07/11/2025
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ আর ত্বরান্বিত হচ্ছে না, বরং ইতিমধ্যেই এটি ধীর হতে শুরু করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়নসেই ইউনিভার্সিটির গবেষকদের এই নতুন দাবি খোদ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী তত্ত্বকেই চ্যালেঞ্জ করে বসেছে।
১৯৯৮ সালের সেই নোবেলজয়ী আবিষ্কারটি দাঁড়িয়ে ছিল মূলত এক বিশেষ ধরনের নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ওপর, যাকে বলে ‘টাইপ ওয়ান এ’ সুপারনোভা। এই সুপারনোভাগুলোকে বিজ্ঞানীরা ‘স্ট্যান্ডার্ড ক্যান্ডেল’ হিসেবে ব্যবহার করেন।
ধারণা করা হতো, এই বিশেষ বিস্ফোরণগুলো সব সময় ঠিক একই পরিমাণ উজ্জ্বল হয়। তাই দূর মহাকাশে যখন এমন কোনো বিস্ফোরণ দেখা যায়, তখন সেটি পৃথিবী থেকে যত বেশি অনুজ্জ্বল দেখায়, বুঝতে হবে সেটি তত বেশি দূরে। এই হিসাব কষেই বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে এসেছিলেন যে, দূরের গ্যালাক্সিগুলো প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতবেগে সরে যাচ্ছে।
তবে কোরিয়ান গবেষকরা বলছেন, ওই 'স্ট্যান্ডার্ড ক্যান্ডেল' ধারণাটি পুরোপুরি ঠিক নয়। তাদের মতে, একটি সুপারনোভার উজ্জ্বলতা কেমন হবে তা নির্ভর করে এর উৎস নক্ষত্র বা গ্যালাক্সিটির বয়সের ওপর। সহজ কথায়, একটি তরুণ গ্যালাক্সিতে ঘটা সুপারনোভার উজ্জ্বলতা আর একটি প্রাচীন, বুড়ো গ্যালাক্সিতে ঘটা সুপারনোভার উজ্জ্বলতা একরকম নয়।
আগের গণনাগুলোতে এই বয়সের পার্থক্য হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি। আর যখনই ইয়নসেই ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এই 'বয়স-সংক্রান্ত বায়াস’ সংশোধন করে নতুন করে হিসাব কষলেন, তখনই চিত্রটা গেল পাল্টে। দেখা যায় তথ্য-উপাত্ত আসলে ত্বরান্বিত মহাবিশ্বকে নয়, বরং একটি ধীরগতির মহাবিশ্বকেই সমর্থন করছে।
মহাবিশ্বের ওই ত্বরণের ব্যাখ্যা দিতেই বিজ্ঞানীরা 'ডার্ক এনার্জির’ ধারণা এনেছিলেন। ভাবা হতো, ডার্ক এনার্জি মহাকর্ষের বিপরীতে কাজ করে মহাবিশ্বকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। তাছাড়া, সাম্প্রতিক আরও কিছু গবেষণাও ডার্ক এনার্জির দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিল, যা এই নতুন তত্ত্বকে সমর্থন জোগাচ্ছে।
যদি এটা সত্যি হয়, তবে এর অর্থ হলো মহাকর্ষ অবশেষে ডার্ক এনার্জির ওপর জয়ী হতে শুরু করেছে। এর ফলে মহাবিশ্বের চূড়ান্ত পরিণতি 'বিগ ফ্রিজ' না হয়ে, বরং 'বিগ ক্রাঞ্চ' বা মহা-সংকোচনের দিকে যেতে পারে। অনেকটা বিগ ব্যাং এর রিভার্স বাটন চাপার মতো! (বিজ্ঞান্বেষী)
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, স্পেস ডট কম
22/05/2025
প্রশান্ত মহাসাগরের ক্ল্যারিওন-ক্লিপারটন জোন (CCZ)-এর প্রায় ৪ কিলোমিটার নিচে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন এক রহস্যময় অস্তিত্ব। তারা একে বলছেন “ডার্ক অক্সিজেন”, অর্থাৎ এমন অক্সিজেন, যা তৈরি হচ্ছে সূর্যালোক ছাড়া!
আমরা এতদিন জেনেছি, অক্সিজেন আসে ফটোসিনথেসিসের (সালোকসংশ্লেষণ) মাধ্যমে, সূর্যের আলো আর উদ্ভিদের মেলবন্ধনে। কিন্তু এই আবিষ্কার সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। এখানে সূর্য নেই, গাছ নেই, তবুও অক্সিজেন তৈরি হচ্ছে। গবেষকরা দেখেছেন, এই অক্সিজেন উৎপন্ন হচ্ছে সমুদ্রের তলদেশে থাকা পলিমেটালিক নোডিউলস নামের খনিজ পাথরগুলো থেকে। এগুলোর মধ্যে থাকে নিকেল, কোবাল্ট প্রভৃতি ধাতু, আর সেগুলো আচরণ করছে ভূ-ব্যাটারির মতো। এসব নোডিউল থেকে তৈরি হয় প্রাকৃতিক বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ (প্রায় ০.৯৫ ভোল্ট), যা সমুদ্রের পানিকে বিভক্ত করে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনে।
এই অক্সিজেন ফটোসিনথেসিস ছাড়াই টিকে থাকা জীবদের জন্য হতে পারে জীবনের শক্তি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, পৃথিবীতে জীবন কি কেবল আলো থেকেই শুরু হয়েছিল, নাকি অন্ধকারের নিচেও চলছিল এক গোপন প্রস্তুতি? তবে, এই চমকপ্রদ আবিষ্কারের সঙ্গে এসেছে উদ্বেগও। CCZ অঞ্চলটি বর্তমানে গভীর সমুদ্র খননের লক্ষ্যবস্তু, যেখান থেকে ধাতু উত্তোলনের পরিকল্পনা চলছে। কিন্তু যদি এই অঞ্চল জীবনের আদিরূপ ও অক্সিজেন উৎপাদনের অজানা উৎস হয়, তাহলে মানব হস্তক্ষেপের প্রভাব হতে পারে ভয়াবহ।
Collected from ইতিহাসের গল্প
18/05/2025
A Galactic Year = 230 Million Earth Years 💫
28/03/2025
২০২৫ সালে প্রায় ১০,০০০ স্যাটেলাইট পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে!
কমিউনিকেশন এবং ইন্টারনেট সংযোগে স্যাটেলাইট হলো প্রযুক্তির সর্বোচ্চ চূড়া। গ্রহের আনাচে-কানাচে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে প্রতিনিয়ত অসংখ্য স্যাটেলাইট অরবিটে পাঠানো হচ্ছে।
এই স্যাটেলাইট ক্রাউডের কিছু সমস্যাও আছে। নষ্ট স্যাটেলাইটের টুকরো বা ধ্বংসাবশেষ মহাকাশে জমছে, যা নতুন স্যাটেলাইটের জন্য বিপজ্জনক। দুটো স্যাটেলাইট যখন ধাক্কা খায়, অত্যন্ত উচ্চগতির ধ্বংসাবশেষ তৈরি হয়। যেগুলো অন্যান্য স্যাটেলাইটের ক্ষতি করতে পারে। খুবই ছোটো, মাত্র কয়েক মিলিমিটার সাইজের একটা টুকরোও প্রচণ্ড বেগে অরবিটে ঘুরতে পারে। এগুলো জিপিএস, ওয়েদার, প্রতিরক্ষা, ব্যাংক লেনদেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে পাঠানো স্যাটেলাইটের কাজ বন্ধ করে দিতে পারে। পৃথিবীর 'লো আর্থ অরবিট' এখন সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষের ঝুঁকিতে রয়েছে।
অথচ এখনও পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী কোনো কঠোর আইন বা নীতিমালা নেই, যা মহাকাশের এই বাড়তি ভিড় ও ঝুঁকি কমানোর জন্য কাজ করবে। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।
25/02/2025
It’s truly amazing! 😮 The two islands—Big Diomede (Tomorrow Island, Russia) and Little Diomede (Yesterday Island, USA)—are only about three miles (4.8 km) apart but lie on opposite sides of the International Date Line. Because of this, there is a 21-hour time difference between them, meaning they are almost a full day apart!
You can see one island from the other, and in winter, when the sea freezes, you could even walk across the ice—from today to yesterday or vice versa! Standing on one island, you are literally looking at yesterday or tomorrow, just a few miles away.