19/04/2026
♦️পুরুষ হিসেবে ২৫ বছরে পা দিলেই কিছু জিনিস নিয়ে সচেতন হয়ে যাবেন।
১। আপনার লুক। চুল এবং দাঁড়ি সব সময় যেন পরিপাটি থাকে। নারী হন বা পুরুষ সপ্তাহে দুইদিন মাথায় এক ঘন্টা তেল দিয়ে তারপর ওয়াস করে ফেলবেন। মাথায় কোনদিন শ্যাম্পু ইউজ করবেন না। শ্যাম্পুর বদলে ডাভ সাবান ইউজ করবেন। চুলকে যত প্রাকৃতিক ভাবে ওয়াস করা যায়। যেদিন তেল দিবেন না ওদিন শুধু পানি দিয়ে চুল ওয়াস করবেন। শ্যাম্পু জিনিসটা পারলে ফেলে দেন। কোন কন্ডিশনার ইউজ করবেন না। কোন জেল, ওয়াক্স এবং স্প্রে ভুলেও না। শুধু তেল আর ডাভ সাবান। সপ্তাহে তিন দিন এক ঘন্টা করে তেল দিয়ে ওয়াস করলে চুল সঠিক ভলিউমে থাকবে। দুই সপ্তাহ পর পর সেলুনে যাবেন। বিয়ার্ড ভাল করে ছাটাই করিয়ে আসবেন।
♦️আপনি দুইটা ফেস ওয়াস ইউজ করবেন। প্রথমে কড়া হয়াইটেনিং ফেইস ওয়াস যেমন মিল্ক। এরপর অ্যালোবেরা ফেসওয়াস দিয়ে ফেইসটা ওয়াস করবেন। যাদের সেন্সেটিভ স্কিন তাদের ফেইসে মিল্কের হয়াইটেনিং ফেস ওয়াস শুধু ইউজ করলে সাইড ইফেক্ট দেখা দিবে। তাই সেইটা দিয়ে ওয়াস অ্যালোবেরা ফেস ওয়াস দিয়ে আবার ফেইস ওয়াস করলে কোন সাইড ইফেক্ট দেখা দিবে না। আড়ং এর অ্যালোবেরা ফেস ওয়াস ইউজ করতে পারেন।
♦️কেন এইসব করবেন? লোকে আগে আপনার ফেইসের দিকেই তাকাবে। চেহারা এবং চুল, দাঁড়ি যত্ন আপনাকে নিতেই হবে।
২। আপনার ফিটনেস। মনে রাখবেন কর্মক্ষেত্রে যত দামি পোশাক ই পরেন না যদি ভুড়ি থাকে কিচ্ছুতে মানাবে না। যত স্টাইলিশ পোশাক আছে সব পাবেন রেডিমেড। নিজেকে সঠিক শেইপে রাখতে হবে। বডির শেইপ ঠিক না থাকলে শুট বুটেড হয়েও লাভ নেই। আপনাকে প্রতিদিন হিসাব করে খেতে হবে এবং জগিং ও এক্সারসাইজ করতে হবে।
৩। আপনাকে যেন ২৫ এর পর সমাজের কেউ যেন লুঙ্গি, বেশি সাধারণ পোশাকে না দেখে। মুদির দোকানে গেলেও একদম পরিপাটি হয়ে যাবেন। ক্যাজুয়াল পোশাকেরও আছে। কিছু ক্যাজুয়াল পোশাক আছে ওগুলি পরলে আপনাকে আরো স্টাইলিশ লাগবে।
৪। ফ্যাশন সেন্স এবং কালারসেন্স এই দুইটা জিনিস বুঝতে হবে। কোন কালারের শার্টের সাথে কোন কালারের প্যান্ট যাবে। কোন কালারের প্যান্টের সাথে কোন কালারের শার্ট এবং টিশার্ট যাবে। কোন কালারের জুতা বা স্যান্ডেলের সাথে কোন কালারের প্যান্ট মানাবে এইসব আপনাকে বুঝতে হবে। ড্রেসাপ সেন্স না থাকলে আপনাকে আজব কম্বিনেশনের ব্যক্তি লাগবে।
৫। সব সময় মিনি পারফিউম এবং একটা ছোট্ট পকেট চিড়ুনি ক্যারি করবেন। প্রতি এক ঘন্টা পর পর নিজের চুল আচড়াবেন এবং শরীরে পারফিউম দিবেন। যারা নামায আদায় করেন তারা আতর সাথে রাখবেন। আপনার থেকে কোনদিন ব্যাড স্মেল না আসে।
♦️এখন অনেকে বলবেন যে এইসব কেন করবেন?
মনে রাখবেন আপনি পুরুষ মানুষ। পড়াশোনা শেষ করলে প্রফেসনাল লাইফে প্রবেশ করলে আপনার নিজেকে বেঁচতে হবে। মানুষ আগে দর্শন বিচারী। পরে গুন বিচারী। বাড়িতে আপনি অগোছালো হয়ে থাকেন ব্যাপার না। এর জন্য ই ঐটা আপনার বাড়ি। কিন্তু বাড়ির চৌকাঠ পাড় করলে আপনাকে প্রতিটা সেকেন্ড নিজেকে বেঁচতে হবে। আমরা সবাই একটা প্রোডাক্ট। একটা প্রতিষ্ঠানে দুই প্রকারের কর্মী থাকে। এক প্রকারের হলো ক্ষ্যাত। এদের বসরা গাধার মত খাটায়। কিন্তু এদের কোনদিন কম্পানির ফেইস বানায় না। আরেক প্রকারের থাকে স্টাইলিশ। দেখবেন এদের স্মার্টনেসের কারণ দ্রুত প্রমোশন হয়ে যায়, বসেরা সবখানে নিয়ে যায়। এরা গাধার মত না খেটেও স্মার্টনেস দিয়ে অনেক এগিয়ে যায়। এদিকে আপনি যদি স্মার্ট এবং পরিশ্রমী দুইটায় হন, ভেবেছেন কিভাবে দ্রুত প্রোগ্রেস করবেন? ধরেন, যেদিন আমার অধীনে কয়েকজন থাকবে বড় জায়গায় গেলে আমি আমার আন্ডারে যারা কাজ করে তাদের মধ্য থেকে যারা ট্যালেন্টেড এবং স্মার্ট শুধু তাদের ই নিয়ে যাবো। নইলে আমার ইজ্জত থাকবে না।বলবে এর অধীনস্থরা এত ক্রিঞ্জ কেন।
♦️ক্ষ্যাত পুরুষ যতই মেধাবী হোক এই বাংলাদেশে কিচ্ছু করতে পারে না। সে আগেই মাইনাস। মনে রাখবেন এইদেশে এখন শিক্ষিত কম বেশি সবাই। এমনকি এই দেশে মেধাবীও কম বেশি সবাই। কিন্তু পুরুষদের ম্যাক্সিমাম ই ক্ষ্যাত। যাকে দেখতে সাহবে লাগে না তাকে কেউ এই দেশে সাহেব মানবে না। সব পুরুষ নিজেকে বেঁচতে জানে না। কম্পিটিশনের যুগ এইটা। সব দিকেই নিজেকে ঠিক রাখতে জানতে হয়।