Govt. Laboratory High School, Khulna

Govt. Laboratory High School, Khulna

Share

Millions of memories in my school touch my heart till today, will keep touching till death. Even to

Photos from Govt. Laboratory High School, Khulna's post 05/05/2026

Batch 1997

20/03/2026

আমরা গভীর দুঃখের সহিত জানাচ্ছি যে গভঃ ল্যাবটারি হাই স্কুল খুলনা এর সাবেক শিক্ষক জনাব আবুল কালাম আজাদ স্যার আজ ইন্তেকাল করেছেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
মরহুমের নামাজে জানাজা বাদ জুম্মা উনার নিজ এলাকায় সাহাপুররে মধ্যগ্রাম কলেজের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

Photos from Govt. Laboratory High School, Khulna's post 19/03/2026
11/05/2024

"এ যুগ সে যুগ "

মুসলমানদের অভাবনীয় ভোগবিলাস, ধনসম্পদের অপচয়!
গাড়ি-বাড়ি, দামি গহনা এবং নানান শখ-আহ্লাদের জীবনযাপনকে যদি বিলাসী জীবন বলা হয়ে থাকে, সেদিক থেকে দুবাইয়ের শেখরা বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। তাদের বিলাসিতা এমন পর্যায়ের যে রাজা-বাদশাহরা পর্যন্ত এমন জীবন কল্পনাও করতে পারেন না।
সাগরের বুকে তৈরি দুবাইয়ের পাম জুমেইরাহ বিশ্বব্যাপী বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। সাগরের বুকে তৈরি দুবাইয়ের পাম জুমেইরাহ বিশ্বব্যাপী বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে।
আলো ঝলমলে আকাশচুম্বী সব অট্টালিকায় তাদের বসবাস। সোনার তৈরি গাড়িতে চড়েন তারা। তাদের খাবার-দাবারও যেন সোনার তৈরি। তাদের নিত্যনতুন শখ, সাধ আর আহ্লাদ দেখে যে কারো চোখ কপালে উঠতে বাধ্য!

মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর অন্যতম সংযুক্ত আরব আমিরাত। আর দেশটির সাত রাজ্যের একটি এ দুবাই। রাজ্য ও রাজধানীর নাম একই।

বিশ্বের কাছে দুবাই যেন এক স্বপ্নপুরী! বিলাসে ও আভিজাত্যে অতুলনীয়। আকাশচুম্বী অট্টালিকা, বিলাসবহুল হোটেল-শপিংমল, অত্যাধুনিক সব স্থাপত্য আর রাতের চোখ ধাঁধানো রঙিন আলোকরশ্মি যে কাউকেই মুগ্ধ করে।

সর্বোচ্চ ৮৩০ মিটার উঁচু বুর্জ খলিফার মতো বড় বড় অট্টালিকা, তার পা ছুঁয়ে কলকল রবে বহমান সুদৃশ্য ঝরনা ‘দুবাই ফাউন্টেন’, সাগরপাড়ের কৃত্রিম দ্বীপপুঞ্জ ও সর্বোপরি সংগীতের সুরের সঙ্গে নৃত্যরত চোখ ধাঁধানো রঙিন আলোকরশ্মি মানুষকে চুম্বকের মতো টানে। আর এসব কারণে দুবাই পর্যটক ভ্রমণপ্রিয়দের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে।

অথচ ;ইসলামের স্বর্ণযুগে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের পাশের নগরী হিমস। এই নগরে যাকেই গভর্নর করা হউক না কেন, নাগরিকদের অভিযোগের অন্ত থাকে না! কিছুদিনের মধ্যেই খলিফার কাছে তারা আবেদন জানায়ঃ এই লোকের চেয়ে ভালো একজন গভর্নর নিয়োগ দিন!

বিরক্ত খলিফা হযরত ওমর ফারুক রাঃ হন্যে হয়ে একজন যোগ্য গভর্নর খুজঁতে শুরু করলেন। কে আছে এমন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতেই পারে না?

উমাইর ইবনে সাদ রাঃ নিয়োগ পেলেন হিমস নগরীর গভর্নর পদে। তখন তিনি শাম দেশে নিয়োজিত ছিলেন জিহাদের সেনাপতি হিসেবে। তিনি ছিলেন মহানবী সাঃ এর স্নেহধন্য একজন সাহাবী। আদেশ পেয়েই ছুটলেন নতুন কর্মস্থলে...

এক বছর হয়ে গেলো এরমধ্যে হিমস থেকে কোন অভিযোগ এলো না! গভর্নর কোন চিঠিও লিখলেন না খলিফাকে আবার কোন রাজস্বও এলো না!

আশ্চর্যান্বিত খলিফা জরুরী পত্র দিয়ে ডেকে পাঠালেন গভর্নর উমাইর ইবনে সাদ রাঃ কে।

পত্র পাওয়া মাত্র তৈরী হয়ে গেলেন! নিত্য ব্যবহারের ব্যাগে ওজুর পাত্র আর খাবারের প্লেট ঢুকিয়ে হাঁটা শুরু করেন মদিনার দিকে।

ইতিমধ্যে চুল দাড়ি বড় হয়ে গেলো মদিনায় পৌছাতে গিয়ে! অবিরাম পথ চলায় ক্লান্ত শ্রান্ত এই বিধ্বস্ত গভর্নর কে দেখে খলিফা তাকে বসতে দিয়ে জানতে চাইলেনঃ

: এই অবস্থা কেন তোমার?
: কই আমার তো কিছুই হয় নি। আমি বেশ আছি। বরং সাথে নিয়ে এসেছি আমার গোটা দুনিয়া।

: কি আছে তোমার দুনিয়ায়?
: আমার ব্যাগে আছে পানি পান ও ওজু করার জন্য পাত্র, গোসলের বালতি, খাবার প্লেট আর পানির মশক। এটাই আমার দুনিয়া। এই কটা দ্রব্য ছাড়া আর কিছুর প্রয়োজন আছে বলে আমি অন্তত মনে করি না।

: তুমি কি হেঁটে এসেছো?
: জ্বী, আমিরুল মোমেনিন।

: প্রশাসনের পক্ষ থেকে কি তোমাকে ঘোড়া দেয়া হয়নি?
: বর্তমান প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেয়া হয়নি আর আমিও চাই নি।

: বাইতুল মালের রাজস্ব পাঠাওনি কেন?
: যারা বিভিন্ন এলাকা থেকে কর নিয়ে আসতো, তাদের সাথে কথা বলে সেই অঞ্চলের অভাব অভিযোগ এবং অতি দরিদ্রদের তালিকা করে সেখানেই তাদের সাহায্য ও অঞ্চলসমূহের উন্নয়ননের জন্য খরচ করেছি। রাজধানীতে পাঠানোর মতো অবশিষ্ট থাকলে আমি নিশ্চয়ই পাঠিয়ে দিতাম।

স্থানীয় পর্যায়ে রাজস্বের যথাযথ ব্যবহারের নতুন পদ্ধতি জেনে খলিফা ভীষণ খুশি হলেন এবং তাকে পুনরায় স্বপদে যোগ দিতে বললেন। কিন্ত উমাইর ইবনে সাদ রাঃ বিনয়ের সাথে গভর্নর পদ ফিরিয়ে দিয়ে মদিনা উপকন্ঠে নিজের পরিবারের সাথে বসবাস করতে চাইলেন। খলিফা সেই আবেদন মঞ্জুর কররেল।

খলিফা ওমর ফারুক রাঃ কিছুদিন পর উমাইর ইবনে সাদ রাঃ এর প্রকৃত অবস্থা যাচাই করার জন্য রাষ্ট্রের বিশ্বস্ত একজন গোয়েন্দা হারেস কে পাঠালেন। ১০০ দিনারের এক‌টি থলে দিয়ে বললেনঃ যদি তার আর্থিক অবস্থা সত্যিই শোচনীয় হয় তবে নিজের পরিচয় জানিয়ে আমার সালাম দিয়ে এই থলেটি তাকে উপহার দিয়ে এসো।

খলিফার গোয়েন্দা স্থানীয় লোকজনের সাহায্যে একদিন পৌঁছে গেলেন উমাইর ইবনে সাদ রাঃ এর দরোজায়। পরিচয় গোপন করে মুসাফির হয়ে তার আতিথ্য প্রার্থনা করলেন। উমাইর ইবনে সাদ রাঃ ছদ্দবেশী গোয়েন্দাকে সাদরে বরণ করে নিলেন আর তিন দিন রাতে খেতে দিলেন শুধু এক‌টি করে পাতলা যবের রুটি!

চতুর্থ দিন একজন প্রতিবেশী সেই গোয়েন্দা হারেস কে নিজের বাড়িতে আতিথেয়তা গ্রহণের অনুরোধ জানালেন। হারেস কৌতুহলের বশে জানতে চাইলে বললেনঃ আপনার উপস্থিতিতে উমাইর ইবনে সাদ রাঃ ভীষণ বিপদে পড়ে গেছেন। আপনাকে আপ্যায়ন করতে গিয়ে উনি সস্ত্রীক গত তিনদিন শুধু পানি খেয়ে আছেন, তা না হলে তারা প্রতি রাতে এক‌টি পাতলা যবের রুটি ভাগ করে খেতেন...

গোয়েন্দা হারেস অবশেষে নিজের পরিচয় জানিয়ে খলিফা ওমর রাঃ র পক্ষ থেকে সালাম সহ সেই থলে তার হাতে তুলে দিলেন। উমাইর ইবনে সাদ রাঃ বিনয়ের সাথে সেই উপহার ফিরিয়ে দিতে চাইলে সব শুনে ভেতর থেকে উনার স্ত্রী বললেনঃ উপহার ফিরিয়ে দিবেন না। বরং এই অঞ্চলে যারা দরিদ্র তাদের মধ্যে ভাগ করে দিন। স্বামী স্ত্রী দুই চোখ এক করলেন না সেই অর্থ বিতরন শেষ না হওয়া পর্যন্ত।

গোয়েন্দা হারেস খলিফার কাছে তুলে ধরলেন তার অভিজ্ঞতা। খলিফা আবার ডেকে পাঠালেন উমাইর ইবনে সাদ রাঃ কে। তিনিও কালবিলম্ব না করে ছুটলেন খলিফার দরবারে...

খলিফা তাকে কাছে বসিয়ে জানতে চাইলেনঃ

: আমার পাঠানো দিনারগুলো দিয়ে কি করেছো?
: মুদ্রাগুলো যখন আমাকে দিয়েই দিয়েছেন, তখন আর জেনে কি হবে?

: আমি অনুরোধ করছি, বলো কি করেছো?
: নিজের (সম্ভবত আখেরাত বোঝাতে চেয়েছেন) জন্য সঞ্চয় করে রেখেছি, যেদিন সন্তান ও সম্পদ কোন কাজে আসবে না...

হযরত ওমর ফারুক রাঃ কাঁদতে কাঁদতে বললেনঃ আমি ঘোষণা দিচ্ছি যে তুমি সেইসকল মহান ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত, যারা নিজেরা অভাবী হওয়া সত্বেও অন্যদের নিজেদের উপর প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

তিনি উমাইর ইবনে সাদ রাঃ কে ৬০ সা ( এক সা হলো তিন কেজি তিনশত গ্রাম) খাবার আর এক জোড়া পোশাক উপহার দিলেন।

উমাইর ইবনে সাদ রাঃ খাবার ফিরিয়ে দিলেন প্রয়োজন নেই জানিয়ে! তবে এক‌টি পোশাক গ্রহণ করলেন এই বলেঃ আমার স্ত্রীর জন্য নিচ্ছি, কারণ তার পোশাক ছিঁড়ে বিবস্ত্র প্রায়...

::হে আল্লাহ তুমি কোন পরীক্ষায় রেখেছ আমায়! অর্থের ঝনঝনানিতে নিজেকে মানুষ মনে করতে পারছি কি?
আশ্চর্য হয়ে ভাবছি, এ কোন ভোগ বিলাসের জীবন আমার?
একজন উমাইর ইবনে সাদ রাঃ র জীবনী আমাকে লজ্জিত করে তুলেছে এই দিনে।

12/04/2024

১) সকাল ১০ টায়ঃ রেজিস্ট্রিশন ও অতিথি আগমন।
২) সকাল ১০:৩০ টায়ঃ কোরআন তেলাওয়াত ,গীতাপাঠ ও জাতীয় পতকা উত্তোলন।
৩) সকাল ১০:৪৫ টায়ঃ স্বাগত বক্তব্য সাধারণ সম্পাদক ও অতিথি আসন গ্রহণ।
৫) সকাল ১০:৫০ টায়ঃ বিশেষ অতিথি ও সম্মানিত অতিথির বক্তব্য।
৬) সকাল ১১:০০ টায়ঃ প্রধান অতিথি বক্তব্য ও উদ্বোধন।
৭) দুপর ও সন্ধ্যায় পর্যন্ত চলমান কার্যক্রম।
৮) সন্ধা ৭ টায়: সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দ আয়োজন।
৯) রাত ১০ টায়: সমাপনি।

12/04/2024

সকাল ৯.৩০ মি: এন্টি,সকাল ১০.৩০ মি: উদ্ভোধনী অনুস্ঠান। বিস্তারিত পরে আপডেট দেওয়া হবে।

12/04/2024

আগামীকাল পুনর্মিলনী অনুন্ঠানে পুরুষদের ড্রেস কোড পান্জাবী যেকোন রং। সকল গ্রুপে সকল কে জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।

Photos from Govt. Laboratory High School, Khulna's post 10/04/2024

ঈদের চাঁদ!

09/04/2024
Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Telegati, KUET
Khulna
9203