12/05/2024
#চাকরির_বয়স_৩৫ হলে যে ঘটনা ঘটতে পারে ?
১. শিক্ষার্থীরা একাডেমিক পড়ায় জোর দেবে। কারণ চাকরিতে প্রস্তুতির যথেষ্ট সময় পাবে।২৬/২৭ বছরে পড়াশোনা শেষ করতে অনেক প্রতিষ্ঠানের লাগে ফলে একাডেমিক পড়াশোনায় জোর না দিয়ে চাকরির প্রস্তুতিতে জোর দেয়।
২. বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিস বাড়বে।
৩. দেশের গবেষণার ক্ষেত্রে জোর দেবে ও প্রযুক্তি ক্ষেত্র সমৃদ্ধ হবে।
৪. বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ৮০% শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্য বিত্ত।পার্ট টাইম কাজ ও একাডেমিক পড়াশোনা এক সাথে চালিয়ে নেন।তাদের মানসিক চাপ কমাবে।
৫. ৩৫ বছর বয়স হলে অনেকে ২৫-২৬ বছরে যে কোন উদ্যোক্তা ও একটা কাজ জুটিয়ে বিয়ে করবে ফলে অনৈতিক কাজে কম যুক্ত হবে।
৬.চাকরি না পাওয়া ও বিষন্নতায় আত্মহত্যার পরিমাণ কমে যাবে।
৭. বিশ্বের ১৬২ টি দেশে ৩৫ বছর ঊর্ধ্বে চাকরি প্রবেশের বয়স।১৯৯১ সালে বাংলাদেশে ২৭ বছর থেকে ৩০ বছর করা হয়।যখন দেশের গড় আয়ু ছিল ৬০ এর কাছাকাছি এখন তা বেড়ে ৭৩ এর কাছাকাছি।
৮.বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের লাইব্রেরিতে চাকরির বইয়ের জায়গায় একাডেমিক বই পড়ার প্রবণতা বাড়বে।
৯.উচ্চ শিক্ষিত যুবকদের বেকারত্ব হ্রাস পাবে।
১০. নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।