29/04/2026
মাদরাসার মেইন গেইটের ডিজাইনটি কেমন লাগছে। পরামর্শ চাই।
একটি আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
29/04/2026
মাদরাসার মেইন গেইটের ডিজাইনটি কেমন লাগছে। পরামর্শ চাই।
18/04/2026
দেশে শত শত হিফজ মাদ্রাসা আছে,
হিফজ পড়া হাজার হাজার ছাত্রও আছে,
এর মধ্যে শতকরা প্রায় ৮০% ছাত্র হিফয
শেষ করে কিতাবী লাইনে সামান্য লিখাপড়া করে অথবা বন্ধ করে দেয়,
যে কারনে তারা অধিকাংশই তালিম তর্বিয়্যত
আদব আখলাক, মোআমালাত মোআশারাত
তথা নৈতিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়,
যা তার জন্য হাফেজ হওয়ার চাইতেও বেশি জরুরি ছিল,
তারা একাধিক উস্তাদের সংস্পর্শ পায় না,
বা একাদিক উস্তাদের কাছে যেতে পারে না
মূলত সেই কারনেই এই ঘাটতি টা রয়ে যায়।
সচরাচর দেখবেন না একজন আলেম
বখাটে স্টাইলে চুল রাখতে, বা রাস্তাঘাটে কানে হেডফোন লাগিয়ে হাটতে, কিন্তু হাফেজ সাহেবদের বেলায় এটা সাধারণ ব্যাপার, (ইল্লা মাশাআল্লাহ)
এমনও দেখেছি আলেম উলামা গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের আলোচনা চলছে কিন্তু হাফেজ সাহেব নির্দ্বিধায় কানে হেডফোন লাগিয়ে রেখেছে যা একজন আলেমের পক্ষে কখনো কল্পনাও করা যায় না।
১০ বছর খেদমত জীবনে বহু হাফেজ এর সাথে উঠাবসা পরিচিতি হয়েছে বা হচ্ছে, এদের অধিকাংশেরই চালচলন ছিল বাজে ধরনের, গায়রতহীন ভাবে চলাফেরা করা বা একটু পাতলামী পাগলামীর অভ্যেস থাকা
এই সবগুলো সংকটের একটাই কারন
তালিম তর্বিয়্যত বা নৈতিক শিক্ষার অভাব।
আজ চারও দিকে ভাল নামি-দামী হিফজ প্রতিষ্ঠান আছে, তারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতার নামে ডিব্বাডাব্বা পুরস্কারের কানামাছি খেলা আর তোতাপাখির মতো বলতে পারা কিছু অক্ষর শিক্ষা দিয়ে ছাত্রদের থেকে মাসে ৪.৫ হাজার টাকা ব্যবসা করতে পারলেই নিজেকে পৃথিবীর সেরা শিক্ষক ভেবে প্রশান্তির ডেকুর তুলেন, অথচ ঐদিকে একজন ছাত্র হাফেজ হওয়ার পরও তার জীবন যেন অন্ধকার ই রয়ে যায়, না জানে দ্বীন সম্পর্কে ভালো কিছু, না জানে কোরআন হাদিস সম্পর্কে ভালো কিছু।
এমনও দেখেছি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের হাফেজ অথচ বাংলাতে ভাল করে নিজের নামটা পর্যন্ত লিখতে পারে না।তার এই ধ্বজভঙ্গ জীবন দিয়ে এই সমাজে চলার উপায় কি?
আপনি শিক্ষক হিসেবে তাকে সধু তোতা পাখির মত পড়তেই বললেন? সার্বিক দিকে খেয়াল রাখা কি প্রয়োজন ছিল না? মূলত ছাত্রদের আদব আখলাক, দায়িত্ববোধ, নৈতিক শিক্ষা খুব কমই শিক্ষা দেওয়া হয়, যেটা সহজেই হিফজ ছাত্রদের পরবর্তী সময়ে চালচলন কে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলে। (ইল্লা মাশাআল্লাহ )
সুতরাং প্রত্যেকটা হিফজ শিক্ষকদের উপর আবশ্যক তার ছাত্রদেরকে লিখাপড়ার চাইতেও আদব আখলাক, তালিম তরবিয়ত, দায়িত্ববোধ চালচলেনের দিকে কঠোর ভাবে গুরুত্ব দেওয়া।
কারন শতকরা ৮০% ছাত্র হাফেজ হয়েই ঝরে যায়, পরবর্তীতে এমন ভাবে সে বিধ্বস্ত হয় বুঝার উপয় থাকেনা সে একজন কোরআনের হাফেজ।
আপনি যদি শুধু তোতা পাখির মত পড়তেই ব্যস্ত থাকেন, তারা এগুলো কখন শিখবে একটু কি ভাবা দরকার মনে করেন না জনাব?
এই দায় কি এরাতে পারবেন?
আবার কিছু শিক্ষক আছেন প্রতিযোগিতার জন্য অনেক ছাত্রকে হিফজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরও আটকে রাখেন, এটা তার জীবনের উপর আপনি জুলুম করলেন আপনি একজন স্বার্থবাদী জালেম।
হাফেজ হোক বা না হোক,
একজন ছাত্রের ১২ থেকে ১৪ বছর হলেই তাকে কিতাবি লাইনে পড়ার জন্য transfer করে দিন,
তার জীবনটা হয়তো কাজে লাগবে।
সে ধীরে ধীরে হাফেজ হোক বা আপনার ছাত্র প্রয়োজনীয়তা সেই কারণে তার সময়টাকে নষ্ট করছেন, But why? কেনো তার জীবনকে আপনি ধ্বংস করবেন?
আমি ছোট মানুষ,
খুবই দুঃখিত কঠোর ভাবে বলার জন্য,
আসলে দেখতেছি এই বিষয়টা নিয়ে কেও মুখ খুলে না, জানি না কার কি স্বার্থ রয়েছে এতে,
কিন্তু বড় একটা জেনারেশন হিফজখানায় পড়ে অজান্তেই নিজের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক,
এবং হাফেজ হওয়ার পাশাপাশি আলেম হওয়ারও তাফিক দন করুন। আমীন
Copy post
কাজ দ্রুতই এগিয়ে যাচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ
05/01/2026
খেওড়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসায় আজ অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন শিক্ষাবর্ষের বই বিতরণের মাধ্যমে তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে উদ্দীপনা ও আগ্রহ সৃষ্টি করাই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার সম্মানিত ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেন এবং শিক্ষা ও নৈতিক চরিত্র গঠনের গুরুত্ব সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় তাঁরা বলেন, বইই হলো জ্ঞান অর্জনের প্রধান মাধ্যম এবং একটি আলোকিত জাতি গঠনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।
উক্ত অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ ও সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অভিভাবকরা এমন উদ্যোগের জন্য মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।
শেষে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। আল্লাহ তায়ালা এই প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর অগ্রগতি দান করুন এবং শিক্ষার্থীদের দ্বীনি ও দুনিয়াবি জ্ঞানে সমৃদ্ধ করুন—আমিন।
20/12/2025
খেওড়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ আজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি জনাব মামুন অর রশিদ এর উপস্থিতিতে এবং সেক্রেটারি জনাব মাহবুব আল হাদি এর দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে এই শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন হয়।
আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করি—এই মহতী উদ্যোগের মাধ্যমে দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে মাদ্রাসাটি আরও এগিয়ে যাবে এবং এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে তিনি উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।
🖤 শোক সংবাদ 🖤
খেওড়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষক
মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সাহেবের শ্রদ্ধেয় আম্মা
আজ বেলা ১০:০০ ঘটিকায় ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে আমরা মরহুমার মাগফিরাত কামনা করছি।
আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁর সকল গুনাহ ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ও সান্ত্বনা দান করেন—আমিন।
খেওড়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে মরহুমার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। 🤲🖤
17/12/2025
খেওড়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার দখলকৃত জমিসহ সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়টি গ্রামের দুই ওয়ার্ডের সম্মানিত মেম্বার ও গুণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে গ্রাম্য শালিশের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হওয়ায় আমরা মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি।
এই মহৎ ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে যাঁরা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন—সম্মানিত মেম্বারবৃন্দ, গুণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
আল্লাহ তায়ালা সবাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।
সুতরাং! আগামী শনিবার থেকে মাদ্রসার দ্বিতীয় ভবনের কাজ শুরু হতে আর কোন বাধা রইল না।
16/12/2025
🇧🇩 মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন 🇧🇩
খেওড়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুরআন তেলায়ত প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার সম্মানিত সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব মামুন অর রশিদ।
মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষক হাফেজ ও ক্বারি মাওলানা সানাউল্লাহ সাহেবের সুশৃঙ্খল পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন খেওড়া বাইতুর রহমত জামে মসজিদের সম্মানিত ইমাম জনাব মাওলানা আমির হুসাইন সাহেব। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করেন।
🤲 আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে হেফাজত করুন—আমিন।
30/11/2025
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য খেওড়া দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেনী, নূরানী, নাজেরা ও হেফজ বিভাগ।