Nasir Uddin

Nasir Uddin

Share

"অনুসন্ধানে নিয়োজিত" Nothing Special. Just an Ordinary Human.

07/06/2026

Let the light up!

Photos from Nasir Uddin's post 04/06/2026

বাংলাদেশের সবচেয়ে আন্ডাররেটেড জায়গাগুলোর একটা নিঃসন্দেহে খুলনা।

এই জেলার নাম শুনলেই অনেকের মাথায় আগে আসে সুন্দরবন।

কিন্তু খুলনা শুধু সুন্দরবন না।

খুলনা একটা চরিত্র।

একটা আলাদা জীবনদর্শন।

আমি যতবার খুলনায় গেছি, ততবার মনে হয়েছে এই শহরটা বাংলাদেশের অন্য শহরগুলোর মতো না।

এখানে তাড়াহুড়ো কম।

শব্দ কম।

কিন্তু গভীরতা বেশি।

রূপসা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকলে মনে হয় সময় একটু ধীরে চলে।

ভৈরব, পশুর, শিবসা—নদীগুলো যেন এই অঞ্চলের মানুষের চিন্তাভাবনাকেও প্রশস্ত করে দিয়েছে।

এখানকার মানুষ নদীর মতোই।

শান্ত, কিন্তু শক্তিশালী।

খুলনার সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও কিন্তু "প্রকৃতির বিশ্ববিদ্যালয়" হওয়া উচিত ছিল।

কারণ এখানে ক্লাসরুমের বাইরেও শেখার অনেক কিছু আছে।

সকালে নদী।

বিকেলে সবুজ।

আর একটু দূরেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন।

সুন্দরবনের মতো প্রতিবেশের পাশে বড় হওয়া একটা শিশুর পৃথিবীকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি অন্যরকম হবে না তো কী হবে?

ক্রিয়েটিভ হবে না কেমনে?

ঢাকার বাচ্চারা বড় হয় কংক্রিট দেখে।

আর খুলনার বাচ্চারা বড় হয় নদী, বন আর আকাশ দেখে।

একদিকে শিল্পাঞ্চল।

অন্যদিকে প্রকৃতি।

এই দুইয়ের মিশ্রণ মানুষকে বাস্তববাদীও বানায়, আবার স্বপ্ন দেখাতেও শেখায়।

খুলনা এমন একটা জায়গা, যেখানে আপনি একই দিনে জাহাজ দেখতে পারেন, কারখানা দেখতে পারেন, আবার হরিণ আর বাঘের গল্পও শুনতে পারেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিল্প, মৎস্যসম্পদ, বন্দর ব্যবস্থা—সব জায়গায় খুলনার অবদান আছে।

কিন্তু খুলনার মানুষ কখনো নিজেদের নিয়ে খুব বেশি হইচই করে না।

তারা কাজ করে।

নীরবে।

এটাই খুলনার সৌন্দর্য।

প্রতিটা অভিভাবকের উচিত তাদের সন্তানদের একবার হলেও খুলনায় নিয়ে যাওয়া।

যাক, রূপসার পাড়ে বসুক।

মংলার দিকে যাক।

সুন্দরবনের ভেতর নৌকায় উঠুক।

রাতের নদী দেখুক।

ভোরের কুয়াশা দেখুক।

একটু প্রকৃতির সঙ্গে কথা বলুক।

মাথা খুলে যাবে।

এই দেশে আমরা দিন দিন প্রকৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি।

আর খুলনা এখনো মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, মানুষ আসলে নদীর সন্তান।

বনের সন্তান।

প্রকৃতির সন্তান।

যে শহর মানুষকে তার শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়, সেই শহর কখনো সাধারণ হতে পারে না।

খুলনা তেমনই একটা শহর।

চুপচাপ।

শান্ত।

কিন্তু অসাধারণ।

03/04/2026

জাপানে পড়তে যাওয়া এক ছাত্রী একদিন ফোনে বলল, "বড়োই লজ্জায় আছি।"
- "কেন কী হয়েছে?"
- "ড্রইং ক্লাসে ড্রইং বক্স নিয়ে যাইনি।"
- "তো?"
- "জাপানি স্যার একটা বড় শিক্ষা দিয়েছেন।"
- "কী করেছেন?"
- "আমার কাছে এসে ক্ষমা চেয়েছেন। বলেছেন, আজ যে ড্রইং বক্স নিয়ে আসতে হবে,তা স্মরণে রাখার মতো জোর দিয়ে তিনি আমাকে বুঝিয়ে বলতে পারেননি।
তাই তিনি দুঃখিত।"
- "হুম।"
- "আমি তো আর কোনদিন ড্রইং বক্স নিতে ভুলবো না। আজ যদি তিনি আমাকে বকতেন বা অন্য কোন শাস্তি দিতেন, আমি হয়তো কোনও একটা মিথ্যা অজুহাত দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করতাম।"

জাপানি দল বিশ্বকাপে হেরে গেলেও জাপানি দর্শকরা গ্যালারি পরিষ্কার করে তবেই স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন।

এ আবার কেমন কথা?
এটা কি কোনো পরাজয়ের ভাষা! হেরেছিস যখন রেফারির গুষ্টি তুলে গালি দে। বলে দে পয়সা খেয়েছে। বিয়ারের ক্যান, কোকের ক্যান, চিনাবাদামের খোসা যা পাস ছুঁড়ে দে। দুই দিন হরতাল ডাক। অন্তত বুদ্ধিজীবীদের ভাষায় এটা তো বলতে পারিস যে, খেলোয়াড় নির্বাচন ঠিক হয়নি, এতে সরকার বা বিরোধী দলের হাত আছে।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে হেরে গিয়ে জাপানের সম্রাট হিরোহিতো আমেরিকার প্রতিনিধি ম্যাক আর্থারের কাছে গেলেন। প্রতীকী হিসাবে নিয়ে গেলেন এক ব্যাগ চাল। হারিকিরির ভঙ্গিতে হাঁটু গেড়ে মাথা পেতে দিয়ে বললেন, "আমার মাথা কেটে নিন আর এই চালটুকু গ্রহণ করুন। আমার প্রজাদের রক্ষা করুন। ওরা ভাত পছন্দ করে। ওদের যেন ভাতের অভাব না হয়।"

আরে ব্যাটা, তুই যুদ্ধে হেরেছিস, তোর আত্মীয়স্বজন নিয়ে পালিয়ে যা। তোর দেশের চারিদিকেই তো জল। নৌপথে কিভাবে পালাতে হয় আমাদের ইতিহাস (লক্ষণ সেন) থেকে শিখে নে। কোরিয়া বা তাইওয়ান যা। ওখানকার 'মীর জাফর'-দের সাথে হাত মেলা। সেখান থেকে হুঙ্কার দে। সম্রাট হিরোহিতোর এই আচরণ আমেরিকানদের পছন্দ হল। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের কুখ্যাত মহানায়কদের মধ্যে কেবলমাত্র হিরোহিতোকেই বিনা আঘাতে বাঁচিয়ে রাখা হলো ।

২০১১ সালের ১১ই মার্চ। সুনামির আগাম বার্তা শুনে এক ফিশারি কোম্পানির মালিক সাতো সান প্রথমেই বাঁচাতে গেলেন তার কর্মচারীদের। হাতে সময় আছে মাত্র ৩০ মিনিট। প্রায়োরিটি দিলেন বিদেশি (চাইনিজ)-দের। একে একে সব কর্মচারীদের অফিস থেকে বের করে পাশের উঁচু টিলায় নিজে পথ দেখিয়ে গিয়ে রেখে এলেন। সর্বশেষে গেলেন তার পরিবারের খোঁজ নিতে। ইতিমধ্যে সুনামি এসে হাজির। সাতো সানকে চোখের সামনে কোলে তুলে ভাসিয়ে নিয়ে গেল সুনামি। আজও খোঁজহীন হয়ে আছেন তার পরিবার (ইসস!!! সাতো সান যদি একবার আমাদের প্রমোটারের সাথে দেখা করার সুযোগ পেতেন)। সাতো সান অমর হলেন চায়নাতে। চাইনিজরা দেশে ফিরে গিয়ে শহরের চৌরাস্তায় ওনার প্রতিকৃতি বানিয়ে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন।

নয় বছরের এক ছেলে। স্কুলে ক্লাস করছিল। সুনামির আগমনের কথা শুনে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানালো এবং সব ছাত্রদের নিয়ে তিন তলায় জড়ো করলো। তিন তলার ব্যালকনি থেকে দেখলো তার বাবা স্কুলে আসছে গাড়ি নিয়ে। গাড়িকে ধাওয়া করে আসছে ফোসফোসে জলের সৈন্য দল। গাড়ির স্পিড জলের স্পিডের কাছে হার মেনে গেল। চোখের সামনে নেই হয়ে গেল বাবা। সৈকতের কাছেই ছিল তাদের বাড়ি। শুনলো, মা আর ছোট ভাই ভেসে গেছে আরো আগে। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে ছেলেটি আশ্রয় শিবিরে উঠল। শিবিরের সবাই খিদে আর শীতে কাঁপছে। ভলান্টিয়াররা রুটি বিলি করছেন। আশ্রিতরা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। ছেলেটিও আছে।

এক বিদেশী সাংবাদিক দেখলেন, যতখানি খাদ্য (রুটি) আছে তাতে লাইনের সবার হবে না। ছেলেটির কপালে জুটবে না।সাংবাদিক সাহেব তার কোট পকেটে রাখা নিজের ভাগের রুটি দুটো ছেলেটিকে দিলেন। ছেলেটি ধন্যবাদ জানিয়ে রুটি গ্রহণ করল, তারপর যেখান থেকে রুটি বিলি হচ্ছিল সেখানেই ফেরত দিয়ে আবার লাইনে এসে দাঁড়াল।

সাংবাদিক সাহেব কৌতূহল চাপতে পারলেন না। ছেলেটিকে জিজ্ঞাস করলেন, "এ কাজ কেন করলে খোকা ?"
খোকা উত্তর দিল "বন্টন তো ওখান থেকে হচ্ছে। ওদের হাতে থাকলে, বন্টনে সমতা আসবে।তাছাড়া লাইনে আমার চেয়েও বেশি ক্ষুধার্ত লোকও তো থাকতে পারে।"
সহানুভুতিশীল হতে গিয়ে বন্টনে অসমতা এনেছেন, এই ভেবে সাংবাদিক সাহেবের পাপবোধ হল। এই ছেলের কাছে কী বলে ক্ষমা চাইবেন ভাষা হারালেন তিনি।

যাদের জাপান সম্পর্কে ধারণা আছে তারা সবাই জানেন, যদি ট্রেনে বা বাসে কোনো জিনিস হারিয়ে যায়, অনেকটা নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। ঐ জিনিস আপনি অক্ষত অবস্থায় ফেরত পাবেন।

গভীর রাতে কোনো ট্রাফিক নেই, কিন্তু পথচারীরা ট্রাফিক বাতি সবুজ না হওয়া পর্যন্ত পথ পার হচ্ছেন না।

ট্রেনে বাসে টিকিট ফাঁকি দেওয়ার হার প্রায় শূণ্যের কোঠায়।

একবার ভুলে ঘরের দরজা লক না করে এক ভারতীয় দেশে গেলেন। মাস খানেক পর এসে দেখেন, যেমন ঘর রেখে গেছেন, ঠিক তেমনই আছে।

এই শিক্ষা জাপানিরা কোথায় পান?

সামাজিক শিক্ষা শুরু হয় কিন্ডারগার্টেন লেভেল থেকে।

সর্বপ্রথম যে তিনটি শব্দ এদের শেখানো হয় তা হল -

*কননিচিওয়া* (হ্যালো)
- পরিচিত মানুষকে দেখা মাত্র 'হ্যালো' বলবে।

*আরিগাতোউ* (ধন্যবাদ)
- সমাজে বাস করতে হলে একে অপরকে উপকার করবে। তুমি যদি বিন্দুমাত্র কারো দ্বারা উপকৃত হও তাহলে ধন্যবাদ দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।

*গোমেননাসাই* (দুঃখিত)
- মানুষ মাত্রই ভুল করে এবং সেই ভুলের জন্য ক্ষমা চাইবে।

এগুলো যে স্কুলে শুধু মুখস্ত করে শেখানো হয় তা নয়। বাস্তবে শিক্ষকরা প্রোএক্টিভলি সুযোগ পেলেই এগুলো ব্যবহার করেন এবং করিয়ে ছাড়েন।

সমাজে এই তিনটি শব্দের গুরুত্ব কত তা নিশ্চয়ই অনুধাবন করতে পারছেন। এই শিক্ষাটা এবং প্র্যাকটিসটি ওরা বাল্যকাল থেকে করতে শেখে।

আমাদের দিক নির্দেশকেরা তাদের বাল্যকালটা যদি কোনও রকমে জাপানের কিন্ডারগার্টেনে কাটিয়ে আসতে পারতেন তাহলে কী ভালোটাই না হতো! কিন্ডারগার্টেন থেকেই স্বনির্ভরতার ট্রেনিং দেওয়া হয়।

সমাজে মানুষ হিসাবে বসবাস করার জন্য যা যা দরকার অর্থাৎ নিজের বই-খাতা, পোষাক, খেলনা, বিছানা সব নিজে গোছানো। টয়লেট ব্যবহার করে নিজেই পরিষ্কার করা। খাবার খেয়ে নিজের খাবারের প্লেট নিজেই ধুয়ে ফেলা ইত্যাদি।

প্রাইমারী স্কুল থেকে এরা নিজেরা দল বেঁধে স্কুলে যায়। দল ঠিক করে দেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। ট্রাফিক আইন, বাস-ট্রেনে চড়ার নিয়ম কানুন সবই শেখানো হয়।

আপনার গাড়ি আছে, বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে আসতেই পারেন, কিন্তু উল্টে আপনাকে লজ্জা পেয়ে আসতে হবে।

ক্লাস সেভেন থেকে সাইকেল চালিয়ে তারা স্কুলে যায়।

ক্লাসে কে ধনী, কে গরীব, কে প্রথম, কে দ্বিতীয় এসব বৈষম্য যেন তৈরি না হয় তার জন্য যথেষ্ট সতর্ক থাকেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ক্লাসে রোল নং ১ মানে এই নয় যে একাডেমিক পারফরম্যান্স সবচেয়ে ভাল। রোল নং তৈরি হয় নামের বানানের আদ্যাক্ষরের ক্রমানুসারে।

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমস্ত আইটেমগুলো থাকে গ্রুপ পারফরম্যান্স দেখার জন্য, ইন্ডিভিজুয়েল নয়।

সারা স্কুলের ছেলে মেয়েদের ভাগ করা হয় কয়েকটা গ্রুপে। সাদা দল, লাল দল, সবুজ দল ইত্যাদি। গ্রুপে কাজ করার ট্রেনিংটা ছাত্রছাত্রীরা পেয়ে যায় স্কুলের খেলাধুলা জাতীয় এ্যাক্টিভিটি থেকে।

এই জন্যই হয়তো জাপানে তথাকথিত 'লিডার' তৈরি হয় না কিন্তু এরা সবাই এক একজন বড় লিডার,,,,👍👍

সংগৃহীত পোস্ট
(লেখাটি ড. আশির আহমেদের জাপান কাহিনি ১ম খন্ড থেকে নেয়া)

23/03/2026

বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে৷ গ্যাস ফুরিয়ে যাবে৷ তেলের মজুদ কমে যাবে অথবা সাপ্লাই চেইন ধ্বংস হয়ে যাবে৷ নগর গুলো মরুভূমির মতো অকার্যকর হবে৷ খাদ্য সংকট তীব্র হবে।
খাদ্যের পাহাড় নিয়ে ফেইক মা*সীহ হাজির হবে৷ মানুষের ঈমান হনন হবে ক্ষুধার কারণে৷
এগুলো ফিকশন নয়, এগুলো আগামীর অনিবার্য বাস্তবতা।

- সেইফজোন হলো প্রত্যন্ত গ্রামীন অঞ্চল ও পাহাড় এবং ক্বিতালের ময়দান। এই দুইটার কথাই হাদীসে এসেছে৷।

- আল ইন্তিফাদা

13/03/2026

ডোপামিনের ক্ষরণ যখন তীব্র ছিলো,
সেরোটোনিন তখন ছেড়ে যেতো না।

30/01/2026

এই হ্যান্ডসাম বয়ের নাম "Demodex"। কিন্তু লোকে আদর করে ওকে "demo" বলে ডাকে। এই বয়কে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না, কারণ এর আকার মাত্র ০.৩ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়। ওকে দেখতে হলে ইলেকট্রনিক মাইক্রোস্কোপ লাগে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, এই "হ্যান্ডসাম" সবসময় মানুষের মুখে থাকে।

এই "শাহজাদা"র প্রিয় জায়গা হলো মানুষের নাক আর চোখ। অর্থাৎ Demodex সবসময় মানুষের চোখ আর নাকের মধ্যে কলোনি বানিয়ে থাকে। ওরা সবসময় তোমার কাছেই থাকে। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, এই "হ্যান্ডসাম বয়" রাতের বেলা আমাদের মুখের ত্বকের ছিদ্র (pores) এ ডিমও দেয়। যেন মানুষের মুখকে ও নিজের সম্পত্তি মনে করে। ডিম দেওয়ার পর এই "শাহজাদা" সেগুলো থেকে বাচ্চাও বের করে। মানে, Demodex-এর একটা পুরো কলোনি সবসময় তোমার সঙ্গেই থাকে। তাই তোমাদের অনুরোধ, নিজেকে কখনো একা বা নিঃসঙ্গ ভেবো না।

একটা সুন্দর কথা আছে যে, প্রত্যেক সফল মানুষের পিছনে একজন সফল মহিলার হাত থাকে। ঠিক তেমনই, একটা সুন্দর মহিলার পিছনে Demodex-এর পা থাকে।

এই প্রাণীটা ভয়ংকর মনে হলেও, বিজ্ঞানীরা বলেন যে এরা মুখ থেকে লক্ষ লক্ষ মরা কোষ খেয়ে ফেলে, যেগুলো মরে বেকার হয়ে যায়। এরা আমাদের মুখের ত্বককে মরা কোষ থেকে পরিষ্কার রাখে।

30/01/2026

Proactive ও Reactive: আধুনিক নেতৃত্ব ও দায়িত্বশীলতার দুইটি ভিন্ন দর্শন।

আজকের ফ্যাকাল্টি মিটিং-এ প্রিন্সিপাল স্যার বারবার দুটি শব্দের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন—Proactive এবং Reactive। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় শুধু দায়িত্ব পালন করলেই যথেষ্ট নয়; বরং সময়ের আগে চিন্তা করে কাজ করাই একজন দক্ষ শিক্ষক ও প্রশাসকের প্রধান গুণ। এই প্রেক্ষাপটে শব্দদুটি বিশ্লেষণ করলে তাদের তাৎপর্য আরও পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়।

Reactive শব্দটির অর্থ হলো—ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানো। অর্থাৎ কোনো সমস্যা, সংকট বা অভিযোগ সামনে আসার পর তাতে সাড়া দেওয়া। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক সময়ই reactive আচরণ করে থাকি। যেমন, শিক্ষার্থীদের ফলাফল খারাপ হওয়ার পর অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া, বা কোনো অভিযোগ আসার পর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। Reactive হওয়া পুরোপুরি খারাপ নয়; কারণ সমস্যা সমাধানের জন্য তা প্রয়োজনীয়। তবে reactive মানসিকতায় কাজ করলে অনেক সময় দেরি হয়ে যায় এবং ক্ষতি ইতোমধ্যেই ঘটে যায়।
অন্যদিকে Proactive মানে হলো—সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আগেই তা অনুমান করে ব্যবস্থা নেওয়া। proactive ব্যক্তি ভবিষ্যৎ চিন্তা করে পরিকল্পনা করেন এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করেন। উদাহরণস্বরূপ, শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা আগেই চিহ্নিত করে রেমেডিয়াল ক্লাস চালু করা, সেমিস্টারের শুরুতেই একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও মূল্যায়ন পরিকল্পনা তৈরি করা—এসবই proactive আচরণের উদাহরণ। Proactive মানুষ পরিস্থিতির দ্বারা পরিচালিত হন না; বরং পরিস্থিতিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখেন।
প্রিন্সিপাল স্যারের proactive হওয়ার পরামর্শ আসলে আমাদের পেশাগত দায়িত্ববোধের দিকেই ইঙ্গিত করে। একজন শিক্ষক যদি proactive হন, তবে তিনি শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ থাকেন না; শিক্ষার্থীর মানসিক অবস্থা, শেখার প্রতিবন্ধকতা ও ভবিষ্যৎ চাহিদা নিয়েও ভাবেন। একইভাবে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান proactive হলে মান, শৃঙ্খলা ও সুনাম—সবই দীর্ঘমেয়াদে বজায় থাকে।
সারাংশ হলো- reactive হওয়া প্রয়োজনের মুহূর্তে জরুরি হলেও, টেকসই উন্নয়ন ও কার্যকর নেতৃত্বের জন্য proactive হওয়াই শ্রেয়। প্রিন্সিপাল স্যারের বক্তব্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আগাম চিন্তা, দায়িত্বশীলতা ও উদ্যোগই একটি প্রতিষ্ঠান এবং একজন পেশাজীবীকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তাই আমাদের সবারই উচিত reactive মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে proactive হওয়ার চেষ্টা করা।

29/01/2026

The Merigold Theory: আপনি কি এমন মানুষ, যার পাশে মানুষ নিজেকে সেফ ফিল করে? 🌼

চলুন, প্রথমে একটা ফুলের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেই। নাম: মেরিগোল্ড একটা অদ্ভুত ফুল।
সে শুধু নিজে সুন্দর থাকে না, তার আশেপাশের গাছগুলোকেও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। মাটির গুণ ঠিক রাখে। কিছু পোকা দূরে রাখে। নিজের উপস্থিতিতেই পরিবেশটা বদলে দেয়।

মানুষের মধ্যেও ঠিক এমন কিছু মানুষ থাকে।
তাদেরকে ইন্ডিকেট করেই এই The Merigold Theory।

এই থিওরি অনুযায়ী:
একজন সত্যিকারের মূল্যবান মানুষ সে যার পাশে থাকলে অন্যরা একটু বেশি সাহসী হয়, একটু বেশিই আত্মবিশ্বাসী হয়, একটু বেশি নিজের মতো হতে পারে। একটু বেশিই উন্নতি করতে পারে।

সাইকোলজিতে আমরা এটাকে বলি Secure People.
এরা কখনোই আপনাকে ছোট করবে না। আপনার উন্নতি হলে হিংসা করবে না। আপনার স্বপ্ন শুনে চোখ উল্টাবে না। আপনার ভুল ধরিয়ে দিবে, কিন্তু অ'পমান করবে না। এরা আপনার সাফল্যে ঈর্ষা না করে আনন্দ পায়, খুসি হয়।

আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন:
কিছু মানুষের সামনে আমরা নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যস্ত থাকি। আর কিছু মানুষের সামনে… আমরা যেমন, তেমন থাকতেই স্বাচ্ছন্দবোধ করি।

Merigold মানুষরা দ্বিতীয় দলে পড়ে।
কারণ এই ধরনের মানুষরা বিরল!

বেশিরভাগ মানুষ না বুঝেই সম্পর্ককে প্রতিযোগিতার মাঠ বানিয়ে ফেলে। আপনি সামনে এগোচ্ছেন সে ভেতরে ভেতরে অস্বস্তি বোধ করছে। আপনি ভালো করছেন সে তুলনা শুরু করে দিচ্ছে। আপনি স্বপ্ন দেখছেন সে বলে, এত বড় চিন্তা করিস না। মানে তাদের কাজই হচ্ছে আপনাকে সাপোর্ট না দিয়ে থামিয়ে দেওয়া। কিন্তু Merigold মানুষরা আলাদা।
তারা জানে অন্যের আলোতে তার নিজের আলো কমে যায় না।

কুরআনে বলা হয়েছে:
"তোমরা পরস্পরকে সহযোগিতা কর সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে।" এই সহযোগিতা শুধু টাকা বা সাহায্য না, এটা মানসিক সমর্থন, সম্মান, সাহস জোগানো। রাসূল ﷺ বলেছেন: সর্বোত্তম মানুষ সে, যার দ্বারা অন্য মানুষ উপকৃত হয়।

Merigold মানুষরা ঠিক সেটাই করে, তারা নিজের প্রয়োজনে কাউকে ব্যবহার করে না, বরং মেন্টাল সাপোর্টা দ্বারা শক্ত করে তোলে। এবং তারা আপনাকে আটকে রাখে না, আপনাকে নিজের মতো করে বড় হওয়ার সুযোগ করে দেয়।

এবার দেখে নেওয়া যাক, আপনি একজন মেরিগোল্ড মানুষ কিনা.?

আপনি কি কোনো ঘরে ঢুকলে মানুষ স্বস্তি পায়? নাকি টেনশন বেড়ে যায়? আপনার পাশে থাকলে কি মানুষ নিজের কথা বলতে সাহস পায়? নাকি নিজেকে লুকাতে শুরু করে? আপনি কি কারও স্বপ্ন শুনে বলছেন: চেষ্টা কর, আমি তোমার পাশে আছি। নাকি বলছেন: এইটা দিয়ে কী হবে? তোমার দ্বারা সম্ভব না।

আত্মপরীক্ষা, এবার নিজেকে জিজ্ঞেস করুন!আমি কি অন্যের সাফল্যে হুমকি অনুভব করি? নাকি অনুপ্রাণিত হই? কেউ দুর্বল হলে আমি কি তাকে উঠতে সাহায্য করি, নাকি তাকে দেখে হাসাহাসি করি? আমি কি মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করি, নাকি তাকে স্বাধীনতা দিই?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে বুঝতে পারবেন আপনি কোন ধরনের মানুষ!

দেখেন, এই দুনিয়ায় বিষাক্ত মানুষের অভাব নেই।
কিন্তু পৃথিবী বদলায় তাদের দ্বারা, যারা অন্যের ভেতরের সম্ভাবনাকে বাঁচিয়ে রাখে। Merigold হওয়া মানে পারফেক্ট হওয়া নয়। Merigold হওয়া মানে: আপনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আপনার কারণে কেউ যেন ছোট না হয়ে যায়। আপনার উপস্থিতিতে কেউ যেন নিজেকে আরেকটু বিশ্বাস করতে শেখে।

তারপর বলুন:
কারো জীবনে আপনার উপস্থিতি কি মেরিগোল্ডের মত নাকি উন্নতির পথে বাধা দেওয়া একটা বিষাক্ত মানুষ.?

25/01/2026

বলতে কোন দ্বিধা নেই আমার, এই মানুষটাকে আমি অসম্ভব রকমের অনুসরণ-অনুকরণ করি।। প্রিন্সিপাল ক্যান্টনমেন্ট কলেজ যশোর লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইস কামরুল হাসান।

স্যারের প্রতিটি কথা আমার ইন্দ্রিয়কে হিট করে।। স্যার প্রায়ই ফ্যাকাল্টি মিটিং এ বলেন, তিনি যেটাই বলেন অন্তর থেকে বলেন।।
আমার মনে হয় খুব সম্ভবত অন্তর থেকে যে কথা গুলো আসে সেগুলোর একটি পৃথক ওয়েভ লেন্থ আছে।। আর তাই সেগুলো শ্রোতাদের কাছে এতটা পরিষ্কার ভাবে পৌছায়।।

সারাংশ হলো- যাই বলবেন অন্তর থেকে বলবেন।।
মুখে এক অন্তরে আরেক, এটা মুনাফিকের কাজ।।

16/01/2026

Before u speak, listen
Before u spend, earn
Before u judge, think
Before u demand respect, give it.
Before u quite, try again.
Before u die, live.

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Khulna
KHULNA GPO 9000 & KHULNA HEAD OFFICE 9100