মারমা শিক্ষাঙ্গন

মারমা শিক্ষাঙ্গন মারমাদের ধর্মীয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক পেজ

☸️অসেবনা চ বালানং, পণ্ডিতানং চ সেবনা,☸️☸️পূজা চ পূজনীয়ানং এতং মঙ্গলং মুত্তমং।☸️✍️(মূর্খ বা অজ্ঞানীদের সেবা না করা, সঙ্গ...
20/11/2025

☸️অসেবনা চ বালানং, পণ্ডিতানং চ সেবনা,☸️
☸️পূজা চ পূজনীয়ানং এতং মঙ্গলং মুত্তমং।☸️

✍️(মূর্খ বা অজ্ঞানীদের সেবা না করা, সঙ্গ ত্যাগ করা,
জ্ঞানী বা পণ্ডিত ব্যক্তিদের সেবা/সাহচর্য করা, পূজনীয়দের পূজা বা সম্মান করাই উত্তম মঙ্গল।)

👉অর্থাৎ, মূর্খ, অজ্ঞানী বা মন্দ স্বভাবের ব্যক্তিদের সঙ্গ সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলা। জ্ঞানী, বিদ্বান, ধার্মিক এবং সৎ স্বভাবের পণ্ডিত ব্যক্তিদের সাহচর্য, সেবা বা তাদের সান্নিধ্যে থাকা। সমাজে এবং জীবনে যারা পূজা, শ্রদ্ধা বা সম্মানের যোগ্য—যেমন বুদ্ধ, ধর্ম, সংঘ, মাতা-পিতা, শিক্ষক, এবং প্রবীণ ব্যক্তি—তাদের প্রতি যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা উত্তম মঙ্গল ।

🔵"বালানং" বা মূর্খ বলতে এখানে কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানহীনতা বোঝানো হয় না, বরং বোঝানো হয় নীতিজ্ঞানহীন, অসৎ, অনৈতিক এবং অবিবেচক ব্যক্তিদের।
বৌদ্ধধর্মে 'বাল' বা মূর্খ বলতে সাধারণত তিন ধরনের ব্যক্তিকে বোঝানো হয়:
#নীতিহীন_মূর্খ (The Immoral Fool): এরা হলো সেই ব্যক্তি যারা মিথ্যা, চুরি, ব্যভিচার, মদ্যপান এবং প্রাণী হত্যার মতো দশটি অকুশল কর্ম (Ten Unwholesome Deeds) করে থাকে। এদের সঙ্গ নিলে আপনিও অসৎ কাজ করতে অনুপ্রাণিত হতে পারেন।
#অজ্ঞানী_মূর্খ (The Ignorant Fool): এরা জীবনের গভীর সত্য (যেমন চার আর্য সত্য) সম্পর্কে জানতে বা বুঝতে চায় না। এদের সাথে থাকলে আপনার আধ্যাত্মিক উন্নতির প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে।
#অদূরদর্শী_মূর্খ (The Unwise Fool): এরা তাৎক্ষণিক সুখের জন্য কাজ করে, কিন্তু কর্মের দীর্ঘমেয়াদি খারাপ ফলাফল সম্পর্কে ভাবে না।

👉কেন এদের সঙ্গ ত্যাগ করা অপরিহার্য?
খারাপ সঙ্গ আপনার মনকে বিষাক্ত করে তোলে। যেমন, যদি আপনি এমন কারও সাথে থাকেন যে সর্বদা নিন্দা করে, আপনি অজান্তে সেই স্বভাব গ্রহণ করবেন।
মূর্খ ব্যক্তিরা আপনাকে পাপকর্মে উৎসাহিত করে বা আপনার সৎ কাজকে বিদ্রূপ করে। তারা আপনার ভুলগুলিকে সঠিক বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করতে পারে।
এরা আপনার মনোযোগকে অহেতুক বিষয়ে (যেমন অতিরিক্ত অর্থ, বিলাসিতা বা ইন্দ্রিয়সুখ) দিকে টেনে নিয়ে যায়, যা মুক্তি লাভের পথে চরম বাধা সৃষ্টি করে।
তাই, আপনার নৈতিক জীবন রক্ষা করার জন্য সবার আগে বিষাক্ত সঙ্গ ত্যাগ করা প্রয়োজন।

🔵অন্যদিকে "পণ্ডিত" বলতে এখানে সেইসব ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যারা নীতিবান, সৎ, এবং জীবনের সঠিক পথ সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন (ধর্মজ্ঞান)।
বিশদভাবে বলতে গেলে 'পণ্ডিত' বা জ্ঞানী বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যিনি:
#শীলবান (Moral): তিনি নৈতিক জীবন যাপন করেন এবং পঞ্চশীল, অষ্টশীল বা দশশীল পালন করেন।
#ধর্মজ্ঞ (Wise): তিনি ধর্মের মূলনীতি সম্পর্কে অবগত এবং জীবনের কঠিন পরিস্থিতিতেও সঠিক উপদেশ দিতে সক্ষম।
#আত্মদর্শী (Insightful): তিনি কেবল পুঁথিগত জ্ঞান রাখেন না, বরং জীবনের অনিত্যতা, দুঃখ এবং অনাত্মা সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি অর্জন করেছেন।

👉কীভাবে 'সেবা' করব?
'সেবা' বলতে শুধু শারীরিক সেবা বোঝানো হয় না, বরং শ্রবণ ও অনুসরণের মাধ্যমেও সেবা করা যায়। অর্থাৎ তাদের বলা উপদেশ মনোযোগ সহকারে শোনা এবং সেই পথে চলার চেষ্টা করা। এটিই সবচেয়ে বড় সেবা। যদি প্রয়োজন হয়, তবে তাদের থাকার ব্যবস্থা করা, খাদ্য সরবরাহ করা বা অন্যান্য শারীরিক সেবা করা। তাদের গুণাবলী ও সৎকর্মের প্রশংসা করে অন্যকে উৎসাহিত করা। সর্বোপরি ধর্মের গভীর বা জটিল বিষয়গুলি সম্পর্কে তাদের কাছে প্রশ্ন করে নিজের জ্ঞান বৃদ্ধি করার মাধ্যমে সেবা করা যায়।

👉কেন তাদের সাহচর্য বা সেবা করব?
পণ্ডিতদের সাহচর্যে থাকলে আপনার অনৈতিক কাজ করার সম্ভাবনা কমে যায়, কারণ আপনি সর্বদা একজন নৈতিক অভিভাবকের নজরদারিতে থাকেন। জীবনে যখন কোনো সংশয় আসে বা আপনি সঠিক পথে আছেন কি না তা জানতে চান, তখন জ্ঞানী ব্যক্তিরা আপনাকে সঠিক পথ দেখান।
তাদের উদাহরণ ও উপস্থিতি আপনাকে ধর্মচর্চা এবং কঠোর সাধনা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করে।

এই দুই মঙ্গলের সারমর্ম
প্রথম ও দ্বিতীয় মঙ্গল একে অপরের পরিপূরক এবং দুটি মঙ্গল একসাথে একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করে। আপনার জীবন কোন পথে যাবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করে আপনি কাদের সাথে মিশছেন তার ওপর।
"খারাপ সঙ্গ ত্যাগ করো, ভালো সঙ্গ গ্রহণ করো।"
মূর্খের সঙ্গ ত্যাগ করা হলো যেন আপনার বাগান থেকে আগাছা তুলে ফেলা। আর পণ্ডিতের সেবা করা হলো যেন সেই বাগানে সঠিক ফসল বপন করে তার যত্ন নেওয়া।
যদি আপনি প্রথমটি না করেন (আগাছা না তোলেন), তবে ভালো বীজ (পণ্ডিতের উপদেশ) যতই দিন, আগাছার কারণে তা বেড়ে উঠতে পারবে না। তাই এই দুটি মঙ্গল একে অপরের উপর নির্ভরশীল। এটি নৈতিক ভিত্তি স্থাপনের প্রথম পদক্ষেপ।

☸️পূজা চ পূজনীয়ানং ☸️
অর্থাৎ পূজনীয় ব্যক্তিকে পূজা করা, এটি হলো প্রথম দুটি মঙ্গলের নৈতিক ফলাফল এবং কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। একবার যখন আপনি সঠিক সঙ্গ বেছে নেন, তখন সেই সঙ্গের প্রতি আপনার যে মনোভাব হওয়া উচিত, সেটাই এই মঙ্গল নির্দেশ করে।
এখন, 'পূজনীয়' বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
বৌদ্ধধর্মে পূজনীয় বা সম্মানের যোগ্য ব্যক্তিরা হলো:
#বুদ্ধ: যিনি জগতের দুঃখ থেকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন।
#ধর্ম: বুদ্ধের প্রচারিত সত্য (যা জীবনকে সঠিক পথে চালিত করে)।
#সংঘ: বুদ্ধের অনুগামী ভিক্ষু বা ভিক্ষুণী সম্প্রদায়, যারা ধর্মের আদর্শে জীবন যাপন করেন।
#মাতা_পিতা: যারা জন্ম দিয়েছেন ও প্রতিপালন করেছেন।
#শিক্ষক/গুরু: যারা জ্ঞান ও দক্ষতা দান করেছেন।
#প্রবীণ_ও_গুণীজন: যারা অভিজ্ঞতা ও নৈতিকতার দিক থেকে শ্রেষ্ঠ।

👉'পূজা' বা সম্মান কেন জরুরি?
পূজা এখানে শুধু বাহ্যিক আচার নয়, এটি একটি মানসিক প্রক্রিয়া যা মনের তিনটি প্রধান দোষ দূর করে:
অহংকার দূরীকরণ: যখন কেউ পূজনীয় ব্যক্তিকে শ্রদ্ধা করে, তখন তার মধ্যেকার অহংকার (মান) হ্রাস পায়। অহংকার প্রজ্ঞার পথে প্রধান বাধা।
কৃতজ্ঞতা সৃষ্টি: এটি আপনাকে শেখায় যে আপনার জীবনে যা কিছু ভালো, তার পেছনে অন্যদের অবদান আছে। কৃতজ্ঞতা হলো একটি শক্তিশালী ইতিবাচক মানসিকতা।
পুণ্য অর্জন: শ্রদ্ধার সাথে করা সম্মান পুণ্য বা শুভ কর্মফল সৃষ্টি করে। এর ফলে মন বিশুদ্ধ হয়।
অনুপ্রেরণা: পূজনীয়দের গুণাবলী ও জীবন দেখে অন্যরা অনুপ্রাণিত হয় এবং তাদের মতো হওয়ার চেষ্টা করে।

বৌদ্ধধর্মে পূজা প্রধানত দুই প্রকার:
আমিস পূজা (উপহার পূজা): এটি হলো বাহ্যিক বস্তু দিয়ে সম্মান জানানো—যেমন:
বুদ্ধের মূর্তিতে বা স্মৃতিস্তম্ভে ফুল, ধূপ বা আলো উৎসর্গ করা।
ভিক্ষু বা ভিক্ষুণীদের খাদ্য, বস্ত্র বা বাসস্থান দান করা।
মাতা-পিতাকে শারীরিক বা আর্থিক সহায়তা করা।

প্রতিপত্তি পূজা (অনুশীলন পূজা): এটি সর্বশ্রেষ্ঠ পূজা। এর অর্থ হলো পূজনীয় ব্যক্তির দেখানো পথে চলা, অর্থাৎ:
বুদ্ধের ধর্মীয় উপদেশগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করা (যেমন: শীল, সমাধি, প্রজ্ঞা অনুশীলন করা)।
মাতা-পিতা বা শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলা এবং তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সৎ ও সফল জীবন যাপন করা।
এই মঙ্গলের গভীর অর্থ হলো, আপনি যাদের সম্মান করেন তাদের পথ অনুসরণ করে নিজেকে উন্নত করাই হলো তাদের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও পূজা করা।

25/03/2025

শিক্ষকতায় আপনি কেন এলেন তা নিজের কাছে স্পষ্ট রাখুন। চাকরি, টাইম-পাস অথবা পার্টটাইম জব হিসেবে নয়, শিক্ষকতাকে একটি মহান সেবা বা মিশন হিসেবে গ্রহণ করুন। তাহলেই আপনি শিক্ষকতায় ভালো করবেন।

◾ 'অর্থের বিনিময়ে শিক্ষা' নয়, 'আলোকিত মানুষ গড়ার জন্যে শিক্ষা'- এ নীতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়ান।

◾ ক্লাসে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করুন।

◾ সময়মতো ক্লাসে আসুন। দেরি করে ক্লাসে এসে স্লাইডের মাধ্যমে চটজলদি পড়িয়ে ফাঁকি দেয়ার মানসিকতা পরিহার করুন।

◾ বড় হওয়ার স্বপ্ন ও লক্ষ্য শিক্ষার্থীর মনে এঁকে দিন।
এ লক্ষ্য অর্জনে তার ঘাটতিগুলোকে সহজভাবে নিন। তার যে কিছু অনন্য মেধা, গুণ ও যোগ্যতা আছে তা খুঁজে পেতে তাকে সাহায্য করুন।

◾ এক শিক্ষার্থীকে কখনোই অন্য শিক্ষার্থীর সাথে তুলনা করবেন না। প্রত্যেক শিক্ষার্থীই অনন্য। তাদের এ অনন্যতাকে গুরুত্ব দিন। সর্বতোভাবে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করুন।

◾ শিক্ষার্থীদের নাম জানুন ও মনে রাখুন।
'অ্যাই ছেলে/ অ্যাই মেয়ে' কিংবা রোল নম্বর ধরে ডাকবেন না। নাম ধরে ডাকলে শিক্ষার্থীরা অনুপ্রাণিত হয়।

◾ শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পর্কের সীমা বজায় রেখে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন। তবে রসিকতা করে নিজের ব্যক্তিত্বকে ক্ষুণ্ণ করবেন না।

◾ বিপরীত লিঙ্গের শিক্ষার্থীদের সাথে কথায়, বডি ল্যাঙ্গুয়েজে শালীন ও মার্জিত আচরণ করুন। শোভন সীমা বজায় রাখুন।

◾ ক্লাস নেয়ার আগে হোমওয়ার্ক করুন, প্রস্তুতি নিন। যে বিষয়ে পড়াচ্ছেন তার আপডেটেড কারিকুলাম সম্পর্কে অবহিত থাকুন।
প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করুন।

◾ প্রতিটি ক্লাস নেয়ার আগে পাঁচ মিনিট চোখ বন্ধ করে মনের পর্দায় দেখুন- ক্লাসে সবাই আপনার পড়ানো বুঝতে পারছে, আপনার সান্নিধ্য তাদেরকে আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত করছে, আপনার কথাগুলো তারা মনোযোগ দিয়ে শুনছে, উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। আপনাকে সুন্দরভাবে গ্রহণ করছে। দেখবেন, বাস্তবেও তা-ই হচ্ছে।

◾ শিক্ষার্থীদের নীতিকথা বলার আগে নিজে তা অনুসরণ করুন। তাহলেই আপনার কথার শুভপ্রভাব তাদের ওপর পড়বে।

◾ কোনো পড়া বোঝানোর সময় শিক্ষার্থীদের মতামত নিন- আসলেই তারা বুঝতে পারছে কিনা। এর পরিপ্রেক্ষিতে নিজের বক্তব্যকে আরো সহজ এবং গল্প ও উদাহরণসমৃদ্ধ করুন।

◾ নিজেকে শিক্ষার্থীদের অবস্থানে নিয়ে গিয়ে ধৈর্য সহকারে বোঝানোর চেষ্টা করুন।

◾ কোনো শিক্ষার্থী পড়া বুঝতে না পারলে তাকে গালমন্দ করবেন না। তার ওপর বিরক্তও হবেন না; বরং ক্লাসের পরে সুবিধাজনক সময়ে পড়া বুঝিয়ে দিন। প্রশান্ত থাকুন, তাহলে তার মতো করে তাকে বোঝাতে পারবেন।

◾ নিজের লেখা বই/ নোট পড়তে বাধ্য করবেন না। অন্য লেখকদের বইকে প্রাপ্য সম্মান দিলে আপনার সম্মানও বেড়ে যাবে।

◾ যে বিষয় পড়াচ্ছেন তা কত জটিল/ কঠিন এবং সে-বিষয়ে সাধারণত কেউ ভালো করতে পারে না- এ ধরনের কথা বলে শিক্ষার্থীদের ভয় দেখাবেন না। শিক্ষক হিসেবে আপনার দেয়া সাহস শিক্ষার্থীদের সে-বিষয়ের প্রতি মনোযোগী করে তুলবে।
আর মনোযোগ যে-কোনো কঠিন বিষয়কে সহজ করে তোলে।

◾ শিক্ষার্থীদের কাছে কোনো শিক্ষককে নিয়ে কটু মন্তব্য করবেন না।
প্রশংসা করতে না পারলে মৌন থাকুন।

◾ কোন শিক্ষকের চেয়ে কোন শিক্ষক ভালো পড়ান/ কে বেশি জনপ্রিয়- এ জাতীয় প্রশ্ন করে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্তিতে ফেলবেন না।

◾ ক্লাসে কম পড়িয়ে নিজের কোচিং বা ব্যাচে পড়তে প্রলুব্ধ করা বা বাধ্য করা থেকে বিরত থাকুন।

◾ প্রশ্নপত্র ফাঁসের চক্রান্তে জড়াবেন না। শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদেরকে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন নিতে প্রলুব্ধও করবেন না। অন্যায় করা আর অন্যায়ে ইন্ধন দেয়া-দুটোই অপরাধ।

◾ কোনো প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে বলুন- এর উত্তর আপনি পরে জেনে জানাবেন। এতে আপনার জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে। ভুল উত্তর দেয়া/ গোঁজামিল দেয়া বা এরকম প্রশ্ন কেন করেছে ভেবে রাগান্বিত হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

◾ ভালো রেজাল্টধারীদের প্রতি সুনজর দিতে গিয়ে যারা অপেক্ষাকৃত কম ভালো করছে, তাদের প্রতি অমনোযোগী হবেন না। আপনার একটু সহযোগিতা ও চেষ্টা তাদেরকেও এগিয়ে নেবে।

◾ ব্যক্তিগত রোষের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে কম নম্বর দেয়ার মতো অন্যায় করবেন না। এ ব্যাপারে সচেতন ও সংযত থাকুন। আসলে ক্ষমা সর্বোত্তম গুণ এবং স্রষ্টা ক্ষমাশীলকে পছন্দ করেন।

◾ দীর্ঘদিন কোনো শিক্ষার্থী আপনার ক্লাসে অনুপস্থিত অথবা অনিয়মিত থাকলে নিজ উদ্যোগে তার ও তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করুন।

◾ জন্মদিনে কেক, ফাস্ট ফুড, চকলেট স্কুলে আনতে উদ্বুদ্ধ না করে শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানো, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বা যে-কোনো সৎকর্মে অনুপ্রাণিত করুন।

◾ শিক্ষার্থীদেরকে অপদার্থ, নালায়েক, মূর্খ, বোকা- এ জাতীয় নেতিবাচক কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। ইতিবাচক কথার মাধ্যমে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করুন।

◾ বকাঝকা ও গালিগালাজের মাধ্যমে মানসিক অত্যাচার কিংবা শারীরিক শাস্তি আসলে শিক্ষক হিসেবে আপনার পরাজয়কেই প্রমাণিত করে। তাই অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের মনোভাব বুঝে সংশোধনের জন্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।

◾ কথা শোনে না, পড়তে চায় না, অমনোযোগী-শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে এভাবে ঢালাও অনুযোগ না করে তাদের প্রতি সমমর্মী হোন, তাদেরকে মনোযোগী করে তোলার কৌশলগুলো নিয়ে ভাবুন ও পদক্ষেপ নিন।

◾ জনপ্রিয় শিক্ষক হওয়ার বাসনা থেকে শিক্ষার্থীদের সাথে ব্যক্তিগত ফোনালাপ বা তথাকথিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া থেকে সচেতনভাবে বিরত থাকুন।

◾ ক্লাস চলাকালে মোবাইলে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। ফোন সাইলেন্ট মোডে রাখুন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্বরত অবস্থায় বিনোদনের জন্যে ইন্টারনেট, ফেসবুক অথবা ইউটিউবে ব্যস্ত থাকবেন না।

◾ কোনো শিক্ষার্থী কথা বলতে এলে ধৈর্য ধরে তার কথা শুনুন। সেই মুহূর্তে সম্ভব না হলে বা শিক্ষার্থী পরে কোনো সময় দেখা করতে চাইলে এপয়েন্টমেন্ট দিন।
নিজের রুমের চেয়ে টিচার্স কমনরুমে কথা বলাকে অগ্রাধিকার দিন।

◾ জরুরি নোটিশ বা ডকুমেন্ট আদানপ্রদানের জন্যে 'ফেসবুক গ্রুপ' করতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করবেন না। প্রয়োজনে ই-মেইল করুন।

◾ পিকনিক/ বনভোজন/ আনন্দভ্রমণ/ শিক্ষাসফরে খেয়াল রাখুন- ছাত্রছাত্রীরা চোখের আড়াল হচ্ছে কিনা। সচেতন থাকুন- আনন্দের উন্মাদনায় যেন কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।

◾ শিক্ষার্থীদের কাছে নিজেকে রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করুন।

16/02/2025

***সাবধান***

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অপরাধজগতে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ বা ‘ডেভিলস ব্রেথ’ আলোচিত বিষয়। এটি একধরনের ড্রাগ, যার নাম ‘স্কোপোলামিন’। এই ‘শয়তানের নিশ্বাস’ দিয়ে মানুষকে হিপনোটাইজ বা বশ করা হয়। আর একবার বশ করতে পারলে অপরাধীরা হাতিয়ে নেয় ব্যক্তির মূল্যবান জিনিসপত্র।

স্কোপোলামিন একধরনের সিনথেটিক ড্রাগ। এর মূল উপাদান আসে ধুতরা ফুল থেকে। ধুতরা ফুলের সঙ্গে আরও কিছু উপাদান যোগ করে তৈরি করা হয় স্কোপোলামিন। এটি তরল ও পাউডার—দুই রকমেরই হয়।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্কোপোলামিনের অনেক ব্যবহার আছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি ‘ট্রুথ সেরাম’ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। প্রয়োগ করা হতো ইনজেকশনের মাধ্যমে। যার শরীরে প্রয়োগ করা হতো, তার মস্তিষ্কের যে নিয়ন্ত্রণক্ষমতা, সেটি চলে যেত। ফলে অন্যের কথামতো গোপন তথ্য দিয়ে দিত। শ্বাসের মাধ্যমে পাউডার নিলে শরীরে এর প্রভাব পড়ে তুলনামূলক দ্রুত। অপরাধীরা এ ক্ষেত্রে নিজেরা মাস্ক পরে থাকে। আর স্কোপোলামিন মাখানো ভিজিটিং কার্ড, কাগজ, মুঠোফোন মানুষের নাকের কাছাকাছি নিয়ে যায়, ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি হিপনোটাইজ বা সম্মোহিত হয়ে যান। এরপর সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র নিজ থেকেই দিয়ে দেন। আক্রান্ত ব্যক্তি এক থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় চলে আসেন। তবে ওভারডোজ বা অতিরিক্ত মাত্রায় প্রয়োগ করা হলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। স্কোপোলামিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা, অস্থির লাগতে থাকার মতো সমস্যা দেখা দেয়। তবে অতিরিক্ত মাত্রার ফলে হার্টবিট বা হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, চোখের মণি বড় হয়ে যাওয়া, খিঁচুনি ও অজ্ঞান হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে। হৃৎস্পন্দন অনেক বেড়ে গিয়ে অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে।

করণীয় কী?

রাস্তায় বা যানবাহনে চলাচলের সময় অপরিচিত কারও কাছ থেকে কোনো খাবার বা পানীয় খাওয়া যাবে না।

অপরিচিত কেউ ভিজিটিং কার্ড বা কাগজ মুখের সামনে ধরার চেষ্টা করলে সাবধান হতে হবে।

রাস্তায় চলাচলের সময় মাস্ক ব্যবহার করুন। এতে শ্বাসের মাধ্যমে স্কোপোলামিন শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না।

সমস্যায় পড়লে নিকটস্থ থানা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে।

মাত্রাতিরিক্ত মনে হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

ডা. আফলাতুন আকতার জাহান, মেডিসিন স্পেশালিস্ট, ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগ, স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড, ঢাকা

21/10/2024

কঠিন চীবর দান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান, যা বর্ষাবাস শেষে অনুষ্ঠিত হয়। এটি সাধারণত প্রবারণা পূর্ণিমার পর এক মাসব্যাপী করা হয়। কঠিন চীবর দান মূলত দুইভাবে করা যায়:

১. বক্তিগতভাবে কঠিন চীবর দান:

এই ক্ষেত্রে একজন বা একটি পরিবার নিজ উদ্যোগে ভিক্ষু সংঘকে চীবর দান করে। এটি সরাসরি তাদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে করা হয়।

২. সামাজিক বা সম্মিলিতভাবে কঠিন চীবর দান:

এটি সাধারণত একটি বড় আকারে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পুরো সমাজ বা একটি নির্দিষ্ট সংগঠন সম্মিলিতভাবে দান কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। একাধিক ব্যক্তি বা পরিবার একত্রিত হয়ে চীবর তৈরি বা ক্রয় করেন এবং তা ভিক্ষু সংঘের কাছে দান করেন।

কঠিন চীবর দানের প্রক্রিয়া:

১. চীবর তৈরি বা সংগ্রহ: চীবর দানের জন্য সাধারণত নতুন বস্ত্র তৈরি করা হয়, তবে অনেক সময় এটি ক্রয় করেও দান করা যায়। চীবর অর্থাৎ ভিক্ষুদের পরিধেয় বস্ত্রগুলো সেলাই বা প্রক্রিয়াজাত করে প্রস্তুত করা হয়।

2. দানের স্থান নির্বাচন: দাতা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট বিহারে ভিক্ষুদের কাছে চীবর দান করেন। বড় বড় বিহারে সম্মিলিত দান অনুষ্ঠান হয়, যেখানে সমাজের সবাই অংশ নেয়।

3. দানের আনুষ্ঠানিকতা:

ভিক্ষু সংঘের উপস্থিতিতে, চীবর দানকারীরা বিহারে গিয়ে চীবর তুলে দেন।

এর সঙ্গে অন্যান্য উপাসকরা বিভিন্ন প্রকার সামগ্রীও দান করতে পারেন, যেমন খাদ্য, ঔষধ, এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী।

4. ধর্মীয় অনুষ্ঠান: দান শেষে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা হয়, যেখানে ভিক্ষুরা ধর্মীয় উপদেশ দেন এবং প্রার্থনা করেন। দাতারা তাদের আত্মিক উন্নতি ও মঙ্গল কামনা করে প্রার্থনা করে থাকেন।

কঠিন চীবর দানকে অত্যন্ত পূণ্যময় বলে গণ্য করা হয়, কারণ এতে ভিক্ষুদের জীবনধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বস্ত্র দান করা হয়, যা তাদের বৌদ্ধ নিয়ম অনুযায়ী জীবনে ব্যবহৃত হয়।

07/10/2024

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সকলে সারাবছর অপেক্ষা করে প্রবারণা পূর্ণিমার পর মাসব্যাপী কঠিন চীবর দানের জন্য... এমন কোন বৌদ্ধ ধর্মালম্বী (পাহাড় কিংবা সমতলে) পাওয়া যাবে না যিনি কঠিন চীবর দানে অংশগ্রহন করেন না...... হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও চীবর দানে ঠিকই অংশ নেয় সবাই...... রাঙামাটির কোন সন্তান যদি ঢাকা বা অন্যত্র থাকে চীবর দানে অংশ নিতে ঠিকই বাড়িতে ফিরে আসে..... ব্যাপক উৎসব ও আনন্দের মধ্য দিয়ে পালন করে এই দান... দায়কের সাথে ভন্তের দেখা হয় অনেক দিন পর..... ভন্তেরাও তিনমাস ধর্ম সাধনার পর আসে ধর্ম প্রচারে.....

এবারের কঠিন চীবর দান না করার সিদ্ধান্ত বৌদ্ধদের মনে কতটা কষ্ট হচ্ছে তা কি কেউ অনুধাবন করতে পারছেন??? কতটা আঘাত পেলে বা হতাশ হলে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়????

এই কস্ট মুছে দেবার দায় কার??? দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিতো সকল ধর্মের মানুষের????? তাহলে কেন হতাশ হবে কোন সম্প্রদায়.....?

একটি ফুল দিয়ে বাগান হয় না..... বাগান হয় নানান ফুলে.... তেমনই সুন্দর ও শান্তির দেশ হতে হলে নানান জাতের, ধর্মের মানুষেরও প্রযোজন হয়...... এটাই সৌন্দর্য.....

একজনের হাসি কেড়ে নিয়ে অন্যজন শান্তিতে থাকবে এটা অসম্ভব...... কেউ কেউ দস্যুতায় ভাঙবে মন্দির-মুর্তি!!! লুটে নিবে দান বাক্ম...... অবিশ্বাসী করে দিবে মন..... এমন অসভ্যতার দেশতো আমাদের না.....

দেশটা যদি সকলের হয়.... তাহলে ধর্মচর্চা হোক বাধাহীন.... ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকুক সকল ক্রোধের বাহিরে....

কষ্ট যারা দেয় সেই কষ্ট মোছানোর দায়ও তাদের ও রাষ্ট্রের....... মোছাবে কিনা সেটি দেখার বিষয়.....

জগতের সকল প্রাণী সুখি হউক.......

: Saykat Ranjan Chowdhury

21/09/2024

সমতলে গনতন্ত্র চাই, মাগার পার্বত্যে সেনাতন্ত্র!!! পাহাড়ীরা অধিকার চাইলে বিচ্ছিন্নতাবাদের টকমা দিতে ভালই পারেন , ফিলিস্তিনি বুঝ মাগার পার্বত্য চট্টাগ্রাম বুঝো না। জন্ম থেকে এই পর্যন্ত আমার ভাইদের কারো মুখে চাইতে শুনিনি ' আমরা স্বাধীনতা চাই" তবু তারা আমরা নাকি স্বাধীনতা চাই, যতই বলি আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি ততই তারা বলে তোরা সন্ত্রাসী।

18/09/2024

👉ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার : সেনাবাহিনী যা যা করতে পারবে

🤔সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

আইনের এসব ধারা অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যেসব ক্ষমতা রয়েছে-

✍️ধারা ৬৪ : ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার বা গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়ার এবং হেফাজতে রাখার ক্ষমতা।

✍️ধারা ৬৫ : গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা বা তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা যার জন্য তিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।

✍️ধারা ৮৩/৮৪/৮৬ : ওয়ারেন্ট অনুমোদন করার ক্ষমতা বা ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অপসারণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা।

✍️ধারা ৯৫(২) : নথিপত্র ইত্যাদির জন্য ডাক ও টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুসন্ধান এবং আটক করার ক্ষমতা।

✍️ধারা ১০০ : ভুলভাবে বন্দি ব্যক্তিদের হাজির করার জন্য অনুসন্ধান-ওয়ারেন্ট জারি করার ক্ষমতা।

✍️ধারা ১০৫ : সরাসরি তল্লাশি করার ক্ষমতা, তার (ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি) উপস্থিতিতে যে কোনো স্থানে অনুসন্ধানের জন্য তিনি সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন।

✍️ধারা ১০৭ : শান্তি বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।

✍️ধারা ১০৯ : ভবঘুরে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীর ক্ষমতা।

✍️ধারা ১১০ : ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তা প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।

✍️ধারা ১২৬ : জামিনের নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা।

✍️ধারা ১২৭ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার আদেশ দানের ক্ষমতা।

✍️ধারা ১২৮ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বেসামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা।

✍️ধারা ১৩০ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা।

✍️ধারা ১৩৩ : স্থানীয় উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ক্ষেত্র বিশেষে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা।

✍️ধারা ১৪২ : জনসাধারণের উপদ্রবের ক্ষেত্রে অবিলম্বে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা।

✍️উল্লিখিত ক্ষমতা ছাড়াও, যে কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর অধীনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার জন্য সরকার এবং সেই সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারের মধ্যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

এই আইনের অধীনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে সংঘটিত অপরাধ বা ঘটনাস্থলে তার বা তার সামনে উন্মোচিত হওয়া অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারেন। অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী অপরাধীকে সাজা দিতে পারেন। তবে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে তা দুই বছরের বেশি হবে না।

Pare ca na vijanantimayamettha yamamaseye ca tattha vijanantitato sammanti medhaga.   Verse 6: 🙏People, other than the w...
17/09/2024

Pare ca na vijananti
mayamettha yamamase
ye ca tattha vijananti
tato sammanti medhaga. Verse 6:

🙏People, other than the wise, do not realize, "We in this world must all die," (and, not realizing it, continue their quarrels). The wise realize it and thereby their quarrels cease.

Dhammapada :
Verse 6
Kosambaka Vatthu

06/11/2023

👉 ‘অকোচ্ছি মং, অবধি মং, অজিনি মং, অহাসি মে,
যে চ তং ন উপনয্ হস্তি, বেরং তেস্তূপসম্মতি।

✍️আমাকে আক্রমন করল, আমাকে মারলো, আমাকে পরাজিত করল, আমার [ সম্পত্তি ] হরণ করল,
যারা এমন চিন্তা করে থাকে না তাদের শত্রুতা হয় না।

ধম্মপদ, যমকবর্গ ৪র্থ শ্লোক।🙏🙏🙏

06/11/2023

👉'অক্‌কোচ্ছি মং, অবধি মং, অজিনি মং, অহাসি মে',
যে চ তং উপনয্হস্তি, বেরং তেসং ন সম্মতি।।

✍️আমাকে আক্রমন করল, আমাকে মারলো, আমাকে পরাজিত করল বা আমার [ সম্পত্তি ] চোর করল, যারা এমন চিন্তা করে থাকে তাদের শত্রুতার শেষ হয় না।।

🙏ধম্মপদ, যমক বর্গ, ৩য় শ্লোক।।

23/10/2023

মনোপুব্বংগমা ধম্মা মনোসেট্‌ঠা মনোময়া ।
মনসা চে পসন্নেন ভাসতি বা করোতি বা ৷
ততো নং সুখমন্বেতি ছায়া ব অনপায়িনী ॥২॥ ধম্মপদ, যমক বর্গ

অর্থাৎ —মন ধর্মসমূহের অগ্রণী, মন এদের প্রধান এবং এরা মনের
দ্বারা গঠিত। যদি কেউ প্রসন্ন মনে কোনো কথা বলে বা কাজ করে, তবে অবিচ্ছিন্ন ছায়ার ন্যায় সুখ তার অনুগামী হয়।

Address

Khagrachari
4440

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মারমা শিক্ষাঙ্গন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category