Ilm Initiative

Ilm Initiative

Share

ইসলাম শান্তির ধর্ম।ইসলামকে সাথে নিয়ে এগুনোই মূল লক্ষ্য এই সংগঠনের..

11/10/2021

🔸 #বিশ্বের সর্বোচ্চ পতিতাবৃত্তির দেশ:🔹

১। থাইল্যান্ড (বৌদ্ধ ধর্ম)
২। ডেনমার্ক (খ্রিস্টধর্ম)
৩। ইতালিয়ান (খ্রিস্টান)
৪। জার্মান (খ্রিস্টান)
৫। ফ্রেঞ্চ (খ্রিস্টধর্ম)
৬। নরওয়ে (খ্রিস্টান)
৭। বেলজিয়াম (খ্রিস্টান)
৮। স্প্যানিশ (খ্রিস্টধর্ম)
৯। ইউকে (খ্রিস্টধর্ম)
১০। ফিনল্যান্ড (খ্রিস্টান)

🔸পৃথিবীর সর্বোচ্চ অ্যালকোহল আসক্তি:🔹
১। মোল্ডোভিয়া (খ্রিস্টান)
২। বেলারুশিয়ান (খ্রিস্টান)
৩। লিথুয়ানিয়া (খ্রিস্টান)
৪। রাশিয়া (খ্রিস্টান)
৫। চেক প্রজাতন্ত্র (খ্রিস্টান)
৬। ইউক্রেনীয় (খ্রিস্টান)
৭। অ্যান্ডোরা (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। রোমানিয়া (ক্রিশ্চিয়ান)
৯। সার্বিয়ান (খ্রিস্টান)
১০। অস্ট্রেলিয়া (খ্রিস্টান)

🔸বিশ্বের সবচেয়ে বেশি খুনের হার:🔹
১। হন্ডুরাস (খ্রিস্টান)
২। ভেনেজুয়েলা (খ্রিস্টান)
৩। বেলিজ (খ্রিস্টান)
৪। এল সাভাদর (খ্রিস্টান)
৫। গুয়াতেমালা (খ্রিস্টান)
৬। দক্ষিণ আফ্রিকা (খ্রিস্টধর্ম)
৭। সেন্ট কিটস এবং নেভিস (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। বাহামা (খ্রিস্টান)
৯। লেসোথো (ক্রিশ্চিয়ান)
১০। জামাইকা (খ্রিস্টান)

🔸বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক দল:🔹
১। ইয়াকুজা (কোন ধর্ম নেই)
২। আগ্বেরাস (খ্রিস্টান)
৩। ওয়াহ সিং (খ্রিস্টান)
৪। জামাইকা বসএঁ (খ্রিস্টান)
৫। প্রাইমেরো (ক্রিশ্চিয়ান)
৬। দ্য আরিয়ান ব্রাদারহুড (খ্রিস্টান)

🔸বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাদক দল:🔹
১। পাবলো এসকোবার - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)
২। আমাদো ক্যারিলো - কলম্বিয়া (ক্রিশ্চিয়ান)
৩। কার্লোস লিডার জার্মেন (খ্রিস্টান)
৪। গ্রিসেল্ডা ব্ল্যাঙ্কো - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)
৫। জোয়াকুইন গুজম্যান - মেক্সিকো (ক্রিশ্চিয়ান)
৬। রাফায়েল ক্যারো - মেক্সিকো (ক্রিশ্চিয়ান)

% অথচ বলা হয় ইসলাম এবং মুসলমানরা পৃথিবীতে সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কারণ এবং তারা চায় সবাই যেন তাই বিশ্বাস করে ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু কে করেছে?
মুসলিমরা নয়..

কে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছে?
মুসলিমরা নয়..

কে প্রায় ২০ মিলিয়ন স্থানীয় অস্ট্রেলিয়ানকে হত্যা করেছে?
মুসলিমরা নয়..

জাপানে নাগাসাকি এবং হর্শিমা কে নুক ছুড়েছে?
মুসলিমরা নয়..

দক্ষিণ আমেরিকায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন রেড ইন্ডিয়ানদের কে হত্যা করেছে ?
মুসলিমরা নয়..

উত্তর আমেরিকায় প্রায় ৫০ মিলিয়ন রেড ইন্ডিয়ানদের কে হত্যা করেছে?
মুসলিমরা নয়..

আফ্রিকা থেকে ১৮০ মিলিয়নেরও বেশি আফ্রিকানকে যারা অপহরণ করেছিল, তাদের মধ্যে 88 % মারা গেছে এবং সাগরে নিক্ষিপ্ত হয়েছে? কে করেছে এ কাজ
মুসলিমরা নয়..

সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গীবাদের সূচনা মুসলিমদের দ্বারা হয়নি অথচ সংজ্ঞায়িত করা হচ্ছে ।
অমুসলিম সন্ত্রাসী কাজ করলে অপরাধ,
কিন্তু মুসলিম করলে সন্ত্রাস..
এ এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

01/10/2021

বিক্রিত মাল ফেরত নেওয়া হয় না!!!!

বিক্রিত মাল ফেরত নেওয়া হয় না, এমন লেখা সবাই-ই হয়তো দেখে থাকবেন। বিভিন্ন দোকানের ব্যাগে বা তাদের সাইনবোর্ডে এ লেখা হয়তো আপনার চোখে পড়েছে। কিন্তু এইরকম মনোভাব ইসলামী আচরণের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। বিশ্বনবী সাঃ বলেন 'যে ব্যক্তি তার ক্রেতা ভাইয়ের ক্ষতি পূরণের জন্য স্বীয় বিক্রয় বাতিল করবে আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের দিন তার উপর থেকে তার অপরাধের শাস্তি বাতিল করে নিবেন।'

সকলেই চায় এমন সুযোগ পেতে কিন্তু কেউ দুনিয়ায় সেজন্য একটু মেহনত করতে রাজি হন না। কিন্তু কেমন ছিলেন আমাদের পূর্বপুরুষদের ব্যাবসায়ী নীতি? তা কি আমরা জানি? তারা কি দুনিয়ার লাভকে প্রাধান্য দিতেন? নাকি আখিরাতকে?

হযরত আবু হুরাইরা রাঃ বিশ্বনবীর হাদীস আহরণের জন্য এতটাই আগ্রহী ছিলেন যে, ক্ষুধার তাড়নায় মাটিতে গড়াগড়ি দিতেন তবুও নবীজির দরবার থেকে গরহাজির হননি। পাছে নিজ অনুপস্থিতির কারনে নবীজির কোন হাদীস থেকে বঞ্চিত না হয়ে যাই!

এই সাহাবীই একবার মদীনা বাজারে দোকান খোলে বসলেন তিন মাস ধরে। একদিন দোকান গুটিয়ে চলে যাচ্ছেন। অন্যান্য ব্যবসায়ীরা অবাক হয়ে বললেন ব্যবসা শুরুর প্রাথমিক পর্যায়ের লস সহ্য করে টিকে রইলেন, এখন মুনাফার মুখ দেখতে শুরু করে ব্যবসা বন্ধ করে দিবেন?

তিনি বললেন তোমাদের কাছে প্রচলিত লাভ-লসের উদ্দেশ্যে আমি দোকান খোলি নি।

: তাহলে কেন ?

:আমি নবীজি সাঃ কে বলতে শুনেছি

مَنْ أَقَالَ مُسْلِمًا عَثْرَتَهُ ، أَقَالَهُ اللَّهُ عَثْرَتَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ "

(যে ব্যক্তি তার ক্রেতা ভাইয়ের ক্ষতি পূরণের জন্য স্বীয় বিক্রয় রহিত করবে আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের দিন তার উপর থেকে তার অপরাধের শাস্তি রহিত করে দিবেন।)

ব্যবসা ছাড়া বিক্রয় রহিত করার কোন উপায় ছিল না। এমনকি তিন মাসের মধ্যে কেউ বিক্রয় রহিত করার জন্য আসেও নি। আজ সকালে একজন এসেছেন। মাল ফেরত রেখেছি। আমার মাকসাদ পূরণ হয়ে গেছে। তাই দোকান গুটাচ্ছি। এমনই ছিল আমাদের পূর্বপুরুষদের জীবনচরিত ।

সুতরাং ব্যাসসায়ীদের কে পরকালের বিপদ থেকে নিজেকে বাঁচাতে ক্রয় বিক্রয়ে আল্লাহ নির্দশ মেনে চলা উচিত। তাই চলুন জেনে নেই ক্রয়বিক্রয়ের সাধারণ কিছু মাসায়েল।

ক্রয়-বিক্রয়ের সাধারণ মাসায়েলঃ

★ অবৈধ বস্তু ক্ৰয় করা বা কোন ভাবে অবৈধ বস্তুর মালিক হয়ে গেলে এমন লােকের নিকট তা বিক্রয় করা যার জন্য তা অবৈধ, এটা জায়েয নয়।

★ যে সব দ্রব্য বিক্রি করা হবে তা সামনে থাকতে হবে অথবা তার নমূনা (sample) সামনে থাকতে হবে। অদেখা দ্রব্য দেখার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার শর্তে ক্রয় করলেও তার অনুমতি রয়েছে।

★ বিক্রিত দ্রব্যের সমস্ত অবস্থা (দোষ-ক্রুটি থাকলে তা সহ) ক্রেতাকে খুলে বলতে হবে, অন্যথায় বিক্রয় শুদ্ধ হবে না এবং ক্রেতার তা ফেরত দেয়ার অধিকার থাকবে। দ্রব্যের দোষ না বলে ধােকা দিয়ে বিক্রি করা হারাম।

★ বিক্রেতা প্রব্যের যে গুণ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছিল পরে তার বিপরীত প্রমাণিত হল, যেমন বলেছিল রং পাকা বা অমুক কোম্পানীর, অথচ তা মিথ্যা প্রমাণিত হল, এ ক্ষেত্রে ক্রেতা সেটা ফেরত দেয়ার অধিকার রাখে।

★ দাম স্পষ্ট ভাষায় ব্যক্ত করতে হবে। কেউ তা অস্পষ্ট বা ব্যাখ্যা সাপেক্ষ রাখলে বিক্রয় শুদ্ধ হবে না। ক্রয়ের সময় ক্রেতা যদি বলে দু তিন দিনের মধ্যে (তিন দিনের বেশী নয়) দ্রব্যটি গ্রহণ বা বর্জনের কথা জানাব অথবা ঘরে দেখিয়ে পরে বলব, তাহলে উক্ত মেয়াদের মধ্যে ক্রেতার তা ফেরত দেয়ার অধিকার থাকবে যদি ক্রেতা দ্রব্যটি ব্যবহার করে না থাকে কিংবা যে সব দ্রব্য ব্যবহার করা ব্যতীত সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না, সেগুলাে ব্যবহারের ফলে দ্রব্যটির মাঝে কোন দোষ- ক্রুটি সৃষ্টি না হয়ে থাকে।

★ বিক্রেতা কোন দ্রব্যের বিশেষ গুণাগুণ বর্ণনা করল, কিন্তু অন্ধকারের কারণে ক্রেতা ভাল করে তা দেখে নিতে পারল না। কিংবা কেবল বিক্রেতার বর্ণনার ভিত্তিতে সে ক্রয় করল, কিন্তু পরে নেয়ার পরে পরীক্ষা করে বিক্রেতার বর্ণনা মত পেল না তাহলে ক্রেতার সেটা ফেরত দেয়ার অধিকার থাকবে। নমূনা (sample) দেখে অর্ডার দেয়ার পর নমূনা মত না পেলেও তা ফেরত দেয়ার অধিকার থাকবে। অবশ্য দ্রব্যটি ব্যবহার করলে বা অন্যের কাছে বিক্রি করলে পরে আর তা ফেরত দেয়ার অধিকার থাকে না।

★ কোন দ্রব্য না দেখে ক্রয় করে থাকলে দেখার পর তা রাখা বা না রাখার অধিকার থাকবে।
ক্রয়-বিক্রয়ের ইসলামি নীতি
ক্রয় বিক্রয়ের মাসায়েল
★ যে সব বস্তুর নমূনা দেখে সে সম্পর্কে অনুমান করা যায় না, সেরূপ দ্রব্যের নমূনা দেখে অর্ডার দিলে দ্রব্যটি পাওয়ার পর তা ক্রয় করা না করার অধিকার থাকবে। আর যে দ্রব্যের নমূনা দেখে সে সম্পর্কে অনুমান করা যায় সে ক্ষেত্রে নমূনার অনুরূপ না পেলে উপরোেক্ত অধিকার থাকবে, কিনতু নমূনার অনুরূপ পেলে সে অধিকার থাকবে না।
★ বিক্রেতা যদি দ্রব্যের সে পরিমাণ দাম নিয়ে থাকে, যা কোন স্বচছ নির্দোষ দ্রব্যের বিনিময়ে নেয়া হয়ে থাকে, আর পরে তাতে কোন দোষ প্রকাশ পায় তাহলে ক্রেতার তা ফেরত দেয়ার অধিকার থাকবে। যদি ক্রেতা দোষ-ক্রুটি সত্ত্বেও রাখতে চায় তাহলে তার দাম কম দেয়ার অধিকার থাকবে না। অবশ্য বিক্রেতা স্বেচ্ছায় কিছু কম নিলে তা তার ইচ্ছা। তবে দোকানদার পণ্যের দোষ-ক্রুটি বলা সত্ত্বেও কেউ সে দ্রব্য ক্রয় করলে উক্ত দোষ-ক্রটির কারণে তার ফেরত দেয়ার অধিকার থাকবে না।

★ ক্রেতার হাতে এসে কোন ক্রুটি হলে সে দ্রব্য ফেরত দেয়ার অধিকার নষ্ট হয়ে যায়।

★ ক্রুটি প্রকাশ পাওয়ার পর কিছু (ভালটা) রেখে বাকীটা (খারাপগুলাে) ফেরত দেয়ার অধিকার নেই। রাখলে পূরাটা রাখতে হবে কিংবা পূরাটা ফেরত দিতে হবে। অবশ্য বিক্রেতা সম্মত হলে সব রকমই করা যেতে পারে।

★ যে সব দ্রব্য ভাঙ্গার পর (যেমন ডিম) বা কাটার পর (যেমন তরমুজ) তার ভাল মন্দ বােঝা যায়, সে সব দ্রব্য ভাঙ্গা বা কাটার পর যদি সম্পূর্ণ ফেলে দেয়ার মত অবস্থা দেখা যায়, তাহলে পুরা দাম ফেরত নেয়ার অধিকার থাকবে। যদি অন্য কোন কাজে ব্যবহার করার উপযােগী থাকে (যেমন তরমুজ বা কোন তরকারী জন্তুকে খাওয়ানাের যােগ্য থাকে) তাহলে সেগুলাে ফেরত না দিলে কিছু দাম কমানাের অধিকার থাকে।

★ ক্রয় বিক্রয়ের সময় প্রথমে দাম পরিশােধ এবং পরে পণ্য হস্তান্তর হবে। ক্রেতা এরূপ দাবী করতে পারবে না যে, প্রথমে পণ্য দিন পরে দাম নিন। অবশ্য বিক্রেতা চাইলে প্রথমে পণ্য দিতে ও পরে দাম নিতে পারে।

★ বিক্রেতা কোন দ্রব্য বিক্রি করলে ক্রেতাকে তা এমনভাবে হস্তান্তর করতে হবে যাতে দ্রব্যটি তার আয়ত্তে নিতে কোন প্রকার বেগ পেতে না হয়।

★ বিক্রেতা যদি স্বেচ্ছায় কোন দ্রব্য অধিক পরিমাণে দিয়ে থাকে অথবা ক্রেতা মূল্য কিছু বেশী দিয়ে থাকে তাহলে কারবার চূড়ান্ত হওয়ার পর কাউকে তা ফেরত দেয়ার জন্য বাধ্য করা যাবে না।

★ দাম পরিশােধ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয়ভার ক্রেতাকে বহন করতে হবে, যেমন মানিঅর্ডার খরচ (এমনিভাবে পে অর্ডার ও পােস্টাল অর্ডার খরচ) ইত্যাদি।

★ এভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের লেখা পড়া সংক্রান্ত খরচ যেমন জমির দলিল রেজিষ্ট্রি ব্যয় ইত্যাদি ক্রেতাকে বহন করতে হবে।

★ ক্রেতাকে পণ্য বুঝিয়ে দিতে যে সব খরচ হয়ে থাকে সে সব খরচ বিক্রেতাকে বহন করতে হবে। যেমন মাপ বা ওজন করার ব্যয়, সম্পত্তি সংক্রান্ত কাগজপত্র না থাকলে সেগুলাে সংগ্রহের ব্যয় ইত্যাদি।

★ ক্রেতার নিকট মালামাল পৌছানাের পরিবহন ব্যয়, ভিপি খরচ ইত্যাদি ক্রেতাকে বহন করতে হবে, অবশ্য বিক্রেতা স্বেচ্ছায় বহন করলে তা হবে তার বদান্যতা। কিন্তু বিক্রেতাকেই তা বহন করতে হবে- এরূপ শর্ত আরােপ করলে বাণিজ্য ফাসেদ হয়ে যাবে।

★ ভিপি যােগে মাল পাঠালে তা যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে তার দায়-দায়িত্ব বিক্রেতাকেই বহন করতে হবে।

★ কাউকে কোন মাল তৈরী করার অর্ডার দিলে তার পূর্ণ বিবরণ, দাম দন্তুর, সরবরাহের স্থান, সরবরাহের দিন তারিখ, দাম পরিশােধের সময় ইত্যাদি পরিষ্কারভাবে নির্দিষ্ট হওয়া জরূরী।

★ যে কারবার ফাসেদ হয়ে যায় তা ভেঙ্গে দেয়া উচিত। অথবা অন্ততঃ বিক্রেতা দাম ও ক্রেতা পণ্য ব্যবহার থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখবে আর তা কোন দরিদ্র অভাবীকে দিয়ে দিবে।

★ শরীআতে যে সব ক্রয়-বিক্রয় জায়েয নয় সেরূপ কোন ক্রয়-বিক্রয় সংঘটিত হলেও তা মলিককে ফেরত দেয়া জরূরী- কোনভাবে তাতে হস্থক্ষেপ করা বা নিজের কাজে ব্যবহার করা জায়েয নয়।

★ ফল আসার পূর্বে বা পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে আম কাঁঠাল প্রভৃতির বাগান বিক্রি করার যে প্রচলন রয়েছে তা জায়েয নয়।

★ যে ব্যক্তি খালেছ হারাম উপায়ে কোন মাল উপার্জন করেছে তার থেকে সেটা ক্রয় করা জায়েয নয়।

24/09/2021
23/09/2021

জন্মদিন পালনে ইসলাম

জন্মদিন’ পালনের প্রবণতা একটু বেশিই যেন। ধনী হোক আর গরিব হোক, জন্মের দিনটা ঘটা করে পালন না করলে যেন মনে শান্তি আসে না। কেবল মানুষ নয়, কিছু বিত্তশালী পোষা কুকুরটিরও জন্মদিন পালন করেন! এদিন তারা নানা আয়োজন করে বন্ধু-বান্ধবকে নিমন্ত্রণ করে, আনন্দ-উল্লাস করেন, মদ্যপান করেন, নর্তকি নাচিয়ে ফুর্তি করে দিন কাটান।

কেক কেটে জন্মদিন পালনের উদ্ভব হয় পশ্চিমা দেশগুলোতে। আর জন্মদিনের সূচনা হয় ফিরাউন থেকে। বাইবেলের বুক অব জেনেসিসে এসেছে, ‘তৃতীয় দিনটা ছিল ফিরাউনের জন্মদিন। ফিরাউন তার সব দাসদের জন্য ভোজের আয়োজন করলেন। সেই সময় ফিরাউন রুটিওয়ালা ও খাদ্যদ্রব্য পরিবেশককে কারাগার থেকে মুক্তি দিলেন।’ (আদি পুস্তক : ৪০২)

সুতরাং বুঝা গেল, জন্মদিন পালনের উদ্ভব ঘটেছে ফিরাউন থেকে। ইসলামে এর কোনো ভিত্তি নেই।

জন্মদিন পালনের গুরুত্ব যদি ইসলামে থাকত, তা হলে সাহাবায়ে কেরাম (রা.), তাবেয়ি, তাবে তাবেইনদের থেকে এটি পালনের প্রমাণ মিলত। তারা জন্মদিন পালন করবেন তো দূরের কথা, কারও কারও জন্মসন জানা গেলেও কোন মাসের কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন তা অবধি জানা যায়নি।

এমনকি আমাদের প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) রবিউল আওয়াল মাসের কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন এটা নিয়েও রয়েছে মতভেদ। বিধায় জন্মদিন পালন নিঃসন্দেহে একটি অপকর্ম। এদিন ফেসবুকে কাউকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো, আত্মীয় ও বন্ধু-বান্ধব জমায়েত হয়ে উৎসব করা, অনুষ্ঠানের আয়োজন করা, বিশেষ দোয়া, সালাম বা উপহার পেশ করা, বয়স অনুপাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে তা ফুঁ দিয়ে নেভানো, কেক কেটে খাওয়া প্রভৃতি কাজ এসব অপচয় কোনো ধার্মিকের হতে পারে না।

হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, অবশ্যই তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তী জাতির অনুসরণ করবে বিঘত-বিঘত এবং হাত-হাতের সমপরিমাণ। এমনকি তারা যদি সাপের গর্তে প্রবেশ করে, তা হলে তোমরাও তাদের পেছন পেছন যাবে।’ সাহাবায়ে কেরাম (রা.) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি ইহুদি ও নাসারাদের অনুকরণ করার কথা বলছেন?’ নবী করিম (সা.) বললেন, ‘তবে আর কার?’ (বুখারি : ২৬৬৯)

অন্য একটি হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি যে জাতির নমুনা অবলম্বন করবে, সে ব্যক্তি সেই জাতিরই দলভুক্ত।’ (সহিহুল জামে : ৬০২৫)

নবী করিম (সা.) আরও বলেন, ‘সে ব্যক্তি আমার দলভুক্ত নয়, যে আমাদের ছেড়ে অন্য কোনো জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে। তোমরা ইহুদিদের সাদৃশ্য অবলম্বন কর না, খ্রিস্টানদেরও সাদৃশ্য অবলম্বন কর না।’ (সিলসিলাহ সহিহা : ২১৯৪)

আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তার অনুসরণ কর। তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কারও অনুসরণ কর না। তোমরা খুব অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর।’ (সূরা আরাফ : ৩)

তা ছাড়া জন্মদিনে খুশি হয়ে আনন্দ-উৎসব করা নেহায়েতই বোকামি। কেননা, জীবন থেকে একটি বছর ঝরে গেলে তার জন্য আক্ষেপ ও দুঃখ করা উচিত, খুশি নয়। আল্লাহতায়ালা আমাদের সহিহ বুঝ দান করুন।

সংগৃহিত🥰🥰

17/09/2021

Justice For Men পেজ হতে...
(উল্লেখ্য, রাসুলুল্লাহ সাঃ এর যেমন একজন খাদিজা রাঃ ছিলেন, আমি যদি তেমনি আমার খাদিজাকে পাই, তাহলে আমি একজনেই সন্তুষ্ট। মহান আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কবুল করুন। আমীন।)
---
বুদ্ধিমান পুরুষের জন্য ছোট্র উদাহরণই যথেষ্ট!!
⚫ দার্শনিক ইবনে সিনা বলেনঃ
এক স্ত্রী বিশিষ্ট পুরুষদের দেহ মন অসুস্থ থাকে। উঠতি যুবক হওয়া সত্বেও তাদেরকে বার্ধক্য পেয়ে বসে। হরহামেশা গিরায় গিরায় ব্যাথা, হাটু ও মেরুদণ্ডের সমস্যার অভিযোগ করে। মনের প্রফুল্লতা বিদায় নেয়। সর্বদা বন্ধুদের কাছে হা- হুতাশ, অসহায় মনোভাব ও নেতিয়ে পড়ার অভিযোগ করে ফিরে।
⚫ কাজি ইবনে মাসউদ বলেনঃ
এক স্ত্রীর স্বামি মানুষের মাঝে বিচার ফায়সালা দেওয়ার মত উচ্চ ও সুক্ষ্ম মানসিকতার হয় না।
⚫ ইবনে হাইয়্যান আত্বাওহিদী বলেনঃ
আমি একদল এমন সুপুরুষদের কথা জানি যারা এক স্ত্রীতে বিশ্বাসীদের সাথে বৈঠকে বসতেন না।
তারা এমন লোকদেরকে আধাপুরুষ ও নগণ্য মনে করতেন।
⚫ ইতিহাসবেত্তা ইবনে খালদুন বলেনঃ
ফেতনা ফাসাদে জর্জরিত জাতিদের সমস্যাগুলো যখন আমি পর্যবেক্ষক করলাম -দেখলাম তাদের অনুন্নত চিন্তা ও দুর্বল মনোবৃত্তির পিছনে তাদের এক স্ত্রীতে অভ্যস্ত হওয়ার সমস্যা ই প্রধান।
⚫ আবেদ ইবনে মাইসার বলেনঃ
যার মাত্র এক স্ত্রী তার ইবাদত যথাযথ ভাবে আদায় হয়না।
⚫ খলিফা হারুনুর রশিদের ছেলে খলিফা মামুনকে বলা হলো ---
বসরায় কতেক গোত্র রয়েছে যেখানকার পুরুষরা এক স্ত্রীতে বিশ্বাসী ।
মামুন বললেন-
তারা পৌরুষে কামেল নয়। প্রকৃত পুরুষদের একাধিক স্ত্রী থাকে। তারা স্বভাবজাত পৌরষের বিরুদ্ধে এমনকি তারা নবীর সুন্নাহ বিরোধীও।
⚫ ইউনুছ বিন মুজানীকে বলা হলো
ইহুদী খৃষ্টানরা কেন একাধিক স্ত্রী কে অস্বীকার করে ?
তিনি বললেন ---- তারা হলো এমন জাতি --
যাদের উপর লাঞ্চনা ও দারিদ্র্যতা চাপিয়ে দেওয়া হলো আর তারা আল্লাহর ক্রোধে পতিত হলো। (সুরা বাকারা 61)
⚫ আবু মারুফ কারখীকে বলা হলো ---
দুনিয়া ত্যাগীদের ব্যাপারে আপনার মতামত কি যারা এক স্ত্রীকেই যথেষ্ট মনে করে ?
তিনি বললেন --- আর কি ! এরা পাগলের দল !
দুনিয়া বিমূখতায় তারা নিজেরা এমন স্তরে পৌছে গেছে মনে করে যেখানে একাধিক স্ত্রীর অধিকারী আবুবকর, ওমর, ওসমান, আলী রাঃ মত মনিষীরাও পৌছাতে পারেনি !
⚫ ইবনে ফাইয়্যাদ কে এক স্ত্রীতে বিশ্বাসী পুরুষদের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন---
তারা পানাহার করে, শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ করে ঠিক কিন্তু তারা মৃত।
⚫ ইবনে ইসহাক যখন নিশাপুরের গভর্নর হলেন তখন তিনি এক স্ত্রীর স্বামীদের রাষ্ট্রীয় অনুদান বন্ধের নির্দেশ দিলেন। তারা অভিযোগ করে বলল-- আপনি এমনটা কেন করলেন ?
তিনি বললেন -- এসব আল্লাহর মাল, অকর্মণ্য বেকুবদেরকে এসব দেওয়া হয়না।
⚫ ইবনে আতাউল্লাহ এক স্ত্রীর পুরুষদের ব্যাপারে বললেন---
যারা বড়দের ( নবিজী সাঃ ও সাহাবাগণ) সুন্নাহের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারেনা আমরা তাদেরকে নগণ্য ও পুচকে মনে করি।
⚫ আল্লামা ত্বকিউদ্দীন মুজানী যখন সমরকন্দের "ফকীহ " পদে অধিষ্ঠিত হলেন তখন লোকেরা তাঁকে এক স্ত্রী বিশিষ্ট পুরুষদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করল।
তিনি বললেন, তারাও কি মুসলমান! (তিনি তাদের ঈমানের পূর্ণতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন)
তখন তিনি তাদেরকে নসীহাহ করে পরামর্শ দিলেন ।
দেখা গেল একমাসও পার হয়নি এরই মাঝে প্রায় তিন হাজার পুরুষ তাদের মাসনা সেরে ফেলল !
পরিস্থিতি একপর্যায় এমন দাঁড়ালো যে -- অত্রাঞ্চলে কোন কুমারী, অকুমারী, বিধবা আর অবশিষ্ট রইলনা।
⚫ ইমাম হোসরী বলেন
আল্লাহ যখন বিবাহনীতির কথা আলোচনা করেছেন তখন মাসনা দিয়ে শুরু করেছেন- ওয়াহিদা দিয়ে শুরু করেননি বরং ওয়াহিদার স্বামীদেরকে " খিফতুম " শব্দ দ্বারা ভীতুদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে তাদের অসম্পূর্ণতার জানান দিয়েছেন ৷
#সংগৃহীত লেখা এবং আধুনিক ফেমিনিস্টরা দুরে খাকুন!!

16/09/2021

৩০টি অনুপ্রেরণামূলক হাদিস:
০১. “যার দুটি দিন একই রকম কাটলো, সে ক্ষতিগ্রস্ত হলো। ”

– আল হাদিস

(অর্থাৎ, যে আজকের দিনটিকে গতকালের চেয়ে বেশি কাজে লাগাতে পারলো না, সে উন্নতি করতে পারলো না)



০২. ”তোমরা একে অন্যের প্রতি হিংসা করোনা , ঘৃণা বিদ্বেষ করোনা এবং একে অপরের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়োনা

– মুসলিম



০৩. “তোমাদের মধ্যে সে-ই উত্তম, যে তার পরিবার পরিজনের কাছে উত্তম। ”

– ইবনে মাজাহ



০৪. “আল্লাহ ততোক্ষণ বান্দাহর সাহায্য করেন, যতোক্ষণ সে তার ভাইকে সহযোগীতা করে।”

– সহীহ মুসলিম



০৫. “যে পবিত্র থাকতে চায় , তাকে আল্লাহ পবিত্র রাখেন।

– সহীহ বুখারী



০৬. “আল্লাহর পথে একটি সকাল কিংবা একটি সন্ধ্যা ব্যয় করা গোটা পৃথিবী এবং পৃথিবীর সমস্ত সম্পদের চেয়ে উত্তম। ”

– বুখারী
০৭. “অত্যাচারী শাসকের সামনে সত্য কথা বলা সবচেয়ে বড় জিহাদ। ”

– তিরমিযী



০৮. “যে জ্ঞান অর্জনের খোঁজে বের হয় , সে আল্লাহর পথে বের হয়।

– তিরমিযী



০৯. “কুরআনকে আঁকড়ে ধরলে কখনো বিপথগামী হবেনা।

– মিশকাত



১০. “প্রতিটি মানুষ তার কাজের সেই ফলই পাবে,যা সে নিয়্যত করেছে।”

– বুখারী



১১. “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম মানুষ তারাই,যাদের আচার আচরণ সবচেয়ে ভালো”

– বুখারী



১২. “অর্ধেকটা খেজুর দান করেও তোমরা নিজেদের জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে পারো। যদি তা-ও না থাকে, তবে সুন্দর করে কথা বলো”

– বুখারী
১৩. “এক ব্যক্তি রাসুল (স:) কে এসে বলল, আমাকে এমন কিছু শেখান যাতে আমি সুন্দর ভাবে জীবন কাটাতে পারি। কিন্তু এমন কঠিন কিছু নয়, যা আমি ভুলে যেতে পারি। রাসুল (স:) বল্লেন: রাগ করো না”

– আল হাদিস



১৪. “একজন মুসলিম যদি গাছ লাগায়, অথবা জমি চাষ করে – যেখান থেকে পশু ও পাখিরা খেতে পারে – তাহলে সে একটি সদকা করল”

– মুসলিম



১৫. “সব ধরনের দাগ দূর করার জন্য কিছু না কিছু আছে; মনের দাগ দূর করার জন্য আছে আল্লাহ্‌র স্মরণ”

– বুখারী



১৬. “কোন কাজগুলো সর্বোত্তম? – মানুষের মনে খুশির সৃষ্টি করা, ক্ষুধার্তকে খাবার দেয়া, পঙ্গু ও অসুস্থদের সাহায্য করা, দু:খীদের দু:খকে হাল্কা করা, এবং আহতের যন্ত্রণাকে লাঘব করা”

– বুখারী



১৭. “তুমি যদি পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর ভরসা করো, যেমনটা করা উচিৎ, তাহলে তিনি অবশ্যই তোমার সব প্রয়োজন পূরণ করবেন, যেমনটা তিনি পাখিদের জন্য করেন। তারা ক্ষুধার্ত হয়ে বাসা থেকে বের হয়, কিন্তু ভরা পেট নিয়ে নীড়ে ফেরে”

– তিরমিযী



১৮. “আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিকূলকে সৃষ্টি করার পর তাঁর আরশের ওপর লিখেছিলেন: নিশ্চই আমার দয়া আমার ক্রোধকে প্রশমিত করবে”

– বুখারী ও মুসলিম
১৯. “যারা তাঁর সৃষ্টির ওপর দয়া করবে না, আল্লাহ্‌ও তাদের ওপর দয়া করবেন না”

– আবু দাউদ ও তিরমিযী



২০. “তুমি তোমার হৃদয়কে সকাল থেকে রাত, ও রাত থেকে সকাল পর্যন্ত অন্যের ওপর হিংসা করা থেকে বিরত রাখো। – হে আমার উম্মত, এটি আমার আইনগুলোর একটি, এবং যে আমার আইনকে ভালোবাসে- সে আমাকেও অত্যন্ত ভালোবাসে”

– বুখারী



২১. “সব সময়ে সত্য বল – এমনকি যদিও তা অন্যদের কাছে কঠিন ও অপছন্দনীয় হয়”

– বায়হাকী



২২. “দয়া বিশ্বাসীর একটি চিহ্ন; যার দয়া নেই, তার মাঝে বিশ্বাস (ঈমান) নেই”

– মুসলিম



২৩. “যখন এমন কাউকে দেখবে যাকে তোমার চেয়ে বেশি সম্পদ ও সৌন্দর্য দেয়া হয়েছে, (তখন আফসোস করার বদলে) এমন মানুষের দিকে তাকাও যাকে কম দেয়া হয়েছে”

– মুসলিম



২৪. “নিশ্চই নিজের সন্তানকে উত্তম ব্যবহার শেখানো, গরিবকে শস্য দান করার চেয়েও উত্তম”

– মুসলিম
২৫. “দয়ালুর প্রতি আল্লাহ্‌ও দয়াশীল হন। তাই, পৃথিবীর মানুষের প্রতি দয়াশীল হও, তাহলে যিনি আসমানে আছেন – তিনি তোমার প্রতি দয়া দেখাবেন”

– আবু দাউদ, তিরমিযী



২৬. “অতিরিক্ত সম্পদের বোঝা কাঁধে নিয়ে সত্যিকার সুখের পথে হাঁটা মানুষের জন্য কঠিন”

– মুসলিম



২৭. “একবার এক লোক রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময়ে রাস্তার ওপর কষ্টদায়ক কাঁটা যুক্ত একটি ডাল পড়ে থাকতে দেখল। লোকটি কষ্টদায়ক বস্তুটি রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলল। আল্লাহ তাকে ধন্যবাদ দিলেন, এবং তার সব অপরাধ ক্ষমা করে দিলেন”

– বুখারী



২৮. “সত্যিকার জ্ঞানী কারা? – যারা তাদের জ্ঞানকে বাস্তবে কাজে লাগায়”

– বুখারী



২৯. “আল্লাহ্‌ আমার কাছে এই কথা প্রকাশ করেছেন যে, তোমাদের অবশ্যই বিনয়ী হতে হবে। কেউ কারও ওপর অহংকার করবে না, এবং কেউ কারও ওপর অত্যাচার করবে না”

– মুসলিম



৩০. “কোন মানুষটি আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়? – যার মাধ্যমে আল্লাহ্‌র অন্য সৃষ্টিকূল উপকৃত হয়”

– বুখারী

16/09/2021

যখনই কোন আত্মহত্যার খবর শুনি কোরআনের এই আয়াতগুলো খুব অর্থপূর্ণ হয়ে উঠে..!!😥😥

⭕"আল্লাহ্ কষ্টের পর সুখ দিবেন!"
- সূরা ত্বলাক: ৭

⭕"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি!"
- সূরা ইনশিরাহ: ৬

⭕"আমি তো আমার দুঃখ ও অস্থিরতাগুলো আল্লাহ্'র সমীপেই নিবেদন করছি!"
- সূরা ইউসুফ: ৮৬

⭕"জেনে রেখো, আল্লাহ্'র সাহায্য নিকটে!"
- সূরা বাক্বারা: ২১৪

⭕"একমাত্র কাফির ছাড়া অন্য কেউ আল্লাহ্'র রহমত থেকে নিরাশ হয় না!"
- সূরা ইউসুফ: ৮৭

⭕"আল্লাহ্ কোনো ব্যক্তির উপর তার সাধ্যের চাইতে বেশী, এমন বোঝা চাপিয়ে দেন না!"
- সূরা বাক্বারা: ২৮৬

⭕"এবং অবশ্যই আমি তোমাদের পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের!"
- সূরা বাক্বারা: ১৫৫

⭕"হে ঈমানদারগণ, তোমরা সবর ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর! নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে রয়েছেন!"
‌‌ - সূরা বাক্বারা: ১৫৩

⭕"হে আল্লাহ্! আমি তো কখনো আপনাকে ডেকে ব্যর্থ হইনি!"
- সূরা মারইয়াম: ৪

আল্লাহ্ আমাদের সকল মুসলমানদের কে দ্বীনি সহীহ বুঝ দান করুন,
#আমিন🤲🤲
©

#সংগৃহীত

Photos from Ilm Initiative's post 15/09/2021

#এটা_বিনামূল্যে_বিতরণের_জন্য

এখানে দুটো চমৎকার আয়ত দেয়া আছে।যা আপনারা ইচ্ছা করলে মানিব্যাগ এ রাখতে পারবেন।টেবিল এর এক কোনায় রাখতে পারবেন।যখন খুব মন খারাপ হবে,অবশ্যই আয়াত দুটো একবার পড়লে খুব আনন্দ লাগবে।🥰🥰

কারো লাগলে আমায় ইনবক্স করবেন।অবশ্যই খুলনায় যারা আছেন,তারাই পাবেন...

এটার আকার ভিজিটিং কার্ডের মতোই।

15/09/2021

বিশ্বের সর্বোচ্চ পতিতাবৃত্তির দেশ:
১। থাইল্যান্ড (বৌদ্ধ ধর্ম)
২। ডেনমার্ক (খ্রিস্টধর্ম)
৩। ইতালিয়ান (খ্রিস্টান)
৪। জার্মান (খ্রিস্টান)
৫। ফ্রেঞ্চ (খ্রিস্টধর্ম)
৬। নরওয়ে (খ্রিস্টান)
৭। বেলজিয়াম (খ্রিস্টান)
৮। স্প্যানিশ (খ্রিস্টধর্ম)
৯। ইউকে (খ্রিস্টধর্ম)
১০। ফিনল্যান্ড (খ্রিস্টান)

বিশ্বের সর্বোচ্চ চুরির হার:
১। ডেনমার্ক এবং ফিনল্যান্ড (ক্রিশ্চিয়ান)
২। জিম্বাবুয়েয়ান (খ্রিস্টান)
৩। অস্ট্রেলিয়া (খ্রিস্টান)
৪। কানাডা (খ্রিস্টান)
৫। নিউজিল্যান্ড (খ্রিস্টান)
৬। ভারত (হিন্দু ধর্ম)
৭। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। ইউএস (খ্রিস্টান)
৯। সুইডেন (খ্রিস্টান)
১০। দক্ষিণ আফ্রিকা (খ্রিস্টধর্ম)

পৃথিবীর সর্বোচ্চ অ্যালকোহল আসক্তি:
১। মোল্ডোভিয়া (খ্রিস্টান)
২। বেলারুশিয়ান (খ্রিস্টান)
৩। লিথুয়ানিয়া (খ্রিস্টান)
৪। রাশিয়া (খ্রিস্টান)
৫। চেক প্রজাতন্ত্র (খ্রিস্টান)
৬। ইউক্রেনীয় (খ্রিস্টান)
৭। অ্যান্ডোরা (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। রোমানিয়া (ক্রিশ্চিয়ান)
৯। সার্বিয়ান (খ্রিস্টান)
১০। অস্ট্রেলিয়া (খ্রিস্টান)

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি খুনের হার:
১। হন্ডুরাস (খ্রিস্টান)
২। ভেনেজুয়েলা (খ্রিস্টান)
৩। বেলিজ (খ্রিস্টান)
৪। এল সাভাদর (খ্রিস্টান)
৫। গুয়াতেমালা (খ্রিস্টান)
৬। দক্ষিণ আফ্রিকা (খ্রিস্টধর্ম)
৭। সেন্ট কিটস এবং নেভিস (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। বাহামা (খ্রিস্টান)
৯। লেসোথো (ক্রিশ্চিয়ান)
১০। জামাইকা (খ্রিস্টান)

বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক দল:
১। ইয়াকুজা (কোন ধর্ম নেই)
২। আগ্বেরাস (খ্রিস্টান)
৩। ওয়াহ সিং (খ্রিস্টান)
৪। জামাইকা বসএঁ (খ্রিস্টান)
৫। প্রাইমেরো (ক্রিশ্চিয়ান)
৬। দ্য আরিয়ান ব্রাদারহুড (খ্রিস্টান)

বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাদক দল:
১। পাবলো এসকোবার - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)
২। আমাদো ক্যারিলো - কলম্বিয়া (ক্রিশ্চিয়ান)
৩। কার্লোস লিডার জার্মেন (খ্রিস্টান)
৪। গ্রিসেল্ডা ব্ল্যাঙ্কো - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)
৫। জোয়াকুইন গুজম্যান - মেক্সিকো (ক্রিশ্চিয়ান)
৬। রাফায়েল ক্যারো - মেক্সিকো (ক্রিশ্চিয়ান)

অথচ বলা হয় ইসলাম এবং মুসলমানরা পৃথিবীতে সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কারণ এবং তারা চায় সবাই যেন তাই বিশ্বাস করে ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু কে করেছে?
মুসলিমরা নয়..

কে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছে?
মুসলিমরা নয়..

কে প্রায় ২০ মিলিয়ন স্থানীয় অস্ট্রেলিয়ানকে হত্যা করেছে?
মুসলিমরা নয়..

জাপানে নাগাসাকি এবং হর্শিমা কে বোমা ছুড়েছে?
মুসলিমরা নয়..

দক্ষিণ আমেরিকায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন রেড ইন্ডিয়ানদের কে হত্যা করেছে ?
মুসলিমরা নয়..

উত্তর আমেরিকায় প্রায় ৫০ মিলিয়ন রেড ইন্ডিয়ানদের কে হত্যা করেছে?
মুসলিমরা নয়..

আফ্রিকা থেকে ১৮০ মিলিয়নেরও বেশি আফ্রিকানকে যারা অপহরণ করেছিল, তাদের মধ্যে 88 % মারা গেছে এবং সাগরে নিক্ষিপ্ত হয়েছে? কে করেছে এ কাজ
মুসলিমরা নয়..

সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গীবাদের সূচনা মুসলিমদের দ্বারা হয়নি অথচ সংজ্ঞায়িত করা হচ্ছে ।
অমুসলিম সন্ত্রাসী কাজ করলে অপরাধ,
কিন্তু মুসলিম করলে সন্ত্রাস..
এ এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ।
-সংগৃহীত।

11/09/2021

আজকালকার পুরুষদের আত্মমর্যাদাবোধ নেই বললেই চলে!
---
একজন দাইয়্যূস এবং বোনদের জন্য নাসিহা..
দাইয়্যূস! যিনি সারাবছর ইবাদাত করেও জাহান্নামি!
এ ব্যাপারে ইবনুল কায়্যিম রহিমাহুল্লাহ বলেন,
"দাইয়্যুস হচ্ছে আল্লাহ'র নিকৃষ্ট সৃষ্টি এবং তার জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে কেননা তার মধ্য থেকে 'গীরাহ'-বোধ হারিয়ে গেছে।"
একজন ব্যক্তি ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে, সিয়াম পালন করে, যাকাত দিয়ে, হজ করেও দাইয়্যুস হতে পারেন। এই উদাহরণ আমাদের আশেপাশেই ভুরি ভুরি আছে।
ভাইয়েরা আপনারা যারা নিজেদের স্ত্রীদেরকে পরপুরুষের চোখের মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা করছেন, স্ত্রীদের ছবি ফেইসবুকে দিয়ে সবাইকে দেখাচ্ছেন, স্ত্রীকে সাজিয়ে নিয়ে বাইরে বের হচ্ছেন আর পরপুরুষ ও লম্পটরা চোখকে পরিতৃপ্ত করছে সেসব প্রত্যেক পুরুষের “দাইয়্যুস” টার্মটির ব্যাপারে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। একজন পুরুষ হাদিসের ভাষ্যমতে দাইয়্যুস সাব্যস্ত হবে যদি সে তার মা, বোন, স্ত্রী, কন্যাদের বেপর্দাভাবে চলাফেরা করাকে বন্ধ না করে, তাদেরকে অশ্লীলতা, ব্যভিচার থেকে দূরে না রাখে। যেসব ভাইয়েরা এখনও দাইয়্যুসের কাতারে আছেন আজই তাওবা করুন, নিজের পরিবারের মহিলাদের বুঝান, দাওয়াহ দিন। তারপরও না বুঝলে বাধ্য করুন, কেননা তাদের ব্যাপারে আপনি জিজ্ঞাসিত হবেন। এমনকি আপনার জান্নাত জাহান্নামও অনেকাংশে তাদের উপর নির্ভর করছে। কারণ তারা আপনার অধিনস্ত।
রাসুলুল্লাহ(ﷺ)বলেছেন, “তিনজন আছেন যাদের দিকে আল্লাহ সুবহানু তায়ালা কিয়ামাতের দিন নজর দেবেন না। যে পিতামাতার অবাধ্য, যে নারী বেশভূষায় পুরুষের অনুকরণ করে এবং দাইয়্যুস ব্যক্তি।” [সুনান আন নাসাঈ: ২৫৬২, হাদিস সাহীহ]
ইমাম আহমাদের বর্ণনাকৃত অন্য আরেকটি সাহীহ হাদীসে ‘আল্লাহ নজর দেবেন না’ এর সাথে এসেছে দাইয়্যুস ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। [মুসনাদে আহমাদ]
রাসুলুল্লাহ(ﷺ) আরও বলেছেন, “আল্লাহ প্রত্যেক আদম সন্তানের জন্যে তার অংশের অনিবার্য জিনা লিখে রেখেছেন, হোক সে তার ব্যাপারে জ্ঞাত বা অজ্ঞাত। চোখের জিনা হল দৃষ্টিপাত করা (যে দিকে বা যার দিকে দৃষ্টি দেবার অনুমতি নেই সেদিকে দৃষ্টিপাত করা), জিহ্বার জিনা হল উচ্চারণ করা (যা উচ্চারণ করা বা বলা বৈধ নয়)। আর নফসের ইচ্ছা জাগে (জিনার জন্যে) এবং গুপ্তাংগ তা বাস্তবতায় রূপ দেয় অথবা তা অস্বীকার করে।“ [সাহীহ বুখারীঃ ৬৬১২]

আপনার বউকে সবাই দেখবে- আর এতে আপনার মোটেও খারাপ লাগবে না তবে আপনি অসুস্থ।

একজন আত্মমর্যাদা পুরুষ কখনই স্ত্রীকে খোলা চলতে দিবে না। অবশ্যই সে তার আত্মমর্যাদার কারনে বাধ্য করতে পারবে ।
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
‘হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীদের, আপনার কন্যাদের ও মুমিনদের নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের জিলবাবের একাংশ নিজেদের (মুখের) উপর নামিয়ে দেয়।’(-সূরা আহযাব : ৫৯)

‘জিলবাব’ অর্থ বড় চাদর, যা দ্বারা মুখমন্ডল ও পূর্ণ দেহ আবৃত করা যায়।-(আলজামি লিআহকামিল কুরআন, কুরতুবী ১৪/২৪৩)।
উলামায়ে কিরামের মতে মুখের জিনা, চোখের জিনা, হাতের জিনা, পায়ের জিনা সবই জিনার দরজা আর অনস্বীকার্য অংশ। অতএব যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে এইসব জিনা থেকে বাধা দেবে না, সে ব্যক্তিও দাইয়্যুসের কাতারে পড়ে যাবে। আপনি পরিবারের কর্তা হয়ে থাকলে পরিবারের সকলকে পর্দা করতে বাধ্য করা আপনার উপর জরুরি। মা বা বড় বোনকে সর্বোচ্চ বুঝাতে পারবেন এবং দাওয়াহ দিতে পারবেন, ছোট বোন বা স্ত্রী থাকলে শুরুতে নম্র ভাষায় দাওয়াহ দিয়ে বুঝাতে হবে, কাজ না হলে বাধ্য করতে হবে। মনে রাখবেন আপনার জান্নাত জাহান্নাম এর উপরই নির্ভর করছে।
বোনদের জন্য নাসিহাঃ
1) মেয়ে হতে পারে বাবা-মায়ের জন্য জান্নাত বা জাহান্নামের রাস্তা।
বোন তুমি তোমার বাবা মায়ের জন্য কি হতে চাও?

2) বোন তুমি তোমার বাবা মায়ের প্রতিদান কিভাবে দিতে চাও জান্নাতের দিকে এগিয়ে নাকি জাহান্নামের পথে নিয়ে গিয়ে?

3) দুনিয়ার সামান্য আগুনে দগ্ধ ভাবে নিজের মা-বাবাকে দেখার সাহস তোমার নাই।
তাহলে ৭০ গুন বেশি জ্বালাময় জাহান্নামের অগ্নি সাগরে নিজেকে ও বাবা মাকে দেখার সাহস তুমি রাখো কি করে বোন??

4) বোন তুমি যতটা বেপর্দা হচ্ছো তোমার বাবা ঠিক ততটাই দাইয়্যুস হচ্ছে।
তুমি তা যেনেও বেপর্দায় চলো তবে কি তুমি তোমার বাবাকে জাহান্নামে দেখতে চাও??

5) বড় একটা যান্ত্রিক বাস তোমায় দশ মিনিট বহন করে দশটা টাকা বিনিময় নেয়।
কিন্তু বোন তোমার রক্তে-মাংসে গড়া বাবা সারা জিবন তোমায় বহন করেও তো কোনো বিনিময় নেননি।
তাকে তুমি প্রতিদানে জাহান্নামে নিতে চাও?

6) বোন হাজারো বাবা আছে যারা জানেন না দাইয়্যুস মানে কি?
কিন্তু বোন তুমি তো জানো, না জানলেও আজ তো জানলে।
এর পরেও কি নিজেকে এবং নিজের বাবা কে জাহান্নামের ভংকর আজাব থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করবে না?

"যে ভুল করে সে মানুষ, যে ভুলের উপর স্থির থাকে সে শয়তান।
আর যে ভুল করার পর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় সে মুমিন।"
(আল-হাদিস)

“বান্দা যখন অপরাধ স্বীকার করে এবং তাওবা করে তখন আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন।”
(সহীহ বুখারী)

বোন! তুমি আগে কি ছিলে সেইটা বড় কথা নয়, তুমি আজ কি আছো এবং আগামীতে কি থাকবে সেটাই মূল বিষয়!

বোন! মৃত্যু তো এখনো আসেনি তার মানে সময় এখনো আছে।
ফিরে এসো বোন আল্লাহ তা'আলার জন্য, আল্লাহ তা'আলার দিকে।
এবং উছিলা হিসেবে নিজেকে এবং তোমার বাবা-মাকে বাঁচাও জাহান্নামের ভয়ংকর আজাব থেকে!

# বিঃ দ্রঃ বোন যদি তুমি চাও তুমি তোমার বাবা-মাকে নিয়ে চিরস্থায়ী ভাবে জাহান্নামেই থাকবে তবেই বেপর্দায় চলো আর না চাইলে আজই আল্লাহর নিকট খাস দিলে তাওবা করে পরিপূর্ন পর্দা করার নিয়াত ও চেষ্টা করো বোন।

বোন! তুমি ভুলে যেও না তুমি মুসলিম।আজ থেকেই আল্লাহর নাম নিয়ে তুমি পর্দা শুরু করে দাও বোন ইনশা আল্লাহ তুমি পারবে বোন।
[সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত]
- আশফিকা নওশিন

11/09/2021

সাহচর্যে প্রভাবঃ-

১. স্ত্রীর পাশে ১-মিনিট বসুন, বুঝতে পারবেন জীবন বড় কঠিন।

২. মাতালের কাছে ১০- মিনিট বসুন, বুঝতে পারবেন জীবন খুব সহজ।

৩. সাধুদের সাথে ৩-মিনিট বসুন, আপনার সবকিছু দান করে অবসর নিতে ইচ্ছে করবে।

৪. রাজনীতিবিদের সাথে ৪-মিনিট বসুন, বুঝবেন আপনার পড়াশুনা সব বেকার, অনর্থক।

৫. একজন জীবন বীমা এজেন্টের সাথে ৫-১০ মিনিট বসুন, বুঝবেন বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো।

৬. একজন ব্যবসায়ীর সাথে ৬-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার উপার্জন কিছুই না।

৭. একজন বিজ্ঞানীর সাথে ৭-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার মধ্যে খারাপটা আপনার অজ্ঞতার কারণে।

৮. একজন ভালো শিক্ষকের সাথে ৮-মিনিট বসুন, আপনি একজন ছাত্র হয়ে ফিরে আসতে চাইবেন।

৯. একজন কৃষক বা শ্রমিকের সাথে ৯-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনি কঠোর পরিশ্রম করেন না।

১০. একজন সৈনিকের সাথে ১০-মিনিট বসুন, আপনি বুঝতে পারবেন আপনার কাজ এবং ত্যাগ অত্যন্ত ঘৃণ্য।

১১. কবরস্থানে ১০/১১ মিনিটের জন্য যান মনে হবে জীবনের সবকিছু তুচ্ছ মায়া, হাল ছেড়ে দেই।

১২. একজন ইতিবাচক মনোভাব সম্পন্ন ভালো, উদার মনের প্রকৃত বন্ধুর সাথে ১০-মিনিট বসুন, মনে হবে আপনার জীবন স্বর্গের চেয়েও সুন্দর।

জীবনমুখী🥰

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Hazi Mohsin Road
Khulna