18/03/2026
নূর এ রুহ
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from নূর এ রুহ, Religious school, Khulna.
18/03/2026
নিচে দোয়া গুলো আমরা বেশি বেশি করার চেষ্টা করব
🤲 প্রয়োজন পূরণের জন্য
اللَّهُمَّ يَسِّرْ لِي أَمْرِي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইয়াসসির লি আমরি
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার কাজগুলো সহজ করে দাও।
রেফারেন্স: সূরা ত্বাহা – ২০:২৬
🤲 রিজিক (উপজীবিকা ও সম্পদ) এর জন্য
اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي مِنْ حَيْثُ لَا أَحْتَسِبُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা উরজুকনী মিন হাইসূ লা আহতাসিব
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে এমন স্থান থেকে রিজিক দান কর, যেখান থেকে আমি কল্পনাও করি না।
রেফারেন্স: সূরা তালাক – ৬৫:৩
🤲 সফলতা ও হিদায়াতের জন্য
اللَّهُمَّ وَفِّقْنِي لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ওয়াফিকনী লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদ্বা
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে তাতে সফলতা দাও যা তুমি ভালোবাসো ও সন্তুষ্ট হও।
রেফারেন্স: হাদীস অনুপ্রেরণামূলক (দু’আগুলোর মাঝে উল্লেখ আছে)
🤲 কষ্ট দূর করার জন্য
حَسْبِيَ اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
উচ্চারণ: হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল
অর্থ: আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট, এবং তিনি উত্তম কাণ্ডারী।
রেফারেন্স: সূরা আলে ইমরান – ৩:১৭৩
🤲 ক্ষমা ও দয়া কামনার জন্য
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي
উচ্চারণ: রাব্বিগফির লি ওয়ারহামনি
অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করো এবং দয়া করো।
রেফারেন্স: সূরা মু’মিনূন – ২৩:১১৮
25/02/2026
জীবনে কোনো প্রকার সমস্যার মধ্য দিয়ে গেলে বা যেকোনো ক্ষেত্রে ইস্তেগফারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়াই সবচেয়ে ভালো কাজ।
ইস্তেগফার বন্ধ দরজা খুলে দেয়, ইস্তেগফারে নতুন সম্ভাবনা দেখা দেয়, ইস্তেগফারে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়।
আল্লাহ আমাদের সকলকে মাফ করে দিন এবং সকল কিছু সহজ করে দিন।
#রমাদান #ইস্তেগফার
22/02/2026
#রমজান_মাসে_স্বামী_স্ত্রীর_সহবাস_করার_উপায়
রমজান মাসে স্ত্রীর সাথে সহবাস সম্পর্কে ইসলামী শরীয়তের বিধান খুবই স্পষ্ট এবং কুরআন ও হাদীসে সরাসরি বর্ণিত আছে।
মূল বিধান (কুরআন থেকে)
কুরআনে সূরা আল-বাকারা আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
“সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের বৈধ করা হয়েছে। তারা তোমাদের পোশাক এবং তোমরা তাদের পোশাক। আল্লাহ জানতেন যে, তোমরা নিজেদের সাথে প্রতারণা করছিলে। তাই তিনি তোমাদের প্রতি সদয় হয়েছেন এবং তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করেছেন। অতএব এখন তোমরা তোমাদের পত্নীদের সঙ্গে সহবাস করতে পার এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যা লিখে রেখেছেন, তা কামনা কর।”(সূরা বাকারা: ১৮৭)
এ আয়াত থেকে স্পষ্ট যে:
- রাতের বেলা (ইফতারের পর থেকে সুবহে সাদিক/ফজরের আগ পর্যন্ত) স্ত্রীর সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হালাল ও বৈধ।
- দিনের বেলা (সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত/ইফতার পর্যন্ত) সহবাস সম্পূর্ণ হারাম এবং রোজা ভঙ্গকারী কাজ।
সময়সীমা সংক্ষেপে
- বৈধ সময়: মাগরিব (ইফতার) থেকে শুরু করে সুবহে সাদিক (সত্যিকারের ফজরের আগ মুহূর্ত) পর্যন্ত — অর্থাৎ পুরো রাত।
- হারাম সময়: ফজর থেকে মাগরিব পর্যন্ত — দিনের বেলা রোজা অবস্থায়।
সাহরি খাওয়ার পরও যদি সুবহে সাদিকের আগে থাকে, তাহলে সহবাস জায়েজ। কিন্তু ফজরের আযান শুরু হওয়ার সাথে সাথে (বা সুবহে সাদিক প্রবেশের সাথে) সবকিছু বন্ধ করতে হবে।
দিনের বেলায় সহবাস করলে কী হয়?
যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা রাখা অবস্থায় দিনের বেলা সহবাস করে, তাহলে:
- রোজা ভেঙে যায়।
- গুনাহ হয়।
- সেদিনের বাকি অংশ পানাহার ও সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে।
- কাযা (ঐ রোজা পরে আদায়) ওয়াজিব।
- কাফফারা ওয়াজিব (যা রোজা ভঙ্গের সবচেয়ে কঠিন কাফফারা):
১ একজন দাস মুক্ত করা (আজকাল সম্ভব না হলে পরের ধাপ)।
২ একটানা ২ মাস রোজা রাখা।
৩ তাও না পারলে ৬০ জন মিসকীনকে খাওয়ানো।
(একাধিক দিন করলেও প্রতিদিনের জন্য আলাদা কাফফারা লাগে না — একবারের কাফফারাই যথেষ্ট।)
বিশেষ ক্ষেত্রে যদি স্বামী জোর করে করে, তাহলে স্ত্রীর রোজা ভাঙবে না এবং তার কোনো কাফফারা লাগবে না।
দিনের বেলায় অন্যান্য কাছাকাছি হওয়া
- চুমু, আলিঙ্গন, স্পর্শ — জায়েজ, যদি বীর্যপাত না ঘটে। তাই সতর্কতা অবলম্বন করাই উত্তম।
রমজান মাস আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়ার মাস।
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হালালভাবে উপভোগ করুন, কিন্তু শরীয়তের সীমা অতিক্রম করবেন না। আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিকভাবে রোজা পালনের তাওফিক দান করুন।
21/02/2026
😭সবগুলো রোজা রাখার পর যদি জানতে পারেন আপনার একটা রোজাও কবুল হয়নি! 🥺
চিন্তা করতেই গা শিউরে ওঠে, তাই না? আমরা সারাদিন না খেয়ে থাকি, পিপাসায় গলা শুকিয়ে যায়, ক্লান্তিতে শরীর ভেঙে আসে। কিন্তু হাশরের ময়দানে যদি দেখা যায়, এই এক মাসের অমানবিক কষ্টের কোনো মূল্যই আল্লাহর কাছে নেই, তবে এর চেয়ে বড় আফসোস আর কী হতে পারে!
ইসলামের আলোকে এটি কোনো কাল্পনিক ভয় নয়, বরং অত্যন্ত বাস্তব একটি সতর্কবার্তা।
রাসূলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত স্পষ্টভাবে আমাদের সতর্ক করেছেন:
👉"যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও সে অনুযায়ী কাজ করা বর্জন করল না, তার পানাহার ত্যাগে (উপবাস থাকায়) আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।" — (সহীহ বুখারী: ১৯০৩)
🌟আরেকটি হাদিসে এসেছে:
👉"অনেক রোজাদার এমন আছে, যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা আর পিপাসা ছাড়া আর কিছুই জোটে না।" — (ইবনে মাজাহ: ১৬৯০)
কিন্তু কেন এমন হয়? কেন আমাদের রোজাগুলো শুধু উপবাসে পরিণত হয়? ইসলামি স্কলারদের মতে, মূলত কয়েকটি কারণে আমাদের সিয়াম বা রোজা বাতিল হয়ে যেতে পারে কিংবা এর সওয়াব নষ্ট হয়ে যায়:
🔥গীবত ও পরনিন্দা: রোজা রেখে আমরা হয়তো খাবার খাচ্ছি না, কিন্তু অন্যের সমালোচনা করে ঠিকই 'মৃত ভাইয়ের গোশত' খাচ্ছি। গীবত রোজার সওয়াবকে একদম ধ্বংস করে দেয়।
🔥মিথ্যা, গালিগালাজ ও ঝগড়া: রোজা হচ্ছে ঢাল। অথচ রোজা রেখে আমরা অহরহ মিথ্যা বলছি, সোশ্যাল মিডিয়ায় বা বাস্তবে মানুষকে গালি দিচ্ছি, প্রতারণা করছি।
🔥নামাজ না পড়া: রোজা রাখছেন কিন্তু ফরজ নামাজ পড়ছেন না—এটি একটি বড় বৈপরীত্য। স্কলারদের মতে, নামাজ ছাড়া অন্যান্য ইবাদত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
🔥হারাম উপার্জন: সারাদিন রোজা রেখে যদি দিনশেষে হারাম টাকায় কেনা খাবার দিয়ে ইফতার করা হয়, তবে সেই ইবাদত কবুল হওয়ার আশা করাটা বোকামি।
🔥লোক দেখানো : "আমি রোজা রেখেছি, আমি অনেক কষ্ট করছি"—এই মানসিকতা নিয়ে মানুষকে দেখানোর জন্য রোজা রাখলে তা শিরকে আসগার বা ছোট শিরকে পরিণত হয়।
আমাদের করণীয় কী?
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, রোজার মূল উদ্দেশ্য না খেয়ে থাকা নয়, বরং 'তাকওয়া' বা আল্লাহভীতি অর্জন করা (সূরা বাকারাহ: ১৮৩)।
🌟শুধু পেটকে নয়, আমাদের চোখ, কান, জিহ্বা, এবং অন্তরকেও রোজা রাখাতে হবে। চোখ দিয়ে হারাম কিছু দেখা থেকে বিরত থাকা, কান দিয়ে গীবত ও গানবাজনা না শোনা, এবং মুখ দিয়ে খারাপ কিছু না বলাই হলো প্রকৃত রোজা।
🌟ইয়া আল্লাহ! আমাদের রোজাগুলোকে শুধুমাত্র ক্ষুধা আর পিপাসায় পরিণত করবেন না। আমাদের ভুলগুলো ক্ষমা করে আমাদের সিয়ামগুলোকে আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যম হিসেবে কবুল করে নিন।
19/02/2026
ইচ্ছা পূরণের সালাতকেই সালাতুল হাজত বলা হয়।
👉সালাতুল হাজত পড়ার নিয়মঃ
" কোন হালাল চাহিদা পুরনের জন্য আল্লাহ'র
সন্তষ্টির উদ্দেশ্যে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করাকে সালাতুল হাজত বলা হয়"
[ইবনু মাজাহঃ হা/১৩৮৫]
👉কখন পড়বেনঃ
কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে কিংবা
শারীরিক-মানসিকভাবে কোনো দুশ্চিন্তা
দেখা দিলে এ নামাজ পড়তে হয়।
👉নিষিদ্ধ সময়ঃ
সালাতুল হাজত নিষিদ্ধ ওয়াক্ত ব্যাতীত যেকোনো সময়েই পড়তে পারেন!
👉নিয়মঃ
নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। হাজতের নিয়তে অন্যান্য নামাজের মতোই দু-রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন!
👉করণিয়ঃ
স্বাভাবিক নামাজের মতোই উত্তমভাবে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বে। নামাজ শেষে আল্লাহ তায়ালার হামদ ও ছানা (প্রসংসা) এবং নবী করিম সা. এর ওপর দরুদ শরিফ পাঠ করে নিজের মনের কথা আল্লাহর নিকট বলবেন।
-এই দোয়া পড়বেন মুনাজাতে ইনশাআল্লাহ
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَا النَّارِ
"রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল
আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া ক্কিনা আজাবানা নার"
الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ سُبْحَانَ اللهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ
لَا تَدَعْ لِي ذَنْبًا إِلَّا غَفَرْتَهُ وَلَا هَمًّا إِلَّا فَرَّجْتَهُ وَلَا حَاجَةً هِيَ لَكَ رِضًا إِلَّا قَضَيْتَهَا
يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ:
"লাইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারিম, সুবহানাল্লাহি রাব্বিল আরশিল আজিম। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন, আছআলুকা মুজিবাতি রাহমাতিক; ওয়াআজা-ইমা মাগফিরাতিক, ওয়াল গানিমাতা মিন কুল্লি
বিররিউ ওয়াসাতা মিন কুল্লি ইছমিন লা তাদাঅলি- জাম্বান ইল্লা গাফারতাহুওয়ালা হাম্মান ইল্লা ফাররাজতাহু ওয়ালা হাজাতান হিয়া লাকা রিজান- ইল্লা কাজাইতাহা ইয়া আর হামার রাহিমীন।"
[তিরমিজি, মিশকাতঃ হা/৮৭৩,
আবু দাউদঃ ১৩১৯]
শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ দিন।
17/02/2026
⚓ পুরো রমজান মাস জুড়ে এই আমল করুন—ইনশাআল্লাহ বিয়ে, চাকরি, মনের শান্তি ও জীবনের কল্যাণ পাবেন!
রমজান এসেছে—রহমত, মাগফিরাত ও দোয়া কবুলের সোনালি মাস! এ মাসে গুনাহ মাফ হয়, রহমতের দরজা খোলে, রিজিক বাড়ে এবং আল্লাহ বান্দার নেক চাহিদা পূরণ করেন। অনেকের জীবনে আজ বিয়ের অপেক্ষা, চাকরির চিন্তা, মনের অস্থিরতা—এসবের সমাধান আল্লাহর কাছে। রোজা, নামাজ, কুরআন ও ইস্তেগফার দিয়ে গুনাহ দূর করলে আল্লাহ সবকিছু সহজ করে দেন।
এখানে সংক্ষিপ্ত কিন্তু খুবই কার্যকর আমলগুলো দিলাম কুরআন-হাদিসের আলোকে, সহজে করা যায় এবং অনেকে আমল করে আল্লাহর রহমতে ফল পেয়েছেন।
💡প্রধান আমলগুলো (পুরো রমজান জুড়ে):
👉 বেশি বেশি ইস্তেগফার
সারাদিন, ইফতার-সেহরি, নামাজের পর "আসতাগফিরুল্লাহ" জারি রাখুন। হাদিসে আছে—ইস্তেগফার দুশ্চিন্তা দূর করে, রিজিক বাড়ায় এবং বন্ধ দরজা খোলে। গুনাহ মাফ হলে দোয়া কবুলের পথ সহজ হয়।
👉 সূরা ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত (চোখের শীতলতার দোয়া)
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর গভীর মনোযোগ সহকারে পড়ুন:
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
উচ্চারণ: রব্বানা হাব লানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ'ইউনিঁ ওয়াজআলনা লিলমুত্তাকীনা ইমামা।
অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের মধ্য থেকে চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকীদের জন্য ইমাম বানিয়ে দিন।
এ দোয়া নেক জীবনসঙ্গী ও পরিবারের শান্তির জন্য সরাসরি কুরআনি দোয়া।
👉 হজরত মুসা (আ.)-এর দোয়া (সূরা কাসাস ২৪) সেজদায় বা যেকোনো সময় বেশি পড়ুন:
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
উচ্চারণ: রব্বি ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর।
অর্থ: হে আমার রব! তুমি আমার প্রতি যে কোনো কল্যাণ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।
এ দোয়া বিয়ে, চাকরি, রিজিক—সব খায়রের জন্য অসাধারণ।
👉 দোয়া কবুলের সময়গুলোতে দোয়া।
তাহাজ্জুদ (শেষ রাতে উঠে), সেজদায়, ইফতারের মুহূর্তে, তারাবীহর পর—এসব সময় নিজের চাহিদা বলুন:
"ইয়া আল্লাহ! আমাকে নেক জীবনসঙ্গী দান করুন, হালাল চাকরি দান করুন, মনের শান্তি দান করুন।
👉 সদকা ও অন্যের জন্য দোয়া।
প্রতিদিন অল্প হলেও সদকা দিন—সদকা বিপদ দূর করে। যারা বিয়ে-চাকরির অপেক্ষায়, তাদের জন্য দোয়া করুন; ফেরেশতারা আপনার জন্য দোয়া করবেন।
👉 নিয়মিত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও রুকইয়াহ।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ (জামাতে পড়বেন পুরুষ হলে) তারাবীহ ছাড়বেন না। বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন। সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক-নাস, আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে নিজেকে হেফাজত করুন।
ভাই-বোনেরা, এ আমলগুলো সহজ, কিন্তু ইখলাস ও ভরসা নিয়ে করলে আল্লাহ পরিবর্তন করে দেন। রমজান হলো পরিবর্তনের মাস—আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে নেক জীবনসঙ্গী, হালাল রিজিক ও মনের শান্তি দান করেন। এবং রমজানের সকল রহমত দান করেন.. আমীন।
05/02/2026
SubanAllah
04/02/2026
🤲🤲
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Contact the school
Telephone
Website
Address
Khulna