Khulna University of Engineering & Technology - KUET

Khulna University of Engineering & Technology - KUET

Share

KUET is one of the leading public universities of Bangladesh. Khulna University of Engineering & Technology has a background of historical significance.

Although this institution has completed an era as university, its laying foundation began 49 years ago. This university was established in 1967 as ‘Khulna Engineering College’ under the University of Rajshahi. But during the period of liberation war the development activities of the Erstwhile Engineering College was suspended. After the Independence of Bangladesh in the year of 1971, the developme

14/04/2025

✪ বিজ্ঞপ্তি ✪
এতদ্বারা অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীগণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, অদ্য ১৪/০৪/২০২৫ইং তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০১তম (জরুরী) সভায় স্নাতকোত্তর ও স্নাতক পর্যায়ের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ও একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে আগামী ০৪/০৫/২০২৫ইং তারিখ থেকে সকল প্রকার একাডেমিক কার্যক্রম চালু হবে। সে লক্ষ্যে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহ ০২/০৫/২০২৫ইং তারিখে খোলা হবে।
সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য বিষয়টি প্রচার করা হলো।

13/04/2025

✪ কুয়েট ঘিরে আবার উত্তেজনা, ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন ✪

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের প্রায় দুই মাস পর ক্যাম্পাসে আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বন্ধ থাকা ক্যাম্পাসে আজ রোববার ফিরে আবাসিক হলে ওঠার ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে শিক্ষার্থীরা যাতে বন্ধ ক্যাম্পাসে না ফেরেন, সে ব্যাপারে তৎপরতা শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একাধিক সভা, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি, বিজ্ঞপ্তি জারি ও অভিভাবকদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে না পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে; পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রবেশ ঠেকাতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আজ সকাল ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা যায় প্রধান ফটক বন্ধ। পরিচয় নিশ্চিত হয়ে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষকদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। প্রধান ফটকে পুলিশ মোতায়েন আছে। ক্যাম্পাসের ভেতরে বেশ কিছু নিরাপত্তাকর্মী প্রহরায় আছেন। ক্যাম্পাসের হলগুলো সিলগালা করে তালাবদ্ধ। ক্যাম্পাসের আইটি গেটেও পুলিশ অবস্থান নিয়েছে।

এদিকে এই উত্তেজনায় নতুন রসদ জুগিয়েছে একটি মামলা। কুয়েটের ২২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আমলি আদালতে মামলা করেছেন নগরের মহেশ্বরপাশা উত্তর বণিকপাড়া এলাকার হোচেন আলী নামের এক ব্যক্তি। আদালত বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে খানজাহান আলী থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল শনিবার ওই মামলার বিষয়ে জানাজানি হয়।

মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে হোচেন আলী কুয়েট রোড দিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পকেট গেটের সামনে গেলে আসামিরা তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে রড ও লাঠি দিয়ে মারধর করে এবং সোনার চেইন ছিনিয়ে নেন।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কুয়েট প্রশাসন বাইরের একজনকে উসকানি দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে একসঙ্গে ক্যাম্পাসে ঢুকবেন। তাঁরা যাতে ক্যাম্পাসে ফিরতে না পারেন, সে জন্য কুয়েট কর্তৃপক্ষ নানা তৎরপরতা চালাচ্ছে। ২২ জন কুয়েট শিক্ষার্থীর নামে ও অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা এবং যৌক্তিক আন্দোলন দমানোর অপচেষ্টা। প্রশাসন ও তদন্ত কমিটির যোগসাজশেই এই প্রহসন।

‘কুয়েট ১৯’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে কুয়েট শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়। গতকাল রাতে ওই পেজে বলা হয়েছে, ‘সকল কুয়েটিয়ানকে ঠিক দুপুর ২ ঘটিকায় কুয়েট মেইন গেটে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে আইডি কার্ড বা লাইব্রেরি কার্ড সাথে রাখব।’
এদিকে কুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে আজ ‘লং মার্চ টু কুয়েট’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গতকাল রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফেসবুক পেজে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও কুয়েট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। পরদিন প্রশাসনিক ভবনসহ সব একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় কুয়েটে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে কমিটিও করা হয়েছে। ওই দিন রাতেই খানজাহান আলী থানায় অজ্ঞাতনামা ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা করে প্রশাসন।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ করে সব রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনকে লাল কার্ড দেখান শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে তাঁরা উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীরা খুলনা থেকে ঢাকায় এসে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেন। এতে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার, উপাচার্যের পদত্যাগসহ ছয় দফা দাবি জানানো হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ৯৯তম (জরুরি) সভায় সব আবাসিক হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরদিন সকাল ১০টার মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে হলত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

সূত্র: প্রথম আলো

12/04/2025

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
সম্প্রতি পত্রিকার একটি সংবাদের মাধ্যমে জানা গেছে যে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে ঘটে যাওয়া একটি দুঃখজনক ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২ জন শিক্ষার্থীর নামে আদালতে মামলা দায়ের করেছে বহিরাগত একজন ব্যক্তি। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্র কল্যাণ দপ্তর গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং একইসাথে সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। ছাত্র কল্যাণ দপ্তর এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের যেকোনো সহায়তা ও পরামর্শ প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে এবং সর্বদা শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যেকোনো প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের ছাত্র কল্যাণ দপ্তরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

এছাড়াও তোমরা জানো, বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে ছাত্র কল্যাণ দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে ধারাবাহিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের CR ও ACR দের সাথে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দুঃখজনকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, উক্ত সভা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। অপপ্রচারে বলা হচ্ছে যে, ছাত্র কল্যাণ দপ্তরের একজন সহকারী পরিচালক হলে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মামলা দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। আমরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি, এই প্রচার সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সভায় তিনি শুধুমাত্র প্রচলিত আইনের বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেছিলেন যে, সিলগালা করা আবাসিক হলসমূহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আওতায় না থেকে স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে। যদি কেউ তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করে, তবে তা ফৌজদারি আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে—এমন পরিস্থিতি এড়াতেই তিনি সবাইকে সচেতন থাকতে অনুরোধ করেন। এ বক্তব্যকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক। ছাত্র কল্যাণ দপ্তর এই অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সকল শিক্ষার্থীকে ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো উসকানি কিংবা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে ছাত্র কল্যাণ দপ্তর শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।

ধন্যবাদান্তে,
পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) এর কার্যালয়
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

25/12/2021

আগামী ০৭/০১/২০২২ তারিখ শুক্রবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় কুয়েটের হলসমূহ খুলে দেওয়া হবে এবং ০৯/০১/২০২২ তারিখ রবিবার হতে সকল একাডেমিক কার্যক্রম যথারীতি চালু হবে।

09/12/2021

Combined Admission Test of CUET, KUET & RUET Update

🔰 মেধাক্রমে থাকা ক বিভাগে ৩০৮১-৪৫০০ এবং খ বিভাগে ১০১-৩০০ সিরিয়ালের ভর্তিচ্ছু সকলকে ২০/১২/২০২১ (সোমবার) রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

🔰 “Online Admission Form” এ প্রধানকৃত তথ্য ও পছন্দক্রম ১৯/১২/২০২১ (রবিবার) সকাল ৯:০০ ঘটিকার পূর্ব পর্যন্ত প্রার্থী প্রয়োজনে পরিবর্তন করতে পারবে এবং উক্ত সময় পর ভর্তির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের Online Admission Form লক হয়ে যাবে। এরপর আর কোনো তথ্য বা পছন্দক্রম পরিবর্তন করা যাবে না।

🔰 পূরণকৃত ফরমের প্রিন্টেড এক কপি ভর্তির সময়ে নিয়ে আসতে হবে, তবে ব্যাকআপ হিসেবে আরো কিছু কপি নিয়ে আসতে পারো তোমরা। ভর্তি কার্যক্রম কুয়েট, চুয়েট এবং রুয়েটে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থী যে কেন্দ্র থেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে উক্ত কেন্দ্রেই উপস্থিত হয়ে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবে।

🔰 মেধাক্রমে থাকা যারা ভর্তি হতে চাচ্ছো, ভর্তির সময় তাদের নিম্নলিখিত ডকুমেন্টস জমা দিতে হবে—
১. এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন কার্ড এবং ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র।
২. মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার মূল সনদপত্র।
৩. মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার গ্রেডশিটের মূলকপি।
৪. উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার গ্রেডশিটের মূলকপি।
৫. উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষা পাশের মূল সনদপত্র/সাময়িক সনদপত্রের মূলকপি ও সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত প্রশংসাপত্রের মূলকপি।

বিস্তারিত:https://admissionckruet.ac.bd/dep/2nd.pdf

Photos from Khulna University of Engineering & Technology - KUET's post 03/02/2020

কুয়েটের সব ধরণের ফি অনলাইন পেমেন্ট এর মাধ্যমে গ্রহণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে কিছুদিনের মধ্যেই কোর্স রেজিস্ট্রেশন ফি, লাইব্রেরি ফি, সকল ধরণের ডকুমেন্ট উত্তোলন ফি, হল ডিউজ প্রদানের জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। এর অংশ হিসেবে আজ থেকে লাইব্রেরি ফি অনলাইন পেমেন্ট এর মাধ্যমে গ্রহণ শুরু হয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা বিকাশ, রকেট, ক্রেডিটকার্ড সহ 22 টি পেমেন্ট সার্ভিসের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবে।

http://payment.kuet.ac.bd/payment/

Photos from Khulna University of Engineering & Technology - KUET's post 24/01/2020

Orientation Program – Batch 2k19

Want your school to be the top-listed School/college in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Phulbari Gate, KUET Road
Khulna
9203

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 14:30