বসে বসে আমি এদের খেলা দেখি🥰🥰
Anika's manuscript
Alhamdulillah for everything
আমরা সবাই একসাথে শুনি
সারা বাসা খুজে দেখি লিটারে ঘুমাচ্ছে
যে সব কারণে আমি শ-হী-দ হতে চাই —
১. হিসাব দিয়ে জান্নাতে যাওয়া কঠিন। দ্বীনের জন্য শ-হী-দ হতে পারলে বিনা হিসাবে জান্নাতে যাওয়া যাবে।
২. সাধারণ মৃত্যুর কষ্ট খুবই কঠিন, শ-হী-দ হতে পারলে পিঁ-পড়ার কাম-ড়ের মত সহজেই বিনা কষ্টে মৃত্যু হবে।
৩. শ-হী-দি মৃত্যুর শ্রেষ্ঠ পুরস্কার দেখে তা পাওয়ার আকর্ষণে রাসূল (সা.) তিনবার জীবিত হয়ে তিনবার শ-হী-দ হতে চেয়েছেন। তাঁর শ-হী-দ হওয়ার আকর্ষণই আমার আকর্ষণ।
৪. দুনিয়ার সব কিছুর চেয়ে অনেক বেশি মর্যাদা শহী-দের মর্যাদা যা আল্লাহর কাছে আছে, তা দেখে একমাত্র শহী-দ ব্যতীত কেউ আবার দুনিয়াতে ফিরে আসতে চাইবে না। জান্নাতে থেকেও যে শহী-দি মৃত্যুর জন্য আসার ইচ্ছা হবে সেটার সুযোগ হাতছাড়া না করা।
৫. জান্নাতে শ-হীদ-দের ঘরের চাইতে সুন্দর ঘর আর নেই। এই ঘরের অধিকারী হওয়ার তীব্র আকাঙ্খা।
৬. বদ-রের যু-দ্ধে-র দিন হারিসা (রা.) শ-হী-দ হলেন। আর তখন তিনি অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন। রাসূল (সা.) হারিসা (রা.)-এর মাকে বললেন, তোমার ছেলে হারিসা তো রয়েছে জান্নাতুল ফিরদাউসের মাঝে।
৭. মহিলারাও শ-হীদ হয়েছেন, হিজরতের পূর্বে ইসলামে সর্বপ্রথম শ-হী-দ হওয়ার মর্যাদা লাভ করেছেন শহী-দি পরিবার হযরত আম্মার (রা.)-এর আম্মা হযরত সুমাইয়া রা.।
৮. শ-হীদ-দের জন্যই জান্নাতের সকল দরজা খোলা। সুন্দর সুন্দর পাখি হয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে তারা জান্নাতের সকল জায়গায় ঘুরে বেড়াবেন।
৯. “আল্লাহ শ-হীদ-কে জান্নাতের মধ্যে নবী, সিদ্দিকিনের সাথে এক কাতারে রাখবেন।” (সূরা আলে ইমরান : ৬৯)
১০. “আল্লাহ তোমাদের মধ্যে কিছু লোককে শ-হী-দ হিসেবে গ্রহণ করতে চান।” সেই সৌভাগ্যবানদের কাতারে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ইচ্ছা।
১১. সূরা মুহাম্মাদের চতুর্থ আয়াতে আল্লাহ বলেন : “আর যারা আল্লাহর পথে নি-হ/ত - শ-হী/দ হবে আল্লাহ কখনো তাদের আমলসমূহ ধ্বংস করবেন না।”
১২. সূরা আলে ইমরান ১৫৭ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন যদি তোমরা আল্লাহর পথে নি-হত হও বা মা-রা যাও তা হলে তোমরা আল্লাহর যে রহমত ও ক্ষমা লাভ করবে, তা এরা যা কিছু জমা করে তার চাইতে ভালো।
১৩. সূরা আলে ইমরান ১৯৫ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন : যারা আমার জন্য ল-ড়েছে ও মা-/রা গেছে, তাদের সমস্ত গোনাহ আমি মাফ করে দেবো এবং তাদেরকে এমন সব বাগানে প্রবেশ করাবো যার নিচে দিয়ে ঝর্ণাধারা বয়ে চলবে। এসব হচ্ছে আল্লাহর কাছে তাদের প্রতিদান এবং সবচেয়ে ভালো প্রতিদান আল্লাহর কাছেই আছে।
১৪. সাধারণ মৃত্যুতে মরণের সময় ক্ষণ জানা যায় না, ফলে তওবা করার ও অনুতপ্ত অশ্রুসিক্ত অবস্থায় প্রাণভরে আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায় না। কিন্তু শ-হী-দে-র ক্ষেত্রে সাধারণত মৃত্যুর সময় ক্ষণ জানতে পারা যায়। ফলে জীবনের কৃত সমস্ত গুনাহ খাতার জন্য অনুতপ্ত হৃদয়ে অকল্পনীয় অশ্রুসিক্ত পরিবেশে আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়া যায়, মাফ চাওয়ার সুযোগ হয়।
~ অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
৩০ বছর বয়সটা ভীষণ অদ্ভুত। বেশিরভাগ মেয়েদেরই এসময়টায় বিয়ের ৩/৪ বছর সময় চলে। কারো কারো হয়তো একটা দুটো ছোট্ট ছানা..। হয়তো তখনো কারো সংসারের মায়া ধাঁধায় আটকে পড়া হয়নি। তবুও হটাৎ করেই আয়নায় চোখ পড়লে সেই কিশোরী বেলার মত অনেক ক্ষন তাকিয়ে থাকা আর হয়ে ওঠে না!
এই বয়স টা ভীষণ একলা! ভীষণ হিসেবী। ১৮'র তরুনীর মত চাইলেই দুচোখ ভরে কাজল পড়ে ঝুম বৃষ্টি ভেজা হয়ে ওঠে না । লোকে ন্যাকামি বলে। ৪০'র মত সংসারের যাবতীয় সিদ্ধান্তে ঘরের মধ্যমনি হওয়া যায় না! লোকে জ্যাঠামি বলে।
ত্রিশ বয়সটা ভীষণ অভিমানী। হটাৎ করেই মনে হয় আগের সেই উথাল পাথাল প্রেম গুলো আর নেই। প্রতিদিন নিজেকে একটু একটু করে বদলাতে থাকা।
ত্রিশ ছুঁয়ে যাওয়া এই বয়সটা বিষণ্ণ। একটা ভীষন চঞ্চল পাখি খাঁচায় বন্ধী হবার অনেক দিন বাদে পালাবার আশা ছেড়ে দিয়ে খাঁচাটাকেই ভালবেসে ফেলার মত বিষণ্ণ!
"আমি ক্ষমাপ্রার্থী"
ইসলামে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, গীবতকারীকে লাইলাতুল কদরেও ক্ষমা করা হবে না..!! যতক্ষণনা সে তার (যার নামে গীবত করা হয়েছে) কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে।
আমাকে যারা কষ্ট দিয়েছেন কখনো, আমার সম্মুখে বা অজ্ঞাতে আমার সমালোচনা বা গীবত করেছেন.....আমি তাদের ক্ষমা করে দিলাম..
একই সাথে, আমি একজন মানুষ, আমি হয়তো গীবত
করেছি বা আপনার সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছি তাই আমি বিনীতভাবে আপনাদের সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।
আমি দুঃখিত, আপনাকে যে সমস্ত ব্যথা দিয়েছি তার জন্য এবং আপনি যদি কোনও দিন কাঁদেন অথবা আমার কারণে খারাপ অনুভব করে থাকেন তার জন্যও। আমাদের আত্মা পরিষ্কার করা ভাল যাতে আমাদের সিয়াম, কিয়াম এবং দোয়া আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) কবুল করেন। আমিও আপনার জন্য দোয়া করব, ইনশা আল্লাহ্
আল্লাহ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুন।
আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে রহমত, বরকত,
হিদায়াত, ঈমান, তাকওয়া ও সবর দান করুন। আমীন।
©
১.ভাবী! আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না, দেখে মনে হয় মাত্র মাধ্যমিক পাশ করছেন! সিরিয়াসলি!
২. ম্যাডাম, একটা কথা বলবো? অনেকদিন থেকে ভাবছি! কিন্তু বলবো বলবো করে বলা হচ্ছে না। আপনি এমনিতেই সুন্দর। কিন্তু নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়েছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে!
৩. মন খারাপ কেন ভাবী? ঝগড়া টগড়া করলো নাকি? আপনার মতো এ রকম একটা মানুষের সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না!
৪. একটা কথা বলি আপু! কিছু মনে করবেন না তো? আপনার কণ্ঠটা এত্ত সুন্দর! কোনো প্রিয় গান বারবার শুনলেও যেমন বিরক্তি লাগে না, আপনার কথাবার্তার স্টাইলও এরকম। টানা ২৪ ঘন্টা শুনলেও বোরিং লাগবে না!
৫. আপনি যা ইচ্ছা মনে করতে পারেন, আজ থেকে আপনাকে আর আন্টি ডাকবো না, বলে দিচ্ছি। হুঁ! দেখলে মনে হয় আবার বিয়ে দেওয়া যাবে, আর আপনাকে ডাকবো আন্টি? না, আর না!
৬. একটা কথা বলবো? নীল শাড়ীতে আপনাকে দারুণ মানিয়েছে! না না, তেল দিচ্ছি না, সত্যি বলছি! সত্যি অনেকটা কোয়েল মল্লিকের মতো লাগে আপনাকে!
৭. জন্মদিনে এবার কি কি করলেন আপনারা?
আপনার ভাই অফিসের কাজে ব্যস্ত!!!!
কি যে বলেন! আমি এরকম একটা বউ পেলে জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক সপ্তাহের ছুটি নিতাম! হাসবেন না, সিরিয়াসলি!
-----------------------------------------------
বিঃ দ্রঃ - অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, কিছু কিছু মানুষ আছে, নিজের অফিসের কলিগ,পাশের বাসার ভাবী, কিংবা বন্ধুর বউ,পরিচিত আপু ম্যাডামদের সাথে এভাবেই কথা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এগুলো "জাস্ট প্রশংসাবাক্য"। এর গভীরে যে কত বড় লাম্পট্য, আর অসৎ কামনা লুকিয়ে আছে, খেয়াল না করলে বুঝার উপায় নেই। যারা এগুলো করে, এরা কিন্তু ফাঁদে ফেলবার জন্যেই করে! এদের স্বভাবই হলো ফ্লার্ট করে নিজের বশে আনা!
খুব স্মার্ট সুদর্শন পুরুষ দেখলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মহিলারাও এরকম ফ্লার্ট করে। সে সংখ্যাটাও কম না!! যে মহিলা জীবনে কোনোদিন স্বামীর বিকল্প স্বপ্নেও কল্পনাও করেন নি। মাঝে মাঝে ঝগড়া হয়, কিন্তুু স্বামীকে অনেক ভালোবাসেন। পর পুরুষের মুখে নিজের এত্ত সুন্দর প্রশংসা শুনে, "আমি হলে পায়ের কাছে পড়ে থাকতাম" কথাটা শুনে সেই মহিলাও ভাবেন, এই স্বামী আমাকে বঞ্চিত করছে, নিশ্চয়ই আমি আরও ভালো কিছু আশা করি!
যে মহিলা একটা সুখের সংসারে আছেন, বাচ্চা নিয়ে স্বামী স্ত্রী ব্যাস্ততার মাঝে কোনো কিছুর অভাবই বোধ করেন না, সে মহিলাও যখন বাইরের কারো কাছে নিজের কপালের তিলের এত্ত প্রশংসা শুনেন তখন তার মনে হতে পারে, "ওর সাথে এত্তদিন সংসার করলাম, ও তো একটা দিনের জন্যেও এভাবে আমার সৌন্দর্যের প্রশংসা করলো না!" নিজের বয়সের ব্যাপারে বাইরের পুরুষের প্রশংসা শুনে মহিলা, বারবার আয়নার সামনে নিজের চেহারা দেখেন। ভাবতে থাকেন, হ্যাঁ, আমি তো সুন্দরই। আর ওই পুরুষটাই আমার এ সৌন্দর্যের মূল্যায়ন করলো!
হ্যা, এভাবেই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ যা পৃথিবীর নিকৃষ্টতম সম্পর্ক বা পরকীয়া বা ঘর ভাংগার মত ক্ষতির কাজ। তথা কথিত একটা "ইনোসেন্ট প্রশংসা"ই ধ্বংস করে দিতে পারে একটা মানুষকে, একটা পরিবারকে! এটা ভাবার কোনো কারণ নাই যে, যারা "ভাবী" টার প্রশংসা করছে, এরা "ফ্রি মাইন্ড" এ ইনোসেন্ট মন নিয়ে করছে! নাহ, এরা অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই কুমতলব নিয়েই প্রশংসা করে!! যদি জীবনে সুখী হতে চান, কারো হালকা প্রশংসায় গলে যাবেন না। বরং এদের এড়িয়ে চলুন। প্রশংসা শুনতে সবারই ভাল লাগে। এভোয়েড না করলে, ধীরে ধীরে এদের ফাঁদে একদিন পড়বেনই। তাই কুকুর হইতে সাবধান।
আপনি যদি রোজার মধ্যে আড়ং এ যান তাহলে দেখবেন প্রচন্ড ভীড়। বিক্রি বাড়ার কারণে আড়ং অতিরিক্ত লোক নিয়োগ দিয়েছে। পেমেন্ট কাউন্টারের সামনে ৫/৬ জন কাস্টমার সিরিয়াল দিয়ে দাড়িয়ে আছে বিল দেয়ার জন্য। একেকজনের বিল ১৫/২০ হাজার টাকা করে। অনেকের ২০/৩০ হাজার টাকা। আমার ধারণা আড়ং এ যারা শপিং করেন তারা গড়ে ২০ হাজার টাকার প্রোডাক্ট কিনেন। যা বলছিলাম, এরকম কাউন্টার পাবেন একেকটা ব্রাঞ্চে ৪/৫ টা। প্রতি ঘন্টায় যদি একেকটা কাউন্টারে ১ লাখ টাকার বিল সেল হয় তাহলে ৫ টা কাউন্টারে প্রতি ঘন্টায় ৫ লাখ টাকা, প্রতি দিন কম হলেও একেকটা ব্রাঞ্চের সেল ১ কোটি টাকা হবে।
আপনি ভীড়ের ঠেলায় ঠিকঠাক কেনাকাটা করতে পারবেন না। আড়ং এ কাস্টমারের বাইরে খুব কম লোকই যায়। এত কাস্টমারের ভীড় দেখে আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে "আড়ং তাহলে বয়কট করল কারা?"
শুধু এ বছরই নয়, প্রতি বছর ই বিভিন্ন কারণে আড়ং বয়কটের ডাক আসে কিন্তু বয়কট আর করা হয় না।
এবার আসি তরমুজের বাজারে। রোজার শুরুতে তরমুজের দাম অনেক বেশি ছিল। আমি সহ আম জনতা তরমুজ বয়কট করেছে। বিক্রি কমে যাওয়ার তরমুজের দাম এখব হাতের বাগালে এসেছে অনেকের। এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। আমার ধারণা, কয়েকদিন গরম কম পড়ার কারণে তরমুজের চাহিদা কমে গেছে।
মানুষ তরমুজ বয়কট করছে কিন্তু আড়ং বয়কট করে নাই। কেন?
কারণ যারা আড়ং বয়কটের পক্ষে তাদের হাতে টাকা নাই। তারা এমনিতেও আড়ং এ যাওয়ার কথা না।
আড়ং এ কারা কেনাকাটা করতে যায়?
প্রথমেই বলে রাখি আড়ং হলো 'জাতে ওঠার জায়গা'। আপনি জাতে উঠতে চাইলে আড়ং এর পাঞ্জাবি পরবেন। আড়ংকে টেক্কা দিতে ইলিয়ন এসেছে যদিও আমার ধারণা তারা বেশিদিন মার্কেটে টিকবে না। আর যদি টিকেই যায় তাহলে আড়ং ভবিষ্যতে একটা শক্ত কম্পিটিটর পাবে।
আড়ং এ কেনাকাটা করে ৪ টা শ্রেনীর লোকজন।
১- ধনী
২-নব্য ধনী
৩-যারা গরিব কিন্তু নিজেকে ধনী হিসেবে শো অফ করার চেষ্টা করে।
আমার ধারণা সংখ্যায় ৩ নম্বর ই বেশি। এদের হাতে কোনো কারনে টাকা চলে এসেছে। এরা এখন জাতে উঠতে চায়। আর জাতে ওঠার জন্য এরা আড়ং থেকে কেনাকাটা করে।
ব্যাপারটা দুইটা উদাহরণ দিয়ে বোঝাই।
বিশ্ববিখ্যাত জামা কাপড়ের ব্র্যান্ড গুলো আমেরিকা ও পশ্চিম ইউরোপের ধনী দেশগুলোর জন্য এক ধরনের লোগো ইউজ করে আর সেইম ডিজাইনের কাপড়ের জন্য পূর্ব ইউরোপের গরিব দেশগুলোর জন্য আরেক ধরনের লোগো ইউজ করে। লোগো সেইম, জাস্ট সাইজের পার্থক্য। পূর্ব ইউরোপের লোকজন নব্য উঠতি ধনী। এদের শো অফ করা জরুরি। তাই আরমানি ব্র্যান্ডের কিছু কিনে তাদেরকে জাতে উঠতে হবে। আর আরমানির লোগোটা পূর্ব ইউরোপের জন্য বড় সাইজের হয় যাতে দূর থেকেও দেখে বোঝা যায় এটা আরমানির পোষাক। সেখানে ছোট লোগো থাকলে কেউ আরমানির কাপড় কিনবে না। আপনি সেইমব্র্যান্ডের কাপড়ের বিভিন্ন দেশের ডিজাইন গুলো তাদের ওয়েবসাইটে দেখলেই ঘটনাটা বুঝতে পারবেন।
বাংলাদেশের যেসব এলাকায় উঠতি ধনী প্রচুর হচ্ছে যেমন সাভার আশুলিয়া ধামরাই গাজীপুর নারায়ণগঞ্জ এর কিছু কিছু এরিয়া সেসব স্থানে দেখবেন ক্যাটস আই সহ অনেকগুলো দেশীব্র্যান্ডের দোকান খোলা হচ্ছে। এর কারণ ঐ একটাই-জাতে ওঠা। কাপড়ে লোগোর সাইজটা দেখা না গেলে এরা কাপড় কিনবেই না।
এবার আসেন লেখার ফিনিশিং এ। বাংলাদেশের যারা ধর্ম প্রাণ তাদের হাতে টাকা নাই। এই 'টাকা নাই' এর পরিমান হবে ৮০% এর উপরে যদিও এদের মধ্যে ধর্ম প্রাণ খুবই কম। এই 'টাকা নাই' পার্টি যদি আড়ং বয়কট করে তাহলে আড়ং এর কিছু যায় আসে না। তাহলে যাদের হাতে টাকা আছে তারা কেন আড়ং বয়কট করছে না? এর কারণ এরা 'সেকুলার' যারা ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু। এরা আল্লাহকে মানে কিন্তু আল্লাহর দেয়া বিধান মানে না। এদের অনেকেই নামাজ পড়ে কিন্তু হালাল ইনকাম করে না। এদের অনেকেই হজ্ব করে কিন্তু নামাজ রোজা হজ্বের বাইরেও যে ইসলাম আছে তা জানে না অথবা জানলেও মানতে চায় না। এদের সামনে আপনি ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলে দেখেন। আপনার সাথে তারা তর্ক করবে ইসলামের পক্ষে কিন্তু এদের টাকায় কেনা প্রোডাক্ট এর টাকা যে ইসলামের বিরুদ্ধে খরচ হচ্ছে এটা তারা চিন্তাও করবে না।
মুসলমানদের হাতে টাকা নাই এর অন্যতম কারন এদেরকে সব সময় গরিব থাকতে উৎসাহ দেয়া হয়। যে হুজুর ১ লাখ টাকার নিচে ওয়াজে যান না তিনিও প্রচার করেন "গরিবরা ধনীদের চেয়ে ৫০০ বছর আগে বেহেশতে যাবে" অথচ বেহেশতের সুসংবাদ প্রাপ্ত সাহাবীদের অর্ধেকে ছিলেন ধনী। শুধু ধনীই ছিলেন না, এদের সম্পদের তুলনা চলে এখনকার নাম করা কোম্পানির মালিকদের সাথে। আমরা গরিবি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকি আর সেকুলাররা টাকা কামিয়ে আমাদের কতৃত্বের আসনে চলে গেছে। আমাদের এখন তাদের অনুগ্রহে চলতে হয়। চাকরি বলেন, শিক্ষায় বলেন, টাকা পয়সায় বলেন সব দিক দিয়ে সেকুলাররা এগিয়ে গেছে। শুনতে খারাপ লাগলেও মসজিদ মাদ্রাসা সব সেকুলারদের টাকায় চলে। ৯৯% মসজিদ কমিটির সদস্য এখন সেকুলার, সুশীল সমাজের ৯৯% ই সেকুলার, প্রশাসনের বড় অংশ সেকুলার। আপনি তাদের শাসনেই আছেন এখন। নিজেকে সেকুলারদের চেয়ে বেশি যোগ্য হিসেবে গড়ে না তুললে আজীবন তাদের গোলামী করেই যেতে হবে।
Collected/Copied
নারীরা জান্নাতি হুরদের চেয়ে বহুগুণে বেশি সুন্দরী হবে। তাদের জন্য তাদের স্বামীদের থাকবে নিখুঁত এবং খাঁটি ভালোবাসা। হুরেরা হলো জান্নাতের একটি নেয়ামত। কিন্তু সঙ্গ এবং বন্ধুত্ব হবে স্ত্রীর সাথে। আল্লাহ হুরদের ব্যাপারে বলেননি যে, তারা মূল্যবান আসনে হেলান দিয়ে পানীয় পান করবে এবং আলাপচারিতায় মশগুল থাকবে। এটা হবে স্ত্রীদের জন্য।
আমাদের স্কলাররা বলেছেন, জান্নাতের নারীরা জান্নাতী হুরদের চেয়ে অসীমভাবে বেশি রূপবতী হবে। কারণ, নারীদেরকে জান্নাত উপহার দেওয়া হবে। আর হুরেরা হলো জান্নাতের একটি নেয়ামত। উভয়টার মাঝে কোনো তুলনা চলে না।
সুবহানাল্লাহ! এই পৃথিবীতে অনেক সময় বিয়ে সুখের হয় না। হয়তো দুজনেই ধার্মিক। তবু দাম্পত্য জীবন সুখের হয় না। কিন্তু উভয়ে যদি জান্নাতে যেতে পারেন আপনারা সেখানে সুখী হবেন। ঝগড়াবিহীন নিখুঁত ভালোবাসার জীবন হবে জান্নাতে।
তাই যদি এই দুনিয়াতে আপনার পার্টনারের সাথে পুরোপুরি মানিয়ে চলতে না পারেন, চিন্তা করবেন না, যদি উভয়ে ধার্মিক হয়ে থাকেন এবং বিয়ের বন্ধনে যুক্ত থাকেন, আল্লাহ বলছেন- 'উদখুলুল জান্নাতা আনতুম ওয়া আজওয়াজুকুম তুহবারুন।' তোমরা এবং তোমাদের সহধর্মিনীগণ জান্নাতে প্রবেশ কর একত্রে সুখে থাকার জন্য।
দুনিয়ার রূপকথার গল্পে আমরা পড়ে থাকি, এরপর দুইজন সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকলো। দুনিয়াতে এটা রূপকথা। যা কখনো ঘটে না। কিন্তু জান্নাতে এটি বাস্তবতা। আপনার স্বামী/স্ত্রী আপনার সুখের উৎসে পরিণত হবে।
আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা আপনার স্ত্রীকে পুনরায় নতুন করে সৃষ্টি করবেন। এটা সূরা ওয়াকিয়ায় পরিষ্কারভাবে বলে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন- اِنَّاۤ اَنۡشَاۡنٰهُنَّ اِنۡشَآءً - "তাদেরকে আমি সৃষ্টি করবো এক অভিনব সৃষ্টিতে।" এরপর কী করবো? فَجَعَلۡنٰهُنَّ اَبۡکَارًا - عُرُبًا اَتۡرَابًا - "অতঃপর তাদেরকে বানাব কুমারী, সোহাগিনী ও সমবয়সী।"
'উরুবান' অর্থ: সোহাগিনী, ভালোবাসায় পূর্ণ। দুনিয়ার বিয়ে কখনো কখনো ভালোবাসা নির্ভর হয় না। মাঝে মাঝে কটু কথা শুনতে হয়। কঠোরতা দেখা যায়। কিন্তু, জান্নাতের পার্টনার হবে উরুব। অর্থাৎ, স্বামী স্ত্রীর পরস্পরের জন্য থাকবে নিখুঁত ভালোবাসা। এবং তাদেরকে পুনরায় নিখুঁতভাবে সৃষ্টি করা হবে। 'আতরাবা' মানে সমবয়সী।
- ড. ইয়াসির কাদি
কন্যা সন্তানের জন্ম হলে এই কথাগুলো মনে রাখবেন
-- নোমান আলী খান
মারিয়াম সালামুন আলাইহার জন্ম কিছুটা আশ্চর্যজনক। খুব বেশি সংখ্যক মানুষের জন্মের কথা কুরআনে উল্লেখ করা হয়নি। তাঁর মা একটি ছেলে সন্তান আশা করছিলেন। কিন্তু তাঁর একটি মেয়ের জন্ম হল। কুরআনে এসেছে - " وَلَيْسَ الذَّكَرُ كَالْأُنثَىٰ - ওয়া লাইসাস জাকারু কাল ঊনসা।" (৩:৩৬) যার অনেকগুলো গভীর অর্থ রয়েছে। আমি এখন শুধু একটি অর্থের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছি। "এই মেয়েটি অন্য কোনো ছেলের মত নয়, এই মেয়েটি স্পেশাল।" (This girl is like no other boy, this girl is special)
প্রসঙ্গত, দয়া করে এই কথাগুলো মনে রাখবেন, পরেরবার আপনাদের কেউ যদি সন্তানসম্ভবা হয়ে থাকেন। আপনি আশা করছেন, আপনার মা আশা করছে, বাবা আশা করছে, চাচাতো-খালাতো ভাইবোনেরা আশা করছে একটি ছেলে শিশুর জন্ম হবে। কিন্তু, একটি মেয়ের জন্ম হলো। তখন, মনে রাখবেন আল্লাহ মারিয়াম সালামুন আলাইহার জন্মের মত কারো জন্মের কথা এভাবে হাইলাইট করেননি। মেয়ে সন্তান পাওয়া সম্মানের। মেয়ে সন্তান পাওয়া আল্লাহর একটি উপহার। মেয়ের জন্ম হলে অসন্তুষ্ট হওয়া আসলে মুশরিকদের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ মুশরিকদের সম্পর্কে বলেন - وَإِذَا بُشِّرَ أَحَدُهُم بِالْأُنثَىٰ ظَلَّ وَجْهُهُ مُسْوَدًّا وَهُوَ كَظِيمٌ - “তাদের কাউকে যখন কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন তার মুখ কালো হয়ে যায় আর সে অন্তর্জ্বালায় পুড়তে থাকে।” (১৬:৫৮)
মেয়ে সন্তান পাওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে আশীর্বাদ। একটি মেয়ে প্রদান করার মাধ্যমে আল্লাহ আপনাকে সম্মানিত করছেন। মেয়ের জন্ম হলে যদি অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েন, মনের ভেতরটা যদি জ্বলতে থাকে তাহলে আপনি শুধু আল্লাহর উপহারেরই অসম্মান করছেন না, আপনি কুরআনের আয়াতকেও অসম্মান করছেন। এই কথাগুলো মনে রাখবেন।
ব্যাপারটা নিয়ে কীভাবে চিন্তা করতে হয় তা মারিয়াম সালামুন আলাইহার মায়ের কাছ থেকে শিখুন।
ইমাম রাজী উনার মনের খুব সুন্দর একটি বর্ণনা দিয়েছেন।
"আমি ছেলে চেয়েছি। কিন্তু এ তো একটি মেয়ে। আর এ মেয়েটি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি উপহার। আল্লাহর দেওয়া উপহারের চেয়ে আমি যা চেয়েছি তা কীভাবে উত্তম হবে।" কি সুন্দর চিন্তা! আমার চাওয়াটা কীভাবে আল্লাহর দেওয়া উপহারের চেয়ে উত্তম হবে।
যখনই কারো কন্যা সন্তানের জন্ম হয় এভাবে চিন্তা করা উচিত। কারণ, কিছু মানুষ শুধু ছেলে চায়। যখনই দেখে যে এটা ছেলে নয়, আচ্ছা পরের বার।
তাঁর এই বক্তব্যটি প্রমাণ করে যে, এই নারী সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর মহিমায় ডুবে ছিলেন। আল্লাহর বড়ত্বের ধারণা তাঁর মন থেকে কখনো হারিয়ে যায়নি।
সর্বদা মনে রাখুন, প্রভু অর্থাৎ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তার বান্দার জন্য যা সিদ্ধান্ত নেন তা সবসময় উত্তম হবে, বান্দা যা নিজের জন্য কামনা করে তার চেয়ে। আর মারিয়াম সালামুন আলাইহার মা এ বিষয়ে সচেতন ছিলেন যখন তিনি বলেছিলেন-وَ اللّٰهُ اَعۡلَمُ بِمَا وَضَعَتۡ ؕ وَ لَیۡسَ الذَّکَرُ کَالۡاُنۡثٰی - আল্লাহ ভাল করেই জানেন যা সে প্রসব করেছে; বস্তুতঃ পুত্র কন্যার মত নয়।
--17. 'Ali 'Imran - Ayah 35-37 Ramdan 2018
--- বায়্যিনাহ
17/03/2024
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Khulna
Khulna