Nayamatpur High School & Collage, Karimganj, Kishoreganj.

Nayamatpur High School & Collage, Karimganj, Kishoreganj. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nayamatpur High School & Collage, Karimganj, Kishoreganj., High School, Nayamatpur, Chamta Ghat Road, Karimganj, Kishorganj.

27/08/2024

নিয়ামতপুর উচ্চ বিদ্যালয়, একজন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথাঃ

হাওড় এলাকার গেটওয়ে, প্রবেশদ্বার বলে খ্যাত নিয়ামতপুরে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। স্থানীয় কিছু শিক্ষানুরাগী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৫২ ইং। একসময় এ বিদ্যালয়টি ছিলো এ অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ। দূরদূরান্ত হতে অসংখ্য শিক্ষার্থী এখানে শিক্ষালাভ করতে ছুটে আসতো। এখানে দূরের শিক্ষার্থীদের জন্যে স্কুলের জায়গায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিলো 'মেস'। তাছাড়া স্কুলের আশপাশের বাড়ীগুলোতে জায়গীরের ব্যবস্থাও ছিলো। নিকট দুরত্ব হতে (তিন চার মাইল) প্রতিদিন পায়ে হেটে স্কুলে আসাযাওয়া করতো অনেক শিক্ষার্থী।
এ স্কুল অনেক মেধাবী ছাত্রের জন্ম দিয়েছে। এ স্কুলের অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তীতে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে কাজ করেছেন, করছেন। বর্তমানে এ স্কুলটি 'স্কুল ও কলেজ' এ রূপান্তরিত হয়েছে। কিন্তু আগের সেই জৌলুষ, খ্যাতি, সুনাম হাওয়ায় উবে গেছে। কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

মরহুম জনাব, মোহেব্বুর রহমান (এমএ বিএড)।
তিনি জাতীয় পর্যায়ের কোন রাজনীতিবিদ নন। ডাকসাইটে কোন আমলা নন। তিনি বড় কোন ব্যবসায়ী নন। খ্যাতিমান কোন দানবীর নন। বিপুল বিত্তশালী কেউ নন।
তিনি অতিসাধারণ একজন মানুষ, একজন সাধারণ স্কুল শিক্ষক।
তিনি ছিলেন ম্যাট্রিক ১৯৪৫ ইং ব্যাচের ছাত্র। ৪৭ ইং সনে তিনি ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইংরেজিতে এমএ ডিগ্রী লাভ করেন। শিক্ষকতা কালীন সময়ে তিনি সাফল্যের সাথে বিএড কোর্স সমাপ্ত করেন। উল্লেখ্য যে, তার বিএড ট্রেনারের মধ্যে দুজন ছিলেন অক্সফোর্ড গ্রাজুয়েট খাঁটি ইংরেজ (ব্রিটিশ।) তিনি ছিলেন একজন ইংরেজী স্কলার। তাঁর লেখা ইংরেজি ব্যাকরণের বই পাকিস্তান আমলে হাইস্কুলে পাঠ্য ছিলো। তিনি এসএসসি ইংরেজীর এক্সামিনারও ছিলেন।

মাত্র তেইশ বছর বয়সে প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিনি নিয়ামতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। যোগ দেন স্কুল প্রতিষ্ঠার দু'বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৪ ইং সনে। একটানা ৩৬/৩৭ বছর অত্র স্কুলে প্রধান শিক্ষকতা করেন। কাজে যোগ দিয়েই তিনি স্কুল গড়ার কাজে মনোনিবেশ করেন। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও দাতা জনাব মরহুম আব্দুল মান্নান মিয়া, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মরহুম আব্দুল লতিফ ফকির, ও মূলদাতা প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মরহুম জনাব আব্দুল হামিদ মাষ্টার স্যার সহ অন্যান্য সবাই তার উপর সর্বময় কর্তৃত্ব অর্পণ করে নিশ্চিন্ত থাকেন। তিনিও এর প্রতিদান দিতে এতোটুকুনও বিলম্ব করেননি, কার্পণ্যতা দেখাননি। তিনি প্রথম দু'বছর স্কুল থেকে একটি টাকাও মাইনে নেননি।

(উল্লেখ্য যে, তিনি মোটেও অস্বচ্ছল, দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেননা। বাবা মরহুম মৌলভী গোলাম মোস্তুফা (ফাজিল ১৮৯৪ খ্রীষ্টাব্দ) ছিলেন একজন ইসলামিক স্কলার। আরবি, ফার্সি ও উর্দু ভাষার উপর তার ছিলো অসাধারণ দখল, পাণ্ডিত্য। পাকুন্দিয়া উপজেলার অন্তর্গত হোসেন্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনি ছিলেন একাধারে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, দাতা ও শিক্ষক। ২৮/১৪ হাত আয়তনের নিজ বাড়ীর বাংলাঘরটি স্কুলঘর তৈরীর কাজে দান করে দিয়েছিলেন। যদিওবা এ দানটি ছিলো নিতান্তই সামান্য। পরবর্তীতে এ স্কুল পরিদর্শনে আসেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক ও বিখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী আব্দুল আলিমের মতো বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ।)

উপরন্তু স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের মাইনেসহ অন্যান্য খরচ জোগাতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকেও অর্থব্যয় করেন। দাতা, উদ্যোক্তা মরহুম আব্দুল মান্নান মিয়ার দেয়া ৭০০/- সাতশত টাকা অনুদান ঘর নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য কাজে ব্যয় হয়ে যায়। এ কারনে তিনি তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সহকারী শিক্ষক ও অন্যান্যদের নিয়ে চাঁদা সংগ্রহের কাজে হাওড় এলাকা চষে বেড়ান। বৈশাখের খরতাপ উপেক্ষা করে তিনি সদলবলে স্কুল পরিচালনা ব্যয় নির্বাহে ধান ও নগদ অর্থ সংগ্রহ করেন। তিনি স্কুলের আশপাশের জমির মালিকদের স্কুলে জমি দান করতে উৎসাহিত, উদ্বুদ্ধ করেন। তার আহবানে উদ্বুদ্ধ হয়ে অনেকেই স্কুলের নামে জমি দান করেন। স্কুলের ব্যয় নির্বাহে তিনি স্কুলের নামে দানকৃত স্কুল সংলগ্ন জমিতে ধান চাষ করেন এবং পঞ্চাশ মণ ধান উৎপাদন করেন। পরবর্তীতে তাকে খেলার মাঠে পরিণত করেন। স্বেচ্ছাশ্রমে সংগৃহীত চাঁদার টাকায় তিনি একটি শানবাঁধানো ঘাটের পুকুরসহ বিপুল হিন্দু সম্পত্তি ক্রয় করেন। বর্তমানে অসংখ্য দোকানঘর, গরুর হাট, বাঁশমহাল এ জমির অন্তর্ভুক্ত। গোল্লানাথ নামের হিন্দু ভদ্রলোকের কাছ থেকে তিনি এ জমি ক্রয় করেন ন্যায্যমূল্যে। যথাযথ মূল্য পরিশোধে জমি কেনার একবছর পর তিনি অতিরিক্ত আরো পাঁচশো টাকা গোল্লানাথকে প্রদান করেন। শানবাঁধানো এ পুকুরটি গোল্লানাথের পুকুর হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলো। তিনি এ পুকুরটিসহ স্কুলের মালিকানাধীন অন্য আরেকটি পুকুরে মাছচাষ করতেন। বিশালাকৃতির রুই, কাতলা, মৃগেল ধরা পড়তো জেলেদের জালে। হাটে বিক্রি করতেন। কিন্তু একটি মাছও তিনি ঘরে আনতেননা নিজের কিংবা পরিবার পরিজনের জন্যে। প্রায় শতকোটি টাকার সম্পত্তি স্কুলের নামে গড়ে দিয়ে এসেছেন। এক শতাংশ জমিও নিজের নামে লিখে নেননি। সর্বজনাব, মরহুম আব্দুল মান্নান, মরহুম আব্দুল হামিদ মাষ্টার স্যার, মরহুম আব্দুল লতিফ, ডাঃ আব্দুল হামিদসহ উদ্যোক্তাদের সবাই মৃত্যুবরণ করে দেশ স্বাধীনতা লাভের পূর্বেই। যতোদিন বেঁচে ছিলেন ততোদিন মরহুম আব্দুল মান্নান মিয়ার দিনের অধিকাংশ সময় তাঁর সাথেই কাটতো। অন্যতম উদ্যোক্তা ও জমিদাতা মরহুম আব্দুল হামিদ মাষ্টার স্যার ছিলো তারই অধীনস্থ একজন সহকারী শিক্ষক। উদ্যোক্তা মহল তার নেয়া কোন উদ্যোগ, সিদ্ধান্ত, পদক্ষেপে বিঘ্ন সৃষ্টি করেননি। বাধা প্রদান করেননি। জ্ঞান, কর্ম, ত্যাগ, সততা, পরোপকারিতা স্কুল নিবেদিতপ্রাণ এ মানুষটিকে সম্মান ও মর্যাদার আসনে বসিয়ে দেয়। স্কুল পরিচালনায় সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে দেয়। সবার প্রিয় ও শ্রদ্ধার পাত্রে পরিণত করে দেয়। কালের পরিক্রমায় 'হেডমাষ্টার স্যার' নামের আড়ালে প্রকৃত নামটি ঢাকা পড়ে যায়। ওই অঞ্চলে সবাই ওনাকে 'হেডমাষ্টার স্যার' হিসেবে চেনে, জানে, সম্মান করে, শ্রদ্ধা করে। উদ্যোক্তাদের সবাই ছিলেন উদার হৃদয়ের মানুষ। তাদের মৃত্যুর পর আরো বিশবছরের অধিক সময় তিনি প্রধান শিক্ষকতা করে গেছেন সাফল্যের সাথে। উদ্যোক্তা মহল শিক্ষার যে মহান বীজ বপন করে গিয়েছিলেন তা মহীরুহ রুপ লাভ করে তারই হাত ধরে।

একচালা একটি বড় টিনের ঘরের উপর নিয়ামতপুরে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি শুরুতে ছিলো একটি জুনিয়র হাইস্কুল (৮ম শ্রেণী)। তিনি একে হাইস্কুলে রূপান্তরিত করেন। ছাত্রদের বাড়ী থেকে ধরে এনে বুঝিয়ে শুনিয়ে স্কুলের খরচে এস এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্যে উদ্বুদ্ধ করেন। আন্তরিক প্রচেষ্টায় দশজনের একটা ব্যাচ তৈরী করতে সক্ষম হন তিনি। তারা সবাই পরীক্ষায় অংশ নেয় এবং পাঁচজন উত্তীর্ণ হয়। আর এরাই ছিলো নিয়ামতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি প্রথম ব্যাচের পরীক্ষার্থী।
তিনি ছিলেন একজন দক্ষ প্রশাসক। অনেক জ্ঞানী গুণী শিক্ষকের সমাবেশ ঘটিয়েছিলেন তিনি। মূল বিদ্যালয়টি যে জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো তার অধিকাংশ ভূমির দাতা ছিলো মরহুম আব্দুল হামিদ মাষ্টার স্যার। খেলার মাঠেরও কিছু অংশের জমির দাতা ছিলেন তিনি। তিনি উদ্যোক্তাদের একজন, দাতা ও অত্র স্কুলের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি ম্যাট্রিক পরীক্ষায় ১ম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি ক্লারিক্যাল কাজগুলোরও দেখভাল করতেন। তিনি অত্যন্ত গুণী শিক্ষক ছিলেন। দাতা, উদ্যোক্তা ও বয়োজ্যেষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও তাকে হেডমাষ্টার হিসেবে প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি। পরবর্তীকালে এর প্রতিদানে পূর্বদিককার একতলা পাকা ভবনটি মরহুম আব্দুল হামিদ মাষ্টারের নামে নামকরণ করে তাকে সম্মানিত করেন। যা আব্দুল হামিদ মাষ্টার ভবন নামে পরিচিত। মরহুম শাহনেওয়াজ স্যার গণিতে এবং আব্দুল ওয়াহাব স্যার ইংরেজীতে অত্রাঞ্চলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ছিলেন। অসমাপ্ত...

17/09/2022
15/07/2022
17/06/2022
31/10/2020

❇️❇️❇️❇️অ্যাসাইনমেন্ট কিভাবে লিখবো-❇️❇️❇️❇️
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তক্রমে প্রণীত ৩০ দিনের এই সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে শিক্ষার্থীদের কে অ্যাসাইনমেন্ট করতে দেওয়া হবে এবং সে অনুযায়ী তারা কাজ সম্পন্ন করে শিক্ষকদের কাছে জমা দিবেন।
একজন শিক্ষার্থীকে পরবর্তী শ্রেণিতে প্রোমোশন পেতে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। এখানে মােট নম্বরের একটি অংশও বরাদ্দ থাকে। ভাল নম্বর পেতে হলে অ্যাসাইনমেন্ট সুন্দর হওয়া বাঞ্ছনীয়।
কিন্তু অ্যাসাইনমেন্ট সম্পর্কে অনেক শিক্ষার্থী যথাযথ অবগত নয়। এজন্য রয়েছে নির্দিষ্ট পদ্ধতি কাঠামাে এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশল

🛑অ্যাসাইনমেন্ট-এর প্রয়ােজনীয়তা:
বর্তমানে কোভিড-১৯ এর কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠ মূল্যায়ন সহ পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য অ্যাসাইনমেন্ট করে সেটা সংশ্লিষ্ট বিষয় শিক্ষকের নিকট জমা দিবেন।
সংশ্লিষ্ঠ বিষয় শিক্ষক সে অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের নম্বর প্রদান করবেন যা পরবর্তী বছরে নতুন শ্রেণিতে প্রমোশন পাওয়ার ব্যাপারে সহযোগিতা করবে।
এছাড়াও অ্যাসাইনমেন্ট এর অন্যান্য গুরুত্ব রয়েছে-
অ্যাসাইনমেন্ট পাঠ্য বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলাে সম্পর্কে নির্দেশনা প্রদান করতে পারে।
কোন বিশেষ পাঠ্য বিষয়কে সমালােচকের দৃষ্টি নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে পড়তে উৎসাহিত করে।
যে সব আনুষঙ্গিক বই, পত্র-পত্রিকা, সাময়িকী, গবেষণা প্রবন্ধ পাওয়া যায় সেগুলাে বিস্তারিতভাবে পড়ে শিক্ষার্থীরা প্রয়ােজনীয় বিষয়গুলাে নির্বাচন করতে পারেন।
কোনাে বিষয় সম্পর্কে তার নিজস্ব চিন্তাধারা প্রয়ােগ করে চিন্তার স্বপক্ষে সাক্ষ্য ও যুক্তি প্রদান এবং বিভিন্ন মতামত মূল্যায়ন করে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেন।
শিক্ষার্থীরা স্বাধীনভাবে অনুপ্রাণিত হন এবং আত্মবিশ্বাস অর্জন করেন।

🛑অ্যাসাইনমেন্ট লেখার নিয়মাবলি:

১. শুরু করবেন কীভাবে?
সংশ্লিষ্ট বিষয় শিক্ষক শিক্ষামন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত নীতিমালার আলোকে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত যেকোন একটি বিষয়ের উপর অ্যাসাইনমেন্ট করতে দিবেন।
অ্যাসাইনমেন্ট পাওয়ার পরই শিক্ষার্থীকে লেখার কাজে হাত দিতে হবে। তার আগে অবশ্যই বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।

🛑অ্যাসাইনমেন্ট করার জন্য তথ্যের উৎস:
সাধারণত শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের তাদের পাঠ্য বই থেকে অ্যাসাইনমেন্ট করার কাজ দিবেন; যা শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বইয়ের বিভিন্ন অধ্যায় বা টপিক পড়লে সহজেই করে নিতে পারবে।
তাছাও অ্যাসাইনমেন্ট করার জন্য নিন্মোক্ত তথ্য উৎস ব্যবহার করা যেতে পারে-
♦️শিক্ষক কর্তৃক মনােনীত বই
♦️সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সহায়ক বই
♦️পত্র-পত্রিকা, সাময়িকী, জার্নাল
♦️ইন্টারনেট র অভিজ্ঞজনের মতামত
সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট র শিক্ষকের গাইড লাইন এবং সংসদ টিভির ক্লাস লেকচার
লেখা শুরুর আগে যা জানতে হবে-
প্রথমেই জানা উচিত অ্যাসাইনমেন্ট অনেকটা গবেষণাপত্রের মত। আপনার সংগৃহীত তথ্য এবং বাস্তবতা মিলিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে হবে।
যেমন ধরুন, আপনার অ্যাসাইনমেন্ট-এর বিষয় হলাে বাংলাদেশে মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহের প্রশাসন ব্যবস্থা : একটি পর্যালােচনা”
এ বিষয়ে আপনি যতটা সাহায্য পাবেন আপনার সংগৃহীত তথ্য হতে তার চেয়ে বেশি পাবেন বাস্তবতা থেকে।
এ ক্ষেত্রে স্কুলগুলাের প্রশাসন ও সরকারের শিক্ষাসংক্রান্ত প্রশাসন হবে আপনার উৎস। আপনার লেখার ধরন ও হবে অন্যরকম।
এখানে আসবে-

✳️বর্ণনা, ✳️ সচিত্র ব্যাখ্যা, ✳️ বিশ্লেষণ, ✳️ সমাধান, ✳️ উন্নতবিশ্বের উদাহরণ,✳️প্রশাসনের ভূমিকা, *✳️শিক্ষকদের ভূমিকা, ✳️ শিক্ষার্থীর ভূমিকা, ✳️সুপারিশ

♦️অ্যাসাইনমেন্ট-এর রূপরেখা-♦️
অ্যাসাইনমেন্টের রূপরেখার সর্বজন স্বীকৃত কোনাে কাঠামাে নেই। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানেরই তাদের নিজস্ব রূপরেখা বা কাঠামাে থাকতে পারে। আপনার প্রতিষ্ঠানে অ্যাসাইনমেন্টের জন্য যদি নির্দিষ্ট কোনাে রূপরেখা থাকে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
তবে সাধারণভাবে যে বিষয়গুলাে আপনার লিখতে হবে তা-
🎯ভূমিকা : এখানে সমস্যার একটি সুস্পষ্ট বর্ণনা থাকবে। অ্যাসাইনমেন্টে ব্যবহৃত শব্দ ও পদগুলাের সংজ্ঞা থাকবে এবং সমস্যা বা অ্যাসাইনমেন্টের সীমাবব্ধতা এখানে লিখতে হবে। তাৎপর্য ও পটভূমি এর মধ্যে থাকবে।
এখানে আনুষঙ্গিক বই পত্রের পর্যালােচনা থাকতে পারে, সমস্যা বা বিষয়টির পরিধি বর্ণিত হতে পারে। ভূমিকায় পুরাে অ্যাসাইনমেন্ট সম্পর্কিত মােটামুটি একটি ধারনা থাকবে।
🎯মূল অংশ: এই অংশে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে বিষয়টির উত্তরণ ঘটবে। ভূমিকায় বর্ণিত সমস্যাটির প্রগতিশীল সমাধানের জন্য এখানে বিস্তারিত লেখা হয়। পুরাে অ্যাসাইনমেন্টের মূল অংশ এখানে উপস্থাপিত হবে।
এই অংশটিকে সচল রাখার জন্য কোনাে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে হারিয়ে গেলে চলবে না।
🎯উপসংহার : এখানে পর্যবেক্ষণ, গবেষণা নির্বাচিত বিষয়টির ফলাফল উপস্থাপন করবে।
এতে সমস্যার সমাধান ও সমস্যার সমাধানের পথনির্দেশ থাকতে পারে, সাথে সাথে সুপারিশও থাকবে।

♦️অ্যাসাইনমেন্ট-এর শিরােনাম পৃষ্ঠা :♦️
অ্যাসাইনমেন্ট-এর জন্য শিরােনাম পৃষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লেখার ক্ষেত্রে আসবে-
ক. বিষয়ের নাম;
খ. লেখকের নাম;
গ. শিক্ষকের নাম;
ঘ. কোর্সের নাম;
ঙ. বিভাগের নাম;
চ. বিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠানের নাম;
ছ. লেখা জমা দেয়ার তারিখ;

♦️অ্যাসাইনমেন্টের প্রয়ােজনীয় কিছু বিষয় :♦️
শিরােনাম পৃষ্ঠার পর বিস্তারিত সূচিপত্র দিতে পারেন
অ্যাসাইনমেন্ট-এর লেখা হবে অনেকটা গবেষণাধর্মী
তবে লেখার ভাষা গুরুগম্ভীর হবে না
অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে গবেষকের মন কিংবা অনুসন্ধিৎসু মনে লিখতে হবে। গ্রুপ স্টাডি করেও অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে পারেন
শুধু নম্বর পাবার জন্যই নয় বাস্তবতা তুলে ধরতে যথাসম্ভব সুন্দর উপস্থাপনা প্রয়ােজন
আপনার শিক্ষক যে বিষয়টি চাচ্ছেন সেটি আপনি কীভাবে এনেছেন দেখুন
আপনার অ্যাসানমেন্টেই হতে পারে আপনার সৃজনশীলতার প্রকৃষ্ট দৃষ্টান্ত

💠শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনা:💠
১ নভেম্বর-২০২০ ইং তারিখ হতে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এর নির্দেশনা মােতাবেক, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য বিষয় ভিত্তিক এসাইন্টমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে। একমাস ব্যাপী মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চলবে।
এই একমাস প্রত্যেককে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করে মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হবে।
উক্ত সময়ে কেউ বাড়ির বাহিরে (আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে) কোনক্রমেই যাওয়া যাবে না।
মূল্যায়ন পরীক্ষা (এসাইন্টমেন্ট) তৈরির জন্য যা আগে তৈরি করে রাখতে হবে এবং যা মনে রাখতে হবে, তা হলাে
A4 সাইজের কাগজের খাতা
খাতার কভার পৃষ্ঠায়✴️ বিদ্যালয়ের নাম,✴️ নিজের নাম, ✴️শ্রেণি, ✴️শাখা, ✴️রােল নম্বর, ✴️বিষয়,✴️ তারিখ সাইন কলম দিয়ে সুন্দর করে লিখতে হবে।
প্রতি বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা খাতা একই নিয়মে তৈরী করতে হবে।
খাতায় কোন ভাবে লাল কালির কলম ব্যবহার করা যাবে না।
সব গুলাে খাতা একই সাইজের হতে হবে।
হাতের লেখা সুন্দর ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হতে হবে।
অন্য জনের থেকে দেখে এসাইন্টমেন্ট তৈরি করা যাবে না।
নিজের অর্জিত জ্ঞানের মাধ্যমে এসাইন্টমেন্ট তৈরি করতে হবে যাতে তােমার শিখন ফল প্রতিফলিত হয়।
শিক্ষকের দেয়া নির্ধারিত তারিখে লিখিত খাতা বিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে।
জমাদানের ব্যর্থতার জন্য কোন প্রকার সুপারিশ, অনুরােধ, আবেদনপত্র গ্রহন করা হবে না।

লিংক- https://www.banglanotice.com

30/10/2020

#জুম্মা_মোবারক
আমাদের দেহে যে DNA আছে তার মোট দৈর্ঘ্য ২০০০০০০০০০০ কি.মি। পৃথিবী থেকে সূর্য পর্যন্ত কয়েক বার আসা যাওয়া করলে যে দূরত্ব অতিক্রান্ত হবে, তার সমান।

আর DNA তে যে ইনফরমেশন আছে তা যদি লিপিবদ্ধ করা হয়, তবে তা হবে ৯০০ খণ্ডের বিশালাকার এনসাইক্লোপিডিয়ার সমান। যেখানে প্রতিটি খণ্ডের পৃষ্টা সংখ্যা হবে ৫০০।

আমাদের দেহে মোট কোষের সংখ্যা হলো ৩৭.২ ট্রিলিয়ন। সেন্সরি রিসেপ্টর আছে ১১০ মিলিয়ন। লৌহিত রক্ত কণিকা (RBC) আছে ৩০ ট্রিলিয়ন। শুধুমাত্র মস্তিষ্কেই নিউরন সংখ্যা ১০০ বিলিয়ন। দেহে মোট ব্লাড ভেসেল আছে ৪২ বিলিয়ন, যা ৯৭০০০ কি.মি লম্বা।

একটু চিন্তা করুন তো!
এক হাত লম্বা একটা হেডফোন অতি যত্ন করে রেখে দিলেও জট পাকিয়ে যায়। কিন্তু আপনার দেহের ৯৭০০০ কি.মি ব্লাড ভেসেল কখনোই জট পাকিয়ে যায় নি।

"এভাবে আমি আমার নিদর্শনগুলোকে বিশদভাবে বর্ণনা করি ঐ সম্প্রদায়ের জন্যে, যারা চিন্তাভাবনা করে।"

(সূরা ইউনুস, আয়াত : ২৪)

21/10/2020

২১/১০/২০২০
#সংবাদ_সম্মেলনে_শিক্ষামন্ত্রী।
১. এ বছর মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হবে না। শিক্ষার্থীদেরকে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন করে পরবর্তী শ্রেণিতে প্রমোশন দেয়া হবে।
২. ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করতে ৩০ দিনের একটি সিলেবাস তৈরি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। নভেম্বরে এটি সবার কাছে পাঠানো হবে।
৩. প্রতি সপ্তাহে একটি করে অ্যাসইনমেন্ট তৈরি করে জমা দিতে হবে।
৪. মূল্যায়নটি যেন কোন চাপ সৃষ্টি না করে তা থেকেও শিক্ষকদের সতর্ক থাকতে হবে।
৫. আগামী বছর তাদের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে আলাদা ক্লাসের ব্যবস্থা করা হবে।
৬. স্থানান্তরিত শিক্ষার্থী বা অনলাইনে যুক্ত থাকতে না পারলে নিকটবর্তী কোন মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানে অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে জমা দিবে।
৭. সিলেবাস ও অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া থাকবে।
৮. ভর্তি পরীক্ষা কীভাবে হবে তা নিয়ে পরে জানানো হবে।
৯. অষ্টম শ্রেণির সনদ নিয়ে পরবর্তীতে জানানো হবে।
১০. শিক্ষাবর্ষ বাড়ানোর চিন্তা এখনো নেয়া হয়নি।
১১. পলিটেকনিক ও কারিগরির ব্যাপারে পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে, তবে তাদের পরীক্ষা হবে।
১২. নবম-দশম শ্রেণিতে বিভাগ পরিবর্তনের ব্যাপারে শিক্ষক ও অভিভাবকরা যা ভালো বুঝবেন তা ঠিক করা হবে।
১৩. বৃত্তিপ্রাপ্তির বিষয়ে পরে জানানো হবে।

09/08/2020

প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা করিমগঞ্জ এর ২য় সেরা কলেজ ন্যামতপুর স্কুল এন্ড কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি চলছে। নতুন ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সুযোগ সুবিধা প্রদান ও মেধাবীদের বিনামূল্যে লেখাপড়ার পাশাপাশি অন্যান্য সুযোগের ব্যাবস্থা রয়েছে।

09/08/2020
01/08/2020

সকল সহকর্মী সিনিয়র, জুনিয়র ও সমবয়সী সবাইকে জানাই, "ঈদ মোবারক"। আজকের এই ঈদ সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ ও আনন্দ এবং মহামারীর করুন গ্রাস হতে সকলকেই সূস্থ্য রাখুন মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে এই প্রার্থনায়। আমি
আশিশ আকরাম
প্রভাষক,
ন্যামতপুর স্কুল এন্ড কলেজ,
করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ।

Address

Nayamatpur, Chamta Ghat Road, Karimganj
Kishorganj
2310

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801740972021

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nayamatpur High School & Collage, Karimganj, Kishoreganj. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category