কুষ্টিয়া জিলা স্কুল (Kushtia Zila School)

কুষ্টিয়া জিলা স্কুল (Kushtia Zila School) কুষ্টিয়া জিলা স্কুল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি

কুষ্টিয়া জিলা স্কুল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি। ১৯৬১ সালে এই স্কুলটি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার অন্তর্গত মজমপর এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬১ সালে এর প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই স্কুল এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা স্কুল হিসেবে আত্মপ্রতাশ করে। অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি এই স্কুলে তাঁর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করেছেন।

#কুষ্টিয়াজিলাস্কুল #কুষ্টিয়ারগর্ব #ঐতিহ্যবাহিকুষ্টিয়া #বাংলারস্কুল #কুষ্টিয়াশিক্ষা #শিক্ষারআলয় #স্কুলজীবন #জিলাস্কুলগৌরব #বাংলাদেশেরস্কুল #কুষ্টিয়ারঐতিহ্য #মেধারআলয় #স্কুলমেমোরিজ #ছাত্রজীবন #কুষ্টিয়ারছাত্র #গৌরবময়স্কুল #বাংলারঅগ্রদূত #কুষ্টিয়ারইতিহাস #শিক্ষাক্ষেত্র #জিলাস্কুলপ্রেম #কুষ্টিয়াশিক্ষাঙ্গন #স্কুলপ্রতিষ্ঠান #স্কুলজীবনেরমধুরতা #কুষ্টিয়াক্যাম্পাস #স্কুলবন্ধু #জ্ঞানকেন্দ্র

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা !!!
10/07/2022

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা !!!

'হিজ মাস্টার্স ভয়েস’. বিজ্ঞান ও প্রভুভক্তির একটি ছোট্ট কাহিনী! আপনি পড়বেন ― হয়ত দু'এক ফোঁটা চোখের জলের সাথেই! যাঁরা গা...
28/03/2022

'হিজ মাস্টার্স ভয়েস’.

বিজ্ঞান ও প্রভুভক্তির একটি ছোট্ট কাহিনী! আপনি পড়বেন ― হয়ত দু'এক ফোঁটা চোখের জলের সাথেই!
যাঁরা গান ভালোবাসেন তাঁরা ছোটবেলায় ‘হিজ মাস্টার্স ভয়েস’ বা এইচ এম ভি'র লংপ্লেয়িং রেকর্ডের লোগোটি নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন! লোগোটিতে একটি ডিস্কগ্রামোফোনের সামনে বসে সংগীত শ্রবণরত কুকুরটিকে নিশ্চিতভাবেই মনে আছে! তবে হয়তো অনেকেই এই লোগোটির পেছনের সত্য কাহিনীটি জানেন না! কুকুরটি একটি মিক্সড পেরিয়ার গোত্রের! ও ছিল ওর মনিবের ভীষণ আদরের!

কুকুরটির নাম ছিল ‘নিপার’ ! আর ওর মনিবের নাম মার্ক ব্যারাউ! মার্ক তাঁর ভাই ফ্রানসিস আর নিপারকে নিয়ে তাদের সংসার! ভাল গান গাইতেন মার্ক, আর ফ্রানসিস ছিলেন চিত্রশিল্পী! তখন সিলিন্ডার গ্রামোফোনের যুগ! তাই মার্ক তাঁর গানের বা কণ্ঠস্বরের একটি রেকর্ড তৈরি করিয়েছিলেন! কিন্তু দুঃখের বিষয় মার্ক অতি অল্প বয়সে হঠাৎ মারা যান! তার ভাইয়ের কাছে রেখে যান তাঁর প্রিয় ‘নিপারকে’ ! এদিকে ফ্রানসিসের আদর-যত্ন সত্ত্বেও মার্কের মৃত্যুকে নিপার মেনে নিতে পারছিল না! নিপার খাওয়া দাওয়া প্রায় ত্যাগ করে সবসময়েই ঘরের একটা কোনে মনমরা হয়ে শুয়ে থাকতো! এইরকমভাবে কাটলো বছর তিনেক!

একদিন ফ্রানসিস তার ভাইয়ের রেখে যাওয়া কণ্ঠস্বরের রেকর্ডটা ধুলো ঝেড়ে সিলিন্ডার গ্রামোফোনের উপর চাপিয়ে বাজিয়ে শুনছিল! হঠাৎ সে খেয়াল করলো প্রায় আধমরা নিপার তার মনিবের কণ্ঠস্বর শুনে ছুটে এসে স্পিকারের একেবারে সামনে বসে অধীর আগ্রহে সেই কণ্ঠস্বর শুনছিল! বিষয়টি ফ্রানসিসের হৃদয় স্পর্শ করলো! ফ্রানসিস শিল্পী তাই সে ঐ দৃশ্যটি চিত্রায়িত করে ফেলল ক্যানভাসে!

এর কয়েকদিন পরেই নিপার মারা যায়! ঠিক ঐ সময় ১৮৯৯ সালে লন্ডনে গ্রামোফোন কোম্পানি তাদের কোম্পানির জন্য একটি লোগো আহ্বান করে বিজ্ঞাপন দেয়! ফ্রানসিস যথারীতি নিপার আর তার ভাইয়ের গ্রামোফোনের চিত্রটি বিবেচনার জন্য পাঠালেন! অনেক চিত্র ও লোগো জমা পড়ল! কোম্পানির একজন ডাইরেক্টর ফ্রানসিসের কুকুরের গান শোনার ছবিটি বেকার বলে নাকচই করে দিয়েছিলেন! কিন্তু অন্য আর একজন ডাইরেক্টর ফ্রানসিসকে ডেকে ছবিটির মর্মার্থ জানতে চাইলেন! ফ্রানসিসের মুখে ছবিটির পশ্চাৎপটের কাহিনী শুনে ঐ পরিচালক মহাশয়ের দুচোখ ভরে উঠলো জলে! ব্যাস, ফ্রানসিসের ঐ চিত্রটিই গ্রামোফোন কোম্পানি ১০০ পাউন্ডে কিনে নিলেন এবং লোগো হিসাবে গ্রহণ করলেন আর কোম্পানির নামটিও নিপারের অসাধারণ ভালবাসাকে সম্মান দিতে পাল্টে রাখা হলো ‘হিজ মাস্টার্স ভয়েস’! সত্যি কি করুণ অথচ কি মিষ্টি কাহিনী তাই না ?

সংগৃহীত

পিএইচডি করতে তিনি পাড়ি দিয়েছিলেন জার্মানি | যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতেন সেই সময়ে আইনস্টাইন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ...
24/02/2022

পিএইচডি করতে তিনি পাড়ি দিয়েছিলেন জার্মানি | যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতেন সেই সময়ে আইনস্টাইন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। একবার সেই শহরে এক কৌতুক প্রতিযোগিতার আয়োজন হল | স্থানীয় জার্মান ভাষায় | আর সেই প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান পেলেন এক বাঙালি | ভাবা যায় !

একবার এক রাষ্ট্রদূত তাঁর সাথে সাক্ষাত করে আলাপ করলেন। পরে সেই রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, “আমি জীবনে এত অল্প সময়ের মধ্যে পৃথিবীর এত বিষয়ে আলাপ শুনি নাই, যেটা উনি আমাকে শুনিয়েছিলেন অল্প কয়েক ঘন্টার মধ্যে।"

১৭ টি ভাষা ছিল তাঁর দখলে | ১৭ টি ভাষাতেই তিনি কথা থেকে শুরু করে লিখতে পর্যন্ত পারতেন | "গীতা" সম্পূর্ণ মুখস্থ | কবিগুরুর "গীতবিতান" শেষ থেকে শুরু সম্পূর্ণ মুখস্থ | একবার এক অনুষ্ঠানে এক পুরোহিত সংস্কৃত ভাষায় গীতা সম্বন্ধে বক্তব্য রাখছিলেন | উনি ধরে ফেললেন কিছু জায়গায় ভুল বলেছেন ওই পুরোহিত | দাঁড়িয়ে সমস্ত বক্তব্য মূল সংস্কৃত ভাষায় কী হবে তা মুখস্থ বলে গেলেন | উপস্থিত দর্শকেরা হতবাক |

তিনি সৈয়দ মুজতবা আলী | হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় "বংগীয় শব্দকোষ” রচনা করেছিলেন | সেই হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় মারা যাবার পূর্বে বলেছিল, “আমার অভিধান যদি কোনো সময় সংশোধন করার প্রয়োজন হয় তাহলে যেন সৈয়দ মুজতবা আলী সেটা করে।” এর মাধ্যমেই বোঝা যায় সৈয়দ মুজতবা আলী-র বাংলা ভাষায় কত গভীর দখল ছিল |

আদ্যন্ত ধর্ম নিরপেক্ষ মানুষ ছিলেন সৈয়দ মুজতবা আলী | জাত ধর্ম নয় | মনুষ্যত্বের শিক্ষাই ছিল তাঁর আদর্শ | কটাক্ষের শিকার হতেন প্রায়ই | অনেকেই বলত,‘মুজতবা আলীর ধর্ম নিরপেক্ষ উদার দৃষ্টিভঙ্গি একটা আইওয়াশ, আসলে আলী একজন ধুরন্ধর পাকিস্তানি এজেন্ট।’ আক্ষেপ করে লেখক শংকরকে বলেছিলেন, ‘এক একটা লোক থাকে যে সব জায়গায় ছন্দপতন ঘটায়, আমি বোধহয় সেই রকম লোক।’

রসবোধ ছিল খুব বেশি | মৃত্যুর আগে অবধিও তা বজায় ছিল | বলেছিলেন,"আমার মৃত্যুর পর সবাইকে বলবে আলী সাহেব তার বেস্ট বইটা লেখার কথা ভাবছিলেন। কিন্তু কী করবেন, উনার তো প্যারালাইসিস হয়ে ডান হাতটা অবশ হয়ে গেল। হাতটা ভালো থাকলে তিনি দেখিয়ে দিতেন সৈয়দ মুজতবা আলীর বেস্ট বই কাকে বলে।"

তাঁর লেখা পড়লে অনুধাবন করা যায় তাঁর লেখনীর গভীরতা, তাঁর জীবনতৃষ্ণার প্রতি ভালবাসা। সৈয়দ মুজতবা আলী-র মত সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যে বিরল |

"Nothing makes a man so adventurous as an empty pocket."— Victor Hugo
30/01/2022

"Nothing makes a man so adventurous as an empty pocket."
— Victor Hugo

Address

Kushtia

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কুষ্টিয়া জিলা স্কুল (Kushtia Zila School) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category