আসহাবুস সুফফা আল-কুরআন ইন্সটিটিউট, বয়লা,কিশোরগঞ্জ, বাংলাদেশ

আসহাবুস সুফফা আল-কুরআন ইন্সটিটিউট, বয়লা,কিশোরগঞ্জ, বাংলাদেশ

Share

AL-QURAN Education For All People's We wants to everyone larne The Holy AL-QURANUL KARIM.

02/08/2024

ওয়াদা ঠিক রাখা-না রাখার লাভ ও ক্ষতি

ওয়াদা করে তা পূর্ণ করাই ইসলামের বিধান এবং সাওয়াবের কাজ। আর ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করা গোনাহের কাজ। কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ তাআলা ওয়াদা ঠিক রাখা-না রাখা উভয় বিষয়ের লাভ ও ক্ষতির বিষয়টি সুস্পষ্টভাষায় তুলে ধরেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
بَلَى مَنْ أَوْفَى بِعَهْدِهِ وَاتَّقَى فَإِنَّ اللّهَ يُحِبُّ الْمُتَّقِينَ - إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللّهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلاً أُوْلَـئِكَ لاَ خَلاَقَ لَهُمْ فِي الآخِرَةِ وَلاَ يُكَلِّمُهُمُ اللّهُ وَلاَ يَنظُرُ إِلَيْهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلاَ يُزَكِّيهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
‘যে লোক নিজ (ওয়াদা) প্রতিজ্ঞা পূর্ণ করবে এবং পরহেজগার হবে, অবশ্যই আল্লাহ পরহেজগারদেরকে ভালবাসেন। যারা আল্লাহর নামে কৃত অঙ্গীকার এবং প্রতিজ্ঞা সামান্য বিনিময়ে বিক্রয় করে, আখেরাতে তাদের কোনো অংশ নেই। আর তাদের সঙ্গে কেয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না। তাদের প্রতি (করুণার) দৃষ্টিও দেবেন না। আর তাদের পরিশুদ্ধও করবেন না। বস্তুত তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আজাব। (সুরা ইমরান : আয়াত ৭৬-৭৭)

আয়াতের সার সংক্ষেপ
আল্লাহ তাআলা এ দুই আয়াতের একটিতে ওয়াদা ঠিক রাখার ফজিলত এবং অন্যটিতে ভঙ্গ করার নিন্দা ও শাস্তির বিবরণ বর্ণনা করেছেন। আগের কিছু আয়াতে ইয়াহুদিদের প্রতারণা ও মিথ্যা দাবির কিছু বিষয় তুলে ধরা ধরেছেন।

প্রকৃতপক্ষে নৈতিক উন্নতি ও উত্তম আচরণের মূলভিত্তি হচ্ছে তাকওয়া। আর তাকওয়া বা আল্লাহর ভয়ই মানুষকে প্রতিজ্ঞা পূর্ণ করতে আগ্রহী করে তোলে। তাই ওয়াদা তথা প্রতিজ্ঞা সৃষ্টির সঙ্গে হোক আর স্রষ্টার সঙ্গে হোক তা পূর্ণ করা আবশ্যক ও ফজিলতপূর্ণ কাজ। আল্লাহ তাআলা এদের বেশি ভালোবাসেন।

পক্ষান্তরে মহান আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার স্বার্থে ওয়াদা ভঙ্গকারীদের নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছেন। দুনিয়ার সামান্য স্বার্থের কাছে পরাজয় বরণ করে ওয়াদা ভঙ্গ করলে এর ক্ষতিও মরাত্মক। এ আয়াতে ৫ ধরনের ক্ষতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আর তাহলো-
- ওয়াদা ভঙ্গকারীর জান্নাতের নেয়ামতে কোনো অংশ নেই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথ দ্বারা কোনো মুসলমানের অধিকার নষ্ট করে, সে নিজের জন্য জাহান্নামের শাস্তিকে অপরিহার্য করে নেয়। বর্ণনাকারী বলেন, যদি বিষয়টি সামান্য হয় তবুও কি জাহান্নামের শাস্তি অপরিহার্য? তিনি বললেন, ‘তা গাছের একটা তাজা ডালই হোক না কেন।’ (মুসলিম)
- ওয়াদা ভঙ্গকারীর সঙ্গে আল্লাহ অনুকম্পাসূচক কথা বলবেন না।
- কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা ওয়াদা ভঙ্গকারীর দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না।
- আল্লাহ তআলা ওয়াদা ভঙ্গকারীর গোনাহ ক্ষমা করবেন না। কেননা অঙ্গীকার ভঙ্গের কারণে বান্দার হক নষ্ট হয়। আর বান্দার হক আল্লাহ ক্ষমা করবেন না।
- ওয়াদা ভঙ্গকারীর জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (তাফসিরে জালালাইন ও মারেফুল কুরআন)

আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট
খোলাসাতুত তাফসিরের তথ্য মতে, একবার মদিনায় ভীষণ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। কয়েকজন ইয়াহুদি সে সময় মুসলমান হয়ে যায়। তারা কাব ইবনে আশরাফের কাছে যায়। সে ছিল ইয়াহুদিদের সরদার। তারা তার কাছে সাহায্যের আবেদন করে।
কাব ইবনে আশরাফ বলল, যে লোকটি নবুয়তের দাবি করছে, তার ব্যাপারে তোমাদের মন্তব্য কী? তারা উত্তরে বলল, তিনি আল্লাহর নবি এবং তাঁর বান্দা।
কাব ইবনে আশরাফ এ কথা শুনে বলল, তোমরা আমার কাছে কিছুই পাবে না।
নব মুসলিম ইয়াহুদিরা বলল, এ কথা আমরা এমনিতেই বলেছিলাম। আপনি আমাদের অবকাশ দিন; আমরা ভেবে-চিন্তে জবাব দেব।
কিছু সময় পর তারা এসে জানাল, ‘মুহাম্মাদ শেষ নবি নয়। কাব ইবনে আশরাফ তাদের শপথ করতে বললে তারা এ ব্যাপারে শপথ করতে দ্বিধাবোধ করল না।
তারপর কাব ইবনে আশরাফ তাদের প্রত্যেককে ৫ সা যব এবং ৮ গজ করে কাপড় দেয়। উল্লেখিত আয়াতটি এ ঘটনার প্রেক্ষিতে নাজিল হয়।

হজরত আবু উমামা বাহেলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথের মাধ্যমে কোনো মুসলমানের অধিকার বিনষ্ট করে আল্লাহ তাআলা তার ওপর বেহেশত হারাম করে দেন আর তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত। কেউ কেউ আরজ করল, যদি তা খুব সামান্য পরিমাণ হয়? তিনি জবাবে বললেন, যদিও তা পেলু গাছের শাখাও হয়।’ (মুসলিম)

মুসলিমদের জন্য সতর্কতা
কোনো অবস্থাতেই ওয়াদা ভঙ্গ করা যাবে না। তা হোক কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কিংবা আল্লাহর সঙ্গে। কেননা ওয়াদা ভঙ্গকারীর পরিণতি মারাত্মক ও ভয়াবহ।
আর যত কষ্টই হোক ওয়াদা রক্ষা করার উপকারিতা অনেক বেশি। এর মাধ্যমে বান্দার অন্তরে আল্লাহর ভয় তৈরি হয়। আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহকে ভয় করেন; আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তিকে ভালোবাসেন।
আল্লাহ তাআলা সবাইকে ওয়াদা রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। ওয়াদা ভঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
কপি-পেস্ট

#ওয়াদাখেলাফকরা #ওয়াদাভংগকরা #কথারখেলাফকরা #কথাদিয়েকথানারাখা #কুরআনশরীফেওয়াদাখেলাফকারীরআলোচনা
#মুনাফেক #মুনাফিকেরআলামত

18/02/2024
28/06/2023

হযরত ইব্রাহীম(আঃ)-এর স্মৃতি বিজড়িত ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।
ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হোক আপনার জীবন।

“ঈদ মোবারক”
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।

19/05/2021

I am Asem Ahmad Arman from Bangladesh, I stand with Palestine.

✊🏽
🇵🇸
🤲

🤲
🕌
🇵🇸


🤲

🕌
🕌
🕌
🕋

🇵🇸
✌️
✊🤲🕌🇸🇩

02/05/2021

মাসজিদুল হারামের শ্রদ্ধেয় ইমাম শায়েখ মাহির মুকাইকিলি রমজানের শেষ দশ রাত্রের জন্য চমৎকার এক আমলের টিপস দিয়েছেন।

১. প্রতিরাত্রে কমছেকম এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি রাত্রটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর বা ১০০০ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।

২. প্রতিরাত্রে নিদেনপক্ষে দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি রাত্রটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করার সাওয়াব পাবেন।

৩. প্রতিরাত্রে নিম্নে তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি রাত্রটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন খতমুল ক্বুর'আন পাঠের তুল্য সাওয়াব পাবেন।

★এই পরামর্শ কেবলমাত্র আমলের উৎসাহ দিতে, এটা ইবাদতের শর্টকাট কোনো পন্থা যেনো না ভাবি। অথবা এটিই একমাত্র শবেকদরের আমল যেনো মনে না করি।কেউ যেনো বঞ্চিত না হই তাই নূন্যতম এটি করতে বলা। আমাদের বেশী বেশী আমল করা উচিৎ। রাসূল সা. এর মত মাজা বেঁধে ঝাঁপিয়ে পরা উচিৎ শেষ দশকে। মনে রাখা দরকার ক্বদরের রাত্রির ভাগীদার হবার সবচেয়ে বেশী উপযুক্ত আমল হচ্ছে আল্লাহর জন্য ইতিক্বাফ করা।
(সম্পাদক)

🕳️খুতবাটি অনুবাদ করেছেন- শ্রদ্ধেয় আলী হাসান তৈয়ব ভাই। সূত্র- আলোকিত বাংলাদেশ।

Photos from আসহাবুস সুফফা আল-কুরআন ইন্সটিটিউট, বয়লা,কিশোরগঞ্জ, বাংলাদেশ's post 13/04/2021

দৈনিক আমাদের আমলে যুক্ত করতে পারি হাদিসে বর্ণিত এই দোয়া গুলো। রমজানুল মোবারক।

Want your school to be the top-listed School/college in Kishoreganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Boyla Emam Bari Jame Mosjid Rod, Boyla
Kishoreganj
2300