School of Engineering Job, Khulna.

School of Engineering Job, Khulna. Engineering Job Coaching Center for Sub-Assistant Engineer, Assistant Engineer (Electrical,)

20/11/2023
25/01/2023

দুইবারের সাবেক একজন সংসদ সদস্য মারা গেছেন। এরশাদ জমানায় ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের দাপুটে এমপি। অর্থবিত্ত, প্রভাব-প্রতিপত্তি কোনকিছুরই কমতি ছিলনা। মানুষকে দান করেছেন উদারহস্ত।

অথচ কত নিরবে বিদায় ! দূর্বা থেকে শিশির ঝরার মত নিরবে। কেউ জানল না পর্যন্ত। টিভি-পত্রিকায় ঘণ্টায় ঘণ্টায় ব্রেকিং-আলোচনা নেই। জানাজার জমায়েত নিয়ে ফেসবুকের ওয়ালে আওয়াজ নেই।

কি কঠিন প্রস্থান ! শেষযাত্রায় পাশে কেউ ছিলনা, কিছুই ছিলনা তার। রোগেশোকে কাবু একসময়ে প্রভাবশালী এমপি জজমিয়ার তিনবেলা খাবারও জুটত না। ছিলনা মাথার উপর একটু ছাউনিও। এরপর জায়গা হয় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে। সেখানেই আজ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জীবনে কিছুই নিজের করে রাখতে চাননি। সব উজার করে দিয়েছেন। প্রথম স্ত্রী, মেয়েকে নিয়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন আমেরিকায়। সঙ্গে নিয়েছেন অঢেল টাকা-পয়সা। সন্তান-স্ত্রীর সুখের কথা চিন্তা করে তিনিও সব দিয়েছেন। বিনিময়ে পেয়েছেন বিবাহ বিচ্ছেদ!

এরপর দ্বিতীয় বিয়ে করেন। স্ত্রী নাছিমা হক আর দুই কন্যা বাবার থেকে আলাদা হয়ে যান। ঢাকার পুরানা পল্টন ও মিরপুর কাজী পাড়ায় বিশাল দুটি বাড়ি তাদের নামে লিখে দেন জজ মিয়া। স্থানীয়ভাবে থাকা সম্পদ বিক্রি করেও টাকা দেন তাদের। সবশেষ নিজের সম্পত্তি বলতে ছিল ১২ শতাংশ জমি, তাও লিখে দেন মসজিদের নামে।

রোগে-শোকে কাবু জজমিয়া কেবল টিকে থাকতে তৃতীয় বিয়ে করেন। ততদিনে তিনি নিঃস্ব। ছোট্ট এক সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে এক রুমের ভাড়া বাসায় কেটে যাচ্ছিল জীবন।

না, জীবন সায়াহ্নে কেউ আসেনি। নিভু নিভু বয়ে চলা জীবনটাকে একটু উজ্জ্বল আলো দিতে ফিরে তাকায়নি সন্তানরাও । একসময়ের প্রভাবশালী সংসদ সদস্য দু’মুঠো খাবারের জন্য মানুষের কাছে হাত পেতেছেন। সাবেক সেনা কর্মকর্তা, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা (সার্টিফিকেট নেননি) মাথা গোঁজার ঠাঁইয়ের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পে জায়গা নিয়েছেন। ওষুধের টাকার জন্যেও ঘুরেছেন দুয়ারে দুয়ারে।

সংসদ সদস্য থাকাকালীন অজস্র মানুষকে চাকরি দিয়েছিলেন। সন্তানদের অভাব বুঝতে দেননি। বিবাহ বিচ্ছেদের পরেও সন্তানদের সুখের জন্য নিজের উপার্জিত সব দিয়েছেন।
কিন্তু একটাবারও কেউ ফিরে তাকায়নি। কেউ খবর নেয়নি জন্মদাতা কেমন আছেন ! দু:খ, কষ্ট, রোগ-শোক আর অভিমানে সেই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে মারা গেছেন জজ মিয়া। কিন্তু একটা শিক্ষা দিয়ে গেছেন আমাদের।

প্রকৃতি বড় নির্মম। ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। সম্পদ হাতবদলের সঙ্গে সঙ্গে মালিকানাও স্থানান্তরিত হয়। কখনো সব উজার করে কাউকে দিতে হয়না। ঘুরে দাঁড়াতে যতটুকু দরকার, ততটুকু অন্তত রাখতে হয়। মানুষের আপন বলতে নিজে ছাড়া আদতে কিছুই নেই!

25/06/2021

বয়স হোক ৩৫-৬৫ বছর:
আজ 2021 সালের 24 জুন 2020 সালের 17 ই মার্চ সারা দেশবাসী নতুন এক শব্দের সঙ্গে পরিচিত হয় সেটা হল লকডাউন। আজ 1 বছর 3 মাস 6 দিন হতে চলল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই আজ খুলছে কাল খুলছে বলে বলে এমন এক দীর্ঘ সময় লকডাউন এর আওতায় গৃহবন্দি হয়ে রইল। নিঃসন্দেহে সরকার এবং প্রশাসনের লোকজন ই ভালো বলতে পারবেন বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ। আমরা সাধারন চোখে যা দেখি লকডাউন এর মধ্যেও বাজার খোলা, যানবাহন চলছে, লোকজন অবাধ গতিতে বাজার করছেন যাতায়াত করছে। সে প্রেক্ষিতে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের চেয়ে নির্ভেজাল করনায় যারা আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি দিচ্ছেন তাদের সংখ্যা কি খুব বেশি? এ প্রেক্ষিতে এ কথা বলার সুযোগ আছে যে লকডাউনে করোনা কমে গেছে হয়তো এর প্রকোপ আরো বাড়তে পারত তার চেয়ে কিছুটা কমে গেছে হয়তো?
কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে যে ক্ষতিটা হচ্ছে তারপর কি এর চাইতে বেশী নয়? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ দীর্ঘ লকডাউনে একটা জাতি যেভাবে মেধাশূন্য হয়ে যাচ্ছে তার দায়িত্ব কি সরকার বাহাদুর বহন করবেন? তাছাড়া দায়িত্ব বহন করা বা না করাতে কি আসে যায়?
আমার ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবার তার বোঝা বহন করতে পারছে না, প্রচন্ডভাবে মানসিক ট্রমায় আক্রান্ত হচ্ছে চাকরির বয়সসীমা শেষ হয়ে যাচ্ছে অলরেডি প্রায় ২ বছর!? এ ব্যাপারে সরকার কতটুক অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করছেন।
খেটে খাওয়া মানুষ খেতে পারছে না বলে তাদেরকে ত্রাণ দিয়ে বাঁচিয়ে রাখেন কিন্তু মেধার ক্ষেত্রে সরকার কি ধরনের ত্রান দেবেন? যার প্রেক্ষিতে একটা জাতি মেধাহীন অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতে পারে। উপমহাদেশের প্রায় সব দেশই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে অত্যন্ত অগ্রণী ও জোরালো ভূমিকায় অবতীর্ণ, তারা বুঝতে পারছেন জাতির ভবিষ্যত আমাদের সূর্যসন্তান শিক্ষা থেকে বিমুক্ত হয়ে গেলে বা থাকলে একটা জাতি ধ্বংসের দারগোড়ায় চলে আসবে। সেখান থেকে বাঁচাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে হবে। কিন্তু আমার বাংলাদেশ?!
যেহেতু এখানে সবাই সচেতন কাজেই তারা নিজেদেরকে যতদূর সম্ভব আত্মরক্ষা করে চলতে পারবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। বিশ্ববিদ্যালয় গুলো বন্ধ, পরীক্ষা বন্ধ মেধা নামক গাড়ির চাকা পাংচার!! অথচ এখানেই দেশের সবচেয়ে সচেতন নাগরিক বৃন্দের পদচারণা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খোলা যাবে না কিন্তু শহরের প্রতিটি মেস যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের অভয়ারণ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মেস এর চেয়ে কি হল বা হোস্টেল গুলো বেশী নিরাপদ নয়? মেসে থাকতে পারছেনা শুধু তারাই যাদের বাবার গ্যাটের পয়সা খুব বেশি নেই, যারা সচ্ছল তারা বাড়িতে নয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে মেস ভাড়া নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে আর প্রতিনিয়ত এক ধরনের হতাশা ও দ্বীধাগ্রস্থে আক্রান্ত হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দেশের অভিভাবক সরকারের উচিত এ ব্যাপারে সদয় দৃষ্টি দিবেন বলে আমরা মনে করি।
সরকার বাহাদুরের কাছে আমার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটা ঘোষণা এখন প্রত্যাশা করছি সেটা হল চাকরির বয়সসীমা 35 বছর করা হোক। এ ঘোষণা হয়তো অনেকেরই প্রাণ বাঁচাবে এবং অনেকের মাঝেই স্বস্তির সুবাতাস বইবে।
চাকরি বয়স এখন যা আছে তা বাড়িয়ে দিলে সরকারের কোন ক্ষতি আছে বলে আমারে মেধাহীন মাথায় তা মনে হয় না। এখন যেহেতু আয়ুষ্কাল বেড়ে গিয়েছে সেহেতু অবসরকালীন সময়টিকে আরেকটু বাড়িয়ে 62 বা 65 বছরে উত্তীর্ণ করা হোক।
সোনার বাংলার যেসব মেধাবীরা তাদের মেধা খরচ করে অন্য দেশকে উন্নত করছেন তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনবার উপযুক্ত কর্ম পরিকল্পনা হাতে নেয়া হোক।
যুব সমাজ এবং তারুণ্যনির্ভর একটি সত্যিকারের সোনার বাংলা আমরা দেখতে চাই।
✍️✍️
Professor Moni Ferdouse
Department of Social Work
University of Rajshahi

21/06/2019

CSE Related Kajer jonno Comilla te kisu lok Urgent dorkar. Salary 8k-10k

Address

Sonadanga
Khulna

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801558021232

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when School of Engineering Job, Khulna. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share