Bangladesh Garments & Labour Law

Bangladesh Garments & Labour Law If you need any help or support related Bangladesh Garments & Labour Law or Global Social Compliance, please contact us

Most of our Garments Workers failed to get their Rights & Facilities for their ignorance of Labour Law. We will provide them all kinds of support related Bangladesh Garments & Labour Law and also about Social Compliance.

19/05/2017

The Final Countdown Silent Knight Version Drum Cover by Nur Amira Syahira 12 years old. Thanks for watching! SUBSCRIBE for more drum cover.

28/01/2017

একটা সময় ছিলো যখন গার্মেন্টস মানেই ছিল অশিক্ষিতদের জগত, পেটের দায়ে কাজ করতে আসা অসহায় মেয়েগুলি ছিল ভোগ পন্ন। না ছিল ইজ্জত, না ছিল সামাজিক অবস্থান। কিন্তু যুগ বদলেছে। আজ এই জগত আর অশিক্ষিতদের জগত নেই। সামান্য টাইমকিপারের চাকরি নিতেও এখন ডিগ্রী লাগে। মেয়েদের জন্য রয়েছে আলাদা ভাবে বিশেষ আইন, র‍য়েছে আলাদা ভাবে "Anti Harassment Committee" "Gander Committee" "Anti Discrepancy Committee" "Anti Sexual & Physical Abuses Committee" এসব কমিটি মুলত নারি অধিকার, নারি সম্মান, এবং রয়েছে Human Resource and Development Department, Compliance Department, Workers Participation Committee ইত্যাদি যারা আই এল ও এবং বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর আলোকে শ্রমিকদের অধিকার, স্বাস্থ সুরক্ষা ইত্যাদি বিষয়ে এক যোগে কাজ করে যাচ্ছে, এখনো হয়ত তুবা গ্রুপ এর মত কোম্পানি রয়েছে, কিন্তু বিশ্বাস করুণ এর জন্য কিন্তু দায়ি আপনারা। আজো আপনারা পারেন নাই এই ট্রেড টাকে মুল্যায়ন করতে। এদের দুঃখ কষ্ট কে ভাগাভাগি করে নিতে, অথচ সদ্যসমাপ্ত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদেশে বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে ৩০ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এর মধ্যে সাড়ে ২৪ বিলিয়ন ডলার এসেছে তৈরি পোশাক রফতানি করে। এরপরেও এরাই সবচাইতে বেশী অবহেলিত।
এখনো আপনারা মজা করতে বলেন এই যোগ্যতা নিয়ে গার্মেন্টস এও চাকরি পাবেনা। সত্যি পাবেনা, কারন গার্মেন্টস এখন আর সেই আগের গার্মেন্টস নেই। ভুরি ভুরি এম বি এ, বি বি এ, অনার্স মাস্টার্স ঘুরে বেরাচ্ছে গার্মেন্টস এ একটি ভালো পদে চাকরির আশায়। সম্মান জনক সততার সাথে একমাত্র এই সেক্টরেই রয়েছে মাসে ২ লক্ষ, ৩ লক্ষ এর বেশী বেতন আদায়।

আপনাদের কাছে মিনতি করি এই সেক্টর কে সম্মান না করেন অন্তত অসম্মান করবেন না। মনে রাখবেন, "আপনারা এদেরকে অনুগ্রহ করছেন না, বরং এরাই আপনাদেরকে করুনা করছে। যদি আল্লাহ্‌ মাফ করুণ এই সেক্টর কোনো ভাবে বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে হয়ত ভিক্ষা দেয়ার মত লোকও খুঁজে পাওয়া যাবেনা"

19/08/2014

জেনে নিন
শ্রম আদালত এর সংগাঃ

শ্রমক্ষেত্রে শ্রমিকদের সমস্যা
বা জটিলতার সমাধান
ট্রেড ইউনিয়ন বা অন্যভাবে
অনেক সময় সহজেই মিটিয়ে
ফেলা সম্ভব মনে হলেও
বাস্তবক্ষেত্রে অনেক সময় তা
সম্ভব হয় না৷ সেক্ষেত্রে তা
মামলা মোকাদ্দমা পর্যন্ত
গড়ায় ৷ আবার অনেক সময়
শ্রমিক জানেও না যে কোথায়
গেলে তিনি তার কাংখিত
প্রতিকার পেতে পারেন৷

শ্রম আদালতে যেসব মামলা
হয়ে থাকে সেগুলির মধ্যে
ছাটাইকৃত, বরখাস্তকৃত,
অব্যাহতিপ্রাপ্ত এবং
টার্মিনেশনকৃত শ্রমিকগণের
মামলা বেশী৷ তারা তাদের
কাজে পূনবহালের প্রার্থনা
নিয়ে আদালতে এসে থাকেন৷
এছাড়া বকেয়া মজুরীর দাবী
নিয়ে এবং আইনগত অধিকার
বলবত্ বা কার্যকরী করার
প্রার্থনা নিয়েও প্রচুর
শ্রমিক শ্রম আদালতে আসেন৷

এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে
অথবা শ্রম আইন সংক্রান্ত যে কোন
সাহায্য অথবা পরামর্শের জন্য
আমাদের সাথেই থাকুন।

10/08/2014

তোবাকর্মীদের বেতন প্রদান

আন্দোলনরত তোবা গ্রুপের ৫টি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের জুলাই মাসের বেতন দেয়া শুরু হয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসেনের উদ্যোগে এ বেতন দেয়া হচ্ছে। রবিবার দুপুর ২টা থেকে কারওয়ানবাজারের বিজিএমইএ ভবনের নিচ তলায় বেতন প্রদান শুরু হয়।
জানা যায়, তোবা গ্রুপের ৫টি পোশাক কারখানার ১৪৮৭ জন শ্রমিকদের জুলাই মাসের বেতন ও ওভারটাইমের এক কোটি ৩০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হবে।
বেতন প্রদান কার্যক্রম শুরুর এক ঘন্টার মাথায় ২০০ জন শ্রমিক বেতন তুলেছেন বলে বিজিএমইএ সূত্র জানিয়েছে।
বিজিএমইএ সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম জানান, আজ
(রবিবার) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বেতন দেওয়া হবে। এ সময়ের মধ্যে দেওয়া না গেলে আগামীকালও (সোমবার ) এখানেই শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করা হবে।
এর আগে বিজিএমইএ উদ্যোগে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার তোবা শ্রমিকদের ২ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়।

একটা সময় ছিলো যখন গার্মেন্টস মানেই ছিল অশিক্ষিতদের জগত, পেটের দায়ে কাজ করতে আসা অসহায় মেয়েগুলি ছিল ভোগ পন্ন। না ছিল ইজ্জ...
09/08/2014

একটা সময় ছিলো যখন গার্মেন্টস মানেই ছিল অশিক্ষিতদের জগত, পেটের দায়ে কাজ করতে আসা অসহায় মেয়েগুলি ছিল ভোগ পন্ন। না ছিল ইজ্জত, না ছিল সামাজিক অবস্থান। কিন্তু যুগ বদলেছে। আজ এই জগত আর অশিক্ষিতদের জগত নেই। সামান্য টাইমকিপারের চাকরি নিতেও এখন ডিগ্রী লাগে। মেয়েদের জন্য রয়েছে আলাদা ভাবে বিশেষ আইন, র‍য়েছে আলাদা ভাবে "Anti Harassment Committee" "Gander Committee" "Anti Discrepancy Committee" "Anti Sexual & Physical Abuses Committee" এসব কমিটি মুলত নারি অধিকার, নারি সম্মান, এবং রয়েছে Human Resource and Development Department, Compliance Department, Workers Participation Committee ইত্যাদি যারা আই এল ও এবং বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর আলোকে শ্রমিকদের অধিকার, স্বাস্থ সুরক্ষা ইত্যাদি বিষয়ে এক যোগে কাজ করে যাচ্ছে, এখনো হয়ত তুবা গ্রুপ এর মত কোম্পানি রয়েছে, কিন্তু বিশ্বাস করুণ এর জন্য কিন্তু দায়ি আপনারা। আজো আপনারা পারেন নাই এই ট্রেড টাকে মুল্যায়ন করতে। এদের দুঃখ কষ্ট কে ভাগাভাগি করে নিতে, অথচ সদ্যসমাপ্ত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদেশে বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে ৩০ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এর মধ্যে সাড়ে ২৪ বিলিয়ন ডলার এসেছে তৈরি পোশাক রফতানি করে। এরপরেও এরাই সবচাইতে বেশী অবহেলিত।
এখনো আপনারা মজা করতে বলেন এই যোগ্যতা নিয়ে গার্মেন্টস এও চাকরি পাবেনা। সত্যি পাবেনা, কারন গার্মেন্টস এখন আর সেই আগের গার্মেন্টস নেই। ভুরি ভুরি এম বি এ, বি বি এ, অনার্স মাস্টার্স ঘুরে বেরাচ্ছে গার্মেন্টস এ একটি ভালো পদে চাকরির আশায়। সম্মান জনক সততার সাথে একমাত্র এই সেক্টরেই রয়েছে মাসে ২ লক্ষ, ৩ লক্ষ এর বেশী বেতন আদায়।

আপনাদের কাছে মিনতি করি এই সেক্টর কে সম্মান না করেন অন্তত অসম্মান করবেন না। মনে রাখবেন, "আপনারা এদেরকে অনুগ্রহ করছেন না, বরং এরাই আপনাদেরকে করুনা করছে। যদি আল্লাহ্‌ মাফ করুণ এই সেক্টর কোনো ভাবে বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে হয়ত ভিক্ষা দেয়ার মত লোকও খুঁজে পাওয়া যাবেনা"

এরা হল গার্মেন্টস শমিক, এরাত আর মানুষ না, রাই না?তোবার অনশন পিটিয়ে উৎখাত!!!বেতন দাবিতে ঈদের আগের দিন থেকে কারখানায় অনশ...
07/08/2014

এরা হল গার্মেন্টস শমিক, এরাত আর মানুষ না, রাই না?
তোবার অনশন পিটিয়ে উৎখাত!!!

বেতন দাবিতে ঈদের আগের দিন থেকে কারখানায় অনশনে থাকা তোবা গ্রুপের শ্রমিকদের পিটিয়ে তুলে দিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের তুলে দেয়ার সময় আটক করা হয় পোশাক শ্রমিকদের দুই নেত্রী মোশরেফা মিশু ও জলি তালুকদারকে, যারা তোবার শ্রমিকদের সঙ্গে শুরু থেকে ছিলেন। রাতে অবশ্য তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

পুলিশ ভ্যানে তোলার আগে দেশের সব পোশাক কারখানায় অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডাকেন তোবা গ্রুপ সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক মোশরেফা।

রাজধানীর বাড্ডার তোবা কারখানা থেকে অনশনরতদের তুলে দেয়ার পর বিকালে কারওয়ান বাজারে বিজিএমইএ ভবনে বেতন নিতে শ্রমিকদের ভিড় বাড়তে থাকে, সেখানে পুলিশের লাঠির জখম নিয়েও কয়েকজনকে দেখা যায়।

তোবা গ্রুপের শ্রমিকরা তিন মাসের বেতন দাবিতে গত ২৮ জুলাই কারখানায় অনশনে বসে, এরপর তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, গড়ে তোলা হয় তোবা গ্রুপ সংগ্রাম কমিটি।

তোবা মালিক দেলোয়ার হোসেন কারাগারে থাকায় বিজিএমইএ দুই মাসের বেতনের বন্দোবস্তু করে তা নিতে বললেও পাওনা পরিশোধের প্রথম দিন বুধবার শ্রমিকদের তেমন সাড়া দেখা যায়নি।

বুধবার কারখানা ভবনের (হোসেন মার্কেট) সামনে পুলিশের ব্যাপক অবস্থান ও অভিযানের মধ্যেই ভেতরে অনশন চলছিল।

বৃহস্পতিবার সকালে আশপাশের কারখানাগুলোর শ্রমিকদের সঙ্গে তোবার শ্রমিকদের এক দফা সংঘর্ষের পর দুপুরে হোসেন মার্কেটে অভিযান শুরু করে পুলিশ; একে একে বের করে দেয় সব শ্রমিককে, যারা ১২ দিন ধরে সেখানে ছিলেন।

মিশু ও জলিকে পুলিশের গাড়িতে তোলার সময় কারখানার বাইরে দায়িত্ব পালনরত কয়েকজন আলোকচিত্র সাংবাদিকও পুলিশের লাঠিপেটায় আহত হন।

সকাল থেকেই মার্কেটের সামনে জল কামান ও এপিসি নিয়ে কড়া পাহারায় ছিল পুলিশ। কাউকে তোবা গ্রুপের কারখানা থেকে বের হতে অথবা সেখানে যেতে দেয়া হচ্ছিল না। কারখানার পানির লাইন সকালেই পুলিশ বন্ধ করে দেয় বলে শ্রমিকরা জানান।

দুপুরের আগে তোবা গার্মেন্ট সংলগ্ন লুৎফন শপিং কমপ্লেক্স ভবনের কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে তোবা গ্রুপের এক দল শ্রমিকের সংঘর্ষ বাঁধে। তখন পুলিশও দুই পক্ষের ওপর লাঠি চালায়।

তোবা গ্রুপের ৫টি গ্রার্মেন্টস এর ১৬০০ শ্রমিককে বেতন দেয়া হয়নি(খেয়াল করেন, বোনাস নয়, বেতন)। তোবা গ্রুপের অর্থাৎ তাজরি...
02/08/2014

তোবা গ্রুপের ৫টি গ্রার্মেন্টস এর ১৬০০ শ্রমিককে বেতন দেয়া হয়নি(খেয়াল করেন, বোনাস নয়, বেতন)। তোবা গ্রুপের অর্থাৎ তাজরিন গার্মেন্টস এর খুনী মালিক দেলওয়ারের জামিন না হলে বেতন দেয়া হবে না বলে শ্রমিকদের ঘোরানো হচ্ছে। মালিক না থাকলে শ্রমিকদের মাসের পর মাস খাটানো যায় কিন্তু বেতন দেয়া যায় না! আসলে শ্রমিকদের জিন্মি করে খুনী মালিকের জামিনের জন্য চাপ প্রয়োগ করতেই এই বাহানা।

উপায়ন্তর না দেখে, তোবা গ্রুপের শ্রমিকরা তাদের ৩ মাসের বকেয়া বেতন আদায়ের জন্য আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে অনশনে বসেছেন। বকেয়া আদায় না হলে ঈদের দিনও তারা অনশন করবেন। এদিকে পুলিশ জলকামান ও এক্সট্রা ফোর্স নিয়ে শ্রমিকদের ঘিরে রেখেছে- যে কোন সময় আক্রমণ চালানো হতে পারে শ্রমিকদের উপর।

আমি জানতে চাই, "আজ কোথায় তোরা সব ব্লগারের দল! বড় বড় পেজ ম্যানেজার!! গাল ভরা সব ডায়লগ!!!
আজ কেন তোদের কলম বন্ধ? কেন তোরা লিখিস না দু'কলম? কেন দিস না একটা পোস্ট? একটা প্রতিবাদ জানাবি তাও এতো কৃপনতা কেন তোদের? ব্রাজিল - আর্জেন্টিনা করেত মাথা খারাপ করে ফেলেছিলি। আজ তাহলে কেন নিশ্চুপ সব হচ্ছাড়া শিক্ষিত মুর্খ রা?
ওরা মরছে মরবে তাতে কি আসে যায়?
আরে মুর্খরা ওরা কারা? ওরাই বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ আজ না খেয়ে কেঁদে কেটে মরছে।
না ওরা তোদের মত লাইক ভিক্ষা করতে নামেনি। ওরা চায় ওদের পারিশ্রমিক। যা না পেয়ে আজ পথে নেমেছে। সেখানেও নাই শান্তি। নাই নরাপত্তা। পেটে ক্ষুধা আর পিঠে পুলিশের লাঠি!!!

দোহাই তোদের একটু পাশে দাড়া, ভুলে যাসনে ওদের শ্রমের কামাই দিয়েই চলছে পুরো দেশ। আজ যদি ওরা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সাধের এই দেশে ভিক্ষা দেয়ারও লোক খুঁজে পাওয়া যাবেনা।"
(Az)

31/07/2014

আমি বার্সেলোনা থাকি, ঈদের ২/৩ দিন আগে গেলাম শপিং করতে, Primark এ। সেখানে প্রবেশ করার সময় একজনের সাথে একটু ধাক্কা লাগে, তো দোষটা আমার হওয়া সত্বেও উনি আমাকে সরি বলেছেন। উনার বয়স প্রায় ৪০ এর কাছাকাছি হবে, স্প্যানিশ নাগরিক।
তো দোষ টা আমার হওয়া সত্বেও উনি সরি বলছেন, এখন কথা না বললে কেমন হয়।
কিছুক্ষণ কথা বলার পর জিজ্ঞেস করলাম আপনি যে এলাকায় থাকেন সেখানে অনেক শপিং সেন্টার আছে, এত দূর শপিং করতে আসেন কেন?
-- আমি সবসময় Primark থেকে শপিং করি, প্রায় ৬ বছর হবে।
-- আমি একটু উঠসাহ নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কেন? কেন?
-- এখানে Made in Bangladesh এর পোশাক পাওয়া যায়। আমি বাংলাদেশকে অনেক ভালোবাসি। ওদের পোশাক অনেক সুন্দর ডিজাইন এবং ওদের শ্রমিকরা অনেক ধন্য দেশ বিদেশে অনেক সম্মান এনে দিচ্ছে দেশের।
--- ভেরি গুড, তা আপনি কখনও গেছেন বাংলাদেশ, বা যাওয়ার ইচ্ছা আছে, দেখার ইচ্ছা আছে নিজ চোখে কিভাবে শ্রমিকরা এসব পোশাক তৈরি করে?
--- না না, কখনও যাই নাই, তবে যদি যাওয়াত সোযোগ হয় তবে সেটা হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।
-- আমার চোখ দিয়ে জল এসে গেলো, বিদেশিরা আমাদের দেশের পোশাক শিল্পের প্রতি এত ভালোবাসা, আর আমরা ঈদের সময় বেতন-ভাতা দেই না, কিছু বললে কাজ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেই।
-- আরে আপনি কাঁদছেন কেন,?
-- খুশিতে? কারন আমি একজন বাংলাদেশি।
এই কথা বলতে দেরি হয় নাই, আমাকে বুকে জরিয়ে ধরেন। আর আমি চোখের পানি মুছতে থাকলাম।
-- আপনি অনেক ভাগ্যবান এমন একটা দেশে জন্ম নিছেন, যেখানে Garments এর মাধ্যমে সাড়া দুনিয়া রাজত্ব করছে।

আরও অনেক কথা হইছে, সেটা না হয় অন্যদিন বলব।

বিদেশিরা যদি আমাদের Garments কে এত সম্মান দিতে, Garments শ্রমিককে এত মর্যাদা দিতে পারে, পারে আমরা কেন পারব না, আমরা কেনও আমাদের এই শিল্প নিয়ে অহংকার করতে পারব না, কেনও বিপদে আপদে ওদের পাশে থাকতে পারব না।

আসুন না আমরা ওদের সাথে অবিচার না করে ওদের পাশে দারাই, ওরা আমাদের দেশকে বাহিরের কাছে তুলে ধরছে, বাড়িয়ে দিচ্ছে দেশের সম্মান আর দেশকে এনে দিচ্ছে রেমিটেন্স।

M.A

ভাইয়া কি খান? ওইটা কি মিষ্টি নাকি ফিরনী?আপু আপনার জামাডা কি সুন্দর,ইস কি সুন্দর সুন্দর নকশার ডিজাইনআমি?আমি আর কি করমু, ...
29/07/2014

ভাইয়া কি খান?
ওইটা কি মিষ্টি নাকি ফিরনী?

আপু আপনার জামাডা কি সুন্দর,
ইস কি সুন্দর সুন্দর নকশার ডিজাইন

আমি?
আমি আর কি করমু,
শিপমেন্ট আছিলো,
তাই কাম করতাছি,
এম ডি স্যার আইজ আমাগোরেও
পায়াস খাওয়াইছিল, তয় যেই খালা
রান্ধে হ্যায় মনে লয় চিনি দিতে
ভুইল্যা গেছিলো, দুধডা পানি পানি
হইলেও মজা আছিল।
এইখানে কি করি? দুপুরে?
নাগো বইন, ক্যামনে খাই কন?
হেই কাইলকা যে ঢুকছি, আরত
বাইরাইতেই পারলাম না।
আইজকা একডা ঈদের দিন!!!
তাও হারাডা দিন খালি কাম
করাইলো, মাইডা আমার দু:ক
পাইলেও কিছু কইব না, কিন্তু
কিন্তু পোলাডা আফা খালি
কানবো, খালি কানবো, কিচ্ছু
খাইবোনা। অরে না খাওয়াইয়া
আমি ক্যামনে খাই কন?
যাই আফা কাম করিগা,
ইনচারজ দ্যাখলে গাইল পারব
আর ওইযে বাইরতন গুন্ডাগুলা...
তওবা তওবা কি কইয়া হালাইলাম,
আফা আপনার দুইডা পায়ে ধরি
হ্যাগোরে কিচ্ছু কইয়েন না, কইলে
আমারে....

আর শুনার মত সাহস হলনা,
চোখের পানি আড়াল করতেই যেন
কালো চশমাটায় চোখ ঢেকে ফেলল,
তার চোখেত পানি মানায়না!
কারন সেইওত এই গার্মেন্টস এর
এমডির একমাত্র মেয়ে.........

(কোন এক গার্মেন্টস শমিক/Az)

29/07/2014

কারখানাতেই ঈদ তুবা গ্রুপের ১,৬০০ শ্রমিকের!!!

শেষ পর্যন্ত কারখানাতেই ঈদের দিন পার হয়ে গেলো তুবা গ্রুপের ১ হাজার ৬শ’ শ্রমিকের।

মঙ্গলবার ঈদের দিনও তারা সোমবারের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আমরণ অনশন করে যাচ্ছেন।

তিন মাসের বেতন বোনাসের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকরা কারখানাতে ঈদের দিন কাটাচ্ছেন। সেই সঙ্গে সোমবার সন্ধ্যা থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন আমরণ অনশন কর্মসূচি।

শ্রমিকরা জানান, যেহেতু তাদের ঈদের দিনও শেষ, সেহেতু সবই শেষ হয়ে গেছে।

আর তাই এখন মনের ক্ষোভ-কষ্টকে সঙ্গী করে যতক্ষণ পর্যন্ত না বকেয়া বেতন বোনাস না পাচ্ছেন কারখানা ছাড়বেন না বলে জানান তারা।

ঈদের দিন মঙ্গলবার রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় তুবা গ্রুপের কারখানায় গিয়ে দেখা গেলো এমনই হাহাকারের দৃশ্য।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর বাড্ডার হোসেন মার্কেটের সাত তলায় শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে বসে আছেন। তাদের চোখে মুখে কান্না আর তীব্র হতাশার ছাপ।

ঈদের দিন যেখানে পরিবার-পরিজন নিয়ে খুশিতে দিন উদযাপনের কথা সেখানে বেতন বোনাসের জন্য কারখানায় বসে রয়েছেন তারা।

এ নিয়ে কথা হলো বেশ কিছু হতভাগ্য শ্রমিকের সঙ্গে।

তারা বাংলানিউজকে জানান, এই হাত দিয়েই আমরা ব্রাজিল বিশ্বকাপের জার্সি বানিয়েছি। আমাদের হাতে তৈরি হওয়া জার্সি পড়ে খেলেছেন ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা। অথচ আমরাই আজ নিগৃহীত!

তারা বলেন, আমাদের দেখার কেউ নেই। আমরা তো সাহায্য চাচ্ছিনা আমরা আমাদের পরিশ্রমের মজুরি নিতে এসেছি। তবুও কেনো আমরা তা পাবো না!

বেশ কয়েকজন শ্রমিক কান্না করতে করতে বলেন, আমাদের তো সব শেষ হয়ে গেছে, যতদিন যাবে যাক, আমাদের টাকা না দিলে কারখানা ছাড়বো না আমরা।

জানা যায়, তুবা গ্রুপের পাঁচটি কারখানা তুবা ফ্যাশন, তুবা টেক্সটাইল, তুবা বুকশান, মিতা ডিজাইন ও টাইপ ডিজাইন। এই সবগুলোই বাড্ডায় অবস্থিত।

এ ৫ কারখানায় প্রায় ১৬শ’ শ্রমিক কাজ করেন। গত তিন মাস ধরে এই শ্রমিকরা কোনো বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।

দেশের জাগ্রত সমাজ,আপনাদেরকেই বলছি, আমরাঅতি সাধারণ গার্মেন্টস শ্রমিক,আমাদের রক্ত পানি করা শ্রমেরবিনিময়ে প্রতিবছর দেশের মো...
27/07/2014

দেশের জাগ্রত সমাজ,
আপনাদেরকেই বলছি, আমরা
অতি সাধারণ গার্মেন্টস শ্রমিক,
আমাদের রক্ত পানি করা শ্রমের
বিনিময়ে প্রতিবছর দেশের মোট
আয় এর শতকরা ৭৫+ ভাগ অর্থ
আমরা এনে দিচ্ছি। বিনিময়ে
পাচ্ছি সবার অবহেলা, দারিদ্রতা,
ক্ষুধা আর অকাল মৃত্যু। সারামাস
শ্রম দিয়ে মাস শেষে দুরু দুরু বুকে
উতকন্ঠায় থাকি, এ'মাসেও যদি
এমডি স্যার এসে বলে উনার ব্যাবসা
লস তাই আমাদের বেতন দিতে
পারছে না!!! আর আমাদের জীবনের
মূল্য? ভাই হাসাইলেন। আমরাও
একটা মানুষ আর তেলাপোকাও
একটা পাখি!!! এমডি স্যারের নিত্য
নতুন সব গাড়ী কিনার টাকা হয়!
ঠান্ডা লাগলে সিংগাপুর গিয়ে
চিকিৎসা করানোর টাকার অভাব
নাই!! কিন্তু আমাদের নিরাপত্তার
জন্য একটা আগুন নিভেনোর যন্ত্র
কিনতে বলেন, দেখবেন উনার
কত অভাব!!!
যাই হোক ঈদে বাড়ি যাচ্ছেন?
যান ভাই, দোয়া করি ভাবী বাচ্চাদের
নিয়ে সুস্থ ভাবে ফিরে আসেন, ভাবী
বললাম দেখে আবার রাগ করবেন না,
আমরাও কিন্তু মানুষ। আচ্ছা ভাই
এই যে আমরা এত পরিশ্রম করছি,
দেশ এর দশের উন্নতি করছি, কিন্তু
বিনিময়ে এত অবহেলা :'(
ভাই আপনারা না শিক্ষিত সমাজ?
আপনাদের বিবেক কি একটুও
নাড়া দেয়না? মানবতা বলে কি
কিছুই নেই আপনাদের?
তবে কি আমরা মানবতা পাওয়ারো
যোগ্য নই? এতটাই নগন্য আমরা???
থাক আর ভ্রু কুচকাইয়েন না। চলে
যাচ্ছি, আর বিরক্ত করবনা। যাবার
আগে একটাই প্রশ্ন রেখে যাই,
"ঈদের নামাজ শেষে মিষ্টি মুখ
করার সময় একবার ভেবে দেখবেন,
যাদের রক্ত পানি করা অর্জিত টাকায়
চলছে পুরো দেশ, তাদের শিশুরা
আজ মা-বাবারা পাওনা বেতন না
পাওয়ায় ক্ষুধার্ত অসহায় চোখে
তাকিয়ে আছে রাস্তার ধারে ওই
বিজ্ঞাপন বোর্ড এর সেমাইয়ের ছবি,
পাশে নতুন পোষাকের রকমারি
সব বিজ্ঞাপনের দিকে, তাদের
চোখের ওই নিরব বেদনার কথা
মনে হওয়ার পর এখনো কি সত্যি
আপনি পাচ্ছেন আপনার ওই
মিষ্টির স্বাদ? খাবার সময় একটু
মনে করবেন কথাগুলো। দেখুনত
মিষ্টি গুলোর স্বাদ তেত লাগছে কিনা?"
নাহ লাগবেনা, লাগতে পারেওনা,
কারন আপনারা হচ্ছেন শিক্ষিত
জাগ্রত সমাজ। গাজার শিশুদের
লাশ আপনাদের কষ্ট দেয়, কিন্তু
আপনাদের আশেপাশে থাকা
মানবতা বঞ্চিত মানুষ গুলোর সাথে
এহেন অন্যায় আপনাকে একটুও
নাড়া দিবে না। কারন আমরা
আপনাদের ই অমানুষিকার ফসল।

-একজন গার্মেন্টস শ্রমিক/Az

গার্মেন্টস মানেই সাড়া মাস হার ভাংগা পরিশ্রম, মাস শেষে বেতনের অনিশ্চয়তা,  জীবনের নাই কোন নিরাপত্তা...কিন্তু যেখানে আছে ...
27/07/2014

গার্মেন্টস মানেই সাড়া মাস হার ভাংগা পরিশ্রম, মাস শেষে বেতনের অনিশ্চয়তা, জীবনের নাই কোন নিরাপত্তা...
কিন্তু যেখানে আছে কমপ্লায়ান্স টিম সেখানে কেন থাকবে ওই চিত্র? এই প্রশ্নের জবাব এই ছবিটি।

ছবিটি ডিসাং সোয়েটার লি:, গাজীপুর থেকে নেয়া। কমপ্লায়েন্স এর আলোকে পরিচালিত হওয়া এই ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা অত্যন্ত সফলতার সাথে সম্পন্ন করেছে একের পর এক শীপমেন্ট। একই সাথে পাশ করেছে Alliance, GEMO, SEARS মত কঠিন সব অডিট। বেতন - বোনাস পেয়েছে অনেক আগেই। আজ আরো ২০ দিন করে অগ্রিম বেতন নিয়ে হেসে খেলে, নেচে গেয়ে চলে গেলো আপনজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে।
আমরা কি আশা করতে পারিনা যে প্রতিটা গার্মেন্টস এভাবে কমপ্লায়েন্স এর আলোকে গড়ে উঠুক

Address

Kashimpur
1704

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Garments & Labour Law posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share