Kulaura Govt. College

Kulaura Govt. College

Share

https://m
.facebook.com/kdc.edu.bd/

07/09/2020
16/06/2020

আগস্টেও হচ্ছে না এইচএসসি পরীক্ষা, সেপ্টেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনা!

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মেয়াদ ৬ আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এই সময়ে সকল প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে এই বন্ধের কারণে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা (এইচএসসি) নিয়ে অনিশ্চয়তাও বাড়ল।

সাধারণত এপ্রিল-মে মাসে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে সেপ্টেম্বর নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। কিন্তু পরীক্ষা না হওয়ায় কবে নাগাদ এই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরু করতে পারবেন, তাদের একাডেমিক ক্যালেন্ডার থেকে একটি বছর হারিয়ে যাবে কিনা, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, একদিকে সরকার যেমন এখনো এইচএসসি পরীক্ষার কোন সুনির্দিষ্ট তারিখ বলতে পারছেন না, তেমনি পাবলিক-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও পরিস্থিতির উন্নতি আর সরকারি সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন টানা বন্ধের ঘটনা আর ঘটেনি।

রাজধানীরধানমণ্ডির বাসিন্দা নাফিস শাহরিয়ারের এই বছর এইচএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে তার সব পরিকল্পনা ওলটপালট হয়ে গেছে। তার বক্তব্য, ‘ভালোই প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। ইচ্ছা ছিল, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চেষ্টার পাশাপাশি বিদেশে স্কলারশিপের জন্য চেষ্টা করবো। কিন্তু পরীক্ষা হবে না জানার পর থেকে পড়াশোনা আর ঠিকভাবে করা হচ্ছে না। সব কিছু মিলিয়ে একটা চিন্তার মধ্যে আছি।’

ফরিদপুরের পরীক্ষার্থী তানিয়া ইয়াসমিন বলেন, ‘যেভাবে প্রিপারেশন নিয়েছিলাম, তাতে বড় একটা ছেদ পড়লো। লকডাউন শুরুর পর থেকে তো কোচিং, স্যারদের কাছে পড়া সব বন্ধ। যা পড়েছিলাম, তাও এখন ভুলতে বসেছি। নতুন একটি ডেট দিলে আবার জোরেশোরে পড়াশোনা শুরু করতে হবে।’

চলতি বছর দেশে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় (এইচএসসি) মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখের বেশি। এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল গত এপ্রিল মাসের শুরুতে। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে তখন সাধারণ ছুটি ও সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সেই পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। এরপরে কয়েক দফায় সাধারণ ছুটি বাড়ানোয় পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব হয়নি।

দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি শেষ হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ৬ অগাস্ট পর্যন্ত বাড়িয়েছেসরকার। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন টানা বন্ধের ঘটনা আর ঘটেনি। কর্মকর্তারা বলছেন, সব কিছু নির্ভর করছে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কি হয়, তার ওপরে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন বলেন, ‘ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার্থীদের বিষয়টি নিয়ে আমাদের চিন্তাটা হলো পরিস্থিতির যখন উন্নতি হবে, স্বাভাবিকের দিকে আসবে, তখন আমর তারিখটা ঘোষণা করবো। তখন পরীক্ষাটা নেবো।’

আগস্টের পর পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করলে, পরীক্ষা অনুষ্ঠান, ফলাফল প্রকাশ হতে হতে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস লেগে যেতে পারে। তার কিছুদিন পরে আরেকটি এইচএসসি পরীক্ষার সময় চলে আসবে। সেক্ষেত্রে কী করা হবে, জানতে চাইলে তিনি বলছেন, এখনি তারা এ বিষয়ে আগাম বলতে চান না।

তিনি বলেন, ‘আমরা কিছু কন্টিনজেন্সি প্লান (সম্ভাব্য সব ঘটনার জন্য বিকল্প পরিকল্পনা) করে রেখেছি। পরীক্ষা কোন সময়ে নেবো, তার সঙ্গে ম্যাচ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে। পরিস্থিতি দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।’

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আপাতত সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে তখন করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কতোটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়, তার ওপরে।

দেশে সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন সেশনে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয় সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ। কিন্তু এই বছর সেটা কবে হবে, তা কারো জানা নেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলছেন, ‘সব কিছুই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, এটাই বাস্তবতা। শুধু ভর্তি নয়, আমাদের গ্রাজুয়েশন কার্যক্রমও প্রলম্বিত হবে। ভর্তি কার্যক্রম সম্পর্কে কিছু কিছু সিদ্ধান্ত এর মধ্যেই আমরা নিয়ে রেখেছি।’

তিনি বলেন, ‘এখন আমরা অপেক্ষা করছি পরিস্থিতি দেখার জন্য যে, আগস্ট সেপ্টেম্বর নাগাদ পরিস্থিতি কেমন হয়। এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত হলে সেই অনুযায়ী তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।’

তবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য এই জটিলতা একটু কম। তারা বছরে তিনটি সেমিস্টারে ছাত্র ভর্তি করে থাকে। ফলে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের পর তারা যেকোনো সময়েই ভর্তি করতে পারবে। তবে এই সময়সূচীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভর্তি সময় বদলে নিতে হবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে।

বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক এম. শাহজাহান মিনা বলেন, সাধারণত এইচএসসি পরীক্ষার পরে সেপ্টেম্বর সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি বেশি হয়। এখন পরীক্ষা সেপ্টেম্বরে হলে তাদের ফলাফল পেতে নভেম্বর-ডিসেম্বর হয়ে যাবে। ফলে জানুয়ারির আগে তাদের ভর্তি করানো সম্ভব হবে না। এর ফলে প্রতিটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত দুইটা সেপ্টেম্বরে ভর্তি কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সেশনজটের তৈরি হতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক এম. শাহজাহান মিনা বলেন, ‘সেটার সম্ভাবনা কম। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোনো সেমিস্টারেই শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে। তবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে যেমন একবছরের একটা গ্যাপ থাকতো। এখন হয়তো সেই গ্যাপটা একবছর থাকবে না, সেটা হয়তো আটমাসে নেমে আসবে।’

তিনি মনে করেন, যেহেতু ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফলে সামনে বছরের এইচএসসি পরীক্ষাও এপ্রিল-মে মাসের বদলে দুই-একমাস পিছিয়ে যেতে পারে।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশন বা ক্যাম্পে। প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ পড়েছে। বাংলাদেশে যদি এইচএসসির মতো বড় পরীক্ষা আয়োজনে সমস্যা হয় বা পিছিয়ে দিতে হয়, তাহলে সেটার বিকল্প এখনি ভাবা উচিত।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষাপঞ্জি যে তছনছ হয়ে যাচ্ছে, সেটা শুধু বাংলাদেশে নয়, অনেক দেশেই হয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা যেভাবে পরীক্ষা নির্ভর, সে কারণে এটা আরেকটি সমস্যা তৈরি করেছে। কারণ এখানে শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে গেছে। তবে শিক্ষাপঞ্জি অনিশ্চিত হয়ে যাওয়ার মানে হলো শিক্ষার্থীদের সব ধরণের কর্মকাণ্ডই অনিশ্চিত হয়ে যাওয়া।’

তিনি আরো বলেন, ‘এইচএসসি একটা বড় পরীক্ষা। সেটা পিছিয়ে গেলে বিকল্প চিন্তা করতে হবে। বিকল্প কী হতে পারে, পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে কী করবেন, সেটা, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে একটা সমাধান বের করতে হবে। অনেক দেশে আগের ক্লাস পরীক্ষার মার্কিং বা গ্রেডের ফলাফলের ভিত্তিকে এভারেজ রেজাল্ট ঠিক করে দেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। সেটাও একটা বিকল্প ভাবা যেতে পারে।’

রাশেদা কে চৌধুরী জানান, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় শিক্ষা ব্যাহত হওয়ায় অটো প্রমোশন হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ভর্তি হয়েছিলেন, তারা একটা সেশন জটে পড়লেও, পরবর্তী এক-দুই বছরের মধ্যে সেটার সমাধান হয়েছিল। খবর: বিবিসি বাংলা।

Photos from Kulaura Govt. College's post 12/06/2020

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরঃ

বিভিন্ন পদের ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীগণের ফলাফলঃ

https://dam.portal.gov.bd/sites/default/files/files/dam.portal.gov.bd/notices/f56f26eb_06aa_44a6_9d8c_8b7008aa22b1/2020-06-09-19-30-2bdb1b9c541ec437c83f98c6a3346118.pdf

12/06/2020

[এক নজরে #জাতীয়_বাজেটঃ ২০২০-২০২১]

াজেট- ৪৯ তম ( একটি অন্তবর্তীকালীন বাজেট সহ ৫০ তম বাজেট)

#ঘোষকঃ অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মোস্তফা কামাল (অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাঁর ২য় বাজেট)

★★★ উল্লেখ্য যে, এটি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১২তম বাজেট এবং সব মিলিয়ে ২০ তম বাজেট।

#স্লোগান- ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ: ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’।

#বাজেট_উপস্থাপন_করা_হয়ঃ ১১ জুন ২০২০।

#সংসদে_পাস_হবে ৩০ জুন ২০২০।

#কার্যকর_হবেঃ ১ জুলাই ২০২০ থেকে।

#বাজেটের_আকার- ৫৬৮০০০ কোটি (পাঁচ লাখ আটষট্টি হাজার কোটি টাকা) এটি জিডিপির ১৯.৯ শতাংশ)।

#জিডিপির_আকারঃ ৩১ লাখ ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

#করমুক্ত_আয়সীমাঃ ৩,০০,০০০টাকা (পুরুষ) এবং মহিলা ৩,৫০,০০০ টাকা।

(এর পরবর্তী ১ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর ধরা হয়েছে ৫ শতাংশ।)

#রাজস্ব_আয়ের_লক্ষ্যমাত্রাঃ ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৩ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশের সমান।

#রাজস্ব_ঘাটতিঃ ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা। ( যা জিডিপির ৬ শতাংশ)

#জিডিপির_প্রবৃদ্ধির_হারঃ ৮.২%

#মুদ্রাস্ফিতির_হারঃ ৫.৪%

#বার্ষিক_উন্নয়ন_কর্মসূচীতে_ব্যায়ঃ ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা।

#বাজেটে_আয়ের_লক্ষ্যমাত্রাঃ ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৬ কোটি টাকা।

#সর্বোচ্চ_বরাদ্ধঃ জনপ্রশাসন খাতে; এক লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

★করোনা মোকাবিলায় #জরুরী বরাদ্দঃ ১০ হাজার কোটি টাকা।

অর্থের উৎসঃ

১. এনবিআর থেকে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

২. কর বহির্ভুত আয় ৩৩ হাজার কোটি টাকা।

৩. এনবিআর বহির্ভুত আয় ১৫ হাজার কোটি টাকা।

৪. ব্যাংক থেকে ৮৫ হাজার কোটি টাকা (আগের দ্বিগুন)।

৫. সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য মিলিয়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা।

৬. বিদেশি ঋণ থেকে ৭৬ হাজার কোটি টাকা।

আরো কিছু গুরুত্বপুর্ণ তথ্য যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসতে পারেঃ

★স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ৪১ হাজার ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

★রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ১৫ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

★পদ্মাসেতুতে বরাদ্দ ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

★পরিবহন ও যোগাযোগ খাতের জন্য মোট ৬৪ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

★বাজেটে ক্রীড়া খাতে ২৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

★নিত্যপণ্যের উৎসে আয়কর কমিয়ে ২ শতাংশের প্রস্তাব করা হয়েছে।

★ভাতার আওতায় আসবেন আরও সাড়ে ৩ লাখ বিধবা

★আরও ৫ লাখ দরিদ্র প্রবীণ আসছেন বয়স্ক ভাতার আওতায়

★বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জন্য বাজেটে ২৬ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে

★ স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম বাজেট ঘোষণা করেন তাজউদ্দীন আহমদ, ৭৮৬ কোটি টাকার।

★ বাংলাদেশে ১৯৯৬-১৯৯৭ অর্থবছরে দুইবার বাজেট ঘোষণা করা হয়। এই অর্থবছরের প্রথম বাজেটটি ছিলো অন্তর্বতীকালীন বাজেট।

★সর্বোচ্চ ১২টি বাজেট দেওয়ার রেকর্ড রয়েছে বিএনপির প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান ও আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের।

[২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট কার্যকরে যেসব জিনিসের দাম বাড়বে ও কমবে]

#যেসব_জিনিসের_দাম_বাড়বে

1.বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, গুল বা তামাকজাতীয় পণ্য।

2.আমদানি করা পেঁয়াজ, লবন, মধু, দুধ, দুগ্ধজাতীয় পণ্য, চকলেট।

3.আমদানি করা অ্যালকোহল।

4.অনলাইন কেনাকাটা।

5. ইন্টারনেটের খরচ।

6.প্রক্রিয়াজাত মুরগির অংশবিশেষ।

7. মোবাইল ফোনের খরচ ও মোবাইল ফোনের সিম কার্ড।

8.কাঠ ও অন্যান্য উপাদানে তৈরি আসবাবপত্র।

9. বিদেশি টেলিভিশন।

10 .বিদেশ থেকে আমদানি করা চীনামাটির পণ্য।
প্রসাধনী সামগ্রী।

11.কার জিপের নিবন্ধন ব্যয়।

12. সাইকেল ও বিদেশি মোটর সাইকেল।

13. চার্টার্ড বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়া।

14. শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লঞ্চ সার্ভিস।

15. আমদানিকৃত ওয়ালফ্যান।

16. আলোকসজ্জা।

17. ড্রেজার।

18. ইস্পাত, লোহা, বাণিজ্যিক যানবাহনের যন্ত্রাংশ, ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ।

#যেসব_জিনিসের_দাম_কমবে

1.এলপিজি সিলিন্ডার।

2. স্বর্ণ।

3. স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়পার।

4. চামড়া বা যেকোন উপাদানে তৈরি জুতো।

5. সরিষার তেল।

6. চিনি।

7. করোনাভাইরাস টেস্ট কিট, মাস্ক, গ্লাভস, ওষুধ আইসিইউ যন্ত্রপাতি।

8.পোল্ট্রি শিল্পের কাঁচামাল।

9. রেফ্রিজারেটর ও এয়ারকন্ডিশনারের কম্প্রেসার।

10. ডিটারজেন্ট।

11. সৌর ব্যাটারি।

12. প্লাস্টিক ও প্যাকেজিং।

13. আমদানি করা কৃষিযন্ত্র।

14. মৎস্যশিল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি।

15. কাগজ।

16. ফার্নেস তেল।

11/06/2020

***প্রবেশপত্র ডাউনলোড বিজ্ঞপ্তি***
================================
বাংলাদেশ ব্যাংক ।
পদঃ সহকারী পরিচালক (সাধারণ)।
পদ সংখ্যাঃ ১৮৮ টি।
ডাউনলোড শুরু তারিখঃ ১৬/০৬/২০২০
ডাউনলোড শেষ তারিখঃ ৩০-০৬-২০২০
ডাউনলোড লিংকঃ
https://erecruitment.bb.org.bd/onlineapp/print_admit.php
যারা করোনা মহামারী পরিস্থিততে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে সক্ষম হননি, তারা প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।

26/11/2019

মাস্টার্স নিয়মিত ভর্তির ১ম মেধাতালিকা প্রকাশিত।
ভর্তি হতে কি কি লাগবে ও ভর্তির সময়সূচি সহ বিস্তারিতঃ

১ম মেধাতালিকায় স্থানপ্রাপ্তদের ভর্তির সময়সূচীঃ

অনলাইনে ভর্তি ফরমপূরণঃ ২৬/১১/১৯ থেকে ০৪/১২/১৯ তারিখ।
ভর্তি ফরম কলেজে জমাদানঃ ভর্তি ফি সহ কলেজে জমা দেয়া ২৭/১১/১৯ থেকে ০৫/১২/১৯ তারিখ।

কলেজ ভর্তি নিশ্চয়নঃ ২৭/১১/১৯ থেকে ০৭/১২/১৯ তারিখ।

ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ

অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা ভর্তি ফরম।
সদ্য তোলা ২-৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি, স্টাম্প সাইজ ২ কপি।
এসএসসি,এইচএসসি ও অনার্স পরীক্ষার সনদপত্র/নম্বরপত্র/রেজিষ্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি।
অনার্স পাসের প্রশংসাপত্র।
প্রাথমিক আবেদনের ফটোকপি।

ভর্তি ফিঃ সরকারি কলেজ ৪০০০-৫০০০টাকা এবং বেসরকারি কলেজ ৫০০০-১৫০০০ টাকা।

25/11/2019

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষপর্ব (নিয়মিত) ভর্তি কার্যক্রমের ১ম মেধা তালিকা ২৬ নভেম্বর ২০১৯ তারিখ প্রকাশ হবে। উক্ত ফলাফল ঐদিন বিকাল ৪টার পর প্রথমে এসএমএস এর মাধ্যমে এবং রাত ৯ টার পর অনলাইনেও প্রকাশ করা হবে। মাস্টার্স ভর্তি কার্যক্রমের ক্লাস ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ থেকে শুরু হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স নিয়মিত ভর্তি কার্যক্রমের ১ম মেধাতালিকায় সুযোগপ্রাপ্তদের
২৬/১১/২০১৯ তারিখ থেকে ০৪/১২/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করতে হবে এবং
২৭/১২/২০১৯ তারিখ থেকে ০৫/১২/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ চূড়ান্ত ভর্তি ফরম সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে।
এসএমএস এর মাধ্যমে ফলাফল দেখবেন যেভাবেঃ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষপর্ব (নিয়মিত) ভর্তি কার্যক্রমের মেধা তালিকা প্রথমে এসএমএস এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। উল্লেখিত দিনে বিকাল ৪ টার পর উক্ত ফলাফল এসএসএস পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হবে। এসএমএস এর মাধ্যমে ফলাফল দেখার নিয়ম নিচে দেওয়া হলোঃ

যেকোন মোবাইল এর মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুনঃ NUATMFRoll No এরপর পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।

উদাহরণ: NU ATMF 26778367 লিখে পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।

অনলাইনে মাস্টার্স নিয়মিত ভর্তির মেধা তালিকার ফলাফল দেখবেন যেভাবেঃ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষপর্ব (নিয়মিত) ভর্তি কার্যক্রমের মেধা তালিকা উল্লেখিত দিন রাত ৯ টার পর অনলাইনে প্রকাশ করা হবে। উক্ত ফলাফল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে আপনার ভর্তির আবেদনপত্রে প্রাপ্ত রোল নম্বর ও পিন নম্বর দিয়ে লগিন করেও দেখতে পাবেন।

মাস্টার্স ভর্তির মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংক্রান্ত সময়সীমাঃ

• মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ভর্তি ফরম পূরণ ও প্রিন্ট কপি সংগ্রহের তারিখঃ ২৬/১১/২০১৯ থেকে ০৪/১২/২০১৯

শিক্ষার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটের (www.nu.ac.bd/admissions) Applicant Login অপশনে Masters (Regular) Login লিংকে গিয়ে সঠিক রােল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিয়ে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করে প্রিন্ট কপি নিতে হবে।

• মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে টাকাসহ চুড়ান্ত ভর্তি ফরমের প্রিন্ট কপি সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দেয়ার তারিখ: ২৭/১১/২০১৯ থেকে ০৫/১২/২০১৯

• কলেজ কর্তৃক মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চয়নের তারিখ: ২৭/১১/২০১৯ থেকে ০৭/১২/২০১৯

মাস্টার্স ভর্তি হতে যে সব কাগজপত্র লাগবেঃ

আবেদনকারীকে প্রিন্ট করা চূড়ান্ত ভর্তি ফরমের নির্দিষ্ট স্থানে স্বাক্ষর করতে হবে। আবেদন ফরমের সংগে আবেদনকারীর স্নাতক (সম্মান) অনার্স/১ম পর্ব মাস্টার্স (নিয়মিত)/প্রিলিমিনারী টু মাস্টার্স (নিয়মিত) পর্যায়ে উত্তীর্ণ পরীক্ষার সত্যায়িত জমা নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত কপি, দ্বৈত ভর্তি সংক্রান্ত অঙ্গীকারনামার কপি ও রেজিস্ট্রেশন ফি সংশ্লিষ্ট কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে। চুড়ান্ত ভর্তির আবেদন ফরমের একটি কপি সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষ/দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক তারিখসহ স্বাক্ষর ও সীল দিয়ে শিক্ষার্থীকে ফেরত দিবে।
http://app5.nu.edu.bd/nu-web/msapplicant/applicantLogin.action?degreeName=Postgraduate

17/05/2019

অনার্স চতুর্থ বর্ষের ০৪/০৫/২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য সকল স্থগিত পরীক্ষা ২৫/০৫/২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়াও ১৩/০৪/২০১৯ তারিখের স্থগিতকৃত হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষা ২২/০৫/২০১৯ তারিখে হবে।
পূর্বঘোষিত অন্যান্য তারিখ ও সময়সূচী অপরিবর্তিত থাকবে।

National University [Online Form Fill-up for Bachelor Degree Honours] 15/02/2019

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮ সালের অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সম্পূরক বিজ্ঞপ্তি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৮ সালের ৪র্থ বর্ষ অনার্স বিএ/বিএসএস/বিবিএ/বিএসসি কোর্স পরীক্ষার্থীদের আবেদন ফরম পূরণ সংক্রান্ত সম্পূরক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে উক্ত আবেদন ফরম পূরণ প্রক্রিয়া ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ শেষ হলেও বিভিন্ন কলেজের কিছু সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী অধ্যক্ষের সুপারিশসহ বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে ফরমপূরণের জন্য আবেদন করেছে। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫,০০০/- টাকা বিলম্ব ফি ও অন্যান্য ফি সাপেক্ষে আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরপর কোন অবস্থাতেই ফরমপূরণ ও নিশ্চয়নের সময় বৃদ্ধি করা হবে না। ফরম পূরণের সময়সীমা ও এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে দেওয়া হলোঃ

আবেদনকারী পরীক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ এর সময়সীমাঃ ১৭/০২/২০১৯ থেকে ২৮/০২/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।
আবেদন ফরম কলেজ কর্তৃক এন্ট্রির সময়সীমাঃ ০৩/০৩/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।
পে-স্লিপ সংগ্রহ ও সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি জমা দেওয়ার সময়সীমাঃ ০৪/০৩/২০১৯ তারিখ বিকাল পর্যন্ত।
বিবরণী ফরম এবং অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমাঃ ০৫/০৩/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।

বিদ্রঃ আবেদন ফরম, বিবরণী ফরম, ফি জমাদান, ফরম সংগ্রহ ও অন্যান্য নিয়মাবলী ০৮/১১/২০১৮ তারিখে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক অয়ারোপিত হবে।
অনলাইনে অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফরম পূরণের লিঙ্ক:

National University [Online Form Fill-up for Bachelor Degree Honours] কলেজ কর্তৃক ডাটা নিশ্চয়নের শেষ তারিখ:০৭/০১/২০১৯

Want your school to be the top-listed School/college in Kulaura?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Kulaura
Kulaura
3230