ধ্রুব স্যারের পদার্থ-রসায়ন-জীববিজ্ঞান ব্যাচ

ধ্রুব স্যারের পদার্থ-রসায়ন-জীববিজ্ঞান ব্যাচ

Share

Former Physical Science Teacher Sugondhi High School, Khulna

MSc,BSc in Chemistry(NU),
Graphic Design(LITC),
Web Development Program(KUET)
Freelancer, kdp writer(Amazon)
Lecturer, The Alchemist Lab
Former Physical Science Teacher, KM High School, Khulna.

03/06/2026

রাস্তায় চলার সময় আমরা প্রায়ই দেখি, কোনো মোটরসাইকেল যখন দ্রুতগতিতে একটি বাস বা ট্রাককে ওভারটেক করতে যায়, তখন হঠাৎ সেটি বাসের দিকে টেনে নেয় ।

অনেকেই মনে করেন এটি শুধুই চালকের ভুল। কিন্তু বাস্তবে এর পেছনে কাজ করে পদার্থবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি— বারনলির সূত্র (Bernoulli's Principle)।

বারনলির সূত্র কী বলে?

বারনলির সূত্র অনুযায়ী,

কোনো তরল বা গ্যাসের বেগ যত বেশি হয়, তার চাপ তত কম হয়।

অর্থাৎ, কোনো প্রবাহমান তরলের ক্ষেত্রে চাপ, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির যোগফল ধ্রুব থাকে।

বাস বা ট্রাকের পাশে কী ঘটে?

যখন একটি বড় বাস বা ট্রাক দ্রুতগতিতে চলতে থাকে, তখন তার পাশ দিয়ে বায়ুও দ্রুত প্রবাহিত হয়।

এবার যদি একটি মোটরসাইকেল খুব কাছ দিয়ে বাসটিকে ওভারটেক করতে যায়, তাহলে বাস ও মোটরসাইকেলের মাঝখানের সরু ফাঁক দিয়ে বায়ু আরও দ্রুত গতিতে প্রবাহিত হতে শুরু করে।

ফলে—

✅ মাঝের অংশে বায়ুর বেগ বেড়ে যায়।

✅ বারনলির সূত্র অনুযায়ী সেখানে চাপ কমে যায়।

✅ বাইকের বাইরের দিকে তুলনামূলক বেশি বায়ুচাপ থেকে যায়।

তখন কী ধরনের বল তৈরি হয়?

মোটরসাইকেলের এক পাশে থাকে উচ্চ চাপ, আর বাসের কাছের পাশে থাকে নিম্ন চাপ।

এই চাপের পার্থক্যের কারণে বাইকের উপর একটি পাশমুখী বল (Side Force) কাজ করে।

ফলাফল:

➡️ মোটরসাইকেল বাসের দিকে টেনে নেওয়া হয়।

➡️ চালক হঠাৎ ভারসাম্য হারাতে পারেন।

➡️ স্টিয়ারিং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

➡️ দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

শুধু বারনলির সূত্রই কি দায়ী?

না। বাস্তবে আরও কয়েকটি কারণ একসঙ্গে কাজ করে

🔹 বড় গাড়ির তৈরি টার্বুলেন্স (Turbulence)

🔹 বায়ুর ঘূর্ণি (Vortices)

🔹 রাস্তার কম্পন

🔹 মোটরসাইকেলের উচ্চ গতি

🔹 চালকের প্রতিক্রিয়ার বিলম্ব

তবে চাপের পার্থক্য সৃষ্টিতে বারনলির সূত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নিরাপদ থাকার জন্য কী করবেন?

✔ বাস বা ট্রাকের একেবারে গা ঘেঁষে ওভারটেক করবেন না।

✔ ওভারটেকের সময় পর্যাপ্ত পার্শ্বীয় দূরত্ব বজায় রাখুন।

✔ অতিরিক্ত গতিতে ওভারটেক করা এড়িয়ে চলুন।

✔ বাতাস বেশি থাকলে আরও সতর্ক থাকুন।

✔ বড় যানবাহনের পাশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করবেন না।

পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র শুধু পরীক্ষার খাতায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিদিনের জীবনের অসংখ্য ঘটনার ব্যাখ্যা লুকিয়ে আছে বিজ্ঞানের ভেতরে। বাস বা ট্রাকের পাশে মোটরসাইকেল হঠাৎ টেনে যাওয়ার ঘটনাও তারই একটি বাস্তব উদাহরণ।

বিজ্ঞান জানুন, কারণ একটি সূত্র কখনও কখনও একটি জীবনও বাঁচাতে পারে।

#পদার্থবিজ্ঞান #বারনলির_সূত্র #ধ্রুব_স্যারের_পদার্থবিজ্ঞান_ব্যাচ #বিজ্ঞান_হোক_সহজ

21/05/2026

তড়িৎচৌম্বক আবেশ (Electromagnetic Induction) হলো আধুনিক তড়িৎ প্রকৌশলের মূল ভিত্তি। যখন কোনো পরিবাহী তারের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন ঘটে, তখন ওই পরিবাহীতে একটি অস্থায়ী বিদ্যুৎ চালক শক্তি বা ভোল্টেজ উৎপন্ন হয়। এই নীতি আবিষ্কারের ফলেই আজ আমরা যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে এবং বিদ্যুৎ শক্তিকে পুনরায় যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারছি। নিচে ট্রান্সফরমার, মোটর এবং জেনারেটরের ক্ষেত্রে এই তড়িৎ আবেশ কীভাবে কাজ করে তা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হলো:

১. ট্রান্সফরমার (Transformer):
ট্রান্সফরমার মূলত পারস্পরিক আবেশ (Mutual Induction) নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। এতে দুটি কুণ্ডলী বা কয়েল থাকে একটি প্রাথমিক কুণ্ডলী (Primary Coil) এবং অন্যটি গৌণ কুণ্ডলী (Secondary Coil), যা একটি সাধারণ চৌম্বকীয় কোরের চারপাশে জড়ানো থাকে। যখন প্রাথমিক কুণ্ডলীতে অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) বা পরিবর্তিত বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়, তখন কোরের মধ্যে একটি পরিবর্তনশীল চৌম্বক ফ্লাক্স (Magnetic Flux) তৈরি হয়। এই পরিবর্তনশীল চৌম্বক ফ্লাক্সটি যখন গৌণ কুণ্ডলীকে ছেদ করে, তখন তড়িৎ আবেশের কারণে গৌণ কুণ্ডলীতে নতুন করে ভোল্টেজ বা বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এটি ভোল্টেজ বাড়াতে (Step-up) বা কমাতে (Step-down) সাহায্য করে।

২. ইলেকট্রিক মোটর (Electric Motor):
মোটরের কাজ হলো তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা। যখন মোটরের আর্মেচার কুণ্ডলীর (Armature Coil) মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয় এবং সেটিকে একটি স্থায়ী চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে রাখা হয়, তখন চৌম্বক ক্ষেত্র ও বিদ্যুৎ প্রবাহের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার কারণে একটি বল বা টর্ক (Torque) উৎপন্ন হয়। তড়িৎ আবেশের এই বলের কারণে মোটরের ভেতরের ঘূর্ণনশীল অংশ বা রোটরটি (Rotor) ঘুরতে শুরু করে। এই ঘূর্ণন গতিকে কাজে লাগিয়ে ফ্যান, পাম্প বা বিভিন্ন যান্ত্রিক কলকব্জা চালানো হয়।

৩. জেনারেটর (Generator):
জেনারেটর মোটরের ঠিক বিপরীত কাজ করে, অর্থাৎ এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। জেনারেটরের ভেতরে যখন কোনো বাহ্যিক শক্তি (যেমন: উইন্ড টারবাইন, জলবিদ্যুৎ বা ইঞ্জিন) দিয়ে আর্মেচার কুণ্ডলীকে শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে ঘোরানো হয়, তখন কুণ্ডলীর মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত চৌম্বক রেখার অনবরত পরিবর্তন ঘটতে থাকে। তড়িৎচৌম্বক আবেশের সূত্র অনুযায়ী, এই চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের ফলে কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ চালক শক্তির সৃষ্টি হয় এবং তারের মধ্য দিয়ে কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে শুরু করে, যা আমরা পরবর্তীতে ব্যবহার করি।

18/05/2026

ফুল এবং পরাগায়ন

18/05/2026

বৈদ্যুতিক মোটর ও জেনারেটর!
#বৈদ্যুতিকমোটরজেনারেটর
#মোটর #জেনারেটর #তড়িৎ #তড়িৎপ্রকৌশল

15/05/2026

তড়িৎচৌম্বক আবেশ (Electromagnetic Induction) হলো আধুনিক তড়িৎ প্রকৌশলের মূল ভিত্তি। যখন কোনো পরিবাহী তারের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন ঘটে, তখন ওই পরিবাহীতে একটি অস্থায়ী বিদ্যুৎ চালক শক্তি বা ভোল্টেজ উৎপন্ন হয়। এই নীতি আবিষ্কারের ফলেই আজ আমরা যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে এবং বিদ্যুৎ শক্তিকে পুনরায় যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারছি। নিচে ট্রান্সফরমার, মোটর এবং জেনারেটরের ক্ষেত্রে এই তড়িৎ আবেশ কীভাবে কাজ করে তা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হলো:

ট্রান্সফরমার (Transformer)
ট্রান্সফরমার মূলত পারস্পরিক আবেশ (Mutual Induction) নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। এতে দুটি কুণ্ডলী বা কয়েল থাকে—একটি প্রাথমিক কুণ্ডলী (Primary Coil) এবং অন্যটি গৌণ কুণ্ডলী (Secondary Coil), যা একটি সাধারণ চৌম্বকীয় কোরের চারপাশে জড়ানো থাকে। যখন প্রাথমিক কুণ্ডলীতে অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) বা পরিবর্তিত বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়, তখন কোরের মধ্যে একটি পরিবর্তনশীল চৌম্বক ফ্লাক্স (Magnetic Flux) তৈরি হয়। এই পরিবর্তনশীল চৌম্বক ফ্লাক্সটি যখন গৌণ কুণ্ডলীকে ছেদ করে, তখন তড়িৎ আবেশের কারণে গৌণ কুণ্ডলীতে নতুন করে ভোল্টেজ বা বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এটি ভোল্টেজ বাড়াতে (Step-up) বা কমাতে (Step-down) সাহায্য করে।

ইলেকট্রিক মোটর (Electric Motor)
মোটরের কাজ হলো তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা। যখন মোটরের আর্মেচার কুণ্ডলীর (Armature Coil) মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয় এবং সেটিকে একটি স্থায়ী চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে রাখা হয়, তখন চৌম্বক ক্ষেত্র ও বিদ্যুৎ প্রবাহের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার কারণে একটি বল বা টর্ক (Torque) উৎপন্ন হয়। তড়িৎ আবেশের এই বলের কারণে মোটরের ভেতরের ঘূর্ণনশীল অংশ বা রোটরটি (Rotor) ঘুরতে শুরু করে। এই ঘূর্ণন গতিকে কাজে লাগিয়ে ফ্যান, পাম্প বা বিভিন্ন যান্ত্রিক কলকব্জা চালানো হয়।

জেনারেটর (Generator)
জেনারেটর মোটরের ঠিক বিপরীত কাজ করে, অর্থাৎ এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। জেনারেটরের ভেতরে যখন কোনো বাহ্যিক শক্তি (যেমন: উইন্ড টারবাইন, জলবিদ্যুৎ বা ইঞ্জিন) দিয়ে আর্মেচার কুণ্ডলীকে শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে ঘোরানো হয়, তখন কুণ্ডলীর মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত চৌম্বক রেখার অনবরত পরিবর্তন ঘটতে থাকে। তড়িৎচৌম্বক আবেশের সূত্র অনুযায়ী, এই চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের ফলে কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ চালক শক্তির সৃষ্টি হয় এবং তারের মধ্য দিয়ে কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে শুরু করে, যা আমরা পরবর্তীতে ব্যবহার করি।

#তড়িৎচৌম্বক_আবেশ #পদার্থবিজ্ঞান #রসায়ন #বিজ্ঞান #তড়িৎ_আবেশ

#ট্রান্সফরমার #মোটর #জেনারেটর #তড়িৎ_চৌম্বক
#ধ্রুব_স্যারের_পদার্থবিজ্ঞান_ব্যাচ #ধ্রুব_স্যার #পদার্থবিজ্ঞান_ব্যাচ

14/05/2026

HSC 2027
#এইচএসসি২০২৭রুটিন

14/05/2026

SSC -2027 এর সম্ভাব্য খসড়া রুটিন।

14/05/2026

Na কেন সোডিয়াম, আর Au কেন সোনা?
পর্যায় সারণির লুকানো ইতিহাস!

স্কুলে পড়ার সময় অনেকেই ভেবেছে , Sodium এর প্রতীক Na কেন? Gold হলে তো G হওয়া উচিত ছিল! আবার Iron এর Fe, Silver এর Ag , এসব যেন ইচ্ছে করে কঠিন বানানো হয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এর পেছনে আছে হাজার বছরের পুরোনো ভাষা আর বিজ্ঞানের ইতিহাস।

একসময় পুরো ইউরোপে বিজ্ঞান, চিকিৎসা আর শিক্ষার প্রধান ভাষা ছিল ল্যাটিন। বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণা, বই আর সূত্র লিখতেন ল্যাটিনে, যাতে বিভিন্ন দেশের মানুষ একই ভাষায় জ্ঞান ভাগাভাগি করতে পারে। তখনই অনেক মৌলের নাম ল্যাটিন ভাষা থেকে নেওয়া হয়, আর সেই নামের সংক্ষিপ্ত রূপই আজকের প্রতীক হয়ে গেছে।

তাই Sodium এর আসল নাম ছিল Natrium, সেখান থেকে এসেছে Na। Iron এর ল্যাটিন নাম Ferrum, তাই Fe. Gold এর নাম ছিল Aurum, তাই Au
Silver এসেছে Argentum থেকে, তাই তার প্রতীক Ag
অর্থাৎ, পর্যায় সারণি শুধু রসায়নের তালিকা না -এটা আসলে ইতিহাস, ভাষা আর বিজ্ঞানের এক দুর্দান্ত মিশ্রণ।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, আজ পৃথিবীর ভাষা বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু এই প্রতীকগুলো বদলায়নি। কারণ বিজ্ঞান চায় একটাই ভাষা — যাতে জাপান, বাংলাদেশ, আমেরিকা বা জার্মানি… সবাই একই প্রতীক বুঝতে পারে। তাই Na আজও Na-ই রয়ে গেছে।

এখন বল তো কোন মৌলের প্রতীক দেখে তুমি সবচেয়ে বেশি অবাক হয়েছিলে?

#পর্যায়_সারণি #বাংলায়_বিজ্ঞান #রসায়ন

13/05/2026

আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া জিনিস আবার মাটিতেই ফিরে আসে কেন?

একটা আপেল, একটা পাথর কিংবা একটা বল— যা-ই উপরে ছুঁড়ে দাও না কেন, শেষ পর্যন্ত সেটা নিচেই পড়ে। এই সাধারণ ঘটনার পেছনেই লুকিয়ে আছে পদার্থবিজ্ঞানের দারুণ এক রহস্য — পড়ন্ত বস্তুর সূত্র।

প্রথমে মানুষ ভাবত ভারী বস্তু দ্রুত পড়ে আর হালকা বস্তু ধীরে পড়ে। কিন্তু ইতালীয় বিজ্ঞানী গ্যালিলিও পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন—

শূন্য মাধ্যমে সব বস্তু একই ত্বরণে পড়ে।

পরে বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন মহাকর্ষ বলের ব্যাখ্যা দেন। তিনি দেখান পৃথিবীর আকর্ষণ বলের কারণেই সব বস্তু নিচের দিকে পড়ে।

পড়ন্ত বস্তুর মূল ধারণা হলো—

কোনো বস্তু মুক্তভাবে পড়লে তার বেগ প্রতি সেকেন্ডে বাড়তে থাকে। পৃথিবীতে এই ত্বরণের মান প্রায়: 9.8 m/s²

অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে বস্তুর গতি ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড করে বৃদ্ধি পায়।

গুরুত্বপূর্ণ সূত্র:

= gt
h = ½gt²
= 2gh

এখানে,
v = শেষ বেগ
g = অভিকর্ষজ ত্বরণ
t = সময়
h = উচ্চতা

বাস্তব জীবনে এই সূত্রের ব্যবহার অনেক জায়গায় দেখা যায়—

রকেট বিজ্ঞান
প্যারাস্যুট ডিজাইন
খেলাধুলায় বলের গতি বিশ্লেষণ
ভবনের উচ্চতা নির্ণয়

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো,

চাঁদে অভিকর্ষ কম হওয়ায় সেখানে বস্তু ধীরে পড়ে!

পদার্থবিজ্ঞানের এই ছোট্ট সূত্রই আমাদের চারপাশের অসংখ্য ঘটনার ব্যাখ্যা দেয়। বিজ্ঞান আসলে প্রতিদিনের জীবনকেই নতুনভাবে বুঝতে শেখায়।

#পদার্থবিজ্ঞান #পড়ন্ত_বস্তুর_সূত্র

12/05/2026

এই হিসাবটা শুধু একটা রুমের লোড ক্যালকুলেশন না, এটা আসলে সেফ ও প্র্যাকটিক্যাল ইলেকট্রিক্যাল DB ডিজাইনের বেসিক ধারণা।

আমরা এখানে একটি সিঙ্গেল ফেজ 220V রুমের জন্য মোট লোড হিসাব করেছি, যেখানে ছিল:

২টি ৬০W বাতি

১টি ১২০W টিভি

১টি ১২০W ফ্রিজ

১টি ডেস্কটপ কম্পিউটার

২টি টু-পিন সকেট

২টি থ্রি-পিন সকেট

১টি ১ টন AC

সব মিলিয়ে মোট Connected Load হয়েছে: 3060W

তারপর Single Phase Current Formula ব্যবহার করেছি:

I = P/V.PF

যেখানে:

Power = 3060W

Voltage = 220V

Power Factor = 0.85

তাহলে Current আসে প্রায়:

# 16 Ampere

এখন এখানেই শেষ না।
বাস্তব ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইনে সবসময় Safety Margin রাখা হয়, কারণ:

AC starting current বেশি নেয়

Fridge compressor surge তৈরি করে

ভবিষ্যতে লোড বাড়তে পারে

এই কারণে Main Protection হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে:

# RCCB 25A / 30mA

এখানে:

25A = RCCB কত কারেন্ট নিরাপদে বহন করতে পারবে

30mA = কত Leakage হলে ট্রিপ করবে

30mA RCCB মানুষের শরীরকে Electric Shock থেকে সুরক্ষা দেয়।

এরপর আলাদা সার্কিটে MCB ভাগ করা হয়েছে:

6A → Lighting

16A → Socket

16A → AC Line

এভাবে সার্কিট ভাগ করলে:

Fault isolation সহজ হয়

পুরো ঘরের লাইন একসাথে trip করে না

Maintenance সহজ হয়

Wiring safer হয়

একটি ভালো DB ডিজাইনে অবশ্যই থাকতে হবে:

Proper Earthing

Neutral Bar

Earth Bar

Correct Wire Size

RCCB + MCB Coordination

এটাই একটি স্ট্যান্ডার্ড, সেফ ও প্র্যাকটিক্যাল Residential DB Calculation এর মূল ধারণা।
#ধ্রুব_স্যারের_ব্যাচ

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Front Of Model School, Jalil Saroni, Boyra , Beside Of Navy School's 2nd Gate, Mujgunni
Khulna
9000