মানুষ গড়ার জন্য যে শিক্ষা প্রয়োজন
★★★★★★★★★★★★★★
আবদুল হালীম খাঁ
বর্তমান দুনিয়ার মুসলমান ইসলামের
পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত।
তাদের বিপুল অংশ ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও
আনুষ্ঠানিক ধর্ম শিক্ষা লাভ করছে
বটে, কিন্তু জীবনের সামগ্রিক
ব্যবস্থা সম্পর্কে তারা সম্পূর্ণ অজ্ঞ
থেকে যাচ্ছে। তারা জানতে
পারছে না ইসলামের সমাজব্যবস্থা,
রাষ্ট্রব্যবস্থা ও অর্থনীতির মূল
সূত্রগুলো। ইসলাম আধুনিক জীবন
জিজ্ঞাসা ও জীবন সমস্যার কি
সমাধান দেয় ও কিভাবে সমাধান
করতে চায়, সে বিষয়ে তারা সম্পূর্ণ
অজ্ঞ ও মূর্খ থেকে যাচ্ছে।
বর্তমানে শিক্ষার নামে অনেক
অপ্রয়োজনীয় ও কুশিক্ষার ব্যবস্থা চালু
রয়েছে, যার ফলে মানুষ ক্রমশই অন্ধকার
ও ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। যে
শিক্ষার ঘাটতি থাকলে পূর্ণাঙ্গ
মুসলমান হওয়া যায় না, এমনকি যে
শিক্ষা গ্রহণ না করলে প্রকৃত মানুষ
হিসেবে পরিচয় দেয়া যায় না, সেই
শিক্ষা আমাদের মধ্যে নেই।
আমাদের দেশে নানান রকমের
হাজার হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
রয়েছে এবং প্রতিবছর আরো নতুন নতুন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠছে,
প্রাইমারি, হাইস্কুল, কলেজ,
মাদরাসা, মক্তব, হেফজখানা এবং
বাচ্চাদের জন্যে গ্রামে গ্রামেই শুধু
নয় পাড়ায় পাড়ায়, শহরে গলিতে
গলিতে কেজি, কোচিং সেন্টার
আরো কত কি দোকানের মতো খোলা
হচ্ছে। বাহ্যিক দৃষ্টিতে মনে হয় দেশ
শিক্ষাদীক্ষায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
অনেক ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল,
জজ, ম্যাজিস্ট্রেট, ডক্টর, কবি,
সাহিত্যিক, গবেষক, বিজ্ঞানী,
দার্শনিক ও বিশেষজ্ঞ তৈরি হচ্ছেন।
অনেকে দেশের উচ্চ শিক্ষা শেষ করে
আরো অধিক উচ্চ শিক্ষার জন্যে
ইউরোপ, আমেরিকা, চীন, জাপান
গিয়ে অনেক জ্ঞান-বিদ্যার ডিগ্রি
নিয়ে এসে দেশের শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের
উচ্চপদগুলো দখল করছেন। তারা শিক্ষা
ও অর্থনীতিতে উন্নতির জন্য নানা
রকম পরিকল্পনা নিচ্ছেন। দেশের
অশিক্ষা ও দারিদ্র্য দূর করার জন্য কাজ
করে যাচ্ছেন। প্রতিবছর প্রকাশিত
হচ্ছে হাজার হাজার বই, রচনা করা
হচ্ছে নানা ধরনের পাঠ্যপুস্তক। একজন
ছাত্রকে বিএ-এমএ পাস করার জন্য
কমপক্ষে পাঠ্যপুস্তকের সাথে হাজার
খানেক বইপুস্তক নোট বই, সাজেশন,
মেইড ইজি, সল্যুশন আরো কত কি যে
পড়তে হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাস
ছাড়াও বাইরে শিক্ষকদের কাছে
যেভাবে পড়তে হয়, তাতে ভোর
থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত
শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মধ্যে
ডুবে থাকতে হয়। লেখাপড়ায় এতো
সময় ও অর্থ ব্যয় করে বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে যেসব শিক্ষার্থীরা
বেরিয়ে আসে দেখা যায় তাদের
অধিকাংশ হচ্ছে সন্ত্রাসী,
চাঁদাবাজ, লুটেরা, ধর্ষক, চরমভাবে
দুর্নীতিবাজ, ডাকাত। প্রখ্যাত কবি
আল মাহমুদ দুঃখ প্রকাশ করে
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ‘ডাকাতের
পাড়া’ বলেছেন।
বর্তমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে
এমন কি পড়ানো হচ্ছে, যার ফলে
শিক্ষার্থীরা সৎচরিত্রবান না হয়ে
অসৎ ও চরিত্রহীন হিংস্র সন্ত্রাসী
হচ্ছে? শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, শোনা
যাচ্ছে শিক্ষকগণও চরমভাবে
দুর্নীতিপরায়ণ ও ছাত্রীদেরকে
ধর্ষণের অভিযোগে সাজা প্রাপ্ত
হচ্ছে।
কথা এখানেই শেষ নয়, বর্তমান স্কুল
কলেজ ও ভার্সিটি পর্যন্ত
শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের
ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানার কোনো
ব্যবস্থা নেই। শতকরা নব্বই জন ইসলাম
ধর্মাবলম্বী, অথচ তাদের ইসলামকে
জানার বুঝার ব্যবস্থা তো নেইই, বরং
পরিকল্পিতভাবে তাদেরকে ইসলাম
থেকে দূরে সরিয়ে রেখে অজ্ঞ
বানিয়ে নাস্তিক করার ব্যবস্থা করা
হচ্ছে। তাদেরকে আল্লাহ, রাসূল,
ইসলাম, কুরআন, আল হাদিস থেকে
কৌশলে দূরে সরিয়ে রাখা হচ্ছে।
একজন মুসলমান যত বিষয়ে যত বেশি
জ্ঞান ও ডিগ্রি লাভ করুন তাকে
অবশ্যই নামাজ পড়তে হবে, নামাজ
পড়তে হলে তাকে কুরআন পড়তে হবে,
অন্তত কয়েকটি সূরা, দোয়া কালাম
অবশ্যই জানতে হবে, অজু গোছল
পায়খানা-প্রস্রাবের নিয়ম জানতে
হবে, হালাল হারাম জানতে হবে। আর
এসব বিধিবিধিান আল্লাহর হুকুম মতো
এবং রাসূল (সা.)-এর তরিকা মুতাবেক
পালন করতে হবে। তা পালন না করলে
নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবি
করা যাবে না। কিন্তু আমরা আমাদের
সমাজে কী দেখছি?
অনেক উচ্চ শিক্ষিত লোক অনেক
ভাষা ও বিষয়ে বড় বড় ডিগ্রি লাভ
করেছেন বটে, কিন্তু তিনি কুরআন
পড়তে জানেন না, দু’একটা সূরা বা
দোয়া কালাম জানেন না, অজু করতে
জানেন না, দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন,
বাম হাতে খানা খান। জন্মদাতা মা
বাবার জন্যে দোয়া করা শিখেননি।
মৃত্যুর পর তাকে যে আবার জীবিত
করা হবে, তার ভালোমন্দ, ন্যায়-
অন্যায় কাজের যে হিসাব দিতে
হবে তাও জানেন না। আর এতোসব
বিষয়ে অজ্ঞ-মূর্খ থাকা সত্ত্বেও
সংসার জীবনে তার কোনো সমস্যা
হচ্ছে না, সবই ঠিকঠাক মতো চলে
যাচ্ছে। এরাই তো আমাদের সমাজে
বড় জ্ঞানী-গুণী মাননীয়।
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় খ্রিস্টান
মিশনারীদের হাত পড়েছে। তারা
তাদের মনের মতো করে
শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে
সাজাচ্ছেন। মুসলমান
ছেলেমেয়েদের খ্রিস্টান, নাস্তিক
ও ধর্মহীন করার ব্যবস্থা করছেন।
ইসলামী রীতিনীতি ও বিধি-বিধান
এবং আকীদা ঈমান নিয়ে ঠাট্টা
করা হচ্ছে। টুপি-দাড়িওয়ালাদের
মোল্লা, জঙ্গি, সন্ত্রাসী ইত্যাদি
বলে দোষারোপ করা হয়।
মুসলমানদের মধ্যে এই মারাত্মক ভুল
ধারণা বদ্ধমূল হয়ে আছে যে, কুরআন ও
সুন্নাহ নিতান্তই সঙ্কীর্ণ ধর্মীয়
শিক্ষার বাহন মাত্র। এ লাইনে পড়লে
মোল্লাহ হওয়া যায়, মসজিদের ঈমাম
হওয়া যায়, বাড়ি বাড়ি দাওয়াত
খাওয়া যায়,. বিজ্ঞানী, এমপি,
মন্ত্রী, নেতা বা রাষ্ট্র নায়ক হওয়া
যায় না। এটা যে কত বড় ভুল ধারণা তা
প্রমাণিত হয়, হার্বার্ট স্পেন্সারের
ন্যায় বড় বিজ্ঞানী দার্শনিকের
কথায়। তিনি বলেছেন, ‘ধর্মই মূলত
মানুষকে বস্তু বিজ্ঞান বা প্রকৃতি
বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছে’।
আর কুরআন মাজীদ তো প্রকৃতি
বিজ্ঞান শিক্ষা ও অনুধাবনের
খোলাখুলি নির্দেশ দিয়েছে।
কাজেই কুরআনকে যদি নির্ভুলভাবে
এবং উপযুুক্ত পদ্ধতিতে শিক্ষা দেয়া
হয়, তাহলে লব্ধ জ্ঞানের বদৌলতে বহু
বিজ্ঞানী দার্শনিক তৈরি হতে
পারে।
বস্তুত প্রকৃতি জ্ঞানই মানুষকে
সত্যিকার বিজ্ঞানী বানায়। এই
প্রকৃতি জ্ঞানই মানুষকে পানি,
গাছপালা, লতাপাতা, ফুলফল, পাহাড়,
চন্দ্র, সূর্য, বিভিন্ন বর্ণ ও রঙ সম্পর্কে
গভীরভাবে চিন্তা ও গবেষণা করার
যোগ্য বানায়। আর দ্রব্যগুণ সম্পর্কিত
জ্ঞানই মানুষকে আল্লাহর অসীম কুদরত
সম্পর্কে সম্যক অবহিত করতে পারে।
স্পেন্সার যে বলেছেন, ‘প্রকৃতি
বিজ্ঞান ও বিজ্ঞান ইবাদত বিশেষ’
তা এক বিন্দু মিথ্যা নয়। এই দ্রব্যগুণ
পরিচিতি লাভ করেই মানুষ
স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলে ওঠতে বাধ্য হয়,
হে আমাদের রব, তুমি এগুলো কিছুই
নিরর্থক ও উদ্দেশ্যহীন সৃষ্টি করোনি।
তুমি উদ্দেশ্যহীন কাজের বাতুলতা
থেকে পবিত্র। অতএব, তুমি
আমাদেরকে জাহান্নামের আজাব
থেকে রক্ষা কর।’ (সূরা আল ইমরান :
১৯১)
আমাদের মাদরাসা-মক্তব
হেফজখানায় ইসলাম সম্পর্কে কি
জ্ঞান লাভ করেন শিক্ষার্থীরা?
তারা দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি
ও সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে কিছু কি
জ্ঞান অর্জন করতে পারছেন? তাদের
পাঠ্য বইয়ের সিলেবাসে তেমন কি
কিছু আছে? কেউ কেউ মন্তব্য করেন,
মাদরাসায় পড়ে কবরের খবর জানতে
পারে কিন্তু দুনিয়ার কিছুই জানতে
পারে না, তারা টুপি-পাগড়ি আর
ঢোলা আলখিল্লা লাভ ছাড়া আর
কিছুই লাভ করতে পারে না।
আমাদের দেশের এতোসব লাইনের
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে
শিক্ষার্থীরা শত শত বই-পুস্তক,
পত্রপত্রিকা পাঠ করে পরীক্ষার পর
পরীক্ষা দিয়ে জীবনের অর্ধেক প্রায়
বয়স ব্যয় করে যে জ্ঞান-অভিজ্ঞতা
লাভ করছেন এবং অধিত জ্ঞান-
অভিজ্ঞতা দিয়ে যে কল্যাণ ও ফল
লাভ করছেন তা সামনে রেখে
পেছনের ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে
দেখুন, আরবের সেই আইয়্যামে
জাহেলি যুগের প্রতি। যাকে বলা হয়,
অন্ধকার যুগ। সেই অন্ধকার যুগের অজ্ঞ-
মূর্খ কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিচ্ছিন্ন মরুচারি
বেদুইন যাযাবর, যারা ছিল ঝগড়াটে
দারুণ স্বেচ্ছাচারী মদ্যপায়ী, যাদের
সত্য মিথা, হালাল-হারাম জ্ঞান ছিল
না। তারা ৩৬০টা মূর্তি পূজা তো
করতোই তারপর আরো অনেক কিছুই
পূজা করতো। সেই মূর্খ অসভ্য
মানুষগুলোকে রাসূল (সা.) কয়খানা
কিতাব পড়িয়ে ছিলেন? তিনি মাত্র
একখানা অতি ছোট্ট কিতাব শিক্ষা
দিয়ে তাদেরকে এমন সুসভ্য, ভদ্র,
ন্যায়পরায়ণ, ন্যায় বিচারক, উদার, মহত
করেছিলেন যে, তারা হয়েছিলেন
সুদক্ষ রাষ্ট্রুনায়ক, সুদক্ষ সৈনিক, সুদক্ষ
সেনাপতি, অর্থনীতিবিদ, সমাজ
সংস্কারক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক,
দার্শনিক এবং আরো অনেক কিছু।
তারা হয়েছিলেন মানুষ গড়ার
কারিগর এবং নতুন এক পৃথিবীর সফল
স্রষ্টা। হজরত আবু বকর, হজরত ওমর, হজরত
ওসমান, হজরত আলী, খালিদ বিন
ওয়ালিদ, মূসা, ওকবা, এমনি আরো
হাজার হাজার নাম এক সঙ্গে উল্লেখ
করা যায়, যারা মহানবী (সা.)-এর
কাছে একটি মাত্র বই আল কুরআন ছাড়া
আর কিছুই পাঠ করেননি, আর পূর্বে উট,
ছাগল, মেষ চড়ানো বা সামান্য
ব্যবসা করা ছাড়া আর কোনো
অভিজ্ঞতা ছিল না। তারা একমাত্র
কুরআন থেকে জ্ঞান অর্জন করে
নিজেরা আলোকিত হয়ে সারা
দুনিয়া আলোকিত করেছিলেন,
হয়েছিলেন তারা মানব জাতির
আদর্শ শিক্ষক ও পথ-প্রদর্শক। ছিলেন
তারা দার্শনিক, বিজ্ঞানী,
আবিস্কারক, ইতিহাসবিদ এবং আরো
অনেক কিছু। রসায়ন শাস্ত্রবিদ
মাহরারিস তাঁর গ্রন্থে হজরত আলীর
নাম উল্লেখ করেছেন। হজরত আলীর
সোনা তৈরির রসায়নিক পরিকল্পনার
উত্তরাধিকার বহন করেন হজরত
মুয়াবিয়ার পৌত্র খালেদ বিন
ইয়াজিদ। রসায়ন বিজ্ঞানের জনক
জাবির ইবনে হাইয়ান এর উস্তাদ
ছিলেন জাফর আস সাদিক।
জাকারিয়া আলরাজী চিকিৎসা
বিজ্ঞানী হিসেবে সমধিক
খ্যাতিমান হলেও রসায়নে তার নাম
স্মরণীয় হয়ে আছে। আল বিরুনী তো এক
অমর নাম। আল কিন্দী আরব জগতে প্রথম
বিখ্যাত দার্শনিক হিসেবে পরিচিত
হলেও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী
ছিলেন। আবুল হাসান আহমদ আত্
তাবারী একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক
ছিলেন। সাবেত বিন সকরা মধ্যযুগের
মুসলিম বিজ্ঞানীদের অন্যতম
প্রতিনিধি ছিলেন, হাসান ইবনে মূহ
ইবনে সীনার শিক্ষক ছিলেন। শত শত
বছরের মুসলমানদের জ্ঞান-সাধনা
এবং অসামান্য অবদান কালের
কপোলে যে তিলক রেখা এঁকে
দিয়েছে তা ধূম্রজালে আচ্ছন্ন হওয়া
ছাড়া এখনো নি®প্রভ হয়নি। শত ষড়যন্ত্র
ও দূরভিসন্ধির দুর্বাদল মাড়িয়ে
বেড়িয়ে আসছে তাদের কৃতিত্ব।
যে কুরআনের শিক্ষা গ্রহণ করে
মুসলমানগণ এক সময় শিক্ষা সভ্যতা
জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখায়
অসামান্য অবদান রেখেছিলেন,
বিশ্বের সকল জাতির শিক্ষা গুরু
হয়েছিলেন, সেই মহাগ্রন্থ সব
জ্ঞানের আকর বিজ্ঞানময় গ্রন্থের
শিক্ষা ফেলে দিয়ে বিজাতিদের
শিক্ষা গ্রহণ করে ও তাদের অনুসরণ
করে বর্তমানে মুসলমানরা নিঃস্ব
শূন্যগর্ভ হয়েছেন তেমনি তাদের
পদতলে পিষ্ট ও লাঞ্ছিত হচ্ছেন
প্রতিনিয়ত।
এখন মুসলমানদের বিজাতিদের শিক্ষা
সংস্কৃতি অনুসরণ ও অনুকরণ ছেড়ে
নিজেদের ঘরে যে মহামূল্যবান ধন
রয়েছে, সেই ধন খুঁজে বের করে ধারণ
ও চর্চা করা প্রয়োজন। নিজেদের ঘরে
যে জগৎ আলো করা প্রদীপ নিভে
রয়েছে আবার সেটি জ্বালানো
প্রয়োজন। তবেই বিশ্বের অন্ধকার দূর
হবে। সেটি হলো আল কুরআন। তার সেই
শিক্ষা লাভ করলে মুসলমানরা আবার
নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে, অন্য
কোনো জাতির কাছে মাথানত করে
থাকতে হবে না, সাহায্য প্রার্থনা
করতে হবে না, বরং জগত সভায় সবার
শ্রদ্ধা ও মর্যাদা লাভ করবে। ইমাম
মালেক (রহ.) বলেছেন, ‘মুসলমানগণ আল
কুরআন ছেড়ে বর্তমানে যেমন দীনহীন
দুর্বল হয়ে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হচ্ছে,
আবার আল কুরআন ধারণ করলে আবার
পূর্বের সেই সম্মান মর্যাদা ও গৌরব
লাভ করতে পারবে। এটি ব্যতীত অন্য
কোনো উপায় নেই।
আধুনিক পদ্ধতির মক্তব সিলেবাস -
৬মাসের সর্টকোর্সে আল কোরআন, উর্দু, বাংলা, ইংরেজী, শিক্ষার একমাত্র প্রতিষ্টান চরিত্রবান মানুষ গড়াই আমাদের লক্ষ
-
তিনটি বিষয় আমলকে নষ্ট করে দেয়
১। মিথ্যা।
২। পরনিন্দা।
৩। কাউকে সতর দেখানো।
এটা নিকৃষ্টতার স্থম্ভকে প্রসারিত করে যেমন পানি গাছের মূলকে প্রসারিত করে।
____________________________________
এই রকম আরো জানতে
-
Clock Me তে আসুন।
ইংরেজি
শেখার ১ম পর্ব
ইংরেজি ভাষা শেখার
প্রোগ্রামে আপনাদের
স্বাগতম। আশা করি, সবাই খুব
ভাল আছেন। দৈনন্দিন জীবনে
ইংরেজি ভাষা জানা খুবই
জরুরী। যেকোন বয়সের মানুষ,
যেকোন ক্লাসের শিক্ষার্থী
এবং সকল প্রবাসী ভাই-
বোনদের জন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র
প্রচেষ্টা। বাংলা ভাষা
এবং বাঙ্গালীরা বিশ্বের
বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে
এটাই আমাদের একমাত্র
আন্দোলন।
এবার মূল আলোচনায় আসা
যাক, ইংরেজিতে কথা বলা
খুব কঠিন ব্যাপার না। একটু
পরিশ্রম করলেই ইংরেজিতে
কথা বলা সম্ভব।
১) প্রথমে আমরা ইংরেজি
বর্ণগুলোর সঠিক উচ্চারণ জেনে
নিই।
২) বর্ণ পরিচিতির পর এবার
আমরা নিচের শব্দগুলোর
উচ্চারণ এবং অর্থ
ভালোভাবে মুখস্ত করে নিই।
প্রয়োজনীয় শব্দার্থ:
I (আই) – আমি
My (মাই) -আমার
Me (মি) – আমাকে
We (উই) – আমরা
You (ইউ) – তুমি/তোমরা
He (হি) – সে (ছেলে)
She (সি) – সে (মেয়ে)
They (দে) – তারা
Mine (মাইন) – আমার
Our (আওয়ার) – আমাদের
His (হিজ) – তার (ছেলে)
Her (হার) – তার (মেয়ে)
Their (দেয়ার) – তাদের
This (দিজ) – এই
That (দ্যাট) – ঐ
These (দীজ ) – এইগুলি
-
এসো কোরআন পড়ি জিবন গড়ি
নিশ্চয়ই আমি এ ক্বোরআনে মানুষের জন্য নানাভাবে বিভিন্ন উপমা দ্বারা বর্ণনা করেছি, কিন্তু মানুষ অধিকাংশ বিষয়ে ঝগড়াটে।
-
সূরা কাহাফ আয়াত নং ৫৪
-
আচরণের তিন ভিত্তি
১। যখন ক্ষুধার তিব্রতা আসে তখন খাদ্য গ্রহন করা
২। যখন গভীরভাবে নিদ্রা আসে তখন শুয়ে পড়।
৩। বিনা প্রয়োজনে কথা না বলা।
-
জ্ঞানীরা শেয়ার করুন
-
শাস্তিরযোগ্য তিন ব্যাক্তি
রাসূল (সা) বলেছেন, তিন প্রকারের আল্লাহ তায়ালা পরকালে কথা বলবেন না এবং রহমতের দৃষ্টিতে থাকাবেন না বরং তাকে কষ্টদায়ক শাস্তি প্রদান করবেন।
তারা হচ্ছে -
১। বৃদ্ধ যিনাকারী।
২। মিথ্যাবাদী বাদশা।
৩। অহংকারী ফকির।
-
শেয়ার করুন
-
তিনটি উত্তম আমল
রাসুল সাঃ বলেন, দুনিয়াতে তিনটি আমল সবচেয়ে উত্তম এবং শ্রেষ্ট। আর তা হলোঃ
১। বিদ্যা অন্যেষণ করা, বিদ্যা অন্যেষণকারী হলো "হাবীবুল্লাহ"।
২। জিহাদ। আর আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী "অলীউল্লাহ"
৩। হালাল উপার্জন। আর হালাল উপার্জনকারী হল "সিদ্দিকুল্লাহ"।
-
শেয়ার করুন, সবাই জেনে আমল করবে
উচ্চ বেতনে চাকুরীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
[[180260758819323]]
মুসলমান শিশু বাচ্চাদের কোরআন শিক্ষা ব্যহত করে সকাল বেলায় ব্র্যাক, আশা, প্রত্যাশা নামক সংস্থাগুলো খৃষ্টানী শিক্ষা প্রসারে উঠে পড়ে লেগেছে, এভাবে চলতে থাকলে বাঙ্গালি মুসলিম জাতির গর্ভ থেকে জন্ম নিবে নাস্তিক, বেজন্মা কুলাঙ্গার অবস্থাদৃষ্টে এটাই বাস্তব পরিলক্ষিত হচ্ছে। এদের মিশনকে স্থব্দ করতে আকাবিরে দেওবন্দের অনুকরণে অক্ষরজ্ঞানহীন ৬ বৎসর বয়সী শিশু বাচ্চাদের জন্য মাত্র ৬ মাসে আরবী, বাংলা, উর্দূ, ইংরেজীর বিশেষ কোর্স। এ কোর্স পরিচালনা সম্পন্ন করাতে কয়েকজন শিক্ষক প্রয়োজন।
-
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
১। কওমী মাদ্রসা হতে দাওরা হাদীস পাশ।
২। অথবা কাফিয়া পর্যন্ত লেখা-পড়া। তবে নূরানী ট্রেনিং থাকতে হবে
৩। অন্যান্য প্রতিষ্টান থেকে শিক্ষাগ্রহণকারী কর্তৃপক্ষের নিকট অযোগ্য বিবেচিত হবে।
৪। সুন্দর কন্ঠের অধিকারীগণ অগ্রাধিকার।
ভাল মন ও মনন থাকলে আমাদের পেজে লাইক দিয়ে সঙ্গেই থাকুন
আধুনিক পদ্ধতিরআরবী উর্দু বাংলা ইংরেজী শিক্ষার মাদ্রাসা -
কোর্স শুরু হবে ১লা রমজান থেকে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
কালনা, তাড়াইল, কিশোরগগঞ্জ
Kishoreganj