A K Academy Center

A K Academy Center

Share

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। =Education is the backbone of a nation.

SSC 22 শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি কোর্স https://10ms.io/KwoHlJ
৯ম শ্রেণিঃ ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের ব্যাচ https://10ms.io/awoHzc
১০ম শ্রেণিঃ ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের ব্যাচ https://10ms.io/2woHxo
HSC টেস্ট পেপার সল্ভ কোর্স (Bangla, English, ICT) https://10ms.io/twoHcK
HSC টেস্ট পেপার সল্ভ কোর্স (Physics, Chemistry, Math, Biology) https://10ms.io/dwoHvg
IELTS Course by Munzereen Shahid https://10ms.io/VwoHbL

27/03/2023

💖🌺💖
প্রিয় অভিভাবক,

কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার সন্তানের পরীক্ষা শুরু হবে। আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে, আপনাদের ছেলে-মেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে।

একটা বিষয় মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিতে বসবে, তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে, যার গণিত শেখার কোনো দরকার নেই।

একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে, যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই।

একজন সংগীতশিল্পী হবে, যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তার ভবিষ্যতে কিছু আসে-যায় না।

একজন খেলোয়াড় হবে, তার শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।

যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায়, সেটা হবে খুবই চমৎকার। কিন্তু যদি না পায়, তাহলে প্লিজ, তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কিংবা সম্মানটুকু কেড়ে নেবেন না।

তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়, এটা তো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক, আপনি সব সময় তাকে ভালোবাসেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না!

প্লিজ, এই কাজটি করুন, যখন এটা করবেন, দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে!!

একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না।

প্লিজ,আরেকটা কথা মনে রাখবেন যে, এই পৃথিবীতে কেবল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, প্রফেসর বা আইনজীবীরাই একমাত্র সুখী মানুষ নন।

অবসেনツ শেষে এসে অবশেষে

Photos from A K Academy Center's post 06/12/2021

29/11/2021

Photos from A K Academy Center's post 23/10/2021

ইন-শা-আল্লাহ, এই নোট পড়ার পর কম্পিউটার নিয়ে আর কখনো সমস্যা হবে না। সংগ্রহ করে রাখুন।

09/10/2021

হাদিস অনুসারে নিচের কোনটি মানুষের অন্তরে নিফাক (কপটতা) উৎপাদন করে, যেভাবে পানি শস্য উৎপন্ন করে?

09/10/2021

#মাখরাজ
মাখরাজ বলা হয় আরবী অক্ষর গুলো মুখ ও গলা'র যেসব স্থান থেকে উচ্চারিত হয় সেসব স্থানকে। ২৯টি অক্ষর প্রত্যেকটি তার নিজস্ব স্বকীয়তা অনুযায়ী মুখ ও গলার মোট ১৭টি স্থান থেকে উচ্চারিত হয়। তাই 'মাখরাজ' মোট ১৭টি।
১. হলকের শুরু হতে -হামযা, হা ء - ٥
২. হলকের মধ্যখান হতে- আইন, হা ع- ح
৩. হলকের শেষভাগ হতে-গঈন, খ غ-خ
৪. জিহ্বার গোড়া তার বরাবর উপরের তালুর সঙ্গে লাগিয়ে-ক্বাফ-ق
৫. জিহ্বার গোড়া হতে একটু আগে বাড়িয়ে তার বরাবর ওপরের তালুর সঙ্গে লাগিয়ে-কাফ -ك
৬. জিহ্বার মধ্যখান তার বরাবর উপরের তালুর সঙ্গে লাগিয়ে-ইয়া, শিন, জিমঃ ي-ش-ج
৭. জিহ্বার গোড়ার কিনারা সামনের উপরের একপাশের দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লাগিয়ে-দোয়াদঃ ض
৮. জিহ্বার আগার কিনারা সামনের উপরের একপাশের দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লাগিয়ে -লামঃ ل
৯. জিহ্বার আগা তার বরাবর উপরের তালুর সঙ্গে লাগিয়ে -নূনঃ ن
১০. জিহ্বার আগার পিঠ তার বরাবর উপরের তালুর সঙ্গে লাগিয়ে -রাঃ ر
১১. জিহ্বার আগা সামনের উপরের দুই দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লাগিয়ে- তা, দাল, তোয়াঃ ت-د-ط
১২. জিহ্বার আগা সামনের নিচের দুই দাঁতের আগার সঙ্গে লাগিয়ে- যা, ছিন, সোয়াদঃ ز-س-ص
১৩. জিহ্বার আগা সামনের উপরের দু্ই দাঁতের আগার সঙ্গে লাগিয়ে- ছা, যাল, যোয়াঃ ث-ذ-ظ
১৪. নিচের ঠোঁটের পেট সামনের উপরের দুই দাঁতের আগার সঙ্গে লাগিয়ে-ফাঃ ف
১৫. দুই ঠোঁট হতে-মীম, বা, ওয়াও:( م-ب-
১৬. মুখের খালি জায়গা হতে মদ্দের হরফ উচ্চারিত হয়। মাদ্দের হরফ তিনটি। ওয়াও, আলিফ ও ইয়া। যবরের বাম পাশে খালি আলিফ, পেশের বাম পাশে জযমওয়ালা ওয়াও এবং জেরের বাম পাশে জযমওয়ালা ইয়া। মাদ্দের হরফ এক আলিফ টেনে পড়তে হয়। যেমন- با-بُؤْ-بِئ
(অবশ্য তিন আলিফ ও চার আলিফ মাদ্দ ও আছে। তবে সেগুলোর নিয়ম ভিন্ন যা আমরা মাদ্দের আলোচনায় পরে দেখব। ইনশাআল্লাহ!)
১৭. নাকের বাঁশী হতে গুন্নাহ উচ্চারিত হয়। -আন্না, ইন্না, আম্মা ইত্যাদি। اِنَّ-اَنَّ-اَمَّ

Photos from A K Academy Center's post 19/09/2021

গুগলের লোগোতে এই 4টে রঙ কেন ব্যবহার হয়, জানেন কী?

১। গুগলের লোগো পৃথিবীর সর্বাধিক পরিচিত লোগোগুলোর একটি। কোন বিশেষ ঘটনা বা দিনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুসারে ওয়েবসাইটের হোমপেজে গুগল লোগো প্রায়ই বদলাতে দেখে থাকবেন। এছাড়াও প্রতিবছরই সামান্য হলেও বদলায় এই লোগোর নক্সা।১৯৯৭ সালের পর থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বেশ কয়েকবার সূক্ষ্ম পরিবর্তন করা হয়েছে ‘গুগল’ লেখাটির ধরন এবং সজ্জার। কিন্তু বদলায়নি সেই চারটে রঙের ব্যবহার, কেবল ক্রম বদলেছে দু-একবার।

২। রুথ কেদার নামের একজন আমেরিকান গ্রাফিক ডিসাইনার গুগলের লোগোটি তৈরি করেন। একজন ভালো আর্টিস্ট মাত্রেই বুঝবেন লোগোতে সঠিক রঙ নির্বাচন করা কতটা জরুরী।বিশেষ করে যে লোগোর মধ্যে থাকবে গুগলের মতো বিপুল এক সংস্থার পরিচিতি।অতএব, যাতে সবার নজর কাড়তে পাড়া যায় এমন রঙের ব্যবহারই তো থাকবে গুগলের লোগোতে, এতে আর আশ্চর্য কি!

৩। রঙ চারটি সাধারণ এবং সবথেকে উজ্জ্বল।রঙের নক্সার ক্ষেত্রে মূল কথা হল চোখেও পড়বে সেইসঙ্গে নান্দনিক বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে ছবির নিহিত অর্থ মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে।চারুকলার এই বিজ্ঞান মাথায় রেখেই গুগলের লোগোটি বানানো। রুথ, যিনি এই লোগো বানিয়েছেন, তাঁর কথা হল-এত রঙ থাকতে গুগলের লোগোর জন্য এই চারটে প্রাথমিক রঙই তাঁরা বেছে নিয়েছেন।কিন্তু গ্রাফিক ডিসাইনের বিজ্ঞানসম্মত রঙের ক্রম অনুযায়ী সাজাননি। গুগল-এর ‘এল’ অক্ষরে সবুজ অর্থাৎ একটি গৌণ রঙ রেখে এটাই বোঝাতে চেয়েছেন যে গুগল সবসময় কিন্তু নিয়ম মেনে চলেনা।

৪। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও রঙের ক্রম সাজানোর বিজ্ঞানে রয়েছে অবস্থানগত সংখ্যার গুরুত্ব। ‘গুগল’ শব্দের ছটি অক্ষরের মধ্যে ১, ২, ৩ ও ৫ নম্বর স্থানে রয়েছে প্রধান রঙ চারটি। আর ৪ এবং ৬ অর্থাৎ যৌগিক সংখ্যাগুলোর স্থানে রয়েছে পুনরাবৃত্ত শুরুর রঙের ক্রম- প্রথমে নীল, তারপর লাল।

৫। চারুকলায় তিনটি প্রাথমিক রঙের অস্তিত্বের কথা বলা হয়েছে- নীল, লাল এবং হলুদ। গুগলের শুরুর তিনটি অক্ষরেও যা অনুসরণ করা হয়েছে। তবে সবুজ রঙ কেন?কারণ, ডিজিটালি কোন কিছু তৈরির সময় প্রাথমিক রঙের ক্রম একটু আলাদা। আমাদের চোখের সুবিধের জন্যই ডিজিটাল রঙের ক্ষেত্রে আলোর রঙের স্কেল ধরা হয়, যেখানে ‘আর-জি-বি’ বা রেড, গ্রিন, ব্লু হল প্রাথমিক রঙ। গুগলের লোগোটি আবার খেয়াল করলে দেখবেন এই দুরকম স্কেলের ক্রম সমন্বিত করেই রঙের বিন্যাস করা হয়েছে। তাই শেষ তিনটি অক্ষরের রঙের ক্রম- লাল, সবুজ ও নীল।
তাহলে, বুঝতেই পারছেন রঙগুলি ব্যবহারের পেছনে রয়েছে গভীর বৈজ্ঞানিক যুক্তি এবং সেইসঙ্গে নান্দনিক বিচারও। ক্রম অনুযায়ী আরেকবার দেখা যাক-

G = blue

o = red

o = yellow

g = blue

l = green

e = red

বলা বাহুল্য, লাল দিয়ে শুরু করা হয়নি দেখতে খারাপ লাগবে বলেই।এছাড়াও গুগলের লোগোয় মিশে আছে শুরুর পথ চলার দিনের গল্প।গুগলের প্রথম সার্ভার যে তাকটায় রাখা থাকত সেটি খেলনা লেগোর ইট দিয়ে বানানো ছিল। খরচ বাঁচানোর জন্য দশটা ৪ জিবি হার্ডড্রাইভ লেগোমহলেই সুরক্ষিত রাখা হয়েছে দীর্ঘদিন।লেগোর টুকরোগুলোর রং সেই লাল, নীল, হলুদ, সবুজই হতো তখন। সেই তাৎপর্য অনেকের মতে গুগলের লোগোতেও প্রতিফলিত হয়েছে।

কেবল গুগল নয়, প্রাথমিক রঙের ব্যবহারে তৈরি অনেক বিখ্যাত কোম্পানির লোগো জনপ্রিয় হয়েছে, যেমন- মাইক্রোসফট, ইবে, এন বি সি, পিকাসা স্টুডিও এমনকি অলিম্পিকের নকশাতেও রয়েছে এই চারটি রং।কারণ আর কিছুই নয়, আপনি মনে রেখেছেন চোখে পড়েছে বলেই।প্রসঙ্গত, আপনার নিশ্চয়ই মনে পড়েছে এতক্ষনে; বলুন তো আমাদের সকলের প্রিয় ইনডোর গেম লুডোর ঘুটির ঝকঝকে রং গুলো কি কি?

Photos from A K Academy Center's post 18/09/2021





11/09/2021

?

11/09/2021

?
লোহার ছুরিতে কী মাখিয়ে রাখলে তাতে মরচে ধরে না?
A. টুথপেস্ট B. ট্যালকম পাউডার
C. পেট্টোলিয়াম জেলি D. নুন

Want your school to be the top-listed School/college in Kushtia?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Kushtia, Khulna Division
Kushtia
7000