সহি বুখারি

সহি বুখারি Sohi hadith collaction by bangla font

15/08/2023
02/12/2019

★★★★★আবূ নু‘আয়ম (র)… ‘আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি নবী করীম (স) কে দেখলাম, জামরার নিকট তাঁকে মাস‘আলা জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে । এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলঃ ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কংকর মারার আগেই কুরবানী করে ফেলেছি।’ তিনি বললেনঃ কংকর মার, তাতে কোন ক্ষতি নেই।’ অন্য এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলঃ ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কুরবানী করার পূর্বেই মাথা মুড়ে ফেলেছি।’ তিনি বললেনঃ কুরবানী করে নাও, কোন ক্ষতি নেই।’ বস্তুত আগে পিছু করার যে কোন প্রশ্নই তাঁকে করা হচ্ছিল, তিনি বলছিলেনঃ ‘কর, কোন ক্ষতি নেই।’

30/11/2019

আবূ নু‘আয়ম (র)… ‘আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি নবী করীম কে দেখলাম, জামরার নিকট তাঁকে মাস‘আলা জিজ্ঞাসা করা হছে। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলঃ ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কংকর মারার আগেই কুরবানী করে ফেলেছি।’ তিনি বললেনঃ কংকর মার, তাতে কোন ক্ষতি নেই।’ অন্য এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলঃ ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কুরবানী করার পূর্বেই মাথা মুড়ে ফেলেছি।’ তিনি বললেনঃ কুরবানী করে নাও, কোন ক্ষতি নেই।’ বস্তুত আগে পিছু করার যে কোন প্রশ্নই তাঁকে করা হচ্ছিল, তিনি বলছিলেনঃ ‘কর, কোন ক্ষতি নেই।’

27/11/2019

উসমান (র)… আবূ মূসা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী করীম – এর কাছে এসে বলল, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ কোনটি, কেননা আমাদের কেউ লড়াই করে রাগের বশীভূত হয়ে, আবার কেউ লড়াই করে প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য। তিনি তার দিকে মাথা তুলে তাকালেন। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর মাথা তোলার কারণ ছিল যে, সে ছিল দাঁড়ানো। এরপর তিনি বললেনঃ আল্লাহর দীনকে বুলন্দ করার জন্য যে যুদ্ধ করে সেই আল্লাহর রাস্তায়।

26/11/2019

আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-মুসনাদী (র)… সা‘ঈদ ইবন জুবায়র (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ইবন ‘আব্বাস (রা)- কে বললাম, নাওফ আল-বাকালী দাবী করে যে, মূসা (আ)[যিনি খাযির (আ)- এর সাক্ষাৎ লাভ করেছিলেন] বনী ইসরাঈলের মূসা নন বরং তিনি অন্য এক মূসা। (একথা শুনে তিনি) তিনি বললেনঃ আল্লাহর দুশমন মিথ্যা বলেছে। উবাঈ ইবন কা‘ব (রা) নবী থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইরশাদ করেনঃ মূসা একবার বনী ইসরাঈলদের মধ্য বক্তৃতা দিতে দাঁড়ালেন। তখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, সবচাইতে জ্ঞানী কে? তিনি বললেন, ‘আমি সবচাইতে জ্ঞানী।’ মহান আল্লাহ তাঁকে সতর্ক করে দিলেন। কেননা তিনি ইলমকে আল্লাহর উপর ন্যস্ত করেন নি। তারপর আল্লাহ তাঁর নিকট এ ওহী পাঠালেনঃ দুই সমুদ্রের সংগমস্থলে আমার বান্দাদের মধ্য এক বান্দা রয়েছে, যে তোমার চাইতে বেশী জ্ঞানী। তিনি বলেন, ‘ইয়া রব! কিভাবে তাঁর সাক্ষাৎ পাওয়া যাবে?’ তখন তাঁকে বলা হল, থলের মধ্য একটি মাছ নিয়ে নাও। এরপর যেখানে সেটি হারিয়ে ফেলবে সেখানেই তাঁকে পাবে। তারপর তিনি রওয়ানা হলেন এবং ইউশা‘ ইবন নূন নামক তাঁর একজন খাদিমও তাঁর সাথে চলল। তাঁরা থলের মধ্য একটি মাছ নিলেন। চলার পথে তাঁরা একটি বড় পাথরের কাছে এসে, সেখানে মাথা রেখে শুয়ে পড়লেন। তারপর মাছটি (জীবিত হয়ে) থলে থেকে বেরিয়ে গেল এবং সুড়ঙ্গের মত পথ করে সমুদ্রে চলে গেল। এ ব্যাপারটি মূসা (আ) ও তাঁর খাদিম-এর জন্য ছিল আশ্চর্যের বিষয়। এরপর তাঁরা তাঁদের বাকী রাতটুকু এবং পরের দিনভর চলতে থাকলেন। পরে ভোরবেলা মূসা (আ) তাঁর খাদিমকে বললেন, ‘আমাদের নাশতা নিয়ে এস, আমরা আমাদের এ সফরে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি, আর মূসা (আ) কে যে স্থানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সে স্থান অতিক্রম করার পূর্বে তিনি ক্লান্ত অনুভব করেন নি। তারপর তাঁর খাদিম তাঁকে বলল, ‘আপনি কি লক্ষ্য করেছন, আমরা যখন পাথরের পাশে বিশ্রাম করছিলাম, তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছি? মূসা (আ)বললেন, ‘আমরা তো সেই স্থান্টিই খুঁজছিলাম। তারপর তাঁরা তাঁদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চলল। তাঁরা সেই পাথরের কাছে পোঁছে, কাপড়ে আবৃত (বর্ণনাকারী বলেন) কাপড় মুড়ি দেওয়া এক ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন। মূসা (আ) তাঁকে সালাম দিলেন। তখন খাযির বললেন, এ দেশে সালাম কোথা থেকে এল! তিনি বললেন, ‘আমি মূসা।’ খাযির জিজ্ঞাসা করলেন, ‘বনী ইসরাইলের মূসা (আ)?’ তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি আরো বললেন, “আমি কি আপনাকে অনুসরণ করতে পারি এ শর্তে যে, সত্য পথের যে জ্ঞান আপনাকে দান করা হয়েছে, তা থেকে আমাকে শিক্ষা দিবেন? খাযির বললেন, “তুমি কিছুতেই আমার সঙ্গে ধৈর্য ধারণ করতে পারবে না।” ‘মূসা (আ) বললেন, “আল্লাহ চাইলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন এবং আমি আপনার আদেশ অমান্য করব না। তারপর তাঁরা দুজন সমুদ্র তীর দিয়ে চলতে লাগলেন, তাঁদের কোন নৌকা ছিল না। ইতিমধ্যে তাঁদের কাছ দিয়ে একটি নৌকা যচ্ছিল। তাঁরা নৌকাওয়ালাদের সঙ্গে তাঁদের আরোহণ করিয়ে নেওয়ার কথা বললেন। তারা খাযিরকে চিনতে পারল এবং ভাড়া ব্যতিরেকে তাঁদের নৌকায় তুলে নিল। তখন একটি চড়ুই পাখি এসে নৌকার এক প্রান্তে বসে দুই-একবার সমুদ্রে তার ঠোঁট মারল। খাযির বললেন, ‘হে মূসা (আ)! আমার ইলম ইবং তোমার ইলম (সব মিলেও) আল্লাহর ইলম থেকে সমুদ্র থেকে চড়ুই পাখি্র ঠোঁটে যতটুকু পানি এসেছে ততটুকু পরিমাণও কমাতে পারবে না।’ এরপর খাযির নৌকার তক্তাগুলির মধ্য থেকে একটি খুলে ফেললেন। মূসা (আ) বললেন, এরা আমাদের ভাড়া ছড়া আরোহণ করিয়েছে, আর আপনি আরোহীদের ডুবিয়ে দেওয়ার জন্য নৌকায় ফাটল সৃষ্টি করলেন?’ খাযির বললেন, “আমি কি বলিনি যে, তুমি কিছুতেই আমার সঙ্গে ধৈর্য ধারণ করতে পারবে না।” মূসা (আ) বললেন, ‘আমার ভুলের জন্য আমাকে অপরাধী করবেন না এবং আমার ব্যাপারে অধির কঠোরতা অবলম্বন করবেন না।’ বর্ণনাকারী বলেন, ইহা মূসা (আ) এর প্রথম ভুল। তারপর তাঁরা উভয়ে (নৌকা থেকে নেমে) চলতে লাগলেন। (পথে) একটি বালক অন্যান্য বালকের সাথে খেলছিল। থাযির তার মাথার উপর দিক দিয়ে ধরলেন এবং হাত দিয়ে তার মাথা ছিদ্র করে ফেললেন। মূসা (আ) বললেন, ‘আপনি কি একটি নিষ্পাপ জীবন নাশ করলেন কোন হত্যার অপরাধ ছাড়াই?’ খাযির বললেন, “আমি তোমাকে বলিনি যে, তুমি কিছুতেই আমার সঙ্গে ধৈর্য ধারণ করতে পারবে না?” ইবন ‘উয়ায়না (র) বলেন, এটা ছিল পূর্বের চেয়ে বেশী জোরালো। তারপর আবারো চলতে লাগলেন; চলতে চলতে তাঁরা এক গ্রামের অধিবাসীদের কাছে পৌঁছে তাদের কাছে খাবার চাইলেন, কিন্তু তারা তাঁদের মেহমানদারী করতে অস্বীকার করল। তারপর সেখানে তাঁরা এক পতনোন্মুখ প্রাচীর দেখতে পেলেন। খাযির তাঁর হাত দিয়ে সেটি খাড়া করে দিলেন। মূসা (আ) বললেন, ‘আপনি ইচ্ছে করলে এর জন্য পারিশ্রমিক গ্রগন করতে পারতেন।’ তিনি বললেন, ‘এখানেই তোমার আর আমার সম্পর্কের অবসান।’ নবী বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা মূসার ওপর রহম করুন। আমাদের কতই না মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হতো যদি তিনি সবর করতেন, তাহলে আমাদের কাছে তাঁদের আরো ঘটনাবলী বর্ণনা করা হতো। মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ আলী ইবন খাসরাম সুফিয়ান ইবন উয়ায়না (র) এ হাদিসটি বিশদভাবে বর্ণনা করেন।

26/11/2019

হাজ্জাজ (র)… জারীর (রা) থেকে বর্ণিত যে, বিদায় হজ্জের সময় নবী তাকে বললেনঃ তুমি লোকদেরকে চুপ করিয়ে দাও, তারপর তিনি বললেনঃ ‘আমার পরে তোমরা কাফির (এর মত) হয়ে যেও না যে, একে অপরের গর্দান কাটবে।’

Address

36/b Malibagh Chowdhury Para Dhaka
Khilgaon
1219

Telephone

+8801817694493

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সহি বুখারি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category