#চাকরির_বয়স_৩৫ হলে যে ঘটনা ঘটতে পারে ?
১. শিক্ষার্থীরা একাডেমিক পড়ায় জোর দেবে। কারণ চাকরিতে প্রস্তুতির যথেষ্ট সময় পাবে।২৬/২৭ বছরে পড়াশোনা শেষ করতে অনেক প্রতিষ্ঠানের লাগে ফলে একাডেমিক পড়াশোনায় জোর না দিয়ে চাকরির প্রস্তুতিতে জোর দেয়।
২. বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিস বাড়বে।
৩. দেশের গবেষণার ক্ষেত্রে জোর দেবে ও প্রযুক্তি ক্ষেত্র সমৃদ্ধ হবে।
৪. বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ৮০% শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্য বিত্ত।পার্ট টাইম কাজ ও একাডেমিক পড়াশোনা এক সাথে চালিয়ে নেন।তাদের মানসিক চাপ কমাবে।
৫. ৩৫ বছর বয়স হলে অনেকে ২৫-২৬ বছরে যে কোন উদ্যোক্তা ও একটা কাজ জুটিয়ে বিয়ে করবে ফলে অনৈতিক কাজে কম যুক্ত হবে।
৬.চাকরি না পাওয়া ও বিষন্নতায় আত্মহত্যার পরিমাণ কমে যাবে।
৭. বিশ্বের ১৬২ টি দেশে ৩৫ বছর ঊর্ধ্বে চাকরি প্রবেশের বয়স।১৯৯১ সালে বাংলাদেশে ২৭ বছর থেকে ৩০ বছর করা হয়।যখন দেশের গড় আয়ু ছিল ৬০ এর কাছাকাছি এখন তা বেড়ে ৭৩ এর কাছাকাছি।
৮.বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের লাইব্রেরিতে চাকরির বইয়ের জায়গায় একাডেমিক বই পড়ার প্রবণতা বাড়বে।
৯.উচ্চ শিক্ষিত যুবকদের বেকারত্ব হ্রাস পাবে।
১০. নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
Avijit's Special Batch
Best helping hand of khulna for all engineering & varsity(A+D) admission students...
04/12/2020
গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে না চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। কিভাবে হবে চূড়ান্ত হয়নি তাও। তবে অনলাইনে নয়, পরীক্ষা সশরীরে নেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে...
02/12/2020
প্রথমে একটা MCQ এক্সাম হবে চারটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ব স্ব কেন্দ্রে। বাছাইকৃতদের নিয়ে লিখিত পরীক্ষা হবে শুধুমাত্র বুয়েট ক্যাম্পাসে(প্রস্তাবনা)।
সুত্রঃ ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি
তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ভর্তি পরীক্ষায় যেতে আগ্রহী বুয়েট || [Buet Exam] Welcome to the official Independent Television YouTube channel. Independent Television is a 24/7 news oriented satellite channel of Bangladesh. This channel ...
♦ গুচ্ছ নিয়ে তোমাদের কিছু প্রশ্নের উত্তর:
🔷 প্রশ্ন-০১ঃ কয়টি বিভাগে ও কোন সিলেবাসে পরীক্ষা হবে?
উত্তরঃ গুচ্ছের অধীনে মানবিক, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান—তিনটি বিষয়বস্তুর ওপর পরীক্ষা নেওয়া হবে।উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করেই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।
🔷 প্রশ্ন-০২ঃ আবেদনের যোগ্যতা কেমন হবে?
উত্তরঃ একটা কমিটি করা হবে, যে কমিটি নীতিমালা প্রণয়ন থেকে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া পর্যন্ত সকল কাজ করবে। এই কমিটি একটা নূন্যতম যোগ্যতা ঠিক করে দিবে পরীক্ষা দেওয়ার। হতে পারে সেটা ৭.৫০(বিভাগ ভেদে ভেরি করবে)
🔷 প্রশ্ন-০৩ঃ বিভাগ পরিবর্তন কি থাকবে?
উত্তরঃ থাকবে কিন্তু সেটার জন্য আলাদা কোন পরীক্ষা হবে না। মনে করো তুমি সাইন্স এর শিক্ষার্থী, তুমি বিভাগ পরিবর্তন করতে চাচ্ছ তাহলে তোমাকে যেটা করতে হবে সাইন্স এর বিষয়গুলোর পাশাপাশি বাংলা/ইংরেজি উত্তর করতে হবে অথবা সাইন্স এর বিষয়গুলোই আরো এক্সট্রা উত্তর করতে হবে। এই বিষয় ক্লিয়ার হতে অপেক্ষা করতে হবে আরো।
🔷 প্রশ্ন-০৪: কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এক্সাম কিভাবে হবে?
উত্তরঃ আগের বারের মতই সমন্বিত হবে।
🔷 প্রশ্ন-০৫: কোন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুচ্ছতে যাবে?
উত্তরঃ
১.ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
২.শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৩.খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
৪.হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৫.মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৬.নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৭.জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
৮.কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
৯.জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
১০.যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১১.বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
১২.পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৩.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৪.বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
১৫.রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৬.রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়
১৭.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি
১৮.শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯.বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা:
দেশের ১৯টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই গুচ্ছের অধীনে মানবিক, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান এ তিনটি বিষয়বস্তুর ওপর পরীক্ষা নেওয়া হবে। এসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা হবে। উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।
গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় আজ (০১ ডিসেম্বর) চূড়ান্তভাবে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে তিনটি গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ ও প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মীজানুর রহমান বলেন, উপাচার্যদের সমন্বয়ে গঠিততব্য কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি এ গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন। কমিটি ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি স্কোর দিবেন। এ গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ নিজ নিজ শর্ত ও চাহিদা উল্লেখ করে শিক্ষার্থী ভর্তি বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। স্কোর নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ শিক্ষার্থী ভর্তি করবে। এজন্য আলাদা করে কোন ধরনের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না।
সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, করোনার কারণে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছু হঠার সুযোগ নেই। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কথা চিন্তা করে সরাসরি ও সহজ উপায়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য তিনি উপাচার্যদেরকে আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, কৃষি বিষয়ক ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে গতবছর স্নাতক শ্রেণিতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ড. শামসুল আরেফিন
পরিচালক
জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগ, ইউজিসি
চবির ভর্তি পরীক্ষা হবে মার্চে ৷
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে নয়, সশরীরেই নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটি। তবে অন্যান্য বছরের মতো এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ থেকে নম্বর থাকবে কি-না এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। আজ রবিবার বিকেলে ডিনস কমিটির সভায় স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান বলেন, ডিনস কমিটির সভায় ভর্তি সশরীরে নেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগের মতো ১০০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে। তবে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করা হবে কিনা- এ সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। চলতি বছরের এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের পর ভর্তি কমিটি পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি আরো বলেন, এ বছর আসন বাড়বে না কমবে সে সিদ্ধান্তও ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হবে।
উল্লেখ্য, গত বছর ৪টি ইউনিট ও ২টি উপ-ইউনিটের মাধ্যমে ভর্তিকার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ৪৮টি বিভাগ ও ৬টি ইনস্টিটিউটে ৪ হাজার ৯২৬টি আসনে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হন। প্রতি আসনে আবেদন করেছিলেন ৫২ জন শিক্ষার্থী।
আগামী ২৫ ডিসেম্বর এইচ এস সি রেজাল্ট দেওয়া হবে।
সুত্রঃ Rtv
আগামী ২০২১ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক (এসএসসি) ও উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা দুই মাস পেছাতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
23/11/2020
DU Today's Info:
এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ক, খ, গ এবং ঘ এই চারটি ইউনিটে ৪০ নম্বরের এমসিকিউ (বহু নির্বাচনী) এবং ৪০ নম্বরের লিখিত এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ২০ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাবি ।
বদলাবে বই, কমবে পরীক্ষা।
# সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন।
# ক্লাস টেন কোনো পাবলিক পরীক্ষা নেই।
# ক্লাস 3 এর আগে কোনো পরীক্ষাই নেই।
# এসএসসি তে মাত্র ৫ বিষয়ের পরীক্ষা। বাংলা, ইংলিশ, ম্যাথ, সায়েন্স ও সোশ্যাল সায়েন্স। কোনো পত্র নেই। মাত্র ৫ দিনেই শেষ।
# সায়েন্স, আর্টস, কমার্স গ্রুপিং হবে ইন্টারমিডিয়েটে।
হাইস্কুল লেভেলে বিষয় থাকবে ১০ টি :
- বাংলা,
- ইংরেজি,
- গণিত,
- জীবন ও জীবিকা,
- বিজ্ঞান,
- সামাজিক বিজ্ঞান,
- ডিজিটাল প্রযুক্তি,
- ধর্মশিক্ষা,
- ভালো থাকা,
- শিল্প ও সংস্কৃতি।
# ২০২৬ এর ইন্টারমিডিয়েট,
# ২০২৪ এর ক্লাস নাইন,
# ২০২৩ এর ক্লাস এইট ও ২০২২ এ নিচের অন্যান্য ক্লাসগুলো নতুন বই পাবে।
ইন্টারমিডিয়েটে সাবজেক্ট ৬টা, প্রত্যেকটার পত্র ৩ টা করে।
ফার্স্ট ইয়ারে সবগুলোর প্রথম পত্রের পাবলিক এক্সাম সেকেন্ড ইয়ারে সেকেন্ড ও থার্ড পার্ট। তারপর ২ এক্সাম মিলিয়ে চূড়ান্ত এইচএসসির রেজাল্ট।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
44/1, Haji Mohsin Road
Khulna
9100