07/10/2020
এইচএসসি পরীক্ষা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২০, ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিঃ
করোনাভাইরাসের কারণে এবারের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষা হবে না। এসব শিক্ষার্থীর জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এইচএসসির মূল্যায়ন করা হবে। আগামী ডিসেম্বর এই মূল্যায়নের কাজটি করা হবে।
আজ বুধবার অনলাইনে সাংবাদিক সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এসব কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা সরাসরি গ্রহণ না করে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবারের এইচএসসি শিক্ষার্থীরা দুটি পাবলিক পরীক্ষা দিয়ে এসেছে। এদের জেএসসি ও এসএসসির ফলের গড় অনুযায়ী এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। যারা এসএসসি পাসের পর এইচএসসিতে (কেউ বিজ্ঞান থেকে বাণিজ্য বা মানবিকে ভর্তি) বিভাগ পরিবর্তন করেছেন, তাদের মূল্যায়নের জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বিভাগ পরিবর্তন করা শিক্ষার্থীদের বিষয়টি ঠিক করবে।
এইচএসসি পাসের পর উচ্চশিক্ষার ভর্তির ক্ষেত্রে কি হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উচ্চ শিক্ষার ভর্তি কিভাবে হবে এখনই বলা সমীচিন হবে না। আলাপ–আলোচনা করে ঠিক করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি কিভাবে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আগামী মাসে এই পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, তা নিয়েই মূলত আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই শিক্ষামন্ত্রী জানালেন এ কথা।
এইচএসসি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল এপ্রিলের শুরুতে। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে করোনার কারণে এ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৩ লাখের বেশি।
06/10/2019
আগামী বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা ১ এপ্রিল শুরু হতে যাচ্ছে। ১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ৪ মে পর্যন্ত চলবে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি পরীক্ষা। আর ৫ থেকে ১৩ মের মধ্যে এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
বুধবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়।
পরীক্ষা শুরুর আধ ঘণ্টা আগে শিক্ষার্থীদের হলে উপস্থিত থাকতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
23/09/2019
২০২০ সালে জেএসসিতে জিপিএ-৪, এসএসসি-এইচএসসিতে ২১ সালে।
পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে জিপিএ-৪ প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত জেএসসি ক্ষেত্রে ২০২০ সাল থেকে এবং এসএসসি ও এইচএসসিতে ২০২১ সাল থেকে চালু হবে। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অংশীজনদের নিয়ে এক কর্মশালায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
সভা শেষে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বলেন, আমরা একমত হয়েছি পাবলিক পরীক্ষার ফল জিপিএ-৫ থেকে জিপিএ-৪ এ নিয়ে আসবো।
‘জিপিএ-৪ এর ভিত্তিতে ২০২০ সালের জেএসসি এবং ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।’
বহির্বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থায় জিপিএ-৫ না থাকায় এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও জিপিএ-৪-এ ফল প্রকাশ হওয়ায় বিদেশে পড়াশোনা ও চাকরির বাজারে উদ্ভূত সমস্যা নিরসনেই মূলত গ্রেড পয়েন্ট কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
23/09/2019
২০২০ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (HSC) পরীক্ষার সময়সূচি সংক্রান্ত তথ্য।
সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো যাচ্ছে যে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা-২০২০ উল্লেখিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ প্রয়োজনে বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারবে।
31/08/2019
এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
বাসস, ঢাকা
দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আগামী বছরের ১ এপ্রিল শুরু হবে ২০২০ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে আন্ত:শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার এই সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
রুটিন অনুযায়ী, ১ এপ্রিল শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা। ৪ মে পর্যন্ত চলবে ২০২০ সালের এইচএসসি’র তত্ত্বীয় পরীক্ষা। আর ৫ মে থেকে ১৩ মে’র মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা।
পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে শিক্ষার্থীদের হলে উপস্থিত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সকালের পরীক্ষা ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ও দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বিকেলের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ প্রয়োজনে বোর্ড কর্তৃপক্ষ এই সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারবে।
এইচএসসি পরীক্ষার সূচির বিস্তারিত ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিজ কলেজ বা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না, পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে। পরীক্ষার্থীগণ পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে, তবে প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না।
21/08/2019
কুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন
নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা
২০ আগস্ট ২০১৯,
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ১৮ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
আজ মঙ্গলবার ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ২৫ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল।
কুয়েটের জনসংযোগ কর্মকর্তা মনোজ কুমার মজুমদার বলেন, আগে ২৫ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা রয়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে ভর্তি কমিটি। নতুন তারিখ অনুযায়ী বিশ্ববিদালয়ের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, বিইউআরপি ও বিআর্ক কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৮ অক্টোবর শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ওই পরীক্ষা চলবে।
29/07/2019
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে ভর্তি আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর
বাসস, ঢাকা
২৯ জুলাই ২০১৯.
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। অনলাইন-এ আবেদন গ্রহণ চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রার্থীদের অনলাইন আবেদন ফরম আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
গতকাল রোববার বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনের তারিখ ও ক্লাস শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ।
এদিকে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ অনার্স (প্রফেশনাল) অনলাইন আবেদন গ্রহণের সময়সূচি আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রার্থীদের অনলাইন আবেদন ফরম এ বছরের ১০ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে। প্রথম বর্ষ অনার্স (প্রফেশনাল) কোর্সে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ২৪ অক্টোবর ক্লাস শুরু হবে ।
একই অথবা দুটি ভিন্ন শিক্ষাবর্ষে কোনো প্রার্থী স্নাতক (সম্মান), স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ও স্নাতক (পাস) কোর্সে দ্বৈত ভর্তি হলে তার উভয় ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে। যথাসময়ে দৈনিক পত্রিকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd/admissions) বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।
সভায় সহউপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. নোমান উর রশীদ, স্কুল অব আন্ডার গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দিন, ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিচালক আইসিটিসহ সব বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
27/07/2019
জগন্নাথে ভর্তি আবেদন শুরু ১ আগস্ট, পরীক্ষা ১৪ সেপ্টেম্বর
প্রতিনিধি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
২৫ জুলাই ২০১৯.
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষের ভর্তির প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ১ আগস্ট থেকে। আবেদন করা যাবে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। লিখিত ভর্তি পরীক্ষার শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে।
আজ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভা হয়। সভায় ভর্তির আবেদন, ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণসহ নানান সিদ্ধান্ত হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বছর তিনটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিট-১ বিজ্ঞান শাখায় ৮২৫টি, ইউনিট-২ মানবিক শাখায় ১ হাজার ২৭০টি, ইউনিট-৩ বাণিজ্য শাখায় ৫২০টি এবং বিশেষায়িত চারটি বিভাগসহ (সংগীত, চারুকলা, নাট্যকলা এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ মোট ১৫০টি) সর্বমোট ২ হাজার ৭৬৫টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
উপাচার্য মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার এবং ভর্তি সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ওহিদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, নির্ধারিত জিপিএ অর্জনকারী পরীক্ষার্থীরা প্রাথমিক বাছাইয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিভাগ অনুযায়ী ১, ২, ৩ প্রত্যেক ইউনিটের প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত প্রথম ২ হাজার ৫০০ যোগ্য পরীক্ষার্থীরা ২৩ আগস্ট থেকে লিখিত ভর্তি পরীক্ষার আবেদন পূরণ করতে পারবেন। বিশেষায়িত বিভাগে ভর্তির আবেদনের জন্য নির্ধারিত জিপিএধারী শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ওহিদুজ্জামান জানান, দুই শিফটে ইউনিট-৩ এর ভর্তি পরীক্ষা ১৪ সেপ্টেম্বর, ইউনিট-২ এর ভর্তি পরীক্ষা ২০ সেপ্টেম্বর এবং ইউনিট-১ এর ভর্তি পরীক্ষা ২১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষায়িত বিভাগসমূহের ব্যবহারিক এবং মৌখিক পরীক্ষা ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে।
ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে খুদে বার্তার মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
25/07/2019
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবার দ্বিগুণ বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা
২৪ জুলাই ২০১৯ইং
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে এবার বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির আসন বাড়িয়ে দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির এক সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। ভর্তি কমিটির সদস্য বিভিন্ন স্কুলের (অনুষদ) ডিন ও সচিব রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এর আগে প্রতি ডিসিপ্লিনে (বিভাগ) প্রতিবছর একজন করে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ রাখা হয়েছিল। কিন্তু কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর থেকে দুজন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯টি ডিসিপ্লিনে এবার ৫৮ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন। ভর্তির ক্ষেত্রে টিউশন ফিসহ আনুষঙ্গিক খরচ কমিয়ে দেশের সাধারণ শিক্ষার্থীর সমপর্যায়ে আনা হয়েছে (আবাসন খরচ ছাড়া)।
এর আগের ভর্তি কমিটির সভায় আগামী ২ নভেম্বর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
19/07/2019
ইংরেজির ‘জাদুতে’ এবার ভালো ফল।
‘কঠিন’ বিষয় ইংরেজিও যে পাসের হারে বড় ভূমিকা রাখে, এবার তা দেখা গেল উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায়। ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষার্থীরা ভালো করায় পাসের হার গতবারের চেয়ে ৭ শতাংশের বেশি বেড়েছে। অথচ এই ইংরেজিতে খারাপ করার কারণেই গত বছর পাসের হার অনেক কমে গিয়েছিল। এবার ফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও বেড়েছে।
আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইংরেজিতে ভালো করার পাশাপাশি কুমিল্লা ও যশোর শিক্ষা বোর্ডের ফল গতবারের চেয়ে এক লাফে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় গড় পাসের হারে প্রভাব পড়েছে। অবশ্য এ দুটি বোর্ডেও পাসের হার বাড়াতে সহায়তা করেছে ইংরেজি।
আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে গতকাল বুধবার। এবার গড় পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৫ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৬৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। গতবার এইচএসসিতে পাসের হার আগের ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল। জিপিএ-৫ গতবারের চেয়ে ১৬ হাজার ২৪৫ জন বেশি। আট বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪১ হাজার ৮০৭ জন (মোট পরীক্ষার্থীর ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ), যা গত বছর ছিল ২৫ হাজার ৫৬২ জন।
পরীক্ষার ফলাফলের মূল সূচক পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয় দিক দিয়েই ভালো করার কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, সবার জন্য বাধ্যতামূলক ইংরেজিতে ভালো করায় ফল ঘুরে গেছে। এবার ঢাকা বাদে বাকি সাতটি বোর্ডেই ইংরেজি বিষয়ে গড় পাসের হার ৯১ শতাংশ থেকে ৯৬ শতাংশের বেশি, যা গত বছর ছিল ৬৫ থেকে ৮২ শতাংশ। ঢাকা বোর্ডেও ইংরেজিতে পাসের হার গতবারের চেয়ে বেড়েছে (৭৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ), যা গত বছর ছিল ৭৫ শতাংশের কিছু বেশি। তবে যশোর বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার সবাইকে অবাক করে ৩০ দশমিক ২২ শতাংশ বেড়েছে। এই বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৯৫ দশমিক ২২ শতাংশ, যা গতবার ছিল ৬৫ শতাংশ। কুমিল্লা বোর্ডের পরীক্ষার্থীরাও ইংরেজিতে বেশ ভালো করেছেন (৯৬ দশমিক ৪৬) শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৭৩ শতাংশের মতো। এই দুটি বোর্ডে পরীক্ষার্থীদের গড় পাসের হারও অনেক বেশি বেড়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার সব বোর্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ (৭৭.৭৪ শতাংশ), যা গত বছর ছিল ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। অথচ এর আগের বছর এই বোর্ডে পাসের হার ছিল ৪৯ দশমিক ৫২ শতাংশ।
ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকেরা হঠাৎ কুমিল্লা বোর্ডের ফল এত ভালো হয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সেখানে উপস্থিত ওই শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুস ছালামকে জবাব দিতে বলেন। তখন চেয়ারম্যান দাবি করেন, আগে ফল খারাপ হওয়ায় তাঁরা জেলায় জেলায় কর্মশালা করে কীভাবে ভালো করা যায়, সেই চেষ্টা করেছেন।
যশোর বোর্ডের গড় পাসের হার ১৫ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এই দুটি বোর্ডের ফল গড় পাসের হার বাড়াতে সহায়তা করেছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে গেলবারের চেয়ে ভালো করেছেন। সবার জন্য বাধ্যতামূলক এ বিষয়ে ৯০ শতাংশের বেশি পরীক্ষার্থী পাস করেছেন, যা গতবার ছিল প্রায় ৮৩ শতাংশ। এই বোর্ডে পরীক্ষার্থী বেশি হওয়ায় গড় পাসের প্রভাব ফেলেছে।
সব বোর্ডেই ইংরেজিতে পাস গতবারের চেয়ে বেশি
এবার ৪১,৮০৭ জন জিপিএ-৫
পাসের হার ৭১.৮৫ %
গত বছর ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্নপত্র বেশ কঠিন হয়েছিল। আর আইসিটি বিষয়ে মানবিকের শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক খারাপ করেছিল। এবার ওই দুটিতেই পরীক্ষার্থীরা ভালো করেছে। এবার ইংরেজির প্রশ্নপত্র ‘কঠিন’ হওয়ার অভিযোগ ছিল না।
ফলাফল মূল্যায়ন করতে গিয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক প্রথম আলোকে বলেন, এবারের ভালো ফলের বড় কারণ ইংরেজিতে পরীক্ষার্থীদের ভালো করা। এর কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্নপত্র কিছুটা সহজ ছিল। আবার গতবার এ বিষয়ে খারাপ করায় এবার পরীক্ষার্থীরা এ বিষয়ে বেশি সতর্ক ছিল।
এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসিতে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১১ হাজার ২৬ হাজার ১২৬ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৮ লাখ ৯ হাজার ১৪৯ জন। অবশ্য আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১০ বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ, যা গতবার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
গতকাল সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের তথ্য তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিসহ শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরা। পরে দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। আর বেলা একটায় স্ব স্ব কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং অনলাইনে ফলাফল একযোগে প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই কলেজগুলোতে চিরাচরিত আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বছর ফলের সূচকে বেশ কিছু ইতিবাচক লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে।