Student House

Student House A better place to enrich your knowledge. TOGETHER WE WIN

13/02/2022

আমাদেল তোথ নদি তলে আকেবকে।

ভাষার শহীদের স্মরনে ফেব্রুয়ারী মাস জুরে যে কোন চাহিদা বিনা খরচে বাসায় পৌছে দিব।
06/02/2022

ভাষার শহীদের স্মরনে ফেব্রুয়ারী মাস জুরে যে কোন চাহিদা বিনা খরচে বাসায় পৌছে দিব।

05/02/2022

We are looking for

25/08/2020
11/06/2018

আমরা যারা 1990সালের আগে জন্মেছি তারা বিশেষ ভাগ্যবান আজকের পৃথিবীতে।
কেন?
আমরা সমস্ত প্রযুক্তির ব্যবহার জানি এবং উপভোগ করি, কিন্তু আমরা কখনো বইয়ের পাহাড় মাথায় করে বিদ্যালয় যাই নি।
আমাদের মা বাবাকে কখনো আমাদের পড়াশোনার চিন্তায় নিজেদের জীবন ব্যতিব্যস্ত করতে হয় নি.!
স্কুলের পরেও সূর্যাস্ত পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে চুটিয়ে খেলতাম প্রান খুলে।
আমরা প্রাকৃতিক বন্ধুদের সাথে জীবন কাটাতাম, net friends দের সাথে নয়।
যখনই তৃষ্ণার্ত থাকতাম মন খুলে কল থেকে জল খেতাম, জীবানুর ভয়ে pure it থেকে নয়, তাও অসুস্থ হয়ে পড়ি নি।
আমরা ১ টাকার আইসক্রিম ৪ জন ভাগ করে খেয়েও পেট খারাপ করে বসি নি।
আমরা প্রতিদিন পেট ভরে ভাত আর প্রান খুলে মিষ্টি খেয়েও মোটা হয়ে পড়িনি।
খালি পায়ে জমিতে ফুটবল খেলা সত্বেও পা ভেঙে ফেলিনি।
সুস্থ থাকার জন্য কখনো revital দরকার হয় নি ।
খেলনা আমরা নিজেরাই বানিয়ে খেলতাম ।
মা বাবার কাছে থেকেই মানুষ হয়েছি, mentor দরকার হয় নি ।
আমরা সব ভাই বোনেরা একরকম জামা কাপড় পরে মজা পেতাম ..common বলে নয়.... একরকম হওয়ার আনন্দে..
শরীর খারাপ হলে ডাক্তার আমাদের কাছে আসতো, আমরা ওই অবস্থায় যেতাম না।
আমাদের কাছে মোবাইল, DVD's, Play station, Xboxes, PC, Internet, chatting ছিল না কারন আমাদের কাছে সত্যিকারের বন্ধু আছে ।
বন্ধুকে না জানিয়ে তার ঘরে গিয়ে একসাথে খাওয়া দাওয়া করে মজা পেতাম । কখনো ফোন করে appointment নিতে হয় নি।
We are not special, but we are fortunate and enjoying generation
যখন আমরা ছোট ছিলাম হাতগুলো জামার মধ্যে ঢুকিয়ে নিয়ে বলতাম, আমার হাত নেই,
একটা পেন ছিল, যার চার রকম কালি, আর আমরা তার চারটে বোতাম একসাথে টেপার চেষ্টা করতাম,
দরজার পিছনে লুকিয়ে থাকতাম কেউ এলে চমকে দেব বলে, সে আসতে দেরি করছে বলে অধৈর্য হয়ে বেরিয়ে আসতাম,
ভাবতাম আমি যেখানে যাচ্ছি, চাঁদটা ও আমার সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে,
সুইচের দুদিকে আঙুল চেপে অন্-অফ এর মাঝামাঝি ব্যালেন্স করার চেষ্টা করতাম,
দু -ফোটা জল ফেলে রেস করাতাম, কোনটা গড়িয়ে আগে নীচে পড়ে,
বৃষ্টি হলে ছাতা না নিয়ে কচু বা কলাপাতা মাথায় দিয়ে বলতাম, দ্যাখ জল গায়ে লাগছে না,
তখন আমাদের শুধু একটা জিনিসের খেয়াল রাখার দায়িত্ব ছিল, সেটা হল স্কুলব্যাগ,
ফলের দানা খেয়ে ফেললে দুশ্চিন্তা করতাম, পেটের মধ্যে এবার গাছ হবে,
ঘরের মধ্যে ছুটে যেতাম,তারপর কি দরকার ভুলে যেতাম, ঘর থেকে বেরিয়ে আসার পর মনে পড়ত.
মনে আছে ❓যখন আমরা ছোট ছিলাম তখন ধৈর্য্য সহ্য হতনা যে কবে বড় হব, আর এখন মনে করি, কেন যে বড় হলাম Childhood was the best part of our life.
আমি জানি তুমি এগুলো পড়ছো, আর তোমার মুখে হাসি ফুটে উঠেছে, ছোটবেলায় সবথেকে বেশিবার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নটার উত্তর আমি পেয়েছি অবশেষে...-তুমি বড়ো হয়েকি হতে চাও❓উত্তর-আবার ছোট হতে চাই৷👭👭👬👬
সংগৃহীত

25/05/2018

আমি তো জানি আপনার ধর্মে বিশ্বাস নাই, তাহলে রোজা রাখছেন যে?

ভদ্রলোক যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ভার্জিনিয়া টেক থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন, জব করছেন একটা প্রাইভেট ফার্মের উঁচু পদে। তার সাথেই কথা হচ্ছিল।

-তোমরা যাকে রোজা বল, আমি তাকে বলি ‘অটোফেজি’। রোজার মাসে খাবার দাবারের ঝামেলা, তাই এই মাসটা আমি অটোফেজি করি ।

-‘অটোফেজি’, এটা আবার কি?

-তুমি ‘অটোফেজি’ বোঝ না? তোমাদের রোজার উপর গবেষণা করে জাপানি গবেষক ইয়োশিনোরি ওহশোমি ২০১৬ সালে ‘অটোফেজি’ আবিষ্কার করে নোবেল নিয়ে নিল! আর তুমি ‘অটোফেজি’ বোঝ না!

-নড়েচড়ে বসলাম, একটু বুঝিয়ে বলেন তো?

-অটোফেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে। বাংলায় এর অর্থ হচ্ছে—আত্ম ভক্ষণ বা নিজেকে খেয়ে ফেলা ।

-কি সাংঘাতিক! বলেন কি ?

-উপবাসের সময় আমাদের শরীরের সক্রিয় কোষ গুলো চুপচাপ বসে না থেকে সারা বছরে তৈরী হওয়া ক্ষতিকারক আর নিষ্ক্রিয় কোষগুলোকে খেয়ে ফেলে শরীরকে নিরাপদ আর পরিষ্কার করে দেয়। এটাই ‘অটোফেজি’ ।

‘অটোফেজি’ আবিষ্কারের পর থেকে স্বাস্হ্য সচেতন পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের বা ধর্ম মানে না অনেক মানুষ সারা বছরে বিভিন্ন সময়ে ‘অটোফেজি’ করে শরীরটাকে সুস্হ রাখে।

জেনে অবাক হবে, ‘অটোফেজি’তে ক্যান্সারের জীবণুও মারা যায়!

-কিছুটা সময় নিশ্চুপ হয়ে বসে রইলাম। আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতায় মনটা খুব নরম হয়ে গেল।

-কি হলো চুপ হয়ে গেলে যে?

-আপনার কি মনে পড়ে আমাকে বলেছিলেন "তোমাকে অভুক্ত রেখে তোমার স্রষ্টা খুশি হয় কি করে?"
সেদিনের আপনার এ কথার জবাব আজ পেয়ে গেছি। আমার আল্লাহ তাঁকে খুশী করার কথা বলে রোজার মাধ্যমে ‘অটোফেজি’ করিয়ে আমাকে সুস্হ রাখছেন।

‘অটোফেজি’ আবিষ্কার হলো ২০১৬ তে, তোমরা ‘অটোফেজি’ করছো এখন এটা জেনে। আর মুসলিমরা ‘অটোফেজি’ করে আসছে হাজার বছর ধরে কিছু না জেনে- শুধু বিশ্বাস করে ।

তার রুম থেকে বেরিয়ে এসেছি তখন বিকেল। ব্যস্ত সড়কে শত মানুষের ছুটোছুটি। ইফতারী সাজিয়ে বসে আছে গলির মাথার হোটেলটা। একটা ভ্যানে টুপি, আতর আর মেসওয়াক বিছিয়ে বসেছে কেউ। আর তাকে ঘিরে আছে কিছু বিশ্বাসী পথিক। আসরের আযান হচ্ছিল ‘হাইয়া আলাল ফালাহ, হাইয়া আলাল ফালাহ’ কল্যাণের দিকে এসো। আসলেই ইসলামে অকল্যাণ বলতে কিছু নেই।

(সংগৃহীত)

25/05/2018

মহাকাশে আমেরিকার স্যাটেলাইট আছে ১৬১৬ টি
পাশের দেশ ভারতের স্যাটেলাইট ৮৮ টি
পাকিস্তানের স্যাটেলাইট আছে ৩ টি ।
মহাকাশে কেনিয়ার মতো দেশের স্যাটেলাইট আছে ১ টা ।
ফুটবলের দেশ আর্জেন্টিনার স্যাটেলাইট আছে ১৮ টি । ব্রাজিলের আছে ১৭ টি ।

সাউথ কোরিয়ার আছে ২৭ টি । স্পেনের আছে ২৪ টি । থাইল্যান্ডের আছে ৯ টি । জাপানের প্রায় ১৭২ টি ।

পরমানু অস্ত্রের তালিকা করলে দেখা যায় সব থেকে বেশি পরমানু অস্ত্র আছে সুপার পাওয়ার রাশিয়ার । প্রায় ৭ হাজারের উপর । এরপর লিস্টে আসে আমেরিকা । প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পরমানু অস্ত্রের অধিকারী আমেরিকা (৬৬৫০ টি )

ভারত এবং পাকিস্তানের পরমানু অস্ত্র যথাক্রমে ১৩০ এবং ১৪০ টি করে ।

ইসরাইলের আছে ৮০ টি । আর ফ্রান্সের হাতে ৩০০ টি করে আছে ।

চীন এবং উত্তর কোরিয়ার আছে যথাক্রমে ২৭০ টি এবং ১৫ টি করে নিউক্লিয়ার উইপন্স ।

মহাকাশে রুশ স্যাটেলাইট কয়টা আছে সেটা নিয়ে দ্বিমত থাকলেও ধরে নেয়া যায় এই সংখ্যা ১৪২ এর আশেপাশে হবে ।

২০১৬ সালে রাশিয়া মহকাশে আরো ৭৩ টি মাইক্রোস্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে ।

উইকিপিডিয়া ঘাটলেই দেখবেন ব্যালাস্টিক সাবমেরিন আছে এরকম ৬ টা এলিট দেশের তালিকায় ভারতের নাম আছে ।

জাপান শান্তিপ্রিয় দেশ হয়েছে ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই । সেই জাপান ১৬ টা সাবমেরিন তৈরি করেছে ।

ইন্ডিয়ার আছে ১৬ টা আর ইরানের আছে ৩১ টা করে সাবমেরিন ।

রাশিয়া নিজের সাবমেরিন নিজেই বানায় । এখন পর্যন্ত আছে ৬৩ টি ।

চীনের আছে ৬৯ টা
অবরোধের মধ্যে থেকে উত্তর কোরিয়া ১৫ টা পরমানু বোমা আর ৭৮ টা সাবমেরিনের অধিকারী ।

স্বাধীনতার ৪৭ বছরে এসে একটা দেশ পড়ে আছে ফুটবল আর ক্রিকেটের উন্মাদনা নিয়ে । ক্রিকেটে আমাদের অবস্থান ভালো হইলেও ফুটবলে আমাদের র‍্যাঙ্কিং হইলো ১৯৭ ।

৪৭ বছর বয়সী দেশটার একটা ক্যাম্পাসও সারাবিশ্বে ১০০ সিরিয়ালে ঢুকতে পারে নাই ।

লাল বাস আছে
শাটল আছে
প্যারিস রোড আছে
সংস্কৃতির রাজধানী আছে ।
সবই আছে ।

শুধু নাই সাইন্টিফিক মেধা । যে মেধা দিয়ে একটা দেশ এগিয়ে যেতে পারে ।

ভারতে মাহিন্দ্রা , মারুতি সুজুকির মতো ব্রান্ড তৈরি হইলেও আমাদের দেশে এক ""প্রগতি "" ছাড়া আমি কোন ব্রান্ড পাই নি ।

সেই প্রগতি আবার গাড়ি বানায় না । তারা গাড়ির পার্টস জোড়া লাগায় ।

অথচ দেশে আছে বুয়েট , রুয়েট , চুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠান । ঢাবির মতো প্রতিষ্ঠান আবিস্কারের জন্য বিখ্যাত নয় । তারা বিখ্যাত আন্দোলনের জন্য । যে কোন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঢাবির ছেলেরা গিয়ে রাস্তা ব্লক করে । সেটা নিউজ হবে । জাস্ট এইটুকু ।

অথচ সুযোগ দিলে এই ঢাবি বিশ্বের ১০০ ক্যাম্পাসের মধ্যে যাওয়ার যোগ্যতা রাখে ।

আমাদের ছেলেরা বুলেট ট্রেনের নকশা করে কিনা জানি না । তবে জাপানের বুলেট ট্রেন নিয়ে একটা প্রতিবেদন দেখেছিলাম । সেখানে বলা হয়েছিল জাপানীরা যাতায়াত ব্যাবস্থাকে এতোটা সংক্ষিপ্ত করে এনেছে যে জাপানের যে কোন জায়গা থেকে টোকিওতে যেতে মাত্র ১ ঘন্টা সময় লাগে । সবই সুপার ফাস্ট বুলেট ট্রেনের বদৌলতে ।

আমরা ক্রিকেট খেলি
বিশ্বকাপের পতাকা বানাই
ইউটিউবার বানাই ।
র‍্যাংকিং নিয়ে ফাইট করি ।

দেশটাকে সুযোগ দেন । দেশটা এগিয়ে যাক । প্লিজ ... :-)

যেন ২০ বছর পরে আমরা বলতে পারি , আমাদের আছে বঙ্গবন্ধু সিরিজের ৪ টা মিলিটারি স্যাটেলাইট । আছে ১০ টা সাবমেরিন । আমাদের পরমানু প্রকল্প আছে । আমরা কারো কাছে মাথা নত করতে আসি নাই ।

ধন্যবাদ :-)
🔴 Md. Habibur Rahman এর wall থেকে ৷

18/05/2018

এখন আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার মওশুম। তাই অনুরোধ আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার পর তার বীজ/আঠি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে, শুকিয়ে একটা কাগজে মুড়ে রেখে দিন। যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের ফাঁকা জমিতে একে একে ছড়িয়ে দিন। আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নেবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছ ও বেঁচে থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবথেকে বড় উপহার। 🙂
ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজই রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে। যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়। পৃথিবীর অনেক দেশই এই ভাবে গাছ লাগিয়ে পরিবেশ বাঁচানোর কাজে এগিয়ে এসেছে।
তাই আসুন আমরাও সাধ্য মতো চেষ্টা করি এই প্রকৃতিকে ভালো রাখার, আসুন গাছ লাগাই, পুকুর গুলো কে পরিস্কার রাখি, নিজেরা সচেতন হই, প্রকৃতিকে ভালবাসি। (collected Copy)

08/05/2018

সংগৃহীত...
একজন সদ্য ধনী হওয়া লোক সকালে ঘুম থেকে ওঠে নিজের বাড়ির বারান্দায় বসে বউয়ের সাথে খোশগল্প করছেন। বউ বলছেন - "দেখো , তোমারতো এখন মেলা টাকা পয়সা হয়েছে। এখন আর অতো কিপটামি না করে, পোলাপানদের পুষ্টির জন্য কিছু টাকা পয়সা খরচ করো। লটকার স্বাস্থ্য দেখছো। কি নাজুক অবস্থা। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন গোয়ালা দুধ নিয়ে যায়। অন্তত ১ লিটার দুধতো ওর কাছ থেকে প্রতিদিন কিনতে পারো।"
পিছন থেকে লটকা বলে ওঠলো - "মা, দুধ খাব।"
বউয়ের কথা কর্তার মনে ধরলো। বললেন - "গোয়ালা দেখলেই ডাক দিবা।"
পরেরদিন সকালে গোয়ালা হাজির। কর্তা বললেন - "১লিটার দুধের দাম কতো?"
"আজ্ঞে, ৪০ টাকা।"
"ঠিক আছে। কাল সকাল থেকে প্রতিদিন ১ লিটার করে দুধ দিয়ে যাবা।"
"আচ্ছা" - বলেই গোয়ালা রওয়ানা দিলো।
কর্তা চিন্তা করলেন। ৪০ টাকায় ১ লিটার বলার সাথে সাথেই রাজি হয়ে গেলো। দেখিনা ৪০ টাকায় ২ লিটার দুধ দেয় কিনা।
গোয়ালাকে আবার ডেকে বললেন - "আচ্ছা, ৪০ টাকায় তুমি কি ২ লিটার দিতে পারবা?"
"জ্বি, তা পারবো।"
দুধ খেয়ে লটকার পুষ্টি বেশ যষ্টি হতে শুরু করেছে। লটকা পুষ্টিতে পরিপুষ্ট, কর্তা কত্রী দুজনেই বেশ তুষ্ট।
কিছুদিন পর কর্তা চিন্তা করলেন, ৪০ টাকায় ২লিটারে রাজি হয়ে গেলো। তাহলে ৩ লিটার দেয় কিনা চেষ্টা করে দেখি।
গোয়ালাকে বললেন - "এই তুমি কি ৪০ টাকায় ৩ লিটার দিতে পারবা?"
"জ্বি বাবু, তাও পারবো।"
কিন্তু দুধ খেয়ে লটকার পুষ্টি এবার আর তেমন বাড়েনা। খেলার মাঠে সামান্য ল্যাং খেলেই লটকা চ্যাং হয়ে ছিটকে পড়ে।
কর্তা চিন্তা করলেন, দুধের পরিমাণ আরেকটু বাড়াতে হবে। গোয়ালাকে বললেন - "৪০ টাকায় ৪ লিটার দিতে পারবা?"
"জ্বি আজ্ঞে, পারবো। তবে দুধে পুষ্টিতো দূরের কথা দুধের রঙই আর খুঁজে পাবেন না। সব জলরঙ হয়ে যাবে। এক লিটার দুধে আর কত জল মিশানো যায় বলেন?"

আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার অবস্থাও এরকম। শিক্ষকদের ওপর নির্দেশ আসলো পাশের হার ৬০ হবে। উনারা বললেন - "নো প্রবলেম।"
শিক্ষাকর্তা ৬০ - এ সন্তুষ্ট না। আরো বাড়াতে হবে।
অসুবিধা নাই। কত চান? ৭০, ৮০, ৯০, ৯৫, ৯৯%। চিন্তার কোনো কারণ নাই। A+কত চান? শত, হাজার, ১০ হাজার, ২০ হাজার, লাখ। নো প্রবলেম। হচ্ছে, হবে, হয়ে যাবে। যা চান, তাই সাপ্লাই দেয়া হবে।
শিক্ষাকর্তা বেজায় খুশী। পাশ আর পাশ। প্লাস আর A প্লাস।

এবার এই A প্লাস খাওয়া বাস্তব একটা পুষ্টির নমুনা দেই।
আমার কাজিন খুশীতে গদগদ হয়ে নাচতে নাচতে ফোন করলো - "ভাইয়া শুধু A+ না একেবারে গোল্ডেন A+ পেয়েছি।"
গোল্ডেন এ প্লাস নামক এই অদ্ভূত জিনিস পৃথিবীর আর কোথাও আছে কিনা আমার জানা নেই। বললাম - "ভালোইতো হলো। আমরা আগে পরীক্ষা দিলে মার্কস পেতাম। তোরা সোনা পাওয়া শুরু করেছিস। জমিয়ে রাখ, বিয়ের সময় কাজে লাগবে।"
মনে হয় একটু রেগে গেলো। বললো - "তুমি না শুধু ঢং করো।"
"আচ্ছা আর ঢং করবোনা।" বললাম - "ইংরেজিতে কত মার্কস পেয়েছিস।"
"তুমি না কিছুই বুঝোনা। বললাম না, গোল্ডেন A প্লাস পেয়েছি। এর মানে বোঝ?"
"মানে বোঝারইতো চেষ্টা করছি। দেখি তোর Golden A + এর নমুনা। বলতো, আমার একটা পোষা বিড়াল আছে এবং আমি আমার বিড়ালটিকে খাওয়াই - এর ইংরেজি কি?"
খিলখিল করে হেসে বললো - "এইটাতো একেবারে সোজা। এর চেয়ে কত কঠিন সৃজনশীল প্রশ্নের জবাব দিলাম। এটার ইংরেজি হবে - I am a cat and I eat my cat. গ্রামার ঠিক হয়েছে ভাইয়া?"
বললাম, "গ্রামারের আর দরকার কি? তোর নিজের গ্ল্যামার ঠিক রাখলেই হবে। তোকে কর্তার ছেলে লটকার সাথে বিয়ে দিবো। একটা জল মিশ্রিত দুধ খেয়ে খেলার মাঠে লটকে থাকে আর একটা শিক্ষার মাঠে নিজেই বিড়াল হয়ে বিড়াল খেতে থাকে।"

কিছুদিন আগের ঘটনা। মফস্বলের এক অনুষ্ঠানে জনৈক মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় একটি ঘরোয়া বৈঠকে বলছেন -
আপনারা আমাকে যেভাবে হসপিটালাইজড করেছেন তাতে আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি।
মন্ত্রীর কথা শুনে এ ওর দিকে তাকায়। ঘটনা কি? মন্ত্রী আবার এখানে হাসপাতালে কবে ছিলেন?
আসলে উনি বলতে চেয়েছিলেন - যেভাবে হসপিটালিটি করেছেন।

বড়ই নাজুক। দুধ মনে করে পানি খাওয়ানো শিক্ষা ব্যবস্থাও নাজুক। আসলে দুধের পরিবর্তে বেড়েছে শুধুই জল, আর শিক্ষার মানের পরিবর্তে বেড়েছে শুধু পাশের ফল।
তারপরও যারা ভালো রেজাল্ট করে পাশ করেছো তোমাদের জন্য অনেক শুভকামনা। আর যারা এ অথবা গোল্ডেন এ পেলেনা বলে মনে দুঃখ পাচ্ছো। তারা কোনো দুঃখ পেয়োনা। এটাই জীবনের শেষ পরীক্ষা নয়। জীবনটা অনেক বড়। একটা সার্টিফিকেটই জীবনের সবকিছু না।

(সংগৃহীত)
পেইজ: প্রাথমিক শিক্ষা সংবাদ থেকে।

Address

22 Baitut Takoa Moshjid Road, 1st Floor (Golam Mostofa School)
Konapara
1362

Opening Hours

Monday 09:00 - 12:45
15:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 12:45
15:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 12:45
15:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 12:45
15:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 12:45
15:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 12:45
15:00 - 20:00

Telephone

+8801873111674

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Student House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Student House:

Shortcuts

Share

Category