25/07/2025
🎉 শুভ জন্মদিন, কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান মিল্টন খন্দকার 🎶
বাংলা গানের জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যাঁর কলমে এবং সুরে যুগের পর যুগ বেঁচে আছে মানুষের আবেগ, প্রেম, বেদনা ও ভালোবাসা—তিনি হলেন মিল্টন খন্দকার।
কুষ্টিয়ার গর্বিত সন্তান এই গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক বহু জনপ্রিয় গানের জন্ম দিয়েছেন, যা আজও আমাদের হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হয়। তাঁর রচিত ও সুরারোপিত গানগুলো যেমন আবেগঘন, তেমনি চলচ্চিত্রের সঙ্গীতকে করে তুলেছে গভীরতর ও স্মরণীয়।
“এই হৃদয় তুমি যে চাও না”, “তুমি আমার প্রথম সকাল”, “মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে এলাম”—এসব গান শুধু সুর নয়, আমাদের জীবনের আবেগের অংশ হয়ে আছে। বাংলা চলচ্চিত্র ও সংগীতাঙ্গনে তিনি রেখে গেছেন অমলিন ছাপ।
আজ তাঁর জন্মদিনে গুরুকুল কালচারাল ক্লাব তাঁকে জানায় বিনম্র শ্রদ্ধা, অফুরন্ত শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা।
আপনার সুরে বাংলা সংস্কৃতি আরও সমৃদ্ধ হোক, আপনার জীবনে থাকুক সুস্থতা, সৃষ্টিশীলতা এবং শান্তি।
💐 শুভ জন্মদিন, গানের শ্রদ্ধেয় সাধক মিল্টন খন্দকার 💐
আপনার সৃষ্টির ভুবন দীর্ঘজীবী হোক
#কুষ্টিয়ার_কৃতি_সন্তান #শুভ_জন্মদিন #বাংলা_গান #গীতিকার #সুরকার #মিউজিক_ডিরেক্টর
22/07/2025
🎂 Happy Birthday, Suriya Sivakumar! 🎂
Celebrating the journey of a true artist whose passion and versatility have made waves in Tamil cinema and beyond. May your special day be filled with love, laughter, and inspiration for even greater heights ahead. Here’s to more unforgettable roles and moments! 🌟🎬
15/12/2024
Remembering Ustad Zakir Hussain: A Tabla Maestro's Legacy Lives On
https://en.artsandculturegoln.com/remembering-ustad.../
Remembering Ustad Zakir Hussain: A Tabla Maestro's Legacy Lives On - Arts & Culture Gurukul, GOLN | English
It is with profound sorrow that we mourn the passing of Ustad Zakir Hussain, a maestro whose genius transcended boundaries, bringing Indian classical music to
15/12/2024
It is with profound sorrow that we mourn the passing of Ustad Zakir Hussain, a maestro whose genius transcended boundaries, bringing Indian classical music to global prominence. His unmatched tabla artistry and groundbreaking collaborations enriched countless lives and inspired generations.
Ustad Zakir Hussain’s contributions, from classical to fusion, embody the timeless power of rhythm and melody. His legacy will continue to resonate in the hearts of music lovers worldwide.
Our thoughts and prayers are with his family and admirers during this difficult time.
13/12/2024
কবি হেলাল হাফিজ আর নেই :(
গুরুতর দুঃখের সাথে আমরা জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের কবিতার জগতে অনন্য প্রতিভাধর, অমর পঙ্ক্তি "এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়" এর স্রষ্টা কবি হেলাল হাফিজ আর আমাদের মাঝে নেই। ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, বেলা আড়াইটার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে তাকে নিয়ে এলে ডাক্তাররা জানান তিনি ইতমধ্যে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
কবি হেলাল হাফিজ তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ (১৯৮৬) দিয়েই বাংলা সাহিত্যের অঙ্গনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেন। লড়াই, প্রেম, বিরহ, দ্রোহ এবং জীবনযাপনের গভীর বাস্তবতাকে শব্দে বন্দী করার অসামান্য দক্ষতা তাকে এক কিংবদন্তি কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তার রচিত ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ এবং ‘অগ্ন্যুৎসব’ কবিতা আজও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের অনুপ্রেরণা জোগায়।
বাংলা সাহিত্যে এত অল্প কবিতা লিখেও এত বড় প্রভাব বিস্তার করার নজির বিরল। ‘যে জলে আগুন জ্বলে’, ‘কবিতা একাত্তর’ এবং ‘বেদনাকে বলেছি কেঁদো না’ গ্রন্থসমূহ বাংলা কবিতার অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।
গুরুকুল ক্যাম্পাস লার্নিং নেটওয়ার্ক (GCLN) এর পক্ষ থেকে আমরা কবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। তার মৃত্যু আমাদের সাহিত্যাঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করেছে। আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করি এবং তার অবদানকে যুগ যুগ ধরে স্মরণে রাখার অঙ্গীকার করছি।
কবি হেলাল হাফিজ, আপনি আমাদের হৃদয়ে চির অমলিন।
#কবি_হেলাল_হাফিজ #হেলাল_হাফিজ #হেলালহাফিজ #কবি #কবিতা #বাংলাদেশ #সাহিত্য
30/12/2022
রাজারহাট গ্রামের একজন ধনী ব্যক্তি, ঠিক করলেন, তিনি কিছু সম্পত্তি ঈশ্বরের নামে দান করবেন। তার পরিকল্পনা মতে, তিনি সেখানে একটি মন্দির বানাবেন, তারপর সেখানে একটি ফুলের বাগান লাগাবেন। কিছু চাষের জমি সেখানে থাকবে, আর সেখানে সারাবছর ধরে চাষাবাস হবে। আর সেই দিয়েই যেন মন্দিরের খরচা চলে যায়। তিনি ঠিক করলেন যে, তিনি সেখানে একটি বিশ্রামালয় বানাবেন। দুরদিগন্ত থেকে আসা পুণ্যার্থীরা সেখানে চাইলেই দুই-তিন দিন থাকতে পাড়বেন। তাদের খাওয়ার যেন সু-বন্দবস্ত হয় সেই দিকেও তিনি খেয়াল দেওয়ার কথা ভাবলেন। তার পরিকল্পনা সব কিছুই তিনি ঠিক করে রেখেছিলেন। কিন্তু তিনি কিছুতেই নিজের মনের মত একটি লোককে খুঁজে পাচ্ছেন না, যার উপর তিনি এই সব কাজের ভাঁড় দিবেন।
তার এমন পরিকল্পনার কথা শুনে, অনেক মানুষই তার কাছে এলেন, এটা ভেবে যে, কোনো মতে সেখানে ঢুকে গেলে, আর পয়সার অভাব হবে না। কিন্তু সেই ধনী ব্যক্তিটি কিছুতেই কাউকে দায়িত্ব দিলেন না। কারণ তার কাউকেই পছন্দ হল না।
এরপর তিনি নিজেই মন্দির নির্মাণ কাজে দেখাশোনা করতে লাগলেন। কিন্তু এত ব্যস্ততার মধ্যে তিনি এদিকে সময় দিতে পাড়েন না। তাই আবারও তিনি একজন ভালো মানুষের খোঁজ শুরু করলেন। এবারও অনেক মানুষ তার কাছে এল, কিন্তু ব্যক্তিটির কাউকেই পছন্দ হল না। আগন্তুক লোকগুলি ব্যক্তিটিকে পাগল বলে গালাগালি দিতে দিতে চলে গেল।
প্রতিদিন সেই ব্যক্তিটি মন্দিরের সামনের বিশ্রামাগারে বসে আগন্তুক মানুষদের দিকে দেখে থাকত। তার চোখ এমন কোনো ব্যাক্তিকে খুঁজছে , যে সাধারণ হবে, দায়িত্ব পরায়ণ হবে। এত মানুষের ভিড় উপেক্ষা করে, তার চোখ একজন মানুষের দিকে গেল, যার পায়ে কোনো জুতো নেই, শরীরের বস্র স্থানে স্থানে ছিঁড়ে গেছে।
এই মানুষটিকেই তার পছন্দ হল। এরপর সেই মানুষটি যাওয়ার রাস্তা ধরতেই, ধনী ব্যাক্তিটি তাকে কাছে ডেকে বললেন- “আমি তোমাকে এই বিশাল মন্দিরটির দায়িত্বভাঁড় দিতে চাই। তুমি এই মন্দিরটির দায়িত্বভাঁড় গ্রহণ করতে রাজী আছো কি নেই?” সেই লোকটি অবাক হয়ে বলল- “বাবু, আমি পড়তে জানিনা লিখতে জানিনা, কিভাবে এত সুবিশাল মন্দিরের দায়িত্বভাঁড় পালন করব বলুন।“ ধনী ব্যক্তিটি বললেন- “আমি আপনাকেই এই মন্দিরের দায়িত্ব দিতে চাই। আপনার সাধারণ স্বভাব দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। আমি দেখছিলাম, যখন আপনি মন্দির থেকে নীচে নামছিলেন, সামনে থাকা একটা পাথরে সবাই ধাক্কা খাচ্ছিল, কিন্তু কেউই সেটাকে সেখান থেকে উঠিয়ে ফেলছিল না। আমি আপনাকেই দেখলাম, পাথরটিকে সেখান থেকে সরিয়ে ফেললেন। এরপর সেখানাকার মাটিও আপনি সমান করে দিলেন। আপনার সিধে-সাধা গুনে আমি মুগ্ধ।“
সেই মানুষটি বলল- “বাবু এটা তো প্রতিটা মানুষের কর্তব্য। রাস্তায় পড়ে থাকা পাথর, ডাল, কাটা ইত্যাদি যাতে অন্য কোনো মানুষের বাঁধা ন হতে পাড়ে, যার নজরে সেই বাঁধাটি আসবে সেইই সেখান থেকে নিরাপদ জায়গায় সেটিকে রেখে দিবে।“
শুধুমাত্র একজন নাগরিক হলেও হয় না, হতে হয় একজন দায়িত্ববান নাগরিক। এমন নাগরিক হতে হবে যেন প্রত্যেকের কাজে আসতে পাড়ি। মানুষকে যতই আপনার গুনের কথা বলুন না কেন, সবথেকে বড় প্রমান হল আপনার সাধারণ মানের স্বভাব। এটিই আপনার সামনে থাকা ব্যাক্তিকে মুগ্ধ করে, এটিই আপনার সামনে থাকা ব্যাক্তিকে আপনার দিকে আকর্ষিত হতে বাধ্য করে। তাই নিজের চরিত্রের মাধুর্যতা এবং নিজের মুক্ত মনোভাব বজায় রাখুন। দেখবেন মানুষ নিজে থেকেই আপনার দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে।
22/12/2022
শিবরাম চক্রবর্তী প্রায়ই বলতেন, "একটা ট্যাক্সি পেলেই চলে যাব।"
বেশ কিছুদিন ধরে বুঝতে পারছিলেন শরীরটা কিন্তু সত্যিই ঠিক যাচ্ছিল না। স্মৃতি কমে আসছিল। কথাবার্তা অসংলগ্ন। শেষ জীবনে প্রায় কপর্দকহীন।
প্রায়ই বলতেন, ‘‘জিনিসপত্র সব বাঁধা হয়ে গেছে এবার একটা ট্যাক্সি পেলেই চলে যাব।’’
চিরকাল লোককে বিশ্বাস করেছেন আর বারবার ঠকেছেন। অনেক প্রকাশক ঠকিয়েছে।এমনকী শেষদিকে সেই সময়ের রাজ্য সরকার এবং কয়েকটি সংস্থা মিলে তাঁর চিকিৎসা ও ভরণপোষণের জন্য যে মাসিক ছ’শো টাকা তারই এক পাড়াতুতো পরিচিতের কাছে পাঠাত, সেই টাকারও সঠিক ব্যবহার হত না।
শুকনো-রিক্ত চেহারা। অথচ কেমন আছেন জিজ্ঞাসা করলেই উত্তর ‘‘খাসা আছি। ফাইন আছি।’’
কোনও দিন কোনও অভিযোগ নেই কারও কাছে। তারমধ্যে আবার একদিন ঘরে চোর ঢুকে শেষ পাঞ্জাবিটাও নিয়ে গেছিল, গেঞ্জি পরেই থাকতেন। মুখে বলতেন, ‘‘দরকার কী? এই তো দিব্বি চলে যাচ্ছে গেঞ্জিতে।’’
হঠাৎ কয়েক দিনের প্রবল জ্বর। দুর্বল শরীরে টলতে টলতে বাথরুমে ঢুকেই সংজ্ঞা হারালেন। সারারাত পড়ে রইলেন ওখানেই। পরদিন বেলায় খবর জানাজানি হতে ভর্তি করা হল হাসপাতালে।
১৯৮০ সালের ২৮ অগস্ট সকাল। হাসপাতালের বেডে আচ্ছন্ন বাড়ি থেকে পালিয়ে’র নায়ক।ডাক্তারবাবু জিজ্ঞাসা করলেন, ‘‘শিবরামবাবু, এখন কেমন লাগছে শরীর?’’
'‘ফার্স্টক্লাস।’’ জড়ানো গলায় তখনও একই উত্তর। তার ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই সেই অপেক্ষার অচেনা ট্যাক্সিতে চেপে বসলেন শিবরাম। রেডিয়োতে সন্ধেবেলায় যখন সেই খবর ঘোষণা হচ্ছে, তখন হয়তো হর্ষবর্ধন আর গোবর্ধনের সঙ্গে চাঁদে জমি কেনা নিয়ে তুমুল ব্যস্ত তাঁদের স্রষ্টা..!
জন্মদিবসে আমাদের পক্ষ থেকে রইলো বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি..
লেখা ও ছবি: সংকলিত