26/07/2026
#ঘটনা_১:
2nd টাইম যখন রাবি তে এক্সাম দিতে গেলাম, ৩ ইউনিটেই মোটামুটি ভালো এক্সাম হলো। এদের ভিতর এক ইউনিটে আমি ১০০% শিউর ছিলাম যে চান্স পাবো। ভালো সাব্জেক্ট ও আসতে পারে। তার কয়েকদিন পরেই পাবিপ্রবির এক্সাম। রাবি তে sure চান্স তাই এটার এক্সাম হলে চুপচাপ বসে ছিলাম। এক প্রকার ফাজলামি করে এক্সাম শেষ করি। ফলাফল - এখানে চান্স তো হয় ই নি, রাবি তে ও ওয়েটিং। যদিও পরে কোন রকমে একটা সাব্জেক্ট পাইছিলাম। কিন্তু ওই সময় টা কত কষ্টের ছিলো, টের পাইছি।
#শিক্ষা : জয়ের আগেই উদযাপন নয়। ফাইনাল ফল পাওয়ার আগে কখনোই অতিরিক্ত কনফিডেন্ট হয়ে পরবর্তী এক্সাম কে অবহেলা করা যাবেনা। প্রত্যেক টা ময়দানে নিজের সর্বোচ্চ টা দিয়ে চেষ্টা করতে হবে।
#ঘটনা_২:
রাবি তে ওয়েটিং থেকে সাব্জেক্ট পাবো ভেবে যবিপ্রবি তে এক্সাম না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু পরে দিতে গেলাম। এক্সাম হলো সবচেয়ে ফালতু। কিন্তু এখানেই ভালো মেরিট আসলো। স্কুলের বড় ভাই বললো আইপিই আসবে। তাই সাব্জেক্ট চয়েজে শুরুতে দিলাম আইপিই। জমা দেওয়ার সময় ভাবলাম আইপিই তো পাবোই , EEE দিয়ে রাখি, আসতেও তো পারে। আর না আসলে আইপিই তো পাচ্ছিই । তাই কেটে ফার্স্ট চয়েজ দিলাম EEE । আমি ছিলাম EEE এর শেষ স্টুডেন্ট। এমনকি আগের বছর পর্যন্ত EEE, মেরিটে এতদূর টানেনি। এই বছর আমার পর আর কোন ওয়েটিং টানেনি।
#শিক্ষা : কোন এক্সাম ভালো হবে, কোনটা খারাপ আমরা জানিনা। সকল এক্সামে অংশগ্রহণ করা উচিত। আবার লাইফের ছোট একটা ডিসিশন পুরো লাইফের মোমেন্টাম চেঞ্জ করে দিতে পারে। যেমন আমি অন্য সাব্জেক্ট এর চয়েজ ফর্ম টা শেষ পযর্ন্ত জমা দিলে হয়ত ভালো কিছু পেতাম বা খারাপ ও হতে পারতো কিন্তু EEE আমাকে যা দিয়েছে তা হয়ত আর পেতাম না। EEE Pedia টাও ক্রিয়েট করতে পারতাম না। তাই সব ক্ষেত্রেই বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। পাওয়া অসম্ভব মনে হলেও একবার ট্রাই করা উচিত।