Power of Utility generator

Power of Utility generator All the work of Automobile & Power Engineering is uploaded to this page.

 #টার্বোচার্জার (Turbocharger)টার্বোচার্জার হলো ইঞ্জিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র, যা ইঞ্জিনের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে...
30/12/2025

#টার্বোচার্জার (Turbocharger)

টার্বোচার্জার হলো ইঞ্জিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র, যা ইঞ্জিনের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি মূলত এক্সহস্ট গ্যাসের শক্তি ব্যবহার করে ইঞ্জিনে বেশি বাতাস ঢোকায়।
ইঞ্জিনে জ্বালানি পোড়ার পর যে গরম এক্সহস্ট গ্যাস বের হয়, সেই গ্যাস টার্বোচার্জারের টারবাইন অংশ ঘোরায়। টারবাইন একটি শ্যাফটের মাধ্যমে যুক্ত থাকে কম্প্রেসর অংশের সাথে। টারবাইন ঘোরার সাথে সাথে কম্প্রেসরও ঘোরে এবং বাইরে থেকে বাতাস টেনে এনে তা চাপ দিয়ে (compressed) ইঞ্জিনে পাঠায়।
বেশি বাতাস মানে বেশি অক্সিজেন। বেশি অক্সিজেন পেলে জ্বালানি ভালোভাবে পোড়ে, ফলে ইঞ্জিন বেশি পাওয়ার দেয়, ধোঁয়া কম হয় এবং জ্বালানির ব্যবহারও তুলনামূলকভাবে কার্যকর হয়।
টার্বোচার্জার সাধারণত ডিজেল, গ্যাস ও আধুনিক পেট্রোল ইঞ্জিনে ব্যবহৃত হয়। পাওয়ার প্ল্যান্ট, জেনারেটর, গাড়ি ও ভারী যন্ত্রপাতিতে টার্বোচার্জারের ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

04/12/2025

RPM?

নবায়নযোগ্য সম্পদ কী?​নবায়নযোগ্য সম্পদ হলো এমন ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদ যা ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় না বা খুব দ্রুত পুন...
25/09/2025

নবায়নযোগ্য সম্পদ কী?
​নবায়নযোগ্য সম্পদ হলো এমন ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদ যা ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় না বা খুব দ্রুত পুনরায় পূরণ করা যায়। অর্থাৎ, এই সম্পদগুলো প্রকৃতিতে অনবরত তৈরি হয়। এর বিপরীতে, অনবায়নযোগ্য সম্পদ একবার ব্যবহার করলে তা পুনরায় তৈরি হতে হাজার হাজার বছর সময় লাগে বা একেবারেই তৈরি হয় না।

​বায়ু (Wind): এটি নবায়নযোগ্য সম্পদ কারণ এটি অনবরত প্রবাহিত হয় এবং এর সরবরাহ অফুরন্ত। বায়ুপ্রবাহকে কাজে লাগিয়ে বায়ুকল (Wind turbine) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
প্রদত্ত বিকল্পগুলির ব্যাখ্যা
​ক. প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural Gas): এটি একটি অনবায়নযোগ্য সম্পদ (Non-renewable resource)। এটি জীবাশ্ম জ্বালানি, যা কোটি কোটি বছর আগে মৃত জীবদেহ থেকে তৈরি হয়েছে। একবার উত্তোলন ও ব্যবহার করলে তা পুনরায় তৈরি হতে দীর্ঘ সময় লাগে।
​খ. চুনাপাথর (Limestone): এটিও একটি অনবায়নযোগ্য সম্পদ। এটি একটি খনিজ যা প্রকৃতিতে সীমিত পরিমাণে পাওয়া যায় এবং এর গঠন প্রক্রিয়া খুবই ধীর।
​ঘ. কয়লা (Coal): এটিও একটি অনবায়নযোগ্য সম্পদ। কয়লাও একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যা ভূ-গর্ভে জমা হওয়া উদ্ভিদ পদার্থের পচনের ফলে তৈরি হয়েছে। এর মজুত সীমিত।

14/06/2025

ইঞ্জিনে অসম্পূর্ণ দহন হওয়ার প্রধান কারণগুলো কী? কীভাবে তা কমানো যায়?

অসম্পূর্ণ দহন (Incomplete Combustion) কী?

অসম্পূর্ণ দহন হচ্ছে এমন একটি অবস্থা, যখন জ্বালানি (ফুয়েল) পুরোপুরি জ্বলতে পারে না এবং এর ফলে কার্বন মনোঅক্সাইড (CO), কালো ধোঁয়া (soot), হাইড্রোকার্বন (HC) ইত্যাদি উৎপন্ন হয়। এতে শক্তি কম উৎপন্ন হয় এবং পরিবেশ দূষণ বাড়ে।

⚠️ অসম্পূর্ণ দহনের কারণ:

কারণ ব্যাখ্যা

1. বায়ুর অভাব (Lack of air) যথেষ্ট অক্সিজেন না থাকলে জ্বালানি পুরোপুরি জ্বলতে পারে না।
2. জ্বালানির মান খারাপ (Poor fuel quality) বেশি কার্বন, পানি বা অশুদ্ধতা থাকলে দহন অসম্পূর্ণ হয়।
3. ইনজেকশন টাইমিং ভুল (Wrong injection timing) ঠিক সময়ে জ্বালানি সরবরাহ না হলে তা পুরোপুরি পুড়ে না।
4. কম্প্রেশন রেশিও কম (Low compression ratio) চাপ কম থাকলে তাপমাত্রা কম হয়, ফলে দহন অসম্পূর্ণ থাকে।
5. ইগনিশন সিস্টেম দুর্বল (Weak ignition system) স্পার্ক ঠিকমতো না হলে দহন ভালো হয় না। (SI ইঞ্জিনে)
6. ইঞ্জিন ঠান্ডা থাকলে (Cold engine) ইঞ্জিন ও চেম্বার যথেষ্ট গরম না হলে জ্বালানি পুরোপুরি পুড়ে না।
7. কার্বারেটর বা ইনজেক্টরের সমস্যা জ্বালানি সঠিক অনুপাতে না মিশলে বা স্প্রে ঠিক না হলে দহন অসম্পূর্ণ হয়।

✅ কিভাবে কমানো যায়?

পদক্ষেপ ব্যাখ্যা

✅ সঠিক এয়ার-ফুয়েল রেশিও বজায় রাখা সাধারণত 14.7:1 (SI ইঞ্জিনে) রেশিও ঠিক রাখা উচিত।
✅ উন্নত মানের জ্বালানি ব্যবহার বিশুদ্ধ ও নির্ধারিত অকটেন নম্বরের জ্বালানি ব্যবহার করা।
✅ ইঞ্জিন নিয়মিত টিউন করা স্পার্ক প্লাগ, ইনজেক্টর, ইগনিশন সিস্টেম ঠিক রাখা।
✅ সঠিক ইনজেকশন টাইমিং ফুয়েল ইনজেকশন ঠিক সময় ও সঠিক পরিমাণে হওয়া দরকার।
✅ ইঞ্জিন গরম করা স্টার্টের পর কিছুক্ষণ ইঞ্জিন চালিয়ে নিয়ে তারপর গতি বাড়ানো।
✅ পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ (Maintenance) নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার, ইনজেক্টর ও ভাল্ব ঠিক রাখা।

টু-স্ট্রোক পেট্রোল ইঞ্জিন কীভাবে কাজ করে? বেসিক আলোচনা করা হলো টু-স্ট্রোক ইঞ্জিনের চক্র দুটি ভাগে বিভক্ত:🔹 ১ম স্ট্রোক: C...
04/05/2025

টু-স্ট্রোক পেট্রোল ইঞ্জিন কীভাবে কাজ করে? বেসিক আলোচনা করা হলো
টু-স্ট্রোক ইঞ্জিনের চক্র দুটি ভাগে বিভক্ত:
🔹 ১ম স্ট্রোক: Compression + Intake (সংকোচন + ইনটেক)
পিস্টন নিচ থেকে উপরের দিকে উঠে।
উঠে যাওয়ার সময়:
সিলিন্ডারে থাকা পেট্রোল-বায়ু মিশ্রণ সংকুচিত (Compress) হয়।
একই সময়ে, পিস্টনের নিচে (ক্র্যাঙ্ককেসে) ইনটেক পোর্ট দিয়ে নতুন জ্বালানি-বায়ু মিশ্রণ ঢুকে পড়ে।
🔹 ২য় স্ট্রোক: Power + Exhaust + Transfer (শক্তি উৎপাদন + নির্গমন + স্থানান্তর)
পিস্টন একদম ওপরে পৌঁছালে স্পার্ক প্লাগ থেকে স্পার্ক হয় → বিস্ফোরণ ঘটে।
বিস্ফোরণের ফলে পিস্টন নিচের দিকে ধাক্কা খেয়ে নেমে আসে (Power Stroke)।
নিচে নামার সময়:
পোড়া গ্যাস এক্সহস্ট পোর্ট দিয়ে বেরিয়ে যায় (Exhaust)।
একই সাথে, পিস্টনের নিচের চাপের কারণে ক্র্যাঙ্ককেসের নতুন মিশ্রণ ট্রান্সফার পোর্ট দিয়ে সিলিন্ডারে প্রবেশ করে (Transfer)।
🌀 এই দুই স্ট্রোক বারবার ঘটিয়ে ইঞ্জিন ঘোরে ও শক্তি উৎপন্ন করে।
🔧 প্রধান যন্ত্রাংশগুলো:
পিস্টন
ক্র্যাঙ্কশ্যাফট
ইনটেক পোর্ট
এক্সহস্ট পোর্ট
ট্রান্সফার পোর্ট
স্পার্ক প্লাগ
ক্র্যাঙ্ককেস
📊 টু-স্ট্রোক পেট্রোল ইঞ্জিনের বৈশিষ্ট্য:
বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা
🔸 স্ট্রোক সংখ্যা মাত্র ২টি (Compression, Power)
🔸 জ্বালানি পেট্রোল + 2T তেল
🔸 ভালভ নেই পোর্ট ব্যবহার হয়
🔸 প্রতিটি ঘূর্ণনে পাওয়ার পাওয়া যায় অর্থাৎ বেশি শক্তি উৎপাদন
🔸 কাঠামো সহজ ও হালকা
🔸 ব্যবহার ছোট যান ও যন্ত্রে
🧠 মনে রাখার কৌশল:
2 স্ট্রোকে 4 কাজ হয়:
Compression
Power
Exhaust
Transfer (Intake)

ইঞ্জিনের (বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন বা Internal Combustion Engine) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ থাকে যেগুলোর সম্...
02/05/2025

ইঞ্জিনের (বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন বা Internal Combustion Engine) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ থাকে যেগুলোর সম্মিলিত কাজেই ইঞ্জিন কাজ করে। নিচে ইঞ্জিনের ২০টি গুরুত্বপূর্ণ

1. সিলিন্ডার (Cylinder)
এটি ইঞ্জিনের মূল অংশ যেখানে জ্বালানি ও বায়ুর মিশ্রণ পুড়ে কাজ উৎপন্ন হয়। পিস্টন এই সিলিন্ডারের মধ্যে ওপর-নিচে চলাচল করে।

2. পিস্টন (Piston)
পিস্টন হল একটি চলমান যন্ত্রাংশ যা সিলিন্ডারের মধ্যে উপরে-নিচে চলে। এটি জ্বালনির বিস্ফোরণ থেকে শক্তি গ্রহণ করে এবং সেই শক্তি যান্ত্রিক গতিতে রূপান্তর করে।

3. ক্র্যাঙ্কশ্যাফট (Crankshaft)
পিস্টনের ওপর থেকে আসা উপরের-নিচের সরল গতিকে ক্র্যাঙ্কশ্যাফট ঘূর্ণন গতিতে রূপান্তর করে। এটি ইঞ্জিনের ঘূর্ণনশক্তি তৈরি করে।

4. কনেক্টিং রড (Connecting Rod)
এটি পিস্টনের সাথে ক্র্যাঙ্কশ্যাফটকে সংযুক্ত করে এবং পিস্টনের গতিকে ক্র্যাঙ্কশ্যাফটে স্থানান্তর করে।

5. সিলিন্ডার হেড (Cylinder Head)
সিলিন্ডারের ওপরের অংশ যেখানে ইনটেক ও এক্সহস্ট ভালভ, স্পার্ক প্লাগ বা ফুয়েল ইনজেক্টর স্থাপন করা থাকে।

6. ক্যামশ্যাফট (Camshaft)
এই শ্যাফটটি ভালভগুলোকে খোলার ও বন্ধ করার সময় নির্ধারণ করে। এটি ক্র্যাঙ্কশ্যাফটের সাথে টাইমিং বেল্ট বা চেইনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।

7. ইনটেক ভালভ (Intake Valve)
এই ভালভটি খোলে যাতে জ্বালানি ও বাতাস সিলিন্ডারের ভিতরে ঢুকতে পারে।

8. এক্সহস্ট ভালভ (Exhaust Valve)
বিস্ফোরণের পর উৎপন্ন জ্বালানি পোড়ার গ্যাস বাইরে বের করে দেয় এই ভালভের মাধ্যমে।

9. স্পার্ক প্লাগ (Spark Plug)
(শুধুমাত্র পেট্রোল ইঞ্জিনে): এটি বৈদ্যুতিক স্পার্ক দিয়ে জ্বালানি-বায়ু মিশ্রণকে বিস্ফোরিত করে।

10. ফুয়েল ইনজেক্টর (Fuel Injector)
(বিশেষ করে ডিজেল ইঞ্জিনে বা আধুনিক পেট্রোল ইঞ্জিনে): এটি নির্দিষ্ট পরিমাণে উচ্চচাপে জ্বালানি ছিটিয়ে দেয় সিলিন্ডারের মধ্যে।

11. টাইমিং বেল্ট বা চেইন (Timing Belt/Chain)
এটি ক্যামশ্যাফট ও ক্র্যাঙ্কশ্যাফটকে সঠিক টাইমিংয়ে ঘোরাতে সাহায্য করে যাতে ভালভ ও পিস্টনের মধ্যে সঠিক সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

12. ফ্লাইহুইল (Flywheel)
এই চাকাটি ইঞ্জিনের গতি মসৃণ রাখে এবং স্টার্টারের সাহায্যে ইঞ্জিন চালু করার সময় শক্তি সংরক্ষণ করে।

13. অয়েল পাম্প (Oil Pump)
ইঞ্জিনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশে লুব্রিকেশন বা তেল সরবরাহ করে ঘর্ষণ কমায় ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

14. ওয়াটার পাম্প (Water Pump)
রেডিয়েটর থেকে ঠান্ডা পানি ইঞ্জিনের ভিতরে প্রবাহিত করে, যাতে ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম না হয়।

15. রেডিয়েটর (Radiator)
এটি ইঞ্জিনের গরম পানি ঠান্ডা করে আবার পানি পাম্পের মাধ্যমে ইঞ্জিনে পাঠায়।

16. থারমোস্ট্যাট (Thermostat)
এই যন্ত্রটি ইঞ্জিনের তাপমাত্রা নির্ধারণ করে এবং ইঞ্জিন বেশি গরম হলে পানি রেডিয়েটরের দিকে পাঠায়।

17. গ্যাসকেট (Gasket)
Cylinder head ও block-এর মাঝে থাকে এবং গ্যাস, তেল, পানি আলাদা রাখে যেন কোনো লিক না হয়।

18. টার্বোচার্জার (Turbocharger)
(যদি থাকে): এটি ইনটেক বাতাসকে চাপ প্রয়োগ করে সিলিন্ডারে পাঠায় যাতে বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়।

19. এয়ার ফিল্টার (Air Filter)
বাইরের বাতাস থেকে ধুলা-বালি ছেঁকে পরিষ্কার বাতাস ইনটেক ম্যানিফোল্ডে পাঠায়।

20. কার্বুরেটর (Carburetor)
(পুরাতন পেট্রোল ইঞ্জিনে ব্যবহৃত): এটি বায়ুর সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে জ্বালানি মিশিয়ে সিলিন্ডারে পাঠায়।

24/04/2025

Topics Hybrid Car

হাইব্রিড কার কী?

হাইব্রিড কার হলো এমন একটি গাড়ি যেটিতে দু’টি ধরনের পাওয়ার সোর্স (শক্তির উৎস) থাকে:

1. ইঞ্জিন (Internal Combustion Engine) – যা পেট্রোল বা ডিজেলে চলে।

2. ইলেকট্রিক মোটর (Electric Motor) – যা ব্যাটারির মাধ্যমে চলে।

এই দুটো একসাথে বা আলাদা আলাদা কাজ করতে পারে, যাতে জ্বালানি কম খরচ হয় এবং পরিবেশ দূষণও কম হয়।

হাইব্রিড কারের প্রধান ধরন:

1. মাল্টি-হাইব্রিড (Mild Hybrid)

ইলেকট্রিক মোটর শুধুমাত্র ইঞ্জিনকে সহায়তা করে।

গাড়ি পুরোপুরি ইলেকট্রিকে চলতে পারে না।

2. ফুল হাইব্রিড (Full Hybrid)

ইলেকট্রিক মোটর ও ইঞ্জিন একসাথে বা আলাদাভাবে কাজ করতে পারে।

কিছু সময়ের জন্য শুধু ইলেকট্রিক পাওয়ারেও চলতে পারে।

3. প্লাগ-ইন হাইব্রিড (Plug-in Hybrid)

এর ব্যাটারি বাইরের উৎস (প্লাগ ইন করে) চার্জ করা যায়।

ইলেকট্রিক মোডে অনেক দূর চলতে পারে।

হাইব্রিড কারের সুবিধা:

জ্বালানি সাশ্রয়ী – কম ফুয়েল খরচ হয়।

পরিবেশবান্ধব – কম কার্বন নির্গমন।

শান্ত চলাচল – ইলেকট্রিক মোটরে শব্দ কম হয়।

স্টপ-স্টার্ট প্রযুক্তি – জ্যামে থেমে থাকলে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়, ফুয়েল বাঁচে।

অসুবিধা কিছু থাকলে:

১. দাম একটু বেশি হতে পারে।

২. মেইনটেনেন্সে বিশেষজ্ঞ মেকানিক দরকার।

৩. ব্যাটারি পাল্টাতে হলে খরচ বেশি।

Petrol Engine বা স্পার্ক ইগনিশন ইঞ্জিন (SI Engine)পেট্রোল ইঞ্জিন একটি আভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন (ICEngine), যা পেট্রোল বা সম...
31/01/2025

Petrol Engine বা স্পার্ক ইগনিশন ইঞ্জিন (SI Engine)

পেট্রোল ইঞ্জিন একটি আভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন (ICEngine), যা পেট্রোল বা সমমানের জ্বালানি ব্যবহার করে। এটি স্পার্ক ইগনিশন (Spark Ignition) পদ্ধতির মাধ্যমে কাজ করে, যেখানে স্পার্ক প্লাগ জ্বালানি-বায়ুর মিশ্রণকে জ্বালিয়ে শক্তি উৎপন্ন করে।

**পেট্রোল ইঞ্জিনের বৈশিষ্ট্য

1. কমপ্রেশন অনুপাত কম:

সাধারণত 8:1 থেকে 12:1 হয়, যা ডিজেল ইঞ্জিনের তুলনায় কম।

2. স্পার্ক ইগনিশন ব্যবহার:

স্পার্ক প্লাগের মাধ্যমে জ্বালানি-বায়ুর মিশ্রণকে জ্বালানো হয়।

3. তরল জ্বালানি ব্যবহৃত হয়:

পেট্রোল, অকটেন, এলপিজি বা সিএনজি ব্যবহার করা হয়।

4. ফুয়েল-এয়ার মিশ্রণ:

পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি-বায়ুর মিশ্রণ কার্বুরেটর বা ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেমের মাধ্যমে তৈরি হয়।

5. উচ্চ গতি (RPM) ক্ষমতা:

সাধারণত ডিজেল ইঞ্জিনের তুলনায় বেশি RPM (5000-8000) উৎপন্ন করতে পারে।

6. হালকা ও ছোট আকারের ইঞ্জিন:

ডিজেল ইঞ্জিনের তুলনায় হালকা, ছোট এবং কম শব্দ তৈরি করে।

7. কম টর্ক, কিন্তু উচ্চ গতির ক্ষমতা:

পেট্রোল ইঞ্জিন দ্রুত গতি তুলতে পারে, তাই এটি স্পোর্টস কার ও মোটরসাইকেলে ব্যবহৃত হয়।

**পেট্রোল ইঞ্জিনের কাজের নীতি (Four-Stroke Petrol Engine)

একটি ফোর-স্ট্রোক পেট্রোল ইঞ্জিন চারটি ধাপে কাজ করে:

1. ইনটেক স্ট্রোক (Intake Stroke):

ইনটেক ভালভ খোলে, পিস্টন নিচে নামে, এবং কার্বুরেটর থেকে আসা জ্বালানি-বায়ুর মিশ্রণ সিলিন্ডারে প্রবেশ করে।

2. কমপ্রেশন স্ট্রোক (Compression Stroke):

ইনটেক ও এক্সহস্ট ভালভ বন্ধ থাকে, এবং পিস্টন উপরের দিকে উঠে জ্বালানি-বায়ুর মিশ্রণকে সংকুচিত করে।

3. পাওয়ার স্ট্রোক (Power Stroke):

স্পার্ক প্লাগ ইগনিশন সৃষ্টি করে, ফলে মিশ্রণ জ্বলতে শুরু করে এবং প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে।

এই চাপে পিস্টন দ্রুত নিচের দিকে নামে এবং ইঞ্জিন শক্তি উৎপন্ন করে।

4. এক্সহস্ট স্ট্রোক (Exhaust Stroke):

এক্সহস্ট ভালভ খোলে, পিস্টন উপরের দিকে উঠে পোড়ানো গ্যাস বের করে দেয়।

এরপর চক্র আবার শুরু হয়।

**পেট্রোল ইঞ্জিনের সুবিধা ও অসুবিধা

সুবিধা:

✔ দ্রুত গতি তুলতে পারে
✔ কম শব্দ ও কম কম্পন
✔ হালকা ও ছোট আকার
✔ কম রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন

অসুবিধা:

✖ ডিজেল ইঞ্জিনের তুলনায় কম কার্যক্ষম
✖ অধিক জ্বালানি খরচ
✖ কম টর্ক, তাই ভারী যানবাহনে ব্যবহার অনুপযুক্ত

**তাপীয় দক্ষতা (Otto Cycle Efficiency):

যেখানে,
১.কমপ্রেশন অনুপাত
২. নির্দিষ্ট তাপের অনুপাত (সাধারণত 1.4)

Engine ইঞ্জিন একটি যান্ত্রিক ডিভাইস, যা জ্বালানি বা অন্য কোনো শক্তির উৎসকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এটি প্রধানত...
30/01/2025

Engine
ইঞ্জিন একটি যান্ত্রিক ডিভাইস, যা জ্বালানি বা অন্য কোনো শক্তির উৎসকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
এটি প্রধানত দুই ধরনের হতে পারে:

1. আভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন (Internal Combustion Engine - IC Engine)

A.স্পার্ক ইগনিশন ইঞ্জিন (SI Engine): পেট্রোল ইঞ্জিন

B.কমপ্রেশন ইগনিশন ইঞ্জিন (CI Engine): ডিজেল ইঞ্জিন

*স্ট্রোক সংখ্যা অনুযায়ী:
টু-স্ট্রোক ইঞ্জিন (দ্রুত শক্তি উৎপন্ন করে, ছোট ইঞ্জিনে ব্যবহৃত)
ফোর-স্ট্রোক ইঞ্জিন (কার ও বড় যানবাহনে বেশি ব্যবহৃত)

2. বাহ্যিক দহন ইঞ্জিন (External Combustion Engine)

স্টিম ইঞ্জিন (বাষ্প ইঞ্জিন)

স্টার্লিং ইঞ্জিন

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Power of Utility generator posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Power of Utility generator:

Shortcuts

Share