দারুল উলুম সামাদিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা

দারুল উলুম সামাদিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা

Share

এই মাদ্রাসায় নুরানি, নাজেরা ও হেফয বিভাগে ছাত্র ভর্তি চলছে।

20/04/2026

🕌 সুসংবাদ! 🕌

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

সকলের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামী বুধবার বাদ মাগরিব আমাদের মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্রের হিফজ সবক প্রদান উপলক্ষে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

📖 এই পবিত্র ও আনন্দঘন মুহূর্তে আপনাদের সকলের স্বতঃস্ফূর্ত ও স্ববান্ধব উপস্থিতি একান্তভাবে কাম্য।

🤲 আসুন, আমরা সবাই মিলিত হয়ে এই মহতী আয়োজনে শরিক হই এবং আমাদের সন্তানদের জন্য দোয়া করি।

আল্লাহ তাআলা আমাদের এই আয়োজনকে কবুল করুন—আমীন।

26/11/2025

আড়াইউড়া নিবাসী জনাব মোঃ আব্দুল কাদির খান (হক খান) আজ সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন। এই মহৎ মানুষটির ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর জন্য সকলের কাছে দোয়ার আবেদন— আল্লাহ পাক যেন তাঁর সকল নেক আমল কবুল করেন, গুনাহসমূহ মাফ করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। আমিন।

জানাজা নামাজ আজ বাদ আসর দারুল উলুম সামাদিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

জনাব হক খান মসজিদ ও মাদরাসার পূর্ণনির্মাণ, উন্নয়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণে ছিলেন সর্বদা অগ্রণী। দ্বীনের বিভিন্ন খেদমতে তাঁর অবদান ছিল সত্যিই অপরিসীম ও স্মরণীয়। আল্লাহ তাআলা তাঁর এই সকল সৎকর্মের উজ্জ্বল প্রতিদান দান করুন এবং তাঁর পরিবারকে ধৈর্য দান করুন। আমিন।

25/11/2025

মাদরাসা পরিচালনার নিয়ম কানুন
১ম পর্ব:

পৃথিবীতে দ্বীন টিকিয়ে রাখার জন্য মাদরাসা জরুরী। কিন্তু মাদরাসা দ্বারা তখনই দ্বীন রক্ষার খেদমত আশা করা যায়, যখন মাদরাসার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলে সহীহ উসূল অনুযায়ী চলবে এবং মাদরাসাকেও সহীহ উসূল অনুযায়ী চালাবে। অন্যথায় না দ্বীনের হেফাযত হবে আর না নিজেদের উন্নতি সাধন হবে বরং সময় আর অর্থ নষ্ট ছাড়া কিছুই হবে না। প্রত্যেকটা মাদরাসা যেন দ্বীন রক্ষার একেকটা কেল্লায় পরিণত হতে পারে তাই নিম্নে মাদরাসার কমিটি, ছাত্র, শিক্ষক ও মুহতামিম এর জন্য দিকনির্দেশনামূলক সংক্ষিপ্ত কিছু আলোচনা করা হলো। আল্লাহ তা‘আলা আমাদের উক্ত আলোচনার উপর আমল করার তাওফিক দান করুন!

১. আমরা মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটি হই আর মুহতামিম হই বা সাধারণ শিক্ষক হই, আমাদের নিজেদের আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য দু’টি কাজ করতে হবে।

ক. কোন হক্কানী বুযুর্গের সুহবত অবলম্বন করতে হবে এবং তার সাথে ইসলাহী সম্পর্ক কায়েম রাখার মাধ্যমে দিলের দশটা রোগ থেকে মুক্ত হওয়া এবং দশটি গুণ অর্জন করার মেহনত করতে হবে।

খ. নিজের ঈমান ও আমলের তরক্কীর জন্য দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনত করতে হবে। কারণ ব্যক্তি যতক্ষণ নিজের উন্নতির ফিকির না করে সে যতই উম্মতের ফিকির করুক তার দ্বারা কোন কাজ হয় না। খুব ভাল করে জানা দরকার,কোন ব্যক্তি নিজের ঈমান আমলের উন্নতির চিন্তা ফিকির না করলে তাকে দিয়ে আল্লাহ ইসলামের কাজ নিবেন না। বস্তুত নিয়ত থাকবে নিজের উন্নতির, এর মধ্য দিয়ে অন্যের উন্নতিও হয়ে যাবে। নিজের ফিকির না করে আগে অন্য লোককে ঠিক করতে গেলে শুরুতেই তার থেকে অহংকার প্রকাশ পায়। আর আল্লাহ তা‘আলা অহংকারী থেকে দ্বীনের খেদমত নেন না।

২. আমাদের মাদ্রাসা জীবিত মাদরাসা না মৃত মাদরাসা? মৃত মাদরাসা বলে ঐ মাদরাসাকে যেখানে শিক্ষকদের সকল মেহনত ছাত্রদের মধ্যে সীমিত; বাইরের জনগণের দ্বীনী উন্নতির জন্য তাদের কোন ফিকির ও মেহনত নেই।

একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা হয় ছাত্রের নামে এবং তা পরিচালিত হয় টাকার মাধ্যমে। ছাত্র এবং অর্থ এই দুই জিনিসতো আসবে জনগণ থেকে। আর জনগণ এগুলো তখনই দিবে যখন তাদের জন্য আমাদের মেহনত থাকবে এবং তাদের মধ্যে দ্বীন থাকবে। আর এটাই মূলনীতি কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হবে। তাদেরকে কিছুই দিব না, শুধুই চাইতে থাকবো, তাহলে কিছুই পাওয়া যাবে না। যে মাদরাসা শুধুই ছাত্রদের পিছনে মেহনত করে, বাইরে কোন মেহনত করে না সেটা হল মৃত মাদরাসা। আর যে মাদরাসা ছাত্রদের উপর মেহনত করার সাথে সাথে বাইরের মানুষের ঈমান-আমল ও কুরআন সহীহ করে দেয়া, জরুরী মাসায়িল শিখানো ইত্যাদির মেহনত করে সেই মাদরাসা হলো জিন্দা মাদরাসা। জনগণের দীনি তরক্কীর জন্য মাদরাসা পরিচালক এবং আসাতিযায়ে কেরাম নিম্নোক্ত উপায়ে মেহনত করতে পারেঃ

আম জনতা ও এলাকাবাসীর উপর দুই লাইনে মেহনত করবেঃ

(ক) তাবলীগের লাইনে ।

(খ) দাওয়াতুল হকের লাইনে।

তাবলীগের দ্বারা ঈমান শিখাবে আর দাওয়াতুল হকের দ্বারা যাবতীয় আমলের মেহনত করবে। যেমনঃ নামায, রোযা, যাকাত, হজ্জ, বিবাহ-শাদী কাফন-দাফন ইত্যাদি সুন্নাত মোতাবেক করার প্রশিক্ষণ দেয়া। তাবলীগের দ্বারা জনগণের ইমান মজবুত হবে এবং তাদের মাঝে আমলের আগ্রহ পয়দা হবে। আর দাওয়াতুল হকের মাধ্যমে তাদের আমল বিশুদ্ধ ও সুন্নাত তরীকায় হবে এবং তারা সহী সুদ্ধভাবে কুরআন পড়তে শিখবে।

প্রয়োজনে আশপাশের একেক গ্রামকে একেক শিক্ষকের দায়িত্বে দিয়ে দিবে। তারা ঐ গ্রামের মানুষকে তাবলীগে পাঠাবে। আমলী মশকের মাধ্যমে উযু নামায ও যাবতীয় আমলের সুন্নত তরীকা শিখাবে। নূরানী পদ্ধতিতে ২/৩ মাসে চক স্লেটের মাধ্যমে তাদের কুরআন সহী করে দিবে। এভাবে ২/৩ মাস চলার পর তার পার্শ্ববর্তী গ্রামে পর্যায়ক্রমে কাজ করবে।এতে কোন গ্রামের কোন লোক মাদরাসার বিরুদ্ধে থাকবে না; বরং প্রতিটি লোক মাদরাসার পক্ষে এসে যাবে। আর এভাবেই মাদরাসা জিন্দা মাদরাসা হবে। নতুবা মাদরাসা মুর্দা থেকে যাবে।

শুধু শিশু ছাত্রদেরকে পড়ালে হবে না; পাকা দাঁড়ীওয়ালাদেরকেও ছাত্র বানাতে হবে, যাদের কবরে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে। মুহতামীম সাহেব সর্বস্থানে তদারকী করবেন। কোন উস্তাদ কতটুকু কাজ করলেন তার তদারকী করবেন। এবং ঐ সকল গ্রামবাসীর ইন্টারভিউ নিবেন। দায়িত্বশীল উস্তাদগণ স্ব-স্ব এলাকায় গিয়ে আসরের নামায আদায় করবেন এবং মাগরিবের আগ পর্যন্ত উক্ত মেহনত করবেন।

ছাত্রদের উপর দুই লাইনে মেহনত করতে হবে:

(ক) তা‘লীম।

(খ) তরবিয়াত।

তা‘লীম অর্থ কিতাব পড়ানো আর তরবিয়াত হল কিতাবের ছাপানো লেখাগুলো তার শরীরে ছেপে দেয়া অর্থাৎ তাদের আমলী জীবন গঠন করে দেয়া, বাংলাতে যাকে বলে শিক্ষা-দীক্ষা। এর জন্য উস্তাদদের ‘সুহবাত ইয়াফতাহ’ হতে হবে এবং ছাত্রদেরকে হক্কানী শাইখের সুহবতে বসার ব্যবস্থা করতে হবে।

দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব সামনে আসতেছে.............

লেখকঃ মুফতি মনসুরুল হক হাফিজাহুল্লাহ, কপি

02/11/2025

ভালোবাসা মানে শুধু কথার অভিনয় নয় —
ভালোবাসা মানে অন্যের বোঝা একটু কমিয়ে দেওয়া।

আজ মানুষ তার নিজের দুনিয়াতেই এমন আটকে গেছে,
যেন অন্যের কষ্ট দেখার চোখটাই হারিয়ে ফেলেছে।

যে মন ভালোবাসা বিতরণ করে, আল্লাহ তার উপর খেয়ারের দরওয়াজাই খুলে দেন।

এক মুহূর্ত সময় বের করে
কারো কথা মন দিয়ে শোনা — এইটাও ইবাদত।
একটু নরম কথা বলা — এটাও সদকা।
কারোকে হতাশা থেকে তুলে বলা
“ভাই, হাল ছাড়বেন না, আল্লাহ আছেন”—
এই বাক্যটাই হয়ত তার জন্য আজ সবচেয়ে বড় উপহার।

তাই আজ থেকে অন্তত চেষ্টা করি
আমাদের জিহ্বা যেন ওষুধ হয়, বিষ না হয়।
আমাদের ব্যবহারে যেন মানুষ শান্ত হয়, পুড়ে না যায়।

যেদিন আমাদের কারণে কারো চোখে দুঃখ কমে যায় —
সেদিনই আমরা সত্যিকার অর্থে “ভালোবাসা” বিতরণ করি।

আল্লাহ আমাদেরকে নিজের নৈতিকতা, নিজের চরিত্র,
নিজের আচরণ — সব জায়গায় ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে তাওফিক দান করুন।

17/01/2024
08/07/2023

কিশোরগঞ্জের গজল

17/05/2023

ইলম থাকা এক বিষয় ইলমের সার্টিফিকেট থাকা আরেক বিষয়৷ আর আকিদা সঠিক থাকা এ দুটো থেকে ভিন্ন। শরীয়তের উপর সার্টিফিকেট থাকার অর্থ এই নয় যে অনেক বেশি ইলম সম্পন্ন৷ আবার তাফসীর - ফিকাহ - হাদিসে জ্ঞান থাকলেই আকিদা ঠিক আছে বলা যায় না। এখন মানুষ নিজের পছন্দের দলের অনুসরণ করছে এবং ইলমকে নিজ দলের পক্ষে ব্যবহার করছে। যেমন শরিয়ার উপর উচ্চ ডিগ্রি ধারী কাদিয়ানী আছে। আবার হাদিসে প্রখর জ্ঞানী ব্যক্তিরা তাগুত সরকারের আনুগত্য ফরজ বলছে। তাফসীরের উপর বিজ্ঞ ব্যক্তি জিহাদকে সন্ত্রাস বলছে। ফিকাহ'র উপর পন্ডিত ব্যক্তির কাছে গনতন্ত্রই দ্বীন। কুরআনের উপর বিশেষজ্ঞ বলছে পাঁচ ওয়াক্ত স্বলাত বলে কিছু নাই। এসবের কারণ একটাই আকিদা সঠিক নাই, আকিদা সম্পর্কে জ্ঞান নাই৷

সুতরাং উচ্চতর জ্ঞান অর্জন বা ডিগ্রি অর্জন মুক্তির পথ নয়। জ্ঞান কম হতে পারে কিন্তু আকিদা সহি হওয়ার বিকল্প নাই৷ কুরআনের উপর এক্সপার্ট হওয়া আবশ্যক নয়, শিরক - কুফর চেনা এবং তা থেকে বেঁচে থাকা আবশ্যক। হাদিসের বিশেষজ্ঞ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ নয় ফরজের ব্যপারে সিরিয়ানেস আর কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

04/05/2023

'বাইসাইকেল ধীরে ধীরে মেরে ফেলছে পৃথিবীকে!'
===================≠==============
কথাটি একজন ব্যাংকারের। তিনি যখন বিষয়টি ডিটেইলসে বলেন, বড় বড় অর্থনীতিবিদরাও তাতে চিন্তার খোরাক পেয়েছেন। আরবান সাইক্লিং ইনস্টিটিউট ব্যাংকার বলেন, একজন সাইক্লিস্ট দেশের অর্থনীতির জন্যে দুর্যোগ স্বরূপ। তিনি গাড়ি কিনেন না। ফলে গাড়ি কেনার জন্য ধারও করতে হয় না তাকে। একজন সাইকেল ব্যবহারকারী ইন্সুরেন্স করেন না। জ্বালানী কিনেন না, তাকে এমনকি গাড়ি মেরামত বাবদও কোনো খরচ করতে হয় না।
ব্যাংকার আরো বলেছেন, যিনি সাইকেল চালিয়ে অভ্যস্ত, তাকে পার্কিং করার জন্যে কোনো পয়সা দিতে হয় না। সাইকেলের কারণে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনার ঘটে না, ফলে হাসপাতালও রোগী পায় না।
সাইকেল চালানো মানুষ বহুলেইনের রাস্তাও ব্যবহার করে না। এমনকি লোকটি মোটাও হয় না সাইকেল চালানোর কারণে।
ব্যাংকার বলছেন, অর্থনীতির জন্যে স্বাস্থ্যবান মানুষ মোটেও উপকারী বা প্রয়োজনীয় নয়। তাদের ডাক্তার দেখাতে হয় না। হাসপাতালে যেতে হয় না। ওষুধই কিনতে হয় না। তারা দেশের জিডিপিতে কোনো অবদান রাখে না।
অন্যদিকে, ম্যাকডোনাল্ডসের একটা নতুন শপ হওয়া মানে কিছু লোকের চাকরি হওয়া। পাশাপাশি কমপক্ষে ৩০ জনের আয়ের সুযোগ করে দেয় নতুন দোকানটি। তারা হলেন ১০ জন হার্টের ডাক্তার, ১০ জন ডেন্টিস্ট এবং ১০ জন ডায়েটিশিয়ান ও পুষ্টিবিদ।
সুতরাং ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন, সাইকেল কিনবেন নাকি ম্যাকডোনাল্ডসের দোকান? আর যারা পায়ে হাঁটে, তারা সবচেয়ে খারাপ। কারণ তারা একটি সাইকেলও কেনে না!

30/04/2023

যারা খেদমতের জগতে প্রবেশ করবেন

১. শুধু চাকরীর মানসিকতা না রেখে আপনি যে দ্বীনের একজন খাদেম সে বিষয়টি সবসময় মাথায় রাখবেন।
২. কোনো প্রতিষ্ঠানই সমস্যামুক্ত নয়। তাই একান্ত বাধ্য না হলে কর্মস্থল পরিবর্তন না করা।
৩. ছাত্রদেরকে নিজ সন্তানের মত মনে করবেন।
৪. ছাত্ররা আপনার কাছে তাদের অভিভাবকদের আমানত সেটাও মাথায় রাখবেন।
৫. নিজ স্বার্থের চেয়ে ছাত্রদের স্বার্থকে সবসময় প্রাধান্য দিবেন।
৬. প্রতিষ্ঠান আমাকে কি দিল সে চিন্তা কম করে আমি প্রতিষ্ঠানকে কি দিলাম সেটার চিন্তা বেশি করবেন।
৭. সহকর্মীদের সাথে সদা বন্ধুসুলভ আচরণ করবেন।
৮. কোন সহকর্মী কোন দরজার উস্তাদ বা কার যোগ্যতা কেমন? কে মক্তব আর হিফজের উস্তাদ আর কে কিতাব বিভাগের চলাফেরায় আচরণে সে বিবেচনা যেন না থাকে।
৯. প্রতিষ্ঠানের কোনো কাজ সামনে আসলে এবং সেটা আমার এখতিয়ারভুক্ত হলে করে নিব। এ দোহাই দিবনা যে এটা আমার দায়িত্ব না।
১০. নিজের তাকসীমে কোনো কিতাব পাওয়ার জন্য কখনো আবদার করবোনা। বরং কর্তৃপক্ষ থেকে যা বরাদ্দ আসবে তাই যথাযথ ভাবে পড়াবো। আর সেটাই আমার জন্য তারাক্কী নিয়ে আসবে।
১১. আচার আচরণে যেন কখনই আমিত্বের ভাব না আসে। অহঙ্কার প্রকাশ না পায় ।
১২. ছাত্রদের সাথে খুব বেশি কঠোরতা আবার একেবারেই ফ্রি হয়ে না চলা।
১৩. সর্বোপরি নিজেকে প্রতিষ্ঠানের অধীন মনে করা।
এসব কোনো নসীহত হিসেবে বলা না। অভিজ্ঞতা শেয়ার করা মাত্র। যদি কারো সামান্য উপকারে আসে।

মুফতী আব্দুস সবুর হাফিজাহুল্লাহ্
জামিয়া ইসলামিয়া দারূল উলূম ঢাকা

Want your school to be the top-listed School/college in Kishoreganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Araiura, Tarail, Kishoreganj
Kishoreganj
2316