Torun Kotha

Torun Kotha

Share

During adolescence, teenagers make many mistakes without realising it. "Torun Kotha" aims to shape.

28/02/2023

"Educate the children and it won't be necessary to punish the men."

-PYTHAGORAS

21/07/2022

Happy Birthday to our team leader Islam
Many many happy returns of the day❤️ " Hope all your birthday wishes and dreams come true.”❤️❤️❤️

09/07/2022

On the joyful day of Eid-ul-Adha, may Allah fill your life with happiness, peace and prosperity. May Allah fill your heart with love, your soul with spiritual, your mind with wisdom.
Eid Mubarak!


09/07/2022

It's the birthday of Avrajit Dey Arnab one of the Co-founders of Torun Kotha.
On this special day, Torun Kotha team wish him a very Happy Birthday. May Almighty bless him and fulfill all his good wishes.

02/05/2022

তরুণ কথা পরিবারের পক্ষ থেকে আপনি ও আপনার পরিবারের সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। ঈদ মুবারক।

Torun Kotha wishes you and your family on the gracious occasion of Eid-ul-Fitr. Eid Mubarak.

30/04/2022

It's the birthday of Khadiza Tul Coubra one of the Co-founders of Torun Kotha.
On this special day, Torun Kotha team wish her a very Happy Birthday. May Almighty bless her and fulfill all her good wishes.

26/02/2022

কিশোর কিশোরীর মানসিক স্বাস্থ্যর ব্যাপারে আপনি জানেন কি?

ফারিহা এবং প্রাপ্তি দু’জন সমবয়সী এবং তারা দুজনেই ভালো বান্ধবী। ফারিহা এবং প্রাপ্তি সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী। এই করোনা মহামারীতে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের জীবনধারণে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। তারা দু’জনই তাদের বাসার ছাদে ফোন হাতে নিয়ে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে কোন একটা ভিডিও দেখছে। হঠাৎ তাদের প্রিয় শিক্ষিকা দু’জন কে খুজে পেল ছাদের কোণায়। তাদের শিক্ষিকার হঠাৎ চলে আসাতে তারা দুজনেই বেশ চমকে উঠল।

শিক্ষিকা বললেন, কি করছো তোমরা? তারা দুজনেই প্রতিউত্তরে বলে উঠল, আমরা ফেইসবুকে টিকটক ভিডিও দেখছিলাম।শিক্ষিকা বেশ হতাশ হলেন কিন্ত সেটা মুখে প্রকাশ করলেন না। তিনি বেশ চমৎকার প্রশ্ন করে বসলেন ফারিহা এবং প্রাপ্তি-কে, তিনি বললেন, “করোনা পূর্ববর্তী সময়ে তোমাদের দু’জনের সময় কেমন কাটত?” প্রাপ্তি বললো, “করোনা পূর্ববর্তী সময়ে প্রতিদিন স্কুলে যেতাম, গল্পের বই পড়তাম, নাচ শিখতে যেতাম, ড্রয়িং করতাম।” অন্যদিকে ফারিহা বললো, “আমি করোনার পূর্বে স্কুলে যাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন এক্সারসাইজ করতাম, ছবি আঁকতাম, ফেইসবুক ব্যবহার করতাম,আম্মুকে বাসার কাজে সময় দিতাম।” শিক্ষিকা মনোযোগ দিয়ে কথা শুনলেন এবং বললেন, “তোমরা কি তোমাদের পরিবর্তনটা বুঝতে পেরেছ?” দু’জন কেই বেশ চিন্তিত দেখাল।
পরবর্তীতে শিক্ষিকা তাদের দু’জনের-ই বাবা মায়ের সাথে কথা বললেন। এবং তাদের উভয়েরই বাবা-মা বেশ হতাশ ভঙ্গিতে বললেন, ওদের নিয়ে আমরা ভীষণ চিন্তিত। কারণ ওরা আগের তুলনায় অনেক বেশি অমনোযোগী হয়ে পড়েছে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে গেছে, ফোনের প্রতি আসক্তি বেড়ে গেছে, বন্ধুদের সাথে সামাজিক যোগাযোগ বেড়েছে, পিতা মাতার প্রতি অসম্মান এবং ক্ষিপ্রতা বেড়ে গিয়েছে ইত্যাদি।

উপরের প্রেক্ষাপট জানান দিচ্ছে যে, আমরা করোনা মহামারী চলাকালীন সময়ের মানসিক অবস্থার রূপরেখা তুলে ধরতে চাইছি।
আমাদের শরীরের কোন অংশ কেটে গেলে আমরা অতি ব্যস্ত হয়ে পড়ি সেটা উপশমের জন্য। কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য হল কোন মানুষের এমন একটি অবস্থা যেটা প্রকাশ করা যায় না, অনুভব করা যায় মাত্র। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা অনেক বেশি পিছিয়ে আছি অথবা মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়টির সাথে পরিচিত হলেও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার প্রতি যেন আমাদের উদাসীনতা রয়েই যায়!

আসুন জেনে নেওয়া যাক যেভাবে আপনি বুঝতে পারবেন আপনি মানসিকভাবে বিষণ্ণঃ
মানসিকভাবে বিষণ্ণ ব্যাক্তির শারীরিক এবং মানসিক উভয় সমস্যা হতে পারে। এগুলো নির্দিষ্ট কোন সমস্যা নয় যেন একেকটি প্যারামিটার। যেমন:
কমপক্ষে দুই সপ্তাহের বেশিরভাগ সময় জুড়ে মন খারাপ থাকা।
হঠাৎ রেগে যাওয়া।
মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া ।
ক্ষুধা কম বা বেশি লাগা।
নিজেকে অপরাধী বা ছোট ভাবা।
হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া।
নিজেকে গুটিয়ে রাখা বা সবসময় একা একা থাকতে চাওয়ার প্রবণতা।

শারীরিক লক্ষণ গুলোর মধ্যে
মাথাব্যথা
মাথায় অস্বস্তি
শরীর, হাত-পা জ্বালা করা
বুকে ব্যথা বা বুক জ্বালা করা
হঠাৎ মাত্রাতিরিক্ত চুল পড়া
মেয়েদের পিরিয়ড সাইকেল পরিবর্তন হওয়া ইত্যাদি।

তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে আমরা এই মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে পারি?

নিজের যত্ন নিন

“নিজের যত্ন নিন” খুবই সাধারণ একটি কথা। কিন্তু বলুন তো আপনি কি আপনার নিজের যত্ন নিন? যত্ন নিয়ে থাকলে সেটা কিভাবে নিন? প্রশ্ন করুন নিজেকে, ভাবুন। প্রতিদিন খুব সামান্য সামান্য কাজের মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের যত্ন নিয়ে হয়ে উঠতে পারেন প্রফুল্ল মনের অধিকারী। যেমন ধরুন
গোসল করা
নখ কাটা
সুন্দর পোশাক পরিধান করা
পুষ্টিকর খাবার খাওয়া
নিজেকে পরিপাটিভাবে উপস্থাপন করা ইত্যাদি।

নিজেকে সময় দিন
ভেবে দেখুন তো নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নে আপনি নিজেকে সময় দিচ্ছেন কিনা? নিজেকে সময় দেওয়া বলতে নিজের সাথে কিছুটা সময় কাটানো যেমন হতে পারে, আপনি সুন্দর কিছু গান শুনছেন, সুন্দর একটি বই পড়ছেন, ডায়েরী লিখছেন, নিজের সাথে নিজে গল্প করছেন, গলা ছেড়ে মনের আনন্দে গান গাইছেন, নাচছেন ইত্যাদি। আমাদের জীবনযাত্রার এই বেড়াজালে কত কত অনূভুতি আমরা বয়ে নিয়ে বেড়াই! কখনো বা খুব রাগ হচ্ছে, কান্না পাচ্ছে, ক্ষোভ জন্মাচ্ছে বা কখনো খুব আনন্দ হচ্ছে। আমরা আমাদের খারাপ অনুভূতিগুলো কমানোর জন্য সকল খারাপ অনুভূতি একটি কাগজে লিখে ফেলতে পারি। অতঃপর সেটা টুকরো টুকরো করে ছিড়ে ফেলতে পারি বা পুড়িয়ে ফেলতে পারি। এতে আমাদের খারাপ অনূভুতিগুলো অনেকাংশে কমে যাবে। খারাপ অনূভুতিগুলো প্রকাশ করুন। কান্না পেলে মন খুলে কেঁদে ফেলুন। ক্ষোভ প্রকাশ করুন। অতঃপর আপনি হালকা অনুভব করুন।

ভ্রমণ করুন

আপনার মন খারাপ? তাহলে আর দেরি কেন? এখনই ব্যাগ গুছিয়ে নিন। বেড়িয়ে পড়ুন প্রকৃতির সাথে মিশে যেতে। প্রকৃতি আমাদের দেহ এবং মনকে শান্ত করে এবং বাড়িয়ে তোলে মনোযোগ এবং সতেজতা। নিয়মিত ভ্রমণ করুন। তাহলেই আপনার বিষণ্ণতা কেটে যাবে।

মেডিটেশন করুন

ধ্যান বা মেডিটেশন আপনার মন কে শুধু শান্ত-ই করে না বরং আপনার মস্তিষ্কের হরমোন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং আপনার দেহ কে করে তোলে সতেজ ও সজীব। আপনার মনোযোগ বৃদ্ধিতে রাখে অসামান্য অবদান। বিষণ্ণ হয়ে না থেকে মনোযোগ বাড়িয়ে তুলুন আপনার দেহ ও মনের প্রতি।
তরুণ তরুণীর প্রতি পিতামাতার করণীয়
সন্তানের কথার প্রতি মনোযোগী হয়ে উঠুন
অনূভূতিতে আঘাত করবেন না
সৃষ্টিশীল কাজের মধ্য নিয়োজিত রাখুন
সঠিক সিদ্ধান্ত নিন
মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন

আপনার সমস্যা অধিক গুরুতর হলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন এবং সেবা নিন। সুস্থ দেহ, সুন্দর মন গড়ে তুলুন।

16/02/2022

রীতি এবং ইতি দুজন বেশ ভালো বন্ধু। তারা দুজন-ই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থী। তারা দুজন গল্প করছে বড় একটা লেকের পাশে বসে। রীতি কথা বলছে অনেক বেশি হতাশা নিয়ে যেন তার হাত কেপে উঠছে, তার শরীর দুর্বল লাগছে, তার নিজেকে ভীষণ একাকী অনুভূত হচ্ছে, মনে হচ্ছে তার জীবনের আর কোন আশা ই রইল না৷ তার ধারণা সে হয়ত ভালো কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্থান করে নিতে পারবে না।
রীতির এমন আচরণে ইতি যেন একটু বেশ নড়েচড়ে বসল। ইতি আত্নবিশ্বাস এর সাথে তার সুন্দর দেহভঙ্গির মাধ্যমে বলে উঠলো "আমি করি কারণ আমি পারি, আমি পারি কারণ আমি পারতে চাই"। ইতির এমন সুন্দর কথায় রীতি কিছুটা আশ্বস্ত বোধ করল। এতক্ষণে আমরা বুঝতে পারছি আমাদের আজকের কন্টেন্ট সফলতার সাথে আত্নবিশ্বাসকে ঘিরে। দু’টি চরিত্রের মধ্যে আমরা খুব সহজেই পার্থক্য তৈরি করতে পারি তাদের দু'জনের আত্নবিশ্বাস এর মাপকাঠি দিয়ে। রীতির মধ্যে যথেষ্ট আত্নবিশ্বাস এর অভাব রয়েছে, অপরদিকে ইতি যথেষ্ট আত্নবিশ্বাসী এবং ইতিবাচক।
খুব স্বাভাবিক ভাবে আমাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, আত্মবিশ্বাস কী? আত্মবিশ্বাস হচ্ছে নিজের প্রতি, নিজের কাজের প্রতি, নিজের সামর্থ্য এর প্রতি বিশ্বাস। যেটা আমাদের মনে শক্তি যোগায়, যেটা আমাদের লক্ষ্য কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে, আমাদের কে অনুপ্রেরিত করে পথ চলতে, পথ চলার বাধা অতিক্রম করতে।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে আত্নবিশ্বাসী ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য গুলো কি কি?
প্রথমত, আত্মবিশ্বাসী ব্যাক্তির থাকে নিজের কাজের প্রতি, সামর্থ্যের প্রতি, লক্ষ্য অর্জনের প্রতি, মনোবলের প্রতি বিশ্বাস।
দ্বিতীয়ত, আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তির রয়েছে অন্যদের প্রভাবিত করার মত শরীরী ভাষা।
তৃতীয়ত, আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তি হাসিমাখা মুখে সবসময় ইতিবাচক মনোভাব রাখেন।
চতুর্থত, তারা অন্যর মনে ব্যথা দেন না। এছাড়াও আত্নবিশ্বাসী ব্যক্তির বৈশিষ্ট্যর মধ্যে রয়েছে যোগাযোগের অসাধারণ ক্ষমতা, অন্যকে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা এবং হাসিমুখে প্রশংসা ও সমালোচনা মেনে নেওয়ার ক্ষমতা।
আত্মবিশ্বাস এর প্রয়োজন কেন?
আত্মবিশ্বাস হলো মানসিক শক্তির উৎস। সফলদের গল্প পড়লে বোঝা যায় তারা সকলেই যথেষ্ট আত্নবিশ্বাসী ছিলেন। বিল গেটস, ওয়ারেন বাফেট, ইলন মাস্ক, স্টিভ জবস, মার্ক জাকারবার্গ এর নাম কেই বা না জানে! আমাদের ব্রেনের বিষ্ময়কর ক্ষমতা কারো ই অজানা নয়। আমাদের ব্রেনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে আমাদের অবচেতন মন। যখন আপনার অবচেতন মন বলে, তুমি পারবে তখন আমাদের ব্রেইন আমাদের দেহে এমন কিছু হরমোন নিঃসরণ ঘটায়, যেটা আমাদের আত্নশক্তি বাড়িয়ে দেয়। আমাদের মানসিক শক্তি আমাদের সফলতার দুয়ার খুলে দেয়। কিন্ত যখন-ই আমরা আমাদের আত্নবিশ্বাস হারিয়ে ফেলি তখন ই আমাদের মাঝে দেখা দেয় হতাশা। হতাশা আমাদের মাঝে সৃষ্টি করে আশাহীনতা, দুর্বলতা, একাকীত্ব। অনেকটা যেন আমরা প্রতিযোগিতায় নামার পূর্বেই হেরে যায়। আত্নবিশ্বাস হলো আমাদের জীবনের সাফল্যের পূর্বশর্ত! এটি আমাদের জীবনের অনেক বড় সম্পদ। কোনো ব্যাক্তি একদিনে এটি অর্জন করতে পারেনা বরং আমাদের কে ধীরে ধীরে এই দক্ষতা অর্জন করতে হয়।
আত্নবিশ্বাস এর সাথে সফলতার কয়েকটি চমৎকার দৃষ্টান্তঃ

হাজার বছর ধরে দৌড়বিদরা ৪ মিনিটে এক মাইল দৌড়ানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এটা অসম্ভব। আমাদের শারীরিক গঠনের জন্য ই এটা অসম্ভব। কিন্তু দুই হাজার বছর পর-ই ঘটল সে অলৌকিক ঘটনা, রজার ব্যানিস্টার প্রথম ৪ মিনিটে এক মাইল দৌড়ে রেকর্ড স্থাপন করার ৬ সপ্তাহের মধ্যেই জন ল্যান্ডি পুরো ২ সেকেন্ডের ব্যাবধানে পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ে তোলেন। এমন হাজারো দৃষ্টান্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। যারা বিত্তবান হয়েছেন তাদের ক'জন সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন? সকলেই এসেছেন সাধারণ অবস্থা থেকে এবং সকলেই সফল হয়েছেন নিজের আত্নবিশ্বাস এবং কর্মদ্বারা। সফল হতে কে না চাই???? এজন্য-ই তো বিশ্ববাজারে টিকে থাকার জন্য এত এত প্রতিযোগিতা। তাহলে চর্চা করুন সফল হওয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ আত্নবিশ্বাসী হওয়া!
পরিশেষে বলা যায় যে, জীবনের যে কোন প্রতিকূলতার সাথে লড়তে, হার মেনে না নিতে, নিজের আশা কে বাচিয়ে রাখতে, নিজের স্বপ্নকে বাস্তবরুপ দান করতে এবং সফল হতে আত্নবিশ্বাস এর ভূমিকা অপরিহার্য।

07/02/2022

শখ এর প্রয়োজনীয়তা - পর্ব ২

শখ এবং নেশা

শখের মোটামুটি সংজ্ঞা হচ্ছে, অবসর সময়ে আনন্দ লাভের জন্য যে কাজ করা হয়। তবে মজার বিষয় হচ্ছে একটা শখকে যখন আপনি আকড়ে ধরে থাকবেন তখন সেটা আর শখ থাকে না। বরং সেটা নেশায় রুপান্তরিত হয়।

ধরুন আপনার শখ হচ্ছে দাবা খেলা। খেলতে খেলতে একটা সময় আসবে যখন এই দাবা খেলাটা নেশায় পরিণত হবে। তখন দেখা যাবে যে, আপনি আপনার অবসর সময়ের বাইরেও দাবা খেলছেন। এবং দক্ষতা বৃদ্ধি পেতে পেতে আপনি একসময় গ্রান্ডমাস্টার বা ফিদে মাস্টার হয়ে যেতে পারেন। আপনি যেকোনো গ্রান্ডমাস্টার দাবাড়ুর সফলতা বিশ্লেষণ করলে দেখবেন তারাও একসময় শখ থেকেই শুরু করেছিলেন। কবিতা পড়ার শখ থেকেই কবিতা লেখার দক্ষতা এবং নেশা তৈরি হয়। শখ এমন একটি অস্ত্র যা দিয়ে আপনি অন্য দশজন থেকে আলাদা দক্ষতা এবং বৈশিষ্ট্য নিজের মধ্যে তৈরী করতে পারবেন।
তো সৃজনশীল বিষয়ে দক্ষতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে শখের কার্যকারিতা দারুণ এটা নিয়ে হয়তো কারো সন্দেহ নেই।
তো প্রশ্ন হচ্ছে ধূমপান করাটা কি শখের মধ্যে পড়বে?
উত্তর হচ্ছে ধূমপান ও কিন্তু শখের বশেই শুরু হয় এবং এটাও একটা পর্যায়ে নেশায় পরিণত হয়। তাহলে এক্ষেত্রে কোন সৃজনশীল বৈশিষ্ট্য প্রকট হয়? বা ধরুন মানুষকে ছোট করার শখ যদি কারো থাকে সেটাও কি ভবিষ্যতে ভালো কোনো সৃজনশীল বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করে?
এটা নিয়েই থাকছে পরের পর্ব "উপযুক্ত শখ খুজতে পারা" (চলবে)

26/01/2022

শখ এর প্রয়োজনীয়তা - পর্ব ১

শখ এমন কিছু যা অবসর সময়ে মজা এবং আনন্দের জন্য করা হয়।
আসলেই কী তাই? অনেকের কাছেই শখ হচ্ছে ছোটবেলায় মুখস্থ করা ইংরেজি প্যারাগ্রাফ (মাই হবি)। সেখানে লেখা থাকতো আমার শখ বাগান করা/ ডাকটিকেট সংগ্রহ করা। আমরা পরীক্ষার খাতায় তা লিখেও আসতাম। কিন্তু আসলেই আমাদের মধ্যে কতজন বাগান করতো, কতজনই বা ডাকটিকেটের খবর রাখতো! সত্যিকারের শখ খুজে বের করার শখটাই বা কজনের হয়!

শখ থাকাটা কতটা জরুরী?
শিশু বিকাশ বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক কারণে শিশুদের জন্য শখ গুরুত্বপূর্ণ। শখ বাচ্চাদের সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করে। শখ কিশোর-কিশোরীদের নতুন লোকেদের সাথে দেখা করার, নতুন আগ্রহের ক্ষেত্র আবিষ্কার করার, স্কুলের বাইরে দক্ষতা বিকাশ করার সুযোগ করে দেয়।
শখ স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এতো গুলো ব্যাচ, কোচিং-এর পরে মানসিক চাপ দূর করার জন্য কিশোর কিশোরীরা খুব সহজেই ভুল পথে পা দিয়ে ফেলে। সুস্থ বিনোদনের পথ না জানায় ধুমপান, কিশোর অপরাধ, যৌন হয়রানির মতো পথ বেছে নেয়। যার ফলে সুস্থ জগত থেকে অনেক দূরে চলে যায় তারা। শখ নিজেকে আরো ভালোভাবে জানতে সহায়তা করে, এমন জিনিসে নিজেকে দক্ষ করে তোলে যা নিজের একটি নতুন পরিচয়, যোগাযোগ সৃষ্টিতে অবদান রাখে। (চলবে)

-মুন্সী সানজিদ ইসলাম

Photos from Torun Kotha's post 23/01/2022

তরুণ কথা - একঝাঁক উদ্যমী তরুণ সৃষ্টির লক্ষ্যে

বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে কিশোর কিশোরীরা না বুঝে অনেক ভুল করে ফেলে। বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানষিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার ফলে এই ভুলগুলো অনেকাংশেই অবধারিত। কিন্তু কিশোর-কিশোরীরা কী বয়ঃসন্ধিকালীন এই সময়ে সঠিক নির্দেশনা পায়?
আমরা সকলেই গতানুগতিক যে ভুল করি সে ভুল গুলো ওরা আর না করুক। এগিয়ে যাক আরও বেশি উদ্যম এবং প্রত্যয় নিয়ে। আমাদের "তরুণ কথা" ঠিক সেই ভুল গুলোতে ভুল না হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে অনুপ্রেরণা, সাহস, ইতিবাচকতা এবং জীবন যুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার গতি। আমাদের প্রথম সেশন ছিল কুলটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ডুমুরিয়া, খুলনাতে।

তরুণ কথার আগামীর পথচলায় আপনাদের সকলের শুভকামনার প্রত্যাশায়।

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Khulna
9100