08/03/2024
মেসোপটেমিয়া: সভ্যতার সূচনা
সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা: ইরাক, ইরান, সিরিয়া, তুরস্ক ও কুয়েতের কিছু অংশ জুড়ে অবস্থিত মেসোপটেমিয়া সভ্যতা, ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রতিষ্ঠিত, বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
নামকরণ: "মেসোপটেমিয়া" শব্দটি গ্রীক ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ "দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি"। এই নামটি টাইগ্রিস (দাজলা) ও ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের বর্ণনা করে, যেখানে এই সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল।
সেচ নির্ভর: টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর পলিমাটিতে উর্বর জমি তৈরি করেছিল, যা কৃষিকাজের জন্য উপযোগী। এই সভ্যতা সেচ ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল ছিল, যা তাদের উন্নত কৃষিক্ষেত্র গড়ে তুলতে সহায়তা করেছিল।
প্রধান পর্যায়: মেসোপটেমিয়া সভ্যতার ইতিহাস ৪ টি প্রধান পর্যায়ে বিভক্ত:
১. সুমেরীয় (খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০০ - ২০০০): সুমেরীয়রা ছিল এই অঞ্চলের প্রথম বাসিন্দা। তারা চিত্রলিপি, সাহিত্য, আইন, স্থাপত্য, জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছিল।
২. ব্যাবিলনীয় (খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ - ৫৩৯): হ্যামুরাবির বিখ্যাত আইনসংহিতা এই যুগের উল্লেখযোগ্য দিক। ব্যাবিলন সভ্যতা ঝুলন্ত উদ্যান, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত ও সাহিত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল।
৩. এসিরিয় (খ্রিস্টপূর্ব ৯১১ - ৬১২): এসিরিয়রা শক্তিশালী সামরিক শক্তি ছিল। তারা ধাতুবিদ্যা, স্থাপত্য ও ভাস্কর্যশিল্পে উন্নতি লাভ করেছিল।
৪. ক্যালডিয় (খ্রিস্টপূর্ব ৬২৬ - ৫৩৯): নববলনীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী ব্যাবিলন এই যুগে একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ছিল। জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিতে ক্যালডিয়দের উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল।
উত্তরাধিকার: মেসোপটেমিয়া সভ্যতা বিশ্ব সভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আইন, সাহিত্য, স্থাপত্য, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত ও কৃষিক্ষেত্রে তাদের অবদান আধুনিক বিশ্বকে সমৃদ্ধ করেছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয়:
মেসোপটেমিয়াতে চাকা, লেখন ব্যবস্থা, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত ও আইনের ধারণার উদ্ভাবন হয়েছিল।
এই সভ্যতায় বিশ্বের প্রথম লাইব্রেরি, স্কুল ও হাসপাতাল স্থাপিত হয়েছিল
©Md. Shamsul Arefin
02/06/2023
They are growing up together🌵.
23/05/2023
মেডিকেলে চান্স না পাওয়ার পরে জেসি মেয়েটার সাথে কথা বলে নাই তার বাবা, তিন মাসের জন্যে।
মেমোরি ফ্ল্যাশব্যাক হইলো আরকি। এস এস সি তে গোল্ডেন মিস হওয়ার পরে সেইম কাহিনী হইসিলো বাসায়। বাপ্ কথা বলে নাই , মা ঠিক মতন প্রথমে মাইনা নিলেও বাপের অবস্থা দেখার পরে নিজে চুপ চাপ হয়ে গেসিলো। আমি আসলে ওই সময় কি অবস্থায় ছিলাম বুঝাইতে পারবো না ভাই। চুল কাইটা টাক হয়ে গেসিলাম। মানসিক ভাবে পুরা ভাইঙ্গা পড়সিলাম।
খাতা চ্যালেঞ্জের পরেও কেমিস্ট্রি তে এ প্লাস আসলো না। সায়েন্সের সাবজেক্টে মিস। নটরডেম এ হইলো না। চারদিকে সবার নটরডেম। আমি খালি পারলামনা। আমার বন্ধু সাপোর্ট ও নাই হয়ে গেলো। ঐদিকে আত্মীয়স্বজন বললো , আমি এতো ট্যালেন্টেড , তাও গোল্ডেন পাইলাম না, ঐদিকে গ্রামের পোলাপাইন ও গোল্ডেন পায় , তাইলে মেইবি আমি আসলে ঢাকায় পইড়া তেমন আহামরি কিছু করতে পারবোনা।
সব খেয়াল থাকে। প্রতিটা খোটা খেয়াল থাকে। ইন্টারেও খোঁটা খাইসি। কেন টাকা নষ্ট করতেসি টিউশনের পিছনে। এইসব কিছু খেয়াল থাকে। ভাই, এই খোঁটা গুলার জন্যে আজকে আইসাও দুইটা টাকা খরচ করতে বাঁধে , কষ্ট কইরা কামলা খাইটা টাকা কামাইতে মন চায়।
আমার মা এর সাথে আমার অভিযোগ কম , যা অভিযোগ ছিল মিটমাট কইরা ফেলসি। আমার ব্রাউন প্যারেন্টস মেইবি বাংলাদেশের কম টক্সিক পারেন্টসদের মধ্যে থাকবে , তাও যেই লেভেল এর খোঁটা শুনসি, এইগুলা নিয়ে বলবোনা।
আমার যেই লেভেল অফ সেলফ রেস্পেক্ট, এডমিশন ফেইজে ফেইলার হইলে আমি সেইম কান্ড ঘটায় ফেলতে পারতাম। বাপ্ মা আত্মীয় স্বজন মাইরা ফেলে ভাই, বুঝসেন? আমার যেই আত্মীয় স্বজন আমার ভূয়সী প্রশংসা করে , তারা ও যে খোঁটা দিতে ছাড়তো না এইটাও জানা আছে।
আপনি আমি তখনি মানুষের মর্যাদা পাবো যখন আমরা সফলতা পাবো। কালকে আমি কোনো কারণে ফেইলার হইলে আমারে ও শুলে চড়াইতে দুই মিনিট লাগবে না মানুষের।
ইমাজিন করতেসি মেয়েটা কিসের মধ্যে দিয়ে গেসে। পারতেসিনা , খালি দেখতেসি আমিও ওই মেয়েটার জায়গায় থাকতে পারতাম।
- তানভির থামিদ
20/05/2023
আর্লি ম্যারিজের সাথে সাথে আর্লি ইনকামেরও ক্যাম্পেইন হওয়া দরকার।
আমাদের যুবকরা ইনকামের রাস্তায় যেতে যেতেই ৩০ পার করে ফেলে। অথচ বালেগ হওয়ার পর থেকেই পিতার ওপর ছেলের ভরণপোষণের দায়িত্ব রহিত হয়ে যায়।
তাই বালেগ হওয়ার পর থেকেই ছেলেরা যাতে ইনকামমুখী হয়, সে ব্যাপারে বেশি বেশি তাগিদ দেওয়া উচিত। "চাকরিই করতে হবে"---এই ধরনের মানসিকতা যতদিন থাকবে, ততদিন আর আর্লি ইনকামের রাস্তা খুলবে না।
কারণ, শিক্ষাব্যবস্থাটা এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে, চাকরির যোগ্য হয়ে উঠতে উঠতে তিরিশের কোঠায় বয়স এমনিতেই চলে যাবে। এই ট্রেন্ড ভাঙতে হবে আমাদের। নয়তো আর্লি ম্যারিজের পথটা সুগম হবে না।
অভিভাবকদের অতি আবেগের কারণে এটা অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। তারা ছেলেপেলেদেরকে ২০/২৫ বছর পর্যন্ত বাবু বানিয়েই রাখে। এই ধরনের আলগা মহব্বত কাটিয়ে ছেলেদেরকে দায়িত্ববান হওয়া শিখতে হবে। পরিবারে নিজের বিয়ের কথা মুখ ফুটে বলতে পারে না অনেকেই এই ইনকাম না থাকার কারণে। অথচ মনটা ছটফট করতে থাকে হালাল সঙ্গীর আশায়!
© জাকারিয়া মাসুদ (ভাই)
20/05/2023
‘সামাজিক স্ট্যাটাস’ রক্ষার চিন্তায় অনেকেই উপার্জন করতে পারে না। উপার্জন করতে না পেরে আবার দুশ্চিন্তা করে!
‘শতোভাগ পাশ, কয়েক লক্ষ এ+’ শিক্ষাব্যবস্থার কারণে লাখো তরুণ বেকার হচ্ছে। তাদের ঝুলিতে অনার্স/ডিগ্রি পাশ সার্টিফিকেট আছে, এই সার্টিফিকেটের কারণে তাদেরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে সামাজিক স্ট্যাটাসের অদৃশ্য দেয়াল। এই দেয়ালের কারণে যেনতেন কাজ তারা করতে পারে না, ২৬-২৮ বছর হয়ে গেলেও উপার্জন করতে পারে না।
মাছ কেনার পর মাছ কাটানোর জন্য দাঁড়িয়ে থাকি। লোকটি তার ছেলেকে নিয়ে মাছ কাটে। সকাল, বিকেল, দুপুর যখনই যাই, ভীড় লেগেই থাকে। বাবা-ছেলে মাসে মাছ কেটে ১ লক্ষ টাকা উপার্জন করে!
অনেক ‘সম্মানজনক’ পেশার চাইতেও তাদের উপার্জন বেশি।
আমাদের দেশের মানুষ বিদেশ যাবার জন্য পাগলপ্রায়! বিদেশে গিয়ে কী করে? রেস্টুরেন্টে চাকরি, ক্লিনারের কাজ, টেক্সি ড্রাইভার, ফুড ডেলিভারি এগুলোই। কিন্তু, দেশে বসে কাজ করতে তাদের আত্মসম্মানে লাগে।
চটপটি-ফুচকা বিক্রেতারা মাসে ভালোই উপার্জন করে। কেউ কেউ ৪০ হাজার, কেউ কেউ ৯০ হাজার ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করে।
ইসলামের ইতিহাসে নবী-রাসূল, সাহাবী, আলেমগণের পেশা জানা জরুরি। এতে করে ঐ পেশায় আমরা কাজ করতে হীনমন্যতায় ভুগবো না। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মেষ চড়িয়েছেন। আমি-আপনি বেকার। আমরা কেনো একটা কাজ করতে সামাজিক স্ট্যাটাস কো’র চিন্তা করবো?
উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু এসব ব্যাপারে খুব কঠোর ছিলেন। যুবকদের কেউ বেকার, এটা শুনলে তিনি খুব রাগ করতেন। রিজিক নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ হলো- আমরা সাহসী না। ‘কোটিপতি চা-ওয়ালা’র ভিডিও দেখতে ভালো লাগে। কিন্তু, চা বিক্রি করতে ভালো লাগে না।
©Ariful_Islam