12/05/2023
Sobar Jonno Blog -সবার জন্য ব্লগ
here are available: Education & Knowledge, Outsourcing, Health Tips and Romantic sad Stories.
12/05/2023
আস্ সালামু আলাইকুম
08/01/2021
*** মিছরির প্রস্তুত প্রণালী, পুষ্টি উপাদান ও স্বাস্থ্য উপকারিতা ***
শুরুতেই মিছরির উপকারিতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আলোচনা শুরু করতে চাচ্ছি-
Ø স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।
Ø শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করে।
Ø শিশুদের ব্রেইন ডেভেলপ করে।
Ø আনিমিয়ায় কার্যকরী।
Ø কন্সটিপেশন সারিয়ে তোলে।
Ø হাড়ের সমস্যা রোধ করে।
Ø সর্দি কাশি ঠান্ডায় উপশম দেয়।
Ø চোখের দৃষ্টি বৃদ্ধি করে।
Ø কিডনির পাথরে অপসারণে ভূমিকা রাখে।
Ø পেটের ব্যথা দূর করে।
Ø ডায়রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা রাখে।
Ø শরীরের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে।
Ø নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ করে।
Ø মুখের আলসার প্রতিরোধ করে; ইত্যাদি।
আমাদের আপামর মানুষের কাছে জনপ্রিয় ও ঔষুধে গুণে ভরপুর হিসেবে পরিচিত মিছরি। আসলেই তাই, এই মিছরি মানব দেহের শরীরে অত্যন্ত উপকার করে থাকে। ক্ষতির কোনো সম্ভবনা নেই বললেই চলে। ২ধরনের মিছরির সাথে আমরা পরিচিত, ১। তালমিছরি ২।চিনি মিছরি। আঁখের রস দিয়ে তৈরি হয় চিনি মিছরি আর তালের রস দিয়ে হয় তালমিছরি।
আসলে মিছরি হচ্ছে, স্ফটিকের মতো দানাবাধাঁ চিনি। আর চিনির তৈরি বলেই মিছরির রং লালচে আভার হয়ে থাকে। তবে আমরা বাজারে ফকফকে সাদা যেসব মিছরি কিনে থাকি, সেগুলোতে হাইড্রোজ নামক রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে সাদা করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন রঙ মিশিয়ে বিভিন্ন রঙের মিছরি বাজারজাত করা হচ্ছে। দুই ধরনের মিছর-ই সব বয়সের মানুষের জন্য উপকারি। তবে চিনি মিশ্রি’র চেয়ে তালমিছরির উপকার বেশি। আমার লেখাতে মূলত তালমিছরি নিয়ে আলোচনা করছি।
আমাদের শরীরের যেসব উপকার সাধন করে মিছরি তা নিম্নরূপ :
সম্পূর্ণ নিচের লিংকে...
https://www.sobarjonnoblog.com/2020/12/Preparation-of-Palm-Candy-Nutrients-and-Health-Benefits.html
মিছরির প্রস্তুত প্রণালী, পুষ্টি উপাদান ও স্বাস্থ্য উপকারিতা । Preparation of Palm Candy, Nutrients and Health Benefits আমাদের আপামর মানুষের কাছে জনপ্রিয় ও ঔষুধে গুণে ভরপুর হিসেবে পরিচিত মিছরি। আসলেই তাই, এই মিছরি মানব দেহের শরীরে অত....
21/12/2020
লাল আটার পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা…
সৌজন্যে : সবার জন্য ব্লগ
https://www.sobarjonnoblog.com/2020/12/Nutrition-and-Health-Benefits-of-red-Flour.html
লাল আটার পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা । Nutrition and Health Benefits of red Flour গমের যে উপরিভাগে লাল আবরণ থাকে, যেটা সমেত ভাঙালে লাল আটা পাওয়া যায়; এই আবরণ এক ধরনের খনিজ উপাদানে ভরপুর, যা আমাদের দ.....
20/12/2020
স্মার্ট হতে সুন্দরভাবে কথা বলতে শিখুন । Learn to Speak Nicely To Be Smart আপনার চেহারা এবং পোশাক-আষাকের সাথে মিল রেখে আপনার ভাষাগত ব্যবহারে স্মার্টলি সুন্দরভাবে কথা বলার অভ্যেস থাকতে হব....
10/11/2020
জমির বিবরণ
= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
কপিকৃত পোস্ট।
ইসলামে কাবিনের বিধান ও বর্তমান সমাজের হেয়ালিপনা -পর্ব ২
ইসলামে সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে, পুরুষের সামর্থ্যের উপর তোমরা কাবিন বা দেনমোহর (Kabin/Denmohar) ধার্য্য করো। আমরা বিয়ে সম্পন্ন করতে দুই পক্ষই বলছি, ইসলামের বিধান ভাঙব না, আবার কাবিন বা দেনমোহর (Kabin/Denmohar) লিখার সময় তুমুলভাবে নিজেরা এক একজন ধার্মিক মাওলানা হয়ে গরু বেচা কেনা হাটের মতো দরদাম করে চলেছি।
ছিঃ, ঘৃণ্য সমাজের চেহারার অংশ। দুই পরিবারের মাঝে এই কাবিন বা দেনমোহর (Kabin/Denmohar) নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে ফলে স্বামী বা স্ত্রীর মাঝে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে, জোর পূর্বক অযৌক্তিক কাবিন বা দেনমোহর (Kabin/Denmohar) চাপিয়ে দেওয়াতে ঐ স্ত্রী স্বামীর প্রকৃত ভালবাসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বা স্ত্রী’কে শ্বশুর বাড়ির লোকজনদের কাছ থেকে সময়ে অসময়ে কারণে বা অকারণে নানান কথা শুনতে হচ্ছে। অবশেষে এক সময় বিবাহ বিচ্ছেদে রূপ নিচ্ছে।
নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কিছু জীবন, নিষ্পাপ সন্তানগুলো এতিমের মতো দিন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। তাই সমাজের উচিৎ কাবিন বা দেনমোহর (Kabin/Denmohar) ইসলামের বিধি মেনে ধার্য্য করা এবং স্বামীকেও বিধি মেনে স্ত্রীর মোহনারা পরিশোধের সুযোগ করে দেওয়া। নিশ্চয় জানেন, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও স্বামী যদি স্ত্রী’র মোহরানা আদায় না করে আর স্ত্রী যদি মোহরানার দাবী না ছাড়ে তবে সে কেয়ামতের ময়দানে ঐ মোহরানা ধার্য্যের সাথে জড়িত সকল ব্যক্তিকেই জেনাকারীর কাতারে উঠতে হতে পারে বা হবে।
ইসলামের শরীয়ত মতে, যৌতুক নেওয়া যেমন হারাম বা বৈধ নয়, তেমনি বর বা বরপক্ষকে জোর করে কাবিন বা দেনমোহর (Kabin/Denmohar) চাপিয়ে দেওয়াও নিষিদ্ধ। কারণ এই মোহরানা স্বামীর জন্য স্ত্রীর উপর আদায় ফরজ, সারাজীবনের জন্য স্ত্রীর কাছে স্বামীর ঋণ। এই ঋণ স্ত্রীর স্বইচ্ছায় ক্ষমা করা ছাড়া মাফ পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। স্ত্রী যদি স্বামীর বাঁকি থাকা কাবিন বা দেনমোহর (Kabin/Denmohar) এর পরিপূর্ণ অংশ বা কিছু অংশ ক্ষমা করে দেয়, তবেই মাফ হবে। তাছাড়া মোহরানা বাঁকি রেখে স্বামী মারা গেলেও তার পরিবারের পক্ষ থেকে আদায় করে দিতে হবে। পরিবারের অন্য কেউ না থাকলে সন্তানদেরকে পিতার মোহরানা হিসেবে মায়ের প্রতি দায়িত্ব পালনের নিদের্শনা রয়েছে।
তাহলে বুঝতেই পারছেন, জেনে শুনে আমরা কত বড় গুনাহ করে চলেছি আর এই সমাজ সংসারকে জেনা ব্যভিচারের পথে ঠেলে দিচ্ছি। ইসলামের ইতিহাস ঘেটে দেখেন, পূর্বে নবী রাসূল সাহাবীরা ঠিক সামর্থ্য অনুযায়ী কাবিন বা দেনমোহর (Kabin/Denmohar) ধার্য্য করতেন, সেটা ১টা খেজুর হোক, কিংবা ‘মুসনাদে আহমদ’ থেকে বর্ণিত- কিছুই নেই স্বামীর তবে সে কোরআন জানে, স্ত্রীকে কোরআন শিক্ষা দেবার শর্তে মোহরানা ধার্য্য করা হয়েছে।
বিস্তারিত সবার জন্য ব্লগ এ...
https://www.sobarjonnoblog.com/2020/10/provision-of-kabin-in-islam-and.html
এবারের বিষয়-
সম্পূর্ণ ফ্রি-তে কম্পিউটার শিখুন ঘরে বসে । Learn Computer at Home for Free
যখন লিখছি তখন ২০২০ এর আগস্ট। বর্তমান বিশ্ব সম্পূর্ণ আধুনিক এবং কম্পিউটার (Computer) নির্ভর বিশ্ব। এ যুগে কম্পিউটার (Computer) না জানা একটা মূর্খতার অংশ বলেই মনে করি। অফিস আদালত থেকে শুরু করে সব কাজেই কম্পিউটার (Computer) ছাড়া অন্ধের মতো মনে হয়। আপনি কম্পিউটার (Computer) জানেন না, আপনি একদমই পিছিয়ে আছেন, মানে আপনি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পড়েছেন। এখন যেকোনো অফিস আদালতে গেলে দেখবেন, সবার সামনেই কম্পিউটার (Computer), কেউ লিখছেন, কেউ হিসেব নিকেশ করছেন, কেউ ছবি আঁকছেন বা কেউ গেম খেলেছেন, এ সবই কম্পিউটার (Computer) জ্ঞান থাকার কারণে সম্ভব হচ্ছে। কারণ বাচ্চাদের স্কুল থেকে শুরু করে বেশিরভাগ কাজই এই যন্ত্র ছাড়া এখন সম্ভব না। তাই কম্পিউটার (Computer) জ্ঞান থাকা অবশ্যই দরকার। অনেকেই এই কম্পিউটার (Computer) নামক যন্ত্রটিকে ভয় পেয়ে থাকেন, কিন্তু খুবই সহজ এটাকে আয়ত্বে আনা। আর দেরি না করে, আজই নিচে দেওয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে বিনামূল্যে বাসায় বা অফিসে বসে কম্পিউটার শিখে ফেলুন -Learn Computer at Home for Free )
শুরুতেই আপনার যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে-
আপনি কী ধরনের কাজের জন্য শিখতে চান, তবে যে ধরনের কাজের জন্যই শিখতে চান না কেন, কম্পিউটার (Computer) ব্যসিক আপনাকে জানতেই হবে। ব্যাসিক প্রোগ্রামিং না জানলে আপনি লক্ষে পেঁছাতে পারবেন না বরং এটাকে ঝামেলা বা দূরুহ মনে হবে। মনে রাখবেন, যে কাজই আপনি করেন না কেন, সেখানে টাইপিং, মাউসের ব্যবহার ও কম্পিউটারের (Computer) কিছু সাধারন বিষয় প্রয়োগ লাগবেই। অতএব, আপনি ব্যসিক প্রোগ্রাম শিখে তারপর আপনার ইচ্ছে প্রোগ্রামের দিকে অগ্রসর হন।
ফ্রি-তে ঘরে বসে কম্পিউটার শিখতে (Learn Computer at Home for Free) আপনার যা যা লাগবে-
কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সাথে ইন্টারনেট, ব্যস একদম রেডি আপনি। এখন নিচের নির্দেশনা ফলো করুন আর হয়ে উঠুন কম্পিউটার এক্সপার্ট।
১ম উপায় -
ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে :
বর্তমানে যেকোনো জিনিস দেখে শেখার সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ইউটিউব। আপনি শুধু মনের কথাটা সার্চ বারে লিখে ওকে বা Enter চাপুন, দেখবেন মূহুর্তের মধ্যে হাজার হাজার সমাধান হাজির হয়ে যাবে। ইউটিউব অ্যাপ এখন প্রতিটি ডিভাইসে ফ্রি ইনস্টল করে দেওয়া থাকে, বিশেষ করে এ্যন্ড্রয়েড ফোনে তো বটেই। আপনি শুধু নেট সংযোগ দিয়ে ইউটিউবে ঢুকে ইউটিউবের সার্চ বারে লিখুন কম্পিউটার কোর্স বা ব্যসিক কম্পিউটার কোর্স। এক গাদা ভিডিও টিউটোরিয়াল হাজির হবে। সেখান থেকে যেটা বা যেগুলো ভাল লাগে সেগুলোতে ক্লিক করে দেখতে শুরু করে দিন। এখানে আপনি বাংলা, ইংরেজি, হিন্দিসহ অনেক ভাষায় টিউটোরিয়াল শিখতে পারবেন বা এক ভাষার টিউটোরিয়াল অন্য ভাষায় অনুবাদ করেও শিখতে পারবেন।
২য় উপায়-
এ্যপস ব্যবহার করে :
পড়তে থাকুন “সবার জন্য ব্লগ থেকে” নিচের ছবিতে বা লিংকে ক্লিক করুন:
https://www.sobarjonnoblog.com/2020/08/learn-computer-at-home-for-free.html
26/06/2020
Creative Method Khata Mullayon bangla tutorial । সৃজনশীল পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়ণ বাংলা টিউটোরিয়াল Creative Method Khata Mullayon bangla tutorial । সৃজনশীল পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়ণ বাংলা টিউটোরিয়াল বিস্তারিত জানুুন সহজ ভাষায় "sobar jonno blog" চ্যান....
*** শ্রেণি ব্যবস্থাপনা ও এর প্রয়োজনীয়তা
(Importance of Class Management) ***
-----শিক্ষকতায় শ্রেণি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম।
শ্রেণি ব্যবস্থাপনা না জানলে শিক্ষক হওয়া অসম্ভব!----
লেখাপড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে, বাস্তব সত্য কথা। কিন্তু যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে আধুনিকতার সংমিশ্রণে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় এটি আর জীবনভিত্তিক বিশ্বাসযোগ্যতায় নেই। এখন পড়ালেখা মানে পুঁথিগত বিদ্যার সাথে সাথে জীবনমূখী শিক্ষা কার্যক্রমে জড়িত হওয়া। যেমন: খেলাধূলা, চিত্রাংকন, সাংস্কৃতিক, টেকনিক্যাল কাজ ইত্যাদি। আগে এসব সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম হলেও বর্তমানে এগুলোকে শিক্ষা সম্পৃক্ত কার্যক্রম বলা হয়। শ্রেণি ব্যবস্থাপনা (class management)-এর জন্য এসব কার্য সম্পাদনে শিক্ষককে..... বিস্তারিত পড়ুন,,,,,
‘সবার জন্য ব্লগ’ থেকে.... নিজে জেনে অন্যকে জানান,
https://sobarjonnoblog.blogspot.com/2020/06/importance-of-class-management.html
আজ জানাবো..............................................................
চালের পোকা দূর ও গ্যাসের চূলার কালি দূর করার উপায় ।
Rice Insect Control & How To Clean Gas Burner
প্রায় প্রতিটি বাসা বাড়িতেই এই সমস্যাগুলোতে পড়তে হয়, আর এগুলো বিরক্তিকর সমস্যা......
খুব সহজে নিজে নিজে ঘরে বসেই সমস্যা দূর করে ফেলুন
““““““ মিস্ত্রি বা টাকা খরচের একদম ঝামেলা নেই””””””
জানুন ‘সবার জন্য ব্লগ’ থেকে
https://sobarjonnoblog.blogspot.com/2020/06/rice-insect-control-how-to-clean-gas.html
15/06/2020
সরল মনের এই মানুষটির ‘করোনা’ পজেটিভ..... সূস্থ্যতার জন্য দোয়া ও ভালবাসা প্রয়োজন........
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Kushtia
7000