19/12/2025
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি..........
It is for educational purpose
19/12/2025
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি..........
18/12/2025
আমি উন্মাদ, আমি ঝন্ঝা!
আমি ভীতি এ ধরিত্রীর;
বল বীর
চির-উন্নত মম শির! 🇧🇩
একটা রেজাল্ট তোমার জীবন পরিবর্তন করে দেবে না। যারা A+ পেয়েছো তাদের অভিনন্দন আর যারা পাওনাই তাদেরকেও অভিনন্দন কারণ এই আঘাতটা দরকার ছিলো তোমার পড়াশোনা আর জীবন নিয়ে সিরিয়াস হওয়ার জন্য। তাই ব্যার্থতা ভুলে নতুন করে শুরু করো। সামনে এডমিশন , যত পারো এখন কান্না করো যাতে এডমিশনের পর আর কান্না করা না লাগে। এমনভাবে প্রস্তুতি নাও যেন এটা জাস্ট একটা দুস্বপ্ন বলে মনে হয় এডমিশনের পর। যারা ভালো করেছো তারা অতিআনন্দে গা ছাড়া ভাব দিলে জীবনের সবচেয়ে ব্লান্ডারটা করে ফেলবা, বদরের যুদ্ধকে স্মরণ করো। তাই যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি, পরিশ্রম চালিয়ে যাও আগের চেয়ে দ্বিগুন বেগে। সফলতাকে সবাইকে সফল হিসেবেই সুখি দেখতে চাই।
সবার জন্য সুভকামনা। আল্লাহ সবার জন্য এই জার্নিটাকে সহজ করে দিক। আমীন।
One result will not change your entire life. Congratulations to those who got an A+, and congratulations also to those who didn’t — because this setback is exactly what you needed to become serious about your studies and your life. So, forget failure and start anew. The admission tests are ahead — cry as much as you want now, so that you won’t have to cry after the admission results. Prepare yourself in such a way that, after the admission test, this result feels like nothing more than a bad dream.
And those who did well — if you become careless out of overexcitement, that will be the biggest blunder of your life. Remember the Battle of Badr — the war is not over yet. Keep working hard, twice as much as before.
May everyone find success, and may Allah make this journey easy for all. Ameen.
01/09/2025
হিগস কণা এমন এক ধরণের কণা যার সংস্পর্শে কোন বস্তু আসলে তা ভরে পরিণত হয়। যেগুলো আংশিক সংস্পর্শে আসে তারা আলোয় পরিণত হয়। আর যারা হিগস কণার সংস্পর্শে আসে না তারা অদৃশ্যমান থাকে।মহাবিশ্বের মাত্র ৫% ভর দৃশ্যমান। বাকী ৯৫% অদৃশ্যমান। কি অদ্ভুত!!!
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকদের দাবি তারা ল্যাবরেটরিতে এমন এক ধরনের তরল তৈরি করেছেন যার ভর বা mass নেগেটিভ। শুনতে যতটা অদ্ভুত লাগে বিষয়টা ততটাই মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো। এই তরলের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে—আপনি যদি এটিকে ধাক্কা দেন তাহলে এটি সামনে না গিয়ে উল্টো পেছনের দিকে ত্বরান্বিত হয়। এমন আচরণ বিজ্ঞানীদেরকে হয়তো ব্ল্যাক হোল আর নিউট্রন তারার ভেতরে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত ঘটনাগুলো সম্পর্কে নতুন কিছু ধারণা দিতে পারে।
তাহলে নেগেটিভ ভর মানে কী? সহজভাবে বললে ভর হলো কোনো বস্তুতে কতটা পদার্থ আছে তার পরিমাপ। তাত্ত্বিকভাবে ভর পজিটিভ বা নেগেটিভ দুই রকমই হতে পারে, যেমন বিদ্যুতের চার্জ পজিটিভ বা নেগেটিভ হয়। নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী, ত্বরণ = বল ÷ ভর। যদি ভর নেগেটিভ হয় তাহলে বল দিলে ত্বরণ উল্টো দিকে হবে। তাই কোনো গ্লাস ঠেললে সেটা সামনে না গিয়ে আপনার দিকে চলে আসা এটাই নেগেটিভ ভরের আচরণ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, নেগেটিভ ভর বাস্তবে থাকলে তা হয়তো ডার্ক এনার্জি, ব্ল্যাক হোল বা নিউট্রন তারার মতো জটিল বিষয় বোঝাতে কাজে লাগতে পারে। তাই তাঁরা ল্যাবে এমন একটি অবস্থা তৈরি করেছিলেন যেখানে পদার্থ নেগেটিভ ভরের মতো আচরণ করেছে।
এই নতুন পরীক্ষায়, তাঁরা রুবিডিয়াম নামের এক ধরনের ধাতুর পরমাণু নিয়ে এবং লেজারের সাহায্যে একে অ্যাবসোলিউট জিরোর কাছাকাছি তাপমাত্রায় ঠান্ডা করেন। এই অবস্থায় পরমাণুগুলো একসঙ্গে মিলে বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট নামে একটি বিশেষ অবস্থা তৈরি করে। এখানে কণাগুলো খুব ধীরে চলে এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অদ্ভুত নিয়মে আচরণ করে। এরপর এই কণাগুলো সুপারফ্লুইডে পরিণত হয় যা কোনো ঘর্ষণ ছাড়াই প্রবাহিত হয়। বিজ্ঞানীরা লেজারের ফাঁদে এই সুপারফ্লুইডকে আটকে রাখেন, তখনও এর আচরণ স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তারা দ্বিতীয় একটি লেজার ব্যবহার করে কণাগুলোর স্পিন পরিবর্তন করে ফাঁদ ভেঙে দেন।
ফাঁদ ভাঙার পর রুবিডিয়াম পরমাণুগুলো হঠাৎ এমনভাবে বাইরে বেরিয়ে এল যে মনে হচ্ছিল তারা নেগেটিভ ভরের মতো আচরণ করছে। মানে, ঠেললে তারা উল্টো দিকে সরে যাচ্ছে যেন অদৃশ্য কোনো দেয়ালে ধাক্কা খাচ্ছে। এখনও নিশ্চিত নয় যে এই আবিষ্কার দিয়ে সরাসরি মহাবিশ্বের রহস্য সমাধান করা যাবে কি না। অন্য গবেষকদেরও একই ফলাফল পাওয়া দরকার। বিজ্ঞানীরা বলছেন, পদার্থবিজ্ঞান যতই এগোচ্ছে, ততই অদ্ভুত হয়ে উঠছে আর এই নেগেটিভ ভরের তরল তারই এক নতুন উদাহরণ।
Welcome everyone
এই পেজটা খোলার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে Academic and Admission রিলেটেড যে কোন সমস্যা নিয়ে আলোচনা ও সমাধান করা। কোন টপিকস বা ম্যাথে ডাউট থাকলে তা পোস্ট আকারে সাহায্য চাওয়া এবং কারো সমস্যার সমাধান জানা থাকলে তা কমেন্ট বা পোস্ট করে জানাবে। পোস্টে অবশ্যয # ট্যাগ ব্যবহার করে টপিকের নাম উল্লেখ করতে হবে।
আমাদের সম্পর্ক হবে পারষ্পারিক সহযোগীতার
এবং উদ্দেশ্য হবে নিজে শেখা এবং অন্যকে শিখানো। অন্যকে শেখালে নিজের জ্ঞান আরো সমৃদ্ধি পায় যা একটি মহৎ কাজ। অন্যকে শিখানোর মজা সত্যিই উপভোগের
তাই চলো নিজে শিখি ও অন্যকে শিখায়।
বি.দ্রঃ আজেবাজে পোস্ট ও কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।