Benipurian Alumni & Community

Directions Contact the school

Benipurian Alumni & Community স্মৃতি, বন্ধন ও ভালোবাসায় আমরা বেণীপুরিয়ান। 🤝
An independent alumni & community page — not affiliated with the school administration.

গভীর শোক সংবাদ!অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি যে, আমাদের বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৯৮১ ব্যাচের চিরচেনা, ...
05/09/2026

গভীর শোক সংবাদ!

অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি যে, আমাদের বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৯৮১ ব্যাচের চিরচেনা, অত্যন্ত প্রিয় মুখ সদা হাস্যজ্বল আবু তসলিম ভাই আর আমাদের মাঝে নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আজ বিকাল ৪ ঘটিকার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি শৈলকুপা উপজেলার অন্তর্গত সারুটিয়া ইউনিয়ন এর পুরাতন বাখরবার গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে বেণীপুর বহুমুখী বিদ্যালয়ে পড়তে আসতেন। তিনি কেবল বেণীপুরিয়ান বড় ভাই-ই ছিলেন না, ছিলেন একজন খাঁটি সংস্কৃতিমনা মানুষ, অনন্য সাহিত্যিক ও কবি। তাঁর ক্ষুরধার লেখনী, কবিতা আর সাহিত্যরসে তিনি সবসময় আমাদের মুগ্ধ রাখতেন।

সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি সমাজসেবায় তাঁর অবদান ও সহমর্মিতা আমাদের হৃদয়ে চিরকাল ভাস্বর হয়ে থাকবে। তাঁর এই প্রয়াণে আমরা এক আলোকময় ও উদার প্রাণকে হারালাম।

মহান আল্লাহর দরবারে আকুল প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদের তসলিম ভাইকে মাফ করে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ স্থান দান করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এ অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দেন। আমিন।

সংযুক্ত ছবিটি দুদিন আগে তার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে নেওয়া। ছবিটির ক্যাপশানে তার চিরচেনা ক্ষুরধার লেখনী একটি কবিতাও ছিলো-

"রোপন!

এখন বৃক্ষ রোপনের সময়...
রুয়ে দাও কাঠ কি়ংবা ফলের বৃক্ষ চারা!
দিশাহারা বাতাসে, আলোতে বাড়ুক তারা।
নশ্বর পৃথিবীতে
অবিনশ্বর প্রশান্তি পেতে হলে
এসো, বস রোপিত বৃক্ষের তলে!
তুমিও বৃক্ষেরই মত রোপিত ছিলে
তুমি ফলবান হও তবে চলে যাবে
সময় ফুরোলে..!!"

আমাদের বিদ্যালয়! আমাদের আবেগ!! আমাদের ভালবাসা!!!আসুন এগিয়ে নিই একসাথে।
30/08/2026

আমাদের বিদ্যালয়! আমাদের আবেগ!! আমাদের ভালবাসা!!!
আসুন এগিয়ে নিই একসাথে।

🔥 পরাজয় মানেই শেষ নয়, পরাজয় থেকেই শুরু হোক জয়ের নতুন গল্প! 🚀প্রিয় বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর এসএসসি ২০২৭...
24/08/2026

🔥 পরাজয় মানেই শেষ নয়, পরাজয় থেকেই শুরু হোক জয়ের নতুন গল্প! 🚀

প্রিয় বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর এসএসসি ২০২৭ ব্যাচের ভবিষ্যৎ স্বপ্নবাজরা,

সংবাদমাধ্যমের (কালের কণ্ঠ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারির পরিবর্তে মার্চে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া বা চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

অর্থাৎ, হাতে থাকা সময়েই লুকিয়ে রয়েছে বড় পরিবর্তনের সুযোগ!

২০২৬ সালের ফলাফলের চিত্রটা হয়তো আমাদের অনেকের জন্যই প্রত্যাশিত ছিল না।

তবে মনে রাখবে, পতনই একজন যোদ্ধাকে শক্তিশালী করে তোলে। পেছনের খারাপ রেজাল্ট কোনো ব্যর্থতা নয়; বরং এটি ২০২৭ সালে বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম নতুন করে উজ্জ্বল করার সবচেয়ে বড় উদ্দীপনা!

আমাদের ফেলে আসা ভুলগুলোই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক। আগামী এসএসসি ২০২৭ পরীক্ষায় নতুন ইতিহাস গড়তে এখন থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করার সময়।

🏆 জয়ের মন্ত্র (আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ):

পরাজয়কে শক্তিতে রূপান্তর: অতীতের দুর্বলতাগুলোকে চিহ্নিত করো এবং আজ থেকেই সেগুলোকে শক্তিতে পরিণত করার কাজ শুরু করো।

সময়কে কাজে লাগানো: পরীক্ষা এগিয়ে আসায় আমাদের প্রতিটি দিন ও ঘণ্টার সঠিক হিসাব রাখতে হবে।

নিয়মিত ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তুতি: প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করার কঠোর অনুশীলন গড়ে তোলো।

শিক্ষকদের নির্দেশনা: যেকোনো সমস্যায় বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রিয় শিক্ষকদের পরামর্শ নাও—তাঁরা সবসময় তোমাদের পাশে আছেন।

দৃঢ় মানসিকতা: বিশ্বাস রাখো, কঠোর পরিশ্রম এবং সময়োপযোগী পরিকল্পনা থাকলে কোনো বাধাই তোমাদের থামাতে পারবে না।

কিছু ধাক্কা আমাদের গতি কমিয়ে দিতে পারে, কিন্তু আমাদের গন্তব্য বদলে দিতে পারে না।

চলো, অতীতের সব হতাশা পেছনে ফেলে আগামী দিনে নিজেদের সেরা সংস্করণ তৈরি করি। ২০২৭ এর এসএসসি পরীক্ষার প্রতিটি ফলাফলেই যেন ফুটে ওঠে বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প!

উজ্জ্বল করো নিজের ভবিষ্যৎ, আলোকিত করো সমাজ, পিতা মাতা ও স্কুল সংশ্লিষ্ট সকলের গৌরবের কারন হও✊

💪 আমরা পারব, আমাদের পারতেই হবে! 🎓🌟

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নজরদারিতে 'সামাজিক যোগ...
19/08/2026

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নজরদারিতে 'সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি' গঠন করেছে সরকার।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইংয়ের পরিচালক অধ্যাপক টিপু সুলতানকে।

সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে নির্দেশিকা পরিপন্থী, আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য কোনো কনটেন্ট নজরে এলে তা স্ক্রিনশটসহ কমিটির আহ্বায়কের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের 'সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারসংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)' এবং সরকারি আচরণবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা আবশ্যক। এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা পরিবীক্ষণের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, মাউশির আওতাধীন কোনো সদস্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দেশিকা পরিপন্থী স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও, পোস্ট বা অন্য কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা প্রচার করলে তা নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কমিটির আহ্বায়ককে জানাতে বলা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নাম, পদবি ও কর্মস্থল, ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের লিংক, পোস্ট প্রকাশের তারিখ ও সময় এবং পোস্টের স্ক্রিনশট বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ পাঠাতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব তথ্য কমিটির আহ্বায়কের ই-মেইল ঠিকানা [email protected]এ পাঠাতে হবে।

মাউশির সব পরিচালক, আঞ্চলিক পরিচালক, অধ্যক্ষ, সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট এবং মহাপরিচালকের পিএকে চিঠিটির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

কয়েক সপ্তাহ আগে গাইবান্ধার পিয়ারাপুর হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকে এক ছাত্র চেয়ার উঁচিয়ে হামলা চালায়। বিভিন্ন জায়...
19/08/2026

কয়েক সপ্তাহ আগে গাইবান্ধার পিয়ারাপুর হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকে এক ছাত্র চেয়ার উঁচিয়ে হামলা চালায়। বিভিন্ন জায়গায় এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে শিক্ষকদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়েছে।

গত বছর কোথাও প্রধান শিক্ষককে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। এমনকি শিক্ষার্থীদের আচরণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে একজন শিক্ষকের মৃত্যুর খবরও এসেছে।

চুয়াডাঙ্গায় এক অভিভাবক স্কুলে ঢুকে প্রধান শিক্ষিকাকে থাপ্পড় মারেন। আন্দোলনের সময় শিক্ষকদের গায়ে গরম পানি ছুড়ে মারার ঘটনাও ঘটেছে।

সম্প্রতি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রানী পাল ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার আগে মেঘলা আকাশ ও ঝোড়ো হাওয়া দেখে একটি ছোট ভিডিও করেন।

সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর হাজারো মানুষ তাঁকে নিয়ে সাইবার বুলিং ও অশ্লীল মন্তব্য করতে শুরু করে। এসব কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এগুলো আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক সংস্কৃতির গভীর অসুস্থতার লক্ষণ।

গত দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও শিক্ষককে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা, হেনস্তা করা কিংবা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

পরিস্থিতি যেন রবীন্দ্রনাথের সেই কথারই প্রতিফলন, ‘যা কিছু হারায়, গিন্নি বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর’।

আজ শিক্ষকই যেন সবচেয়ে সহজ টার্গেট। পরীক্ষা পেছাবে কি না, শিক্ষানীতির সিদ্ধান্ত কী হবে কিংবা প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায় কোথায়—এসবের বেশির ভাগই শিক্ষকের নিয়ন্ত্রণে থাকে না।

তবু সব ক্ষোভ, সব দোষ, সব ব্যর্থতার বোঝা তাঁর কাঁধেই চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা আজ শুধু নীতিগত নয়, মূল্যবোধেরও গভীর সংকটে।

আমরা কোনো ব্যক্তি—তিনি শিক্ষক, মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা কিংবা সাধারণ নাগরিক—কাউকেই অশ্লীল ভাষায় গালাগাল বা হেনস্তা করার সংস্কৃতিকে সমর্থন করতে পারি না।

মতভেদ, প্রতিবাদ ও সমালোচনা অবশ্যই থাকবে; কিন্তু একটি সভ্য সমাজে সেগুলোরও একটি ভাষা ও সীমা থাকা উচিত। আজ প্রশ্ন জাগে, এই দেশে শিক্ষকের অবস্থান আসলে কোথায়?

মাত্র ৩০ বছর আগেও বাংলাদেশে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক ছিল অনেক বেশি শ্রদ্ধা, স্নেহ ও পারস্পরিক সম্মানের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

মতবিরোধ ছিল, প্রতিবাদও ছিল; কিন্তু তা প্রকাশ পেত যুক্তি, ভাষার সৌন্দর্য, সাহিত্য, কবিতা কিংবা শালীন সমালোচনার মাধ্যমে।

আজ সেই জায়গা দখল করেছে গালাগাল, অপমান, হুমকি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা।

একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা হলো, আজ অনেকেই শিক্ষককে অপমান করে জনপ্রিয় হতে চান।

কোনো সরকারি কর্মকর্তা শ্রেণিকক্ষে ঢুকে শিক্ষকের ভুল ধরিয়ে ভিডিও প্রকাশ করেন। কোনো অভিভাবক স্কুলে গিয়ে শিক্ষককে হুমকি দেন বা মারধর করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে করতালি পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। প্রশ্ন হলো, একটি পেশাকে অপমান করে আমরা আসলে কী অর্জন করছি?

উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়া বা যুক্তরাষ্ট্রের বহু বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আধুনিক পাঠদানের কৌশল শেখানো হয়, অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করতে উৎসাহ দেওয়া হয়, উদ্ভাবনী শিক্ষণ-পদ্ধতি একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়।

ভালো শিক্ষককে সম্মানিত করা হয়, তাঁকে অন্যদের জন্য অনুসরণীয় হিসেবে তুলে ধরা হয়। কারণ, তাঁরা জানেন, একজন ভালো শিক্ষক তৈরি হন প্রশিক্ষণ, সহযোগিতা ও সম্মানের মাধ্যমে; অপমানের মাধ্যমে নয়।

শিক্ষকদের কি ব্যক্তিগত জীবন থাকতে নেই? তাঁরা কি হাসতে পারবেন না, গান গাইতে পারবেন না, ছবি তুলতে পারবেন না, ফুটবল খেলতে পারবেন না কিংবা স্বাভাবিক আনন্দময় জীবন যাপন করতে পারবেন না?

একজন শিক্ষক কি শুধুই একটি পেশাগত পরিচয়ে সীমাবদ্ধ, নাকি তিনি একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষও?

আমাদের সমাজে যেন একটি অলিখিত ধারণা তৈরি হয়েছে, শিক্ষককে সব সময় কষ্টে থাকতে হবে, কম বেতনেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে, সব সময় গম্ভীর ও নিরানন্দ থাকতে হবে।

অথচ একজন সুখী, মানসিকভাবে সুস্থ ও সৃজনশীল শিক্ষকই একজন ভালো শিক্ষক হতে পারেন। যে সমাজ তার শিক্ষকদের স্বাভাবিক জীবনযাপনের অধিকারকে সম্মান করে না, সে সমাজ কখনো মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগ হতে হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, মেধাভিত্তিক এবং প্রতিযোগিতামূলক।

কোনো ধরনের দলীয় বা ব্যক্তিগত প্রভাব নয়-প্রার্থীর শিক্ষাজীবনের ফলাফল, গবেষণা, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা, উপস্থাপনা দক্ষতা, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সক্ষমতা এবং সাক্ষাৎকারের সামগ্রিক মূল্যায়নের ভিত্তিতেই নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

একই সঙ্গে শিক্ষকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তাঁরা কতটা আন্তরিকতার সঙ্গে পাঠদান করছেন, শিক্ষার্থীদের শেখাতে পারছেন কি না, আধুনিক শিক্ষণ-পদ্ধতি ব্যবহার করছেন কি না—এসব বিষয়ে নিয়মিত একাডেমিক মূল্যায়ন ও সহায়ক মনিটরিং ব্যবস্থা থাকতে পারে।

কিন্তু সেই মূল্যায়নের ভাষা হতে হবে পেশাদার, সম্মানজনক এবং আইনসম্মত।

কোনো অবস্থাতেই শিক্ষককে গালাগাল করা, প্রকাশ্যে অপমান করা, জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা কিংবা শারীরিকভাবে হেনস্তা করা একটি সভ্য রাষ্ট্রে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। দেশে আইন আছে, আদালত আছে, প্রশাসনিক ও বিচারিক ব্যবস্থা আছে। অভিযোগ থাকলে তার সমাধানও আইনের মাধ্যমেই হতে হবে।

মব, হামলা, ভাঙচুর কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চরিত্রহনন—এসব কোনো সভ্য সমাজের ভাষা হতে পারে না।

বাংলাদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামের একজন স্কুলশিক্ষকের টিনের ঘরে আজও বর্ষার রাতে বৃষ্টির পানি পড়ে।

অথচ সেই শিক্ষকেরই একসময়ের ছাত্র আজ কানাডার টরন্টোতে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে একটি সচ্ছল জীবন কাটাচ্ছে।

এটাই শিক্ষকতার মহত্ত্ব—নিজে সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকেও অন্যের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আর কত দিন?

যদি শিক্ষকদের জীবনমান উন্নত না হয়, তাহলে মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসবেন না। যদি শিক্ষকতার সামাজিক মর্যাদা কমতে থাকে, তাহলে এই পেশা আর সেরা মেধার মানুষদের আকর্ষণ করবে না।

এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায়, আর সেই দুর্বল ভিত্তির ওপর কখনোই একটি শক্তিশালী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে না।

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে শিক্ষক সম্মান নিয়ে বাঁচবেন, শিক্ষার্থী আনন্দ নিয়ে শিখবে এবং বিদ্যালয় হবে সৃজনশীলতা, মানবিকতা ও জ্ঞানের প্রাণকেন্দ্র।

একটি আনন্দময় শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি হলো একজন আনন্দময়, নিরাপদ এবং সম্মানিত শিক্ষক। শিক্ষককে মর্যাদা দেওয়া কোনো পেশাকে সম্মান জানানো নয়; এটি একটি জাতির ভবিষ্যতের ওপর বিনিয়োগ।

সুত্র: দৈনিক প্রথম আলো

পতনের আঘাত থেকেই শুরু হোক ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়! ❤️🌱গতকাল প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬ (শৈলকূপা উপজেলা) এর ফলাফলে আম...
11/08/2026

পতনের আঘাত থেকেই শুরু হোক ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়! ❤️🌱

গতকাল প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬ (শৈলকূপা উপজেলা) এর ফলাফলে আমাদের প্রিয় শতবর্ষী ও ঐতিহ্যবাহী বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর অবস্থান আমাদের সবার হৃদয়কে ব্যথিত করেছে।

১৩৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ৪৭ জন, পাসের হার ৩৪.৫৫%। এমন একটি গৌরবোজ্জ্বল ও ঐতিহ্যে ঘেরা প্রতিষ্ঠানের জন্য এই ফল নিঃসন্দেহে হতাশাজনক ও চিন্তার বিষয়।

তবে, "দাগ থেকে যদি ভালো কিছু হয়, তবে তা নিশ্চয়ই নতুন দৃষ্টান্ত গড়বে!" ✨

আজকের এই কঠিন পরিস্থিতি আমাদের থামিয়ে দেওয়ার জন্য নয়, বরং ভুলগুলো শুধরে নতুনভাবে জেগে ওঠার এক তীব্র তাগিদ! আমাদের এই প্রিয় বিদ্যাপীঠের শতবছরের যে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সম্মান রয়েছে, তা রক্ষা করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।

উদ্বেগের পাশাপাশি আশার আলো এই যে—দেশ ও বিদেশে প্রতিষ্ঠিত বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রবীন ও নবীন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যেই এই সংকট উত্তরণে সোচ্চার হয়েছেন। আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এই ভরাডুবি থেকে উত্তরনে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সম্মিলিত উদ্যোগে নিবেদিত থাকবো।

বিদ্যালয়ের সম্মান পুনরুদ্ধার এবং শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবক, পরিচালনা পর্ষদ এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের যৌথ উদ্যোগে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সময়ের দাবি।
লক্ষ্য ও আগামী দিনের করণীয়:
১. ফলাফলের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ ও দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ।
২. বিশেষ কোচিং, নিয়মিত টিউটরিয়াল ক্লাস ও অতিরিক্ত কেয়ারের ব্যবস্থা করা।
৩. প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা ও নির্দেশনায় বিশেষ মেন্টরশিপ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রদান।
৪. শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে নিয়মিত মতবিনিময় সভা পরিচালনা।

ইতিহাস সাক্ষী—বড় পরাজয়ের পরই রচিত হয় সবচেয়ে বড় জয়ের গল্প। এই সাময়িক বিপর্যয় কাটিয়ে বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় আবার তার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনবে এবং উপজেলার অন্যতম শীর্ষ স্থানে নিজেকে অধিষ্ঠিত করবে—এই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস ও অঙ্গীকার।

আসুন, আক্ষেপ না করে সবাই হাত ধরাধরি করে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রিয় বিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ে একতাবদ্ধ হই।

প্রিয় ও সম্মানিত বর্তমান ও প্রাক্তন বেনীপুরিয়ানবৃন্দ,আমাদের প্রিয় বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রত...
10/08/2026

প্রিয় ও সম্মানিত বর্তমান ও প্রাক্তন বেনীপুরিয়ানবৃন্দ,

আমাদের প্রিয় বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়—এটি আমাদের শৈশবের স্মৃতি, আমাদের আবেগ, আমাদের পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বিদ্যালয়ের সুনাম ও সাফল্য যেমন আমাদের গর্বিত করে, তেমনি এর ব্যর্থতাও আমাদের ব্যথিত করে।

এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল আমাদের সবাইকে গভীরভাবে হতাশ ও উদ্বিগ্ন করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ইতোমধ্যে অনেক আলোচনা, হতাশা ও সমালোচনা হচ্ছে। সমালোচনা অবশ্যই প্রয়োজন—কারণ ভুল ও দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত না করলে পরিবর্তন আসে না। কিন্তু শুধু সমালোচনার মধ্যেই যদি আমরা সীমাবদ্ধ থাকি, তাহলে হয়তো সমস্যার প্রকৃত সমাধান খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে।

তাই আসুন, আমরা প্রশ্ন করি—
কেন এই ফল বিপর্যয় ঘটল? কোথায় আমাদের ঘাটতি? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—এখান থেকে উত্তরণের পথ কী?

সম্মানিত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই আজ শিক্ষা, প্রশাসন, ব্যবসা, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত। আপনাদের অভিজ্ঞতা, পরামর্শ ও সহযোগিতা আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আমরা জানতে চাই—
🔹 শিক্ষার্থীদের একাডেমিক দুর্বলতা আগে থেকেই শনাক্ত করতে কী করা যেতে পারে?
🔹 শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় কীভাবে বাড়ানো যায়?
🔹 নিয়মিত পরীক্ষা, ফলাফল মূল্যায়ন ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পাঠদানের ব্যবস্থা করা যায় কি?
🔹 প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মেন্টরিং, ক্যারিয়ার গাইডেন্স, শিক্ষা উপকরণ কিংবা অন্য কোনো কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে কীভাবে পাশে দাঁড়াতে পারেন?
🔹 বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান দীর্ঘমেয়াদে উন্নত করতে আর কী কী বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন?

আমরা কাউকে ছোট করতে চাই না, কাউকে দোষীও করতে চাই না। আমরা সমস্যাকে চিহ্নিত করে সমাধানের অংশ হতে চাই।

তাই সকল সম্মানিত বর্তমান ও প্রাক্তন বেনীপুরিয়ানদের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ—শুধু হতাশা বা সমালোচনা নয়, আপনার মূল্যবান মতামত, পরামর্শ ও বাস্তবসম্মত করণীয় কমেন্টে তুলে ধরুন।

বিদ্যালয়টি আমাদের—এর সাফল্য আমাদের গর্ব, আর এর সংকটে পাশে দাঁড়ানোও আমাদের দায়িত্ব।

আসুন, সমালোচনা থেকে সমাধানে যাই।
আসুন, অভিযোগের পাশাপাশি দায়িত্বও নিই।
আসুন, আবারও ঘুরে দাঁড়াক আমাদের প্রিয় বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। 🤝🏫

সকল বর্তমান ও প্রাক্তন বেনীপুরিয়ানের সুচিন্তিত মতামত প্রত্যাশা করছি।

ধন্যবাদ।

১৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৯ জন অকৃতকার্য, ভয়াবহ ফলাফল বিপর্যয় আমাদের প্রাণের বিদ্যালয়ে! নেই গোল্ডেন এ প্লাস, পাশের হার ...
10/08/2026

১৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৯ জন অকৃতকার্য, ভয়াবহ ফলাফল বিপর্যয় আমাদের প্রাণের বিদ্যালয়ে! নেই গোল্ডেন এ প্লাস, পাশের হার ৩৪%! 😭😭

ঐতিহ্য, ঐতিহ্য রক্ষা ও নতুন প্রত্যয়ের অঙ্গীকার কবে?

শ্রদ্ধেয় অভিভাবকবৃন্দ, শুভানুধ্যায়ী, প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং এলাকাবাসী,
১৯০৬ সাল। আজ থেকে ঠিক ১২০ বছর / দশযুগ আগে তৎকালীন শিক্ষানুরাগী কাঁচেরকোল জমিদার খান বাহাদুর কাজী ছরোয়ার উদ্দিন এবং অত্র অঞ্চলের মহৎ প্রাণ, শিক্ষা অনুরাগী দানবীর ড. হাবিবুর রহমানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও স্বপ্নে গড়ে উঠেছিল আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান—বেনীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

এই বিদ্যাপিঠ কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের গৌরব, ঐতিহ্য এবং শিক্ষার আলোকবর্তিকা।

একসময় দূর-দূরান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা ছুটে আসত এখানে শিক্ষার আলো নিতে, আর বছর শেষে তাদের কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলে আলোকিত হতো পুরো অঞ্চল।

কিন্তু আজকের বাস্তবতা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক।

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল আমাদের সবাইকে গভীরভাবে ব্যথিত ও চিন্তিত করেছে।

১৩৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৯ জনের অকৃতকার্য হওয়া কিংবা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না আসা—আমাদের শত বছরের ঐতিহ্যের সাথে কোনোভাবেই মানানসই নয়।

এই ফলাফল আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা এবং গভীর আত্মউপলব্ধির পথ উন্মোচন করছে আবারো! সেটি হলো আমাদের স্কুলের একটি এলামনাই গঠন করতেই হবে।

আমরা বিশ্বাস করি, অতীতের সাফল্য যেমন আমাদের অহংকার, আজকের এই বিপর্যয় আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় শিক্ষা।

এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়কে তার পূর্বের সুনামে ফিরিয়ে নিতে এবং শিক্ষার্থীদের সোনালী ভবিষ্যৎ গঠনে আমরা এখন থেকে জরুরি ও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারি:

🎯 আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার হতে পারে:

১. ফলাফলের গভীর পর্যালোচনা: বিষয়ভিত্তিক ফলাফলের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে কোথায় ঘাটতি ছিল তা চিহ্নিত করা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে বিশেষ নজর দেওয়া।
২. স্পেশাল রেমেডিয়াল ও কোচিং ক্লাস: দুর্বল শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি অতিরিক্ত মনোযোগ ও বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করা।
৩. অভিভাবক-শিক্ষক নিয়মিত মতবিনিময় (PTM): শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অগ্রগতি এবং উপস্থিতির বিষয়ে প্রতি মাসে অভিভাবকদের সাথে নিয়মিত বৈঠক ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
৪. পরীক্ষা ভীতি দূরীকরণ ও মডেল টেস্ট: বোর্ড পরীক্ষার আদলে নিয়মিত মানসম্মত মূল্যায়ন ও পরীক্ষা গ্রহণ, যাতে শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে পারে।
৫. প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সুধীজনের পরামর্শ গ্রহণ: বিদ্যালয়ের মান উন্নয়নে সাবেক শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও এলাকাবাসীর গঠনমূলক মতামত ও সহযোগিতা গ্রহণ করা।
যেমন, মাগরিবের আগে বাড়িতে ফিরে নামাজের পর বই নিয়ে বসা ছাত্রদের জন্য বাধ্যতামূলক করা। চায়ের দোকানে স্মোকিং করতে দেখা গেলে সন্ধ্যার পর আড্ডারত অবস্থায় পাওয়া গেলে সে সকল ছাত্রদের কে বোঝানো যে এগুলো করা ভালো না তা না হলে সামাজিক ভাবে নিবৃত্ত করা/ প্রতিহত করা, অভিভাবকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।

প্রিয় এলাকাবাসী ও শুভাকাঙ্ক্ষীগণ,
একটি প্রদীপের আলো নিভে গেলে তা আবার জ্বালিয়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার।
ঐতিহ্য শত বছরের, কিন্তু ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব আজকের। শিক্ষক, অভিভাবক, পরিচালনা পর্ষদ ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের যৌথ প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সহযোগিতায় বেনীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় আবার তার পুরোনো ঐতিহ্য ও সুনামে ফিরে আসবে—ইনশাআল্লাহ।

আসুন, এই দুঃসময়ে হতাশ না হয়ে আমাদের সন্তানদের পাশে দাঁড়াই এবং তাদের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করি।

💔 আবার এক নতুন লড়াই, তবে ভালোবাসার জোরে জয় আমাদেরই হবে: আমাদের প্রিয় রতন স্যারের জন্য প্রার্থনা 🖤বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমি...
08/08/2026

💔 আবার এক নতুন লড়াই, তবে ভালোবাসার জোরে জয় আমাদেরই হবে: আমাদের প্রিয় রতন স্যারের জন্য প্রার্থনা 🖤

বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটি ইট-কাঠ-পাথর আর হাজারো শিক্ষার্থীর হৃদয় যার স্মৃতিতে অমলিন, তিনি আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় বাবু দেবাশীষ বিশ্বাস রতন স্যার।

দু’বছর আগে নিয়মানুযায়ী অবসর গ্রহণ করলেও, স্যার কখনোই আমাদের মন থেকে অবসর নেননি।

স্যারের অবসরের দিনে অনুজ-অগ্রজ ছাত্রদের সেই অনারম্বর অথচ ভালোবাসায় সিক্ত বিদায় সংবর্ধনা প্রমাণ করেছিল—শিক্ষক আর শিক্ষার্থীর মধ্যকার সম্পর্ক কতটা গভীর হতে পারে!

আজ এক কঠিন সত্যের মুখোমুখি আমরা। আমাদের সেই প্রিয় রতন স্যার আবারও আক্রান্ত হয়েছেন এক দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে।

২০২১ সালে মুখের অভ্যন্তরের ক্যান্সারকে অসীম সাহসিকতায় জয় করে যিনি বিজয়ের হাসি নিয়ে আমাদের মাঝে ফিরে এসেছিলেন, আজ আবার তার দাঁতের মাড়িতে একটি নতুন ক্যান্সার জার্ম (Germ) শনাক্ত হয়েছে।
আগামী শুক্রবার স্যার সুচিকিৎসার জন্য ভারতে গমন করছেন।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—যে মানুষটি অতীতে একবার জীবনযুদ্ধে জয়ী হয়ে ফিরে এসেছিলেন, তিনি এবারও বিজয়ী হয়েই ফিরবেন।

স্যারের এই কঠিন সময়ে বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অনুজ, অগ্রজ শিক্ষার্থী, তার সহপাঠী এবং সকল শুভাকাঙ্ক্ষী এক হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে।

ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা স্যারের সাথে দেখা করে খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা যেন কোনো বিঘ্ন ছাড়াই সম্পন্ন হতে পারে, সে বিষয়ে সচেতন ও সোচ্চার রয়েছেন।

পাশাপাশি স্যারের অবসরোত্তর প্রাপ্য অর্থ যেন দ্রুত ছাড় হয়, সে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

স্যারের আত্মত্যাগ এবং শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার অবদান আমাদের জীবনে অতুলনীয়। আজ স্যারের এই লড়াইয়ে আমরা কেউ একা নই, স্যারও একা নন।

আবেদন ও প্রার্থনা:
আমরা বেণীপরিয়ান পরিবারের সদস্যসহ যে যেখানে আছি, সবার কাছে বিনীত অনুরোধ—

আসুন, সবাই এক হয়ে মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে স্যারের জন্য মন থেকে প্রার্থনা করি।

সৃষ্টিকর্তা যেন তাকে দ্রুত আরোগ্য দান করেন, চিকিৎসা প্রক্রিয়া সহজ করেন এবং আগের মতোই সুস্থ ও হাসিমুখে আবার আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনেন।

স্যার, আমরা আপনার পাশে আছি, আপনার ভালোবাসার ছাত্ররা সবসময় আপনার সাথে আছে। জয় আপনার হবেই! ❤️🙏


16/02/2026

"সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য হওয়া সত্বেও তিনি ছিলেন অতি সাধারণ "।
নন্দিত শিক্ষক এস.কিউ.আর. মাহাতাব ওয়ালীকে নিয়ে স্মৃতিচারণা।

কথা বলছেন,
জনাব মো: তোফাজ্জেল হোসেন
প্রাক্তন সিনিয়র শিক্ষক
বেণীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

#মননটেলিভিশন #ঐতিহ্য #শিক্ষা #বেনীপুরবহুমুখীমাধ্যমিকবিদ্যালয় #কাঁচেরকোল #শৈলকুপাউপজেলা #ইউএনওশৈলকুপা

Address

Benipur High School
Kancherkol
7320

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Benipurian Alumni & Community posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Benipurian Alumni & Community:

Shortcuts

Share

Category