20/03/2024
দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান সম্পদের হিসাবরক্ষণ [HSC+Admission]
বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর প্রদানের জন্য সহায়ক
০১. স্থায়ী সম্পদের ক্রয়মুল্যকে তার আনুমানিক আয়ুষ্কালের মধ্যে বন্টন করে দেওয়াকে অবচয় বলে।
০২. অবচয় একটি - ক) অনগদ, খ) আন্তঃ, গ) কারবারী/ব্যবসায়িক লেনদেন, ঘ) অদৃশ্যমান লেনদেন।
০৩. অবচয় একটি মুনাফাজাতীয় লেনদেন।
০৪. অবচয় ধার্য করার কারণ-ক) ব্যবহারজনিত ক্ষয়ক্ষতি, খ) সময় অতিক্রান্ত হওয়া, গ) অপ্রচলন ইত্যাদি।
০৫. অবচয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয় হলো - ক) স্থায়ী সম্পদের ক্রয়মুল্য, খ) আনুমানিক আয়ুষ্কাল, গ) ভগ্নাবশেষ মুল্য, ঘ) অবচয় ধার্যের পদ্ধতি, ঙ) সম্পদ ক্রয়ে বিনিয়োগকৃত মুলধনের সুদ, চ) পুরাতন সম্পদের বিপরীতে উদ্ভাবিত নতুন সম্পদ।
০৬. অবচয়কে স্থায়ী সম্পদের ক্রয়মুল্য বন্টন প্রক্রিয়াও বলে।
০৭. IAS-16 অনুযায়ী অবচয় ধার্য করা হয়।
০৮. সরলরৈখিক পদ্ধতিতে বার্ষিক অবচয়
= অবচয়যোগ্য মুল্য/আনুমানিক আয়ুষ্কাল।
★অবচয়যোগ্য মুল্য = ক্রয়মুল্য - ভগ্নাবশেষ মুল্য।
০৯. ক্রমহ্রাসমান পদ্ধতিতে অবচয়ের নির্নয়ের ক্ষেত্রে ভগ্নাবশেষ মুল্যকে বিবেচনা করা হয় না।
১০. অবচয়ের ফলে প্রতিষ্ঠানে নগদ আন্তঃপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়।
১১. সরলরৈখিক পদ্ধতিতে অবচয়ের হার
= ১০০%/আযুষ্কাল বা (বার্ষিক অবচয়/অবচয়যোগ্য মুল্য)×১০০
১২. ক্রমহ্রাসমান/দ্বিগুণ ক্রমহাসমান পদ্ধতিতে অবচয়ের হার = সরলরৈখিক হার×২ অথবা ১০০%/আয়ুষ্কাল×২
বা (বার্ষিক অবচয়/অবচয়যোগ্যমুল্য)×১০০×২
১৩. উৎপাদন একক পদ্ধতিতে সম্পদের আয়ুষ্কাল বিবেচনা করা হয় না।
১৪. উৎপাদন পদ্ধতিতে অবচয়ের হার
= অবচয়যোগ্য মুল্য/মোট বা আনুমানিক উৎপাদিত একক।
১৫. ক্রয়মুল্য = পূঞ্জীভূত অবচয় + বহিঃমুল্য/পুস্তকমুল্য
বা, পুঞ্জীভূত অবচয় = ক্রয়মুল্য - বহিঃমুল্য
বা, বহিঃমুল্য/পুস্তকমুল্য = ক্রয়মুল্য - পুঞ্জীভূত অবচয়
১৬. সম্পদ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে লাভ বা ক্ষতি ----------
বিক্রয়মুল্য > বহিঃমুল্য = লাভ
বিক্রয়মুল্য < বহিঃমুল্য = ক্ষতি
১৭. পূঞ্জীভূত অবচয়/অবচয় সঞ্চিতি - বিপরীত সম্পদ/কন্ট্রা Assets.
১৮. আন্তর্জাতিক হিসাবমান-১৬/IAS - 16
স্থায়ী সম্পদকে - Property, Plant and Equipment নামে অভিহিত করা
হয়েছে।
১৯. যে পদ্ধতিতে শতকরা হার প্রয়োগ করে অবচয় ধার্য আবশ্যক - ক্রমহাসমান পদ্ধতি।
২০. অবচয় হিসাবকে বন্ধ করার জন্য
- আয় সারাংশ ডেবিট
অবচয় ক্রেডিট
২১. যে সমস্ত স্থায়ী সম্পদের ব্যবহারিক জীবনে সমানভাবে সেবা পাওয়া যায় সেগুলির ক্ষেত্রে - সরলরৈখিক পদ্ধতিতে অবচয় চার্জ করা হয়।
২২. ভুমির উপর অবচয় ধার্য করা হয় না কারণ এর আয়ুষ্কাল সীমিত নয়।
২৩. সরলরৈখিক পদ্ধতির পরিবর্তে ক্রমহ্রাসমান পদ্ধতিতে অবচয় ধার্য করলে - ক) মুনাফার পরিমান হ্রাস পাবে, খ) পূঞ্জীভূত অবচয়ের পরিমান বৃদ্ধি পাবে।
২৪. যন্ত্রপাতির সংস্থাপন ব্যয় নির্বাহ করা হলে - যন্ত্রপাতি হিসাব ডেবিট করা হয়।
২৫. অবচয় ধার্যের উদ্দেশ্য - ক) প্রকৃত লাভ ক্ষতি নির্ধারন, খ) সঠিক আয়কর নির্ধারন।
২৬. অস্পর্শনীয় সম্পদের ক্ষেত্রে অবচয়ের এর স্থলে অবলোপন(Amortization) নামে লিপিবদ্ধ করা হয়।
২৭. অস্পর্শনীয় সম্পদের উদাহরণ - সুনাম, কপিরাইট বা গ্রন্থস্বত্ত, ট্রেডমার্ক/বাণিজ্যিক চিহ্ন,প্যাটেন্টস, ফ্রানচাইজ, লাইসেন্স, ব্রান্ড নাম, কারীগরি জ্ঞান বা প্রযুক্তি জ্ঞান।
২৮. অস্পর্শনীয় সম্পদ অবশ্যই ৪০ বছরের মধ্যে অবলোপন করতে হবে অর্থ্যাৎ এসমস্ত সম্পদের আয়ুষ্কাল ৪০ বছরের বেশি হতে পারবে না। উল্লেখ্য যে IAS বা আন্তর্জাতিক হিসাবমান-৩৮ অনুযায়ী অস্পর্শনীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ২০ বছরের মধ্যে অবলোপন করতে হবে।
২৯. অস্পর্শনীয় সম্পদ অবলোপনের জাবেদা দাখিলা হবে -
অবলোপন খরচ হিঃ ডেবিট
সংশ্লিষ্ট অস্পর্শনীয় সম্পদ হিঃ ক্রেডিট
৩০. সুনাম হলো - কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত সকল অনুকূল গুণই হচ্ছে সুনাম।
৩১. সুনাম কারবারের সবচেয়ে বড় ভূষণ বা সম্পদ।
৩২. ফর্মুলা হলো - অস্পর্শনীয় সম্পদের উদাহরণ।
৩৩. প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যয় বন্টন বা অবচয় নির্ধারণকে বলা হয় - নিঃশেষকরণ।
৩৪. অবচয়র ধার্যের কারণ - ক) সামঞ্জস্যতার নীতি, খ) কর সাশ্রয়, গ) সম্পদের প্রতিস্থাপন।
৩৫. অবচয় ধার্য করা হয় - চলমান প্রতিষ্ঠান ধারণা অনুযায়ী।
৩৬. অগ্রিম খরচ, প্রাপ্য হিসাব এর বাহ্যিক অবস্থান না থাকলেও অস্পর্শনীয় সম্পদ বলে বিবেচনা করা হয় না কারন - এগুলির মেয়াদ স্বল্প।
৩৭. অবচয় নির্ধারণে ভগ্নাবশেষ মুল্যকে সম্পদ থেকে বিয়োগ করা হয় না - ক্রমহাসমান পদ্ধতিতে।
৩৮. পুঞ্জীভূত অবচয় ডেবিট করা হয় - ক) সম্পদ বিক্রয়ের সময়, খ) সম্পদকে বাতিল বা পরিত্যাগকরণের সময়।
৩৯. নিঃশেষকরনের জাবেদা দাখিলা হবে -
নিঃশেষকরণ খরচ হিঃ ডেবিট
পুঞ্জীভূত নিঃশেষকরণ হিঃ ক্রেডিট
৪০. অস্পর্শনীয় সম্পদ অর্জিত হয় - ক) ক্রয়ের মাধ্যমে, খ) অভ্যন্তরীণ সৃষ্টির মাধ্যমে।