লাইমপাশা হাই স্কুল

লাইমপাশা হাই স্কুল This is My sweet & lovely village School.

can you remember??
07/06/2025

can you remember??

11/02/2024

Ali got lottery 😁😁

December 12, 2019
12/12/2019

December 12, 2019

আমাদের স্কুল বিল্ডিং।
10/07/2017

আমাদের স্কুল বিল্ডিং।

15/08/2016
লাইমপাশা হাইস্কুলে শোক দিবসের ব্যানার।
15/08/2016

লাইমপাশা হাইস্কুলে শোক দিবসের ব্যানার।

11/11/2015

আমাদের ইটনা।

27/10/2014

হেডস্যার ওইদিন মনে খুব কষ্ট নিয়ে অভিযোগের সুরেই বললেন স্কুলের চত্বরে, পিছনে, ওয়ালে এমনকি ক্লাসের ভিতরে চেয়ার,টেবিলে দুর্বৃত্তরা মনের সুখে প্রাকৃতিক কাজ করে বেড়াচ্ছে। বড়ই পরিতাপের বিষয়। কবে যে আমরা সভ্য হব???

আমাদের গ্রামের সাঁকো নিয়া ... :)
23/06/2014

আমাদের গ্রামের সাঁকো নিয়া ... :)

মোস্তফা কামাল, : আজকের এই যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকতার যুগেও নারী-পুরুষ আর শিশুদেরকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোয় নদী পারাপার হতে হয়। এমনকি পুরো রাস্তা বাই

লাইমপাশা কেন্দ্রীয়  কবরস্তানে শেয়াল ঢুকে পড়েছে। কবর থেকে জ্যান্ত জ্যান্ত লাশ তুলে খেয়ে ফেলছে। পূর্ব পুরুষদের  বাঁচাতে গ্...
12/06/2014

লাইমপাশা কেন্দ্রীয় কবরস্তানে শেয়াল ঢুকে পড়েছে। কবর থেকে জ্যান্ত জ্যান্ত লাশ তুলে খেয়ে ফেলছে। পূর্ব পুরুষদের বাঁচাতে গ্রামবাসীর উদ্যোগে কবরস্তানে শেয়াল নিধন অভিযান শুরু হয়। কিন্তু একটি শেয়ালের বেশি নিধন করা সম্ভব হয়নি।

05/04/2014

আমাদের প্রক্সি টিচাররা

১
তখন ক্লাস নাইনে পড়ি; নায়েব আলি স্যার ক্লাস নিচ্ছেন। উনি আবার ক্লাসেই আমাকে ভাগিনা বলে ডাকতো, ক্লাসে মামা ভাগিনা ভালই জমতো।
যাইহোক, একদিন তিনি আমাদের এইডস নিয়ে পড়াচ্ছেন। যেহেতু ক্লাস নাইনে উঠে গেছি! এইডস রোগ এর সম্পর্কে আমাদের ভালই ধারনা আছে! উনি যেহেতু টিচার; তাই উনার আরও ভাল জানার কথা। কি রকম ভাল জানে, তার নমুনা পাওয়া গেল একটু পরেই।
তিনি পড়াতে লাগলেন, “এইডস একটা মারাত্তক রোগ। একই পুকুরে গোসল করলে, একই থালা-বাসনে খাবার খেলে, একই বিছানায় শয়ন করলে, একই কাপড় পরিধান করলে, এমনকি হাঁচি কাশি মাধ্যমেও এইডস ছরিয়ে পড়ে। তোমরা টিভিতে দেখনা... নায়ক রিয়াজ, নায়িকা মৌসুমি... এইগুলা বলে। এটা মারাত্বক ছোঁয়াচে রোগ। UNIAIDS এর এক জরিপে, আমরা সবাই এইডস রোগের ঝুঁকিতে আছি। সো, সবাই সাবধান থাকবা।”
আমরা সবাই সাবধান হয়ে গেলাম; তবে এইডস রোগ থেকে নয়, নায়েব আলী স্যারের কাছ থেকে।

বিঃ দ্রঃ উনি ছিলেন কয়েকবার পরীক্ষা দিয়ে এস এস সি পাশ করা প্রাজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ টিচার। এখনও দেখি, উনি অনেক জায়গায় বলে বেড়ায়, আমি লাইমপাশা হাইস্কুল এর প্রাক্তন শিক্ষক !!!

২
ক্লাস সেভেনে পড়ি। মৃগা থেকে একজন টিচার আসে, নাম- ওয়ারিশ স্যার। আমাদের অংক ক্লাস নেন। তিনি আবার বেতারাইজেশন এর জন্য যতটা বিখ্যাত অংকের জন্য এতটা নয়!আমি তেমন ভাল ছাত্র ছিলাম না :P তাই মাঝে মাঝে বেতে-পিঠে সংঘর্ষ হত। একদিন উনি আমাদের জ্যামিতির একটা উপপাদ্য মুখস্ত পড়া ধরছেন। আমি খুব ভাল করে মুখস্ত করে এসেছিলাম আগেরদিন :D সো কোন টেনশন নাই। হঠাত আমাকে দাড় করালেন...
স্যারঃ সাধারন নির্বচন থেকে বল।
আমি বিশেষ নির্বচন থেকে বলা শুরু করলাম। কারণ, উপপাদ্যের ডাক কে যে সাধারন নির্বচন বলে আমি জানতাম না; স্যারদের বলতেও শুনিনি।
- সাধারন নির্বচন থেকে বলতে বললাম না?
- সাধারন নির্বচন কি স্যার?
- জ্যামিতির ডাক।
- ওইটাতো শিখিনি স্যার...
- ক্যারে শিখস নাই???
এইকথা বলে, বেত হাতে তেড়ে আসলো। আমার একটু একটু মনে ছিল ডাকটা। তাই স্যার কে বললাম দেখি পারি কিনা? এবং ভাল ভাবেই বলে ফেললাম
- শিখছস... তে আগে মিছা কথা কইছিলি ক্যারে?
- আমি কোন কথা বললাম না।
- আমার সাথে, স্যারের সাথে মিছা কথা কইলি তুই!!!
আমার এখনও মনে আছে, সেদিন আমি আমার স্টুডেন্ট লাইফের সবচেয়ে ভয়াবহ মাইর খাইছিলাম সবার সামনেই কাঁদলাম :’( অনেক চেষ্টা করেও কান্না থামাতে পারিনি।

বিঃ দ্রঃ তিনিও ছিলেন সদ্য এস এস সি পাশ করা গণ্য, মান্য, জঘন্য টিচার।

৩
তখন কোন ক্লাসে পড়ি মনে পড়ছেনা। সামিউল স্যার নামে একজন লোক মৃগা থেকে আসলো আমাদের ক্লাস নিতে। উনিও অংক ক্লাস নেন। ব্ল্যাকবোর্ড এ অংক করানোর সময় প্রায়ই পেঁচাল লাগিয়ে দিত। কয়েকদিন যাবার পর মোটামোটি টিচার হিসাবে আমাদের কাছে ভালই গ্রহণযোগ্যতা পেল। আরও কয়েকদিন ক্লাস করানোর পর, হঠাৎ উনি আসা বন্ধ করে দিলেন!
হায়! হায়! স্যারের কি হল? স্যার আসছেনা কেন?
পরে জানতে পারলাম, স্যারের নাকি এস এস সি র রেজাল্ট দিছে! জয়সিদ্ধি স্কুলের ছাত্র তিনি। দুইটাতে ধরা খাইছে :o এর মধ্যে অংকও ছিল। স্যার নাকি খুব কষ্ট পাইছে :P স্যার কষ্ট পেয়েছিলেন! নাকি লজ্জা পেয়েছিলেন সেটা বুঝতে পারিনি; তবে আমরা কিঞ্চিৎ কষ্ট পেয়েছিলাম

৪
এতক্ষন যাদের কথা বলেছি, তাঁরা বিভিন্ন সময়ে আমাদের স্কুলে প্রক্সি টিচার হিসাবে ক্লাস করিয়েছেন। আমাদের স্কুলে রেজিস্টার্ড টিচার যতজন থাকার কথা, তারচেয়ে কম আছে। তাই উনাদের মত টিচাররা হেডস্যারের কাছে ক্লাস নেবার আবেদন করলে, স্যার অম্লান বদনে গ্রান্ট করে দেন।
হেডস্যারকে বলছি, “আপনি একটি বারের জন্য জাজ করে দেখেছেন? যাদেরকে আপনি ক্লাস করতে দেন, তারা আসলে টিচার হবার যোগ্য কিনা? তাদের জ্ঞানের পরিধি কতোটুকু? তারা আপনাদের কাছ থেকে পাওয়ার অব এটর্নি পেয়ে ছাত্রদের সাথে যাচ্ছেতাই ব্যবহার করে যাচ্ছে কিনা?”
আপনি হয়তো ভাবেন, কিছু ক্লাসও করিয়ে নিলাম, টাকাও বেঁচে গেল!!!
“রথ ও দেখলাম কলা ও বেচলাম :P” সাগর কলা, চম্পা কলা আইট্টা কলা...
পরিস্থিতি হয়তো আপনাকে বাধ্য করেছে...

সাইমুন

25/02/2014

অরন্যে রোদন

জুলাই ২০০৪

দেশে বর্তমানে ভয়াবহ বন্যা। মাঠ ঘাট সব পানিতে ডুবে গেছে। অনেকেই বলাবলি করছে, এটা নাকি স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা।

“রাতুল” লাইমপাশা হাই স্কুলে ক্লাস সিক্সে পড়ে। বন্যার কারনে, তার স্কুল বর্তমানে বন্ধ। বন্যায় স্কুলে এখন কোমর সমান পানি। প্রচণ্ড ঢেউয়ের কারনে স্কুল ঘরের টিনগুলো খুবলে গেছে। তাছাড়া স্রোতের কারনে, স্কুলটা একটু হেলে পড়েছে। এটা কেবল বন্যার প্রাথমিক পর্যায়ের দৃশ্য। কয়েকদিন চললে স্কুলের নিশানা পাওয়া যাবে না। স্কুলের হেডমাস্টারের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে। কিন্তু, রাতুল খুব খুশি। সে এই সুযোগে মামার বাড়ি বেড়াতে যাবে।
রাতুল প্রায় দেড় মাস মামার বাড়ি বেড়িয়ে এসে দেখে যে, স্কুলের বাথরুমটা এখনো ঠিক করা হয়নি।

২০ ডিসেম্বর ২০০৮

রাতুল লাইমপাশা হাইস্কুল থেকে এস এস সি পরীক্ষা দিবে কয়েকদিন পর। টেস্ট পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়ে দিয়েছে অলরেডি। রাতুল যাচ্ছেতাই রেজাল্ট করেছে। পরীক্ষা নিয়ে খুব টেনশন করছে আর ভাবছে, “দূর... এতদিন লেখাপড়া করলে তো এখন আর নাকের ডগায় দম আসতো না।”
রাতুল বিকালে পড়াশুনা করছে। হঠাত, তার এক বন্ধু এসে বলল, “চল স্কুলে যাই; একটু পড়ে নেতা আসবে।”
রাতুল স্কুলে গিয়ে দেখে মোটামুটি বেশ জটলা। নেতা সাহেবকে দেখা যাচ্ছিলোনা। একটু পরে ক্লাসরুম থেকে একটা টেবিল এনে, সেটাতে নেতাকে দাড় করাল। নেতা আবেগঘন কণ্ঠে জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিলেন, “আমি পাশ করলে, পাকা রাস্তা দিব, বিদ্যুৎ দিব; আর সবচেয়ে বড় কথা হল- এই স্কুলটাকে পাকা করে দিব।”
রাতুল সেদিন রাতে পাকা স্কুলের স্বপ্ন দেখল। বিল্ডিঙটা অনেক সুন্দর হয়েছে।

মে ২০১৪

রাতুল সিলেটে এম সি কলেজে অনার্সে পড়াশুনা করছে। অনেকদিন ধরে বাড়ি যেতে পারছে না; তার ছোট ভাই রাব্বির জন্য মনটা কাঁদছে। ও লাইমপাশা হাইস্কুলে ক্লাস সিক্সে পড়ে। অনেকদিন ধরেই সিলেটে এসে চা বাগান দেখে যাবার বায়না করছে। সন্ধ্যায় রাতুলের ছোট ভাই ফোন করল, এলাকায় নাকি প্রচণ্ড কালবৈশাখী ঝড় হয়েছে। অনেকের ঘর বাড়িই নাকি পড়ে গেছে; আর স্কুল ঘরের অর্ধেক নাকি উধাও হয়ে গেছে। বাকি যতটুকু আছে, তা মাটির সাথে প্রায় মিশে গেছে।
- ভাইয়া, এবার কিন্তু আমি সিলেটে আসছি, তুমি না করতে পারবানা... স্কুল খুলতে অনেক দেরি।
- ঠিক আছে, আগামীকাল রওনা দে।
সেবার ‘রাব্বি’ একমাস সিলেট ঘুরে এসে দেখে যে, অফিস রুমের চালটা এখনো ঠিক করা হয়নি।

আমার এখনো মনে আছে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় বর্তমান রাষ্ট্রপতি, আমাদের স্কুলে গিয়ে বক্তৃতা দিয়েছিল। শত শত কোমলমতি ছাত্রদের সামনে আশ্বাস দিয়েছিল যে, স্কুলটাকে পাকা দুইতলা বিল্ডিং বানিয়ে দিবে। আমরা বিশ্বাস করেছিলাম।
তারপর, বুড়িগঙ্গার জল অনেক দূর পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু, আমাদের ভাগ্য ঘুরেফিরে এক জায়গাতেই ঘুরপাক খাচ্ছে। আমরা আমাদের বুকপেতে নেতার জন্য পার্লামেন্ট যাবার রাস্তা করে দিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে, প্রথমে স্পিকার ও পরে দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি হন। আমাদের সামনে দেয়া প্রতিশ্রুতি তিনি ভুলে গেছেন। ভুলারই তো কথা!!! তাকে তো হাজারটা জিনিস মনে রাখতে হয়।
আমি মনে করি, একপ্রকার ভালই হয়েছে; প্রাকৃতিক দুর্যোগে ‘রাতুল, রাব্বির’ মত ছাত্রছাত্রীরা ছুটি পেয়ে যাচ্ছে। রাতুল আর রাব্বির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানাই।

সাইমুন পাভেল

Address

Mriga, Inta
Kishoreganj
2390

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when লাইমপাশা হাই স্কুল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category