JobSeeker28

JobSeeker28

Share

It's an educational page

08/08/2025

বিসিএস সাধারণ বিজ্ঞান ক্লাস মাইক্রোবায়োলজি।

23/06/2025

কুয়েটে আমি যেদিন প্রথম ভর্তি হই সেদিন ও জানতাম না how drastically KUET is going to change me, আট দশটা সাধারণ মেয়ের চেয়েও বেশি চঞ্চল, হুট করে অবাধ স্বাধীনতা পাওয়া আমি ধরেই নিসিলাম ভার্সিটি আসলে কোনো পড়াশোনার জায়গা না, ওই যে ওই কথাটার মত, একবার ভার্সিটিতে চান্স পেয়ে গেলে কিছুই পড়া লাগেনা, আর আশেপাশে সবার মত আমারো ধারণা ছিল ভার্সিটিতে যারা ফার্স্ট সেকেন্ড হয় ওরা বদ্ধ পাগল, আঁতেল অথবা ভীনগ্রহের অতিমানব জাতীয় কোনো পদার্থ।

ফলাফল যা হবার তাই, যারপরনাই পাশ করার মত রেজাল্ট এমনকি কোন এক দুই সাব্জেক্টে ফেলের চেয়ে একটু ভাল অর্থাৎ ডি গ্রেড। এরমাঝে বাসা ছেড়ে বাইরে চলে আসার এস্টেটিক হতাশা, অল্প বয়সে প্রেমে পড়া আর সত্যি বলতে গণরুমের কঠিন জায়গাটার চাপ তো কিছু ছিলই!

যে গল্পটা আমি সারাজীবন ভাবতাম কাউকে বলব না, আজকে সেই গল্পটাই লিখে রাখছি এই জন্য যাতে অনেক বুড়ো হয়ে গেলেও খুব ভালো মতন মনে পড়ে What I am today, most of the credit goes to KUET. What I am not today most of the discredit goest to KUET as well.

ফার্স্ট ইয়ার ওইরকম উচ্ছন্নেই গেল। সেকেন্ড ইয়ার ফার্স্ট সেমিস্টার, ক্লাসে মন বসে না, আমি ক্লাসে বসে লেকচার না তুলে গান লিখি, কখনো ছবি আঁকি, সারারাত ফেসবুকিং করি, গল্প করি, ল্যাব রিপোর্ট লেখি ক্লাসে, কোনো স্যারের ভাষাও বুঝিনা, ক্লাসে কি পড়ায় তাও জানিনা। সেই ২-১ সেমিস্টারেই ক্লাস নিতেন কামরুল স্যার, কোর্স EE2111 সম্ভবত। একদিন ধরা খেলাম ক্লাসে বসে ল্যাব রিপোর্ট লেখায়, স্যার ল্যাব রিপোর্ট ছিড়ে ফেললেন সবার সামনে, এর আগেও নানান স্যারের কাছে বকা খেয়ে আসছি প্রতিদিন, ক্লাসে মোবাইল চালাই, পড়া ধরলে পারিনা বিভিন্ন কারণ, কিন্তু সেদিনের ল্যাব রিপোর্ট ছেড়ার ব্যাপারটা একটু বেশিই অপমানজনক। এরপর আসল ইলেক্ট্রিকাল সিটি, আরো অনেকের মত আমিও ২০ এ ০ পেলাম।

ওহ ভুলে গেছিলাম স্যার ছিল আমার রোলমেট, সংগত কারণে খারাপ ছাত্রী হিসেবেই স্যার আমাকে জানতেন এবং প্রচন্ড রাগ নিয়ে আমাকে বলেছিলেন "তুমি ৫১ রোলটার সম্মান নষ্ট করতেছ, you dont deserve this" এবং এই একটা লাইন ছিল এখন পর্যন্ত আমার জীবনের সবচেয়ে অপমানজনক, সবচেয়ে কষ্টকর গিলে ফেলার মত এবং for my life time I wont forget this ever that there is something else that I dont deserve. এইটা আমার মানতে ইচ্ছা করল না। আমি হলে গিয়ে আস্তে আস্তে পড়া বোঝার চেষ্টা করলাম, প্রথম প্রথম প্রচন্ড অপমানে আমার কান্না আসত, কিছুই মাথায় ঢুকত না, সেই বছর রোজার ছুটিতে ইলেক্ট্রিকাল বইয়ের সব সার্কিট আমি একা সলভ করছিলাম আমার মনে আছে জাস্ট বিকজ I dont believe there is something i dont deserve.
ফলাফল খুব একটা ভাল হওয়ার আগেই কোনো এক সু(!!) বন্ধু ইলেক্ট্রিকাল ক্লাসেই আমার প্রক্সি দিল, ফলাফল যা হবার তাই, স্যার একরকম আমাকে চিহ্নিতকরণ পূর্বক ক্লাস থেকে বের করে দিয়ে একদম ইলেক্ট্রিকাল বিল্ডিং থেকে টেক্সটাইল হেডের রুমে পাঠালেন, একই সাথে একটু একটু করে ভাল করার চেষ্টাটা বিফলে যাওয়ার কষ্ট আর দোষ না করেও শাস্তি পাওয়ার কষ্টে আমি হাউমাউ করে কাঁদলাম এবং ওই শেষবার আমি হেরে যাওয়ার কষ্টে কাদছিলাম।

নিজের উপর প্রচন্ড জেদ হল, ক্লাসে যে মেয়েটা ফার্স্ট হয় সে যদি পারে আমি কেন পারব না, ২-২ সেমিস্টার শুরু করার আগে determined হলাম। সব ক্লাস মন দিয়ে করা, এমন কোনো কিছু নাই যেটা আমি শেখার চেষ্টা করিনাই। ততদিনে কামরুল স্যার ও হায়ার স্টাডিজের জন্য দেশের বাইরে চলে গেছেন।
মানুষের যদি ১০ বার পড়লে মনে থাকত, আমি সেটা ৫০ বার পড়তাম, এখনো মনে আছে ২-২ তে মেকানিক্স এন্ড মেশিন ডিজাইনের কিছু বিশ্রি ম্যাথ ছিল, এমনও ম্যাথ ছিল আমি ৮৯ বার প্রাকটিস করছিলাম। ২-২ পরীক্ষা দিয়ে বাসায় আসলাম ঢাকায়।

বাসায় এসে আব্বা আম্মাকে সামনে রেখে বললাম এই প্রথম আমি জীবনের সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করছি, আমি প্রমাণ চাই, অল্প মেধা থাকলেও পরিশ্রম মানুষকে ভাল ফল দিতে পারে। এই সেমিস্টার এ আমি সবচেয়ে ভাল পরীক্ষা দিয়ে আসছি। আমি ফার্স্ট হব। রুমমেট এবং অনেকেই আমাকে বুঝাইছিল ভার্সিটি লাইফে টিচাররা সবাই নাকি মুখ চিনে মার্ক দেয়,একবার যে ফার্স্ট হয় সেই বারবার ফার্স্ট হয়, নাহলে সেকেন্ড থার্ড এরাই ভাল করে, সিরিয়ালের একেবারে পেছন থেকে এসে কেউ কোনোদিন ফার্স্ট হয়না।

আমি আব্বু আম্মুকে বললাম এইবার আমি ফার্স্ট না হলে আর কোনোদিন পড়াশোনা করব না, বিসিএসের বই খাতা কিনব, ইঞ্জিনিয়ারিং আমাকে দিয়ে হবেনা।

কিন্তু আমাকে দিয়ে হল। আমি ৩.১১ থেকে ৩.৯৪ পেয়ে সেই সেমিস্টারে ফার্স্ট হলাম, সবাই অবাক হল, শুধু অবাক হইনাই আমি, I remember what I get that I deserve. বিশ্বাস হইল চেষ্টা করলে সবই সম্ভব। বিশ্বাস হইল ভার্সিটিতে কেউ মুখ চিনে খাতা দেখে না, ভার্সিটিতে একদম পিছন থেকে এসেও ফার্স্ট হওয়া যায়।

এরপরের সেমিস্টার এ টার্গেট আরো শক্ত। ৪ এ ৪ পেতে হবে। তখনো আমার ব্যাচে কেউ ৪ পায়নাই, আমি চেষ্টা করতে থাকলাম। আমি তিনটা টিউশনি করতাম, নিজের খরচ নিজেই চালানোর চেষ্টা করতাম, প্রেম ও করতাম এরপরে হলে এসে পড়তাম, কুয়েটের প্রচন্ড গরমে আমি খাটের চারপাশে বিছানার চাদর আটকায় পড়তাম যাতে কারো মুখ দেখে ডিস্ট্রাক্ট না হই।
হয়তো ব্যাপার গুলা ততটাও কঠিন না কিন্তু আমার মত স্বল্প মেধাসম্পন্ন মানুষের জন্য ততটাই কঠিন কারণ মানুষের যেটা একবারে হইত আমার সেটা বুঝতে লাগত ১০ বার, ৩-১ এ একাউন্টিং পরীক্ষার দুইদিন আগেও আমি ডিপার্টমেন্ট এর প্রোগ্রামে এংকরিং করছি, কোনোদিন কোনো ট্যুর মিস দেইনাই, কোনোদিন কোনো হ্যাং আউট মিস দেইনাই, সব পেয়ে রুমে এসে আবারো কঠিন পরিশ্রম করছি।
সেমিস্টার পরীক্ষার দীর্ঘ ২৬ দিন সেই বছর আমি ঘুমাইছি দৈনিক এক ঘন্টা। সবাই ৬ সেট বা ৮ সেটের প্রিপারেশন নিল আমি নিলাম পুরা বইয়ের। টার্গেট একটাই, চার।
কোনো একজন ক্লোজ বান্ধবি এই অবস্থা দেখে পরীক্ষার আগের রাতে এসে বলল এবার এত চেষ্টা করলেও তুই ফার্স্ট হবি না, আগেরবার মিশফা ফার্স্ট হয়নাই এবার সে হবেই।
মিশফার প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই বলতেছি মিশফা ফার্স্ট হোক বা যা ই হোক, আমার লক্ষ্য ছিল চার। আমি সেইবার চার পেলাম।

সেদিন বাসায় এসে ক্যালকুলেটর এ গুনলাম, ৩-১ থেকে সামনের সব সেমিস্টার এ আমি যদি ৪ পাই আমার সিজিপিএ হবে ৩.৭৩ আর মিশফা তো নিশ্চিত ৩.৯ এর উপরে। তার সাথে আমার কোনোদিন কোনো ককম্পিটিশন ছিল না ঠিক, কিন্তু আমার লক্ষ্য সেদিন থেকে শুরু হল, When I will leave Kuet, I will not leave without having 3.73 in my bag. অর্থাৎ সামনের সবগুলো সেমিস্টারে ৪ পেতে হবে।

সেদিনের পর আর কোনোদিন পেছনে ফিরতে হয়নাই, শেষ চারটা সেমিস্টারেই আমি ৪ পেয়েছিলাম, জোড় সেমিস্টারের প্রচন্ড ঠান্ডার রাতে হলের বারান্দায় বসে পড়ছি আমি, দিনে সবাই জেগে থাকত, পড়া হতোনা তাই কোনো পিএলে আমি দুপুরে ভাত খাইনাই, ওই সময়টায় আমি ঘুমাতাম, খাইতাম সেদ্ধ কাপ নুডলস, আর সারারাত জেগে থাকতাম। দৈনিক ঘুমাতাম ৩ ঘন্টা।

রোদ, বৃষ্টি, ভূমিকম্প কোনোদিন কোনো ক্লাস মিস দিতাম না, কোনো কারণে মিস হলে লেকচার রেকর্ড করতাম, বাসায় এসে নোট করতাম। যত কঠিন যত অসাধ্য আমি তত বেশি আগ্রাসি হয়ে উঠলাম এমনকি মনে আছে ৩-২ এর সময় নির্বাচনের জন্য হল ভ্যাকান্ট করে দিল, বাসায় এসে দেখি পড়াশোনা হয়না, আবার ক্যাম্পাস ফেরত গেলাম।

স্বপ্ন ছিল যে বিশ্ববিদ্যালয় আমার পুরা গল্পটাকে এভাবে পাল্টে দিছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হব আমি। সবচেয়ে স্বল্প মেধাবী কিন্তু সবচেয়ে পরিশ্রমী একজন মানুষ হিসেবে নিজের গল্পটা আমি আমার স্টুডেন্টদের শোনাব, কিন্তু সেই স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত আর সত্যি হয়নাই।
শেষের দিকে আমি অপেক্ষা করতাম কামরুল স্যার ফেরত আসলে একদিন ধন্যবাদ দিব, হয়তো উনি সেদিন সেইভাবে না বললে নিজেকে আর চেনাই হইত না।

কামরুল স্যার ফেরত আসলেন, ভয়ে কিংবা সংকোচে আর কোনোদিন বলা হয়নাই, ধন্যবাদ ও সেইভাবে দেয়া হয়নাই। পাশ করার আগেই চাকরি পেলাম। এখন আমার আর আমার সেই গল্পের কুয়েটের মাঝে বিস্তর দূরত্ব।

আজকে কুয়েটে শিক্ষক নিয়োগের আবেদন জমার শেষ দিন ছিল। আমি এখন স্ব-কর্মস্থলে ভালো একটি অবস্থানেই আছি। হয়তো যে স্বপ্নটা অনেক পরে আমার মধ্যে কাজ করছিল সেটা আমারো আগে অন্য কেউ প্রাপ্য হয়ে গেছে। যিনি শিক্ষক হবেন তিনি নিশ্চয়ই আমার চেয়ে অনেক বেশি ওই অবস্থানটা পাবার যোগ্য, তবুও এই দিনটায় এসে আমার মনে হয় আমার কুয়েট চ্যাপ্টার এখানেই শেষ।

ধন্যবাদ কুয়েট। আমাকে আজকের আমিতে পরিণত করার জন্য, ধন্যবাদ কুয়েট, এই অসম্ভব জেদি কনফিডেন্স আমাকে চেনার জগৎটা দেখানোর জন্য।
একটা না পাওয়া অসম্ভব মরিচীকার পিছে ছুটতে ছুটতে আমি বিশ্বাস করতে শিখেছি there is nothing in this world that you dont deserve, there is nothing in this world that is impossible. All good wills will make a very different way. Today or Tomorrow 🙂

লেখক: সানজিদা রশীদ বহ্নি
টেক্সটাইল'১৫

21/06/2025

‘তুমি কি বিদেশে চলে যাবে?’

৩৮তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার (ইংরেজি) চতুর্থ স্থান অধিকারী হালিমা আক্তার ইমা'র ভাইভা অভিজ্ঞতা শুনেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স-মাস্টার্স করেছি। বিসিএসে একটাই মাত্র চয়েস ছিল ‘ইংরেজি’। বিসিএসে (শিক্ষা) ইংরেজিতে পদ ছিল ৬৪টি (ট্রিচার্স ট্রেনিং কলেজসহ)। বিষয়ভিত্তিক পদের মধ্যে ইংরেজিতে সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতা হয় জেনেও এটাই চয়েস দিয়েছিলাম। ১২০০ প্রার্থী ভাইভা দিয়েছে ইংরেজি থেকে। ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আর ৩৮তম ভাইভা কাছাকাছি সময়ে ছিল। ভাইভা হয়েছিল ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে। ভাইভায় জামদানি শাড়ি পরে গিয়েছিলাম।


দরজা খুলে সালাম দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চেয়ারম্যান স্যারের প্রথম প্রশ্ন, ‘কোথায় আছ?’

আমি : আসলে স্যার, আমি বিসিএস ছাড়া কোথাও আবেদন করিনি। ৩৮তম বিসিএস ভাইভা আজ দিচ্ছি, আর ৪০তম লিখিত পরীক্ষা কিছুদিন আগে দিলাম।

চেয়ারপারসন : তোমার নাম ইমা?
আমি : জি স্যার।

(চেয়ারম্যান স্যার এক্সটার্নালকে বলেন, ‘উনার অনার্স আর মাস্টার্সের রেজাল্ট কী? ‘৩.৩৮’ শোনার পর আবার প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন...)

চেয়ারম্যান : একটাই ক্যাডার চয়েস দিয়েছ! টিচার হতে চাও? কেন?

আমি : স্যার, আমি মূলত একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আসি। আবার বিবাহিত হওয়ায় সংসারের পাশাপাশি পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়াটাও চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমার শ্রদ্ধেয় মরহুম স্যার মফিজুল ইসলামের অনুপ্রেরণায় ভালো ফলের পাশাপাশি সাহিত্যের অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। মূলত তাঁর কাছ থেকেই শিক্ষক হওয়ার প্রেরণা পেয়েছি।

চেয়ারম্যান : তোমার আইকনিক টিচার উনি! আচ্ছা, ‘রোহিঙ্গা’ সম্পর্কে এক মিনিট বলো।

আমি : মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ সরকার বিশ্বে মানবতাবাদী দেশ হিসেবে অনন্য নজির স্থাপন করেছে। কিন্তু আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বাজেটে তাদের জন্য অতিরিক্ত ৪০০ কোটি বরাদ্দ রাখা খুবই কঠিন বিষয়। বিশ্ব সম্প্রদায় ও জাতিসংঘের উচিত আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চার প্রস্তাবের ভিত্তিতে আলোচনায় বসা এবং সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা।

চেয়ারম্যান : প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকার কী করেছে?

আমি : বর্তমান সরকার বাজেটে প্রতিবছর আলাদা বরাদ্দ রাখছে। প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়ানো হয়েছে। মাসিক ৭০০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া আশার খবর হলো, সায়মা ওয়াজেদ হোসেন অটিজম নিয়ে যে কাজ শুরু করেছেন, তা সমাজে অটিজম নিয়ে ভাবনার পরিবর্তন এনেছে।

চেয়ারম্যান : কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তির নাম বলো।

আমি : দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র মহিলা নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী...

চেয়ারম্যান : বাচ্চা আছে? স্বামী কী করে?

আমি : জি, এক ছেলে, ক্লাস ফোরে পড়ে। স্বামী বিদেশে একটি মাল্টিন্যাশনাল কম্পানিতে আছেন।

(চেয়ারম্যান স্যার এক্সটার্নাল-১ স্যারকে প্রশ্ন করতে বললেন)

এক্সটার্নাল-১ : ইলিয়াড আর ওডেসি নিয়ে বলো...

আমি : গ্রিক কাব্য ইলিয়াড। প্রাচীন গ্রিসের ইলিওন শহরের নামে মহাকবি হোমার এই কাব্য রচনা করেন। ইলিয়াডের পরবর্তী খণ্ডই হচ্ছে ওডেসি।

এক্সটার্নাল-১ : বাংলা সাহিত্য আর ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে তুলনামূলক আলোচনা করো।

(আমি এ নিয়ে আলোচনা করেছি।)

এক্সটার্নাল-১ : What is Victorian spirit?

আমি :Victorian spirit is a spirit which reflects the victorian philosophy of life. Indomitable spirit for knowledge, enthusiasm and spirit of activity are the essence of this spirit.

এক্সটার্নাল-১ : Who is the most representative poet of victorian Period?

আমি : Alfred Lord Tennyson is the representative poet of victorian period.

এক্সটার্নাল-১ : Who is the writer of Ulysses?

আমি : Alfred Lord Tennyson is the writer of Ulysses.

এক্সটার্নাল-১ : Can you recite some lines from Ulysses?

আমি : Yes sir, ‘I cannot rest from travel; I will drink life to the lees’

[এক্সটার্নাল-২ The victorian period থেকে অনেক কিছু জিজ্ঞেস করেন। (Dramatic monologue, My Last Duchess, Browning, Arnold)

আমি এগুলোর উত্তর দিলাম।]

ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী হওয়ায় ‘ভিক্টোরিয়া’ সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছেন। আসার সময় বোর্ডের চেয়ারপারসন স্যার আবারও একটি প্রশ্নটি করলেন।

চেয়ারম্যান : ‘তুমি কি বিদেশে চলে যাবে?’

আমি : না, স্যার।

-দৈনিক কালের কণ্ঠ / চাকরি আছে

✍️ এম এম মুজাহিদ উদ্দীন
লেখক : ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি,
ব্যাংকার'স ভাইভা বোর্ড

21/06/2025

Die এর পরে বিভিন্ন Preposition এর ব্যবহার।Die of die to dief for die from die on die off die down

20/06/2025

বিখ্যাত স্থান ও তাদের অবস্থান স্বর্ণ মন্দির মিলনের ঝুলন্ত উদ্যান তক্ষশীলা রেড স্কয়ার পেন্টাগন IA

20/06/2025

🎯৪৪তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা
তারিখ: ১৮/০৬/২০২৫ খ্রি.
প্রার্থী: মুহাম্মদ কাওসার হোসাইন
বিষয়: মাইক্রোবায়োলজি
বিশ্ববিদ্যালয়: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
ক্যাডার চয়েজ:প্রশাসন, পুলিশ

বোর্ড: ব্রিগেডিয়ার আনোয়ারুল ইসলাম
সময়:১০ মি.

সালাম দিয়ে ঢুকলাম
চেয়ারম্যান : introduce Yourself?
উ: দিলাম

external -1: ম্যানেজমেন্ট থিওরি কী?
উ: সরি স্যার

ext -1: বুরোক্রেসি থিওরি কী?

উ.সরি স্যার

external 2: মোবাইল ফোনে গিগা না কি মেগা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
উ: সরি স্যার

external 2: প্রশাসনের পদক্রম বলেন?
উত্তর দিলাম

চেয়ারম্যান :পুলিশ নিয়ে কি এক টার্ম জিজ্ঞেস করছে, জীবনে শুনিও নাই।
-সরি স্যার

চেয়ারম্যান :গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান ইসরায়েল যুদ্ধে মূল ফোকস ঘটনা কী?
উত্তর দিলাম (মনে হলো স্যার অন্যটা জানতে চেয়েছেন)

চেয়ারম্যান : এ পর্যন্ত পিএসসিতে কয়বার ভাইভা দিয়েছেন?
উ: আজকেরটাসহ ৩টা

চেয়ারম্যান: দুধের কত পার্সেন্ট প্রোটিনের ওপর হিউম্যান বডি এবসরভ করতে পারে না?
উ. সরি স্যার।

চেয়রাম্যান: আমলার কাজ কী?
উত্তর দিলাম। (এতো সরি স্যার বলার পর পারা উত্তরও সুন্দরভাবে গুছিয়ে বলতে পারিনি)

চেয়ারম্যান : আপনি আসতে পারেন।

পড়লাম মাইক্রোবায়োলজি, প্রশ্ন পেলাম ম্যানেজমেন্ট ও আইসিটি থেকে।
From:- M M Mozahid Uddin

Photos from JobSeeker28's post 20/06/2025

সিনিয়র অফিসার-২২ রিটেন প্রশ্ন
সবার কেমন এক্সাম হলো?

14/06/2025

“তুমি নিজেই ব্র্যান্ড” – পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং এর এক গভীর যাত্রা

> “তুমি যখন ঘরে থাকো না, মানুষ তোমার সম্পর্কে কী বলে?”

এটাই তোমার পার্সোনাল ব্র্যান্ড।
এই ব্র্যান্ড শুধু নাম বা লোগো নয়, এটা হলো তোমার উপস্থিতির প্রভাব, তোমার কণ্ঠস্বরের ছাপ, এবং মানুষের মনে গেঁথে থাকা সেই চিহ্ন।

> “Your brand is what people say about you when you're not in the room.” — Jeff Bezos

এই পৃথিবীতে লক্ষ কোটি মানুষ আছে, কিন্তু প্রশ্ন একটাই:
তুমি কিভাবে নিজেকে আলাদা করে তুলবে?

আজ আমরা জানব ১১ জন বিশ্ববরেণ্য মানুষের জীবনের গল্প থেকে — কীভাবে তারা নিজেদেরকে ব্র্যান্ডে রূপান্তর করেছে। আর শিখব, কীভাবে তুমিও পারো।

---

অধ্যায় ১: পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং কী? (২ মিনিট)

পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং মানে নিজের একটা পরিচিতি তৈরি করা, যার মাধ্যমে মানুষ তোমাকে মনে রাখে।
এটা এমন এক শক্তি, যা বলে দেয়:
তুমি কে, কী নিয়ে দাঁড়াও, আর কাদের জন্য কাজ করো।

> "Everyone has a personal brand by default. The only question is—are you shaping it consciously?"

আজকের দুনিয়ায় তোমার পার্সোনাল ব্র্যান্ডই তোমার সুযোগ তৈরি করবে—চাকরি, ব্যবসা, সম্পর্ক, ইমপ্যাক্ট।

---

অধ্যায় ২: কিংবদন্তিদের গল্প – ১১টি অনুপ্রেরণা (১৩–১৪ মিনিট)

১. Elon Musk – The Impossible Believer

দক্ষিণ আফ্রিকার এক ছেলেকে স্কুলে বুলিং করা হতো। তার আশ্রয় ছিল বই।
একদিন তিনি ভাবলেন: “আমি কীভাবে ভবিষ্যৎ বদলাতে পারি?”
সেই চিন্তা থেকেই জন্ম Tesla, SpaceX, আর Neuralink-এর।
তার পার্সোনাল ব্র্যান্ড দাঁড়িয়ে আছে — ভবিষ্যৎ নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি, সাহস, ও ভিন্নতা নিয়ে কাজ করার উপর।

> “I could either watch it happen or be a part of it.” — Elon Musk

---

২. Jack Ma – Never Say Never

চীনের এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম।
১০ বার Harvard তে আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত।
KFC-তেও চাকরি পাননি।
কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি।
একদিন, ইন্টারনেটের ক্ষমতা বুঝে শুরু করলেন Alibaba।
আজ বিশ্বজুড়ে তাকে চেনে উদ্যম আর দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবে।

> “Today is hard, tomorrow will be worse, but the day after tomorrow will be sunshine.” — Jack Ma

---

৩. Mark Zuckerberg – The Relentless Coder

Facebook শুরু হয়েছিল হার্ভার্ডের একটি ছাত্রাবাসের ঘরে।
মার্ক চেয়েছিলেন মানুষে মানুষে সংযোগ হোক — প্রযুক্তির মাধ্যমে।
তার ব্র্যান্ড দাঁড়িয়েছে প্রযুক্তি, সরলতা ও গ্লোবাল ভিশনের উপর।

> “Move fast and break things.” — Mark Zuckerberg

---

৪. Oprah Winfrey – The Power of Vulnerability

Oprah’র ছোটবেলা ছিল দারিদ্র্য, নির্যাতন আর কষ্টে ভরা।
কিন্তু সেই কষ্টকে তিনি রূপান্তর করেছেন মানুষের সাথে সংযোগে।
Oprah তার টক-শোতে লাখো মানুষের গল্প শুনিয়েছেন, অনুভব ভাগ করেছেন।
তার পার্সোনাল ব্র্যান্ড গড়ে উঠেছে — মানবিকতা, সত্য, ও অনুভূতির শক্তি দিয়ে।

> “Let excellence be your brand.” — Oprah Winfrey

---

৫. Satya Nadella – The Gentle Transformer

Microsoft যখন তার ধার হারাচ্ছিল, তখন দায়িত্ব নেন Satya।
তিনি ভেতর থেকে কোম্পানির সংস্কৃতি বদলান — সহানুভূতির মাধ্যমে।
তিনি শিখিয়েছেন: নেতৃত্ব মানে কেবল লক্ষ্য অর্জন নয়, মানুষের অন্তর ছোঁয়া।

> “Empathy makes you a better innovator.” — Satya Nadella

---

৬. Serena Williams – Power in Pain

একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে টেনিস কোর্টে দাঁড়ানো মানেই ছিল প্রতিবন্ধকতা।
তবে Serena কখনও থামেননি।
২৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতে প্রমাণ করেছেন — মানসিক শক্তিই আসল অস্ত্র।

> “A champion is defined not by their wins but how they recover.” — Serena Williams

---

৭. Michelle Obama – The Elegant Voice

শিকাগোর এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম।
কিন্তু শিক্ষা, মেধা ও অনুপ্রেরণায় তিনি হয়ে উঠলেন প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান First Lady।
তার লেখা ‘Becoming’ মিলিয়নের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে।
তার ব্র্যান্ড: মর্যাদা, দয়া, ও নারীর শক্তির প্রতীক।

> “When they go low, we go high.” — Michelle Obama

---

৮. Richard Branson – The Fearless Rebel

Dyslexia-তে ভুগেছেন, স্কুল ঠিকভাবে শেষ করতে পারেননি।
কিন্তু বিশ্বাস ছিল নিজের উপর।
Virgin Airlines, Virgin Music– সবই তার সাহস আর অন্যরকম চিন্তার ফসল।

> “Screw it, let’s do it.” — Richard Branson

---

৯. Tony Robbins – The Voice of Change

অভাব, পারিবারিক সমস্যা, ছিন্নভিন্ন শৈশব।
কিন্তু আজ সে বিশ্বখ্যাত মোটিভেশনাল স্পিকার।
তার কণ্ঠের প্রতিটি শব্দ মানুষকে দগ্ধ করে পরিবর্তনে।
Tony’র ব্র্যান্ড হলো – শক্তি, সাহস আর আত্মরূপান্তরের বার্তা।

> “The only limit to your impact is your imagination and commitment.” — Tony Robbins

---

১০. Sheryl Sandberg – Calm Power

Facebook-এর COO হিসাবে, Sheryl নেতৃত্বে নারীর উপস্থিতিকে সামনে এনেছেন।
স্বামীকে হঠাৎ হারানোর পরেও তিনি দাঁড়িয়ে থেকেছেন দৃঢ়চিত্তে।
তার বই Lean In একটি আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

> “Leadership is about making others better as a result of your presence.” — Sheryl Sandberg

---

১১. Gary Vaynerchuk – The Honest Hustler

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে, Gary Vee নিজের বাস্তবতা আর শ্রম দিয়ে অন্যদের ছুঁয়েছেন।
তিনি বলেন, "কোনো কিছু বানাতে হবে না, শুধু নিজের যাত্রা ডকুমেন্ট করো।"
তার ব্র্যান্ড: কাজের প্রতি নিষ্ঠা, সত্যবাদিতা ও প্যাশন।

> “Legacy is greater than currency.” — Gary Vee

---

অধ্যায় ৩: পার্সোনাল ব্র্যান্ড গড়ার ৫টি ধাপ (৫ মিনিট)

✅ ধাপ ১: আত্ম-অন্বেষণ

– আমি কে? আমি কী ভালোবাসি?
– আমার ‘WHY’ কী?

✅ ধাপ ২: বার্তা তৈরি করো

– “আমি চাই মানুষ আমাকে কীভাবে মনে রাখুক?”
– একটি tagline তৈরি করো। যেমন: “Helping people grow through storytelling.”

✅ ধাপ ৩: ডিজিটাল পরিচয় গড়ে তুলো

– LinkedIn, Facebook, Instagram, YouTube—সর্বত্র যেন তোমার বার্তা সুনির্দিষ্ট হয়।
– Google-এ নিজের নাম লিখে দেখো, কী উঠে আসে?

✅ ধাপ ৪: গল্প বলো, কনটেন্ট দাও

– মানুষ গল্প ভালোবাসে।
– ব্যর্থতা, শিক্ষা, স্বপ্ন—সব শেয়ার করো।

> “Content builds relationships. Relationships build trust. Trust drives revenue.” — Andrew Davis

✅ ধাপ ৫: সংযোগ তৈরি করো

– Connect → Collaborate → Contribute
– নিজের কমিউনিটির জন্য কিছু করো। মানুষ মনে রাখবে।

---

> “Be yourself. Everyone else is already taken.” — Oscar Wilde

তুমি নিজেই একটা ব্র্যান্ড—তোমার গল্প, তোমার কণ্ঠস্বর, তোমার উপস্থিতি।

🔖 আজই শুরু করো এই ৩টি কাজ:

1. তোমার জীবনের একটা 'turning point' গল্প লিখো

2. একটি tagline তৈরি করো

3. আগামী ৭ দিনের মধ্যে অন্তত ১টি কনটেন্ট পোস্ট করো (ভিডিও, পোস্ট, রিল যা পারো)

---

শেষ কথা 🌟

> “নিজেকে জানো, নিজের গল্প বলো, কারণ পৃথিবীতে তুমি একটাই।”

---

🎉 ধন্যবাদ! তুমি এখন নিজের যাত্রা শুরু করছো — একজন ব্র্যান্ড হিসেবে।
তোমার গল্প কাউকে না কাউকে বদলে দেবে, যদি তুমি সাহস করো বলার। ❤️

-

12/06/2025

লিওনার্দো দা ভিঞ্চি একবার লিখেছিলেন, "হাতি ন্যায়বিচার, বিচক্ষণতা এবং ভারসাম্যের প্রতিনিধিত্ব করে।"
যখন একটি হাতিকে এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে বিমানে ভ্রমণ করতে হয়—উদাহরণস্বরূপ, ভারত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তখন তার খাঁচা শিকল বা শক্তিশালী দণ্ড দিয়ে বাঁধা থাকে না। হাতির চারিপাশে ছোট ছোট ছানা দিয়ে ভরা থাকে।🐣

এটি শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবে এটাই সত্যি। প্রকৃতির এই দৈত্য ছোট প্রাণীটির ক্ষতি করতে ভয় পায়। এবং এটি কোনও ছোটখাটো ভয় নয়। এটি তার মতোই বড়। পুরো ভ্রমণ জুড়ে, সে স্থির থাকে, যাতে তার চারপাশে থাকা ক্ষুদ্র প্রাণীদের মধ্যে একটিকেও আঘাত না করে। এভাবে, অজান্তেই হাতি বিমানের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে এবং আমাদের তার মহৎ চরিত্রের প্রথম স্বাদ দেয়🐘✨

এই মনোভাব দেখে আগ্রহী হয়ে, বিজ্ঞানীরা আরও গভীরভাবে দেখার সিদ্ধান্ত নেন। তারা তাদের মস্তিষ্ক বিশ্লেষণ করে কিছু আশ্চর্যজনক জিনিস আবিষ্কার করেছেন। ফিউসিফর্ম নিউরন নামে একপ্রকার কোষ যা খুব কম প্রাণীরই থাকে। হাতির মধ্যে এই কোষ রয়েছে যার কারণে তারা সহানুভূতি, আত্ম-সচেতনতা এবং সামাজিক বোধগম্যতার সাথে সম্পর্কিত।

অথচ এই একই কোষ মানুষের মধ্যেও রয়েছে। কিন্তু আজকাল মানুষ জানেই না সহানুভূতি, আত্ম-সচেতনতা এবং সামাজিক বোধগম্যতা কি জিনিস।❤️

12/06/2025

হ্যালো বিসিএস প্রার্থীগণ...
♦️৪৯তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখ প্রকাশ, ছয়টির সূচি ঘোষণা করেছে পিএসসি।

♦️৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারী ১৯ সেপ্টেম্বর, ফল প্রকাশ ২৮ সেপ্টেম্বর। লিখিত পরীক্ষা ২৭ নভেম্বর শুরু হবে।

♦️৪৯তম বিসিএসের ১ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি জারি ও অনলাইনে আবেদন শুরু হবে। ৩০ নভেম্বর শেষ হবে আবেদন।

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


সোনাডাঙ্গা বাইপাস
Khulna