Sofwah Institute

Sofwah Institute

Share

You can easily join us and can get our services from all over the world. To set a schedule for you or your child please inbox us.

Class method: Live on Zoom, Meet, What's app, Messenger, Skype. Age limit: Above 5 years of age.

21/07/2025

আজকের দিনটি কেবল একটি দিন নয় — এটি রয়ে যাবে একটি গভীর শোক, এক ভয়াবহ স্মৃতি হয়ে।

উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা তখন ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
কে জানতো — সেই চেনা পথেই দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যুর ছায়া?

হঠাৎ করেই বিকট শব্দে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি ফাইটার জেট বিধ্বস্ত হয় স্কুল প্রাঙ্গণে।
যেখানে মুহূর্ত আগেও ছিলো শিশুদের হাসি, সেখানে এখন শুধুই কান্না, আতঙ্ক, ও ধ্বংসস্তূপ।

নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করি।
আহতদের সুস্থতা ও তাঁদের পরিবারের জন্য দোআ করি।
আল্লাহ এই জাতিকে আর কখনও এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখাবেন না — এই আমাদের আকুতি।

"ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন"
#উত্তরা #বিধ্বস্ত #শোক

16/02/2025

শুধু কুরআনের অনুবাদ পড়ে জিতে নিন উমরাহ-সহ আকর্ষণীয় সব পুরস্কার!

প্রাথমিক ধাপগুলোতে যাঁরা অংশ নিয়েছেন এবং যাঁরা অংশ নেননি, সবাই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক কমেন্ট বক্সে।

14/07/2024

ভাষা আল্লাহ তাআলার একটি বিশেষ নেয়ামত।
আমাদের মায়ের ভাষা বাংলা হওয়ায় আমরা বাংলায় কথা বলি।
ঠিক তেমনি ভাবে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মায়ের ভাষা আরবি হওয়ায় তিনি আরবিতে কথা বলতেন, যার কারণে সমগ্র পৃথিবীর মানুষের হেদায়েতের আলোকবর্তীকা হিসেবে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মহাগ্রন্থ আল কুরআনুল কারীম নাযিল করেন রাসুলের মাতৃভাষা আরবিতে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন 'আমি আরবদের মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধভাষী'।
সুতরাং একজন মুমিনের জন্য সুন্নাহ হচ্ছে তার মাতৃভাষায় বিশুদ্ধভাবে কথা বলা।
এবং রসুলের প্রতিনিধি ও দ্বীন প্রচারের দায়িত্বে যারা নিয়োজিত রয়েছেন তাদের প্রত্যেককেই বিশুদ্ধ বাংলা ভাষায় কথা বলা অবশ্য কর্তব্য।
সেই প্রয়োজনীয়তা থেকেই সফওয়াহ ইনস্টিটিউট আয়োজন করেছে অনলাইন ভিত্তিক বিশুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ প্রশিক্ষণ কোর্স।
আপনি যদি একজন খতিব হয়ে থাকেন!

অথবা কোন মাদরাসা বা স্কুলের শিক্ষক হয়ে থাকেন!
কিংবা দ্বীন প্রচারক বা দ্বীনের দায়ী হয়ে থাকেন!
তাহলে এই কোর্সটি আপনার জন্য।
এটি একটি অনলাইন ভিত্তিক বাচিক শিল্পের প্রাথমিক কোর্স।
এখানে যা শেখানো হবে:
• বিশুদ্ধ উচ্চারণ।
• জিহ্বার জড়তা মুক্তি।
• স্বরশীলন।
• উচ্চারণ সূত্র।
• আবৃত্তি ও উপস্থাপনা শৈলী।

১০টি মূল ক্লাস ও ৫টি টিউটোরিয়াল ক্লাস।

ক্লাসের সময়:
প্রতি বৃহস্পতিবার রাত ৯:৩০ টায়।

কোর্সে অংশগ্রহণ করতে গুগল ফর্মটি পূরণ করুন: https://forms.gle/cihwFQ8WoU1SbV669
অথবা কল করুন: +880 16 19 08 03 75 নাম্বারে।

01/05/2024

পৃথিবীর শুরু থেকে বর্তমান সময়কাল পর্যন্ত মানবসভ্যতার যত উন্নতি-অগ্রগতি হয়েছে তার মূলে রয়েছে শ্রমজীবী মানুষের শ্রম।
সে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায় আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত দিবস হল পহেলা মে।
এ দিন সারা বিশ্বে ঘটা করে পালিত হয় বিশ্ব শ্রমিক দিবস, যা মহান 'মে দিবস' নামে পরিচিত।
সভা-সেমিনার, বক্তৃতা,টক শো এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতি বছর তা উদযাপিত হয়।
দৈনিক পত্রিকাগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে।
দেশের সরকার প্রধান ও দায়িত্বশীলগণ মূল্যবান বাণী প্রদান করেন।
শুধু ঘটা করে পহেলা মে পালন করা হয়। কেবলই আনুষ্ঠানিকতা!
কিন্তুু পহেলা মে তো কেবলই একটি দিবস নয়!
বরং তা শ্রমজীবী মানুষের রক্তে লেখা এক করুণ ইতিহাস।
১৮৫৬ সনে প্রথম অস্ট্রেলিয়াতে বঞ্চিত-নির্যাতিত-বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ৮ ঘন্টা শ্রমের দাবিতে এবং মালিকের অন্যায়, অবিচার, জুলুম, নিপীড়ন বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিক আন্দোলন শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৮৮৬ সালে ১লা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের রাস্তায় দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজের দাবি, মজুরী বৃদ্ধি, কাজের পরিবেশের উন্নতি ইত্যাদি দাবিতে সংগ্রামী শ্রমিকরা শিল্প ধর্মঘটের ডাক দিলে তা মালিক পক্ষ থেকে বর্বর পন্থায় দমন করা হয়।
ফলশ্রুতিতে নিহত হয় অশংখ্য শ্রমিক। তারপর আরও তীব্র আন্দোলনের মুখে শ্রমিকদের সেই দাবি মেনে নেয়া হয়। শ্রমিকের অধিকার আদায়ের এই রক্তস্নাত দিবসটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৮৮৯ সনে ১লা মে কে শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হয়।
তখন থেকেই দিবসটি যথাযথ মর্যদায় উদযাপিত হয়ে আসছে।
১৯০৪ সালে জাতিসংঘ থেকেও এ দিবসটিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস হিসেবে ঘোষনা দেয়া হয়।
সে থেকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে মে দিবস পালিত হয়ে আসছে মেহনতি মানুষের অধিকার আদায় ও বিজয়ের প্রতীক হিসেবে।
কিন্তু অত্যান্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, অমুসলিম দেশে তো বটেই, এমনকি ইসলামের সঠিক ইতিহাস না জানা থাকার কারণে মুসলিম বিশ্বেও প্রিন্ট-ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়া, বক্তৃতা, সেমিনার কর্মশালায় ফলাও করে জোরালো ভাবে প্রচার করা হচ্ছে- শ্রমিকের মর্যদা দেয়া শুরু হয়েছে ১৮৮৯ সালে, যার সূত্রপাত হয়েছিল ১৮৮৬ সালের ১লা মে শোষিত মানুষদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে।
অথচ আজ থেকে দেড় হাজার বছর পূর্বে পবিত্র ইসলাম শ্রমজীবী মানুষের যথাযথ মর্যদা শ্রদ্ধা-সম্মান ও অধিকারের ঘোষনা করেছে। জাহিলি যুগে যখন শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক ছিল প্রভু-ভৃত্যের, যখন শ্রমিকের কোনো অধিকার ছিল না, এমনকি তাদেরকে মানুষ বলেই গণ্য করা হত না, শ্রমিকদের পশুর মতো ক্রয়-বিক্রয় করা হত; তখন মানবতার পরম বন্ধু আখেরী নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাক জবানে উচ্চারিত হয়েছে-
اعطواالاجيراجره قبل ان يجف عرقه.
'শ্রমিকের ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার আগেই তার পারিশ্রমিক দিয়ে দাও।'
তিনি আরও বলেন- শ্রমিকরা তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের দায়িত্বে অর্পণ করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা যার ভাইকে তার দায়িত্বে দিয়েছেন, সে যা খাবে তাকেও তা খেতে দেবে এবং সে যা পরিধান করবে, তাকেও তা পরিধান করাবে।
আর তাকে এমন কষ্টের কাজ দেবে না, যা তার সাধ্যের বাইরে।
অগত্যা কোনো কাজ কঠিন হলে সে তাকে সাহায্য করবে।
শ্রমিকের প্রতি দয়া প্রদর্শনে উৎসাহ প্রদান করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- যার অর্থ 'কেউ তার শ্রমিকের কাজ সহজ করে দিলে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তার হিসাব সহজ করে দেবেন। (বুখারি শরীফ)
যারা শ্রমিকের মজুরী আদায়ে টালবাহানা করে, তদেরকে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সতর্ক ও সাবধান করে বলেন, সামর্থ্যবানদের পাওনা প্রদান নিয়ে গড়িমসি করা জুলুম।
একজন শ্রমিকের পক্ষে এর চেয়ে যথার্থ শ্রদ্ধা-মর্যদা ও অধিকারপূর্ণ কথা আর কী হতে পারে?
প্রতি বছর মে দিবস এলেই সাড়ম্বরে শতকন্ঠে শ্রমিক-অধিকারের কথা ঘোষিত হলেও শ্রমিক সমাজ যে অবহেলিত সেভাবেই থেকে যায়।
দিবস পালনের সব আনুষ্ঠানিকতা হলেও ভাগ্য পরিবর্তন হয় না শ্রমজীবী মানুষের।
সবশেষে বলতে চাই, শ্রমজীবী শ্রেণির অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার অর্থ কখনোই এই নয় যে, অন্য পক্ষের উপর যে কোনো অন্যায় চাপ প্রয়োগ করা এবং অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করা বৈধ হবে। এটাও কিন্তু অহরহ অবলোকন করা যাচ্ছে।
শ্রমজীবী শ্রেণির অধিকার রক্ষার পাশাপাশি মালিক পক্ষের ন্যায়সঙ্গত স্বার্থরক্ষার বিষয়টিও আলোচনা ও বিবেচনায় আনতে হবে।
শ্রমিকের অধিকারের সঙ্গে সঙ্গে তার দায়িত্ব-কর্তব্যের বিষয়টিও আলোচনায় আনতে হবে।
এ ব্যাপারেও তাদেরকে সচেতন করে তুলতে হবে।
তবেই সৃষ্টি হবে সুষ্ঠু ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ।
তখন আন্দোলন ও মিছিল-মিটিং ছাড়াই সকলের ন্যায্য পাওনা ও অধিকার নিশ্চিত হবে ইনশা আল্লাহ।
আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
আমীন।

31/12/2023

ালের_সর্বশেষ_দিন।

একটি বছরের সমাপ্তি এবং আরেকটি বছরের সূচনালগ্ন। বছরের শেষ দিনে দাঁড়িয়ে একজন ঈমানদার, আল্লাহ প্রেমিক বান্দার অনুভূতি কি হওয়া দরকার। আসুন পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ এ বিষয়ে আমাদেরকে কি নির্দেশনা দেয় একটু খুঁজে দেখি।
প্রত্যহ যখন দিন আর রাত অতিবাহিত হয়, একটি বছর সমাপ্ত হয় তখন মুসলমানদের অনুভূতি কি আনন্দের? না বেদনার? না চিন্তার? একজন আরবী কবি বিষয়টি তার একটি পংক্তিতে খুব চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আরবী কবি তাঁর কবিতায় বলেন-
يسر الناس ماذهب الليالي.
ولكن ذهابهن له ذهابا
মানুষকে আনন্দিত করে দিনের পর দিন ও রাতের পর রাতের আগমন। একটি রাতের প্রান্তে দাঁড়িয়ে একজন মানুষ আনন্দিত হয়, নতুন একটি ভোর আসবে, নতুন একটি প্রভাতে সূর্য উদিত হবে। নতুন সূর্যোদয়কে দেখার জন্য মানুষ আনন্দ চিত্তে অপেক্ষা করে। কিন্তু কবি বলেন- “আমার অনুভূতি একটু ব্যতিক্রম। রাত শেষ হওয়ার পরে নতুন এক ভোর দেখার জন্য প্রফুল্লচিত্তে আমি অপেক্ষা করতে পারিনা। বছর শেষে নতুন আরেকটি বছরকে স্বাগত জানানোর জন্য আমি আনন্দ-উল্লাস করতে পারি না। আমার অন্তরের অনুভূতি হল এটাই, যেদিনগুলো আমার শেষ হয়ে গেল তা তো আমার জীবনেরই একটি অংশ। আমার জীবনের একটি ক্যালেন্ডার যে শেষ হয়ে গেল, আমার জীবনের দালান থেকে ৩৬৫দিনের ৩৬৫টি পাথর যেন খসে পড়ে গেল। আমার জীবন ছোট হয়ে এলো। আমার জন্য এ-তো আনন্দের ব্যাপার নয়, আমার জন্য তা চিন্তার ব্যাপার। আমার হিসাবের ব্যাপার, আমার জীবনের একটি বছরকে অতিক্রম করেছি। আনন্দ-উল্লাসের সময় নয় বরং সময় হল হিসাব-নিকাশের, আমি যে দিনগুলো কাটালাম, যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমি দুনিয়াতে প্রেরিত হয়েছি, সে উদ্দেশ্যকে আমি কতটুকু সফল করতে পারলাম, আমার জীবনকে সে পথে কতটুকু পরিচালিত করতে পারলাম, এই হিসাব কষার সময় আমার এসেছে। কাজেই একটি বছরের সর্ব শেষ দিনে দাঁড়িয়ে মু'মিনের অন্তরে, আল্লাহ প্রেমিক অন্তরে প্রশ্ন উত্থাপিত হয় যে, একটি বছরকে তো আমি শেষ করেছি, কিন্তু যে উদ্দেশ্যে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাকে দুনিয়াতে পাঠালেন সে পথে কতটুকু অগ্রসর হয়েছি?
আজকের এই দিনে, এ মুহুর্তে আমি একজন মু'মিন হিসেবে আমার আমল নামার ব্যালেন্সশীট তৈরি করা দরকার, কিভাবে গত জীবনকে কাটিয়েছি। আমি একদিকে বয়সে বড় হচ্ছি, অন্যদিকে আমার জীবন ছোট হচ্ছে। বলা যায় আমার বয়স বাড়েনি, বরং আমার জীবন ছোট হচ্ছে। একটি সেগারেটে মানুষ যেমন টান দেয়ার কারণে ছোট হয়ে যায়, দিনের আগমন ও রাতের গমনে আমাদের জীবনের সিগারেটও শেষ হয়ে যাচ্ছে। যুগে যুগে নবী-রাসূরলগণ মানব জাতিকে এটাই বুঝানোর চেষ্টা করেন। হে মানুষ! তোমাকে অল্প কয়েকদিনের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। যা করবে তাই মাপা হবে। সূরা ঝিলঝালে আল্লাহ তায়ালা বলেন-
ومن يعمل مثقال ذرة خيرايره
ومن يعمل مثقال ذرة شرايره
সামান্য ভাল করলে তার ফলাফল অবশ্যই পাবে, সামান্য খারাপ করলে তার ফলাফলও অবশ্যই তুমি পাবে। আল্লাহ কারো সাথে অন্যায় করবেন না, বে-ইনসাফ করবেন না, তার আমলের পুরাপুরি প্রতিদান আল্লাহ বুঝিয়ে দেবেন। বিচার করবেন। কাজেই প্রতিদিন আমাদের জিবন শেষ হয়ে যাচ্ছে, আমাদের জিবন কিভাবে আমরা ব্যয় করছি তার হিসাব আমাদেরকে করতে হবে।
হাদীসগ্রন্থ তিরমিযি শরীফের মাঝে এসেছে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রতিদিন কবর মানুষদেরকে ডাকতে থাকে।”
যার অন্তরে ইমানের সামান্য আলো আছে থার্টি ফাস্ট নাইট তাদের জন্য নয়। এই দিন উল্লাসের জন্য নয়। এই দিন হচ্ছে হিসাব নিকাশের দিন। যারা ইসলামের অনুসারি, আল্লাহকে যারা ভয়করে, রাসূলকে যারা ভালবাসে; বিগত বছরের প্রান্তে নতুন বছরের সূচনায় তারা নিজেদের দফতর খুলে বসে হিসাব নেয়, কি করেছি, কি করা উচিত ছিল, খারাপ কাজের জন্য তওবা করে এবং ভাল কাজের জন্য প্রতিজ্ঞা করে। সৎ পথে ধাপিত হওয়ার জন্য নতুন ভাবে সংকল্প নেয়, উদ্ধীপ্ত হয়।
আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদেরকে যে ধাক্কা দিচ্ছেন, যে নাড়া দিচ্ছেন, সে ধাক্কায়, সে নাড়ায়, আমাদের বিবেক জাগ্রত হয় না? ইন্দোনেশিয়াতে সমুদ্রতলে সামন্য যে কাঁপন তিনি দিয়েছিলেন মাত্র দেড় মিনিটে, দু' লক্ষ বনি আদম মারা গিয়েছিল। লাশ আর লাশ, দাফনের কেউ নেই। প্লাষ্টিকে ভরে ভরে তাদেরকে গর্ত করে দাফন করা হয়েছিল। শ্রীলংকা,ভারত এবং থাইল্যান্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় সমুদ্র তীরে, পর্যটন কেন্দ্রে আনন্দ উল্লাস করছিল মানুষ। আল্লাহ পাক বলেন, তোমাদের আনন্দঘণ এই মুহুর্তে আমি একটু ধাক্কা দিয়ে দেখতে চাই- কুরআনে আল্লাহ বলেছেন-
ان زلزلةالساعةشيء عظيم يوم ترونها تذهل كل مرضعة عما ارضعت وتضع كل ذات حمل حملها وترى الناس سكرى وماهم بسكرى ولكن عذاب الله شديد
(সুরা হজ্ব-১-২)
তোমাদেরকে সতর্ক করার জন্য জমিনকে আমি একটু নাড়া দিতে পারি, এমন নাড়া দিতে পারি যার কারণে, যে মহিলা দুধ পান করায় তার বাচ্চার কথা ভুলে যাবে, আল্লাহ বলেন- আমি এমন ভূমিকম্ম দিতে পারি যার কারণে গর্ভধারিণী মহিলার গর্ভপাত হয়ে যাবে, মানুষ নেশা খোরের মত ছোটাছুটি করবে। অথচ তারা মদ খেয়ে নেশা চুর হয়নি। কিন্তু আল্লাহর শাস্তি, সামান্য নাড়া এত কঠিন যে কেউ কারও কথা মনে রাখবে না। কয়েক সেকেন্ডের নাড়ার কারনে সমুদ্রের তলদেশ ছিঁড়ে আল্লাহ পানিকে যেভাবে উপরে স্ফীত করেছেন, বিশ-ত্রিশ ফুট উচু জলোচ্ছাস হবে কেউ কল্পনাও করেনি। আল্লাহর নির্দেশকে ভুলে গিয়ে, বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে, চ্যালেঞ্জ করে যারা উৎসব, উল্লাস করবে আল্লাহ তাদেরকে সতর্ক করেছেন। ইন্দোনিশিয়ার আচেহ প্রদেশ থেকে আরম্ভ করে থাইল্যান্ড এবং আফ্রিকার সোমালিয়া পর্যন্ত ৮/১০ টি দেশকে আল্লাহ কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন।
তাই আমি বলতে চাই, মুসলমান ভাই-বোন-বন্ধুরা! একটি বছরের শেষ দিনে দাঁড়িয়ে উৎসবে মেতে উঠা নয়, চিৎকার করা নয়, আতশবাজির উৎসব নয়। আমাদের হিসাব করা উচিত।
থার্টি ফাস্ট নাইট মুসলমানদের উৎসব নয়। এটা বিজাতিয় উৎসব। বিজাতিয় উৎসবে যারা অংশগ্রহন করবে, তারা তাদের দলভুক্ত হয়ে যাবে। এটা রসূলের কথা, তিনি বলেন-
من تشبه بقوم فهو منهم
যে অন্য জাতির সাথে আচার-আচরণে, কৃষ্টি-সংস্কৃতিতে সামঞ্জ্যস্যতা গ্রহন করবে সে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হবে। আপনি কি চান? থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপনের সময় আপনার কাছে 'মালাকুল মাউত' আসুক? আপনার কাছে কি কোন গ্যারান্টি আছে যে আপনি যখন উল্লাসে, মদ পানে নাচানাচি অবস্থায় আপনার মৃত্যু হবে না?
যদি আপনি চান পবিত্র অবস্থায় আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হবেন তাহলে আপনার জন্য এই ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের কোন সুযোগ নেই। কারণ, আল্লাহ তো থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপনের সময়ও তো একটু কাঁপন দিতে পারেন। কাজেই আল্লাহকে পুরাপুরি ভয় করুন। হে মহিমাময়! তুমি আমাদেরকে তোমার যথাযথ ভয় করার তাওফিক দান করুন।
আমিন।

07/08/2023

আপনাদের খেদমতে শীঘ্রই আসছে!
Sofwah Travels
পেইজে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন।

10/07/2023
Photos from Sofwah Institute's post 04/04/2023

আলহামদুলিল্লাহ!
অভিনন্দন! দুবাই চ্যাম্পিয়ান প্রিয় সালেহ আহমাদ তাকরিম!

05/03/2023

আমরা শাবান মাস অতিক্রম করছি। এ মাসেরই মধ্য রজনী বরকতময় রাত হিসেবে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। উপমহাদেশে এরাতটি 'শবে বরাত' নামে পরিচিত।
এই শবে বরাতকে কেন্দ্র করে আমাদের উপমহাদেশে অনেক বিষয়ের প্রচলন রয়েছে। যেগুলোর অধিকাংশই কুরআন হাদীস বহির্ভূত কাজ। কুরআন ও হাদীসের আলোকে এই বরকতপূর্ণ রাত 'শবে বরাতে করণীয়-বর্জনীয়' সম্পর্কে জানতে চোখ রাখুন: Saleh Ahmad পেজবুক পেইজে এবং https://youtube.com/
ইউটিউব চ্যানেলে।
আজ ৬ মার্চ সোমবার, রাত ৯:১৫ মিনিট।

আলোচক হিসেবে থাকবেন:

মুফতি আল আমিন দা. বা. Al Amin
ইমাম ও খতীব, বাংলাদেশ পুলিশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা।

মুফতি আফফান বিন শরফুদ্দীন দা. বা. Affan Bin Sharfuddin
ভাইস প্রিন্সিপাল, জামিয়া উসমান বিন আফফান রা. মাদরাসা, নিকুঞ্জ, ঢাকা।
প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডমিন, হানাফি ফিকহ্।
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, আহনাফ একাডেমি।

Want your school to be the top-listed School/college in Khilgaon?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Khilgaon
1219