Future Career Development

Future Career Development Future Career Development is a career development program for the employment of unskilled people.

তেল বা গ্যাস নয়, এবার সমুদ্রের পানি থেকে জ্বালানি তৈরি করে রপ্তানি করবে বাংলাদেশ! 🌊⚡🇧🇩কক্সবাজারের মহেশখালীতে হতে যাচ্ছে ...
12/03/2026

তেল বা গ্যাস নয়, এবার সমুদ্রের পানি থেকে জ্বালানি তৈরি করে রপ্তানি করবে বাংলাদেশ! 🌊⚡🇧🇩

কক্সবাজারের মহেশখালীতে হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম এবং যুগান্তকারী 'গ্রিন হাইড্রোজেন' প্রজেক্ট। ডেনমার্ক ও সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগে (CIP ও সামিট গ্রুপ) প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ডলার (১৫ হাজার কোটি টাকা) আসতে চলেছে এই খাতে!

জাদুটি কীভাবে ঘটবে?
✅ প্রযুক্তি: সাগরের বাতাস কাজে লাগিয়ে চলবে বিশাল বায়ুকল (Offshore Wind), আর সেই বিদ্যুৎ দিয়ে সাগরের পানি (ইলেক্ট্রোলাইসিস পদ্ধতিতে) ভেঙে তৈরি হবে হাইড্রোজেন।
✅ রপ্তানি: সম্পূর্ণ কার্বনমুক্ত এই জ্বালানি 'গ্রিন অ্যামোনিয়া' হিসেবে রপ্তানি হবে ইউরোপ ও এশিয়ার উন্নত দেশগুলোতে।
✅ অগ্রগতি: ২০২৫ সালের 'নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা' পাসের পর বর্তমানে জোরেশোরে চলছে সমীক্ষার কাজ। ২০২৭-৩০ সালের মধ্যেই প্রথম ধাপে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন শুরু হবে।

বিশ্ব যখন ভবিষ্যতের জ্বালানি খুঁজছে, তখন বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে এর অন্যতম বড় রপ্তানিকারক!

আমাদের কি এখন থেকে কয়লা/তেল বাদ দিয়ে এই ধরনের প্রজেক্টেই বেশি নজর দেওয়া উচিত?

#নিউজ

⚡অর্থবিত্ত থাকা সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দিইনি। সে তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলত, "বাবা দ...
26/12/2025

⚡অর্থবিত্ত থাকা সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দিইনি। সে তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলত, "বাবা দেখো, সুমন আজ ব্রাণ্ডেড ঘড়ি পরে এসেছে। বাবা দেখো, রাজুর স্কুল ব্যাগটা ইম্পোর্টেড। সুন্দর না বাবা!"

আমি চুপ করে থাকতাম। আমার ছেলের সাহস হয়নি কখনোই আমার কাছে ওই জিনিসগুলো চাওয়ার। একদিন ও খেলতে খেলতে পায়ে ব্যথা পেল। পরদিন স্কুলে যাওয়ার সময় আমাকে বলল, "বাবা, আমাকে তোমার সাথে অফিসের গাড়িতে করে স্কুলে নামিয়ে দেবে?"

আমি ওর অবস্থা দেখে বললাম, "ঠিক আছে।"

এরপর সপ্তাহখানেক ও আমার সাথেই গেল — আমার অফিসের গাড়িতে। আমি ওকে স্কুলের গেটে নামিয়ে দিতাম। এরপর থেকে ছেলের আর স্কুলে হেঁটে যেতে ইচ্ছে করে না! বাধ্য হয়ে আমি বলেই দিলাম, "অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়। বাড়ি থেকে স্কুল দশ মিনিটের পথ। স্কুল টাইমের খানিকক্ষণ আগে বের হবে, তাহলে সময়মতো পৌঁছে যাবে।"

ছেলে আমার প্রচন্ড মন খারাপ করে বসে রইল। ছেলের মায়েরও মুখ গোমড়া। আমি এমন করি কেন? সবাই তো অফিসের গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে। তাহলে আমার সমস্যা কোথায়?

সেদিন সন্ধ্যায় ছেলে বাড়িতে এসে বলল, "জানো, আমার বন্ধু শহরের সবচেয়ে সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও.....।"

এর বেশি কিছু বলার আগেই তাকে থামিয়ে দিয়ে আমি বললাম, "বাবা, প্রতিষ্ঠান সেরা হয় নাকি ছাত্র? ধরো আমি তোমাকে সেই স্কুলে দিলাম, কিন্তু তুমি ফেল করলে। তাহলে আমি কি বলব, তুমি ফেল নাকি তোমার স্কুল?"

ছেলে বলল, "বুঝেছি বাবা!"

আমি ওর মাথায় হাত রেখে বললাম, "এই পর্যন্ত তোমার ক্লাসের কোনো ছেলেই তোমাকে টপকে যেতে পারেনি। বরাবর তুমিই ফার্স্ট হয়েছ। সুতরাং, তুমি যেখানে পড়বে, সেই স্কুলই শহরের সেরা স্কুল।"

এরপর সে আর কিছু বলেনি।

এক বিকেলে ছেলে বলল, "বাবা, আমার এক্সট্রা টিউটর দরকার। ম্যাথ আর ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে।"

জবাবে আমি বললাম, "রাতে যখন আমি বাড়িতে ফিরব, আমার কাছেই তুমি ম্যাথ আর ইংলিশ শিখবে।"

ছেলে বলল, "বাবা, তুমি অনেক পরিশ্রম করে বাড়িতে আসো, তাইনা?"

আমি হেসে বললাম, "বাবা, আমার এত সামর্থ্য নেই তোমাকে এক্সট্রা টিউটর দেওয়ার। আমি বরং একটু কষ্ট করি, কি বলো?"

ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "ঠিক আছে বাবা।"

আমার স্ত্রী রাতে ঘুমাতে গিয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করল, "তুমি এরকম দশটা টিউটর রাখতে পারো, তাহলে ছেলেকে ওই কথাগুলো বললে কেন?

আমি বললাম, "আমি চাই আমার সন্তান বুঝুক আরাম করে কিছু পাওয়া যায় না। মানুষের জীবনে অভাব আসলে তা কিভাবে মোকাবিলা করতে হয় সেটা শিখুক।"

আমার স্ত্রী চুপ হয়ে গেল।

মাঝে মাঝে আমার ছেলেকে নিয়ে আমি ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সম্পর্কে ধারণা দিই। সে জানুক, পৃথিবী শুধু চিন্তায় সুন্দর, বাস্তবে খুব কঠিন! চাওয়া মাত্রই কিছু তাকে আমি কখনও দেই না। একদিন সে বলেছিল, "বাবা, তুমি এরকম কেন?" আমি জবাব দিয়েছিলাম, "সময় হলে বুঝবে!"

একবার সে বায়না ধরল ইলিশ মাছ খাবে। আমি বললাম, "টাকা তো কম! তোমার কাছে কিছু আছে? থাকলে ইলিশ আনা যাবে।"

ছেলে আমার হাতে পঞ্চাশটা দশ টাকার নোট বের করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম, "তুমি খরচ করনি!" সে মুচকি হেসে বলল, "না বাবা! জমিয়েছি। আমার এক বন্ধু মাঝে মাঝে স্কুলে না খেয়ে আসে। আসলে ও খুব অসহায়। আমি ওকে ক্ষুধার্ত দেখলেই বুঝতে পারি। তখন ওকে সাথে নিয়ে খাই। অন্যান্য দিন সব টাকা খরচ করি না, জমিয়ে রাখি, কারণ বাড়ি থেকে তোমরা যা দাও তা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি। কিছু মানুষ তো সামান্যটুকুও পায় না!"

আমি ছেলের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম। সেই জমানো টাকা দিয়ে সেদিন বাজার থেকে ইলিশ এনে ছেলেকে খাওয়ালাম। এভাবে ইচ্ছে করেই মাঝে মাঝে ছেলেকে অভাব অনুভব করাতাম, যাতে সে বোঝে জীবনটা কঠিন, অনেক কঠিন।

একবার মার্কেটে গিয়ে তাকে বললাম সাধ্যের মধ্যে কিনতে। সে একটা প্যান্ট নিল শুধু। আর কিছু লাগবে কিনা জিজ্ঞাসা করলে বলল, "তোমার জন্য পাঞ্জাবি আর মায়ের জন্য শাড়ি নাও।"

আমি হাসলাম।

সে বুঝতে শিখেছে টাকা কিভাবে খরচ করতে হয়। একদিন সন্ধ্যায় আমি চা খাচ্ছিলাম। ও বলল, "বাবা, সায়নটা আর মানুষ হলো না! অথচ আংকেল ওর জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। যখন যা চেয়েছে, তাই পেয়েছে।" আমি ছেলেকে বললাম, "আমি তো তোমাকে কিছুই দিতে পারিনি!" ছেলে আমার কোলে মাথা রেখে বলল, "প্রতিটা চাহিদা পূরণ না করে তুমি শিখিয়েছ অভাবে যেন স্বভাব নষ্ট না হয়। তুমি জীবনে যে শিক্ষা দিয়েছ, তা সবকিছুর উর্ধ্বে। তুমি শিখিয়েছ, অভাবকে কিভাবে ভালবাসতে হয়। আমি এখন জানি, আমার বাবার আমি ছাড়া আর কিছু নেই। বাকিটা আমাকে গড়ে নিতে হবে। আমি সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না। কারণ আমি জানি আমি কে! তোমার দেওয়া শিক্ষা আমি সারাজীবন ধরে রাখব বাবা। চাওয়া মাত্রই পেয়ে গেলে আমি কখনো জানতামই না পঞ্চাশ দিন না খেয়ে টিফিনের টাকা জমালে পাঁচশো টাকা হয়। তুমি ছিলে বলেই সবকিছু সম্ভব হয়েছে। আমি মানুষকে মানুষের চোখে দেখি। আমি বুঝি জীবন কত কঠিন!"

আমার স্ত্রী এখন নিজে থেকেই অনেক খুশি। সে বুঝতে পেরেছে আমার উদ্দেশ্যটা। ছেলে নিজের রোজগারে প্রাইভেট কার কিনে আমাকে হাসতে হাসতে বলল, "দুই বছর ধরে টাকা জমিয়ে কিনেছি এটা!" তখন বুঝেছিলাম ছেলে আমার সঞ্চয়ী হয়েছে। আমার শিক্ষা বৃথা যায়নি।

সেদিন যাবতীয় সম্পত্তি ওকে বুঝিয়ে দিয়ে বললাম, "সামলে রেখো।" ছেলে দলিলগুলো আমার হাতে ফিরিয়ে দিয়ে বলল, "তোমরা সাথে থেকো, আর কিছু লাগবে না।"

ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে ছেলের মাকে বললাম, "দেখেছ, আমি ভুল করিনি। আমি আমার সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাটাই দিয়েছি — যেমনটা আমার বাবা আমাকে দিয়েছিলেন। আমি ওকে অভাবে লজ্জিত হওয়া নয়, বরং দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছি। ওকে আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখিয়েছি, কারো উপর নির্ভর না করে চলতে শিখিয়েছি। ছেলে আমার মানুষের মতো মানুষ হয়েছে। এর চেয়ে বড় সম্পদ আর কি হতে পারে!"

(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)

19/12/2025

"সময় পাই না" এই কথাটা কি আসলেই সত্য?
নাকি আমরা আসলে সময় নষ্ট করি?

চলুন, লাইফটাকে একটু 'Reboot' করি।
মাত্র ৬ মাসের একটা চ্যালেঞ্জ নিন।
এই সময়টা হবে একান্তই আপনার নিজের।
নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার সময়।

কীভাবে করবেন? খুব সিম্পল কিছু স্টেপ ফলো করুন:

🟣 ফালতু আড্ডাকে ‘না’ বলুন

বন্ধু ফোন দিয়ে বলল, “চল মামা, একটু আড্ডা দিয়ে আসি।” আপনিও জানেন ওই আড্ডায় আপনার লাইফের কোনো ভ্যালু অ্যাড হবে না। বিনয়ের সঙ্গে বলুন, “সরি দোস্ত, আজ একটু কাজ আছে।” শুরুতে কঠিন লাগবে, বন্ধুরা হয়তো খোঁচাও মারবে। কিন্তু কিছুদিন পর যখন দেখবেন আপনার পেন্ডিং কাজগুলো শেষ হচ্ছে, তখন নিজের ওপর একটা অদ্ভুত গর্ববোধ হবে।

🟣 নিজের স্বপ্নে ফোকাস করুন

সবারই একটা সুপ্ত স্বপ্ন থাকে। কেউ হয়তো বই লিখতে চায়, কেউ ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চায়, আবার কেউ হয়তো নিজের একটা বিজনেস দাঁড় করাতে চায়। "সময় নাই" বলে আর কতদিন দমিয়ে রাখবেন? এই ৬ মাস সেই স্বপ্নটাকে প্রায়োরিটি দিন। প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা করে সময় দিন। ছোট ছোট স্টেপ নিন।

🟣 'Toxic Circle' থেকে বের হয়ে আসুন

আপনার আশেপাশে এমন কিছু মানুষ আছে যারা আপনাকে কখনো গ্রো করতে দেখবে না, উল্টো আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে বা হতাশ করবে। প্লিজ, এই ৬ মাসের জন্য তাদের থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। এমন মানুষের সাথে মিশুন যারা আপনাকে মোটিভেট করে, যাদের কথা শুনলে পজিটিভ এনার্জি পাওয়া যায়।

🟣 প্ল্যানিং ছাড়া দিন শুরু করবেন না

ঘুম থেকে উঠেই ফোনের নোটিফিকেশন চেক করবেন না। বরং আজকের দিনে কী কী কাজ করবেন, তার একটা ছোট 'To-do list' করে ফেলুন। দিনশেষে যখন দেখবেন সব কাজ ঠিকঠাক শেষ হয়েছে, তখন যে কনফিডেন্সটা পাবেন, সেটা আপনাকে পরের দিনের জন্য চার্জড আপ রাখবে।

🟣 হেলথ ইজ ওয়েলথ, আক্ষরিক অর্থেই

শরীর ফিট না থাকলে দুনিয়ার কোনো সাকসেস দিয়েই লাভ নেই। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন। আর মেন্টাল পিস-এর জন্য ১০ মিনিট মেডিটেশন বা ধর্মীয় প্রার্থনা করুন। ব্রেইন শার্প থাকবে, ফোকাস বাড়বে।

🟣 সোশ্যাল মিডিয়া ফাস্টিং

ফেসবুক, রিলস, টিকটক এগুলো আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় খাদক। এই ৬ মাস নিজেকে প্রমিস করুন, দিনে ১ ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন টাইম দিবেন না। বাকি সময়টা কোনো স্কিল ডেভেলপমেন্টে দিন। কোনো অনলাইন কোর্স করুন বা ভালো কোনো বই পড়ুন।

🟣 নিজেকে 'Asset'- এ পরিণত করুন

প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। সেটা হতে পারে নতুন কোনো ল্যাঙ্গুয়েজ, কোডিং, কুকিং বা পাবলিক স্পিকিং। ৬ মাস পর দেখবেন, আপনি নিজেই একটা স্কিলড বা দক্ষ মানুষে পরিণত হয়েছেন।
জীবনটা কিন্তু খুব ছোট।

অপ্রয়োজনীয় কাজে এটাকে আরও ছোট করবেন না।
৬ মাস পর যখন আয়নায় নিজেকে দেখবেন, তখন যেন মনে হয়
"Yes, this is the updated version of me!"
সিদ্ধান্ত আপনার। শুরুটা কি আজ থেকেই হবে?

“ যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা আমাদের জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি করতেন। এক রা...
09/11/2025

“ যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা আমাদের জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি করতেন। এক রাতে তিনি বাবাকে এক প্লেট সবজি আর একেবারে পুড়ে যাওয়া রুটি খেতে দিলেন। আমি অপেক্ষা করছিলাম বাবার প্রতিক্রিয়া কেমন হয় সেটা দেখার জন্য। কিন্তু বাবা চুপচাপ রুটিটা খেয়ে নিলেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন স্কুলে আমার আজকের দিনটা কেমন গেছে।

আমার মনে নেই বাবাকে সেদিন আমি কি উত্তর দিয়ে ছিলাম কিন্তু এটা মনে আছে যে, মা পোড়া রুটি খেতে দেয়ার জন্য বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। এর উত্তরে বাবা মা’কে যা বলেছিলেন সেটা আমি কোনদিন ভুলব না। বাবা বললেন, ‘প্রিয়তমা, পোড়া রুটিই আমার পছন্দ।’
পরবর্তীতে সেদিন রাতে আমি যখন বাবাকে শুভরাত্রি বলে চুমু খেতে গিয়েছিলাম তখন আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি কি আসলেই পোড়া রুটিটা পছন্দ করেছিলেন কিনা। বাবা আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘তোমার মা আজ সারাদিন অনেক পরিশ্রম করেছেন এবং তিনি অনেক ক্লান্ত ছিলেন।

তাছাড়া একটা পোড়া রুটি খেয়ে মানুষ কষ্ট পায় না বরং মানুষ কষ্ট পায় কর্কশ ও নিষ্ঠুর কথায়। জেনে রেখো, জীবন হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ জিনিস এবং ত্রুটিপূর্ণ মানুষের সমষ্টি।
আমি কোনক্ষেত্রেই সেরা না বরং খুব কম ক্ষেত্রেই ভাল বলা যায়। আর সবার মতোই আমিও জন্মদিন এবং বিভিন্ন বার্ষিকীর তারিখ ভুলে যাই। এ জীবনে আমি যা শিখেছি সেটা হচ্ছে, আমাদের একে অপরের ভুলগুলোকে মেনে নিতে হবে এবং সম্পর্কগুলোকে উপভোগ করতে হবে।

জীবন খুবই ছোট; প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে অনুতপ্ত বোধ করার কোন মানেই হয় না। যে মানুষগুলো তোমাকে যথার্থ মূল্যায়ন করে তাদের ভালোবাসো আর যারা তোমাকে মূল্যায়ন করে না তাদের প্রতিও সহানুভূতিশীল হও।”

তখন ১৯৪১ সাল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। আমরা থাকতাম রামেশ্বরম শহরে। এখানে আমাদের পরিবার বেশ কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে সময় পার করছিল। আমার বয়স তখন মাত্র ১০ বছর। কলম্বোতে যুদ্ধের দামামা বাজছে, আমাদের রামেশ্বরমেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। খাবার থেকে শুরু করে নিত্যব্যবহার্য পণ্য, সবকিছুরই দারুণ সংকট।

আমাদের সংসারে পাঁচ ভাই, পাঁচ বোন। তাদের মধ্যে তিনজনের আবার নিজেদেরও পরিবার আছে, সব মিলিয়ে এক এলাহি কাণ্ড। আমার দাদি ও মা মিলে সুখে-দুঃখে এই বিশাল সংসার সামলে রাখতেন।

আমি প্রতিদিন ভোর চারটায় ঘুম থেকে উঠে অঙ্ক শিক্ষকের কাছে যেতাম। বছরে মাত্র পাঁচজন ছাত্রকে তিনি বিনা পারিশ্রমিকে পড়াতেন। আমার মা আশিয়াম্মা ঘুম থেকে উঠতেন আমারও আগে। তিনি আমাকে গোসল করিয়ে, তৈরি করে তারপর পড়তে পাঠাতেন। পড়া শেষে সাড়ে পাঁচটার দিকে বাড়ি ফিরতাম। তারপর তিন কিলোমিটার দূরের রেলস্টেশনে যেতাম খবরের কাগজ আনতে। যুদ্ধের সময় বলে স্টেশনে ট্রেন থামত না, চলন্ত ট্রেন থেকে খবরের কাগজের বান্ডিল ছুড়ে ফেলা হত প্ল্যাটফর্মে। আমার কাজ ছিল সেই ছুড়ে দেওয়া কাগজের বান্ডিল সারা শহরে ফেরি করা, সবার আগে গ্রাহকের হাতে কাগজ পৌঁছে দেওয়া।

কাগজ বিক্রি শেষে সকাল আটটায় ঘরে ফিরলে মা নাশতা খেতে দিতেন। অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই দিতেন, কারণ আমি একই সঙ্গে পড়া আর কাজ করতাম। সন্ধ্যাবেলা স্কুল শেষ করে আবার শহরে যেতাম লোকজনের কাছ থেকে বকেয়া আদায় করতে। সেই বয়সে আমার দিন কাটত শহরময় হেঁটে, দৌড়ে আর পড়াশোনা করে।
একদিন সব ভাইবোন মিলে খাওয়ার সময় মা আমাকে রুটি তুলে দিচ্ছিলেন, আমিও একটা একটা করে খেয়ে যাচ্ছিলাম (যদিও ভাত আমাদের প্রধান খাবার, কিন্তু রেশনে পাওয়া যেত গমের আটা)। খাওয়া শেষে বড় ভাই আমাকে আলাদা করে ডেকে বললেন, ‘কালাম, কী হচ্ছে এসব? তুমি খেয়েই চলছিলে, মাও তোমাকে তুলে দিচ্ছিল। তার নিজের জন্য রাখা সব কটি রুটিও তোমাকে তুলে দিয়েছে। এখন অভাবের সময়, একটু দায়িত্বশীল হতে শেখো। মাকে উপোস করিয়ে রেখো না।’ শুনে আমার শিরদাঁড়া পর্যন্ত শিউরে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে মায়ের কাছে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরলাম।

মাত্র পঞ্চম শ্রেণিতে পড়লেও পরিবারে ছোট ছেলে হিসেবে আমার একটা বিশেষ স্থান ছিল। আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। কেরোসিন দিয়ে বাতি জ্বালানো হতো; তাও শুধু সন্ধ্যা সাতটা থেকে নয়টা পর্যন্ত। মা আমাকে কেরোসিনের ছোট্ট একটা বাতি দিয়েছিলেন, যাতে আমি অন্তত রাত ১১টা পর্যন্ত পড়তে পারি। আমার চোখে এখনো পূর্ণিমার আলোয় মায়ের মুখ ভাসে।আমার মা ৯৩ বছর বেঁচে ছিলেন। ভালোবাসা আর দয়ার এক স্বর্গীয় প্রতিমূর্তি ছিলেন আমার মা। মা, এখনো সেদিনের কথা মনে পড়ে,যখন আমার বয়স মোটে ১০। সব ভাইবোনের ঈর্ষাভরা চোখের সামনে তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমাতাম।

সেই রাত ছিল পূর্ণিমার। আমার পৃথিবী শুধু তোমাকে জানত মা! আমার মা! এখনো মাঝরাতে ঘুম ভেঙে উঠি। চোখের জল গড়িয়ে পড়ে। তুমি জানতে ছেলের কষ্ট মা। তোমার আদরমাখা হাত আমার সব কষ্ট ভুলিয়ে দিত।

তোমার ভালোবাসা, তোমার স্নেহ, তোমার বিশ্বাস আমাকে শক্তি দিয়েছিল মা। সৃষ্টিকর্তার শক্তিতে ভয়কে জয় করতে শিখিয়েছিল।
শুভ জন্মদিন।

[সূত্র: এ পি জে আবদুল কালামের নিজস্ব ওয়েবসাইট। ইংরেজি থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ]
সংগৃহীত পোস্ট

একদিন গাধা শিয়ালকে বলল, ঘাসের রং নীল।শিয়াল সাথে সাথে জবাব দিল, না, ঘাসের রং সবুজ।কিছুক্ষণের মধ্যেই দুজনের আলোচনা তুমুল...
15/07/2025

একদিন গাধা শিয়ালকে বলল, ঘাসের রং নীল।

শিয়াল সাথে সাথে জবাব দিল, না, ঘাসের রং সবুজ।

কিছুক্ষণের মধ্যেই দুজনের আলোচনা তুমুল তর্কে পরিণত হল। শেষে তারা জঙ্গলের রাজা সিংহের কাছে উপস্থিত হল মীমাংসার জন্য।

রাজদরবারে পৌঁছেই গাধা ডাক ছাড়তে শুরু করে দিল, মহারাজ, আপনিই বলুন ঘাসের রং নীল কিনা?"

সিংহ উত্তর দিল, হ্যাঁ, ঘাসের রং নীল।

গাধা তখন সিংহের সামনে গিয়ে নেচে কুঁদে নালিশের সুরে বলতে থাকল, শিয়াল আমার কথা মানছে না; তর্ক করছে। ওকে শাস্তি দিন।

সিংহ তৎক্ষণাৎ ঘোষণা করল, শিয়ালকে ১ সপ্তাহের জন্য মুখ বন্ধ রাখার শাস্তি দেওয়া হল।

গাধা খুশিতে লাফাতে লাগল এবং বলতে বলতে চলে গেল, ঘাসের রং নীল! ঘাসের রং নীল!

শিয়াল শাস্তি মেনে নিয়ে অনুযোগের সুরে বলল, মহারাজ, আপনি আমাকে শাস্তি দিলেন কেন, যখন ঘাসের রং সত্যিই সবুজ।

সিংহ উত্তর দিল, তোমাকে শাস্তি দেওয়ার সাথে ঘাসের রং সবুজ নাকি নীল সেই প্রশ্নের কোনো সম্পর্ক নেই। তোমাকে শাস্তি দিয়েছি কারণ তোমার মতন একটা বুদ্ধিমান ও সাহসী প্রাণী গাধার সাথে তর্ক করে নিজের মেধার অপচয় করেছে এবং এরকম একটা বাজে কারণে আমার কাছে এসে আমার মূল্যবান সময় নষ্ট করেছে।

শিক্ষা: মূর্খের সাথে কখনো তর্ক করতে যাবেন না।

বেশ্যা একটি গালি,দেখেন মিলে কি না??"অবৈধভাবে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে যারা আজ সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত, অথবা এসব...
15/07/2025

বেশ্যা একটি গালি,
দেখেন মিলে কি না??

"অবৈধভাবে জ্ঞাত
আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে যারা আজ সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত, অথবা এসব টাকা ভোগ করে এরাই হলো সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট বেশ্যা।"

কিন্তু বেশ্যা চরিত্রটা কি খুব খারাপ ?

✍️অর্থের বিনিময়ে যে নারী দেহ বেচে সে বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে নৈতিকতা বেচে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে ফাইলে সই করে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে চাকুরিতে নিয়োগ দেয় সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে আসামীকে জামিন দেয় সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে দলের পদ বেচে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে নমিনেশন বেচে সেও বেশ্যা।

😥তবে যার বেচার মত অবশিষ্ট আর কিছু থাকেনা
সেই নারী শুধু দেহ বেচে।
👉কার কাছে বেচে তার নাম কি???

কবি লিখেছেন:----------
😇বেশ্যা"😇
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম

সাধুর নগরে বেশ্যা মরেছে
পাপের হয়েছে শেষ,
বেশ্যার লাশ হবে না দাফন
এইটা সাধুর দেশ।
জীবিত বেশ্যা ভোগে তো আচ্ছা, মরিলেই যত দোস?
দাফন কাফন হবে না এখন
সবে করে ফোস ফোস।
বেশ্যা তো ছিল খাস মাল, তোদের রাতের রানী,
দিনের বেলায় ভুরু কোচ কাও?
মরিলে দেওনা পানি!
সাধু সুনামের ভেক ধরিয়া দেখালি দারুন খেলা,
মুখোশ তোদের খুলবে অচিরে
আসবে তোদের বেলা।
রাতের আধারে বেশ্যার ঘর স্বর্গ তোদের কাছে,
দিনের আলোতে চিননা তাহারে?
তাকাও নাকো লাজে!
চিনি চিনি ভাই সব সাধু রেই হরেক রকম সাজ,
সুযোগ পেলেই দরবেশী ছেরে দেখাও উদ্দাম নাচ!
নারী আমাদের মায়ের জাতি বেশ্যা বানালো কে?
ভদ্র সমাজে সতীর ছেলেরা খদ্দের সেজেছে?
গরীবের বৌ সস্তা জিনিস সবাই ডাকো ভাবি,
সুযোগ পেলেই প্রস্তাব দাও আদিম পাপের দাবি।
স্বামী যখন মরলো ভাবির দুধের শিশু কোলে,
ভদ্র দেবর সুযোগ খোঁজে সহানুভূতির ছলে,
দিনের মত দিন চলে যায়,
হয় না তাতে দোষ
মরা লাশের সুযোগ পেয়ে মোল্লার রোষ।
মোল্লা সাহেব নায়েবে রাসুল ফতোয়া ঝারিশা কয়,
পতিতা নারীর জানাজা কবর এই এলাকায় নয়।
শুধাই আমি ওরে মোল্লা জানাযায় যত দোষ,
বেশ্যার দান নিয়াছো ঝোলিয়ে তুমি বেটা নির্দোষ?
বেশ্যার তবু আছে পাপ বোধ নিজেকে সে ভাবে দোষী,
তোমরা তো বেটা দিন বেচে খাও হচ্ছেয় খোদার খাসি।
আল্লাহর ঘর মসজিদে ও আছে বেশ্যার দান -কলেমা পড়েছে সে ওতো তবে নামেতে মোসলমান!
বেশ্যা নারী ব্যবসায় নারী পুরুষরা পুরুষরা সব সৎ?
জানি মোল্লা খুলবে না মুখ চাকরি যাওয়ার পথ!
আর কতকাল থাকবি অমন মুখোশ ধারীর দল,
আসবো এবার মশাল নিয়ে ভাঙতে তোদের কল।
সত্যর আলো জলবে যখন চিনবে তোদের সবে,
লেবাশধারী মুখোশধারী মুখোশ উপরে যাবে।
এই ভাবে আর চালাবি কত ছল চাতুরীর খেলা।
আসবে তিনি, এবার তোদের বিদায় নেবার পালা।।।
✍️

একটি কোম্পানির ইন্টারভিউ চলছিল। বস সামনের টেবিলে বসা মহিলার সিভি দেখে জিজ্ঞাসা করলেন,“এই চাকরির জন্য আপনি কত বেতন আশা কর...
09/07/2025

একটি কোম্পানির ইন্টারভিউ চলছিল। বস সামনের টেবিলে বসা মহিলার সিভি দেখে জিজ্ঞাসা করলেন,
“এই চাকরির জন্য আপনি কত বেতন আশা করছেন?”

মহিলা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন,
“অন্তত ৯০,০০০ টাকা।”

বস তার দিকে তাকিয়ে বললেন,
“আপনার কি কোনো খেলার প্রতি আগ্রহ আছে?”

মহিলা উত্তর দিলেন,
“জি হ্যাঁ, আমি দাবা খেলতে খুব ভালোবাসি।”

বস হাসিমুখে বললেন,
“দাবা তো খুব মজার খেলা। বলুন তো, দাবার কোন গুটিটি আপনার সবচেয়ে প্রিয়?”

মহিলা হাসি দিয়ে বললেন,
“ওজির।”

বস বললেন,
“কেন? আমার তো মনে হয় ঘোড়ার চাল সবচেয়ে অনন্য।”

মহিলা গম্ভীরভাবে বললেন,
“হ্যাঁ, ঘোড়ার চাল আকর্ষণীয়, কিন্তু ওজিরের মধ্যে সব গুণ রয়েছে। সে তির্যক চলতে পারে, সরাসরি এগোতে পারে এবং প্রয়োজনে রাজার ঢাল হয়ে যায়।”

বস মুগ্ধ হয়ে আবার জিজ্ঞাসা করলেন,
“তাহলে রাজাকে আপনি কেমন দেখেন?”

মহিলা বললেন,
“দাবার খেলায় আমি রাজাকে সবচেয়ে দুর্বল মনে করি। সে নিজেকে রক্ষা করার জন্য মাত্র একটি পদক্ষেপ নিতে পারে, যখন ওজির তার চারপাশে সবদিক থেকে রক্ষা করে।”

বস তার উত্তরে মুগ্ধ হয়ে আরও জানতে চাইলেন,
“তাহলে আপনি নিজেকে দাবার কোন গুটির সঙ্গে তুলনা করবেন?”

মহিলা নির্দ্বিধায় বললেন,
“রাজা।”

বস কিছুটা অবাক হয়ে বললেন,
“কিন্তু আপনি তো রাজাকে দুর্বল বলেছিলেন। তাহলে নিজেকে কেন রাজা বলছেন?”

মহিলা হালকা হাসি দিয়ে বললেন,
“কারণ আমি একজন রাজা, আর আমার ওজির ছিল আমার স্বামী। তিনি আমাকে সবসময় রক্ষা করতেন। কিন্তু এখন তিনি আর আমাদের মাঝে নেই।”

বস স্তব্ধ হয়ে গেলেন। তিনি ধীরে ধীরে জিজ্ঞাসা করলেন,
“তাহলে আপনি এই চাকরি কেন করতে চান?”

মহিলা চোখের কোণে জল নিয়ে বললেন,
“কারণ আমার ওজির চলে যাওয়ার পর, এখন আমাকে নিজেই ওজির হয়ে আমার সন্তানদের ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে।”

ঘরের মধ্যে গভীর নীরবতা নেমে এল। বস হাততালি দিয়ে বললেন,
“আপনি এক সাহসী নারী। শুভকামনা আপনার জন্য।”

এই গল্পটি সমস্ত নারীদের জন্য এক অনুপ্রেরণা।

জীবনের প্রতিকূল সময়ে যদি দৃঢ়তা, শিক্ষা ও আত্মবিশ্বাস থাকে, তবে যেকোনো সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব। নারীদের ভালো শিক্ষা ও সঠিক মূল্যায়ন দেওয়া খুবই জরুরি, যেন তারা প্রয়োজনে নিজেদের পরিবারকে রক্ষা করার শক্তি অর্জন করতে পারে।

ভারত বর্ষের সর্ব্বোচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি!!বলতে গেলে, তিনিই পৃথিবীর সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যাক্তি!! পয়সার গরম তো জীবনে অনেক দেখল...
08/07/2025

ভারত বর্ষের সর্ব্বোচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি!!
বলতে গেলে, তিনিই পৃথিবীর সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যাক্তি!!

পয়সার গরম তো জীবনে অনেক দেখলেন । কিন্ত বিদ্যার এমন গরম দেখেছেন না শুনেছেন কখনও? সবটা শুনলে মাথা ঝিমঝিম করবে, হাত পা’ও অবশ হয়ে যেতে পারে বৈকি।এক জীবনে এত পড়াশোনা কোন রক্ত মাংসের মানুষ করতে পারে, না পড়লে বিশ্বাস হবে না।তাও আবার সেই ভদ্রলোক যদি ভারতীয় হন !!

মারাঠি এই ভদ্রলোকের নাম ‘শ্রীকান্ত্ জিচকার’।

পড়াশোনার কেরিয়ারটা একবার হাল্কা করে চোখ বুলিয়ে নিন শুধু , তাহলেই মালুম পড়বে ভদ্রলোক কি কাণ্ডটাই না করেছেন।

১.জীবন শুরু MBBS, M.D দিয়ে।

২.এরপর L.L.B করলেন।সাথে করলেন ইন্টারন্যাশানাল ল-এর ওপর স্নাতকোত্তর।

৩.এরপর বিজনেস ম্যানেজমেন্ট এর ওপর ডিপ্লোমা,সাথে M.B.A ।

4. এরপর জার্নালিজম নিয়ে স্নাতক।

এতদূর পড়ার পর আপনার যখন মনে হচ্ছে লোকটা পাগল নাকি,তখন আপনাকে বলতেই হচ্ছে এ তো সবে কলির সন্ধ্যে । এখনো গোটা রাত বাকি।

এই ভদ্রলোকের শুধু স্নাতকোত্তর ডিগ্রীই আছে দশটা বিষয়ের ওপর! স্নাতকোত্তরের বিষয়ের তালিকাটা একবার দেখুন খালি-

১.পাবলিক আ্যডমিনিস্ট্রেশন

২.সোশিওলজি

৩.ইকোনমিক্স

৪.সংস্কৃত(ডি.লিট)

৫.হিস্ট্রী

৬.ইংলিশ

৭.ফিলোসফি

৮.পলিটিক্যাল সায়েন্স

৯.এনসিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রী, কালচার,এন্ড আর্কেওলজি

১০.সাইকোলজি

ওপরের যতগুলো বিষয় দেখছেন সব ক’টিতেই প্রথম শ্রেণীর সঙ্গে স্নাতকোত্তর, এবং ২৮টি স্বর্ণপদক বিজয়ী।সব মিলিয়ে ১৯৭৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রতি গ্রীষ্মে ও প্রতি শীতেই উনি কোনো না কোন স্নাতকোত্তরের বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে গেছেন।

মাথা ঝিমঝিম করছে তো!তা মাথার আর দোষ কি বলুন!তবে মাথা ঘুরে পড়ে যাবার আগে একবারটি শুধু শুনে যান।এতসব পড়তে পড়তে ওনার যখন একঘেয়েমি লাগছিল,ঠিক করলেন এবার একটু স্বাদ বদলানো যাক! তো স্বাদ বদলাতে আমি আপনি বেড়াতে যাই,আর উনি “আই.পি.এস(IPS)” পরীক্ষায় বসলেন আর পাশ করলেন।সেটা ১৯৭৮ সাল।কিন্তু পোষালো না চাকরীটা।চাকরীটা ছেড়ে দিয়ে বসলেন “আই.এ.এস(IAS)” পরীক্ষায়।১৯৮০ তে “আই.এ.এস(IAS)” হলেন।

নটে গাছটা তাহলে মুড়োলো শেষ অবধি।আজ্ঞে না মুড়োয় নি এখনো।চারমাসের মধ্যে “আই.এ.এস(IAS)” এর চাকরীটাও ছেড়ে দিলেন মহারাষ্ট্রের বিধান সভা ভোটে লড়বেন বলে।১৯৮০ তে উনি যখন বিধায়ক নির্বাচিত হলেন তখন ওনার বয়স সবে ২৫।উনি হলেন ভারতের সবচেয়ে কমবয়সী বিধায়ক।সবই হল যখন তখন মন্ত্রী হওয়াটাই বা আর বাকী থাকে কেন!সেটাও হলেন এবং একটা দুটো দপ্তরের নয়,একেবারে ১৪ টা দপ্তরের।১৯৯২ সাল নাগাদ রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হলেন।

ওনার এই ‘সামান্য’ কয়েকটি গুণ ছাড়াও তিনি

অসাধারণ চিত্রশিল্পী,

পেশাদার ফটোগ্রাফার,

মঞ্চাভিনেতা,

সখের বেতার চালক

ও জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ ও ইউনেস্কোতে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

ব্যক্তিগত সংগ্রহে ৫২০০০ বই রয়েছে ওনার। ‘লিমকা বুক অফ রেকর্ডস’ ওনাকে “ভারতবর্ষের সবথেকে শিক্ষিত ব্যক্তি”র শিরোপা দিয়েছে।১৯৮৩ তে উনি ‘বিশ্বের অসামান্য দশজন তরুণ’ হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০০৪ এ পথ দুর্ঘটনায় ওনার মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৪৯

-সংগৃহীত

এক ব‍্যক্তি তার ছেলেকে ডেকে বললেন, যাও, আমাদের পুরাতন গাড়িটা বিক্রি করে এসো!ছেলে ফিরে এসে বলল, বাবা, গাড়ির দাম বলছে ৩০ হ...
01/07/2025

এক ব‍্যক্তি তার ছেলেকে ডেকে বললেন, যাও, আমাদের পুরাতন গাড়িটা বিক্রি করে এসো!
ছেলে ফিরে এসে বলল, বাবা, গাড়ির দাম বলছে ৩০ হাজার টাকা!
বাবা বললেন, অন‍্য দোকানির কাছে যাও।
ছেলে ফিরে এসে বলল, বাবা উনি তো আরো কম বলছেন, ২০ হাজার।
বাবা বললেন, অন্য কোনো দোকান দেখো না!

ছেলে এবার গেল একটা এন্টিকের দোকানে। দোকানি গাড়ি দেখে হতবাক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার গাড়ি! তিনি গাড়ির দাম দিতে চাইলেন ৩০ লাখ টাকা!

বাবা সব শুনে বললেন, শোনো বাবা, জীবনে তোমাকে সবাই সমান দাম দেবে না! নিজের দাম বাড়াতে হলে তোমাকে সঠিক জায়গা খুঁজে বের করতে হবে। হয়তো এমন কাউকে পাবে যে তোমার আসল মূল্য বুঝবে! যে বুঝবে সেই তোমার প্রকৃত বন্ধু। আর বাকিরা হলো দরকারের সঙ্গী! দরকারের সঙ্গীসহ সবাইকেই সঙ্গ দিও, বিশ্বাস করো কেবল তাকে যে তোমার মূল্য বোঝে।

"অমুক মাছ কেটে দিনে দশ হাজার কামাচ্ছে""লাউয়ের বাগান করে কোটিপতি""চাকরি ছেড়ে গোবর আর কেঁচো নাড়াচাড়া"এসব গল্প এখন অনেকেই শ...
10/06/2025

"অমুক মাছ কেটে দিনে দশ হাজার কামাচ্ছে"
"লাউয়ের বাগান করে কোটিপতি"
"চাকরি ছেড়ে গোবর আর কেঁচো নাড়াচাড়া"
এসব গল্প এখন অনেকেই শোনায়।

তরুণদের জন্য, এই ফাঁদে পড়বেন না। একদম নিজের চোখে দেখা অভিজ্ঞতা। আমাদের বয়সী একজন, ওয়েল পেইড জব ছেড়ে এইসব কুইক ক্যাশের নেশায় পড়ে গেলো। এখন হাউমাউ করে ম*রছে।

১। আপনি যা-ই করেন, সেটার এক্সপান্ডিবিলিটি থাকতে হবে। ধরুন, একজন রিকশাওয়ালা, সে ডিসেন্ট আয় করে, এন্ট্রি লেভেল চাকরিজীবীর চেয়ে বেশী। রিকশাওয়ালা ৩০ হাজার কামায় আর জবে নতুন হলে ১৫ হাজার বেতন - সবাই আপনাকে এটুকুই বলবে।

এবার পরের হিসাবটা, ধরুন ওই রিকশাওয়ালা তার ইনকাম ডাবল করতে চায়, বা ইভেন বাড়াতে চায়। তার জন্য একমাত্র অপশন রিকশা চালানোর সময় বাড়িয়ে দেওয়া। ডাবল করতে চাইলে তাকে ১০ ঘন্টার জায়গায় ২০ ঘণ্টা রিকশা চালাতে হবে। এটা কী ফিজিকালি পসিবল? সাথে বৃষ্টি, রোদ, ছুটির দিনে কাজে না গেলে আয় নেই।
বা যে মাছ কাটছে তাকে ডাবল মাছ কাটতে হবে।

কিন্তু এন্ট্রি লেভেলের জবে ৪/৫ বছরে বেতন ডাবল হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক, কোনো অতিরিক্ত ঘন্টা না বাড়িয়েই।

২। আপনি যে কাজটা করতে চান সেটা তো ভালো লাগতে হবে। ফেসবুকের এক লাইকখোরের লেখা পড়ে আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন বাজারে বসে মাছ কাটবেন, চাকরীর ডাবল ইনকাম। ভেবে দেখুন, আগামী ত্রিশ বছর আপনি বটি ঘাড়ে করে মাছবাজারে গিয়ে নোংরা জলের মধ্যে বসে মাছ নাড়াচাড়া করতে রাজি আছেন কিনা।

৩। লাইফস্টাইলের ব্যপার রয়েছে। আপনার যখন তেমন ইনকাম ছিলো না আপনি বাইক চালাতেন। সামনে টাকা হবে, গাড়ী কিনবেন। কিন্তু এসব কাজে তার কাজ কী? গাড়ী চালিয়ে কি আপনি ঝালমুড়ি বেচতে যাবেন?

৪। চাকরিজীবি বা ডিসেন্ট লেভেলের উদ্যোক্তা হলে আপনি তার সাথে একটা লাইফস্টাইল আর নেটওয়ার্ক বাই ডিফল্ট পাবেন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ধরুণ, আপনি একটা স্টেশনারি কোম্পানির মার্কেটিংয়ে জব করেন। আপনি আজ এই ভার্সিটিতে, কাল ওই ঝকঝকে অফিসে বিটুবি ডিল করতে যাবেন। কত হাই স্কিল লোকের সাথে পরিচিতি হবে, কন্টাক্ট বিনিময় হবে।

কিন্তু আপনি টাকা দেখে রাস্তায় ঝুড়ি নিয়ে দাড়ালেন। আপনার নেটওয়ার্ক হবে পাশের বাদামওয়ালা, গান গাওয়া ভিক্ষুক। ওই বাদামওয়ালার এই মুহুর্তের সবচেয়ে বড় চিন্তা সে কতক্ষণে সব বিক্রি করে ঘরে যাবে। আগামীকালও সে একই কাজ করবে। আপনার মত তার অ্যাম্বিশন নেই, বড় কিছু করার ইচ্ছে নেই, দেশ-মানুষের উপকারে আসার খায়েশ নেই।

মনে রাখবেন, Your network is your net-worth

৫। আর এইসব পেশায় যে খুব বেশী ইনকাম হয় তাও কিন্তু না। শিরোনামে লেখা 'চাকরি ছেড়ে লাউ চাষে লাখপতি'। ভিতরে লিখেছে এক বছরে তার আয় তিন লাখ টাকা। মানে ওই লোক মাসে ২৫,০০০ টাকা কামায়, সেটা আবার নিউজ!

তাই এইসব ভুয়া মোটিভেশনের ফাঁদে পড়বেন না। প্রতিবছর নিউজ মিডিয়াগুলো নিজেদের স্বার্থেই এরকম নিউজ করে। গত পাঁচ বছরে তো নিউজ কম দেখেন নি, আইফোন হাতে বাদামওয়ালা, ডিএসএলআর হাতে খিচুড়ি বিক্রেতা। প্রশ্ন হলো তারা এখন কোথায়? তারা এখনো কেন সেই রাস্তায় বসছে না আর ওরকম আয় করছে না? তাহলে এগুলো রিলায়েবল পেশা হয় কিভাবে?

কোন কাজই ছোট নয়। কিন্তু সব কাজই যে আপনার ফিল্ড, তা-ও নয়।
আপনার কাছে খুব ভালো একটা প্লান আছে, কিন্তু পঞ্চাশ হাজার টাকার জন্য আপনি এগোতে পারছেন না। এখন আপনি যদি মাছ কুটে, বাদাম বেঁচে ওই পঞ্চাশ হাজার টাকা জোগাড় করে ফেলতে পারেন, তাহলে সেটা ঠিক আছে। কিন্তু যেভাবে এসব পেশাকে সরাসরি একটা ওয়েল পেইড জবের বিকল্প হিসেবে দেখানো হচ্ছে, তা মোটেও রিয়েলিস্টিক নয়।

✅চাকরি কিংবা ব্যবসা এটা কোনো বিষয় নয়। আপনার কোনটা ভাল লাগে কোনটা করলে আপনি সামাল দিতে পারবেন কিংবা সামাজিকতা রক্ষা করতে পারেন তা নিয়ে ভাবুন। কাজ করুন।টাকা আয় করুন।

#আয় #কাজ

মধ্যবিত্তদের জন্য ছয়টি রেড ফ্ল্যাগ।বাদল সৈয়দ ১। ভুল জমি, ভুল ফ্লাট: অপর নাম 'কান্না'।আপনার সারাজীবনের সঞ্চয় খপ করে খেয়ে ...
28/05/2025

মধ্যবিত্তদের জন্য ছয়টি রেড ফ্ল্যাগ।
বাদল সৈয়দ

১। ভুল জমি, ভুল ফ্লাট: অপর নাম 'কান্না'।

আপনার সারাজীবনের সঞ্চয় খপ করে খেয়ে ফেলার জন্য উৎ পেতে আছে ভুয়া রিয়েল এস্টেট কোম্পানি। কেনার সময় আপনাকে যে জমি দেখানো হবে আসলে তা হয়ত কেনাই হয়নি। জমির মালিককে মাসে দুহাজার টাকা ভাড়া দিয়ে জমির উপর কোম্পানিটি সাইনবোর্ড লাগিয়েছে মাত্র। এ জমি কিনলেন তো বঙ্গোপসাগরে সর্বস্ব বিসর্জন দিলেন। ঠক খাওয়া মানুষটির এসব মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কিছুই করার থাকে না। আশেপাশে তাকালেই এদের হাতে পথের ফকির হয়েছেন এমন অনেককেই দেখবেন।উল্টাপাল্টা ডেভেলপার থেকে ফ্লাট কিনলেও একই দশা। মনে রাখবেন, একটি ভুল জমি বা ফ্লাট ইকুয়াল টু বাকি জীবনের কান্না।

২. অস্বাভাবিক ডিসকাউন্ট: ১০ নম্বর
বিপৎসংকেত।

কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান পঞ্চাশ হাজার টাকার জিনিস দশ হাজার টাকায় অফার করবে। কমদাম দেখে মধ্যবিত্তরা ঝাঁপ দেন। এরমধ্যে সামান্য কয়েকজনকে পণ্য সরবরাহ করা হবে, বাকিদের দেবে না। সোজা কথায় তাঁদের টাকা মেরে দেওয়া হবে। বঞ্চিতরা এ কোম্পানির মালিককে জীবনেও ধরতে পারবেন না। তাঁদের সে ক্ষমতা নেই। সব ক্ষমতা টাউট কোম্পানির মালিক তাদের ঠকানো টাকায় কিনে নিয়েছে।

৩। না বুঝে ব্যবসা করা: লবণ দিয়ে চা খাওয়া।

এক্ষেত্রে বেশি ধরা খান সারাজীবন চাকুরি করে রিটায়ারমেন্টে বেনিফিট দিয়ে যারা ব্যবসা করতে যান। ব্যবসার 'ব' না বুঝে ব্যবসা করলেন মানে এতদিন রক্ত পানি করে যে টাকা জমিয়েছেন তাতে আগুন ধরিয়ে দিলেন। হাতে টাকা এলে আপনার কাছে অনেকেই আসবেন ব্যবসা বুদ্ধি দিতে। এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দেবেন। আমাকে কেউ এ বুদ্ধি দিলে আমি হাসতে হাসতে বলব, 'ভাইসাহেব, এক কাপ লবণ দিয়ে চা দেই, ওটা খেলে বুঝবেন লবণ যেমন চায়ের সাথে যায় না, আমার সাথে ব্যবসাও তেমন যায় না।

৪। ব্যবসা করার জন্য অন্যকে টাকা দেওয়া: ভুল সবই ভুল।

ব্যবসা না বুঝে তা করতে গিয়ে আমরা যেমন মারা খাই, ঠিকই তেমনি আমাদের মরা লাশ জলে ভাসে অন্যের হাতে লাভের আশায় সঞ্চয় তুলে দিলে। আমি এমন মানুষ খুব কম দেখেছি, যারা অন্যকে ব্যবসা করার জন্য টাকা দিয়ে জিতেছেন। দুটো কারণে এটা হয়। প্রথমত যিনি ব্যবসার জন্য টাকা নিয়েছেন তিনি নিজেই মার খেয়েছেন, ফেরত কোত্থেকে দেবেন? দুই নম্বর হলো, টাকা মেরে দেওয়া। কয়েকমাস লাভ দিয়ে তারপর অস্বীকার! লাভ তো দূরের কথা আসলই ফেরত পাওয়া যায় না। তাই লাভের আশায় অন্যকে টাকা দিলেন মানে ব্যাংকের চেক কাটলেন না, নিজের ভাগ্যকেই নিজে কেটে দিলেন। সর্বনাশকে লাল গালিচা পেতে আমন্ত্রণ জানালেন।

৫। অস্বাভাবিক মুনাফা বা সুদ: ইঁদুর মারা ফাঁদ।

যখন কোনো প্রতিষ্ঠান বাজারে প্রচলিত বা সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ মুনাফা বা সুদের চাইতে বেশি অফার করে তখন বুঝে নেবেন, আপনাকে 'বকরি' বানানোর কায়দা করা হচ্ছে। জবাই করাত ছুরি শান দেওয়া হচ্ছে। এরা তো জ্বীন-ভূত না যে বাজারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চাইতে বেশি লাভ দেবে! এটা কি সম্ভব? এদের হাতে কি আলাদীনের চেরাগ আছে? নেই। তবে আপনার টাকা মেরে দিয়ে হাওয়া হয়ে যাওয়ার জন্য 'ম্যাজিক কার্পেট' আছে।

৫। বোকা ম্যার‍্যাথন এবং দুঃখ নামের মেডাল। #

আমাদের একটা বাজে অভ্যাস হলো অন্যদের সাথে অন্ধ প্রতিযোগিতা। পাশের বাসায় ৪২ ইঞ্চি টিভি কেনা হয়েছে! আমারও কিনতে হবে। কেউ গাড়ি কিনেছে! ধারকর্জ করে আমাকেও কিনতে হবে। ফলাফল হচ্ছে, পায়ের নিচের মাটি সরে যাওয়া। এ ইঁদুর দৌড়ের কারণে যখন জীবনে ঘোর বর্ষা নামবে তখন হাতে ছাতা থাকবে না। ফালতু প্রতিযোগিতার কারণে সে ছাতা তো কবেই বিক্রি করে দিয়েছি!

তাহলে কী করবেন? সমাধান কী?

উত্তর: উপরের কোনোটিই করবেন না। টাকাও নিরাপদ থাকবে, আপনিও নিরাপদ থাকবেন। হাতের ছাতা হাতেই থাকুক, নয়ত বর্ষাকালে ভিজে মরণ জ্বরে মরবেন।

রেড ফ্ল্যাগগুলো থেকে উপরওয়ালা আমাদের রক্ষা করুন। সবার প্রতি শ্রদ্ধা, শুভকামনা।

Address

Bijoynagar
Khilgaon
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Future Career Development posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share