04/01/2024
IPS Manoj Kumar Sharma is lucky, life has finally given him everything, all his struggles are appreciated, biopic is also made on his biography...
But Gauri brother? ... Despite failing repeatedly, he became the support system of all the students, even though there was no blood connection, he selflessly sacrificed himself time and again... Studying, money, motivation, house guy helped his brother Manoj in everything...
In fact, he showed how much a failed person understands the pain of failure through his character gave humanity ... a man who failed six times in a row finally saw his dream come true in his brother's success ... maybe he didn't have a 3 star uniform but in the movie 12 Fail Gauri Bhai won hearts, repeatedly won hearts ... such people It is not at all easier to be IPS than to be ...
04/06/2020
ভ্যাকসিন না আশা পর্যন্ত আমাদের শরীরের করোনা এন্টিবডি তৈরী করতে হবে। তাই সবাই প্রস্তত হই শারিরীক ও মানসিক ভাবে।
পজিটিভ হলে যা জানা জরুরি:
1. ভিটামিন সি (যথাসম্ভব)
2. ভিটামিন ই (ট্যাবলেট পাওয়া যায়)
3. প্রতিদিন সকাল ১১টার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোদ পোহানো.
4. কমপক্ষে একটি করে ডিম প্রতিদিন।
5. প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুম।
6. প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ লিটার জল পান এবং প্রতি বেলায় গরম খাবার খাওয়া.
এই কাজ গুলোই হাসপাতালে করা হয়।
•• করোনা ভাইরাসের দেহের pH এর মান 5.5 থেকে 8.5
•• তাই এর চেয়ে বেশি pH level এর খাবার গ্রহনের মাধ্যমে আমরা এর রাসায়নিক গঠন ভেংগে দিতে পারি।
•• 5.5 থেকে 8.5 এর থেকে বেশি pH level এর কিছু খাবার হল :
* লেবু - 9.9 pH
* পাতিলেবু - 8.2 pH
*এভোকাডো - 15.6 pH
* রসুন- 13.2 pH *
* আম- 8.7pH
* ছোট কমলা - 8.5pH
* আনারস- 12.7 pH
* কমলালেবু - 9.2 pH
* তারই সাথে জিংক ট্যাবলেট খেতে পারি।
এর বাহিরেও চীন যে ভাবে করেনা ভাইরাস প্রতিহত করেছে তাও নেওয়া যেতে পারে।
চীনের প্রতিটি বাড়িতেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রুগী আছে।কিন্তু সেখানকার বাসিন্দারা এই ভাইরাস এর জন্য কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না।তারা এর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।এর পরিবর্তে তারা গরম পানির ভাপ দিয়ে ভাইরাসকে বিনাশ করছেন।এর জন্য তারা মাত্র ৩টি কাজ করছেন।
সেগুলো হলোঃ
১. তারা দিনে চারবার কেটলি থেকে গরম পানির ভাপ নিচ্ছেন।
২. দিনে চারবার গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করছেন।
৩. আর দিনে চারবার গরম চা পান করছেন।
এভাবে টানা চারদিন এই ৩টি কাজ করেই ভাইরাসটিকে দমন করছেন তারা।
এভাবেই পঞ্চম দিনে হচ্ছেন করোনা নেগেটিভ।
সুত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।
•• আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত?
1. গলা চুলকাবে
2. গলা শুকিয়ে আসবে
3. শুকনা কাশি হবে
4. তীব্র জ্বর
5. শ্বাস ছোট হয়ে আসবে
6. গন্ধ ও স্বাদের অনুভুতি চলে যাবে
•• তাই এই লক্ষনগুলো দেখার সাথে সাথে গরম জল ও লেবুর রস খেতে শুরু করুন। এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
পোস্টটি শেয়ার করুন, আপনি জানুন অন্যকে জানতে সহায়তা করুন। সুস্থ থাকুন, সাবধানে থাকুন।
28/05/2020
লিখেছেন- মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
(আশা করি পুরোটাই পড়বেন)
লক ডাউন উঠে যাবে হয়ত কয়েকদিন পরই। কেন উঠবে সেটাও পরিষ্কার। হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরবে। লকডাউন রাখা হয়েছিল ভাইরাসটা যেন ধীরে ছড়ায়, ততদিনে যেন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু দুঃখের কথা হলো, পুরো পৃথিবীর ৭০০ কোটির সবার হাতে হাতে এই ভ্যাক্সিন পৌছাতে, কম করে হলেও ৩-৪ বছর লাগবে। তাই এমন অনন্তকাল লক ডাউন রাখা সম্ভবও না, সে যত উন্নত রাষ্ট্রই হোক না কেন। চীন,ইতালিতেও উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে লকডাউন।
তবে আমরা কি এভাবেই মরব?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হ্যা এবং এটা একদমই প্রাকৃতিক ব্যাপার। প্রতিটা যুগে যুগে এমন Evolution হয়েছে। এক যুগে 'ডাইনোসর' ছিল, কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারে নি বলে তারা আজ নেই। অথচ সেই জুরাসিক যুগের 'তেলাপোকা' এখনো টিকে আছে। কারণ সে নিজেকে Evolve করে, নিজেকে চেঞ্জ করে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পেরেছে। ম্যামথও ছিল তখন, হয়ত 'ম্যামথ' তার রুপ চেঞ্জ করেই বর্তমানের হাতি হয়েছে। এগুলাই Evolution।
তো এগুলা বলার মানে কি? এগুলা জেনে কি করব?
আমাদেরও প্রকৃতির উপাদানের সাথে Evolve হতে হবে। লড়াই করে টিকে থাকতে হবে। আমাদের নিজেদেরও চেঞ্জ হতে হবে। কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই টিকে থাকা সম্ভব।
১) অভ্যাসঃ বাজে অভ্যাসগুলা ত্যাগ করতে হবে। কথায় কথায় মুখে আঙুল দেয়া, কলমের মুখ কামড়ানো, আঙুল জিব্বায় লাগিয়ে কাগজ উল্টানো, সেপ দিয়ে টাকা গোনা ইত্যাদি যুগ যুগ ধরে চলে আসা বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। সাথে মাস্ক পড়তে হবে এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যেস গড়ে তুলতে হবে। ২০০৩ এ জাপানে সার্স ভাইরাসের মহামারির পর তাদের মধ্যে এই অভ্যেস গুলা গড়ে উঠেছিল, যা আজ খুব ভাল কাজ করতেসে ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে। ধূমপান যথাসম্ভব পরিহ
২) এনভায়রনমেন্টঃ আমরা খুব ভাগ্যবান যে আমরা এমন পরিবেশে আছি। নয়ত এই ঘনবসতি দেশ কবেই শেষ হয়ে যেত। আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা খুব ভাল কাজ করতেসে। আর্দ্রতা বেশি থাকা মানে বাতাসে ধুলাবালি কম উড়বে। শীতে আর্দ্রতা কম থাকে, চারিদিক শুষ্ক থাকে বলে বেশি ধুলা ওড়ে। এজন্য শীত প্রধান দেশে এই ভাইরাস হানা দিতেসে বেশি। তাই ঠান্ডা এসি এভোয়েড করতে হবে, এসি রুমের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়।
৩) ইমিউনিটিঃ এটাই মোস্ট ইম্পোর্টেন্ট। এই পুরো পোস্ট লিখার পেছনে এই পয়েন্টটাই দায়ী। হার্ড ইমিউনিটির বিকল্প নাই। আমাদের ইমিউনিটি বুস্ট করতেই হবে। সেটা কিভাবে?
_________________
ফিজিক্যালি এন্ড মেন্টালি।
_________
#ফিজিক্যালিঃ
* নিয়ম মাফিক ঘুমাতে হবে, রাত জাগা খুব খারাপ শরীর ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য। প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে।
* প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে, প্রায় ১৫-৩০ মিনিট। মাসল এক্টিভিটি বাড়াতে হবে।
* প্রায়ই রোদে ঘুরতে হবে ছাদে। রোদ দরকার, ভিটামিন ডি লাগবেই
খাবারঃ
• ভাতে কোন ঘোড়ার আন্ডার পুষ্টিও নাই, উল্টা অতিরিক্ত ভাত খেলে আপনি মোটা হবেন। ভাত কম খেয়ে তরকারি এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে।
• প্রচুর পানি খেতে হবে ( এটা খুব বাজে অভ্যাস আমরা পানি খেতে চাই না)
• এন্টি অক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার খেতে হবে। শাক সবজি খেতে হবে। প্রয়োজনীয় প্রটেকশন নিয়ে বাজারে যান, নয়ত ইমিউনিটির অভাবে এমনিও মরতে হবে।
• ভিটামিন সি বা টক যুক্ত ফল, কমলা, লেবু খেতে হবে। এছাড়াও সিজনাল ফল খেতে হবে। প্রতিদিন সকালে লেবু সেদ্ধ গরম পানি খান।
• ফাস্ট ফুড টোটালি অফ, চিনি কিংবা লবন খাওয়াও কমাতে হবে।
• আমাদের দেশের মশলা গুলা দারুন কাজের। লং, লবঙ্গ, জিরা, হলুদ, দারুচিনি এই গুলা মারাত্মক ভাবে ইমিউনিটি বুস্ট করে। দুধে হলুদ মিশিয়ে খাবেন, হলুদ অনেক কাজের। চায়ে মশলা মিশিয়ে খাবেন। গ্রিন টি (এন্টিঅক্সিডেন্ট) বেস্ট, গ্রিন টি তে এই মশলা গুলা খেলে অনেক ভাল।
• কালিজিরা কার্যকরী একটা জিনিস। প্রতিদিন সকাল বেলা উঠে এক চামচ মধুর সাথে কালিজিরা অনেক বেটার একটা কম্বিনেশন। এছাড়া কালিজিরা ভর্তা/ভাজি খাবারে সাথেও খেতে পারেন।
#মেন্টালি
ইমিউন বুস্টের জন্য সঠিক হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখা খুব জরুরি। তাই মন কে শান্ত রাখতে হবে, হাসি খুশি থাকতে হবে। ধর্মীয় প্রার্থনায় মন দিন, মন সুন্দর থাকবে।
সবাই ভাল থাকুক, সবাই সুস্থ থাকুক। সবাইকে নিয়েই বাঁচতে চাই। বাকিটুকু আল্লাহ ভরসা।
Source: বাংলাদেশ জার্নাল/কেআই
16/11/2018
হ্যা মাশরাফি দেশদ্রোহী!
–>দেশের হয়ে সাতটা সার্জারি নিয়েও দেশের জন্য খেলে গেছেন।
হ্যা মাশরাফি লোভী!
–>৫ কোটি টাকার গাড়ি না নিয়ে অসহায় মানুষদের চিকিৎসার জন্য এম্বুলেন্স নিয়েছে।
হ্যা মাশরাফি ভারতীয় দালাল!
–>ভারতের সাথে প্রথম দুইজয়ের ম্যাচ সেরা উনি আর শেষ দুই জয়ের ক্যাপ্টিন উনি। উনিই বার বার ভারতের অপমান গুলো কথার জবাব দিয়েও দিয়েছেন।
হ্যা মাশরাফি মিরজাফর!
–>টিটোয়েন্টি ক্রিকেটে রুবেল ভালো করার পরেও এক ম্যাচ বাদ পড়ায় উনি অবসর জানান। পরে ভক্ত আর ক্রিকেট বোর্ড আর প্রধানমন্ত্রীর রিকুয়েস্ট কেও তাকে ফিরাতে পারেনি। কথার নড়চড় করেনি ।
হ্যা মাশরাফি টাকার লোভী!
–>একবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ইঞ্জুরির জন্য কিছু ম্যাচ খেলতে পারেনি টাকা ঠিকি পেয়েছিলেন। পরের বার টাকা না নিয়েই পুরো আসর খেলে দিয়েছেন যদিও টিম মালিক টাকা দিতেও চেয়েছেন।
হ্যা মাশরাফি বেইমান!
–>সে বেইমানি করেছেন তার পায়ের সাথে। ৭ টা সার্জারির পর যখন আরেকটা সার্জারির পর পংগুত্বের আশংকা থাকে তখনো সে বেইমানের মত দেশের জন্য খেলেন।
হ্যা মাশরাফি স্বার্থপর!
–>নিজের ছেলেকে মৃত্যু সজ্জায় রেখে উনি যান ২০১৫ বিশ্বকাপ খেলতে। ক্রিকেট বোর্ড থেকে না চাইতেও ছুটি দেওয়া হয়। উনি বলেন,” আমি নামাজ পরে আল্লাহর কাছে বলেছি এখন আর কিছু হবে না। ”
পরবর্তী প্রজন্মের শিশুদের আশাকরি জানাবেন যে, মাশরাফির মত দেশদ্রোহী, লোভী, ভারতীয় দালাল,মিরজাফর,বেইমান,স্বার্থপরের খেলা আমরা দেখেছি। সে তার ১৮ বছর ক্যারিয়ারে দেশকে কিছুই দিতে পারেনি শুধু নিজের কথাই ভেবেছেন। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় উনি ৬ তলা করে একটা বাসা গড়েছেন তবে অসহায়দের জন্য কিছু করেননি। উনার মাসিক বেতনের ৯০% ভারতে পাঠাতো বাংলাদেশের জন্য কিছু করতো না।
এর থেকে বেশি কিছু বাঙ্গালি দ্বারা আশাকরাটাও বোকামি!
25/09/2018
দেখতে দেখতে অনেকটা পথ পার হয়ে আসলাম। ২০০১ সালে যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথ চলা শুরু করেছিলাম, তখন মনে মনে শুধু একটাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যতদিন খেলব দেশের জন্য খেলব। কিন্ত মাঝ পথে বার বার পা দু'টা সঙ্গ ছেড়ে দিচ্ছিল। যতবার ইনজুরিতে পরেছি ততবার মনে হয়েছে এবার মনে হয় আর পারবো না। কিন্ত যখনি গ্যালারী ভর্তি মানুষের চিৎকার শুনি, তখনি পা দু'টাকে বলি তৈরী হো, কারন আমি আবার মাঠে নামব। যেকোনো প্রাপ্যই অনেক আনন্দের। আজ আমি ওয়ানডে ক্রিকেটে ২৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলাম। এটা সম্ভব হয়েছে আপনাদের ভালবাসার জন্য। তাই আপনাদের সকলের প্রতি রইল আমার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। আপনাদের ভালোবাসা আর দোয়া নিয়ে যেতে চাই আরো অনেকটা পথ। দোয়া করবেন সবাই।
07/02/2018
শ্রীলংকার ৭০ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ভারত ও স্বাগতিক শ্রীলংকার মধ্যকার একটি টি-২০ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের সূচী।
★ বাংলাদেশ বনাম ভারত।
৮ই মার্চ
সন্ধ্যা ৭:৩০ মি
আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম,
কলম্বো।
★ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলংকা
১০ই মার্চ
সন্ধ্যা ৭:৩০ মি
আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম
কলম্বো
★ বাংলাদেশ বনাম ভারত
১৪ই মার্চ
সন্ধ্যা ৭:৩০ মি
আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম
কলম্বো।
★ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা
১৬ই মার্চ
সন্ধ্যা ৭:৩০ মি
আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম
কলম্বো।
★ ফাইনাল ( প্রথম বনাম দ্বিতীয়)
১৮ই মার্চ
সন্ধ্যা ৭:৩০ মি
আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম
কলম্বো।
মাসুম সরকার।