Charbata Khaser Hat High School

Charbata Khaser Hat High School চরবাটা খাসের হাট উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৬০) নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান...

এইচ এস সি রেজাল্ট ২০২৩। সৈকত সরকারি কলেজ। সকলের জন্য শুভ কামনা রইলো।
26/11/2023

এইচ এস সি রেজাল্ট ২০২৩। সৈকত সরকারি কলেজ। সকলের জন্য শুভ কামনা রইলো।

আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া সকল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা। আশা করি তারা তাদের বাবা-মায়ের ও শিক্ষকদ...
16/08/2023

আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া সকল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা। আশা করি তারা তাদের বাবা-মায়ের ও শিক্ষকদের মুখ উজ্জ্বল করতে সক্ষম হবেন। সকলেই খুব মনোযোগ সহকারে পরীক্ষা দিবেন এবং কেউ কোন ধরনের অসদুপায় অবলম্বন করবেন না।

08/02/2023

এইচএসসি- ২০২২ ফলাফল প্রকাশিত। সবার জন্যে শুভ কামনা রইলো। 🌹

কারো ফলাফল লাগলে রোল এবং রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার দিতে পারেন৷

28/11/2022

এসএসসি/দাখিল - ২০২২ ফলাফল প্রকাশিত।
যাদের লাগবে, রোল, রেজি, বোর্ড দিন।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে,  #একাদশ_শ্রেণীর_ভর্তির_ফলাফল ও নিশ্চায়ন সংক্রান্তঃ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ১ম পর্যায়ের ভর...
25/08/2020

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে, #একাদশ_শ্রেণীর_ভর্তির_ফলাফল ও নিশ্চায়ন সংক্রান্তঃ

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ১ম পর্যায়ের ভর্তির নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফলাফল ্ট_আজ_রাত_৮_টায় অনলাইনে প্রকাশ করা হবে।

★ অনলাইনে ভর্তির ফলাফল দেখবেন যেভাবেঃ
👉 নির্ধারিত website-এ ( www.xiclassadmission.gov.bd ) যেয়ে “Result” Button -এ ক্লিক করতে হবে;
👉 এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি রোল নম্বর দিন;
👉 এরপর এসএসসি পরীক্ষার বোর্ড সিলেক্ট করুন;
👉 এরপর এসএসসি পাসের সাল সিলেক্ট করুন;
👉 এরপর আপনার এসএসসির রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিন;
👉 এরপর Verification কোডটি সঠিকভাবে পূরণ করে “View Result” Button -এ ক্লিক করতে হবে।
এখন,আপনি একাদশ শ্রেণীতে কোন কলেজে চান্স পেয়েছেন দেখতে পারবেন।

★ শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ১ম পর্যায়ের Selection এবং আবেদন বাতিল হবে): ২৬ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত।

★ নির্বাচিত শিক্ষার্থী (২৬/০৮/২০২০ থেকে ৩০/০৮/২০২০ তারিখের মধ্যে) নিজেই অন-লাইনে বাের্ডের রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বাবদ ২০০/- (দুইশত) টাকা (ওয়েবসাইটে উল্লেখিত অপারেটর-এর মাধ্যমে) জমা দিয়ে প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চায়ন করবে।

★ ২য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহনঃ ৩১/০৮/২০২০ইং।তারিখ থেকে ০২/০৯/২০২০ইং তারিখ (রাত ৮ঃ০০ পর্যন্ত)
***যেসকল শিক্ষার্থী ইতিপূর্বে ভর্তির জন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত (Selected) হয়নি –তারা কোন প্রকার ফি প্রদান ছাড়াই তাদের আবেদন update (নতুন কলেজ সংযোজন/বিয়োজন) করতে পারবে। যারা ইতিপূর্বে ভর্তির জন্য আবেদন করেনি অথবা ভর্তির জন্য নির্বাচিত (Selected) হয়েও ভর্তি নিশ্চায়ন করেনি –তারা আবেদন ফি ১৫০ টাকা (Teletalk/Rocket/Surecash/Bkash/Nagad) এর মাধ্যমে জমা দিয়ে আবেদন করতে পারবে এবং যারা পূর্বে আবেদন ফি জমা দিয়েছে কিন্তু আবেদন করেনি, তারা ও আবেদন করতে পারবে।***

★ ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ, প্রকাশ এবং মাইগ্রেশনঃ
ক. মােট ৩ (তিন) টি পর্যায়ে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। প্রাথমিক নিশ্চায়ন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ২ (দুই) বার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া চালনা করা হবে অর্থাৎ প্রাথমিক নিশ্চায়নের পরও সর্বোচ্চ ২ (দুই) বার একজন শিক্ষার্থীর কলেজ নির্বাচন পরিবর্তন হতে পারে।
খ. প্রতি পর্যায়ে পছন্দক্রমানুযায়ী অটোমাইগ্রেশন হবে এবং মাইগ্রেশন সর্বদাই পছন্দক্রমানুসারে উপরের দিকে যাবে।
গ. একজন শিক্ষার্থী তার আবেদনের সময় দেয়া কলেজ পছন্দক্রম ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল, কোটা ইত্যাদির ভিত্তিতে শুধুমাত্র ১টি কলেজেই সিলেকশন পাবে।

***শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির তারিখ ১৩/০৯/২০২০ইং হতে ১৫/০৯/২০২০ইং তারিখ পর্যন্ত***

এস এস সি রেজাল্ট ২০২০। চরবাটা খাসেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়। সকলের জন্য শুভ কামনা রইলো।
31/05/2020

এস এস সি রেজাল্ট ২০২০। চরবাটা খাসেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়। সকলের জন্য শুভ কামনা রইলো।

এস এস সি রেজাল্ট এনালাইসিস ২০২০, চরবাটা খাসেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়। সার্ভার জটিলতার কারণে বিস্তারিত দেওয়া যাচ্ছে না।  বিস্তা...
31/05/2020

এস এস সি রেজাল্ট এনালাইসিস ২০২০, চরবাটা খাসেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়। সার্ভার জটিলতার কারণে বিস্তারিত দেওয়া যাচ্ছে না। বিস্তারিত আসবে........

27/12/2019

সৈকত সরকারি কলেজ" আজ রজতজয়ন্তী।।
স্থান : সৈকত সরকারি কলেজ মাঠ।

সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আজ  ২৬ ডিসেম্বর সারাবিশ্বে সূর্যগ্রহণ হবে। তথ্য অনুযায়ী নোয়াখালী জেলাতে আনুমানিক তা ত...
26/12/2019

সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আজ ২৬ ডিসেম্বর সারাবিশ্বে সূর্যগ্রহণ হবে। তথ্য অনুযায়ী নোয়াখালী জেলাতে আনুমানিক তা তিন ঘন্টা আট মিনিট পর্যন্ত ( সকাল ৯ টা ৩ মিনিট থেকে এবং সর্বোচ্চ দুপুর ১২টা ১০ মিনিট পর্যন্ত) দীর্ঘায়িত হতে পারে। উক্ত সময়ে চোখের নিরাপত্তা জনিত কারণে সবাইকে সূর্যের রশ্মির দিকে সরাসরি অবলোকন না করা এবং বিনা প্রয়োজনে বাহিরে না ঘোরাফেরা না করার জন্য অনুরোধ করা হলো। অধিকাংশ সময়েই মানুষেরা অত্যন্ত আনন্দ আর কৌতুহল নিয়ে সূর্যগ্রহন এবং চন্দ্রগ্রহন প্রত্যক্ষ করে থাকে।

সারাবিশ্ব এমন এক সূর্যগ্রহণ দেখবে যা শেষবার পৃথিবীর মানুষ দেখেছিল ১৭২ বছর আগে। এ সূর্য গ্রহণের সময় সূর্যের চারপাশে থাকবে এক আগুনের বলয়। বিজ্ঞানীরা যাকে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’। তাই এ সূর্য গ্রহণ দেখার জন্য অনেকে প্রস্তুতি নিচ্ছে। কেউ কেউ বিশেষ গ্লাস কিনে রাখছে। মনে হচ্ছে যেন ঈদের সূর্য উঠবে।

সূর্য ও চন্দ্র যখন গ্রহনের সময় হয় তখন আমাদের নবী (সাঃ) এর চেহারা ভয়ে বিবর্ণ হয়ে যেতো এবং তখন তিনি সাহাবীদের নিয়ে জামাতে নামাজ পড়তেন, কান্নাকাটি করতেন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন। আরবীতে সূর্যগ্রহণকে ‘কুসূফ’ বলা হয়। আর সূর্যগ্রহণের নামাজকে ‘নামাজে কুসূফ’ বলা হয়। দশম হিজরীতে যখন পবিত্র মদীনায় সূর্যগ্রহণ হয়, ঘোষণা দিয়ে লোকদেরকে নামাজের জন্য সমবেত করেছিলেন। তারপর সম্ভবত তার জীবনের সর্বাধিক দীর্ঘ নামাজের জামাতের ইমামতি করেছিলেন। সেই নামাজের কিয়াম, রুকু, সিজদাহ মোটকথা, প্রত্যেকটি রুকন সাধারণ অভ্যাসের চেয়ে অনেক দীর্ঘ ছিলো।

অবিশ্বাসী বিজ্ঞানীরা প্রথমে যখন মহানবী (সাঃ) এর এ আমল সম্পর্কে জানতে পারলো, তখন তারা এটা নিয়ে বিদ্রুপ করলো (নাউযুবিল্লাহ)।তারা বললো, এ সময় এটা করার কি যৌক্তিকতা আছে? সূর্যগ্রহণের সময় চন্দ্রটি পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চলে আসে বলে সূর্যগ্রহণ হয়। ব্যাস এতটুকুই! এখানে কান্না কাটি করার কি আছে? মজার বিষয় হলো, বিংশ শতাব্দীর গোড়ায় যখন এ বিষয় নিয়ে গবেষণা শুরু হলো, তখন মহানবী (সাঃ) এই আমলের তাৎপর্য বেরিয়ে আসলো।

আধুনিক সৌর বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহ দু’টি কক্ষপথের মধ্যবলয়ে রয়েছে এস্টিরয়ে (Asteroid), মিটিওরিট (Meteorite) ও উল্কাপিন্ড প্রভৃতি ভাসমান পাথরের এক সুবিশাল বেল্ট, এগুলোকে এককথায় গ্রহানুপুঞ্জ বলা হয়। গ্রহানুপুঞ্জের এইবেল্ট (Belt) আবিষ্কৃত হয় ১৮০১ সালে।এক একটা ঝুলন্ত পাথরের ব্যাস ১২০ মাইল থেকে ৪৫০ মাইল।বিজ্ঞানীরা আজ পাথরের এই ঝুলন্ত বেল্ট নিয়ে শঙ্কিত।কখন জানি এ বেল্ট থেকে কোন পাথর নিক্ষিপ্ত হয়ে পৃথিবীর বুকে আঘাত হানে, যা পৃথিবীর জন্য ধ্বংসের কারণ হয় কিনা? গ্রহানুপুঞ্জের পাথর খন্ডগুলোর মাঝে সংঘর্ষের ফলে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথরখন্ড প্রতিনিয়তই পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে। কিন্তু সেগুলো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে এসে জ্বলে ভস্ম হয়ে যায়। কিন্তু বৃহদাকার পাথর খন্ডগুলো যদি পৃথিবীতে আঘাত করে তাহলে কি হবে? প্রায় ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে এমনই একটি পাথর আঘাত হেনেছিলো। এতে ডাইনোসরসহ পৃথিবীর তাবৎ উদ্ভিদ লতা গুল্ম সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো। আপনজনের (Arizon) এ যে উল্কাপিন্ড এসে পড়েছিলো তার কারণে পৃথিবীতে যে গর্ত হয়েছিলো তার গভীরতা ৬০০ ফুট এবং প্রস্থ ৩৮০০ ফুট। বিজ্ঞানীরা বলেন, সূর্য অথবা চন্দ্রগ্রহণের সময় ঝুলন্ত পাথরগুলো পৃথিবীতে ছুটে এসে আঘাত হানার আশংকা বেশী থাকে। কারণ হচ্ছে,এসময় সূর্য,চন্দ্র ও পৃথিবী একই সমান্তরালে,একই অক্ষ বরাবর থাকে ।ফলে তিনটির মধ্যাকর্ষণ শক্তি একত্রিত হয়ে ত্রিশক্তিতে রুপান্তরিত হয়। এমনি মুহূর্তে যদি কোন পাথর বেল্ট থেকে নিক্ষিপ্ত হয় তখন এই ত্রিশক্তির আকর্ষণের ফলে সেই পাথর প্রচন্ড শক্তিতে, প্রবল বেগে পৃথিবীর দিকে আসবে,এ প্রচন্ড শক্তি নিয়ে আসা পাথরটিকে প্রতিহত করা তখন পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাড়াবে। ফলে পৃথিবীর একমাত্র পরিণতি হবে ধ্বংস।একজন বিবেকবান মানুষ যদি মহাশূন্যের এ তত্ব জানে, তাহলে তার শঙ্কিত হবারই কথা।

এই দৃষ্টিকোন থেকে সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণের সময় মহানবী (সাঃ) এর সেজদারত হওয়া এবং সৃষ্টিকূলের জন্য পানাহ চাওয়ার মধ্যে আমরা একটি নিখুঁত বাস্তবতার সম্পর্ক খুঁজে পাই। মহানবী (সাঃ) এর এ আমলটি ছিলো যুক্তিসঙ্গত ও একান্ত বিজ্ঞানসম্মত। তাই এটিকে উৎসব না বানিয়ে আল্লাহকে ভয় করুন।সালাত আদায় করুন।
Collected

২০১৯ সালে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুধু উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৫ শতা...
17/07/2019

২০১৯ সালে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুধু উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এর মধ্যে ফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪১ হাজার ৮০৭ জন। অর্থাৎ, ১০ বোর্ডে যতজন জিপিএ–৫ পেয়েছেন, এর বেশির ভ।গই এইচএসসি পরীক্ষার্থী। মাদ্রাসা ও কারিগরি মিলিয়ে এবার মোট জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ২৮৬ জন।

আজ বুধবার সকাল ১০টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও সব বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ফলাফল–সম্পৃক্ত কিছু তথ্য তুলে ধরেন।

গতবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে গড় পাসের হার ছিল ৬৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এইচএসসিতে জিপিএ–৫ পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ৫৬২ জন। অর্থাৎ, এবার এইচএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ–৫ দুটোই বেড়েছে।

অন্যদিকে, এবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং জিপিএ–৫ পেয়েছেন ২ হাজার ২৪৩ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৩৬ জন।

এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১০টি বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬২৯ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ জন।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত ফলাফল প্রকাশ করবে। আর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে ফল প্রকাশ করা হবে বেলা একটায়।

গত ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল।

২০১৮ সালের "" চরবাটা খাসেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের  "" জে. এস. সি. পরীক্ষার রেজাল্ট।
24/12/2018

২০১৮ সালের "" চরবাটা খাসেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের "" জে. এস. সি. পরীক্ষার রেজাল্ট।

Address

Charbata
Khaser Hat

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Thursday 09:00 - 16:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Charbata Khaser Hat High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category