رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَٰجِنَا وَذُرِّيَّـٰتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَٱجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দাও।
— Surah Al-Furqan
Verse 74
Da'wah
دعوة
বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্র
بِسْمِ اللّٰهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللّٰهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ
আল্লাহ্র নামে (বের হচ্ছি)। আল্লাহর উপর ভরসা করলাম। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই [১]
বিসমিল্লাহি, তাওয়াককালতু ‘আলাল্লা-হি, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
আনাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় এ কথাগুলো বলবে, তাঁকে (আল্লাহর পক্ষ থেকে ) বলা হবে: তোমার আর কোনো চিন্তা নেই, তোমার সকল দায়িত্ব গ্রহণ করা হলো, (তোমাকে সঠিক পথ দেখানো হলো) এবং তোমাকে হেফাযত করা হলো। আর শয়তান তার থেকে দূরে চলে যায়।” অন্য বর্ণনায় : “এক শয়তান অন্য শয়তানের সাথে সাক্ষাৎ করে বলে, সে ব্যক্তির সকল দায়িত্ব গ্রহণ করা হয়েছে, হেফাযত করা হয়েছে এবং পথ দেখানো হয়েছে, কিভাবে আমরা তার ক্ষতি করতে পারি?” হাদীসটি হাসান সহীহ। [২]
[১] আবূ দাউদ ৪/৩২৫, নং ৫০৯৫; তিরমিযী ৫/৪৯০, ৩৪২৬। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫১
[২] তিরমিযী (৩৯-কিতাবুদ্দাওয়াত,৩৪-বাব ইয়াকুলু ইযা খরাজা) ৫/৪৫৬, নং ৩৪২৬ (ভা ২/১৮০-১৮১)।
দোআ ও যিকির (হিসনুল মুসলিম)
আল্লাহ তাআলা বলেন-‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা কেন এমন কথা বল, যা তোমরা নিজেরাই মেনে চল না? তোমরা যা করনা, তোমাদের তা বলা আল্লাহর কাছে অতিশয় অসন্তোষজনক।’ (সুরা সফ : আয়াত ২-৩)
যে ব্যক্তিকে দেখলে আল্লাহ হাসেন।☺☺
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، ح وَحَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الضَّرِيرُ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يُصَلِّي فَأَخَذَ شِمَالَهُ بِيَمِينِهِ .
ওয়ায়িল বিন হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সালাত আদায় করতে দেখেছি। তিনি তাঁর ডান হাত দিয়ে তাঁর বাম হাত ধরেন।
[৮০৮] [৮০৮] মুসলিম ৪০১, নাসায়ী ৮৮৭, ৮৮৯; আবূ দাঊদ ৭২৩, ৭২৬, ৯৫৭; আহমাদ ১৮৩৬৫, ১৮৩৭৮, ১৮৩৮৮, ১৩৩৯৮; দারিমী ১২৪১, ১৩৫৭। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবূ দাউদ ৭১৬।
সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৮১০
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
কবর ও জাহান্নামের আযাব এবং জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার অনিষ্টতা থেকে
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি ওয়া মিন ‘আযা-বি জাহান্নামা, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামা-তি, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল
বুখারী ২/১০২, নং ১৩৭৭; মুসলিম ১/৪১২, নং ৫৮৮। আর শব্দ মুসলিমের।
দোআ ও যিকির (হিসনুল মুসলিম) অ্যাপটি পেতেঃ http://bit.ly/DuaApp
16/12/2021
14/12/2021
আল্লাহ কে?
কী বা তার পরিচয়?
আল্লাহ কুরআন এর ১১২ নং সূরায় তার সবচেয়ে সুন্দর সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়ে আমাদের চিনিয়েছে তিনি কে।
এই সুরার ফজিলত ও এটি পরার গুরুত্ব এতো পরিমান বেশি যে এটা কেউ জানলে প্রতিদিন পাঠ করতে ভুলবে না।
সূরা আল ইখলাস মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরাটিকে প্রিয়নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ব্যাখ্যা করেছেন।
তাৎপর্যের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এই সূরাটিতে আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব ও সত্তার সবচেয়ে সুন্দর ব্যাখ্যা রয়েছে। এটি কোরআনের অন্যতম ছোট একটি সূরা হিসেবেও বিবেচিত হয়ে থাকে। এই সূরাটি কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান বলা হয়।
সূরা ইখলাসের উপকারিতা ও ফজিলত সম্পর্কে মুসলিম, তিরমিজী, আবু দাউদ ও নাসায়ীতে একাধিক হাদিস রয়েছে। হজরত ওকবা ইবনে আমের বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেন, আমি তোমাদেরকে এমন তিনটি সূরা বলছি, যা; তাওরাত, ইঞ্জিল, জবুর এবং কোরআন সহ সব কিতাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। রাতে তোমরা ততক্ষণ নিদ্রা যেয়ো না, যতক্ষণ সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস না পাঠ কর। ওকবা বলেন, সেদিন থেকে আমি কখনো এ আমল পরিত্যাগ করিনি (ইবনে কাসীর)।
তা ছাড়া আবু দাউদ, তিরমিজী এবং নাসায়ীর এক দীর্ঘ বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করে তা তাকে বালা-মসিবত থেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য যথেষ্ট হয় (ইবনে কাসীর)।
সহিহ হাদিসে আছে সূরা ইখলাস ৩ বার পাঠ করলে এক খতম কোরআন তেলাওয়াতের সমপরিমান সওয়াব পাওয়া যায়। বোখারিতে আয়েশা (রা.) থেকে এক রেওয়ায়েতে উল্লেখ আছে, এক যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সা.) এক ব্যক্তিকে আমির নিযুক্ত করে দেন, তিনি সেনা সদস্যদের নামাজে ইমামতিকালে সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা শেষে প্রত্যেক রাকাতেই সূরা ইখলাস পাঠ করতেন। যুদ্ধ থেকে ফিরে লোকেরা এ ব্যাপারে অভিযোগ কররে তিনি তাকে ডেকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করেন, আমির বা নেতা উত্তর দেন যে আমি এই সূরাকে ভালোবাসি। একথা শুনে রাসূল (সা.) বললেন, তাহলে আল্লাহও তোমাকে ভালোবাসে। -বোখারি কিতাবুল মাগাযী দেখুন।
বোখারীর কিতাবুস সালাতে আনাস (রা.) এর সূত্রে অনুরুপ আরেকটি হাদিস বর্ণিত, কুবা মসজিদে এক আনসার সাহাবি ইমামতি করতেন, তিনি প্রত্যেক রাকাতে ফাতিহার পর সূরা ইখলাস পাঠ করে অন্য সূরা পড়তেন। লোকেরা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর কাছে অভিযোগ করলে তিনি (সা.) তাকে ডেকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করেন, উক্ত আনসারী বললেন আমি এ সূরাকে ভালোবাসি। তাই এরূপ করি। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, এই সূরার প্রতি তোমার ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। (বোখারি: ১০৭ নম্বর পৃ:)।
নবী (সা.) ইরশাদ করেছন, যে ব্যক্তি কুলহু আল্লাহু আহাদ সূরাটি ১০ বার পাঠ করবে আল্লাহ তায়ালা জান্নাতে তার জন্য একটি বালাখানা তৈরি করে দেন। আর যে ২০ বার পাঠ করে তার জন্য দু’টি বালাখানা এবং ৩০ বার পাঠ করবে তার জন্য তিনটি বালাখানা তৈরি করেন।
এ কথা শুনে উমর (রা.) বললেন, তাহলে তো আমরা অনেক বালাখানার মালিক হয়েছি! রাসূল (সা.) বললেন, আল্লাহ তো এর চেয়ে বেশি দানকারী। (তাফ: ই: কাসীর ৪র্থ খ: ৭৩৮ পৃ:)।
জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি তিনটি কাজ ঈমানের সঙ্গে করতে পারবে জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে সে প্রবেশ করতে পারবে। (১) যে হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেবে। (২) যে ব্যক্তি গোপন ঋণ পরিশোধ করবে। (৩) এবং যে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ১০ বার সূরা ইখলাস পাঠ করবে। (তাফ: ই: কাসীর ৪র্থ খ: ৭৩৮ পৃ:)।
সূরা আল-ইখলাসের শানে নুযুল:
মুশরিকরা মুহাম্মাদ (সা.)-কে আল্লাহ তায়ালার বংশপরিচয় জিজ্ঞেস করেছিল, যার জওয়াবে এই সূরা নাজিল হয়। অন্য এক রেওয়ায়েতে আছে যে, মদিনার ইহুদিরা এ প্রশ্ন করেছিল। কোনো কোনো রেওয়ায়েতে আছে যে, তারা আরো প্রশ্ন করেছিল, আল্লাহ তায়ালা কিসের তৈরি, স্বর্ণ-রৌপ্য অথবা অন্য কিছুর? এর জওয়াবে সূরাটি অবতীর্ণ হয়েছে ৷
সূরা আল-ইখলাস
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
আরবি উচ্চারণ : বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
বাংলা অনুবাদ : পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
(১) قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ
আরবি উচ্চারণ: কুল্ হুওয়াল্লা-হু আহাদ্।
বাংলা অনুবাদ: বল, তিনিই আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়।
(২) اللَّهُ الصَّمَد
আরবি উচ্চারণ: আল্লা-হুচ্ছমাদ্।
বাংলা অনুবাদ: আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী।
(৩) لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
আরবি উচ্চারণ: লাম্ ইয়ালিদ্ অলাম্ ইয়ূলাদ্।
বাংলা অনুবাদ: তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি।
(৪) وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَد
আরবি উচ্চারণ: অলাম্ ইয়া কুল্লাহূ কুফুওয়ান্ আহাদ্।
বাংলা অনুবাদ: আর তাঁর কোনো সমকক্ষও নেই।
মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা; মুসলিম উম্মাহকে সূরা ইখলাস পাঠের প্রতি যত্নবান হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।
ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে
14/12/2021
ফেসবুক ট্রেন্ড!❌
ফার্স্ট ক্যাটাগরিঃ আপনি কবে মারা যাবেন? আপনি কোথায় কীভাবে মারা যাবেন? আপনার বিয়ে কবে হবে? কার সাথে হবে? আপনার কয়টা সন্তান হবে? আপনার কি বিদেশ যাত্রা আছে? আপনি আসলে কেমন মানুষ? আপনাকে কে কে ভালোবাসে দেখে নিন! এই-সেই!
সেকেন্ড ক্যাটাগরিঃ @ চাপুন, যে কয়েকজনের নাম আসবে তাঁর মধ্যে দ্বিতীয় ব্যক্তিটি আপনাকে গোপনে ভালোবাসে। আপনার চ্যাটিংলিস্টের তৃতীয়জন পালিয়ে বিয়ে করার প্ল্যান করছে। @ এর প্রথমে যার নাম আসবে সে আপনাকে আইসক্রিম খাওয়াবে। @ এর পঞ্চম ব্যক্তিটি আপনাকে একটি বই গিফট্ করবে। ব্লা! ব্লা!
একটা সময় গণকের প্রচুর ব্যবসা ছিল! ফার্স্ট ক্যাটাগরিতে যেগুলো উল্লেখ করা আছে, মানুষ সেগুলো গণকের নিকট যেয়ে জিজ্ঞাসা করতো। এসব জিজ্ঞাসা করা যে স্পষ্ট শির্ক তা আলাদা করে উল্লেখ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
এবার আসি সেকেন্ড ক্যাটাগরির কথাগুলোতে। কে আপনাকে গোপনে ভালোবাসেন, কে আপনাকে কি হাদিয়া দেবেন, কি খাওয়াবেন এগুলো ওই পোস্টদাতা কীভাবে জানলেন? তিনি কীভাবে জানলেন যে কোন ব্যক্তি কি করার পরিকল্পনা করছেন? অন্তর সম্পর্কে তো একমাত্র আল্লাহ (ﷻ) জ্ঞাত। এসব নিয়ে কিছু বলা কি আল্লাহর এই সিফাতের মধ্যে হস্তক্ষেপ করা নয়?
এগুলো যেমন মারাত্মক গুনাহের কাজ তেমনি এসব ফলো করাও গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। এসব ট্রেন্ড ফলো করার অর্থ এগুলোকে সাপোর্ট করা। সাপোর্ট না করলে কেউ কেন এগুলো ট্রাই করবে? ফান? গুনাহমূলক কাজ নিয়ে ফান করা কি বৈধ? স্পেশালি, যেটা শির্কের ন্যায় গুনাহ!
কেউ কেউ আবার এসব ট্রেন্ড ফলো করেন এবং বলে থাকেন, তাঁরা এগুলো ফলো করলেও এসবে বিশ্বাস করেন না; কথাটি অনেকটা এমন শোনায় "তাঁরা মূর্তিপূজা দেখেন, উপভোগ করেন কিন্তু মূর্তিপূজায় বিশ্বাস করেন না"।
وَعَنْ صَفِيَّةَ بِنتِ أَبِي عُبَيدٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُ، عَن بَعضِ أَزوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ أَتَى عَرَّافاً فَسَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ، لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلاَةٌ أَرْبَعِينَ يَوماً» . رواه مسلم
স্বাফিয়্যাহ বিন্তে আবূ উবাইদ নবী (ﷺ)-এর কোন স্ত্রী (হাফসাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিতঃ:
নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি গণকের নিকট এসে কোন (গায়বী) বিষয়ে প্রশ্ন করে, তার চল্লিশ দিনের নামায কবুল করা হয় না।’
[মুসলিম ২২৩০, আহমাদ ১৬২০২, ২২৭১১, রিয়াদুস সলেহিন, হাদিস নং ১৬৭৮]
ফার্স্ট এ্যান্ড সেকেন্ড ক্যাটাগরিতে উল্লেখিত সবগুলো কথাই গায়েবী। যে গায়েব সম্পর্কে একমাত্র সর্বোত্তম রব ❝আল্লাহ❞ (ﷻ)-ই সর্বোত্তম জানেন। তিনি ব্যতীত অন্যকিছুতে এসব ট্রাই করার মাধ্যমে নিজের ইবাদাতকে হুমকির মুখে নিক্ষেপ করা হচ্ছে না তো?
এখন মানুষরূপী গণকের নিকট যেয়ে আমরা হাত পেতে কিছু জিজ্ঞেস করি না ঠিকই, যে কারণে গণকদের ব্যবসায়ে প্রায় লালবাতি জ্বলে যাওয়ার উপক্রম হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, এই ভার্চুয়াল গণকদের ব্যবসায় সবুজ বাতি শুধু জেনারেল মাইন্ডারাই নন বরং এই দ্বীনি সার্কেলের অসংখ্য দ্বীনদাররাও জ্বালাচ্ছেন!
আল্লাহ (ﷻ) আমাদেরকে এসব ফেৎনা থেকে হেফাজত করে সিরাতাল মুস্তাকিমের দিকে চালনা করুন!
©
সংগৃহীত
আসসালামু আলাইকুম ভাই, বোন ও বন্ধুগণ।
এই ফিতনার যুগে আল্লাহর সাহায্য ব্যাতিত কোনো মানব সন্তান নিজের ইমান ধরে রাখতে পারবে না।
সব রকম ফিতনা থেকে বাচতে আমাদের আল কুরআন ও নবির সুন্নত অনুসরণ করা আবশ্যক।
ইন শা আল্লাহ আমরা চেষ্টা করবো সহিহ হাদিস ও পর্যাপ্ত রেফারেন্স দিয়ে সত্য প্রচার করতে।
আপনারা আমাদের সাহায্য করুন এবং অন্যের উপকার করার জন্য যথার্থ চেষ্টা করুন আল্লাহ আমাদের তউফিক দান করুন আমিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kulaura