Biggan Shakti

Biggan Shakti

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Biggan Shakti, Education, Baratia, Khulna.

21/08/2024
13/07/2024

#ফিজিক্স #মহাবিশ্ব #আলোরপথ

30/05/2024

মহাবিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত চলে কোনটি আলো নাকি অন্ধকার? জানেন কি অন্ধকার এর গতি সেকেন্ডে কত কিলোমিটার?
#মহাবিশ্ব #আলো #আলোকিত #আলোরপথ #অন্ধকার #গতিবেগ #ফিজিক্স #বিজ্ঞান #আলোকবিজ্ঞান #অন্ধকারগতি

17/05/2024

হাসতে হাসতে চোখে জল এসে যাচ্ছে?
জানেন কি আপনার মাথার মধ্যে কি চলছে?কেন এরকম হয়!!

হাসার সময় শরীরে এন্ডোরফিনস নামক হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়।এই হরমোন মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়।
আমেরিকার সালুস বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিদ্যা বিভাগের গবেষণায় দেখা গিয়েছে কান্নার সময়েও শরীরে তিব্র পরিমাণে এন্ডোরফিনসেরই ক্ষরণ হচ্ছে।কারণ হাসি ও কান্নার পিছনে মস্তিষ্কের একই অংশ কাজ করে।যতই দুটির পিছনে বিপরীতধর্মী মানসিকতাকাজ করুক না কেন,মস্তিষ্কের একই অংশ এই আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করার কাজ করে,,,
আর সেই কারণে প্রচন্ড হাসার সময়ে কান্নার মতো চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে আসে।,,,,,,, পড়া শেষে done লিখবেন,,,,,,,,, ধন্যবাদ ♥️♥️♥️

14/05/2024

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীর চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বোঝায় । যা পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে। একে আবহমণ্ডল-ও বলা হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পাঁচটি প্রধান স্তরে ভাগ করা যায়। সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ পর্যন্ত এই স্তরগুলো হচ্ছেঃ

ক-ট্রপোস্ফিয়ার- ভূপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতা ১২ কিমি ।
১-বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে ঘন ও ভারী স্তর ।
২-প্রাকৃতিক ঘটনাবলি যেমন ঝড়-বৃষ্টি এবং বজ্রপাত ইত্যাদি এই স্তরে ঘটে ।

খ-স্ট্রাটোস্ফিয়ার -বায়ুমণ্ডলের ১২ কিমি থেকে ৫০ কিমির মধ্যে অবস্থিত ।
১-ঝড়-বৃষ্টি ইত্যাদি না থাকার ফলে এই স্তরের বায়ু শান্ত ।
২-বায়ুর চাপ খুব কম এবং বায়ু খুব হালকা ।

গ-মেসোস্ফিয়ার- বায়ুমণ্ডলের ৫০ কিমি থেকে ৮০ কিমির মধ্যে অবস্থিত ।
১-এটি বায়ুমণ্ডলের শীতলতম অঞ্চল ।
২-মহাকাশ থেকে যেসব ধুমকেতু পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে, সেগুলি এই মেসোস্ফিয়ার মধ্যে এসে পুড়ে ছাই হয়ে যায় ।

ঘ-থার্মোস্ফিয়ার- বায়ুমণ্ডলের ৮০ কিমি থেকে ৭০০ কিমির মধ্যে অবস্থিত ।
১-এই স্তরের তাপমাত্রা খুব বেশি হয় ।
২-এই স্তরে মেরুজ্যোতি দেখা যায় ।

ঙ-আয়নোস্ফিয়ার- বায়ুমণ্ডলের এই স্তর ৭০০ কিমি এর উপর থেকে শুরু হয় ।

এক্সোমণ্ডল হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে দূরবর্তী স্তর। এটি প্রধানত হাইড্রোজেন- হিলিয়াম এবং কিছু ভারী অনুসমূহ যেমন নাইট্রোজেন-অক্সিজেন এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড দিয়ে গঠিত।

13/05/2024

বাংলাদেশের দক্ষিণ থেকে আসা গরম আর উত্তরের ঠান্ডা বাতাসে সৃষ্ট অস্থিতিশীল আবহাওয়ায় তৈরি হয় বজ্র মেঘের। এ রকম একটি মেঘের সঙ্গে আরেকটি মেঘের ঘর্ষণে হয় বজ্রপাত। এ সময় উচ্চ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তরঙ্গ যখন মাটিতে নেমে আসে, তখন সবচেয়ে কাছে যা পায় তাতেই আঘাত করে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশে বজ্রপাতের মূল কারণ ভৌগলিক অবস্থান। একদিকে বঙ্গোপসাগর, এরপরই ভারত মহাসাগর। সেখান থেকে আসছে গরম আর আর্দ্র বাতাস। আবার উত্তরে রয়েছে পাহাড়ি এলাকা। কিছু দূরেই হিমালয় পর্বত। যেখান থেকে ঠান্ডা বাতাস বয়ে আসে। এই দুই জায়গা থেকে আসা বাতাসের সংমিশ্রণ বজ্রপাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।

গবেষকরা বলছেন, তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি বাড়লে বজ্রপাতের সম্ভাবনা ৫০ ভাগ বেড়ে যায়। গত কয়েক দশকে বড় বড় গাছ কেটে ফেলাও তার একটি কারণ। উঁচু গাছপালা বজ্রনিরোধক হিসেবেও কাজ করে। খোলা স্থানে মানুষের কাজ করা এবং বজ্রপাতের বিষয়ে অসচেতনতাও বজ্রপাতে প্রাণহানি বৃদ্ধির জন্য দায়ী।

বাংলাদেশে বজ্রপাতের কারণগুলোর মধ্যে আপাতদৃষ্টিতে প্রথম ও প্রধান কারণ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি। যদিও অনেক জলবায়ু বিজ্ঞানী এ বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেন।

12/05/2024

মশা কাদেরকে বেশি কামড়ায় জেনে নেই 🐸 ?!? সবাইকে মশা সমান ভাবে কামড়ায় না । কেউকে বেশি, কেউকে কম । কিন্তু কেন ?

এর প্রধান কারণ এখনো পর্যন্ত দুটো । প্রথমত : শরীরের ন্যাচারাল গন্ধ🤡 ।
দ্বিতীয়ত : রক্তের গ্রুপ ।
আমাদের শরীরে একেকজনের গন্ধ একেক রকম । এর জন্যে দায়ী আমাদের ত্বক থেকে বের হওয়া সিবাম নামের একটি তেল । এই তেলের মধ্যে কার্বসলীক এসিড নামের একটি উপাদান থাকে । যার শরীরে যত বেশি এই এসিড বের হয়, তার শরীরে মশা এসে তত বসে এবং কামড়ায় । মশা কেন এটির গন্ধ পছন্দ করে, তার কারণ এখনও জানা যায় নি । একেকজনের রক্তের গ্রুপ একেকটি । এখনো পর্যন্ত পরীক্ষা করে দেখা গেছে যারা O গ্রুপ রক্তের, তাদেরকে সবচেয়ে বেশি মশা কামড়ায়। উপরের দুটো প্রধান কারণ ছাড়াও শরীরের গঠন, জেনেটিক্স, ত্বকের ব্যাকটেরিয়া, আরও কিছু রাসায়নিক উপাদান, এমনকি পরিধানের বস্ত্র, এমন সব কারণে মশা বেশি কামড়ায় । ***আপনার রক্তের গ্রুপ কি বলে যাবেন?😊

11/05/2024

এই পৃথিবীতে কি বিদ্যুৎ বাতাসে ভেসে বেড়াতে পারে?

বিস্তারিত -

আজ থেকে প্রায় ১৩৩ বছর আগে ১৮৯১ সালে নিকোলা টেসলা একটি মেশিন তৈরি করেছিলেন যা টেসলা কয়েল নামে পরিচিত। এটি এমন একটি ডিভাইস ছিলো যা লক্ষ লক্ষ কোটি ভোল্টের উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সীর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তার চারপাশের পরিবেশকে চার্জ করে ফেলে।১৮৯৯ সালে আমেরিকার কলোরাডো শহরে টেসলা এমন একটি পরীক্ষা করেছিলো যেখানে বিদ্যুৎ প্রথমবার বাতাসে ভেসে বেড়িয়েছিলো।তিনি একটি ৮০ ফুট উঁচু টেসলা কয়েল তৈরি করেছিলেন যা ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোল্ট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে ৪০ কিলোমিটার ( কোথাও বলা হয়েছে ৫৯১ মিটার) দূরে রাখা বাল্বগুলিকে কোনো তার ছাড়াই বিদ্যুৎ দিয়ে জ্বালাতে সক্ষম হয়েছিলেন।এতে বোঝা যায় বিদ্যুৎ সত্যি বাতাসে ভেসে বেড়াতে পারে।স্যার নিকোলা টেসলার কারণেই আজ আমরা ওয়্যারলেস চার্জ দিতে পারি।এছাড়াও রিমোট কন্ট্রোল, প্রিন্টার,এক্স-রে,ফ্লুরোসেন্ট ল্যাম্পের মতো জিনিসগুলোতে এর ব্যবহার হয়।

আপনি যদি বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়ে আগ্রহী হন তাহলে ফলো করুন Biggan Shakti .

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Baratia
Khulna
9252