SKill Academy

SKill Academy

Share

Global Digital Workforce Development Institute. Learn a Skill; the World is Yours.

08/09/2025

🔭 ভূমি জরিপ / আমিনশীপ সার্টিফিকেট / ডিজিটাল সার্ভেয়ার ভিডিও কোর্স

💰 এখন মাত্র ২৫০/- টাকা!
🎯 সাথে পাচ্ছেন ২৪ ঘন্টা সাপোর্ট — যেকোনো সমস্যা সমাধান করে দেওয়া হবে।

---

📍 এটা সরাসরি কোর্স নয়

👉 এটি একটি ভিডিও কোর্স, যেখানে থাকবে ভিডিও ক্লাস + মেটেরিয়ালস + ৪টি PDF বই।
👉 ভিডিও দেখে সহজেই শিখে নিতে পারবেন সব কিছু।
👉 কোথাও না বুঝলে পাবেন ২৪ ঘন্টা লাইভ সাপোর্ট।

🔥 কোর্স শেষে চাইলে পাবেন সার্টিফিকেট (সার্টিফিকেটের জন্য আলাদা চার্জ প্রযোজ্য)।

---

🟩 Course Coverage:

✅ পর্চা / খতিয়ান থেকে অংশ অনুযায়ী জমির পরিমাণ বের করার নিয়ম
✅ জমির দলিলপত্র সহজে বুঝা ও যাচাই-বাছাই করার কৌশল
✅ জমি পরিমাপ, ভাগ-বণ্টন ও সীমানা নির্ধারণ
✅ নকশা চিনা ও নকশা থেকে জমির পরিমাণ বের করার নিয়ম
✅ স্কেল ব্যবহার করে জমি মাপার পদ্ধতি
✅ মাটি, বালি, কাঠ, ইটসহ সকল হিসাবের নিয়ম
✅ আমিনশীপের বেসিক থেকে এডভান্স লেভেল পর্যন্ত পূর্ণ আলোচনা
✅ জমি বণ্টন সংক্রান্ত সকল আইন (মুসলিম ও হিন্দু উভয়)
✅ মাঠে কাজ করার সময় দরকারি সব গাণিতিক সূত্র ও সমাধান
✅ সকল ধরণের ম্যাপ ও খতিয়ান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

---

🟩 কোর্সে যা থাকছে:

🎥 মোট ২০টি ভিডিও ক্লাস
📚 সাথে ৪টি PDF বই
📑 সূত্র ও দরকারি মেটেরিয়ালস
📞 ২৪ ঘন্টা সাপোর্ট

---

🟩 কেন এই কোর্স করবেন?

🔹 মাত্র ২৫০/- টাকায় লাইফ-চেঞ্জিং কোর্স
🔹 আপডেটেড কোর্স মডিউল
🔹 অভিজ্ঞ ট্রেইনারের গাইডলাইন
🔹 প্র্যাক্টিক্যাল কাজের কৌশল
🔹 সার্টিফিকেটের সুযোগ

---

💬 তাহলে আর দেরি কেনো?

এখনই আমাদের ইনবক্সে মেসেজ দিন এবং
আপনিও হয়ে উঠুন একজন দক্ষ আমিন/সার্ভেয়ার।

📩 বিস্তারিত জানতে মেসেজ করুন এখনই!

07/09/2025

ঘরে বসে আমিনশীক কোর্সটি করতে আমাদের পেজে মেসেজ দিন।

07/09/2025

আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে জমি জরিপের কাজ চলছে – এখন আপনিও শিখতে পারেন ঘরে বসে।"

07/09/2025

খতিয়ান কি?
জরিপকালীন সময়ে জরিপের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশ ফরম নাম্বার-৫৪৬২ (সংশোধিত)-তে ভূমির মালিকানা/দাগের বর্ণনাসহ যে তথ্যচিত্র প্রকাশিত হয় তাকে খতিয়ান বলে।

সাধারণভাবে স্বত্ব সংরক্ষণ ও রাজস্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে জরীপ বিভাগ কর্তৃক প্রত্যেক মৌজার ভূমির মালিক বা মালিকগণের নাম, পিতা অথবা স্বামীর নাম, ঠিকানা, হিস্যা (অংশ) এবং তাদের স্বত্বাধীন দাগসমূহের নম্বরসহ ভূমির পরিমাণ, শ্রেণী, এদের জন্য দেয় খাজনা ইত্যাদি বিবরণ সহ ক্রমিক সংখ্যা অনুসারে যে স্বত্ব তালিকা বা স্বত্বের রেকর্ড প্রস্তুত করা হয়।

খতিয়ানগুলো ১,২,৩,৪,৫ ইত্যাদি ক্রমিক সংখ্যা দ্বারা সাজানো হয়ে থাকে। প্রত্যেক খতিয়ানে একটি সংখ্যা রয়েছে। ইহাদেরকে খতিয়ান নম্বর বলা হয়। প্রত্যেক মৌজার খতিয়ান ১(এক) হতে শুরু হয়। কোন কোন মৌজার কয়েক হাজারের বেশি থাকতে পারে। কোন মৌজার কতটি খতিয়ান রয়েছে তা উক্ত স্বত্বের রেকর্ড পাওয়া যায়।

17/03/2025

◆ জমি নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

যা যা লাগবেঃ
১) জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি
২) এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি
৩) ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়
৪) ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)
৫) বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
৬)মোবাইল নাম্বার
৭) এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র
৮) কর/খাজনার রশিদ

🔴প্রথম কাজঃ
এইসবগুলা ডকুমেন্ট নিয়ে নাগরিক/কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।

🔴দ্বিতীয় কাজঃ
আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।

🔴তৃতীয় কাজঃ এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন।

17/03/2025

অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।
এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে।
সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।
জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার
জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে
বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।
উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।
জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।
পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।
তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।
এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।

জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।
ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।
হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।

আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।

ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।

আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।

ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।

জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।
দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।
বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :
১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ।
Advocate Md. Mozammel Hoque (অ্যাডভোকেট মো: মোজাম্মেল হক) 01830-168668 আইনী পরামর্শ ও সেবা কেন্দ্র
#আপডেট_জমি_রেজিস্ট্রি_খরচঃ #জমিররেকর্ড #জমিরসমস্যা #ভূমিসেবা #আইনী #খারিজ #ভূমি #খাজনা ゚ েকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।
এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে।
সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।
জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার
জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে
বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।
উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।
জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।
পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।
তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।
এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।

জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।
ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।
হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।

আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।

ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।

আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।

ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।

জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।
দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।
বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :
১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ।
পর

17/03/2025

AutoCAD রেকর্ডেড কোর্স – শিখুন ঘরে বসেই!

আপনি কি AutoCAD শিখতে চান কিন্তু সময়ের অভাবে লাইভ ক্লাসে যোগ দিতে পারছেন না? তাহলে আমাদের রেকর্ডেড কোর্স আপনার জন্য আদর্শ সমাধান!

✅ কেন এই কোর্স করবেন?
✔️ সময় ও স্থানের বাধা নেই – আপনার সুবিধামতো সময়ে শিখতে পারবেন
✔️ বেসিক থেকে অ্যাডভান্সড – ধাপে ধাপে শেখানো হয়েছে
✔️ প্রজেক্ট ভিত্তিক লার্নিং – বাস্তব কাজের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন
✔️ লাইফটাইম অ্যাক্সেস – একবার কিনলে বারবার দেখতে পারবেন
✔️ সাপোর্ট & গাইডলাইন – যেকোনো প্রশ্নে আমাদের সহায়তা পাবেন

💡 আপনার জন্য উপযোগী যদি:
🔹 আপনি ইঞ্জিনিয়ারিং, এর ছাত্র হন
🔹 পেশাদার AutoCAD স্কিল শিখে ক্যারিয়ার গড়তে চান
🔹AutoCAD ব্যবহার করে আয় করতে চান

13/03/2025

ইঞ্জিনিয়াররা AutoCAD শিখে যে বিভিন্ন সুবিধা ও দক্ষতা অর্জন করতে পারেন, তা বিস্তারিতভাবে নিম্নরূপ:

1. ডিজাইন ও ড্রাফটিং দক্ষতা বৃদ্ধি: AutoCAD-এর মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়াররা সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত ডিজাইন ও ড্রাফটিং করতে পারেন, যা প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

2. 3D মডেলিং সক্ষমতা: সফটওয়্যারটি ত্রি-মাত্রিক মডেল তৈরি করতে সক্ষম, যা ধারণা স্পষ্ট করতে ও ক্লায়েন্টদের সামনে উপস্থাপন করতে সহায়ক।

3. সময় ও খরচ সাশ্রয়: AutoCAD-এর সাহায্যে ডিজাইন প্রক্রিয়া দ্রুততর ও দক্ষ হয়, যা সময় ও খরচ উভয়ই কমায়।

4. আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য: AutoCAD বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হয়, তাই এর মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়াররা আন্তর্জাতিক মান ও প্র্যাকটিসের সাথে পরিচিত হতে পারেন।

5. সহযোগিতা ও সমন্বয়: AutoCAD ফাইলগুলি সহজে শেয়ার ও সমন্বয় করা যায়, যা টিম ভিত্তিক কাজের ক্ষেত্রে কার্যকর।

6. স্বয়ংক্রিয়তা ও কাস্টমাইজেশন: সফটওয়্যারটি বিভিন্ন টুল ও ফিচার প্রদান করে, যা ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় ও কাস্টমাইজ করতে সহায়ক।

13/03/2025

AutoCAD 2D & 3D Basic to Advanced record Course Only 299/- Taka.
আসসালামু আলাইকুম ইঞ্জিনিয়ার ভাই ও বোনেরা।
আপনারা যারা অটোক্যাড নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান অথবা আপনি ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ছেন, এই কোর্সটি আপনার জন্য। অনেকেই অনেক কাজ বুজে কিন্তু অটোক্যাড জানে না, আপনাদের জন্য জব মার্কেটে টিকে থাকা কঠিন হবে, যে কোনো ড্রয়িং আপনারা খুব সহজেই অটোক্যাড সফটওয়্যারটি দিয়ে নিজেই করতে পারবেন। আপনারা যারা ইঞ্জিনিয়ার না কিন্তু ড্রয়িং করা শিখতে চান আপনারাও এই কোর্সটি করতে পারেন। কোর্সটি যে কোনো প্রতিষ্টানে করতে অনেক টাকা লাগবে কিন্তু আমরা রেকর্ড কোর্সটি দিচ্ছি মাএ ২৯৯/- টাকায় । এখানে AutoCAD সম্পূর্ণ রেকর্ড কোর্সটি পাবেন। আপনার সামান্য উপকার করতে পারলে আমি ধন্য মনে করবো।
☑️আপনার জিমেইলের মাধমে এক্সেস দেওয়া হবে। এই কোর্সটি নতুনদের জন্য কারণ এখানে বেসিক থেকে শুরু করে এডভান্স লেভেল পর্যন্ত কাজ শেখানো হয়েছে। AutoCAD 2015 Version দিয়ে কোর্সটি রেকর্ড করা হয়েছে। কমান্ড সিস্টেমে কাজ শেখানো হয়েছে।যার কারণে আপনি যেকোন ভার্সন দিয়ে কাজ করতে ও শিখতে পারবেন।
🔵 Course Coverage Area:
▪ ৪০ টি ভিডিও ক্লাস।
▪ ৩৬ ঘন্টা +
▪ সফটওয়্যার।
▪ লাইফ টাইম এক্সেস।
▪️৭টি পিডিএফ বই।
▪ মাত্র ২৯৯/- টাকা আজকের জন্য ।
☑️Course Coverage Area:
☑️Introduction to AutoCAD.
☑️Make Structural drawing.
☑️Creating Drawings.
☑️Modifying and Manipulating Drawings.
☑️Drawing Tools.
☑️Dimensioning and Text.
☑️Preparing Layout and Plotting.
☑️Introduction to 3D solid modeling.
☑️Freelancing Marketplace.
☑️To learn all basic and advanced.
☑️AutoCAD 2D&3D tool learn.
☑️To learn all basic and advanced AutoCAD 2D&3D toolbars.
☑️To learn advanced Blocks and Dynamic Block.
☑️To learn Basic Sketch Practice, Floor Plan & House Elevation drawing.
☑️To learn Circuit Diagram drawing.
☑️To Prepare for AutoCAD Interview and Exams.
☑️To Create Drawing Sheet, BOM and Layout usage.
☑️And you can learn all types of work from the beginning to the end of AutoCAD.
👉 কোর্সটির সাথে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
(সার্টিফিকেটের জন্য আলাদা চার্জ প্রযোজ্য)
💬অটোক্যাড রেকর্ড কোর্সটি নিতে চাইলে এবং আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের পেজে মেসেজ দিন।

04/03/2025

AutoDesk এর সকল সফটওয়্যার- ১-৩ বছরের Official subscriptions নিন আপনার ই-মেইলে।

কি সফটওয়্যার ব্যাবহার করা যাবে?

✅AutoDesk
✅3ds Max
✅Advance Steel
✅Alias AutoStudio
✅Arnold
✅AutoCAD
✅AutoCAD Web
✅Autodesk Construction Cloud
✅CFD - Ultimate
✅Civil 3D
✅Cloud Worksharing
✅Fabrication CADmep
✅Fabrication CAMduct
✅Fabrication ESTmep
✅Factory Design Utilities
✅Flame
✅Forma
✅Fusion - with FeatureCAM
✅Fusion with Moldflow Adviser
✅HSMWorks - Ultimate
✅InfraWorks
✅Inventor CAM - Ultimate
✅Inventor Nastran
✅Inventor Nesting
✅Inventor Professional
✅Inventor Tolerance Analysis
✅Maya
✅Moldflow Insight
✅MotionBuilder
✅Mudbox
✅Navisworks Manage
✅Netfabb - Premium
✅Point Layout
✅PowerInspect - Ultimate
✅PowerShape - Ultimate
✅ReCap Pro
✅Revit
✅Robot Structural Analysis Professional
✅Structural Bridge Design
✅VRED Professional
✅Vault Professional
✅Vehicle Tracking

Autodesk সফটওয়্যারের সাবক্রিপশন নিলে কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে?
✅১০০% অথেনটিক প্রোডাক্টের গ্যারান্টি
✅নিজের ইমেইল দিয়ে লগ ইন করতে পারবেন।
✅Autodesk ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে
✅Crack করার জামেলা নেই
✅Latest সফটওয়্যার ব্যাবহার করতে পারবেন
✅আপনার PC ১০০% নিরাপদ থাকবে
✅যে কোন PC তে লগ ইন করা যাবে।

12/02/2025

# # #জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন:

I. প্রথমেই , জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর এবং উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ সম্পর্কে জানতে হবে।

II. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ খতিয়ান , আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল(chain of title), নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।

III. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন সে যদি ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে এবং সে যদি উত্তরাধিকার সূত্রে ভুমির মালিক হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।

IV. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে। বিক্রেতা যদি বলেন যে আপোষমুলে বণ্টন হয়েছে, কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি, তবে ফারায়েজ অনুযায়ী বিক্রেতা যেটুকু অংশের দাবিদার শুধু সেটুকু কিনাই নিরাপদ হবে।

V. উক্ত জমিটি নিয়ে কোন মামলা বিচারাধীন আছে কিনা কিংবা কোন প্রকার মামলা নিস্পত্তি হয়েছে কিনা এবং ব্যাংক কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জমিটি বন্ধক/ দায়বদ্ধতা আছে কিনা।

VI. যাচাই করতে হবে জমিটি খাস, পরিত্যক্ত, শত্রু স¤পত্তি কিনা বা সরকার কোন কারনে অধিগ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।

VII. জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হবে।

VIII. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে।

IX. জমির মালিকানা স্বত্ব সঠিক পাওয়ার পর আপনাকে সি.এস/আর.এস/বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের নকশা নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে নকশা অনুযায়ী ঐ জমিটি সেই দাগের কিনা এবং সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে।

X. এরপর বিক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট জমিটি বর্তমানে কে দখলে আছে, কিনতে গেলে কোন কারনে ভোগ দখলে বাধাগ্রস্থ হবে কিনা কিংবা রাস্তা বা পথাধিকারের কোন বাধা নিষেধ আছে কিনা তাও সরেজমিনে যাচাই করে নিতে হবে।

21/01/2025

আমাদের WhatsApp নাম্বার।
☎️+8801886416011

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Khulna