Khulna University

Khulna University Khulna University was established 4th January 1987. There are 8 schools and 29 disciplines under these schools & 2 Institute. Phill & Ph. D. Degrees Awarded.
(215)

Founded in 1991 in southwestern Bangladesh, Khulna University is a public university with 29 disciplines under 8 schools, including Science, Engineering & Technology, Life Sciences, Business, Social Science, Arts, Law, Education, and Fine Arts. Starting of Academic Activities 31th August 1991 & Formal Inauguration of Academic Activities 25th November 1991. Bachelor, Bachelor Hon's, Masters, M. More...http://ku.ac.bd/

খুবিতে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বালাই ও রোগজীবাণু দমনে কৃষক প্রশিক্ষণখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগ...
28/09/2026

খুবিতে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বালাই ও রোগজীবাণু দমনে কৃষক প্রশিক্ষণ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘ইকো-ফ্রেন্ডলি অ্যাপ্রোচেস ইন পেস্ট এন্ড প্যাথোজেন্স’ শীর্ষক কৃষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার) ‘মর্ফো-মলিকিউলার এন্ড স্মার্ট টেকনোলজি-বেইজড ইনসেক্ট এন্ড ডিজিজ ডিটেকশন, দেয়ার বায়োলজিক্যাল ম্যানেজমেন্ট এন্ড ট্রান্সফরমেশন’ শীর্ষক হিট সাব-প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
সকালে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ সফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের এসপিএম সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মোস্তফা কামাল এবং প্রকল্পের সদস্য প্রফেসর ড. মোছা. সাবিহা সুলতানা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এএসপিএম প্রফেসর ড. শিমুল দাস।
কৃষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন অশোক বকশি ও পূর্ণিমা রানী সাহা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর তিনটি টেকনিক্যাল সেশনে কৃষকদের দানাদার ও সবজি ফসলের প্রধান কীটপতঙ্গ এবং উদ্ভিদ রোগ ব্যবস্থাপনায় পরিবেশবান্ধব, জৈবিক ও টেকসই পদ্ধতি সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান দেওয়া হয়। একই সঙ্গে রাসায়নিক বালাইনাশকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য, উপকারী জীব ও মানবস্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল ফসলের পোকামাকড় ও রোগজীবাণু ব্যবস্থাপনায় কৃষকদের পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এতে খুলনার বটিয়াঘাটা, দিঘলিয়া, ডুমুরিয়া, দাকোপ ও তেরখাদা উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা অংশগ্রহণ করেন।

খুবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিতওষুধ শিল্পের বৈপ্লবিক পরিবর্তনে ফার্মাসিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে : উপ-উপাচার্য...
28/09/2026

খুবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত
ওষুধ শিল্পের বৈপ্লবিক পরিবর্তনে ফার্মাসিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে : উপ-উপাচার্য

‘সুস্থতর ভবিষ্যতের জন্য ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়ন’ প্রতিপাদ্যে আজ ২৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে ফার্মেসী ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, ফার্মা হেলথ ডেস্ক, ফার্মা ডিবেট, ফার্মা অলিম্পিয়াড ও উইটি ডিবেট আয়োজন করা হয়।
বেলা ১১.৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান।
এ সময় তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে তিন শতাধিক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি রয়েছে। দেশের ওষুধ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। ওষুধ শিল্পের এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনে ফার্মাসিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। যুগান্তকারী অনেক আবিষ্কার ফার্মাসিস্টদের হাত ধরে এসেছে, যা স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজ ও কার্যকর করেছে। জীবন রক্ষাকারী ওষুধ আবিষ্কার এবং এর সঠিক ডোজ নির্ধারণেও ফার্মাসিস্টরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তরুণ ফার্মাসিস্টদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা দেওয়া হলে তারাও দক্ষতার সঙ্গে নিজেদের বিকশিত করতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বলেন, স্বাস্থ্যখাত যদি একটি যুদ্ধক্ষেত্র হয়, তাহলে ফার্মাসিস্টরা সেই যুদ্ধের যোদ্ধা। ফার্মাসিস্ট ছাড়া আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা কল্পনা করা যায় না। কোনো একটি পক্ষের একক প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়, বরং সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। ফার্মেসি শিল্প একটি জ্ঞানভিত্তিক শিল্প। তাই এ শিল্পকে আরও সুসংগঠিত ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য ও সহনীয় করতে হবে।
ডিসিপ্লিন প্রধান (চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. জামিল আহমেদ শিল্পীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেন, ফার্মেসী ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. সমীর কুমার সাধু ও আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
গেস্ট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন এসএমসি এন্টারপ্রাইজের জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ফার্মেসী ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক গাজী মোঃ মনজুর মুরশিদ। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন ২১ ব্যাচের নাঈমুর রহমান এবং ২৩ ব্যাচের রাহাত বিন আলিফুন।
পরে ফার্মা ডিবেট, ফার্মা অলিম্পিয়াড ও উইটি ডিবেট অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এর আগে সকালে বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেন। পরে তাঁর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের অধিকাংশ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসব কর্মসূচিতে ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

24/09/2026

খুবির শিক্ষা ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক সুবর্ণা সরকারের মাতার মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক সুবর্ণা সরকারের মাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শান্তি লতা মল্লিক আজ ২৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টায় হাজী মহসীন রোডস্থ নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বেশ কিছুদিনযাবত বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৭৭ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, ১ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সন্ধ্যা ৭টায় খুলনাস্থ রূপসা মহাশ্মশানে তাঁর অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক সুবর্ণা সরকারের মাতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
অনুরূপভাবে শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, শিক্ষা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ ইমদাদুল হক, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল জব্বারসহ ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে অনন্য সাফল্য অর্জনে খুবির ৯ উদ্ভাবনী দলকে সংবর্ধনাবাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ বিজয়ী হয়ে অনন্য ...
21/09/2026

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে অনন্য সাফল্য অর্জনে খুবির ৯ উদ্ভাবনী দলকে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ বিজয়ী হয়ে অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গত ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে তিন দিনব্যাপী এ ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ ফেয়ারে তিনটি সরকারি ও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে যৌথভাবে বিজয়ী হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এই পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম। এ সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণকারী নয়টি উদ্ভাবনী দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
আজ ২১ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগত ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী ‘স্মার্ট হুইলচেয়ার’ প্রকল্পসহ অংশগ্রহণকারী নয়টি উদ্ভাবনী দলের টিম লিডারদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
এ সময় উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে বিজয়ী হওয়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের। এ অর্জনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার স্বীকৃতি মিলেছে। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক প্রতিযোগিতার পাশাপাশি উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার ক্ষেত্রেও নিজেদের স্বতন্ত্রভাবে তুলে ধরতে হবে। এজন্য তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তিকে আরও বিকশিত করতে হবে।
তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনগুলো খুঁজে বের করা, সেগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা এবং উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, উদ্ভাবনী ধারণা ও প্রযুক্তিকে চিহ্নিত করে যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া গেলে এগুলো দেশের বাস্তব সমস্যা সমাধান এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে।
উপাচার্য আরও বলেন, ইনোভেশন ফেয়ারে ব্যক্তিগত ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী ‘স্মার্ট হুইলচেয়ার’ প্রকল্পসহ সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনগুলোর পেটেন্ট নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব উদ্ভাবনকে আরও উন্নত, ব্যবহারোপযোগী ও প্রয়োজনে বাণিজ্যিকীকরণের উপযোগী করে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এ ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা দেবে। এ কৃতিত্ব অর্জনে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ইনোভেশন হাবের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান বলেন, শিক্ষার্থীদের এ সাফল্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গর্বিত। তাদের সাফল্যের মধ্য দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি বলেন, গবেষণার মূল লক্ষ্য মানবকল্যাণ। গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বর্তমান সরকার গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের উদ্ভাবন বেরিয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেন ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সালাউদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ইনোভেশন হাবের পরিচালক প্রফেসর ড. জিএম আতিকুর রহমান। এছাড়া সংবর্ধিত প্রকল্পগুলোর প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।
সংবর্ধিত দলগুলো হলো স্মার্ট হুইলচেয়ার, নিও সেভার, এআই-বেজড ক্যাম্পাস সিকিউরিটি, ব্লিস সিহাত, হাই ভোল্টেজ এনার্জি-এফিশিয়েন্ট থ্রিডি প্রিন্টার, ইকোলিংক, এআই-পাওয়ার্ড ইসিজি স্ক্রিনিং ডিভাইস, ট্রু-সাইট ও আরবান আর্থ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের রিসার্চ অফিসার সাজ্জাদ হোসেন তুহিন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, শিক্ষক এবং সংবর্ধিত দলগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্কোপাস ইনডেক্সড Q1 ও Q2 জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশে খুবির ৩৬ শিক্ষার্থীকে বিশেষ প্রণোদনাআন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Scopus ...
21/09/2026

স্কোপাস ইনডেক্সড Q1 ও Q2 জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশে খুবির ৩৬ শিক্ষার্থীকে বিশেষ প্রণোদনা

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Scopus ডাটাবেজে সূচিভুক্ত এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ভিত্তিক র‌্যাংকিংয়ে Q1 ও Q2 কোয়ার্টাইলে অবস্থানকারী জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের স্বীকৃতিস্বরূপ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২২ জন Q1 এবং ১৪ জন Q2 জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন। শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও প্রকাশনায় উৎসাহিত করতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো এ ধরনের বিশেষ প্রণোদনা প্রদান করা হলো।
আজ ২১ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআরপি লেকচার থিয়েটারে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রণোদনাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে অর্থের চেক ও সনদপত্র তুলে দেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, বিশ্বজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্রমাগত তাদের গবেষণা ও মানসম্পন্ন প্রকাশনার পরিমাণ বাড়াচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান শুধু তার নিজের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে না; একই সময়ে বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও প্রকাশনায় কতটা এগিয়ে যাচ্ছে, তার ওপরও সেই অবস্থান নির্ভর করে। তাই শুধু নিজেদের আগের অবস্থানের তুলনায় ভালো করলেই হবে না, বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় যে গতিতে গবেষণায় এগিয়ে যাচ্ছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদেরও গবেষণার পরিমাণ ও গুণগত মান দুটিই বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈজ্ঞানিক অবদানের গুণগত মান ও পরিমাণ বাড়াতে শিক্ষক-গবেষকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরও গবেষণা ও প্রকাশনায় আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। শিক্ষকদের মানসম্পন্ন গবেষণা ও প্রকাশনাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আমরা মনে করেছি, শিক্ষার্থীদের গবেষণা প্রকাশনাকেও প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষকতার আওতায় আনা জরুরি। সেই উপলব্ধি থেকেই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের জন্য এ বিশেষ প্রণোদনা চালু করা হয়েছে।
উপাচার্য আরও বলেন, একটি গবেষণামুখী বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে গবেষণাকে শুধু শিক্ষক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। শিক্ষাজীবন থেকেই শিক্ষার্থীদের গবেষণা, বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রকাশনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত গবেষণা প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক দৃশ্যমানতা আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের দক্ষ গবেষক তৈরির পথও আরও সুগম হবে।
তিনি প্রণোদনাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই প্রণোদনা কেবল একটি গবেষণাপত্র প্রকাশের স্বীকৃতি নয়, বরং আরও উচ্চমানের, উদ্ভাবনী ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গবেষণায় সম্পৃক্ত হওয়ার অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও বেশি শিক্ষার্থী মানসম্পন্ন গবেষণা ও প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বলেন, শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আরও উৎসাহী করে তুলতেই এ বিশেষ প্রণোদনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গবেষণার ক্ষেত্রে শুধু প্রকাশনার সংখ্যা নয়, এর গুণগত মান, গবেষণামূল্য ও প্রায়োগিক গুরুত্বও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং তাঁদের সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করার মাধ্যমে ভবিষ্যতের দক্ষ গবেষক তৈরি করতে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করছে। এ উদ্যোগ দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রের যুগ্ম পরিচালক প্রফেসর ড. খান মেহেদী হাসান।
প্রণোদনাপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের পিএইচডি শিক্ষার্থী প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাবের হোসেন এবং অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী সাবিহা তাসনিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের রিসার্চ অফিসার সাজ্জাদ হোসেন তুহিন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, শিক্ষক, গবেষক এবং প্রণোদনাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

খুবিতে সিরাত অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণব্যক্তিজীবনকে পরিশুদ্ধ করতে রাসুল (সা.) এর জীবনী অনুসরণ করতে হবে : উপাচার্যপবিত্...
20/09/2026

খুবিতে সিরাত অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণ

ব্যক্তিজীবনকে পরিশুদ্ধ করতে রাসুল (সা.) এর জীবনী অনুসরণ করতে হবে : উপাচার্য

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সিরাত অলিম্পিয়াড-২০২৬-এর চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ১৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাত ৯টায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
এ সময় উপাচার্য বলেন, ব্যক্তিজীবনকে পরিশুদ্ধ করতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী অনুসরণ করতে হবে। রাসুল (সা.)-এর জীবনাদর্শের আলোকে নিজেদের জীবন সাজাতে হবে। তাঁর জীবনী ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি মানবিকতা, ন্যায়, সততা, সহনশীলতা ও পরোপকারের অনন্য শিক্ষা। মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ, অন্যের অধিকার রক্ষা এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার ক্ষেত্রে রাসুল (সা.) আমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ।
তিনি বলেন, সিরাতুন্নবী পাঠের মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর জীবন, কর্ম ও আদর্শ সম্পর্কে জানতে হবে এবং সেই শিক্ষা নিজেদের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম যদি তাঁর আদর্শ ধারণ করে, তাহলে তাদের ব্যক্তিজীবনে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ আরও দৃঢ় হবে। একই সঙ্গে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে শান্তি, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ ইমদাদুল হক ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সালাউদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল কুদ্দুস।
প্রতিযোগিতায় হামদ, নাত, গজল ও সিরাত কুইজ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে সিরাত অলিম্পিয়াড উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আলোচনা করেন খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসা, খুলনার শিক্ষক ও খতিব মুফতি সাঈদ হোসেন এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আহমেদ রফিক।
অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

খুবিতে তিন দিনব্যাপী ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন অনুষ্ঠিতকূটনীতি ও সংলাপের মাধ্যমে বৈশ্বিক নেতৃত্বের দক্ষতা গড়ে তুলছে ছায়া জাতি...
19/09/2026

খুবিতে তিন দিনব্যাপী ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কূটনীতি ও সংলাপের মাধ্যমে বৈশ্বিক নেতৃত্বের দক্ষতা গড়ে তুলছে ছায়া জাতিসংঘ : উপাচার্য

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দিনব্যাপী খুলনা ইউনিভার্সিটি মডেল ইউনাইটেড নেশনস (KUMUN)'26 অনুষ্ঠিত হয়েছে। 'Order in Disruption: Redefining Global Governance in a Fragmented World' প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধির ভূমিকায় বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সমসাময়িক বিভিন্ন সংকট নিয়ে আলোচনা, বিতর্ক ও কূটনৈতিক সমঝোতার অনুশীলনে অংশ নেন।
আজ ১৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব নানা ধরনের সংঘাত, অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ বাস্তবতায় শুধু নিজের মতামত তুলে ধরাই যথেষ্ট নয়, অন্যের অবস্থান বোঝা, ভিন্নমতকে সম্মান করা এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করার সক্ষমতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মডেল ইউনাইটেড নেশনস শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই কূটনৈতিক মনোভাব ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হতে হবে। পাবলিক স্পিকিং, বিতর্ক, সমঝোতা, দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা এবং একাধিক ভাষায় দক্ষতা অর্জন তাদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও আত্মবিশ্বাসী ও কার্যকর করে তুলবে।
উপাচার্য বলেন, জাতিসংঘের আদলে এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিশ্ব সম্পর্কে জানতে, বৈশ্বিক সমস্যাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে এবং যুক্তি ও সংলাপের মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে শেখায়।
তিনি বলেন, মতপার্থক্য থাকবেই, কিন্তু সেই মতপার্থক্য যেন বিভাজন তৈরি না করে। সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মাধ্যমেই আমাদের সেতুবন্ধন তৈরি করতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের অনুরূপ এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করায় তিনি আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সালাউদ্দীন, দ্য অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান এবং সংগঠনের উপদেষ্টা ও ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ এনামুল হক হীরা। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল অহনা আনহা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জাকিয়া ফারহানা চৌধুরী মাধুরী ও আলমা ফারহা। এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সৈয়দ ওয়ালিদ হাসান।
তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৪০টির অধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিত্ব করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা, মতবিনিময়, বিতর্ক, সমঝোতা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।
'Towards Democracy Through Diplomacy' স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত KUMUN'26-এর লক্ষ্য ছিল তরুণদের মধ্যে কূটনৈতিক দক্ষতা, নেতৃত্ব, সমালোচনামূলক চিন্তা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং বৈশ্বিক নাগরিকত্বের বোধ বিকশিত করা।

খুবিতে প্রভাষকদের ৪ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন ট্রেনিং শুরুকোয়ালিটি এডুকেশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান উপাচার্...
19/09/2026

খুবিতে প্রভাষকদের ৪ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন ট্রেনিং শুরু

কোয়ালিটি এডুকেশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান উপাচার্যের

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে ‘ফাউন্ডেশনাল ট্রেনিং ফর ইয়াং ফ্যাকাল্টি অন ইউনিভার্সিটি টিচিং-লার্নিং এন্ড এডমিনিস্ট্রেশন’ শীর্ষক ৪ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। আজ ১৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার) আইকিউএসির ট্রেনিং রুমে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়।
সকালে প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচিং-লার্নিং ব্যবস্থায় সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে আউটকাম বেজড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম অনুসরণ করা হচ্ছে। শিক্ষকদের এ পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিয়ে কোয়ালিটি এডুকেশন প্রসেসের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হবে। শুধু নবীন শিক্ষক নয়, জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদেরও কারিকুলাম ও শিক্ষণ-শিখন পদ্ধতি সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট থাকতে হবে। একইসঙ্গে তিনি নবীন শিক্ষকদের গবেষণায় আগ্রহী হয়ে নিজেদের আরও বেশি সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।
আইকিউএসি পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. এস এম তৌহিদুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ওয়াসিউল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর উপাচার্য রিসোর্স পারসন হিসেবে ‘প্রফেশনাল নলেজ এন্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং অব টিচিং লার্নিং ইন হায়ার এডুকেশন’ শীর্ষক সেশন পরিচালনা করেন।
প্রভাষকদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষণ-শিখন পদ্ধতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পর্কে মৌলিক ধারণা এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সহায়তার লক্ষ্যে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকরা অংশগ্রহণ করছেন।

খুবিতে ক্যাফে আনপ্লাগ সিজন-১০ অনুষ্ঠিতখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ’২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘ক্যাফ...
18/09/2026

খুবিতে ক্যাফে আনপ্লাগ সিজন-১০ অনুষ্ঠিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ’২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘ক্যাফে আনপ্লাগ সিজন-১০’ অনুষ্ঠিত হয়। আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া চত্বরে আয়োজিত এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
এ সময় তিনি বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও র‌্যাগ ব্যাচের (২২ ব্যাচ) শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এই মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে। পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা সহশিক্ষামূলক নানা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে সবসময় মুখরিত রাখে। এটা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য। তিনি অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সালাউদ্দীন। এই প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানে ’২২ ব্যাচসহ বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

খুবিতে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ক্লাবের উদ্যোগে...
17/09/2026

খুবিতে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ক্লাবের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আজ ১৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে ফিতা কেটে ‘গিভ এন্ড টেক সেশন-৪’ শীর্ষক এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আগামী ৫ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও ইতোমধ্যে অনেক বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ- শিক্ষার্থীদের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ ধরনের কর্মসূচি পরিবেশ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা নিয়মিতভাবে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এ ধরনের উদ্যোগ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চালু করা গেলে পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন ও টেকসই উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
পরে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের হাতে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা তুলে দেন। এ সময় ক্লাবের পক্ষ থেকে উপাচার্যকে গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ নবীউল ইসলাম খান, গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম রাক্কিবু, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সালাউদ্দীন, অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. আরিফা শারমিন, কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ এনামুল কবীর, পরিবহন পুলের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. আব্দুস সোবহান মল্লিক, ক্লাবের সভাপতি আসিফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক হৃদয় দেবনাথসহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্য ও শিক্ষার্থীরা।

Address

Khulna University
Khulna
9208

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8802477734150

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khulna University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Khulna University:

Shortcuts

Share