Physics Mania

Physics Mania

Share

For spreading knowledge.

Academia.edu - Share research 03/10/2025

অস্ট্রেলিয়ায় মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে চাইলে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো সুপারভাইজারের হাতে বর্তমানে কোনো ফান্ড আছে কি না। কারণ, ফান্ড না থাকলে ফুল স্কলারশিপ পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তাই প্রথম ধাপেই নিশ্চিত হতে হবে, কোন প্রফেসর বর্তমানে ফান্ডেড প্রজেক্ট চালাচ্ছেন। নিচে ফান্ড চেক করার বিস্তারিত উপায় দেওয়া হলো—
১. অফিসিয়াল ফান্ডিং সোর্স চেক করা
Australian Research Council (ARC) Grants Search: এখানে সব রিসার্চ প্রজেক্ট দেখা যায় যেগুলো সরকার থেকে ফান্ড পাচ্ছে। যেসব প্রফেসর এই প্রজেক্টে কাজ করছেন, তাদের হাতে ফান্ড থাকার সম্ভাবনা বেশি।
NHMRC Funding (মেডিকেল, বায়োলজি, হেলথ সেক্টরের জন্য): যারা লাইফ সায়েন্স বা হেলথ-রিলেটেড রিসার্চ করতে চান, তারা এই সাইটে গিয়ে দেখতে পারবেন কোন প্রফেসরের হাতে ফান্ড আছে।
GrantConnect (Australian Government’s Grants Portal): সরকারি গবেষণা ফান্ডিং প্রোগ্রামের সব তালিকা এখানে পাওয়া যায়।
২. ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট
প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে Find a Supervisor বা Research Portal থাকে।
প্রফেসরের প্রোফাইলে অনেক সময় উল্লেখ থাকে—
Currently accepting HDR students
Funded project available
এর মানে হলো সেই প্রফেসরের কাছে বর্তমানে অর্থায়ন আছে এবং তিনি শিক্ষার্থী নিতে আগ্রহী।
৩. সাম্প্রতিক প্রকাশনা (Publications) বিশ্লেষণ
প্রফেসরের নতুন গবেষণাপত্রের Acknowledgement সেকশন ভালোভাবে পড়তে হবে।
সেখানে সাধারণত Grant number এবং Funding agency-এর নাম উল্লেখ থাকে।
এগুলো থেকে বোঝা যায় প্রফেসরের হাতে কোন এজেন্সির ফান্ড চলছে এবং কতদিনের জন্য সেটা অ্যাক্টিভ।
৪. সরাসরি ইমেইল করা
একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু প্রফেশনাল ইমেইল লিখতে হবে।
ইমেইলে নিজের সিভি, রিসার্চ ইন্টারেস্ট এবং টপিকাল আইডিয়া সংক্ষেপে দিতে হবে।
সরাসরি প্রশ্ন করতে হবে: “Do you currently have any funded PhD/Master by Research positions where I can apply?”
শুধু একজনকে নয়, বরং একসাথে একাধিক প্রফেসরকে কনট্যাক্ট করতে হবে, যাতে রিপ্লাই পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
৫. অতিরিক্ত টিপস (Extra Useful Points)
LinkedIn, ResearchGate, Academia.edu–তে প্রফেসরদের আপডেটেড প্রোফাইল দেখা যায়। সেখানে তারা মাঝে মাঝে “Hiring PhD students” বা “Looking for researchers” পোস্ট করে থাকেন।
University Scholarships page–এ নজর রাখতে হবে। অনেক সময় ইউনিভার্সিটির অভ্যন্তরীণ ফান্ড (School/Faculty Scholarship) পাওয়া যায় যা সরাসরি প্রফেসরের তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়।
Conference Proceedings–এ প্রফেসরের সাম্প্রতিক কাজ দেখে বুঝা যায় তারা নতুন গ্রান্ট পেয়েছেন কি না।
Networking– বিশ্ববিদ্যালয়ের Research Office বা চলমান পিএইচডি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সরাসরি জানা যায় কোন প্রফেসরের হাতে ফান্ড আছে।
Deadline awareness– অনেক সময় ফান্ডিং-এর নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। তাই দ্রুত যোগাযোগ করা জরুরি।

Academia.edu - Share research Academia.edu is a place to share and follow research.

05/07/2025

ফেসবুক মনিটাইজেশন চালু করে ইনকাম শুরু করবেন কীভাবে? (স্টেপ বাই স্টেপ গাইড)

অনেকে রিলস বানায়, পোস্ট করে, কিন্তু জানেই না "ফেসবুকের টাকা আসবে কোন পথে?"
এই গাইডে তুমি শিখবে—

কিভাবে ফেসবুক মনিটাইজেশন অন করতে হয়
ইনকাম দেখতে হবে কোথায়
কীভাবে টাকা উত্তোলন (Withdraw) করতে হয়
আর কোন ভুল করলে টাকা আটকে যায়

Step 1: Facebook Creator Studio বা Professional Dashboard চালু করুন

প্রোফাইলের জন্য:
➡️ ফেসবুক অ্যাপে প্রোফাইলে ঢুকে
➡️ ☰ মেনু > Professional Dashboard
➡️ এখানেই মনিটাইজেশন, ইনসাইটস, স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন

পেজের জন্য:
➡️ Facebook App বা Browser দিয়ে পেজে যান
➡️ Page Settings > Professional Dashboard > Monetization

Step 2: মনিটাইজেশনের শর্ত (Eligibility Criteria) চেক করুন

➡️ Creator Studio বা Dashboard > Monetization > Eligibility
নিচের পয়েন্টগুলো পূরণ করতে হয়:

✔️ 5,000 Followers (বা Reels Bonus-এর জন্য কম হলেও চলবে)
✔️ 60 দিনে 5টি রিলস বা 3 মিনিটের ভিডিও
✔️ Original Content
✔️ Facebook’s Monetization Policies মানতে হবে

Step 3: ইনকাম দেখবেন কোথায়?

➡️ Dashboard > Monetization > Estimated Earnings
➡️ এখানেই দেখা যাবে Reels Bonus, Ads Revenue, Stars ইত্যাদি

একাউন্টে ১০ ডলার হলেই ইনকাম যুক্ত হবে।

Step 4: টাকা উঠাতে (Payment Method সেটআপ)

➡️ Dashboard > Payouts
➡️ আপনার নাম, NID, ঠিকানা দিন
➡️ Bank Account বা Payoneer লিংক করুন
➡️ মাসের শেষে টাকা পাঠাবে (Threshold পূরণ হলে)

যেসব ভুলে টাকা আটকে যেতে পারে বা মনিটাইজেশন বন্ধ হয়:

কপিরাইট ভিডিও
ভুয়া ফলোয়ার
অন্যের ভিডিও, ডায়লগ, গান
রুলস না মানা কনটেন্ট (ভুল তথ্য, হেট স্পিচ)
একাধিক আইডি থেকে বারবার লগইন

সিকিউরিটি টিপস:

✔️ 2FA (Two-Factor Authentication) চালু রাখো
✔️ নিয়মিত Password চেঞ্জ করো
✔️ অন্য কারও হাতে পেজ এক্সেস দিয়েও সাবধানে থেকো

🎉 অবশেষে! এখন তুমি জানো: ✅ কীভাবে প্রোফাইল/পেজ সেটআপ করবো
✅ কী কনটেন্ট দিবো
✅ এবং কীভাবে ইনকাম হবে, টাকা উঠাবো

এই কন্টেন্ট গুলো আপনার কি উপকারে আসে?

03/07/2025

IELTS দিলেই বিদেশ‌ যাওয়া যাবে, এই ধারণাটা পুরোপুরি ভ্রান্ত, কিছু ক্ষেত্রে বিজনেস করার পাঞ্চলাইন। অনেক মানুষ এই রোমান্টিসিজম এ ফেঁসে অনেক টাকা খরচ ও পরিশ্রম করার পর IELTS পরীক্ষা দিয়ে ভালো স্কোর নিয়েও বসে আছেন। কারণ অনেকেই IELTS exam দেয়ার পর ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করেন কোন দেশে যাওয়া যায়, কত টাকা লাগবে, ব্যাংক ব্যালেন্স কেমন লাগবে, কি কি ডকুমেন্টস লাগবে, স্কলারশিপ অপরচুনিটি ইত্যাদি ডিটেইলস, তখন গিয়ে অনেকের বোধদয় হয়, ও! এত টাকা লাগবে বিদেশে যেতে! স্কলারশিপ পাওয়ার পরও এত টাকা লাগবে! তারপর সব ঠিক থাকার পরও ভিসা রিজেকশন তো আছেই। শুধু সফলতার গল্প দেখে এই পথে ঝাঁপ দেয়া অনেকেই জানেন না, ব্যর্থতার লাইন তার থেকে অনেক অনেক লম্বা যারা শুধুমাত্র IELTS দিলেই বিদেশ‌ যাওয়া যায় এটা ভেবেছিলেন।

IELTS স্রেফ একটা language test, ভাষাগত দক্ষতা যাচাই করার একটা পদ্ধতি, এটি ছাড়াও বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ এর জন্য রেজাল্ট, পাবলিকেশন, কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস সার্টিফিকেট, ব্যাংক ব্যালেন্স, আ্যসেট, প্রফেসর'স ফান্ড, রিসার্চ ইত্যাদি ডকুমেন্টস খুবই প্রয়োজন, এবং দেশ ভেদে ও ইউনিভার্সিটি ভেদে রিকোয়ারমেন্টের তারতম্য হতে পারে।

সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধির জন্য করণীয়:
১. IELTS পরীক্ষা দেয়ার আগে আপনি কোন দেশে যেতে চান, সেখানে কাজের জন্য যাবেন, না পড়াশোনার জন্য যাবেন, একা যাবেন না পরিবার নিয়ে যাবেন, কোন দেশে কি কি সুবিধা, কি কি ডকুমেন্টস লাগে ভিসার জন্য, কোন দেশের ভিসা রেশিও ভালো এগুলো নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করুন।

২. যদি নিজে ঘাঁটাঘাঁটি করে তথ্য বের করতে সুবিধা করতে না পারেন তাহলে বিভিন্ন এজেন্সির সাথে কথা বলুন, ফেসবুক ও ইউটিউব দেখে কয়েকটি এজেন্সির বের করুন যাদের রিভিউ ভালো, ফলোয়ার বেশি, পুরানো, ফোনে বা গিয়ে প্রাথমিক কথা বলে তথ্য নিতে বা ফাইল ওপেন করতে কোনো এজেন্সিতেই টাকা দিতে হয় না , বেশিরভাগ ট্রাস্টেড এজেন্সি গুলো ভিসা হওয়ার পর টাকা নেয়।

৩. কোন ইউনিভার্সিটিতে যেতে চান, শর্ট লিস্ট বা টার্গেট করতে পারলে ভালো।

৪. মনে রাখবেন, টাকা বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে একটা বিশাল ফ্যাক্টর, অনেক এই পয়েন্টে এসেই আটকে যান IELTS এ ভালো স্কোর থাকার পরও। আবার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেক সময় IELTS এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, আগে থেকেই ধারণা রাখলে IELTS এর টাকা আর নষ্ট হবে না।

৫. কত টাকা লাগবে সবমিলিয়ে বিদেশে যেতে, এটার একটা আগাম আনুমানিক ধারণা রাখলে ভালো, ফুল স্কলারশিপ পেলেও টিকিট, থাকাখাওয়ার টাকা মিনিমাম প্রথম ৬ মাস/১ বছর নিজের নিয়ে যেতে হয়, কারণ গিয়েই চাকরি পেয়ে যাবেন,এমন কোনো গ্যারান্টি নেই, আর পার্শিয়াল স্কলারশিপ হলে তো কথাই নেই, বেশ মোটা অংকের টাকা রেডি রাখতে হতে পারে।

৬. কি কি ডকুমেন্টস দরকার হতে পারে, তার ধারণা থাকলে ভালো, কোন দেশের ভিসার জন্য রিজেক্ট হলেও সিমিলার ডকুমেন্টস দিয়ে আর কোথায় অ্যাপ্লাই করা যেতে পারে, অপশন রাখবেন বা জেনে রাখুন।

৭. যদি আগে থেকে কিছু preparation এগিয়ে নিয়ে IELTS exam টা দিতে পারেন, তাহলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি, IELTS score কাজে লাগানো টা সহজ হবে।

প্রচুর স্টুডেন্ট পড়াই, তাদের জীবন, সফলতা ব্যর্থতা, স্ট্রাগল খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়, তার অভিজ্ঞতা থেকেই আজকের এই লেখা।

Dr-Tanjeem Jannat

22/06/2025
14/04/2025

অনেকেই Student ভিসা যেতে চাই কিন্তু কোন দেশে যাবে, সেটা বুঝে উঠতে পারে না। তবে এই সিদ্ধান্তটা নিতে হলে কিছু বিষয় বিবেচনায় রাখা জরুরি, বিশেষ করে যেহেতু আপনি একজন IELTS শিক্ষার্থী, তাই আপনি নিচের বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখতে পারেন:

✅ ১. পড়াশোনার উদ্দেশ্য বা কোর্স:
আপনি কী পড়তে চান? (যেমন: Business, Engineering, IT, Nursing, Hospitality, Public Health ইত্যাদি)

কোন দেশে সেই কোর্সের ভালো চাহিদা বা র‍্যাংকিং?

উদাহরণ:

Nursing / Healthcare: UK, Australia, and Canada
IT / Computer Science: USA, Germany, Australia
Hospitality / Tourism: Australia, Switzerland
Business / Management: Canada, UK, USA

✅ ২. বাজেট:
কত টাকা খরচ করতে পারবেন?

ইউরোপের কিছু দেশে টিউশন ফি কম, কিন্তু Living Cost বেশি হতে পারে।
প্রতিটি দেশের আনুমানিক খরচ:
Canada: 15-20 লাখ টাকা (প্রথম বছরের জন্য) – (কম বেশি হতে পারে)
UK: 20-25 লাখ (কম বেশি হতে পারে)
Australia: 20-25 লাখ (কম বেশি হতে পারে)
Germany (Public Universities): টিউশন ফি কম, কিন্তু ব্লকড অ্যাকাউন্টে টাকা রাখতে হয় (আনুমানিক €11,400 বা তার বেশি)

✅ ৩. IELTS স্কোর:
IELTS স্কোর দেশের পছন্দের ক্ষেত্রে অনেক বড় ফ্যাক্টর।
যেমন:

UK & Australia – Overall 6.0, but some courses require 6.5 or 7.0
Canada – Diploma এর জন্য 6.0, Undergraduate/PG এর জন্য 6.5+
USA – কিছু ইউনিভার্সিটি TOEFL নেয়, আবার অনেক IELTS নেয়
Some European Countries – (6 – 6.5) IELTS 5.5-6.0 থাকলে Hungary, Poland, Latvia, Lithuania ট্রাই করা যায়।

✅ ৪. পিআর (Permanent Residency) সুযোগ:
অনেকেই স্টাডি শেষে সেটেল হতে চায়। Jibon IELTS

Canada & Australia – PR friendly
UK – এখন ২-৩ বছরের Post Study Work Visa দেয়
USA – PR পাওয়া কঠিন, তবে H1B এর সুযোগ আছে

✅ ৫. বাংলা কমিউনিটি বা সাপোর্ট সিস্টেম:
যাদের বিদেশে আত্মীয়/বন্ধু আছে, তারা সেই দেশ বেছে নিতে পারে।

✅ ৬. ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা:
কোন দেশের ভিসা পেতে রেট বেশি?
বর্তমানে জনপ্রিয় ভিসা ফ্রেন্ডলি দেশ:

Canada
UK
Australia
(USA এবং New Zealand কিছুটা স্ট্রিক্ট হতে পারে)
Schengen Countries include the Netherlands, Denmark, Finland, other countries Hungary, Poland, Latvia, and Lithuania.

🔍 সংক্ষেপে পরামর্শ:
ভিসার আগে এই ৫টি প্রশ্ন নিজেকে বা শিক্ষার্থীদের করুন:

আমি কোন বিষয় পড়তে চাই?
আমার বাজেট কত?
আমার IELTS স্কোর কত?
আমি PR চাই কিনা?
আমি কেমন জলদি চাকরি বা সাপোর্ট চাই?

(নিজে নিজে একটি লিস্ট বানিয়ে নিতে পারেন)

Jibon IELTS

12/04/2025

আমার ইনবক্সে হাজারটা প্রশ্ন করেছেন আপনারা পিএইচডি নিয়ে! পিএইচডি করতে যাওয়ার আগে অবশ্যই জানা উচিত পিএইচডি কি এবং কাদের জন্য? এ সম্পর্কে বরাবরের মতোই সুন্দর ব্যাখ্যা করেছেন Dr-Ashiqur Rahman, স্যার। আপনারা চাইলে স্যারের পেইজে ভিজিট করতে পারেন! যেখানে আপনারা উচ্চ শিক্ষা রিলেটেড অনেক ভিডিও এবং পোস্ট পাবেন। ধন্যবাদ ভাইকে এত সুন্দর তথ্যমূলক পোস্ট করার জন্য।

পিএইচডি- কাদের জন্য এবং কীভাবে প্রস্তুত হবেন?
Dr-Ashiqur Rahman

গবেষণার নেশা যাদের......
পিএইচডি—একাডেমিক জগতের সবচেয়ে সম্মানজনক ও চ্যালেঞ্জিং ডিগ্রিগুলোর মধ্যে একটি। এটি শুধু একটি ডিগ্রি নয়, বরং জ্ঞানের সীমানা প্রসারিত করার এক মহাযাত্রা। কিন্তু এই যাত্রা সবার জন্য নয়। যারা গবেষণার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও অদম্য ধৈর্য ধারণ করতে পারেন, কেবল তারাই এই কঠিন কিন্তু সুন্দর পথে এগিয়ে যেতে পারেন।

গবেষণার প্রতি অগাধ ভালোবাসা থাকলেই পিএইচডি করুন...
পিএইচডি মূলত গবেষণানির্ভর একটি ডিগ্রি। এখানে আপনাকে নতুন কিছু আবিষ্কার করতে হবে, জ্ঞানের ভাণ্ডারে অবদান রাখতে হবে। তাই গবেষণার প্রতি আপনার অন্তরের টান থাকা জরুরি। উত্তর আমেরিকায় একটি পিএইচডি সম্পন্ন করতে গড়ে ৪-৫ বছর সময় লাগে। এই দীর্ঘ সময় আপনাকে অজস্র ল্যাব এক্সপেরিমেন্ট, ডেটা অ্যানালাইসিস, জার্নাল পেপার রাইটিং—এসবের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। বারবার ব্যর্থ হবেন, খুব খারাপভাবে সমালোচিত হবে, আবার চেষ্টা করবেন। সঠিক রেজাল্ট না পেলে আপনার সুপারভাইজররাও চাপ দিতে পারেন, কারণ তারা নিজেরাও গবেষণা ফলাফল পেতে মরিয়া, যা তাঁদের নতুন নতুন ফান্ডিং পেতে সহায়তা করবে।

ধৈর্য, অধ্যবসায় ও মানসিক শক্তি—এই তিনই মূল চাবিকাঠি...
পিএইচডির পথ কখনোই সহজ নয়। আপনাকে রাত-দিন এক করে কাজ করতে হবে। উইকেন্ড, ছুটির দিন—এসবের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। ল্যাবে, লাইব্রেরিতে, কম্পিউটারে—সর্বত্র আপনাকে গবেষণার কাজে ডুবে থাকতে হবে। অনেক সময় খাওয়া-দাওয়া মিস করে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এতসব চাপ সামলানোর জন্য দরকার অটুট মানসিক শক্তি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৪৭% পিএইচডি শিক্ষার্থী ডিপ্রেশনে ভোগেন। অনেকেই মানসিক চাপে আত্মহত্যার কথাও ভাবেন। তাই শুধু ডিগ্রির লোভে বা বিদেশে সেটেলমেন্টের স্বপ্নে পিএইচডি শুরু করলে এই চাপ সামলানো অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে।

সঠিক সুপারভাইজর/ ফান্ডিং প্রোগ্রাম নির্বাচন—সাফল্যের প্রথম ধাপ...
একজন ভালো সুপারভাইজর/ একটি ভালো ফান্ডিং প্রোগ্রাম আপনার পিএইচডি জার্নিকে সুন্দর করে তুলতে পারেন, আবার একজন খারাপ সুপারভাইজর এই সময়টাকে নরকেও পরিণত করতে পারেন। কিছু প্রফেসর অকারণেই রাগারাগি করেন, চাপ দেন, এমনকি পারফরমেন্স খারাপ হলে স্কলারশিপ বন্ধও করে দিতে পারেন। তবে আশার কথা হলো, অনেক ভালো ও সহানুভূতিশীল সুপারভাইজরও আছেন, যারা আপনাকে গাইড করবেন, অনুপ্রাণিত করবেন। তাই পিএইচডি শুরু করার আগে সুপারভাইজর এবং ফান্ডিং সম্পর্কে ভালোভাবে রিসার্চ করে নিন।

(আমার পেজ, লাইক দিয়ে রেখে দিতে পারেন, যেখানে এখন থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পর্কিত নিয়মিত পোস্ট পাবেনঃ https://www.facebook.com/ashiqurpage
আমার Youtube চ্যানেল যেখানে উচ্চশিক্ষা সম্পর্কিত অনেক গুলো ভিডিও আপলোড করা হয়েছে, আরও অনেকগুলো আপলোড হচ্ছে প্রতিদিনঃ https://www.youtube.com/.ASHIQUR )

গবেষণার জগতে সাফল্যের মাপকাঠি...
পিএইচডি শেষ করে আপনি যদি একাডেমিয়ায় বা রিসার্চ ফিল্ডে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাহলে আপনাকে পাবলিকেশন, সাইটেশন ও রিসার্চ গ্রান্টের দিকে নজর দিতে হবে। কে কতগুলো উচ্চমানের পেপার প্রকাশ করতে পেরেছেন, কত ভালো এবং সময়োপযোগী কাজ কোড়েরেছেন —এসব দিয়ে গবেষকদের মূল্যায়ন করা হয়। এজন্য আপনাকে নিরলস পরিশ্রম করতে হবে, নেটওয়ার্কিং বাড়াতে হবে এবং নিজের কাজকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে হবে।

পিএইচডি শুধু তাদেরই জন্য, যারা স্বপ্ন দেখেন বড় কিছু করার
পিএইচডি কখনোই শুধু বিদেশে যাওয়ার বা প্রেস্টিজের জন্য করা উচিত নয়। এটি এমন একটি যাত্রা, যেখানে আপনাকে নিজের সর্বোচ্চ দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে এগোতে হবে। ফেসবুকের রঙিন ছবি বা অন্যদের সাফল্য দেখে প্রভাবিত হলে চলবে না। আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে আপনার নিজের প্যাশন। গবেষণার প্রতি ভালোবাসা, জ্ঞানের পিপাসা ও সমাজে অবদান রাখার ইচ্ছাই আপনাকে এই কঠিন পথে টিকিয়ে রাখবে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যা করবেন
• সিনিয়র গবেষক ও পিএইচডি ধারীদের সাথে কথা বলুন।
• নিজের ক্যারিয়ার গোল ও জীবনদর্শন নিয়ে গভীরভাবে ভাবুন।
• মানসিকভাবে প্রস্তুত হোন—এটি কোনো সামান্য সময়ের জন্য নয়, বরং একটি ম্যারাথন।

যারা গবেষণাকে ভালোবাসেন, যাদের মনে প্রশ্নের পর প্রশ্ন ঘুরে, যারা বিশ্বকে বদলে দিতে চান—কেবল তারাই পিএইচডির মতো কঠিন যাত্রায় আসুন!
________________________________________
পিএইচডি করতে চাইলে যা জানা জরুরি

লিংকডইনে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর এরিক পপ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে পিএইচডি করতে আগ্রহীদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান কিছু পরামর্শ শেয়ার করেছেন। ১৭ বছরের অভিজ্ঞতায় হাজারো আবেদন পর্যালোচনা করে তিনি এই পরামর্শগুলো দিয়েছেন। উচ্চশিক্ষা আকাঙ্ক্ষী যে কেউ পিএইচডিতে আবেদন করতে চাইলে এই পরামর্শগুলো বিশেষভাবে সহায়ক হবে।

১. পিএইচডি কী?
পিএইচডি হলো মৌলিক গবেষণার ডিগ্রি। আপনাকে নতুন কিছু আবিষ্কার করতে হবে এবং তা শীর্ষস্থানীয় জার্নালে প্রকাশ করতে হবে। "Philosophy" শব্দটি ইঙ্গিত দেয় যে আপনাকে গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে এবং জ্ঞানের সীমানা প্রসারিত করতে হবে।

২. বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষক নির্বাচন
• গবেষণার মিল: আপনার আগ্রহের ক্ষেত্রের সাথে প্রফেসরদের গবেষণা কীভাবে মিলছে?
• সুযোগ-সুবিধা: ল্যাব, লাইব্রেরি, ফান্ডিং—এগুলো ভালোভাবে যাচাই করুন।
• লোকেশন ও ভবিষ্যৎ: এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি শেষ করে আপনি কী আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন?

৩. সিভি তৈরির টিপস
• গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: জিপিএ, র‍্যাঙ্ক, পুরস্কার, গবেষণা অভিজ্ঞতা, প্রকাশনা, পোস্টার ইত্যাদি অবশ্যই যোগ করুন।
• অতিরিক্ত কার্যক্রম: খেলাধুলা, সংগীত, সামাজিক কাজ—এগুলো আপনার বহুমুখীতা দেখায়, তবে গবেষণার তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ।
• GRE স্কোর: যদি ভালো স্কোর থাকে, তাহলে পার্সেন্টাইলসহ উল্লেখ করুন।

৪. কীভাবে নিজেকে আলাদা করবেন?
• গবেষণার অভিজ্ঞতা: আবেদনের আগেই অন্তত ১-২টি কো-অথরড পেপার বা কনফারেন্স পেপার থাকা জরুরি।
• সিভিতে প্রকাশনা: সমস্ত লেখকের নাম, জার্নালের নাম, টাইটেল—সবকিছু উল্লেখ করুন। আপনার নাম বোল্ড করে দিন।
• "In Review" পেপার: শুধুমাত্র এগুলো যোগ করুন, "In Preparation" নয়।

৫. স্টেটমেন্ট অব পারপাস (SOP)
• ব্যক্তিগত কারণ: কেন আপনি পিএইচডি করতে চান? এটি যেন আপনার নিজস্ব গল্প বলে।
• গবেষণার মিল: আপনার কাজ কীভাবে তাদের গবেষণার সাথে সংযুক্ত?
• অতিরিক্ত তথ্য: জিপিএ কমে গেলে তার কারণ ব্যাখ্যা করুন (যেমন: পারিবারিক সমস্যা)।
• চোখে পড়ার মতো উপাদান: SOP-এ একটি রঙিন গবেষণার ছবি যোগ করুন!

৬. রেকমেন্ডেশন লেটার
• কে দেবেন? গবেষণা সুপারভাইজর বা ইন্টার্নশিপ মেন্টর—যারা আপনার কাজের দক্ষতা জানেন।
• কীভাবে সাহায্য করবেন? তাদের ডেডলাইনের কথা মনে করিয়ে দিন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করুন।

৭. কোন প্রফেসরের সাথে কাজ করবেন?
• গবেষণা চেক করুন: প্রফেসরদের গুগল স্কলার ও ওয়েবসাইট দেখুন—তারা সক্রিয় আছেন কি?
• শিক্ষার্থী সহায়তা: তারা কি তাদের শিক্ষার্থীদেরকে সহায়তা করেন? সহযোগিতামূলক কি?

৮. প্রফেসরদের ইমেইল
• সংক্ষিপ্ত ও প্রাসঙ্গিক: ৩০০ শব্দের মধ্যে লিখুন। কেন আপনি তাদের ল্যাবে যোগ দিতে চান?
• অ্যাটাচমেন্ট: শুধুমাত্র সিভি (PDF ফরমেটে)।
• উদাহরণ: এরিক পপের গ্রুপের FAQ: এখানে ক্লিক করুন

৯. যদি উত্তর না পান?
• হতাশ হবেন না: "অ্যাডমিশন সিজনে" প্রফেসররা প্রচুর ইমেইল পান। সাধারণ মেইল উপেক্ষিত হয়।
• ফলো আপ: ১ সপ্তাহ পর সংক্ষেপে আবার লিখুন। ইমেইল ট্র্যাকার ব্যবহার করবেন না—এটি Privacy Violation হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

১০. একই বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি বিভাগে আবেদন করলে?
• কোর্স ও কোয়ালিফিকেশন: কোন বিভাগে বেশি স্বাধীনতা আছে?
• ইন্টারডিসিপ্লিনারি কাজ: স্ট্যানফোর্ডের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্য বিভাগের প্রফেসরদের সাথে কাজ করার সুযোগ আছে কি?

১১. ফান্ডিং ও অ্যাডমিশন প্রক্রিয়া
এই বিষয়ে ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত আর্টিকেল লেখা হবে…।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন, আপনার জন্য শুভকামনা!
………………..
বিদেশে উচ্চশিক্ষার সম্পূর্ণ গাইডলাইন – পর্ব ০৮
Dr-Ashiqur Rahman

Dr. Md Ashiqur Rahman Regional Manager - Asia at Erasmus+ National Focal Points | Past President, Erasmus Mundus Association | Research Fellow, Spanish National Research Council | Project Manager | Visiting Professor | Erasmus Mundus & MSCA Scholar | Chair - Global Mobility..

11/02/2025

সম্প্রতি ট্রাম্পের কঠোর নীতির প্রভাব ভিসা রেশিওতে পড়তে শুরু করেছে। রিজেকশনের ভিড়ে সফল হবার জন্য দরকার নিখুঁত ভিসা ইন্টারভিউ। আজকে এই টপিকে খুব জরূরি কয়েকটা পয়েন্ট দিচ্ছি, দয়া করে মনে রাখবেন।
আমি ড. মামুন রশিদ, এবং আমার প্রতিষ্ঠান Aemers LLC দীর্ঘদিন ধরে study abroad এবং visa processing-এ সহায়তা করে আসছে। আমরা university selection, SOP writing, financial planning, F1 visa interview preparation সহ প্রতিটি ধাপে গাইড করি, যাতে ছাত্ররা সহজেই student visa পেতে পারে। আমাদের পার্শিয়াল ও ফুল স্কলারশিপ ট্র্যাক আছে। এ ছাড়া ভিজিট ভিসাও আমরা প্রসেস করে থাকি। সরাসরি এমার্স এর পেইজে আপনার প্রশ্ন ইনবক্স করতে পারেন।
নীচের এই পয়েন্টগুলো মনে রাখবেন:
🔹 Strong Academic Intent: আপনার study plan পরিষ্কারভাবে বুঝাতে হবে – কেন এই university & program বেছে নিয়েছেন এবং এটি ভবিষ্যতে কিভাবে কাজে লাগবে।
🔹 Financial Stability’র ভালো প্রমাণ থাকা: চোখের দিকে তাকিয়ে আত্নবিশ্বাসের সাথে ফাইন্যানশিয়াল সোর্সগুলো বলতে পারা। যদিও কাগজপত্র দেখে না, তার পরেও bank statement, sponsor letter, income source ইত্যাদির প্রমাণ ও তথ্য প্রস্তুত রাখা, যাতে ভি.ও. বুঝতে পারে যে আপনার financial support নিশ্চিত।
🔹 Clear Career Goals: বোঝাতে হবে যে study completion এর পর আপনার career plan কী এবং এটি কিভাবে Bangladesh or global job market-এ কাজে আসবে।
🔹 Ties to Home Country: প্রমাণ করতে হবে যে study complete করার পর দেশে ফেরার যথেষ্ট family, financial, or career ties আছে।
🔹 Confident & Honest Communication: Nervous না হয়ে confident থাকা জরুরি, তবে over-explaining বা ওভার কনফিডেন্স শো করা যাবে না।
🔹 Fluency in English: যেহেতু কথা বার্তা হবে ইংরেজীতে, তাই সাবলীলভাবে কথা বলতে পারতে হবে। কথা শুনে বুঝতে পারতে হবে।
🔹 Proper Documentation: ঠিক যে তথ্যগুলো DS-160 তে দিয়েছিলেন, সেগুলো মনে রেখে কথা বলতে হবে। I-20, SEVIS receipt, passport, visa appointment confirmation সহ সব ডকুমেন্ট organized রাখতে হবে। আমার পেইজে একটা ছবি দিয়েছিলাম যে কীভাবে সব একসাথে ট্রান্সপারেন্ট একটা ব্যাগে রাখবেন।
🔹 Stay Updated with Policy Changes: এম্ব্যাসি সম্প্রতি তাদের ওয়েবসাইটে কিছু পরিবর্তন এনেছে, সেগুলোর ব্যাপারে আপডেট থাকতে হবে এবং সঠিক প্রস্তুতি নিতে হবে।
Aemers-এ স্টুডেন্ট ফাইল ওপেন করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আমরা real-life mock visa interviews আয়োজন করে থাকি। অনেক বেশি প্রস্তুতি নেবার কারণে অনেক দূর্বল স্টুডেন্টও এগিয়ে থাকে। তাছাড়া যাদের IELTS নেই তারা বিনামূল্যে ডুয়োলিংগো কোর্স করতে পারেন। সেই সাথে Bank support, Visa documentation guidance ও প্রদান করি, যাতে আপনার F1 visa approval এর সম্ভাবনা সর্বোচ্চ থাকে। এমার্স এর ফোন নম্বর 01326-480-510 থেকে 4 (সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা, প্রতিদিন)।
আপনার ভিসা ইন্টারভিউ সফল হোক!
Courtesy : Dr. Mamun Rashid (GREC)

11/02/2025

জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো শক্তিশালী একটি লেখা।
সর্বকালের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, "Compound Interest হল এই পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য্য"।

উনার এই কথার সাথে একমত হয়ে SUCCESS Magazine- এর Publisher Darren Hardy একটি বই লিখেন The Compound Effect নামে, যেটি The New York Times Bestseller.

এই বইটিতে কিছু চমৎকার Key Idea আছে যা আমাদের সবাইকে একটা Perfect Life Resolution বানাতে সাহায্য করতে পারে।

আচ্ছা বলুনতো,
কোন মানুষের Successful বা Failure হওয়ার পিছনে Root Factor হিসেবে কাজ করে কোনটা? তার ছোটবেলা, সে কিভাবে বড় হয়েছে, তার পরিবেশ নাকি অন্য কিছু?

লেখকের মতে সেই Root Factor হল তার নিজের নেয়া ছোট ছোট চয়েজগুলো।

এই পুরো পৃথিবীতে শুধুমাত্র একটাই জিনিস আছে যেটা যদি আমরা চাই তাহলে পুরোপুরিভাবে কন্ট্রোল করতে পারি, সেটা হচ্ছে আমাদের চয়েজ। আর এই চয়েজগুলোই আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আউটকামের জন্য দায়ী।

আপনি যদি ইচ্ছা করেন তাহলে অফিস থেকে ফেরার পর জিমে যেতে পারেন বা সোফাতে শুয়ে টিভিও দেখতে পারেন। আপনি যদি চান কোন কারনে আপনার বউয়ের সাথে ঝগড়া হওয়ার পর সবকিছু ভুলে পিছনে ফিরে তাকে জড়িয়ে ধরতে পারেন বা আপনার ইগোকে প্রশ্রয় দিয়ে সেখান থেকে বেড়িয়েও আসতে পারেন।

এরকম ছোট ছোট চয়েজগুলোই আমাদের সবকিছুর আউটকামগুলোকে নির্ধারন করে: আপনি সারাজীবন সুস্থ্য থাকবেন নাকি রোগের বয়ে বেড়াবেন, আপনি একটা দীর্ঘ এবং মধুর সম্পর্ক পাবেন নাকি আপনার মেয়েকে জবাব দিতে হবে কেন তার মাকে আপনি ডিভোর্স দিয়েছিলেন।

কিন্তু আমরা এরকম ছোট ছোট চয়েজগুলোতে বেশি মন দিই না, যদি আমি আপনাকে এখন দুটো অপশন দেই: আপনাকে এখন ১ টাকা দিব যেটা আগামী ১ মাস প্রতিদিন দিগুন হবে অথবা এখনই একবারে ১০ কোটি টাকা দিব; তাহলে আপনি এর মধ্যে কোন অফারট নিতে পছন্দ করবেন।

বেশিরভাগ মানুষই, হয়তো প্রায় সবাই ২ নাম্বার অপশন অর্থাৎ ১০ কোটি টাকাই নিবে। আচ্ছা তাহলে আমি ১ নাম্বার অফারটা নিজের কাছে রেখে দিলাম। এবার দেখা যাক ১ মাস পর এর আউটকাম কি আসে।

৫ দিন পর আমার কাছে আছে ১৬ টাকা আর আপনার কাছে ১০ কোটি। ১০ দিন পর আমার কাছে আছে ৫১২ টাকা আর আপনার কাছে সেই ১০ কোটি। ২০ দিন পর আমার কাছে ৫,২৪,২৮৮ আর আপনার কাছে সেই ১০ কোটি টাকা। আপনি এত টাকায় অনেক মজাতেই আছেন।

এবার ৩১ দিন পর আপনার কাছে আছে এখনো সেই ১০ কোটি কিন্তু আমার কাছ আছে ১০৭,৩৭,৪১,৮২৪ অর্থাৎ ১০৭ কোটি টাকা। যেটা কিনা আপনার থেকে ১০ গুন বেশি।

এবার তো বুঝা যাচ্ছে আইনস্টাইন কেন Compound Interest ব্যাপারটাকে 8th Wonder of World বলেছেন। সাকসেস জিনিসটাও ঠিক এই প্যাটার্নটাই ফলো করে।

Darren Hardy বলেছেন, "After 31 months or 31 years, the person who uses the positive nature of the compound effect appears to be an overnight success."

যেমন রুপক অর্থে রাশেদ, বিজয়, জুয়েল তিন বন্ধুর উদাহরন দেখা যাক। তিনজনই একরকম পরিবেশে বড় হয়েছে, একই জায়গায় থাকে আর ইনকাম মোটামুটি একই রকম। আর হ্যা ধরা যাক তিনজনেরই বিয়ে হয়ে গেছে এবং সবারই ওয়াইফের সাথে একটু মনোমালিন্য চলছে।

নতুন মাস বা বছরের শুরু থেকে রাশেদ সবসময় যা করে সেটাই করতে থাকল, কারন তার মনে হয় এটাতেই সে খুশী আছে। হ্যা শুধু কখনো কখনো সবার ব্যাপারে বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ করা শুরু করল।

অন্যদিকে বিজয় একটি Daily Checklist বানিয়ে নিজের মধ্যে কিছু ছোট ছোট Insignificant Positive Change আনা শুরু করল। যেমন-
১- প্রতিদিন ঘুমানোর আগে একটা ভাল বইয়ের ১০ পৃষ্ঠা পড়া।
২- প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার বা ফেরার সময় গাড়িতে বসে বা সুবিধামত সময়ে ৩০ মিনিট কোন Self Help/Motivational ভিডিও দেখা।
৩- নিজের ডেইলি ডায়েট প্ল্যান থেকে ১২৫ ক্যালরি কমালো।
৪- প্রতিদিন এক্সট্রা অন্তত ২ লিটার পানি খাওয়া।
৫- প্রতিদিন ১ মাইল হাটা।
৬- ব্যবসায়ীক স্বার্থ জড়িত প্রতিদিন অন্তত এমন ২/১ জনকে ফোন দিয়ে খোজখবর নেয়া বা সম্পর্কোন্নয়ন।
৭- নিজের বউকে নিয়ে প্রতি সপ্তাহে শুধুমাত্র ১ দিন বাইরে ডিনারের জন্য যাওয়া।

এবার অন্যদিকে জুয়েল কিছু ছোট ছোট Insignificant Negative Change আনা শুরু করল। যেমন:
১- প্রতিদিন লাঞ্চে একটু করে জাংকফুড খাওয়া।
২- কাজের চাপের অজুহাতে সপ্তাহে ৩/৪ দিন জিম মিস দেয়া।
৩- প্রতিদিন অফিস থেকে ফেরার সময় ১ বোতল কোল্ডড্রিঙ্কস খাওয়া।
৪- টিভিতে ফেভারিট শো দেখার জন্য ইভিনিং ওয়াক বন্ধ করে দেয়া।
৫- সময়ের অভাবের অজুহাতে অফিসিয়াল যোগাযোগ কমিয়ে দেয়া।
৬- ব্যস্ততার অজুহাতে বউয়ের সাথে বাইরে যাওয়াও বন্ধ করে দিল।

পরব্ররতী ৫ মাসে ৩ বন্ধুর তেমন কোন পার্থক্য দেখা গেল না। ১০ মাস পরেও একই। এবার বিজয় একটু একটু ফ্রাস্ট্রেট হতে লাগল। কেননা এখনো সে কোন পজটিভ রেজাল্ট দেখতে পায়নি তাও সে কোনরকমে জেদ ধরে চালিয়ে গেল, যেখানে জুয়েল কম কাজ করে জীবনকে উপভোগ করতে থাকল। আর রাশেদও খুশিতেই আছে।

কিন্তু ২৫ মাস পর হঠাৎই এদের মধ্যে কিছুটা বড় পার্থক্য দেখতে পাওয়া গেল, আর ২৭ মাস পর সেটা আরো ক্লিয়ারলি দেখতে পাওয়া গেল।

And after 31 months the differences become poles apart.

রাশেদ এখন আরো বেশি কম্পলেইন করে সবার ব্যাপারে। সে বেশিরভাগ সময়ই Bore এবং Purposeless অনুভব করে।

জুয়েল রোজ একটু একটু জাংকফুড খেয়ে এবং জিম বাদ দিয়ে ১৫ কেজি ওজন বাড়ালো, সাথে নানান রোগব্যাধি। যোগাযোগ কমিয়ে দেয়ার ফলে বিজনেসের অবস্থাও খারাপ হতে লাগল। ফলস্বরূপ আর্থিক অবস্থাও খারাপ হয়ে গেল সেই সাথে বউয়ের সাথেও সম্পর্ক খারাপ হয়ে ডিভোর্সের পর্যায়ে চলে গেল।

Small negative changes compounded for 31 months brought a horrific result.

এবার আসা যাক বিজয়ের ব্যাপারে। এই ৩১ মাসে সে প্রায় ৫০ টি বই এবং ৪৬৫ ঘন্টা উপকারী ভিডিও দেখে নিয়েছে যেটাতে তার Knowledge & Wisdom দুটোই আগের থেকে অনেকগুণ বেড়ে গেল।

প্রতিদিন শুধু ১২৫ ক্যালরি কমিয়ে আর ১ মাইল হেটে ১৫ কেজি ওজন কমালো যে কারনে সে এখনো আগের মতই স্লিম আর হ্যান্ডসাম। প্রতিদিন মাত্র ২ লিটার পানি খেয়ে মোট প্রায় দুই হাজার লিটার পানি খেয়ে নিল যা কিনা তার নিজের ভিতরে অনেক রোগকে বেড়ে ওঠা কমিয়ে দিল।

আর প্রতিদিন মাত্র দুইটা কল করে সে মোট ১৮০০ কল দিল যাতে সম্পর্ক ভালো হল ফলে বিজনেসও বাড়তে থাকল।
সপ্তাহে মাত্র একদিন বউকে ডিনারে নিয়ে গিয়ে মোট ১২৪ টা ডিনার ডেট করে ফেলল, যাতে তার বউ খুশী হল, নিজেদের সম্পর্কটাও মজবুত হল।

Strong insignificant changes compounded for 31 months brought an outstanding result for him.


কিন্তু!!
যদি সাকসেস পাওয়া এতটাই সোজা হয় আর আমরা সবাই প্রসেসটাও জানি, তাহলে কেন আমরা এই সূত্রটা ফলো করতে ব্যর্থ হয়ে যাই?

লেখকের মতে চারটি ফাঁদ আছে যার কারনে আমরা ব্যর্থ হই বা Consistency ধরে রাখতে পারি না।

1- Starting Results Are Invisible

ভাবুন যদি আপনি আজ একটা বার্গার খান আর পরদিন সকালে ১৫ কেজি ওজন বাড়িয়ে ঘুম থেকে ওঠেন তাহলে কি আপনি কোনদিনও একটা বার্গার খেতেন? অথবা আজ একটি সিগারেট খান আর পরদিন সকালে আপনি গলায় ক্যান্সার নিয়ে ঘুম থেকে ওঠেন, তাহলে কি আপনি কোনদিনও একটা সিগারেট খাওয়ার সাহস করতেন?

কিন্তু সমস্যাটা হল শুরুতে কোন পরিবর্তনই চোখে ধরা পরে না। কিছু মাস বা কিছু বছর পর হঠৎ যেন রাতারাতি কিছু ভয়ানক ফলাফল সামনে এসে যায়, যতক্ষণে সেটাকে আটকানোর আর সুযোগ থাকে না।

এই ফাঁদ থেকে বাঁচার জন্য আপনাকে সবসময় এটা মনে রাখতে হবে, "Every choice you make ignites a butterfly effect" মানে আপনাকে সতর্ক হয়ে প্রতিটা চয়েজ মন দিয়ে নিতে হবে।

2-Deceptiveness

লস এঞ্জেলসগামী কোন বিমান যদি ১ ডিগ্রিও Off Route হয়ে যায় তো সেই প্লেন লস এঞ্জেলস থেকে ১৫০ মাইল দূরে অন্য কোন দ্বীপে গিয়ে ল্যান্ড করবে। এবার আপনি ভাবুন যদি আপনিও নিজের জীবনে শুধুমাত্র ১ ডিগ্রীও Off Route হয়ে যান ১০ বা ১৫ বছরের জন্য, তাহলে জীবনের কোথায় গিয়ে ল্যান্ড করবেন!

এটা থেকে বাঁচার জন্য একটা গাইডলাইন থাকা খুবই দরকার। যেমন একটা Daily Checklist যেটা একটা ফুটপ্রিন্টের মত আপনাকে On Track থাকার জন্য সাহায্য করবে। যদি আপনি কোন কারনে কিছুদিনের জন্য অফট্র‍্যাক হয়েও যান তখন এই চেকলিস্টটা আপনাকে অন ট্র‍্যাকে ফিরে আসার জন্য অনেকটা সাহায্য করবে।

3- Immediate Gratification

আপনার কাছে দুটো অপশন আছে, ডিনারের পর আপনি একটা হট চকলেট কেক খেতে পারেন বা শুধু ১ গ্লাস পানি খেতে পারেন। আপনি পানি বেছে নিলেন আর আপনার একটা বন্ধু নিল কেক। বন্ধু খুব আনন্দে ওই কেকটাকে আপনার চোখের সামনে মজা করে খেতে লাগল। আর এদিকে আপনি শুধু পানি খাচ্ছেন যেটার এতটুকুও কোন স্বাদ নেই। তখন কেমন লাগবে আপনার?

এটাই ফাঁদ!
যদি আপনি শর্ট টার্মে দেখেন তাহলে কোন ভাল চয়েজ বেছে নিলে তাতে আপনি কিছুই পান না কিন্তু যদি একটা খারাপ চয়েজকে বেছে নেন তাহলে আপনি অনেক খুশী আর মজা লাভ করেন।

Which is a great paradox.

যেমন Darren Hardy বলেছেন,
"Short term pleasures create long term pains and short term pains create long term pleasures.

জীবনে একবার তো আপনাকে কষ্ট করতেই হবে, আপনি এটাকে Skip করতে পারবেন না। এই কষ্ট দুই ধরনের হয়: Pain of Discipline এবং Pain of regret.
কিন্তু ডিসিপ্লিনের কষ্টে ওজন শুধু কয়েক গ্রাম এবং কিছুদিনের যেখানে রিগ্রেটের কষ্টের ওজন কয়েক টন এবং আজীবনের।
এবার চয়েজ আপনার।

4- What is easy to do is also not easy to do.

চেকলিষ্ট Maintain করা, প্রতিদিন শুধুমাত্র দুই বোতল পানি খাওয়া, ১ মাইল হাটা; এইসব কাজ করা খুবই সহজ।
হ্যা সহজ তো বটেই কিন্তু এটা করা অনেকটা মুশকিলও।

লেখক বলেছেন শুধুমাত্র একটা জিনিস এরকম আছে যেটা Successful এবং Unsuccessful দুধনের লোকেদের মধ্যেই Common, তাদের কেউই ভাল চয়েজটা বেছে নিতে ভালবাসে না।

হ্যা এটাই সত্যি!
হট চকলেট কেকের পরিবর্তে শুধু স্বাদহীন পানি খেতে কেউই ভালবাসে না, কিন্তু সাকসেসফুল লোকেরা তাও যেকোন ভাবে তাদের Will Power বা নিজের Why Power- কে কাজে লাগিয়ে সেই কাজটা করে নেয়।

যেমন মোহাম্মদ আলী বলেছেন,
"I hated every minute of training but I love being a world champion."

তো এই ফাঁদ থেকে বাঁচার জন্য আপনার ওই Why টাকে খুজে বের করতে হবে। এই Why যত পাওয়ারফুল হবে আপনিও ততটাই পাওয়ারফুল হবেন।

So prepare a Checklist on daily basis, which will guide you throughout the year to stay on the right track.

One thing is fixed that you can never escape from the compound effect, either u earn it or you pay for it.
Collected

27/01/2025

Einstein's 1912 notebook with his works on relativity.

27/01/2025

আমেরিকাতে স্টুডেন্ট ভিসায় সেপ্টেম্বর ইনটেক ২০২৫ এ Apply করার জন্য যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

1. ইউনিভার্সিটি সিলেকশন: State/Public ইউনিভার্সিটি এর ডেডলাইন যেহেতু আগে শেষ হয় এবং competition ও বেশি থাকে, সেহেতু Profile অনুযায়ী suitable university সিলেকশন এ option বেশি রাখার জন্য যথেষ্ট সময় হাতে রাখতে হয়।

2. অফার লেটার/I-20: State/Public ইউনিভার্সিটি এর অফার লেটার/I-20 ফিডব্যাক আসতে মিনিমাম ১/১.৫ মাস কখনো তার চেয়েও বেশি সময় লাগে।

3. এম্ব্যাসি ডেট: আমেরিকাতে Apply করার ক্ষেত্রে এখন প্রধান সমস্যা এম্ব্যাসি ডেট পাওয়া। ইনটেক এর আগে ডেট কনফার্ম করতে হলে অবশ্যই সময় হাতে রেখে Apply করতে হবে।

4. ইন্টারভিউ প্রস্তুতি: আমেরিকা ভিসা অ্যাপ্রভাল যেহেতু ইন্টারভিউ ভিত্তিক, ইন্টারভিউ এর জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে যথেষ্ট সময় দিতে হবে।

এই বিষয় গুলো মাথায় রেখে কমপক্ষে ৫/৬ মাস সময় হাতে নিয়ে Apply Processing শুরু করতে হবে।

Application fees - ২/৩ ইউনিভার্সিটি ( depend on ইউনিভার্সিটি)
Foreign Transcript Evaluation/ WES
Embassy Fee- 185 USD
SEVIS Fee - 350 USD

এভারেজ ৯০হাজার - ১লাখ টাকা বাজেট রাখলেই এম্ব্যাসি পর্যন্ত ফেস করা যায়।
1. Passport
2. Photo
3. All Academic Certificates and Transcripts
4. English Proficiency (MOI/IELTS/ Duolingo/PTE/GRE)

এই সকল ডকুমেন্টস হলেই Apply করতে পারবেন।
* কোনো English Proficiency নেই
* IELTS - 5/5.5
* Long Study gap accepted

25/01/2025

শিক্ষার শেষ নেইঃ

১. স্ত্রীর পাশে ১-মিনিট বসুন, বুঝতে পারবেন জীবন বড় কঠিন।
২. মাতালের কাছে ১০- মিনিট বসুন, বুঝতে পারবেন জীবন খুব সহজ।

৩. সাধুদের সাথে ৩-মিনিট বসুন, আপনার সবকিছু দান করে অবসর নিতে ইচ্ছে করবে।
৪. রাজনীতিবিদের সাথে ৪-মিনিট বসুন, বুঝবেন আপনার পড়াশুনা সব বেকার, অনর্থক।

৫. একজন জীবন বীমা এজেন্টের সাথে ৫-১০ মিনিট বসুন, বুঝবেন বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো।

৬. একজন ব্যবসায়ীর সাথে ৬-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার উপার্জন কিছুই না।

৭. একজন বিজ্ঞানীর সাথে ৭-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার মধ্যে খারাপটা আপনার অজ্ঞতার কারণে।

৮. একজন ভালো শিক্ষকের সাথে ৮-মিনিট বসুন, আপনি একজন ছাত্র হয়ে ফিরে আসতে চাইবেন।

৯. একজন কৃষক বা শ্রমিকের সাথে ৯-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনি কঠোর পরিশ্রম করেন না।

১০. একজন সৈনিকের সাথে ১০-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার কাজ এবং ত্যাগ অত্যন্ত ঘৃণ্য।

১১. কবরস্থানে ১০/১১ মিনিটের জন্য যান মনে হবে জীবনের সবকিছু তুচ্ছ মায়া, হাল ছেড়ে দেই।

১২. একজন ইতিবাচক মনোভাব সম্পন্ন ভালো, উদার মনের প্রকৃত বন্ধুর সাথে ১০-মিনিট বসুন, মনে হবে আপনার জীবন স্বর্গের চেয়েও সুন্দর।

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Khulna
9203