11/12/2023
এস এস সি পরীক্ষা - ২০২৪,
আগামীকাল থেকে নিজেকে যাচাই করার জন্য চাইলে নিম্নোক্ত টেস্টগুলো দেওয়া যেতে পারে।
পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক হলে যোগাযোগ মাধ্যম: ০১৮৬৬-৭৫৫৬৬৬ (Whatsapp)
পড়াশোনা সম্পর্কিত তথ্য ও আমার ব্যক্তিগত মতামত আলোচনা/সমালোচনার জন্য পেইজটি খোলা হয়েছে।
11/12/2023
এস এস সি পরীক্ষা - ২০২৪,
আগামীকাল থেকে নিজেকে যাচাই করার জন্য চাইলে নিম্নোক্ত টেস্টগুলো দেওয়া যেতে পারে।
পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক হলে যোগাযোগ মাধ্যম: ০১৮৬৬-৭৫৫৬৬৬ (Whatsapp)
20/11/2023
৬ষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক মূল্যায়ন সমাধান/সম্ভাব্য)!
17/11/2023
ইংরেজি ও ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়দ্বয়ের সম্ভাব্য সমাধান।।।।।
৬ষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন।
06/11/2023
শীতের শুরু
22/10/2023
৬ষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন - ২০২৩ এর সিলেবাস থেকে বিজ্ঞান "গতির খেলা" অধ্যায়ের সমাধান।
A net collection
৬ষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন রুটিন ২০২৩
১৫/১১/২০২৩, বুধবার — ডিজিটাল প্রযুক্তি
১৬/১১/২০২৩, বৃহস্পতিবার — ধর্ম (সকল)
১৯/১১/২০২৩, রবিবার — বিজ্ঞান
২০/১১/২০২৩, সোমবার — ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান
২১/১১/২০২৩, মঙ্গলবার — শিল্প ও সংস্কৃতি
২২/১১/২০২৩, বুধবার — বাংলা
২৩/১১/২০২৩, বৃহস্পতিবার — জীবন ও জীবিকা
২৬/১১/২০২৩, রবিবার — গণিত
২৭/১১/২০২৩, সোমবার — স্বাস্থ্য সুরক্ষা
২৮/১১/২০২৩, মঙ্গলবার — ইংরেজি
A net collection
১০ টি সারমর্ম:
১) কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর?.....................স্বর্গ আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরি কুঁড়েঘরে।
সারমর্ম : স্বর্গ ও নরক কেবল পরলোকের ব্যাপার নয়। ইহলোকেও তা বিরাজমান। বিবেকহীন মানুষের অপকর্ম ও বর্বরতা সীমা ছাড়িয়ে গেলে জগৎ হয়ে ওঠে নরক তুল্য। অন্যদিকে মানুষে মানুষে সম্প্রীতির বন্ধনে মিলেমিশে বসবাস করলে যে এক নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠে তখন জগৎ হয়ে ওঠে সুষমাময়।
২) সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে…………………ওই আলোতেই নয়ন রেখে মুদব নয়ন শেষে।
সারমর্ম: জন্মভূমিকে ভালােবাসলে জীবন সার্থক হয়। জন্মভূমির চিন্তা মানুষকে মহত্ত্ব ও গৌরব দান করে। জন্মভূমির আকাশ, বাতাস, চন্দ্র, সূর্য, ফল, ফুল সত্যই প্রিয়। জন্মভূমির মাটিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে পারলে জীবন ধন্য ও সার্থক হয়।
৩) পরের কারণে স্বার্থ দিয়া …………… ……… প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।
সারমর্মঃ শুধু নিজের সুখ অন্বেষণে কেউ প্রকৃত সুখী হতে পারে না। আত্মস্বার্থে মগ্ন না থেকে পরের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করলে প্রকৃত সুখ মেলে। মানবজীবন ব্যক্তিস্বার্থকেন্দ্রিক হওয়া ঠিক নয়। একে অন্যের কল্যাণে ব্রতী হওয়াই মনুষ্যত্বের ধর্ম।
৪) বহুদিন ধরে বহু ক্রোশ দূরে……………… একটি ধানের শিষের উপর, একটি শিশির বিন্দু।
সারমর্মঃ প্রচুর অর্থ ও সময় ব্যয় করে এবং যথেষ্ট কষ্ট করে মানুষ দূর-দূরান্তে সৌন্দর্য দেখতে ছুটে যায়। কিন্তু ঘরের কাছে অনির্বচনীয় সৌন্দর্যটুকু দেখা হয় না বলে সে দেখা পূর্ণতা পায় না।
৫) ক্ষীন বন্যলতা এক অতি ক্ষুদ্রকায় ............... রৌদ্র বিনা হয়ে আছি বিশীর্ণ কঙ্কাল।
সারমর্ম: জগতে অর্থবিত্তের অধিকারী বড়রা সবসময় বিত্তহীন ছোটদের করুণা দেখায়। তারা ভুলে যায় যে, তারা আসলে শোষণ করে অধিকার হরণ করে ছোটদের দমিয়ে রাখে।
৬) একদা ছিল না জুতা চরণ যুগলে। ..................... আপন মনের দুঃখ থাকে কতক্ষণ?
সারমর্ম: সাধুর পায়ে জুতা ছিল না বলে তার মনে খুব দুঃখ। কিন্তু প্রার্থনালয়ের সামনে পা-হারা ব্যক্তিকে দেখে তার সে খেদ দূর হলো দুঃখ অন্তরে উপলদ্ধি করার অনুভূতি জাগ্রত হলো তার। পরের দুঃখকে নিজের হৃদয়ে একবার উপলব্ধি করলে নিজের সামান্য দুঃখ কষ্টের কথা আমাদের আর মনে থাকে না।
৭) বসুমতী কেন তুমি এতই কৃপণা?.............................. তোমার গৌরব তাহে একেবারে ছাড়ে।
সারমর্ম: শ্রমলব্ধ সম্পদে গৌরব আছে, আছে আনন্দ। আর শ্রমহীন প্রাপ্তিতে থাকে দুর্বলতা, থাকে অবসাদ। তাই সকলেরই উচিত পরিশ্রমের মাধ্যমে জীবিকা অর্জন করা। কারণ, পরের দান গ্রহণে কোন আত্মতৃপ্তি নেই, শ্রমেই সত্যিকারের গৌরব।
৮) আসিতেছে শুভ দিন ,............... সকলের সাথে পথে চলি যার পায়ে লাগিয়াছে ধূলি।
সারমর্মঃ শ্রমজীবি মানুষের শ্রমের বিনীময়ে আমরা সুখী জীবন যাপন করি। অথচ তাদের এই শ্রমের মূল্য আমরা দিই না। অনুভব করতে চাইনা তাদের দুঃখ বেদনা। প্রকৃত পক্ষে তারাই মানব রূপী দেবতা। সুবিধাবাদীদের এই অত্যাচারের প্রতিশধ নেওয়ার সময় এসেছে। এখন থেকেই হবে নতুন যুগের সুচনা।
৯) নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল ..................... সাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরহিত তরে।
সারমর্ম: পৃথিবীর প্রকৃতি রূপে অপরূপ। প্রকৃতিতে আমরা অনেক কিছু দেখতে পাই। এসবের সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করে আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা লাভ করে প্রচুর জ্ঞান অর্জন করতে পারি। তাই প্রকৃতিই সবচেয়ে বড় শিক্ষালয়, আর আমরা সবাই তার ছাত্র।
১০) স্বাধীনতা স্পর্শমণি সবাই ভালবাসে,..................... বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায় ভীরু স্বাধীনতার বলে।
সারমর্ম: স্বাধীনতা স্পর্শমণি, কারণ এটি মানুষের দুঃখে শান্তি প্রদান করে, মানুষের নির্জীব দেহে প্রাণ সঞ্চার করে। স্বাধীনতার কল্যাণে ভীরু মানুষও মনুষ্যত্বের ডাকে বুক ফুলিয়ে দণ্ডায়মান হয়।
এস এস সি পরীক্ষার্থীদের জন্য খুব শীঘ্রই আসছে কিছু রাইটিং পার্ট কালেকশন।
নার্সিং পড়ার যোগ্যতা | মাসে বেতন কত |
নার্সিং একটি মহৎ পেশার নাম। উচ্চ মাধ্যমিক পাশের পর অধিকাংশ মেয়েদেরই পছন্দের তালিকার শীর্ষে থাকে এই পেশাটি। কিন্তু নার্সিং পড়ার যোগ্যতা থাকা সত্যেও শুধুমাত্র সঠিক ধারণার অভাবে মহৎ এ পেশায় আসতে পারছে না। অথচ আমাদের দেশে প্রতিবছরই যোগ্য ও পেশাদার নার্সের চাহিদা বাড়ছে।
একজন নার্স চিকিৎসকের সহকারী হিসেবে রোগীর সেবা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরিচর্যার কাজ করে থাকেন। আপনি যদি আগে থেকেই একটি সেবামূলক পেশায় আসতে চান, তবে নার্সিং হতে পারে আপনার জন্য আকর্ষণীয় একটি পেশা। তবে এ পেশায় আসতে চাইলে শুরুতেই আপনার নার্সিং পড়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।
আমাদের দেশে অভিভাবকদের বেশিরভাগই সন্তানকে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার বানাতে চায়। কিন্তু দারুণ সম্ভাবনাময় নার্সিং পেশায় সন্তানকে পড়ানোর প্রবণতা তেমন একটা নেই। এর ফলে শিক্ষাজীবন শেষ করে মানবসেবার পাশাপাশি ভালো ক্যারিয়ারের যে দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে, তা অনেকেই গ্রহণ করতে পারছেন না।
নার্সিং বিষয়ে অনেকের স্পষ্ট ধারণাও নেই। তাই নার্সিং পড়ার যোগ্যতা, কোথায় পড়বেন নার্সিং, কাজের ধরন এবং নার্সের মাসিক আয়সহ কিভাবে আপনি মহৎ এ পেশায় ক্যারিয়ার গঠন করতে পারেন, সেই গুরত্বপূর্ণ তথ্যগুলোই থাকছে আজকের এই লেখায়। তাহলে চলুন, শুরু করি।
নার্সিং পড়ার যোগ্যতা
নার্সিং কোর্সে আবেদন করতে হলে আপনাকে দেশের যেকোনো শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম GPA 2.25 এবং এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম GPA 2.50 পেয়ে পাস হতে হবে।
সাধারণত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নার্স নিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকারের সেবা পরিদপ্তর। তাই নিয়োগ পাওয়ার জন্য আপনাকে বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল অনুমোদিত যেকোন সরকারি-বেসরকারি নার্সিং কলেজ বা নার্সিং ইন্সটিটিউট থেকে Diploma in Nursing বা BSc in Nursing কোর্স সম্পন্ন করতে হবে।উক্ত কোর্স সম্পন্ন করে যে কেউ নার্সিং পদের জন্য আবেদন করতে পারেন।
কোথায় পড়বেন নার্সিং?
বর্তমানে বাংলাদেশে ৭ টি সরকারি ও ২১ টি বেসরকারি নার্সিং কলেজ কলেজ রয়েছে। পাশাপাশি ৪৩ টি সরকারি ও ৭০ টি বেসরকারি নার্সিং ইনিস্টিটিউট রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে আপনি তিন বছর মেয়াদী Diploma in Nursing Science and Midwifery ও Diploma in Midwifery কোর্স করতে পারবেন। এছাড়াও এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে চার বছর মেয়াদী Bachelor of Science in Nursing পড়ানো হয়।
তবে কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও নার্সিং বিষয়ক ডিপ্লোমা কোর্স করানো হয়। এছাড়া অর্থোপেডিকস, সাইকিয়াট্রিক, পেডিয়াট্রিক, সিসিইউ, আইসিইউ ও কার্ডিয়াক নার্সিংসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর এক বছর মেয়াদী কোর্স চালু রয়েছে।
নার্সিংয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কোর্সের শেষে ছয় মাসের ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল আয়োজিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই আপনি একজন নার্সিংকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করতে পারবেন।
নার্সদের কাজের ধরন
নার্স মানে চিকিৎসক নয়। কিন্তু তারপরেও নার্সদের হাতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকে। একজন নার্স চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। যেমন রক্তচাপ মাপা এবং শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করা ইত্যাদি। আবার ডাক্তারের নির্দেশনা মোতাবেত রোগীকে সময়মত ও সঠিকভাবে ঔষধ খাওয়ানোও নার্সের কাজের মধ্যে পরে।
পাশাপাশি অপারেশনের আগে প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জামসহ Operation Theater প্রস্তুতের মত গুরুত্বপূর্ণ কাজ নার্সদের করতে হয়। এরপরে রোগীকে অপারেশন টেবিলে নিয়ে যাওয়া এবং অপারেশনের সময় ডাক্তারকে সাহায্য করা নার্সের দায়িত্ব। সবশেষে রোগীর সার্বিক পরিচর্যার করা স্বাস্থ্যের অগ্রগতি বা অবনতি সম্পর্কে ডাক্তারকে নিয়মিত জানানো নার্সদের নিয়মিত কাজের অন্তর্ভুক্ত।
নার্সদের কর্মক্ষেত্র
সরকারী-বেসরকারী উভয় সেক্টরে নার্সদের কর্মক্ষেত্র প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। তবে সরকারী নার্সদের কাজের ক্ষেত্র কিছুটা বিস্তৃত। সরকারী নার্সরা সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এবং আইনশৃঙ্খলা ও সামরিক বাহিনীর চিকিৎসা বিভাগে দায়িত্ব পেয়ে থাকেন।পাশাপাশি দেশের জরুরী প্রয়োজনে আকষ্মিক কোন দুর্যোগ মোকাবিলায়ও সরকারী নার্সদের দায়িত্ব দেয়া হয়।
অপরদিকে বেসরকারী নার্সরা সাধারণত বেসরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এবং ব্যক্তিগত ক্লিনিকে কাজ করে থাকেন। তবে নার্সদের কাজেরও বেশকিছু পদ রয়েছে। কাজের ক্ষেত্র ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আপনি অ্যাসিস্ট্যান্ট নার্স, স্টাফ নার্স, ওটি সিস্টার বা নার্সিং সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
আবার অনেকে নার্সিং কলেজে ইন্সট্রাক্টর বা ডেমোনস্ট্রেটর ইনচার্জ হিসেবেও নিয়োগ পেয়ে থাকেন। এছাড়া ভালো দক্ষতা থাকলে নার্সিং অধিদপ্তরে প্রজেক্ট অফিসার বা সহকারী পরিচালক পদেও কাজ করতে পারেন।
একজন নার্সের মাসিক আয়
নার্স হিসেবে ক্যারিয়ারের শুরুতে আপনি অ্যাসিস্ট্যান্ট নার্স বা ওটি সিস্টার হিসেবে সরকারি হাসপাতালে যোগ দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সরকারি বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী সম্ভাব্য গড় বেতন ৮,০০০ টাকা – ১৬,৫৪০ টাকা মাসিক বেতন পাবেন। অপরদিকে বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে সাধারণত ১৪,০০০ টাকা থেকে বেতন নার্সদের বেতন শুরু হয়। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে এর পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।
শেষ কথা
আমাদের দেশে প্রয়োজনের তুলনায় যোগ্য নার্সের সংখ্যা এখনো কম। কারণ অধিকাংশ মেধাবী মেয়েরা নার্সিং পড়ার যোগ্যতা থাকা সত্যেও শুধুমাত্র সঠিক ধারণার অভাবে মহৎ এ পেশায় আসতে পারছে না। তাই আমরা আশা করছি এই লেখার মাধ্যমে আপনি নার্সিংয়ে পড়ার যাবতীয় তথ্য জেনে গেছেন।
দেশে এখন প্রায় সব জেলা-উপজেলা শহরগুলোতেই সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। এর ফলে ক্রমাগত বেড়ে চলছে হাসপাতালের সংখ্যা। আর এসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছরই প্রচুর সংখ্যক নার্সের প্রয়োজন হয়। তাই চাইলে এ পেশায় আসতে পারেন আপনিও।
তবে শুধু দেশেই নয়, বর্হিবিশ্বে দক্ষ ও অভিজ্ঞ নার্সের চাহিদা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। মধ্যপ্রাচ্য, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ বিশ্বের বেশকিছু উন্নত দেশে বাংলাদেশের পেশাদার নার্সরা সুনামের সাথে কাজ করছেন। তাই মানব সেবাধর্মী এ পেশায় যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আপনিও অর্জন করতে পারেন সামাজিক মর্যাদা ও ভালো আয়ের সুযোগ।
14/07/2023
সাদা, নীল আর সবুজের খেলা ❤️❤️❤️
07/02/2023
from fb
02/02/2023
A mouse was put at the top of a jar filled with grains. He was too happy to find so much food around him. Now he doesn’t need to run around searching for food and can happily lead his life. As he enjoyed the grains, in a few days’ time, he reached the bottom of the jar. Now he is trapped and he cannot come out of it. He has to solely depend upon someone to put grains in the same jar for him to survive. He may even not get the grain of his choice and he cannot choose either.
Here are Four lessons to learn from this:
1) Short term pleasures can lead to long-term traps.
2) If things are coming easy and you are getting comfortable, you are getting trapped into survival mode.
3) When you are not using your skills, you will lose more than your skills. You lose your CHOICES.
4) The right Action has to be taken at the right time, or else you will lose whatever you have.
This story is from the book;
– Top 100 Motivational Stories: Inspiration for Life's Journey.