও আত্মসমালোচনার কোনো বিকল্প নেই। অথচ এই সময় আত্মসমালোচনার পরিবর্তে আত্মবিস্মৃতির দৃষ্টান্তই প্রকটভাবে দেখা যায়।
নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে দেশের শহর-নগরগুলোতে জমে ওঠে উদ্দাম নাচ-গানের আসর। আমাদের মিডিয়া একে আদর করে বলে ‘তারণ্যের উন্মাদনা’। যেন তরুণ মাত্রেরই উন্মাদ হওয়া অপরিহার্য।
এই উন্মাদনা এতটাই বাঁধভাঙ্গা রূপ ধারণ করে যে, রীতিমতো আইন্তশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে। দৈনিক যুগান্তরের ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ সংখ্যায় এ সংক্রান্ত রিপোর্টের শিরোনাম ছিল-‘থার্টি ফার্স্ট নাইট : মাঠে ১২ হাজার নিরাপত্তাকর্মী’। তাতে বলা হয়, ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটকে সামনে রেখে রাজধানীতে দূর্ভেদ্য নিরাপত্তাবলয় গড়ে তুলছে ঢাকা মেট্রো পলিটন পুলিশ। এ রাতে উৎসবের নামে বেসামাল হয়ে পড়লেই জনসমাগমে ‘জলকামান’থেকে ছিটিয়ে দেওয়া হবে হিমশীতল পানি। ফাইভ স্টার হোটেলগুলোতে সাদা পোশাকে পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। পুলিশের পাশাপাশি এলিট ফোর্স র‌্যাবের পাঁচ হাজারেরও বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। রাজধানীতেই থাকবেন দুই হাজার র‌্যাব সদস্য। প্রকাশ্যে মাতলামী করলেই অ্যাকশনে যাবে র‌্যাব। ক্লাব ও নামীদামী তারকা হোটেলগুলোতে অপ্রীতিকর ঘটনার বিষয়টি মাথায় রেখে পুলিশ সবধরনের উন্মাদনা ঠেকাতে ব্যাপক প্রস'তি নিয়েছে।’
এই উচ্ছৃঙ্খল পশ্চিমা কালচার বিগত দেড় দশক যাবত বাংলাদেশে চর্চিত হচ্ছে। এদেশের ঈমানদার নাগরিকদের জন্য এর চেয়ে লজ্জার বিষয় আর কী হতেপারে?
মুসিলম পিতামাতার সন্তানরা এ রাতে ভেসে যায় আল্লাহর নাফরমানীর সয়লাবে। সর্বত্র ছেলেমেয়ের অবাধ মেলামেশা প্রকট রূপ ধারণ করে। তরুণ-তরুণীরা জোড়ায় জোড়ায় ঘুরে বেড়ায়, রেস্তোরাঁ, পার্ক-উদ্যান, নাইট ক্লাব ইত্যাদিতে। বহু অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে থাকে। গত কয়েক বছর আগে রাজধানী ঢাকার এক উদ্যানে ঘটে যাওয়া এক দুর্ঘটনার কথা তখন পত্র-পত্রিকায় প্রধান শিরোনাম হয়েছিল।
নাইট ক্লাব ও ‘অভিজাত’হোটেলগুলোতে বসে মদের আসর। তরুণ-তরুণীদের প্রলুব্ধ করার জন্য থাকে নানা রকম আয়োজন। ফলে নারী ও মদে পঙ্কিল হয়ে ওঠে বছরের প্রথম দিনরাত্রিগুলো।
দৈনিক যুগান্তরের ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ সংখ্যায় একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে-‘এ রাতে হোটেল সোনারগাও, শেরাটন, ঢাকা রিজেন্সি, রেডিসন ও হোটেল পূর্বাণীতে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন ক্লাব ও থ্রি স্টার হোটেলেও তরুণ-তরুণীদের দেওয়া হচ্ছে আকর্ষণীয় অফার। এসব অনুষ্ঠানে পানীয় ছাড়াও রাখা হয়েছে নানা আয়োজন। ইতিমধ্যেই এসব অনুষ্ঠানের টিকিট শেষ হয়ে গেছে।’
বলাবাহুল্য, পাপাচারও নাফরমানির মধ্য দিয়ে যে বছরের সূচনা তা জাতির জীবনে কতটুকু সুফল বয়ে আনবে তা খুব সহজেই অনুমেয়।

থার্টি ফার্স্ট নাইট ও বুদ্ধিজীবী সমপ্রদায়

এই নোংরা কালচারটি আমদানী করেছেন এদেশেরই কিছু বুদ্ধিজীবী। এরা একটি শালীন সমাজের বুনিয়াদ গড়ার পরিবর্তে অশ্লীলতার ভাগাড় সৃষ্টি করতেই উৎসাহী। এরা একদিকে পহেলা বৈশাখের মাহাত্ম্য প্রচার করেন অন্যদিকে ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’উদযাপনের উসকানী দিয়ে থাকেন। আশ্চর্যের বিষয় এই যে, তারাই আবার যুবশ্রেণীকে উপদেশ দেন্ত‘মাদক, সন্ত্রাস ও নারী নির্যাতনকে না বলুন’।
প্রশ্ন এই যে, উচ্ছৃঙ্খলা ও পাপাচারের অসংখ্য উপলক্ষ তৈরি করে মাদক, সন্ত্রাস ও নারী নির্যাতন বন্ধ করা কি কোনোভাবেই সম্ভব?
একজন সাধারণ রুচিশীল মানুষও থার্টি ফার্স্ট নাইটের এই নোংরামি সমর্থন করতে পারেন না। এই ধরনের পাপাচার বন্ধ করতে সচেষ্ট হওয়া প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের অবশ্যকর্তব্য। আর একটি মুসলিম দেশের অভিভাবক হিসেবে দেশের সরকারের কর্তব্য এই ধরনের চরিত্রবিধ্বংসী বিজাতীয় উৎসব কঠোরহস্তে দমন করা।

10/12/2016

“ তুমি যাকে ভালবাসবে হাশরের ময়দানে তার সাথেই থাকবে।“

হযরত মুহাম্মদ (সঃ)
[ বুখারী ২য় খন্ড ৯১১]

Want your school to be the top-listed School/college in Kushtia?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Kushtia
7000

Opening Hours

Monday 07:00 - 17:00
Tuesday 07:00 - 17:00
Wednesday 07:00 - 17:00
Thursday 07:00 - 17:00
Saturday 07:00 - 17:00
Sunday 07:00 - 17:00