Saim Sakib

Saim Sakib

Share

বিশ্ব জমিনের তত্ত্ব বলি! Recent and International Issues | Geopolitics

YouTube Channel : https://www.youtube.com/@SaimSakib

15/05/2026

"Bella Ciao" গানটি অনেকেই হয়তো 'Money Heist' দেখে গানটা চিনেছেন, কিন্তু এর ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৯শ শতাব্দীর শেষের দিকে ইতালির ধানক্ষেতের নারী শ্রমিকদের হাত ধরে। হাড়ভাঙ্গা খাটুনি আর সামান্য মজুরির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে তারা এই সুর তুলেছিলেন।

পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইতালির প্রতিরোধ যোদ্ধারা (Partisans) যখন নাৎসি আর মুসোলিনির ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করছিল, তখন তারা গানের কথাগুলো বদলে দেয়।

এই গানের লিরিকসের অর্থগুলো কিছুটা এমন - একদিন সকালে আমি ঘুম থেকে উঠে দেখলাম দখলদাররা আমার দেশে ঢুকে পড়েছে এবং যদি আমি একজন প্রতিবাদী (Partisan) হিসেবে মারা যাই, তবে আমাকে পাহাড়ে একটি সুন্দর ফুলের নিচে কবর দিও। এছাড়াও ইতালীয় শব্দ পার্তিসানস বলতে সকল প্রতিবাদীদের বোঝানো হয় বর্তমান সময়ে।

এভাবেই গানটি হয়ে ওঠে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান হাতিয়ার। আজকের দিনে "Bella Ciao" মানেই হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা।

আর একটু ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো স্বৈরাচার বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান যেমন - রুশ বিপ্লবের সেই সময় 'স্বৈরাচার নিপাত যাক!' এমন স্লোগানগুলো এসেছিলো সেদিন রাশিয়ার রাস্তায় খাবার না পেয়ে একটু রুটি হাতে নারীদের থেকেই!

© সাঈম সাকিব

03/05/2026

Gulf to Turkiye কি সমুদ্র পথের বিকল্পরুট হয়ে উঠবে?

পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে তুরস্ক তথা ইউরোপের সরাসরি রেল যোগাযোগ এখন আর কেবল স্বপ্ন নয়, বরং দ্রুত বাস্তবায়নের পথে থাকা এক বিশাল ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন। বর্তমানে এই সংযোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে ইরাক ও তুরস্কের যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া ১,৭০০ কোটি ডলারের ‘ডেভেলপমেন্ট রোড’ প্রজেক্টকে। এই প্রকল্পের আওতায় ইরাকের আল-ফাও বন্দর থেকে শুরু করে বাগদাদ ও মোসুল হয়ে তুরস্ক সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ১,২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ রেল ও সড়কপথ নির্মিত হচ্ছে। ২০২৪ সালে ইরাক, তুরস্ক, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে হওয়া ঐতিহাসিক চুক্তির পর এই প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং ২০২৮ থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে এর প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি সৌদি আরবও জর্ডান হয়ে তুরস্কের সাথে সরাসরি রেল সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে এগোচ্ছে।

যদিও সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এই রুটে কিছুটা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে, তবুও ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী সৌদি আরব ও তুরস্ক এই রুটের আধুনিকায়ন এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ পুনরায় শুরু করেছে।

অন্যদিকে, জিসিসি (GCC) দেশগুলোর নিজস্ব রেল নেটওয়ার্ক বা ‘জিসিসি রেলওয়ে’ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা সংযুক্ত আরব আমিরাত বা কাতার থেকে পণ্য সরাসরি সৌদি আরব হয়ে তুরস্কের দিকে পৌঁছে দেওয়ার পথ সুগম করবে।
এই রেললাইনের সম্ভাবনা এখন অনেক বেশি শক্তিশালী হওয়ার প্রধান কারণ হলো এর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব।

সুয়েজ খালের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পারস্য উপসাগর থেকে ইউরোপে পণ্য পৌঁছানোর সময় ও খরচ উভয়ই এই রেল সংযোগের মাধ্যমে নাটকীয়ভাবে কমে আসবে।
বর্তমানে ইরাক রুটটি যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে আগামী ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে তুরস্কে ট্রেন চলাচলের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

এটি সফল হলে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বাণিজ্যিক সম্পর্কে এক নতুন যুগের সূচনা হবে এবং বিশ্ব বাণিজ্যের মানচিত্রে এই করিডোরটি একটি গেম-চেঞ্জার হিসেবে আবির্ভূত হবে।

02/05/2026

মে দিবসের ইতিহাস : ১লা মে শ্রমিক দিবস

29/04/2026

ইতিহাস আমাদের পথ দেখায়, কিন্তু সেই পথে কীভাবে হাঁটতে হবে এবং কোন মোড়ে থামতে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের নিজেদের বিবেচনাবোধের ওপর। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হয় বুদ্ধি দিয়ে, অন্ধ অনুকরণ করে নয়।

হেনরি কিসিঞ্জারের এই উক্তিটি মূলত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার সঠিক পদ্ধতি নিয়ে বলেছিলেন। তার মতে, ইতিহাস আমাদের ভবিষ্যতের জন্য কোনো তৈরি সমাধান বা সরাসরি কোনো ‘রেসিপি’ দেয় না। অর্থাৎ, অতীতে কোনো একটি কাজে সফল হওয়া মানেই যে বর্তমানের একই ধরনের কাজে ওই একই পদ্ধতি কাজ করবে, বিষয়টি তেমন নয়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশে খুবই মানানসই এই কথাগুলো....

04/03/2026

"কেন ইরানকে এই যুদ্ধে হারানো অসম্ভব" আসুন জেনে নেয়া যাক!

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেবল প্রচলিত যুদ্ধবিদ্যার মাপকাঠিতে পরিমাপ করলে এক বিশাল কৌশলগত ভ্রান্তি থেকে যায়। ইরানের বর্তমান অবস্থানকে বুঝতে হলে আমাদের ফিরে তাকাতে হবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামুয়েল পি. হান্টিংটনের 'Clash of Civilizations' বা সভ্যতার সংঘাত তত্ত্বের গভীরে।
ইরান কোনো সাময়িক রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং একটি সুপ্রাচীন 'Civilizational State' বা সভ্যতাকেন্দ্রিক রাষ্ট্র। পশ্চিমা সামরিক বিশ্লেষকরা যখন 'Decapitation Strike' বা শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যার মাধ্যমে কোনো রাষ্ট্রকে পতনের স্বপ্ন দেখেন, তারা ভুলে যান যে ইরানের শক্তি কোনো একক ব্যক্তির ওপর নয়, বরং ৫,০০০ বছরের এক গভীর শিকড়যুক্ত জাতীয়তাবাদের ওপর দাঁড়িয়ে।

বর্তমান সংঘাতে ইরান যে 'War of Survival' বা অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের ডাক দিয়েছে, তা তাদের সাধারণ সামরিক কৌশল থেকে সরিয়ে এক অভাবনীয় ‘টোটাল ওয়ার’ বা সর্বাত্মক যুদ্ধের ডকট্রিনে নিয়ে গেছে। এখানে ধর্মীয় বিভাজন ছাপিয়ে ইরানি জাতীয়তাবাদ একীভূত হয়েছে, যা রিলাইজম বা বাস্তববাদ তত্ত্বের সেই অমোঘ সত্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়—যখন জাতীয় অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে, তখন অভ্যন্তরীণ বিভেদ বিলীন হয়ে এক অপরাজেয় শক্তির জন্ম হয়।

​সামরিক ডকট্রিনের বিচারে ইরান এখন 'Linear Warfare' বা রৈখিক যুদ্ধের ধারণা ত্যাগ করে 'Asymmetric Networked Warfare' বা অসমতাত্ত্বিক নেটওয়ার্ক যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। পশ্চিমা সামরিক দর্শনে দীর্ঘকাল ধরে 'Unity of Command' বা একক কমান্ড ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হলেও ইরান অত্যন্ত সুকৌশলে 'Unity of Effort' বা সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকেন্দ্রীকরণ ঘটিয়েছে। এই ডকট্রিনের ফলে যুদ্ধের ময়দান ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বায়ত্তশাসিত ইউনিটে বিভক্ত, যেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতেও মাঠপর্যায়ের কমান্ডাররা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। এটি এমন এক 'Hybrid Warfare' বা সংকর যুদ্ধপদ্ধতি যা প্রচলিত কোনো সামরিক বাহিনীর পক্ষে মোকাবিলা করা দুঃসাধ্য।

ভৌগোলিক কৌশলের ক্ষেত্রে ইরান এখন 'Anti-Access/Area Denial' (A2/AD) ডকট্রিন প্রয়োগ করছে। তারা কেবল হরমুজ প্রণালী নয়, লোহিত সাগর থেকে শুরু করে পশ্চিম ভারত মহাসাগর পর্যন্ত এক বিশাল 'Kill Zone' বা মরণফাঁদ তৈরি করেছে। এর ফলে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রথাগত আধিপত্য বা 'Command of the Sea' নীতি আজ অকেজো হওয়ার উপক্রম হয়েছে, কারণ ইরানের দূরপাল্লার প্রিসিশন মিসাইল ও ড্রোন প্রযুক্তি সমুদ্রের বিশাল দূরত্বকেও তাদের আওতার মধ্যে নিয়ে এসেছে।

​প্রযুক্তিগত যুদ্ধের ময়দানে ইরান এখন 'Technological Sovereignty' বা প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্বের এক নতুন উচ্চতায় আসীন। দীর্ঘদিনের মার্কিন অবরোধ তাদের নিজস্ব উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে শাণিত করেছে, যার ফলশ্রুতিতে তারা জিপিএস (GPS) এর মতো পশ্চিমা প্রযুক্তির মায়া ত্যাগ করে চীনের 'BeiDou-3' নেভিগেশন সিস্টেম গ্রহণ করেছে। এই কৌশলগত স্থানান্তর কেবল নির্ভরতা কমানো নয়, বরং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারে ইরানকে এক বিশাল সুবিধা প্রদান করেছে। শত্রুপক্ষের সিগন্যাল নকল করা বা জ্যামিং উপেক্ষা করে ড্রোন পরিচালনা করার ক্ষমতা ইরানকে ২১ শতকের 'Information Warfare' বা তথ্যযুদ্ধের অগ্রভাগে বসিয়ে দিয়েছে।
এর বিপরীতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং আমেরিকার ২০ শতকের সেকেলে যুদ্ধপদ্ধতির ব্যর্থতা আজ প্রকট। বৈশ্বিক মেরুকরণের নতুন সমীকরণে চীন ও রাশিয়ার মতো পরাশক্তির সরাসরি সমর্থন এবং উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত সংহতি ইরানকে একটি বিশাল ব্লকের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। ফলে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইরানকে পরাজিত করার চিন্তা কেবল আকাশকুসুম কল্পনা নয় বরং এটি একটি কৌশলগত অসম্ভবতা, কারণ ইরান আজ তার প্রাচীন ঐতিহ্য, আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিশ্বস্ত মিত্রদের সমন্বয়ে এক দুর্ভেদ্য মহাপ্রাচীর গড়ে তুলেছে।

#ইরান

24/02/2026

পরবর্তী পারমানবিক বোমা কোথায় নিক্ষেপ করা হবে?💣

22/02/2026

যুদ্ধের উত্তেজনা কমিয়ে আনার এক অদ্ভুত রণনীতি🎯

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Khulna University
Khulna
9208