অরবিট এন্ড লিজেন্ড কোচিং

অরবিট এন্ড লিজেন্ড কোচিং Our coaching is the best coachings in Banorgati Bazar Khulna.Our commitment is to defeat the past in the dream of building the future.

31/12/2025
SSC ফাইনাল ব্যাচ,ভর্তি শুরু,১৫/১২/২৫ ওরিয়েন্টেশন ক্লাস,
22/11/2025

SSC ফাইনাল ব্যাচ,ভর্তি শুরু,১৫/১২/২৫ ওরিয়েন্টেশন ক্লাস,

07/10/2025

অরবিট কোচিং,কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠান কিছু অংশ

27/09/2025

হাসি কিন্তু থামানো যাবেনা

27/08/2025

🔹 তথ্য অধিকার (Right to Information) কী?

তথ্য অধিকার হলো এমন একটি মৌলিক অধিকার যেখানে নাগরিকরা রাষ্ট্রের কাছে সরকারি তথ্য পাওয়ার আইনগত অধিকার ভোগ করেন। এটি সাধারণত "তথ্য অধিকার আইন" (Right to Information Act - RTI) এর মাধ্যমে কার্যকর হয়।

বাংলাদেশে ২০০৯ সালের ১ জুলাই থেকে "তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯" কার্যকর হয়।
এই আইনের মাধ্যমে:

নাগরিকরা সরকারি দপ্তর, আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বশাসিত সংস্থা, এনজিও ইত্যাদি থেকে তথ্য পাওয়ার অধিকার পান।

সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।

দুর্নীতি প্রতিরোধে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ে।

🔹 তথ্য অধিকারের উদ্দেশ্য

স্বচ্ছতা বৃদ্ধি – সরকারি কার্যক্রমে গোপনীয়তা কমে যায়।

জবাবদিহিতা নিশ্চিত – কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানেন তাদের কাজের হিসাব জনগণ চাইতে পারে।

গণতন্ত্র শক্তিশালী করা – জনগণের অংশগ্রহণমূলক শাসন ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

দুর্নীতি প্রতিরোধ – গোপন তথ্য প্রকাশযোগ্য হলে দুর্নীতির সুযোগ কমে যায়।

মানবাধিকার রক্ষা – সাধারণ মানুষ তাদের অধিকার আদায়ে শক্তি পায়।

🔹 দুর্নীতি নিরসনে তথ্য অধিকার আইনের প্রভাব
✅ ১. তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ তৈরি

আগে সরকারি তথ্য ছিল গোপনীয়, এখন নাগরিকরা আবেদন করেই তথ্য পেতে পারেন।

ফলে সরকারি ব্যয়, প্রকল্প বাস্তবায়ন, টেন্ডার প্রক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে মানুষ জানতে পারে।

✅ ২. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি

সরকারি কর্মচারীরা জানেন তাদের কাজ জনসমক্ষে প্রকাশ পেতে পারে।

এতে দায়িত্বহীনতা ও অব্যবস্থাপনা কমে যায়।

✅ ৩. দুর্নীতি কমানো

যখন জনগণ জানতে পারে কোথায় কত টাকা বরাদ্দ হলো এবং তা কীভাবে খরচ হলো, তখন অনিয়ম প্রকাশ পায়।

ফলে ঘুষ, তছরুপ, ভুয়া প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ কমে।

✅ ৪. সাংবাদিকতা ও গবেষণায় সহায়তা

সাংবাদিকরা সরকারি নথি পেয়ে দুর্নীতি উন্মোচন করতে পারেন।

গবেষকরা নীতি-নির্ধারণে তথ্য ব্যবহার করতে পারেন।

✅ ৫. জনগণের আস্থা বৃদ্ধি

সাধারণ মানুষ মনে করে যে সরকার সত্যিই জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।

এটি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে।

🔹 চ্যালেঞ্জ বা সীমাবদ্ধতা

অনেক সময় তথ্য প্রদানে গড়িমসি করা হয়।

কিছু কর্মকর্তা তথ্য গোপন রাখতে চান।

জনগণের মধ্যে সচেতনতার ঘাটতি আছে—অনেকে জানেন না কীভাবে তথ্য চাইতে হয়।

আইন প্রয়োগে কাঙ্ক্ষিত গতি নেই।

🔹 উপসংহার

তথ্য অধিকার আইন জনগণের হাতে এক শক্তিশালী হাতিয়ার, যা দুর্নীতি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তথ্য জানার অধিকার থাকলে কর্মকর্তারা সততার সঙ্গে কাজ করতে বাধ্য হন, এবং জনগণ সরকারের কার্যক্রমে সরাসরি নজরদারি করতে পারে। তবে এই আইনের পূর্ণ সুফল পেতে হলে জনগণকে সচেতন হতে হবে এবং সরকারি দপ্তরগুলোকে আরও দ্রুত, সহজভাবে তথ্য প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

27/08/2025

কম্পিউটার ভাইরাস বলতে কী বোঝায়?

কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম (malicious software বা malware), যা মানুষের শরীরের ভাইরাসের মতোই কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং নিজেকে কপি করে ছড়িয়ে পড়ে। এটি সাধারণত কোনো ফাইল, সফটওয়্যার, বা ড্রাইভের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যবহারকারীর অজান্তে চালু হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো –

সিস্টেম নষ্ট করা

তথ্য চুরি করা

কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা ধীর করে দেওয়া

অন্য প্রোগ্রাম বা ডিভাইসে ছড়িয়ে পড়া

🔹 ভাইরাসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

১৯৭১ সালে: প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস হিসেবে পরিচিত Creeper virus তৈরি হয়। এটি ARPANET নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়েছিল।

১৯৮৬ সালে: Brain Virus নামে প্রথম IBM PC ভাইরাস তৈরি হয়, যা পাকিস্তানের দুই প্রোগ্রামার তৈরি করেছিল।

১৯৮৮ সালে: Morris Worm ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিপুল ক্ষতি করে।

১৯৯০-এর দশক: ILOVEYOU ও Melissa ভাইরাস ইমেইলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে কোটি কোটি ডলার ক্ষতি করে।

বর্তমান সময়: ভাইরাস শুধু নয়, বরং Trojan, Worm, Spyware, Ransomware, Rootkit ইত্যাদি নানা ধরনের ম্যালওয়্যার বিশ্বজুড়ে কম্পিউটার নিরাপত্তার বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🔹 ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার থেকে মুক্তির উপায়
✅ প্রতিরোধের উপায়

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন – যেমন Windows Defender, Avast, Bitdefender, Kaspersky ইত্যাদি।

সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট করুন – পুরনো সফটওয়্যারে সিকিউরিটি হোল থাকে।

অপরিচিত ইমেইল/লিঙ্কে ক্লিক করবেন না – অনেক ভাইরাস ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট থেকে ছড়ায়।

পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন না – এগুলোতে বেশিরভাগ সময় ভাইরাস লুকানো থাকে।

ফায়ারওয়াল চালু রাখুন – অননুমোদিত অ্যাকসেস ঠেকায়।

ব্যাকআপ রাখুন – নিয়মিত ডেটার ব্যাকআপ রাখলে র‌্যানসমওয়্যার আক্রমণেও ডেটা বাঁচানো যায়।

✅ আক্রান্ত হলে করণীয়

কম্পিউটারকে সেইফ মোডে চালু করে অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করুন।

ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করুন, যাতে ভাইরাস ছড়াতে না পারে।

প্রয়োজনে অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার টুলস ব্যবহার করুন (যেমন Malwarebytes)।

অতিমাত্রায় সংক্রমিত হলে Windows রি-ইনস্টল করতে হতে পারে।

👉 সংক্ষেপে, কম্পিউটার ভাইরাস হলো ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা তথ্য নষ্ট বা চুরি করতে পারে। এটি ১৯৭০-এর দশক থেকে শুরু হয়ে আজকে আরও জটিল আকারে বিদ্যমান। তবে সচেতন ব্যবহার, সিকিউরিটি সফটওয়্যার, এবং নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে এ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

🔹 কম্পিউটার হ্যাকিং বলতে কী বোঝায়?

কম্পিউটার হ্যাকিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কেউ অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা ডেটাবেইসে প্রবেশ করে এবং সেখানে পরিবর্তন আনে, তথ্য চুরি করে বা সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করে।

👉 সহজভাবে বললে, হ্যাকিং হলো অননুমোদিত অ্যাকসেস বা প্রবেশ যা সাধারণত বেআইনি এবং ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে করা হয়।

হ্যাকারদের কয়েক ধরনের শ্রেণিবিন্যাস আছে:

White Hat Hacker (Ethical Hacker): সিস্টেম টেস্ট করে দুর্বলতা খুঁজে বের করে ঠিক করার জন্য কাজ করে।

Black Hat Hacker: বেআইনি উদ্দেশ্যে হ্যাক করে, যেমন ডেটা চুরি, ব্যাংক একাউন্টে প্রবেশ, ভাইরাস ছড়ানো।

Grey Hat Hacker: কখনো ভালো, কখনো খারাপ কাজ করে—কোনো অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করে তবে ক্ষতি নাও করতে পারে।

🔹 সাইবার অপরাধ (Cyber Crime) কী?

সাইবার অপরাধ হলো ইন্টারনেট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সংঘটিত যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। এর মাধ্যমে অপরাধীরা ডেটা চুরি, অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণা, হুমকি প্রদান, বা ক্ষতি সাধন করে থাকে।

সাইবার অপরাধের বৈশিষ্ট্য:

অপরাধ সংঘটিত হয় ডিজিটাল মাধ্যমে।

অপরাধী অনেক সময় অজানা অবস্থান থেকে কাজ করে, ফলে শনাক্ত করা কঠিন হয়।

এটি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, এমনকি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

🔹 বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ
১. হ্যাকিং (Hacking)

কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ।

উদাহরণ: ব্যাংকের সার্ভার হ্যাক করে টাকা চুরি।

২. ফিশিং (Phishing)

ভুয়া ওয়েবসাইট, ইমেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য হাতিয়ে নেওয়া।

উদাহরণ: ব্যাংকের নামে ভুয়া ইমেইল পাঠিয়ে OTP সংগ্রহ করা।

৩. আইডেন্টিটি থেফট (Identity Theft)

অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য (জাতীয় পরিচয়পত্র, ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসপোর্ট) চুরি করে ব্যবহার করা।

উদাহরণ: অন্যের নামে ভুয়া একাউন্ট খোলা।

৪. সাইবার বুলিং (Cyber Bullying)

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাউকে ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়া বা মানসিকভাবে আক্রমণ করা।

উদাহরণ: ফেসবুকে কুৎসা রটানো বা হুমকি প্রদান।

৫. অর্থনৈতিক অপরাধ (Online Fraud / Financial Crime)

অনলাইন ব্যাংকিং, ই-কমার্স বা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে প্রতারণা।

উদাহরণ: ভুয়া ওয়েবসাইটে পণ্য বিক্রির নামে টাকা আত্মসাৎ।

৬. র‌্যানসমওয়্যার আক্রমণ (Ransomware Attack)

ভাইরাস ব্যবহার করে কম্পিউটারের ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ দাবি করা।

উদাহরণ: ২০১৭ সালের WannaCry আক্রমণ।

৭. ডেটা ব্রিচ (Data Breach)

কোনো প্রতিষ্ঠানের সার্ভার থেকে গোপন তথ্য চুরি।

উদাহরণ: ফেসবুক বা টুইটার ব্যবহারকারীর ডেটা ফাঁস।

৮. ডিনায়েল অব সার্ভিস (DoS/DDoS Attack)

কোনো ওয়েবসাইট বা সার্ভারে অতিরিক্ত ট্রাফিক পাঠিয়ে সেটিকে অচল করে দেওয়া।

উদাহরণ: প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া।

৯. সাইবার টেররিজম (Cyber Terrorism)

রাজনৈতিক বা ধর্মীয় উদ্দেশ্যে সাইবার আক্রমণ চালানো।

উদাহরণ: সরকারি ওয়েবসাইট হ্যাক করে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।

১০. সাইবার স্টকিং (Cyber Stalking)

কাউকে অনলাইনে বারবার অনুসরণ বা হয়রানি করা।

উদাহরণ: ইমেইল, ফেসবুক মেসেজে অনবরত বিরক্ত করা।

🔹 সাইবার অপরাধ থেকে রক্ষার উপায়

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং নিয়মিত পরিবর্তন করুন।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু রাখুন।

সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক করবেন না।

নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাস ও অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।

সরকারি বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ছাড়া অন্যত্র ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না।

সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম আপডেট রাখুন।

শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের মাধ্যমে মনিটর করুন।

13/08/2025

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)-এর নৈতিক গুরুত্ব মূলত এই কারণে যে এটি মানুষের জীবন, সমাজ এবং অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে গভীর প্রভাব ফেলে। নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর গুরুত্বকে কয়েকটি মূল বিষয়ে ব্যাখ্যা করা যায়—

১. তথ্যের সঠিকতা ও সত্যতা রক্ষা
ICT ব্যবহার করে দ্রুত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া যায়, কিন্তু ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য সমাজে ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। নৈতিকভাবে সঠিক তথ্য প্রচার এবং ভুয়া খবর বা গুজব থেকে বিরত থাকা জরুরি।

২. ব্যক্তিগত গোপনীয়তা (Privacy) রক্ষা
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মানুষের ব্যক্তিগত ডেটা সুরক্ষিত রাখা একটি বড় নৈতিক দায়িত্ব। অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার বা বিক্রি করা অনৈতিক এবং আইন বিরোধী।

৩. সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
নৈতিক ICT ব্যবহারের অর্থ হলো হ্যাকিং, ভাইরাস ছড়ানো বা অননুমোদিত প্রবেশের মতো ক্ষতিকর কাজ থেকে বিরত থাকা এবং নিরাপদ প্রযুক্তি ব্যবহারে মনোযোগ দেওয়া।

৪. প্রযুক্তির সুষম ব্যবহার
ICT যেন শুধু ধনী বা উন্নত দেশের সুবিধায় সীমাবদ্ধ না থাকে—নৈতিক দায়িত্ব হলো প্রযুক্তির সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া, যাতে ডিজিটাল বিভাজন (Digital Divide) কমে।

৫. কপিরাইট ও মেধাস্বত্বের সম্মান
অন্যের সফটওয়্যার, ছবি, লেখা বা সৃষ্টিকে অনুমতি ছাড়া কপি বা ব্যবহার করা নৈতিকভাবে ভুল এবং আইনগত অপরাধ।

৬. সামাজিক দায়িত্ব
ICT ব্যবহারের মাধ্যমে সামাজিক শান্তি ও ন্যায়বিচার বজায় রাখা, ঘৃণা বা সহিংসতা উস্কে দেয় এমন কন্টেন্ট এড়িয়ে চলা নৈতিকতার অংশ।

সংক্ষেপে:
ICT-এর নৈতিক গুরুত্ব হলো—সঠিক তথ্য প্রচার, গোপনীয়তা রক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা বজায় রাখা, মেধাস্বত্বের সম্মান করা এবং প্রযুক্তিকে সবার কল্যাণে ব্যবহার করা। নৈতিকভাবে ICT ব্যবহারের মাধ্যমে সমাজে আস্থা, নিরাপত্তা এবং সমতা নিশ্চিত করা সম্ভব।

ম্যালওয়ার কীভাবে কাজ করে

ম্যালওয়ার বা ক্ষতিকারক সফটওয়্যার প্রথমে ইমেইলের ক্ষতিকারক সংযুক্তি, ফিশিং লিঙ্ক, সংক্রামিত সফটওয়্যার বা বাহ্যিক ডিভাইসের মাধ্যমে সিস্টেমে প্রবেশ করে। এরপর এটি গোপনে নিজেকে ইনস্টল করে এবং নির্দিষ্ট কাজ শুরু করে, যেমন—ডেটা চুরি, ফাইল নষ্ট, পাসওয়ার্ড সংগ্রহ বা সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। অনেক ম্যালওয়ার নিজেকে নেটওয়ার্কের অন্যান্য ডিভাইসে ছড়িয়ে দেয় এবং নিরাপত্তা সফটওয়্যারের চোখ এড়িয়ে বিভিন্ন কৌশলে লুকিয়ে থাকে। শেষ পর্যায়ে এটি মূল ক্ষতিকারক কাজ সম্পন্ন করে, যেমন র‌্যানসমওয়্যার ফাইল লক করে মুক্তিপণ দাবি করে বা স্পাইওয়্যার ব্যক্তিগত তথ্য পাঠিয়ে দেয়।

12/08/2025

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নৈতিক গুরুত্ব

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) মানুষের জীবন, সমাজ ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তাই এর ব্যবহার নৈতিকভাবে সঠিক হওয়া অপরিহার্য। নৈতিক ICT ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে—সঠিক ও সত্য তথ্য প্রচার, ভুয়া খবর এড়িয়ে চলা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষা বজায় রাখা, সাইবার অপরাধ থেকে বিরত থাকা, কপিরাইট ও মেধাস্বত্বের সম্মান করা এবং প্রযুক্তির সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া। নৈতিক ICT ব্যবহারের মাধ্যমে আস্থা, নিরাপত্তা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা যায়, যা একটি সুশৃঙ্খল ও উন্নত ডিজিটাল সমাজ গঠনে সহায়তা করে।

অনলাইনে নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য পাসওয়ার্ড রক্ষার কৌশল

অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য ও অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার অপরিহার্য। পাসওয়ার্ড তৈরির সময় বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন মিশিয়ে অন্তত ১২ অক্ষরের জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত। জন্মতারিখ বা নামের মতো সহজ তথ্য এড়িয়ে চলতে হবে এবং প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড রাখা জরুরি। পাসওয়ার্ড নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি দুই ধাপের যাচাইকরণ (2FA) চালু করা, নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা এবং পাবলিক ডিভাইসে লগইন এড়িয়ে চলা অনলাইন নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়ক। এসব কৌশল মেনে চললে সাইবার অপরাধের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

ক্ষতিকারক সফটওয়্যারের বর্ণনা ও ম্যালওয়ারের প্রকারভেদ

ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়ার (Malware) হলো এমন ধরনের প্রোগ্রাম বা কোড যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। এটি ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই ডেটা নষ্ট, চুরি বা পরিবর্তন করতে পারে এবং সিস্টেমের কার্যক্রম ব্যাহত করে। ম্যালওয়ার সাধারণত ইমেইল, ক্ষতিকারক ওয়েবসাইট, সংক্রামিত ফাইল বা সফটওয়্যারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ম্যালওয়ারের প্রধান প্রকারভেদ:

ভাইরাস (Virus) – বৈধ ফাইল বা প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হয়ে নিজেকে ছড়ায় এবং সিস্টেমের ক্ষতি করে।

ওয়ার্ম (Worm) – নিজে থেকেই নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যান্ডউইথ নষ্ট করে।

ট্রোজান (Trojan Horse) – বৈধ সফটওয়্যার হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে সিস্টেমে প্রবেশ করে।

স্পাইওয়্যার (Spyware) – ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে।

র‌্যানসমওয়্যার (Ransomware) – ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে এবং মুক্তিপণ দাবি করে।

অ্যাডওয়্যার (Adware) – অনাকাঙ্ক্ষিত বিজ্ঞাপন দেখিয়ে বিরক্ত করে এবং কখনও ডেটা সংগ্রহ করে।

এসব ম্যালওয়ার সাইবার নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি, তাই আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার, সন্দেহজনক লিঙ্ক এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত ডেটা ব্যাকআপ রাখা জরুরি।

অরবিট এন্ড লিজেন্ড কোচিংএসএসসি ২০২৫ এর ফলাফল A+( ২)A (১০)A-(১১)সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সকলের আগামী জীবনের পথচলা সুন্দ...
11/07/2025

অরবিট এন্ড লিজেন্ড কোচিং
এসএসসি ২০২৫ এর ফলাফল
A+( ২)
A (১০)
A-(১১)
সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সকলের আগামী জীবনের পথচলা সুন্দর ও সাফল্য মন্ডিত হোক। সকলের আগামী শিক্ষা জীবন সুন্দর হোক। এই প্রত্যাশা করি।

Class 8 ar model test exam ar science question
28/06/2025

Class 8 ar model test exam ar science question

25/06/2025
এইস এস সি ২০২৫ ব্যাচের বিদায়ী অনুষ্ঠান।
25/06/2025

এইস এস সি ২০২৫ ব্যাচের বিদায়ী অনুষ্ঠান।

Address

Banorgati Bazar
Khulna
9100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অরবিট এন্ড লিজেন্ড কোচিং posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to অরবিট এন্ড লিজেন্ড কোচিং:

Shortcuts

Share