The Holy Quran Institute

The Holy Quran Institute

Share

অর্থসহ সহীহ কুরআন, হাদীস, ইলমে ফিকহ, দো?

29/10/2024

🔷অডিও কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা🔷
ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতার ৮ম পর্বের ৩য় ইভেন্ট "অডিও তেলাওয়াত"
✅✅অংশগ্রহণের নিয়মাবলী✅✅
১, সুরা আলে ইমরানের ১০২-১০৫ নং আয়াত অডিও/ভিডিও রেকর্ড করে ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতার আইডির ইনবক্সে অথবা সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশন পেজের ইনবক্সে জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১০/১১/২৪ রোজ রবিবার।
২. অডিও/ভিডিও অবশ্যই নিজ কণ্ঠে হতে হবে।
৩.অডিও তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে ৫০/- দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন করার লিংক https://surveyheart.com/form/604dbc84fb3b7031673486e0
৪. নকল কণ্ঠ ও তথ্য প্রদান মিথ্যা প্রমাণিত হলে রেজিষ্ট্রেশন বাতিল বলে গন্য হবে।
৫. অডিও তেলাওয়াতের নাম্বার থাকবে ৩০
(সুর ১০, সহিহ ১০, লাহান ১০)
✅পুরষ্কার✅
১. তেলাওয়াতের নাম্বার ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতার ৮ম পর্বে যুক্ত হবে।
তবে শুধুমাত্র তেলাওয়াতের জন্য নিম্নের পুরস্কার প্রদান করা হবে।
🔷🔷১ম স্থান নগদ ২০০০/-
🔷২য় স্থান ১৫০০/-
🔷৩য় স্থান ১০০০/- পাবেন।
🔷১০ জন পাবেন বিশেষ সান্তনা পুরষ্কার।

✅✅আয়োজনেঃ সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
✅✅ঠিকানা: ৩২, শামসুর রহমান রোড, বাকি বিল্লাহ ভবন ২য় তলা, শান্তিধাম মোড়, খুলনা।
মোবাইল: ০১৯১৩-৩৩৩২৩১, ০১৭২৭-৩৩১৩৮৬

🔺🔺🔺দীর্ঘস্থায়ী সদাকায়ে শামিল হোন🔺🔺🔺
মসজিদ, মাদ্রাসা, কুরআন গবেষনা কেন্দ্র, ইসলামি লাইব্রেরী ও অডিটোরিয়াম পরিচালনায় ও ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে ৫ কাঠা জমি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। যার মূল্য ধরা হয়েছে ৫০ লক্ষ টাকা। জমি ক্রয়ে সহযোগিতা করে দীর্ঘস্থায়ী সদাকায়ে শামিল হোন।
দাতা সদস্যদের ক্যাটাগরি নিম্নরূপঃ
----------------------------------------------------------
১. Golden Lifetime Member: এককালীন ৫০,০০০/- টাকা বা ফাউন্ডেশনের জন্য কিছু জমি দান।
২. স্থায়ী দাতা সদস্যঃ এককালীন ১০,০০০/- টাকা অথবা প্রতিষ্ঠানের জন্য অস্থাবর সম্পত্তি।
৩. আজীবন দাতা সদস্যঃ বছরে ২,০০০/- টাকা।
৪. মাসিক/সাধারণ সদস্যঃ মাসিক যে যত টাকা পারে, কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই।
১-৩ নং সদস্যরাপ মাসিক দাতা সদস্য হতে পারবেন।
✅✅ বিনিত
ডাঃ হাফেজ মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুর।
চেয়ারম্যানঃ
সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশন
উদ্ভাবকঃ ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতা
✅✅সহযোগিতা করতে পারেন
✅ইসলামি ব্যাংক খুলনা কেডিএ শাখা
20503160201086802
রাউটিং নাম্বার: 125471406
✅Bikash+Nagad: 01913-333231

19/08/2024

সেই আল্লাহর শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তোমাদের কেউ প্রকৃত মু‘মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার পিতা ও সন্তানাদির চেয়ে অধিক ভালবাসার পাত্র হই।
সহীহ বুখারী

17/08/2024

তোমাদের কেউ প্রকৃত মু‘মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার মুসলমান ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে। সহীহ বুখারী

14/06/2024

ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগীতার ৮ম পর্বের বিজয়ীদের জন্য ৪০টি অর্থসহ কুরআন মাজিদ লাগবে। সামর্থ্যবানরা এগিয়ে আসলে কুরআন প্রচারের কাজে খুব সহযোগিতা হবে ইনশাআল্লাহ।

11/06/2024

🌷৮ম পর্বের ২৫ তম বা শেষ তাফসীর🌷
(( #সূরা_আলে_ইমরান ১২০-১২১ নং আয়াত))
✅কমেন্ট করার শেষঃ সময়-২৩/০৫/২০২৪ রাত ১২.০০ টা
(কমেন্টে থাকবে ৩ নাম্বার এবং লাইক, শেয়ার ও মেনশনে থাকবে ০.৩ নাম্বার)
♦️♦️আয়াত নাম্বার ১২০
اِنۡ تَمۡسَسۡکُمۡ حَسَنَۃٌ تَسُؤۡہُمۡ ۫ وَ اِنۡ تُصِبۡکُمۡ سَیِّئَۃٌ یَّفۡرَحُوۡا بِہَا ؕ وَ اِنۡ تَصۡبِرُوۡا وَ تَتَّقُوۡا لَا یَضُرُّکُمۡ کَیۡدُہُمۡ شَیۡـًٔا ؕ اِنَّ اللّٰہَ بِمَا یَعۡمَلُوۡنَ مُحِیۡطٌ ﴿۱۲۰﴾٪
যদি তোমাদেরকে কোন কল্যাণ স্পর্শ করে, তখন তাদের কষ্ট হয়। আর যদি তোমাদেরকে মন্দ স্পর্শ করে, তখন তারা তাতে খুশি হয়। আর যদি তোমরা ধৈর্য ধর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, তাহলে তাদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কিছু ক্ষতি করবে না। নিশ্চয় আল্লাহ তারা যা করে, তা পরিবেষ্টনকারী।

♦️♦️ব্যাখ্যাঃ
মুনাফিকরা যে তোমাদের চরম শত্রু তার বড় প্রমাণ হল এই যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে যখন তোমাদের কোন কল্যাণ সাধিত হয় তখন তারা অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হয়। আর যদি তোমাদের কোন ক্ষতি সাধিত হয় তখন তারা তাতে আনন্দ লাভ করে। অর্থাৎ যখন আল্লাহ পাক মুমিনদেরকে সাহায্য করেন কিংবা তারা কাফিরদের উপর বিজয় লাভ করতঃ যুদ্ধলব্ধ দ্রব্য প্রাপ্ত হয় তখন ঐ মুনাফিকরা অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হয়। আর যখন মুমিনগণ পরাজয় বরণ করে তখন তারা কাফিরদের সাথে মিলিত হয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। এখন মহান আল্লাহ মুমিনদেরকে সম্বোধন করে বলেন‘হে মুমিনগণ! যদি তোমরা তাদের দুষ্টামি হতে মুক্তি পেতে চাও তবে ধৈর্যধারণ কর, সংযমী হও এবং তাদের উপর নির্ভরতা কমিয়ে আমার উপর নির্ভর কর, আমি তোমাদের শত্রুদেরকে ঘিরে নেবো। কোন মঙ্গল লাভ করা এবং কোন অমঙ্গল হতে রক্ষা পাওয়ার ক্ষমতা কারও নেই। আল্লাহ তা'আলা যা চান তাই হয় এবং যা চান না তা হতে পারে না। তোমরা যদি আল্লাহর উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর কর তবে তিনিই তোমাদের জন্যে যথেষ্ট।'
এ মুনাফিকরা মুসলমানদের উন্নতি দেখে হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরলেও আল্লাহ তা'আলা ইসলাম ও মুসলমানদের উন্নতি সাধন করতেই থাকবেন। মুসলমানরা সর্বদিক দিয়ে বেড়েই চলবে, যদিও মুশরিক ও মুনাফিকরা হিংসা ও ক্রোধে জ্বলে পুড়ে মরে যায়। আল্লাহ পাক তাদের অন্তরের কথা খুব ভাল করেই জানেন। তাদের সমুদয় ষড়যন্ত্রের উপর মাটি পড়ে যাবে এবং তারা তাদের জঘন্য কার্যে কৃতকার্য হবে না। তারা মুসলমানদের উন্নতি চায় না তথাপি মুসলমানেরা দিন দিন উন্নতি লাভ করতেই থাকবে এবং পরকালেও তাদেরকে সুখময় জান্নাতে দেখতে পাবে। পক্ষান্তরে এ মুশরিক ও মুনাফিকরা ইহজগতেও লাঞ্ছিত ও অপমানিত হবে এবং পরকালেও তারা জাহান্নামের জ্বালানিরূপে ব্যবহৃত হবে।
♦️♦️আয়াত নাম্বার ১২১
وَ اِذۡ غَدَوۡتَ مِنۡ اَہۡلِکَ تُبَوِّیٴُ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ مَقَاعِدَ لِلۡقِتَالِ ؕ وَ اللّٰہُ سَمِیۡعٌ عَلِیۡمٌ ﴿۱۲۱﴾ۙ
আর স্মরণ কর, যখন তুমি তোমার পরিবার পরিজন থেকে সকাল বেলায় বের হয়ে মুমিনদেরকে লড়াইয়ের স্থানসমূহে বিন্যস্ত করেছিলে; আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

♦️আয়াতের ব্যাখ্যাঃ
এখানে উহুদ যুদ্ধের ঘটনা বর্ণিত হচ্ছে। তবে কোন কোন মুফাসসির এটাকে পরীখার ঘটনাও বলেছেন। কিন্তু এটা উহুদ যুদ্ধের ঘটনা হওয়াই সঠিক কথা। উহুদের যুদ্ধ হিজরী তৃতীয় সনের ১১ই শাওয়াল রোজ শনিবার সংঘটিত হয়। বদরের যুদ্ধে মুশরিকরা পূর্ণভাবে পরাজিত হয়েছিল। তাদের কয়েকজন নেতৃস্থানীয় লোক সেই যুদ্ধে মারা যায়। তখন ওর প্রতিশোধ গ্রহণের জন্যে তারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে থাকে। ঐ সময়ের ব্যবসায়ের মাল যা বদরের যুদ্ধের সময় অন্য পথে রক্ষা পেয়েছিল ঐ সবগুলোই তারা এ যুদ্ধের জন্যেই নির্দিষ্ট করে রেখেছিলো। চুতর্দিক থেকে লোক সংগ্রহ করে তারা তিন হাজার সৈন্যের এক বিরাট সেনাবাহিনী গঠন করে পূর্ণ আসবাসপত্রসহ মদীনার উপর আক্রমণ করার প্রস্তুতি নেয়। এ দিকে রাসূলুল্লাহ (সঃ) জুমআর নামায শেষে হযরত মালিক ইবনে আমর (রাঃ)-এর জানাযার নামায পড়িয়ে দেন, তিনি ছিলেন বনী নাজ্জার গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর তিনি জনগণকে পরামর্শ গ্রহণ উদ্দেশ্যে বলেনঃ “এ আক্রমণ প্রতিহত করার সর্বোত্তম পন্থা তোমাদের নিকট কি আছে?” তখন আবদুল্লাহ ইবনে উবাই বলেনঃ “আমাদের মদীনার বাইরে যাওয়া উচিত নয়। যদি তারা এসে বাইরে অবস্থান করে তবে যেন জেলখানার মধ্যে পড়ে যাবে। আর যদি মদীনার ভেতরে প্রবেশ করে তবে একদিকে রয়েছে আমাদের বীর পুরুষদের তরবারীসমূহ এবং অপর দিকে রয়েছে আমাদের তীরন্দাজদের লক্ষ্যভ্রষ্টহীন তীরগুলো। আর যদি তারা এমনি ফিরে যায় তবে বিধ্বস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েই ফিরে যাবে।” কিন্তু তার মতের বিপরীত মত পেশ করেছিলন ঐ সাহাবীবৃন্দ যারা বদর যুদ্ধে যোগদান করতে পারেননি। তারা খুব জোর দিয়ে বলছিলেন যে, মদীনার বাইরে গিয়ে প্রাণ খুলে শত্রুদের মোকাবেলা করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সঃ) বাড়ী গমন করেন এবং অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেরিয়ে আসেন। তখন ঐ সাহাবীগণের ধারণা হয় যে, না জানি তারা হয়তো রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর ইচ্ছের বিপরীত মদীনার বাইরে গিয়ে যুদ্ধ করার জন্যে চাপ সৃষ্টি করেছেন। তাই তাঁরা বলেনঃ “হে আল্লাহ রাসূল (সঃ)! যদি এখানে থেকেই যুদ্ধ করা ভাল মনে করেন তবে তাই করুন, আমাদের পক্ষ হতে কোন হঠকারিতা নেই।' তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ নবী (সঃ)-এর জন্যে এটা শোভনীয় নয় যে, তিনি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হওয়ার পর তা খুলে ফেলবেন। এখন আমি আর ফিরে যেতে পারি না। যে পর্যন্ত আল্লাহ পাক যা চান তাই সংঘটিত না হয়। অতএব তিনি এক হাজার সৈন্য নিয়ে মদীনার বাইরে বেরিয়ে পড়েন। শাওত’ নামক স্থানে পৌঁছার পর ঐ মুনাফিক আবদুল্লাহ ইবনে উবাই বিশ্বাসঘাতকতা করতঃ তার তিনশ লোক নিয়ে ফিরে আসে। তারা বলে যে, যুদ্ধ যে হবে না এটা জানা কথা কাজেই অযথা কষ্ট করে লাভ কি? রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদের গ্রাহ্য না করে অবশিষ্ট সাতশ সাহাবীকে নিয়েই উহুদ পর্বত অভিমুখে রওয়ানা হন। পর্বতকে পিছনে করতঃ পর্বত উপত্যকায় তিনি সেনাবাহিনীকে নামিয়ে দেন এবং তাদের নির্দেশ দেন, আমি নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তোমরা যুদ্ধ শুরু করবে না।' পঞ্চাশজন তীরন্দাজ সাহাবীকে পৃথক করতঃ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রাঃ)-কে তাঁদের আমীর নিযুক্ত করেন এবং তাদেরকে বলেনঃ “তোমারা পাহাড়ের উপর উঠে যাও এবং এটা লক্ষ্য রাখ যে, শত্রুরা যেন পিছন দিক থেকে আসতে না পারে। জেনে রেখো, আমরা জয়যুক্ত হবো। (আল্লাহ না করেন) আমরা যদি পরাজিত হয়েই যাই তথাপিও তোমরা কখনও তোমাদের জায়গা থেকে সরবে না। এসব সুব্যবস্থা করার পর স্বয়ং তিনিও প্রস্তুত হয়ে যান। তিনি দুটি লৌহবর্ম পরিধান করেন। হযরত মুসআব ইবনে উমায়ের (রাঃ)-কে পতাকা প্রদান করেন। এদিন কয়েক জন। বালককেও রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সেনাবাহিনীর মধ্যে দেখা যায়। এ ক্ষুদে সৈনিকেরাও আল্লাহর পথে প্রাণ দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। অন্যান্য বালককে রাসূলুল্লাহ (সঃ) সঙ্গে নেননি। পরিখার যুদ্ধে তাদেরকে সেনাবাহিনীতে ভর্তি করা হয়েছিল। পরিখার যুদ্ধ উহুদ যুদ্ধের দু’বছর পরে সংঘটিত হয়েছিল। কুরাইশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত আঁকজমকের সাথে মোকাবেলায় এগিয়ে আসে। তাদের সৈন্য সংখ্য ছিল তিন হাজার। তাদের সঙ্গে দু’শটি সুসজ্জিত অশ্ব যেগুলো সময়ে কাজে আসতে পারে বলে সঙ্গে রাখা হয়েছিল। তাদের ডান অংশে ছিলেন খালিদ ইবনে ওয়ালিদ এবং বাম অংশে ছিলেন ইকরামা ইবনে আবূ জেহেল (এরা দু’জন পরে মুসলমান হয়েছিলেন)। তাদের পতাকা বাহক ছিল বানূ আবদুদ্দার গোত্র। মোটকথা এ আয়াতে ওরই বর্ণনা হচ্ছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) মদীনা হতে বের হয়ে সৈন্যগণকে যুদ্ধের যথাস্থানে নিযুক্ত করতে থাকেন। সৈন্যশ্রেণীর দক্ষিণ বাহু ও বাম বাহু নির্ধারণ করেন। এসব আলোচনা থেকে এটাই শিক্ষা যে, মু’মিনদের একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার ওপর ভরসাই করা উচিত। সংখ্যা কম হোক আর বেশি হোক আল্লাহ তা‘আলার ওপর ভরসা করে সামনে আগালে আল্লাহ তা‘আলা নিষ্কৃতির পথ বের করে দেবেন।

🌹🌹সংকলনে🌹🌹
ডাঃ হাফেজ মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুর
চেয়ারম্যান
সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
৩২,শামসুর রহমান রোড, শান্তিধাম মোড়, খুলনা
মোবাইলঃ ০১৯১৩-৩৩৩২৩১, ০১৭২৭-৩৩১৩৮৬

11/06/2024

🌹🌹বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম🌹🌹
কুরআন বুঝার বিকল্প মাধ্যম- #ফেসবুক_কুরআন_প্রতিযোগিতার
♦♦️৮ম পর্বের আজ ২৫তম প্রশ্ন♦♦️
🌳👉 কারা মুমিনদের কল্যাণে কষ্ট পায় আর অকল্যাণে খুশি হয়?? মুমিনদের বিরুদ্ধে তাদের ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচার উপায় কি?? 🌳

((( প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেতে চোখ রাখুন আমাদের পূর্বের তাফসীরগুলোতে )))
✅✅বিঃদ্রঃ প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে থাকবে ৩ নাম্বার, লাইক ও শেয়ারে থাকবে ০.৩ নাম্বার মোট= ৩.৩ নাম্বার

উত্তর দিতে হবে আগামি ১৫/০৬/২০২৪ তারিখ রাত ১২ টার মধ্যে ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতা আইডির কমেন্ট বক্সে ।
✳️✳️বিঃদ্রঃ ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতার গ্রুপের লিংক- https://www.facebook.com/groups/776724442477774/?ref=share&exp=e8c2
♦♦♦আয়োজনে♦♦♦
সোস্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
(কুরআনের শিক্ষা প্রচার ও প্রসার এবং আর্ত মানবতার সেবায় নিবেদিত)
৩২,শামসুর রহমান রোড, শান্তিধাম মোড়,খুলনা।
মোবাঃ ০১৯১৩-৩৩৩২৩১, ০১৭২৭-৩৩১৩৮৬

18/05/2024

খুব শীঘ্রই প্রকাশ হবে ৮ম পর্বের শেষ তাফসীর
ইনশাআল্লাহ।

18/05/2024

♦️🌹ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী🌹♦️
---------------------------------------------------------------
ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগীতা হলো কুরআন বুঝার বিকল্প মাধ্যম। প্রতি পর্বে ২৫টি তাফসীর ও ২৫টি প্রশ্ন, একটি আর্টিকেল ও অডিও তেলাওয়াত দেওয়া হয়।
♦️তাফসীর পর্বঃ প্রতি সপ্তাহে একটি তাফসীর দেওয়া হয় সেটা পড়ে কি বুঝবেন তার সারাংশ নিজের ভাষায় কমেন্ট বক্সে লিখতে হবে। আবার একটি তাফসীর শেষ হলে একটি প্রশ্ন দেওয়া হবে তখন ঐ প্রশ্নের উত্তর ঐ তাফসীর থেকে বের করে আনতে হবে।
এভাবে একটি পর্বে ২৫টি তাফসীর ও ২৫টি প্রশ্ন দেওয়া হবে যার সবগুলোতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
এভাবে তাফসীর ও প্রশ্ন পর্ব শেষ হলে বিষয় ভিত্তিক একটি আর্টিকেল দেওয়া হবে যা ২৫০০ শব্দের মধ্যে লিখতে হবে আর সর্বশেষ ৫টি আয়াত দেওয়া হবে যার অডিও তেলাওয়াত রেকর্ড করে ইনবক্সে পাঠাতে হবে।
👉👉শুরুতে করবেন যেভাবে-
প্রথম একটি পর্বের যে কোন তাফসীর বা প্রশ্নে অংশগ্রহণ করতে হবে এরপর নিজের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার ইনবক্সে জমা দিতে হবে। জমা দিলে একটি রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার দেওয়া হবে যে নাম্বার দিয়ে পরবর্তী সকল তাফসীর ও প্রশ্নে অংশগ্রহণ করতে হবে।
♦️♦️বিঃদ্রঃ একটি পর্বের কোন একটি তাফসীর বা প্রশ্নে অংশগ্রহণ মিস হয়ে গেলে মেধা তালিকা থেকে বাদ পড়ে যেতে পারেন। এজন্য সতর্ক থাকতে হবে যেন মিস না হয়ে যায়।
আল্লাহ আমাদের কবুল করুন, কুরআনের পথে আমরণ টিকে থাকার তৌফিক দান করুন।
সময় দিয়ে, অর্থ দিয়ে কুরআনের পথে এগিয়ে আসার তৌফিক এনায়েত করুন। আমিন

🔰🔰প্রতিযোগী হতে রেজিষ্ট্রেশন করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন রেজিষ্ট্রেশন করুন।
https://surveyheart.com/form/604dbc84fb3b7031673486e0

🌹🌹🌹🌹🌹আহবান🌹🌹🌹🌹🌹
✅👉👉বিঃদ্রঃ কুরআনের এ মহতী আয়োজন নিয়মিত পরিচালনা করতে আমাদের বেশ কিছু অর্থের প্রয়োজন হয়। যা ২০১৭সাল থেকে ধারাবাহিক চলছে আলহামদুলিল্লাহ ( যেমন অনুষ্ঠান করতে, বড় অংকের পুরষ্কার, নেট বিল,অফিস খরচ,স্টাফ বেতন,বিচারকের সম্মানি, অসহায় ছাত্রদের সহযোগিতা, দরিদ্রের সহযোগিতা ইত্যাদি) এজন্য আপনাদের সদয় মনে যদি ভাল লাগে তাহলে কুরআনের কাজে একটু অর্থ দিয়েও আমাদের সহযোগিতা করবেন। আশা করি, আপনার এই অর্থ দান, কিয়ামতের কঠিন দিনে নাজাতের অছিলা হবে ইনশাআল্লাহ।
👉অর্থ পাঠাতে পারেনঃ বিকাশ+নগদ ০১৯১৩-৩৩৩২৩১, ০১৭২৭-৩৩১৩৮৬(বিকাশ) একাউন্ট নাম্বারঃ 20503160201086802 ইসলামি ব্যাংক, কেডিএ শাখা, খুলনা

✅দাতা সদস্য হতে নিচের লিংকে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করুন।
https://surveyheart.com/form/608b33ca64411370e78188c5

🌹মায়াসসালাম🌹
ডাঃ হাফেজ মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুর
চেয়ারম্যান
সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
৩২, শামসুর রহমান রোড, শান্তিধাম মোড়, খুলনা

30/04/2024

অনলাইন ভিত্তিক দাওয়াতি কাজের একটি বিশেষ প্ল্যাটফর্ম সোশ্যাল মিডিয়া দাওতুল কুরআন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিল্পনগরী খুলনার শান্তিধাম মোড়ে শ্রমজীবী মানুষ রিকশাচালক, ভ্যান চালক ,ইজিবাইক চালক এবং সাধারণ পথচারীদের মাঝে ঠান্ডা পানি খাবার স্যালাইন এবং বিস্কুট বিতরণ করেছে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হাফেজ ডাক্তার মাওলানা মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুরের নেতৃত্বে খুলনা শান্তিধাম মোড়ে দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে এই কার্যক্রম চালানো হয়। এখানে উপস্থিত ছিলেন সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশন এর সম্মানিত মহাসচিব কারী মাওলানা মোঃ মাহদি হাসান কাউসারী, উপদেষ্টা মন্ডলির অন্যতম সদস্য মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম, উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য মোয়াজ্জেম হোসাইন, ফাউন্ডেশনের অফিস বিভাগের সম্মানিত দায়িত্বশীল হুমায়ুন কবিরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই বিতরণ কার্যক্রমে আরো উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের প্রচার সম্পাদক এস এম সাব্বির হুসাইন, উপস্থিত ছিলেন মজিবুর রহমান রাজা, ইউনুস আলী,জাকির হোসেন সহ সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কোরআন ফাউন্ডেশন এর একঝাঁক এ নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবক। বিতরণ কার্যক্রমের শুরুতে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাফেজ ডাক্তার মাওলানা সাইফুল্লাহ মানসুর বলেন যে, তীব্র গরম এবং রোদের মাঝে শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট সবচেয়ে বেশি হয় এজন্য সমাজে বিত্তবান মানুষ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই সমস্ত শ্রমজীবী মানুষ এবং তৃষ্ণার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে। সবধরনের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে হবে। আর আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে যাতে করে বড় কোন আজাব দিয়ে আমাদের কষ্টের মাত্রাটা বাড়িয়ে না দেন।

29/04/2024

আগামী মঙ্গলবার দুপুর ১২টার সময় ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতার পক্ষ থেকে পথচারী, রিক্সচালক, অটো ড্রাইভারদের মাঝে ঠান্ডা পানি, স্যালাইন ও হালকা নাস্তা বিতরণ করা হবে ইনশাআল্লাহ।
উক্ত মহতী অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছায় কেউ কিছু দিয়ে অংশগ্রহণ করতে চাইলে করতে পারবেন।
কিছু দিতে চাইলে পাঠাতে পারেন 01913-333231 ( Bikash+Nagad)

Photos from The Holy Quran Institute's post 03/04/2024

আলহামদুলিল্লাহ, ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতার ৮ম পর্বের ২২ তম তাফসীর ও প্রশ্নে অংশগ্রহণ করে উম্মে হামিমা ও আম্বিয়া খাতুন নামের দুইজন বোন ঈদ সালামী পেয়েছেন।
তাদেরকে অসংখ্য মুবারকবাদ জানাই।
♦️♦️বিঃদ্রঃ ২৩ তম তাফসীর ও প্রশ্নে যারা অংশগ্রহণ করবে তাদের মধ্য থেকেও ২জন কে লটারির মাধ্যে ২০০/- করে ঈদ সালামী দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

ডাঃ হাফেজ মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুর
চেয়ারম্যান
সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।

ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতার স্থায়ী মেম্বারশীপ রেজিস্ট্রেশন ফর্ম 23/03/2024

আমরা কি কি কার্যক্রম পরিচালনা করি, কেনইবা ৩১৩ জন স্থায়ী মেম্বারশিপ বা বদরী সদস্য আমাদের খুব প্রয়োজন????

আমরা সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে অনলাইন ও অফলাইনে সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। আমরা বিশেষ ভাবে কুরআনের তাফসীর ভিত্তিক একটি প্রতিযোগিতা পরিচালনা করে থাকি। যা ইতোমধ্যে সমগ্র বাংলাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে আলহামদুলিল্লাহ, এই প্রতিযোগিতায় প্রতিটি পর্বে ৫টি ইভেন্ট থাকে
১.♦️ তাফসীর পর্ব (এখানে ২৫টি তাফসীর থাকে যা পড়ে প্রতিযোগীদের তার মূল সারাংশ লিখতে হয়। লেখার উপর ভিত্তি করে নাম্বার দেওয়া হয়।
২.♦️ প্রশ্ন পর্বঃ পূর্বের ২৫টি তাফসীর থেকে ২৫টি প্রশ্ন দেওয়া হয়, যার উত্তর ঐ তাফসীর থেকে বের করে লিখতে হয়। লেখার মানের উপর ভিত্তি করে নাম্বার দেওয়া হয়।
৩.♦️ আর্টিকেলঃ কুরআন থেকে একটি বিষয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। যার উপর ভিত্তি করে ২৫০০ শব্দের মধ্যে আর্টিকেল লিখে জমা দিতে হয়।
৪. ♦️অডিও তেলাওয়াতঃ আমরা কুরআন থেকে নির্দিষ্ট আয়াত বলে দিই। যেখান থেকে অডিও তেলাওয়াত করে আমাদের শুনাতে হয়। তেলাওয়াত কার কতটুকু সহীহ হলো তার উপর ভিত্তি করে নাম্বার দেওয়া হয়।
৫. ♦️ লাইক ও শেয়ারঃ সবার মাঝে কুরআনের বাণী ছড়িয়ে লক্ষে প্রত্যেকটা প্রতিযোগীকে আমাদের সকল তাফসীর, প্রশ্ন ও আর্টিকেল লাইক দিয়ে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিত হয়। এর জন্য রয়েছে বিশেষ নাম্বার।
সবগুলো ইভেন্ট বিবেচনা করে বছর শেষে মেধা তালিকায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এভাবে বছরে একটি পর্ব সম্পন্ন করে থাকি।
প্রতিযোগীদের নিয়মিত লেগে থাকার জন্য প্রতিটি তাফসীর ও প্রশ্ন উত্তরে কিছু সম্মানজনক পুরুষ্কার দেওয়া হয়।
সব মিলিয়ে একটি পর্ব শেষ করতে আমাদের বড় একটা বাজেটের প্রয়োজন হয়।
এছারা মাঝে মাঝে বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন অকেশনাল প্রোগ্রাম করে থাকি। এছাড়াও মক্তব মাদ্রাসা পরিচালনা করা, কর্মসংস্থান এর লক্ষে অর্থ সহযোগিতা করা, সহীহ কুরআন শিক্ষার ক্লাস নেওয়া সহ বিভিন্ন প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হয়।
২০১৭ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারীতে এর যাত্রা শুরু হয় আলহামদুলিল্লাহ। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে এটি পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতা ৮ম পর্ব চলছে। সুরা ফাতিহা থেকে এটা শুরু হয়েছে এখন সুরা আলে ইমরান এ চলমান রয়েছে।
এ সকল কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনার জন্য আমরা ৩১৩ জন স্থায়ী মেম্বারশিপ আহবান করেছি। যারা নূনতম বছরে ২০০০/- টাকা করে দিবে।( বেশি দিতে আগ্রহী হলে দিতে পারবে) এই বদরি সদস্য এজন্য যে আমাদের দ্বীন প্রচারের কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করতে যেন বেগ পেতে না হয় এবং উত্তরোত্তর আরো সমৃদ্ধ করতে পারি ইনশাআল্লাহ।

বদরি সদস্য হতে নিম্নের লিংকে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন
https://surveyheart.com/form/608b33ca64411370e78188c5

মায়াসসালাম
ডাঃ হাফেজ মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুর
উদ্ভাবক
ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতা
ও চেয়ারম্যান
সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশন।

ফেসবুক কুরআন প্রতিযোগিতার স্থায়ী মেম্বারশীপ রেজিস্ট্রেশন ফর্ম (কুরআন বুঝার বিকল্প মাধ্যম) ✅ মেম্বারশিপদের করণীয় ১.স্থায়ী মেম্বারশীপগন আমাদের অভিভাবক হিসেবে গণ্য হবেন। ২.মেম্ব...

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


৩২, শামসুর রহমান রোড, শান্তিধাম মোড়, খুলনা
Khulna
9100