Sajjad Mahmud

Sajjad Mahmud

Share

IT, ICT, IICT, AI, Education. Lecturer ICT
Lions School & College, Khulna.

08/07/2024

যা কাজ পাও তাই করো
চাকরি, ব্যবসা, অফিসিয়াল, নন অফিসিয়াল,সেলস ম্যান, সেলস অফিসার, মার্কেটিং অফিসার, ফ্লোর ইনচার্জ, সার্বেয়ার, স্টোর কীপার, ফিল্ড অফিসার, কালেকশান অফিসার, গার্মেন্টসের কিউসি,টীম মেম্বার থেকে শুরু করে সব কাজ। চাকরি দরকার, চেয়ার না।

কাজ করলে গা ভেঙ্গে যায়না। ইজ্জত ও যায়না। যাদের লজ্জার ভয়ে তুমি এসব কাজ ছোট করে দেখছো, তারা তুমি দুপুরে উপুস করে আছো এটা জানবেও না। তারা তোমারে খাওয়ায় না পড়ায়?
খালি পরামর্শ আর উপদেশ। এইটা কইরো না, হেইটা কইরো না। কিরে ভাই, আমি পানের দোকান করলে আপনার কি? পরামর্শ প্রবণ গোটা জাতি..
কাজে কোন 'না' নেই। যাই পাও তাই করো। কর্মই ধর্ম। আর কর্মই ধর্ম করতে গেলে তোমার চর্ম হতে হবে পুরো। একেবারে মোটা চামড়া। পাতলা চামড়ার জন্য এই দুনিয়া না৷ এখানে কথা শুনতে হবে, গালি শুনতে প্রস্তুত থাকা লাগবে।

পানের দোকান দাও, যদিও এতে তোমার গুস্টির জাত চলে যাবে। ইজ্জত ধুলোয় মিশে যাবে। CNG চালাও। মাত্র ১০০০ টাকা দৈনিক জমা। মাসে আয় প্রায় ২০০০০/-। ভাবা যায়? অবশ্য এতে তোমার পরিবারের সম্মান হানি হবে৷ তোমার গোস্টিতে কেউ বউও দিবে না! আরে আজব।

বিয়ে করতে চাইলে সমস্যা, অবৈধ প্রেমে বাঁধা নেই! না খেয়ে মরলে খোঁজ নেই। CNG চালালে অচ্যুত! অলরেডি পাঠাও উবার তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। পোলাপান এখন আয়ের বহু পথ খুঁজে নিয়েছে৷ তারা ফুড পান্ডায় পিৎজা সাপ্লাই দিয়ে কমিশন নেয়। তাতে তদের বেজ্জতি হয়নি।

অত ভাবনার কিছু নেই। যা খুশি করো। শরবত বিক্রি করো, এখন দারুণ সিজন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান শহরে রুহ আফজা ফ্লেভরের শরবত বিক্রি করতেন। ভারতের নরেন্দ্র মোদি রেল স্টেসানে চা বিক্রি করতেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার বিক্রি করতেন বাদাম।

যাদের তুমি শরম পাচ্ছ, আর দশ বছর পর নিজেই নিজের কাছে লজ্জা পাবে। তারা তোমার কোন উপকারেই আসেনি। লোহার জাহাজ পানিতে ভাসানো হবে জেনে এলাকার লোকজন (সম্ভবত যে সি পেরিয়ারকে) ঢিল মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। অথচ, সেটাই হয়ে গেল সভ্যতার বিশাল আবিস্কার।

যারা হাসে, তারা নেংটি ইঁদুরের মত আজীবনই হাসবে। তাদের ধারণা একটাই, ধুর পোলাটারে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।

নিজের ইচ্ছেকে প্রাধান্য দাও। স্বপ্ন টাকে জিইয়ে রাখো। অনেকে পাগল ডাকবে। আমার ধারণা কিছুটা পাগলা টাইপের হলেই ভালো। সারা জীবন ফার্স্ট হয়ে যাওয়া ছেলেটাকে বোর্ড পরীক্ষায় ফেল করতে দেখেছি। ব্যাক বেঞ্চারকে বিশাল প্রতিষ্ঠানের মালিক।

তাই এখনি সময় কাজে লেগে পড়।

11/04/2024

ঈদ মোবারক

তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
অর্থ: আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের পক্ষ থেকে (যাবতীয় ভালো কাজ) কবুল করুন

18/12/2023

২৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে রিয়াজ নতুন গাড়ি কিনেছে। একদম ঝকঝকে সিলভার কালারের গাড়ি।

গাড়ি দেখে স্ত্রী, দুই সন্তান আর বাবা-মা তো ভীষণ খুশি।

ঠিক দুই মাস আগে নতুন এপার্টমেন্টে উঠেছে। পরিশ্রমের সঙ্গে সঙ্গে রিয়াজের ভাগ্যটাও বেশ ভাল ফেভার করেছে। বছর বছর চাকুরীতে পদন্নোতি পাচ্ছে। বেতনও বেড়ে চলছে হু হু করে।

তাই দ্রুত ব্যাংক লোন নিয়ে সেই টাকায় বাড়ি-গাড়ি সব কিনে ফেলল। সংসারে যেন আনন্দের বন্যা বইছে।

সেই সুবাদে রিয়াজ বাসায় একটা পার্টি দিল। অফিস কলিগরা দুপুর থেকে বিকেল আর আত্নীয়-স্বজনেরা সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত আমন্ত্রিত ছিল।

বেশ হৈ-হুল্লোর আর খাওয়া দাওয়ায় রিয়াজ পার্টি শেষ করলো। সবাই বেশ খুশি আর রিয়াজের প্রশংশায় পঞ্চমুখ।

সকাল হলেই রিয়াজ গাড়ি করে অফিস করবে,ছেলেমেয়েরা গাড়ি করে স্কুলে যাবে, স্ত্রী গাড়ি করে শপিং এ যাবে, গ্রামে বেড়াতে গেলেও গাড়ি করে যাবে ভাবতেই গর্বে রিয়াজের বুক ফুলে উঠতে লাগল। রিয়াজ ড্রাইভিংটাও শিখে নিয়েছে।

রিয়াজ পরিবারের ভবিষ্যতের জন্য খুব চিন্তা করত। অর্থ সম্পদ জমানো রিয়াজের যেন নেশা। স্ত্রীর নামে ২৫ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনে দিয়েছে। ছেলেমেয়ের নামে মোটা অংকের ডি.পি.এস আর এফ.ডি.আর করে রেখেছে। পরিবার যেন থাকে দুধে-ভাতে।

চার মাস পরের কথা।

গাড়ি এক্সিডেন্ট করে রিয়াজ মারা গেল। সে এক বিভীষিকাময় মৃত্যু।

কাভার্ড ভ্যানের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ, স্পট ডেড। ড্রাইভারটা প্রথম থেকেই রাফ চালাত। রিয়াজ যতদিন চালিয়েছে ধীরে সুস্থই চালিয়েছে। কোন সমস্যা হয় নাই। ড্রাইভারেরর বেসামাল গতি এদূর্ঘটনার বড় একটা কারন। কয়েকবার সতর্ক করার পরও পরিবর্তন হয়নি আর এখন তো সবই শেষ হয়ে গেল।

সারা বাড়িজুড়ে শোকের মাতম। স্ত্রী, সন্তান, মামা-বাবা, আত্নীয়স্বজন সবাই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে। রিয়াজের মা এই বয়সে এমন শোক কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না, বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। স্ত্রী যেন শোকে পাথর হয়ে গেছে। সন্তান দুটো হাউ মাউ করে কাঁদছে। এত সুখের সংসারটা ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেল।

রিয়াজের লাশ গ্যারেজে শুইয়ে রাখা হয়েছে।

সারা শরীর থেকে রক্ত ধুয়ে লাশের খাটে সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। একটু পর পর সবাই এসে মুখটা শেষবারের মত দেখে আবার ঢেকে দিয়ে যাচ্ছে। একটু পর জানাযা পড়ানো হবে।

মৃত রিয়াজ সবার আহাজারী,আফসোস দেখছে। ওর কেন যেন বিরক্ত লাগছে কিন্তু কিছুই বলতে পারছে না।

হুজুর আসল, জানাযা পড়ানো হলো। কবর দেয়া হলো। কবর হতে হতে রাত প্রায় ১২ টা বেজে গেলো। সবাই ফিরে গেছে, এখন কবরস্থানে আর কেউ নেই।

দুইজন ফেরেশতা এসে মুখ গোমড়া করে রিয়াজকে কিছু প্রশ্ন করতে লাগল। তারপর রিয়াজকে নিয়ে আসমানের দিকে রওয়ানা হলো।

অর্ধ-আসমানে পৌছানোর পর আওয়াজ আসল, থামো, এর আত্না আর এগোতে পারবে না।

এর অনেক ঋণ আছে। ওর ঋণ এখনও শোধ হয় নাই। ঋণ শোধ না হওয়া পর্যন্ত ও গ্রহনযোগ্যতা পাবে না। ওকে যেখান থেকে নিয়ে এসেছো সেখানে নিয়ে যাও।

রিয়াজকে আবার কবরে নিয়ে আসা হলো। কবরে রিয়াজের খুব কষ্ট হচ্ছিল। রিয়াজ চিৎকার করে স্ত্রীকে বলছে আমার ঋণগুলো তাড়াতাড়ি পরিশোধ করে দাও। তোমার নামে করা সঞ্চয়পত্রগুলো ভেঙ্গে ফেল,ছেলেমেয়েদের সমস্ত ডি.পি.এস আর এফ.ডি.আর ভেঙ্গে ফেল আমি আর এ যন্ত্রনা সহ্য করতে পারছি না। কিন্তু না, রিয়াজের চিৎকার কারও কাছে পৌছাল না।

এভাবে ৬ মাস চলে গেল। রিয়াজের ঋণগুলো কেউ শোধ করল না। নিদারুন কষ্টে রিয়াজ আফসোস করতে লাগল। বেঁচে থাকতে পরিবারের জন্য কত কষ্ট করে সম্পদ গড়েছি আর আজ আমার কোন মুল্য নাই।

৬ মাস হয়ে গেল এখনও আমার আত্না গ্রহনযোগ্যতা পেল না, আর কোনদিন পাবে কিনা তাও জানি না। রিয়াজ কাঁদতে লাগল।

আসরের আযানের শব্দে রিয়াজের ঘুম ভাঙ্গল। এতক্ষন রিয়াজ স্বপ্ন দেখছিল। ঘেমে একাকার হয়ে গেছে। রিয়াজ উঠে বসল। ঘুম থেকে উঠে আজ গাড়ি কিনতে যাওয়ার কথা।

রিয়াজ ওয়াশরুমে গেল এবং ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে গাড়ি কিনতে নয় মসজিদে চলে গেল। যাওয়ার পথে কেবল এটুকুই মনে হলো এ দুনিয়াতে কেউ কারো নয়।

প্রতিজ্ঞা করল, আর কোন ঋণ নয়।

15/12/2023

আইফোনের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস বলেছিলেন একটি ছবির উপর দুটি লেখা তার জীবন বদলে দিয়েছিলো! সে দুটি কথা কি জানেন?

'স্টে হাংরি, স্টে ফুলস' মানে
'বোকা থাকো, ক্ষুধার্ত থাকো!'

পৃথিবীর অন্যতম সেরা ধনী আলী বাবা ডট কমের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা যখন ওয়েবসাইটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তখন তিন বছর যাবত একটি ডলারও ইনকাম করতে পারেননি! অনেকে তাকে বলেছিলেন হালা বোকচোদ! কি নাকি ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করবে! তখন তিনি শুধু ভাবতেন সবাই তাকে বোকা বললেও কেউ কেউ ওয়েবসাইটির মাধ্যমে উপকার পাচ্ছে! থ্যাংকস দিচ্ছে! এই প্রাপ্তিটা কম কিসের? তারপর আলী বাবা ডট কম এতো জনপ্রিয় হলো যে রাতারাতি বিষ্পোরণ এবং তিনি হয়ে গেলেন চীনেসহ পুরো পৃথিবীর আইডল!

তিনি ক্যান্টাকি ফ্রাইড চিকেন কেএফসিতে পরীক্ষা দিয়েছিলেন! চব্বিশ জনের মধ্যে ২৩ জন পাশ করলো শুধু তিনি ফেইল! সবাই বলেছিলো হালা বোকারাম!

পৃথিবীর অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আইনস্টাইনকে তার শিক্ষক বলেছিলেন সে এতো বোকা যে তার দ্বারা কিচ্ছু হবে না!

ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী এতো বোকা ছিলো যে সে যখন আইন পড়ার জন্য লন্ডনে যায় তখন তার সিনিয়র ভাই উপদেশ দিয়ে বলেছিলো, আইন বিষয়ে সফল হতে হলে কথা বলতে হবে তুমি এতো লাজুক আর বোকা হলে তো সফল হতে পারবে না! তোমাকে লোকের সম্মুখে কিছু বলতে পারতে হবে! সেই ছেলেটি একদিন ইন্ডিয়া থেকে ব্রিটিশদের হটিয়ে অহিংস আন্দোলনের রূপকার হয়ে গিয়েছিলো!

লক্ষ লক্ষ লোক তার কথায় ব্রিটিশ পোশাক ছেড়ে হাতে তৈরী পোশাক পরিধান করতো! তাকে সামনে রেখে হাজার হাজার লোক তার পিছনে হাঁটতো! সে নিজে এতো বেশী হেঁটেছে যে বলা হয়ে থাকে পুরো পৃথিবী দুইবার সে হেঁটে ফেলেছে!

বোকা নিয়ে আরো অনেক উদাহরণ আছে কিন্তু দিবো না কারণ আপনি হয়তো ভাবছেন ভাই এসব কি শুরু করলো! শেষ পর্যন্ত বোকার পিছনে লাগলো! আসেন কৌতুক করি,

এক বোকা লোক গাধাকে স্কুল ভর্তি করাতে নিয়ে যাচ্ছে তা দেখে আরেকজন বললো, তুই এতো বোকা কেরে? গাধাকে স্কুল ভর্তি করাতে নিয়ে যাস! বোকা লোকটি বললো, গাধারও শিক্ষিত হওয়ার অধিকার আছে! যেদিন গাধা শিক্ষিত হবে দেখিস্ সেদিন কেউ তাকে আর গাধা বলবে না! তা শুনে লোকটি বললো, বুঝলাম কিন্তু আজ তো শুক্রবার! স্কুল বন্ধ!

সাবেক ফাস্ট লেডি মিশেল ওবামা 'দ্য রয়েল' অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সম্বন্ধে বলেছিলেন, 'ওবামা বোকা ছিলেন! বড় হতে এবং পৃথিবী সম্বন্ধে বুঝতে তার অনেক সময় লেগেছিলো!'

পাকিস্তানে কিংবদন্তি প্লেয়ার ওয়াসিম আকরাম এতো বোকা ছিলেন যে, জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর জাভেদ মিঁয়াদাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, বাড়ি থেকে কত টাকা নিবো?

টমাস আলভা এডিসনের শিক্ষক তার মা কে চিঠি লিখে বলেছিলেন যে তার সন্তান এতো বোকা যে তার পক্ষে পড়ালেখা চালিয়ে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হওয়া সম্ভব না সে ছেলেটি একদিন পুরো পৃথিবী আলোকিত করে দিয়েছে!

বলছিলাম উদাহরণ দিবো না! কত বোকা হলে আমি আবার উদাহরণ টানা শুরু করলাম!

তাই আমি বলবো কারও কথা শোনার দরকার নাই, নিজের মতো করে কাজ করে যেতে হবে।

12/12/2023

এক দেশে এক রাজা ছিলেন।

রাজার দরবারে অনেক দাস-দাসি ছিল।
তিনি সবার সাথে ভালো ব্যাবহার করতেন কিন্তু, একজন দাসিকে তিনি খুব ভালোবাসতেন। এ নিয়ে রাজমহলে অনেকেই অনেক রকম কটু মন্তব্য করতেন।

একদিন রাজার এক বন্ধু রাজাকে বললেন,
বন্ধু তুমি কি জানো তোমাকে নিয়ে প্রজারা অনেক বাজে মন্তব্য করে..?

রাজা বললেন, কেন..?

বন্ধু বললেন, তুমি রাজ্যে এত সুন্দরী মেয়েরা থাকতে একটি সামান্য দাসির সাথে কেন সম্পর্কে জড়ালে..?

তখন রাজা বললেন, একটা সুন্দরী মহিলাদের আয়োজন করো, এই আয়োজনে রাজ্যের সব সুন্দরী মেয়েরা থাকবে। এখান থেকে যাকে আমার পছন্দ হবে তাকেই আমি বিয়ে করবো।

কথা মত দিন তারিখ ঠিক হলো।

রাজ্যের সব সুন্দরী মেয়েরা রাজার দরবারে হাজির, এই প্রত্যাশায় যদি রাজার পছন্দ হয়ে যায় তবে তার সাথে বিয়ে হবে।

সময় মত রাজা ও সেই দাসি এবং সবাই হাজির হলেন।

রাজা তার সব ধন-সম্পদ, হীরা, মনি মুক্তা ইত্যাদি সবার সামনে রাখলেন আর বললেন, আমি পছন্দ করবো পরে, আগে যার যা সম্পদ দরকার এখান থেকে নিয়ে নাও, তারপর আমি পছন্দ করবো কাকে আমি বিয়ে করবো।

রাজার দরবারে যারা এসেছিলেন সবাই সবার ইচ্ছামত মনিমুক্তা, হীরা, টাকা-পয়সা নিলেন।

কিন্তু সেই দাসীটি কিছু না নিয়ে রাজার পাঞ্জাবীতে ধরে রাখলেন।

সবার সব কিছু যখন নেয়া শেষ হলো দেখা গেল সবাই কিছু না কিছু
নিয়েছেন কিন্তু সেই দাসি কিছুই নেন নাই।

তিনি রাজার পাশে গিয়ে রাজার পাঞ্জাবী ধরে আছেন।

সবাই অবাক হয়ে জিজ্ঞাস করলেন,
হে দাসি!
তুমি তো গরিব তোমার অনেক কিছুই দরকার কিন্তু তুমি কিছু না নিয়ে
রাজার পাঞ্জাবী ধরে রেখেছ কেন..?

উত্তরে দাসি বলল,

আপনারা তো সম্পদ নিয়েছেন কিন্তু আমি এই সম্পদের মালিককে নিয়েছি। আমি এই সম্পদের মালিকের হয়ে যেতে চাই, যদি আমি এই সম্পদের মালিকের হয়ে যেতে পারি তবে তো সব সম্পদই আমার, তাই আমি সম্পদের মালিকের পাঞ্জাবী ধরে রেখেছি।

তখন রাজা বললেন,
এবার হয়তো তোমরা সবাই বুঝতে পেরেছ আমি কেন রাজ্যের এত সুন্দরী রেখে দাসিকে ভালবাসি..?

সবাই বললেন, হ্যাঁ, বুঝতে পেরেছি।
:
:
:

শিক্ষাঃ-
এভাবে আমরাও দুনিয়ার সম্পদ নিয়ে ব্যাস্ত থাকি কিন্তু, আমরা একবারও চিন্তা করিনা যে, এই সম্পদের মালিক যিনি, আমরা যদি তার হয়ে যাই
তবে এই দুনিয়ার সবকিছুই তো আমাদের।

তাই আসুন দুনিয়ার সম্পদ নয়, সকল সম্পদের মালিক আল্লাহ তায়ালাকে খোঁজ করি। যদি আমরা আল্লাহকে পেয়ে যাই তবে সেটাই হবে আমাদের

উভয় জীবনের শ্রেষ্ঠ পাওয়া।

আল্লাহ রব্বুল আলামীন
আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার মত তাওফিক দান করুন।

---------------আমিন-----------------
---[_ওমা তাওফিকি ইল্লাবিল্লাহ্_]-

04/10/2023

একজন পাকিস্তানি যাদুকরের কনফেশনঃ
আমি মাঝে মাঝে কিছু জ্বীনদের পাঠাতাম যখন কেউ আমার কাছে অন্যের বিরুদ্ধে কালু জাদু করতে আসত। জ্বীনদেরকে বিভিন্ন খারাপ কাজের জন্য পাঠানো হত, যেমন কারো বাড়ির শান্তি অস্থিতিশীল করার জন্য, কারো অসুস্থতা সৃষ্টি করতে অথবা কারো মস্তিষ্ক এবং মেজাজ খিটখিটে করার জন্য। মাঝে মাঝে কারো উপর জ্বীন চালনা করা হলে কখনো কখনো জ্বীনেরা ফিরে এসে আমাকে বলত যে তারা কাউকেই সেখানে দেখতে পায়নি, আবার কখনো কখনো তারা বলত যে তারা শুধু তাদের কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছে কিন্তু তবুও কাউকে দেখতে পাচ্ছে না।

তখন আমি আফারিত দের (ইফ্রিদ) পাঠাই, যাদের ক্ষমতা জ্বীনদের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং তারাও একই অজুহাত দিয়ে ফিরে আসত।

এরপর আমি জ্বীনদের আবারও পুনরায় যাদের বিরুদ্ধে তাদেরকে পাঠানো হয়েছিলো তাদের নাম, জায়গার ঠিকানা এবং কোন অবস্থানে আছে সেটি বলি। এবং তারা উত্তর দেয় যে হ্যাঁ আমরা আপনার বলে দেয়া জায়গাতেই গিয়েছিলাম কিন্তু তাদের খুঁজে পাই নি!
আমি তখন অনুধাবন করতে পেরেছিলাম যে, ওইসব লোকদের সুরক্ষার স্তর, তাদের চারপাশের সুরক্ষা বেস্টনি বেশ মজবুত।
আবার এমন কিছু লোক আছে যাদের আদৌ কোনো সুরক্ষা নেই, এদের কালো জাদু দিয়ে শিকার করা এবং ইচ্ছেমতো কালো জাদুতে আক্রান্ত করা আমার জন্য খুব সহজ।

যাদেরকে আফারিত (ইফ্রিদ) পর্যন্ত খুজে পায় না সেসব লোকজন কুরআন এবং সালাত দিয়ে তাদের চারপাশে ভালমত সুরক্ষা বলয় তৈরী করে রাখে। কিন্তু যখন তারা মাঝে মাঝে তাদের সালাত মিস করে, জ্বীনেরা তাদের দেখতে না পেলেও শুধুমাত্র তাদের কণ্ঠস্বর শুনতে নির্দিষ্ট একটি দুরুত্ব থেকে।
যাদের প্রকৃত সুরক্ষা আছে, জিনরা তাদের দেখতে পায় না যাই হোক না কেন।

এবং তারপর আমি কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে বুঝতে পারলামঃ
*যখন তুমি কুরআন তেলাওয়াত করো, তখন তোমার এবং যারা পরকালে বিশ্বাস করে না তাদের মধ্যে একটি অদৃশ্য পর্দা স্থাপন করে দেই*
যার অর্থ আপনি মানুষের মন্দ ব্যাপার এবং দুষ্ট জ্বীন উভয়ের বিরুদ্ধেই ঢাল (সুরক্ষা বলয়) পাবেন।"
প্রতিদিন কুরআন পড়ুন।

সহীহ মুসলিম এবং ইবন হিব্বানে নবী (সঃ) বলেছেনঃ "তোমাদের ঘরগুলিকে কবরস্থানে পরিণত করো না (কোরআন বা জিকির যে ঘরে নেই)।
যেখানে সূরাতুল বাকারা (আয়াতুল কুরসি্),সূরা ইখলাস ফালাক্ব ও নাস্ নিয়মিত পাঠ করা হয় সেখান থেকে শয়তান ও দুষ্ট জ্বীন আতংকিত হয়ে পালিয়ে যায়।
আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে ঘুমানোর আগে তিনকুল পড়ে দুই হাতের তালুতে ফু-দিয়ে সারা গায়ে মাসেহ্ করে ঘুমাতেন।


লেখা: Raihan Mahmud Rumi

27/09/2023

এক বাবা দেখলেন তার ১১ বছরের ছেলে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। বাবা তার মাথায় হাত দিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলেন-

"কি ব্যাপার, বাছা?"

ছেলেটা উত্তর দিল-
"আমার ধনী সহপাঠীরা কথায় কথায় আমাকে উপহাস করে। আমাকে মালীর ছেলে বলে ডাকে। ওরা বলে যে আমার বাবা মানুষের জন্য গাছপালা জল দেওয়া এবং ফুল ফুটিয়ে উপার্জিত টাকা দিয়েই বেঁচে থাকে।"

বাবা এক মুহূর্ত থেমে গেলেন, তারপর বললেন-

"আমার সাথে এসো,বাবা, কিছু ফুল গাছ লাগাই। এতে হয়তো তোমার মনের দুঃখ কাটবে। এটা তোমাকে আনন্দিত করবে।"

তিনি ছেলেটির হাত ধরে তাকে বাগানে নিয়ে গেলেন, তারপর দুটি ফুলের চারা বের করলেন এবং বললেন-

"এসো,একটা পরীক্ষা করা যাক। আমরা আলাদাভাবে দুটি ফুল চারা লাগাব। আমি একটির যত্ন নেব, আর তুমি অন্যটির যত্ন নেবে। আমি লেকের পরিষ্কার জল দিয়ে খানিক জল দেব কিন্তু তুমি পুকুরের নোংরা জল দিয়ে চারা গাছে জল দেবে। আমরা আগামী সপ্তাহগুলিতে ফলাফল দেখতে পাব"

ফুলের চারা রোপণে বাবার সাথে যোগ দেওয়ায় ছেলে ও আনন্দিত হল। তারা যথাক্রমে তাদের যত্ন নিয়েছে এবং তাদের বেড়ে উঠতে দেখেছে।তবে ছেলেটি খুব আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে।

পরে বাবা তার ছেলেকে বাগানে নিয়ে এসে বললেন।

"দুটি ফুলের দিকে তাকাও এবং আমাকে তোমার পর্যবেক্ষণ বলো"।

ছেলেটি সাড়া দিল।
"আমার ফুল তোমার চেয়ে ভাল এবং স্বাস্থ্যকর দেখাচ্ছে।তুমি পরিষ্কার জল ব্যবহার করলেও তোমার ফুলের চারাটি তেমন বড় হয়নি বা ফুলগুলোও সুন্দর নয়। এটা কিভাবে সম্ভব?"

বাবা হাসলেন, তারপর বললেন-

"এর কারণ হল নোংরা জল একটি গাছের বৃদ্ধি বন্ধ করে না, বরং এটি বৃদ্ধিতে সাহায্য করার জন্য এটি জৈব সার হিসাবে কাজ করে।দেখো বাবা, কিছু মানুষ আছে যারা তোমাকে জীবনে নামিয়ে দেয়, তোমার স্বপ্ন নিয়ে উপহাস করে, তোমার গায়ে ময়লা ফেলে।
সর্বদা মনে রাখবে যে দরিদ্র ঘরে জন্মানোটা কোন অপরাধ নয়।বরং রসদ ও সুযোগ সুবিধা পেলে দরিদ্র ঘর থেকে ও সফল ছেলে মেয়ে তৈরী হতে পারে।

সুতরাং, লোকেদের কঠোর,নির্মম শব্দগুলিকে একেবারেই পাত্তা দেবেনা বরং নিজের গতিতে নিজের কাজ করে যাবে। আর তা করলে হাজারো নেতিবাচক কথা এবং কঠোর,নির্দয় কথার মত নোংরা তোমার বৃদ্ধি আটকে রাখতে পারবে না বরং তুমি গাছের মতোই বড় এবং বলিষ্ঠ হয়ে উঠবে।

28/09/2022

🚩 এক ব্যক্তি ঘরের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে এক গরীব ব্যাক্তিকে ডাস্টবিন থেকে কিছু কুড়াতে দেখে বলল-

"আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া যে আমি গরীব নই"।

🚩 গরীব লোকটি রাস্তার দিকে তাকিয়ে একজন পাগল ব্যক্তিকে অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখে বলল-

"আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া যে আমি পাগল নই"

🚩 পাগল লোকটি তার সামনে দিয়ে একটি এম্বুলেন্সে এক অসুস্থ ব্যাক্তিকে যেতে দেখে বলল-

"আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া যে আমি ওরকম অসুস্থ নই"

🚩 অসুস্থ ব্যক্তিটি হাসপাতালে পৌঁছেই এক ব্যক্তিকে স্ট্রেচারে তুলে মর্গে নিয়ে যেতে দেখে বলল-

"আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া যে আমি মৃত নই"

🚩 মৃত লোকটি তার দাফনে ব্যস্ত লোকদের দিকে তাকিয়ে চিন্তা করে -

"আর একবার যদি দুনিয়াতে যাওয়ার সুযোগ পেতাম, অনেক নেকী অর্জন করে আসতাম।"

কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত আজ পর্যন্ত কোন কবরবাসী মৃত্যুর পর ২য় বারের জন্য দুনিয়াতে ফিরে আসেনি।

এবার প্রথম মানুষটার স্থানে নিজেকে রেখে একবার কল্পনা করুন তো.....

এক এক করে আপনার জন্য আল্লাহপ্রদত্ত নিয়ামতগুলো গগনা শুরু করুন। কতটা নেয়ামতের মধ্যে আল্লাহ আপনাকে ডুবিয়ে রেখেছেন, ভাবতে পারেন?

আল্লাহপাক বলেন -
فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

"অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?' (সুরা রাহমান - ১৬)

আল্লাহপ্রদত্ত সেই নিয়ামতগুলো গুনতে গেলে আপনার এই একটা জীবন অনেক ছোট মনে হবে।

আলহামদুলিল্লাহ! এ শব্দটি বলতে ভুলবেন না কখনো....!

26/09/2022

বড় কোনো বিপদ বা কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়লে ছোট্ট একটি আমল করা যায়'

"যে আমলটি বদর যুদ্ধের দিন নবীজি করেছিলেন। প্রথমে আমরা প্রেক্ষাপটটা জেনে নিতে পারি তাহলে আমল করতে আগ্রহ বাড়বে,ইনশাআল্লাহ্।

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনে যে কয়টি দিনে সবচেয়ে সংকটময় এবং ভয়াবহ বিপদের সন্মুখীন হয়েছিলেন, তার মধ্যে বদর যুদ্ধের দিনটি অন্যতম। হাদিসে এসেছে—সেদিন তিনি অত্যন্ত বিনয় আর কাতরকণ্ঠে আল্লাহকে ডাকছিলেন আর দু‘আ করছিলেন—

‘‘হে আল্লাহ! যদি এই ক্ষুদ্র দলটি ধ্বংস হয়ে যায়, তবে আজকের দিনের পর থেকে যমিনে আর কখনো তোমার ইবাদত করা হবে না।’’ এমনভাবে তিনি দু‘আ করছিলেন যে, তাঁর কাঁধ হতে চাদর পড়ে গিয়েছিলো। এ দৃশ্য দেখে আবু বকর (রা.) ছুটে এসে চাদর তুলে দিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে হে আল্লাহর রাসূল! আপনার রবের নিকট আপনি চূড়ান্ত প্রার্থনাই করেছেন।’

[সহিহ বুখারি: ৪৮৭৫]

সেই কঠিন মুহূর্তের নবীজি কী করছিলেন?

নবীজির জামাতা আলী ইবনু আবি তালিব (রা.) বলেন, ‘বদরের যুদ্ধের দিনে আমি কিছুক্ষণ যুদ্ধ করে এসে দেখি—নবীজি সিজদারত অবস্থায় আছেন আর শুধু বলছেন—

(ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ূম) — يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ

[অর্থ: হে চিরঞ্জীব! হে চিরসংরক্ষক/চিরস্থায়ী]

এর বেশি কিছুই বলছেন না।’ এরপর আলী (রা.) আবার যুদ্ধ করতে চলে যান। আবার ফিরে আসেন; এসে দেখেন—নবীজি একই অবস্থায় আছেন। এভাবে কয়েকবার এসে তিনি একই অবস্থায় পেয়েছেন। অতপর আল্লাহ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিজয় দান করলেন।

মুসতাদরাক হাকিম: ১/৩৪৪, বাযযার: ২/২৫৪, মাজমাউয যাওয়াইদ: ১০/১৪৭; ইমাম হাইসামি (রাহ.) বলেন, হাদিসটির সনদ হাসান]

যখন পৃথিবীটা সংকীর্ণ মনে হবে, চোখ-মুখ অন্ধকার হয়ে যাবে, তখন খুব বেশি করে ‘ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ূম’ পড়া উচিত। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর অন্যতম সংকটময় মুহূর্তে এটি পড়েছিলেন, আল্লাহ্ সফলতা দিয়েছিলেন।

এছাড়া আমাদের যেকোনো দু‘আর মধ্যে কিছু সময় পরপর এই বাক্য দুটো বারবার বলার অভ্যাস করা উচিত। কারণ, এটি ইসমে আযমের অন্তর্ভূক্ত:

"আল্লাহ আমাদের সবাইকে উপরোক্ত দোয়াটির উপর আমণ করার তৌফিক দান করুন, আমিন!!

25/09/2022

বুড়ি মরে গেল।😭
বুড়োটা ভাঁজ হয়ে থাকা চামড়ার মাঝে ছোট্ট বসে যাওয়া চোখখানা দিয়ে দেখলো...
কিছু জল চোখের কোণ থেকে ঝরে পড়লো...

'লোক দেখানো শোক'
চললো কিছুদিন, তারপর যেন এক নাটকের সমাপ্তি ঘটলো...

তার ব্যবহৃত শাড়ি নিয়ে মেয়েদের ভাগাভাগি চললো।
কেউ বালিশের কভার বানাবে, কেউ বিছানার চাদর হিসেবে ব্যবহার করবে,
কেউ কানের দুল নেবে, কেউ বালাজোড়া......

যার যার নিজের সংসারে যেন একটা বোঝা নেমে গেল...

বুড়ো একা বসে বসে দেখে তাদের কান্ডকারখানা...

মনের বাজারে স্মৃতির দর'কষাকষি করতে করতে সেটাও একসময় বিক্রি হয়ে যায় মস্তিকের কোন এক ফাঁক ফোকরে...

যে যার কাজে ব্যস্ত হয়ে যায়,
বুড়ো একা হয়ে পড়ে,
হাতের লাঠিখানায় ভর করে এদিক সেদিক পায়চারী করে...

সেদিন ছোট নাতনী এসে বলে গেল
"দাদু দাদু, তুমি মরে গেলে কিন্ত এই লাঠিখানা আমার, আমি খেলবো.!"

এদিক থেকে বৌমা দৌড়ে আসে
"দাঁড়া, তোকে আজ মেরে ফেলবো।
এসব কথা বলতে নেই, বলেছি না.?

বুড়ো হাসে...
যে বৌমার এমন শাসন সেও গোপনে প্রতিবেশির কাছে গল্প করে বুড়োটার খালি কষ্ট, মরে গেলেই বাঁচে...

সেদিন নাতি তার বন্ধুদের নিয়ে তার ছোট ঘরে আড্ডা দিচ্ছে আর বলছে
"দাদুর অবস্থাও বেশি ভাল না।
কিছুদিনের মধ্যে উইকেট পড়ে যেতে পারে। তখন ওই ঘর আমার,
তখন জমিয়ে আড্ডা হবে.!"

বুড়ো শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে...

দুই ছেলের মাঝে তো প্রায়দিন ঝগড়া লেগেই থাকে,
বুড়ো কার কাছে ক'দিন খাবে এই নিয়ে...

বুড়োটা আজ কারো বাবা নয়,
আজ কারো শ্বশুর নয়,
কারো দাদুও নয়,
সে আজ শুধুই এক বোঝা...

আজ বুড়োর জন্মদিন।
গত বছর বুড়িটা বেঁচে ছিল,
তাও একটু পায়েশ রেঁধে খাইয়েছিলো...
আজ সারাটা দিন গেল,
কেউ কিছুই বললো না...

কিই বা বলবে.!
যার মৃত্যুর জন্য সকলে মুখিয়ে আছে,
কি বা দরকার তাকে সেই জন্মের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার.!

অথচ কিছুদিন আগে কত লোক খাইয়ে নাতনীর জন্মদিন পালন করা হলো...

বুড়োর হিসেব টা জমা পড়ে আছে,
কারণ তার মৃত্যুর পরেও তো অনেক মানুষকে খাওয়াতে হবে...

সেখানেও দুই ভাইয়ের ঝগড়া হবে খরচ করা নিয়ে...

বুড়িটার বেলা তে তো তাই হয়েছিল...

বুড়ো ভাবে, কিসের এ জীবন.?
কাদের জন্য এতকিছু.!

বুড়ো চশমাটা চোখ থেকে নামিয়ে একটু মুছে নেয়।
কেমন যেন ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে...

আকাশের দিকে তাকিয়ে বুড়ো একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো,
মনে মনে এটাই বললো
"পৃথিবীর সমগ্র বাবা যেন বাবা হয়েই বাঁচে, বোঝা হয়ে নয়...!

Story ©

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Khulna
9000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 11:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00